( পুরাতন একখানা খাতায় পুরানো একটা গল্পের প্লট খুঁজছিলাম...উপন্যাস যেখানা লিখছি ..তাতে জোড়ার জন্য
তার ভেতর একটুকরো কাগজে ...এই কথাকবিতার মত টুকু চোখে পড়ল...ব্যস ...পোষ্টানোর জন্য ব্লগ তো আছেই///)
শেষ পর্যন্ত তাও হলো, যা কখনও হয়নি...
ফাটল কপাল; থুড়ি--কাটল কপাল।
নান্দনিক জ্যামিতিক নকশা , দুটি ক্ষত,
একটি আমার আর একটি আমার
নিখুঁত কপালের ঘোলাটে অহংকার।
ঘটনাটি গতকাল রাতের
কৃত্রিম আলোর মোহময় দূর্বলতার তরঙ্গে
যখন গা ভাসিয়েছিলাম...
মেঘের এক গুরু গর্জনে হঠাৎ মুখ লুকাল ভীরু বিদ্যুৎ,
আলোর তরঙ্গ হতে খসে পড়লাম স্বাভাবিকতার অন্ধকারে,
দৃষ্টি বাহিরে বস্তুভূবন ছেড়ে চলে গেল
উল্টোপথে স্মৃতির ভেতর।
স্মৃতি ছুঁয়ে ছুঁয়ে হাতরে চলি তমসা কালোয়,
হঠাৎ মোমবাতি আর ম্যাচ এর হিসাব কষে
স্মৃতি বিভ্রম , আর অবস্থানের হিসেব নিকাশে
অনাহুত গোলোযোগ অগোচরে।
টেবিলের উপর সেলফটা বেশী সামনে চলে এল
না আমিই বেশী কাছে তার ... হিসাব সে গরমিল;
এত এত ঝামেলা , কল্পনার মাঝে একটানা বিতৃষ্ণা
সব দখলদারিত্ব স্থাপন করেছে মনটাতে।
সেলফের কোনটা কপাল ছুঁয়ে গেল একটু প্রবল আকর্ষনেই,
ছিলে গেল...কপালে এঁকে দিল কপাল আমার
অনেকদিনের জন্য --চিহ্ণ ।
সে আমার এই দুর্বিসহ দুঃসময়ের নানা আলোড়ন,
নান যন্ত্রনায় দূর্বল স্মৃতির দূর্বলতা সে আমার
বিড়ম্বিত ভাগ্যের কল্প যুদ্ধের মাঝে বাস্তব যুদ্ধাঘাত।
শুরু হলো বুঝি কল্পনা হতে, ভাবনা হতে
বাস্তব আমার সাথে ভাবনার নতুন বিবাদ।
কপাল খারাপ হলে কত কিছু হয় ,
প্রিয় মানবী দূরে চলে যায়....
কত পকেট অনন্তকাল ফাঁকা রয়ে যায়।
পরাজয়ের ভারী আয়তনে বারবার তলিয়ে যায় দেহটাই....
তাই কপালের দুটো চিহ্ণতো অনেকটাই তুচ্ছ।
১১/০৫/০৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

