সময়টা ছিল গভীর রাত, দ্বিতীয় প্রহর
তোমাদের কাছে গভীর ঘুমের কাছে আত্মসমর্পনের সময়
অথচ ঘুম আমার চারপাশে ঘুরপাক খায় , ছুঁতে ভয় পায়,
তাই বলে ভিন্ন কেউ তো আমি নই...
অবশিষ্ট সিগারেটে আগুন জ্বালিয়ে সুনশান বারান্দায়
দাঁড়িয়ে একা , আঁধারের মাঝে একাকীত্ব দেখা
সবে প্রারম্ভ হয়েছিল,
আধখানা চাঁদ ভীষন উজ্জ্বল ছিল, আঁধার অপূর্ণ সম্ভারে
কাঁদছিল মৌনতায়...
কবিতাখানা লেখার তাড়না ঢেউ ধেয়ে এল মনে তখনই,
টিনের চাল ছিল নিচে পাশাপাশি নিকট বিচ্ছিন্নতায় দুটো ঘরে,
অর্ধচাঁদের দ্যুতির তোড়ে ঢেউ টিনে ইলশে ঝিলিক আলোর তোড়ে,
একটি ঘরের চালেই কেবল, অন্যটিতে নিষ্প্রভ ঘোর অন্ধকার
ভীষন ভাল লাগার উপলব্ধি , ভীষন প্রেরণা কবিতার ...
কিন্তু ভেবেছিলাম কবিতা লিখবনা...রাত তখন নিরব গহীন
আজকাল কিছুই ভাল লাগেনা...মনের মাঝে ছন্দরা মৃত, লীন।
একদিদিন গত হয়ে গেছে, আজও ঘুম কাঁদে, ছুঁতে পারেনা
ঘুর ঘুর করে চারাপাশে উপগ্রহের মত
আঁধারের আজ ভীষন জয়জয়কার..একে তো তোমারা
আত্মসমর্পণ করেই ফেলেছো ঘুমের কোলে
অর্ধচাঁদ টুকু ছিদ্র খুঁজে পায়না মেঘের আড়ালে
টিনের চাল দুটোতেই আজ আঁধার আর ঘুমের সঙ্গম
নিকোষ কালো...কে বলবে কাল ওখানে ইলশে ঝিলিক ছিল।
জীবন সময় যদি ব্যাপক আকারে উদাহরণে আনি
সেখানেও অনেক আঁধারের দৌড়াত্ম আজকাল জানি।
তোমারা অনেকেই কি ভীষন সরলতায় সে দৌড়াত্মে মিশে গেছ
মৌণতা আর মুখরতার তফাৎ ভুলে গেছো...
স্বপ্ন দেখতে দেখতে বাস্তবতার চালে ইলশে ঝিলিক অবিমৃষ্য ধারনা
প্রাণে প্রাণে জনারণ্যে...
গতকাল মেঘ ছিলনা , আঁধখানা চাঁদেই ছিল ভীষন দ্যুতি
কখন কোন মেঘ চলে আসে আজকের মত কালো অতি
জীবনে , স্বপনে ..শায়নে বাস্তবতায়
ঘুম গুলোকে কাঁদিয়ে লাভ কি, ওরা আসলেই শান্ত
কবিতা না লিখে তাই লাভ কি, ওখানেই আমি প্রাণবন্ত।
২৪/০৮/০৮ ( রাত ১:৫০)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

