তাই শান্তির মা মইরা গেলো বলে তো গতি থামবে না, জীবন থমকাবেনা। তাই শান্তির বাপেরে নতুন করে বিবাহতো করতেই হবে, অথবা বিবাহ বহির্ভূত উপায়ে শান্তি রে জন্ম দিতেই হবে। না হলে গতি থেমে যাবেই ।
কিন্তু হালায় আমাগোর এই পোড়া কপাইল্যা দেশের বুকে শান্তি জন্মাতেইে পারেনা, সেই প্রিমিটিভ এজের মত কন্যা সন্তান বলে তারে জন্মের সাথে সাথে কবর দিয়া মেরে ফেলা হয়। কন তো সব মেয়ে মরে গেলে কেমন করে জন্ম শব্দটা টিকে থাকে।
বুদ্ধিমান হৈছেনতো অনেকেই , বলবেন, কেনা ক্লোন আছে না, ...
হে হে
আমাগো বুদ্ধিদীপ্ত শাসককূল যেমন ভাবছেন আর ভেবেছেন যেমন মনে লয় বিগত ২২ মাস, এ যেন সেই রূপ কথা।
অত বুঝিনা, শান্তি লাগবোই , শান্তি ছাড়া দেশের গতি থেমে গেছে,
ওদিকে দেশ ছেড়ে নিজের মনে হানা দিই যেই নিরবতার কালে , সেখানেও আরও কঠিন অবস্থা , শান্তি সব জ্বরাগ্রস্থ। কন তো কেমোন লাগে? রাত বাড়ে আর ঘুম মোরে ছাড়ে ছাড়ে ...
মন চায় কইষা গালি মারি , নিজেরে আগে তারপর জাতীয় পর্যায়েও কিছু।
দিলাম , কিছু মনে কইরেন না
দূত্ত্বর ...এক্কেরে আমি জানি এক বা../লে/..
শালা ও চু ...মা.. কাজকারবার সব, বা.ে.র রাজনীতি এই সব।
জাউ..বা.., ভাল্লাগেনা কিছ্চু।
গালির মাঝেই শান্তি ...নিজের উপর রাগ হয়...
সেখানে রাগ দেশে থেকে মনের জমিন অবধি...
কোথাও মনপূত ঘটনা ঘটেনা।
২২ মাস আগেও যেমন লাইভ নাটক দেখতাম টিভিতে , আজও তাই দেখি
আর মনে আমার আপন ভুলের যে বিষজল ফুটতে দিছিলাম ...তার থেকে বাষ্প বার হয়ে মেঘ হৈতেছে আর বৃষ্টি পড়তাছে আর ...ফুটতাছে আর চক্র চলিতাছে...
বিষ বাষ্পে আমি কলংকিত, কষ্টে কোমাক্রান্ত অগোচরে মানুষের।
শালার কিছ্ছু ভাল্লাগেনা...কিছ্ছু না...
তারে না দেখলে যেন বাঁচেনা আমার প্রাণ। আর তারে দেখুম কেমনে এই বন্দী রাতে?
ওদিকে আমাগো সোনার ক্রিকেট খেলোয়াড়রা তো ধারাবাহিক ভাবে পেছন দিয়া খেতে খেতে হাসি বাঁকাইয়া ফেলছে। খেলা দেখার মুড ই চলে যাবে দেশবাসীর। গেছেও, কয়জনা আজ খেলা দেখছে কন তো?
এই মাত্র আবার চোখ গেলো টিভির দিকে ...উরে সব বাচালের দল, বাচালের সংখ্যা বাড়িতেছে জ্যামিতিক হারে। ২২ মাস আগে এইটা বাড়তো গাণিতিক হারে।
মনে লয় টিভিডা ভাইংগা ফেলি। নিম্ন আয়ের মানুষ না হৈলে , ভাংগতামই ঠিক।
শেষ পর্যন্ত আমরা সেই কথা সর্বস^ জাতিতে পরিণত হৈয়াই গেলাম। আর আমি হৈলাম হুদাই গ্রহের এক একনিষ্ঠ বাসিন্দা।
শালার কষ্টের মা..রে বা..।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

