আমার প্রিয় পোস্ট

[অন্যর দোষ না খুঁজে আগে যদি সবাই নজের দোষটা খুঁজত তাহলে বোধহয় সব সমস্যার সমাধান হয়ে যেত]............... [পথের শেষ নেই, আমার শেষ আছে, তাইত দ্বন্দ্ব] http://mamunma.blogspot.com/

জায়গীরনামা---একটি বই , একটি ইতিহাস, একজন ডাক্তার/ব্লগার/লেখকের উত্থান কষ্ট

১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

শেয়ারঃ
0 0 0

জলিল ভাইয়ের সামনেই বইমেলায় তার লেখা এবারের বইটি উল্টাচ্ছিলাম, পাল্টাচ্ছিলাম। ফ্লাপের লেখা পড়ে তখনই জানলাম তার লেখা এই 'জাইগীরনামা' বইটি আসলে মূলত তার জীবনের সাতটি বছরেরর কথা , যে সাত বছরে তিনি নানান বাসায় জায়গীর ছিলেন।

বললাম, জলিল ভাই, সবই কি নিজের কথা , না গল্পোও আছে কিছু?
উনি হাসলেন, হালকা ঢংয়ে বললেন, না এই কিছু মিলিয়ে টিলিয়ে ...
বইটি পড়ার পড়ে আসলেই বলতে হয় খুবই সরল এবং প্রাঞ্জল বর্ননায় স্কুল হতে এইচ এস সি পাশ অবধি তার জীবনের কষ্টক্লীষ্ট্ সাতটি বছরের জায়গীর তান্ন্ত্রিক ঘটনার সুন্দর ধারাবাহীক বনর্ণা দিয়েছেন বইটিতে, মাঝে মাঝে অনেক সূক্ষ্ম নির্ভৃত একান্ত কথাও দু চারটে বর্ননায় ঘি ঢেলেছ অকাতরে।
তথাপি ঢাকা কলেজে পড়াকালীন তার পোংটামীর বর্ননায় গিয়ে কাচি পড়েছে বারবার লেখায় ( মনে হচ্ছে) আর ঢাকাত প্রেমগুলো ( প্রেমে পড়া এবং প্রেম আসা) তিনি পাঠকের দৃষ্টিগোচর করার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু কেনো জানি মনে হচ্ছে প্রেম পর্বগুলো ইচ্ছেকৃত সংক্ষিপ্ত।
অবশ্য জাইগীর আর টিউশনির ধারাবাহিকতা এবং নিরেট বৈশিষ্ঠ্য বজায় রাখতে গিয়ে আশপাশের ডালপালা বেশী বোধহয় উনি গজাতে দেননি।

শুধু জাইগীর স্মৃতি নিয়ে একটা আত্ম গল্প ----ভাবছিলাম , কেমন হবে?
হয়েছে কিন্তু অসাধারণ। কারন সত্যিই ওনার জীবনের মূল ভিতটাই গড়ে ওঠার সময় জায়গীরই ছিল চরম সত্য কথন।
সেই মাত্র ক্লাশ সিক্সে পড়া একটা ছেলে নিদারুন কষ্ট করে জায়গীর থেকে থেকে ক্রমে ক্রমে চড়াই উৎড়াই পেরিয়েছে আর পেরিয়িছে। তার সেই ছোট কালের জায়গীর জীবনের পরতে পরতে কষ্ট, দেশের সেই সময়ের কিছূ গ্রাম্য অবস্থার চিত্র স্পষ্ট ইতিহাস হয়ে ওঠে এই বইয়ে , আমাদের মত অজ্ঞাত পাঠকের জন্য।

ঘটনার শুরু যে ১৯৭৫ সাল. তখন আমার জন্মই হয়নি। , ইতিহাস থেক জেনেছি কত দুঃসহ সব সময় ছিল এই দেশে পূর্বে আরো। সে সব এর খবর কিছূ পেলাম আরও এখানে।

শেষে একটা বিষয়ে হতাশ হয়েছি , আশা করছিলাম পরিণয় পর্ব যে প্রেমে জলিল ভাইজানের সেটা এখানে জানবেন...
সে আশায় গুড়ে বালি--- হয়েছে শেষে।
তবে নিঃসন্দেহে পড়ার জন্য বইটি খারাপ না মোটেও
আর সেই সাথে জলিল ভাইয়ের কষ্টময় জীবনের বর্ননায় জায়গীর বিষয়টির অনেক কিছূই জানার আছে বইটিতে।
কারন বাস্তবতাই সবচেয়ে বড় শিক্ষক ।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: অন্যান্য  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
অরণ্য আনাম বলেছেন: ভাইজান কিরাম আছিন
৩. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:২০
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: জায়গীরনামা পড়তে হবে ... ব্লগে যতটুকু পড়েছিলাম, চমৎকার লেগেছিলো
৫. ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫২
প্রচেত্য বলেছেন: কারন বাস্তবতাই সবচেয়ে বড় শিক্ষক । - অত্যন্ত সত্য কথা
২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: তাই না

৬. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৯
শেখ জলিল বলেছেন: অশেষ কৃতজ্ঞতা। প্রিয়তে রাখলাম।
৭. ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০০
ইষ্টিকুটুম বলেছেন: পড়তে ইচ্ছা করতেছে!
৮. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০২
প্রচেত্য বলেছেন:
একটু বাড়তি মন্তব্য যোগ করছি

পরিবর্তন এবং পরিবর্ধনশীল সময়ের সাথে সমাজের বিশেষ ক্ষেত্রে আকষ্মিক যে কোন পরিবর্তন ছাড়া যে পরিবর্তনের গতি শ্লথ তার সুস্পষ্টতা ধরা পড়ে একটি নির্দিষ্ট কাল পার হবার পর।

"জায়গীরনামা" - একটি সমাজ-সংস্কৃতির সাথে মিশে থাকা ব্যক্তিজীবনের চাহিদার যে স্বমন্বয় সাধন থেকে ওই সময়ে জায়গীর থাকা, রাখা ইত্যাদি সংশ্লিষ্ট যে বিষয়গুলো ছিল আজকাল অনেক ছেলেপুলেরাই কিন্তু তা জানেনা, এখনও যদি সে সংস্কৃতি টিকে থাকে শহুরে জীবনে তার ছোয়া প্রায়ই অনুপস্থিত।

আমার কাছে মনে হয়েছে "জায়গীরনামা" এমন একটি গল্পের শিরোনাম, তা শুধু গল্প বা সাহিত্যের প্রকাশনার ভেতরই সীমাবদ্ধ থাকেনি, একটি সমাজের একটি সময়ের চাহিদার অংশ বিশেষকে তিনি তুলে ধরেছেন একটি নতুন সময়ের পথযাত্রীদেরকে আবারো মনে করিয়ে দিতে চেয়ে, যে সত্য চরিত্রকে ঘিরে থাকা ক্রিয়াগুলো তারই অংশ হাসি, আনন্দ, দু:খ, প্রতিঘাত, ঘাত, ভালবাসা কোন কিছু উপেক্ষিত ছিলনা, তাই "জায়গীরনামা" - একটি সংস্কৃতির একটি ইতিহাস স্বাক্ষর, ক্রেডিটটা তার পুরোটাই 'জলিল' ভাইয়ের।

পথিক ভাই, আপনার প্রকাশিত বইয়ের জন্য অভিনন্দন
আমাদের অনুপ্রেরণা আপনারাই, শক্তি এবং সাহস দুটোই আপনাদেরকে দিতে হবে আমাদেরকে

শুভকামনা
২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: সুন্দর যোগ করা কথাগুলো

৯. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:০৭
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: পড়তে পারলে ভাল্লাগত
১০. ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:৫৯
নাজনীন খলিল বলেছেন:
বইটি পড়তে গিয়ে একটি কিশোরের পরবাসে-পরগৃহে থাকার অভিমান -কষ্ট-যন্ত্রনা বারবার স্পর্শ করে গেছে।আর এভাবেই কষ্টকে স্পর্শ করতে করতে একজন কিশোরের পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে উঠাটুকুও অসাধারণ হয়ে ফুটে উঠেছে।
আমার কাছে বইটি একজন অসাধারণ মানুষের আত্মজীবনী--যিনি নিজের কোন দৈন্যকে কপটতার আড়ালে ঢেকে রাখার বিন্দুমাত্র চেষ্টা করেননি।

একটি অসাধারণ বই।

লেখাটির জন্য ধন্যবাদ।++++++++++++++++++++++
১১. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: বইটির সাফল্য কামন করছি............।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৭০৪ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
মামুন ম. আজিজ

একে একে স্বপ্নগুলো সব হেঁটে হেঁটে ঐ চলে যাচ্ছে নরকের মাঝে
আর একা একা স্বর্গের পানে হাঁটছি আর ভাবছি,...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ