somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ভাবনায়- পথিক (! )-০২

সন্ধ্যা থেকে আজ কষ্টের চোরাবালিটির পাশ্ব টান বেড়েছিল একটু বেশিই ...
সেই টানের নোনা ব্যাথার উপর কাল্পনিক মলম লেপে দেয়ার মিছে পায়তারায় কাটছিল সময়

টিভিতে চ্যানেলের বৈচিত্রময় অনুষ্ঠানগুলো একটার পরা একটা ঘোরাতে ঘোরাতে অনেকবার দেখা ইশক ছবিটার মাঝে দৃষ্টি আটকে যেতে চাইছিল, আটকাতে দিলাম, ওখানেও সেই ভালবাসর কষ্ট আর কষ্ট মিলে কিছু ছুটকো কাহিনী, যদিও সবশেষে সেই নাটকীয় মিল ঝুল।
তবুও দেখতে ভাল লাগছিল
কষ্টের চোরাবালির টান এ যে বেদনা তার প্রকট প্রভাব থেকে মুক্ত থাকা যাচ্ছিল

রাগ হচ্ছিল নিজের প্রতি এবং তার ও প্রতি, কেনো জেনে শুনে কষ্টটার মাঝে ঘি একটু বেশী করেই ঢালে? বুঝি , তবুও রাগ হয়না, সেই এক অপরাধে সব রাগ মাটি হয়ে যায় ভূগর্ভস্থ আকর্ষনে।

উচাটন মনে ডিনার গ্রহণের সময় ডাইনিং রুমে টিভিতে চলছিল ....দেখলাম দেখেছে আম্মু আর গৃহসহায়ক সহায়িকা ছেলে মেয়ে দুটি জি বাংলায় নতুন শুরু হওয়া সারেগামা গানের প্রতিযোগীতামূলক অনুষ্ঠান যেখানে এবার আনা হয়েছে দৃষ্টি প্রতিবন্ধি সব প্রতিযোগীদের

আমি অবাক না হয়ে পারিন , সেই সব অন্ধ ছেলে মেয়েগুলো কি অসাধারণ গাইলো.....
ভাবনা দ্রুত বিস্তৃত হতে চাইল...-
আরে ওরাতো দেখতেই পারেনা....কি ভীষন কষ্ট ওদের , কি ভীষণ।

সকালে সে আমারে বলেছিল আমার এসব ঢং, এর চেয়ে কত কষ্টই তো আছে কত জনের...

কিন্তু ওই না দেখতে পাওয়া ছেলমেয়েগুলোর কষ্ট কি সব ছাড়িয়ে আরো বেশি নয়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28877014 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28877014 2008-12-02 00:28:13
কবিতা// সময় যন্ত্রের অপেক্ষায় জেগে থাকি প্রতি রাত যদি কোন রাতে জানালার পাশ দিয়ে মোর উড়ে যায়...
হয়তো আকাশে চাঁদ থাকবে স্মিত প্রভায়,
সাথে গোটা কয়েক মিটিমিটি তারা
এবং মেঘের উড়ে চলা খেলা বেড়ে যাবে আরেকটু সেদিন,
আমি উঠে বসব সময় যন্ত্রে নির্নিমিষে নির্দ্বিধায়
কারন ঐ যে আমি সেই সময় যন্ত্রেরই অপোয়
চোখ খুলে কিংবা বুজেই চোখ প্রতি রাত একা একা
দিন গুনি ভবিষ্যতের আর ভাবতে থাকি ফিরে যদি
যেতে পারতাম সত্যি সেই দিনে , সেই বছর ছয়েক আগে
অতীতে আমার আবার, আবার শুধু মাত্র একটি বার।

আমি সেই অকল্পনীয় কল্পনার মাঝে বেঁচে থাকি...
টিকে থাকি রাতের পর রাত বিনিদ্র ব্যাথায়
স্বপ্নে সেই কল্প সময় যন্ত্রের নেশায় অকাতারে,
বৃষ্টি এসে চোখে কখনও হঠাৎ প্রতিরূপ খোঁজে আর
ঘন পূর্ণিমায় হারিয়ে ফেলি নিজেকে অন্ধকার ভালবাসায়,
নেশাহীন নেশায় বুদ হতে হতে থেমে যায় নার্ভের ছন্দ;
বন্দী করে জীবনটি মোর অতীত ভবিষ্যত মাঝে সরু রন্দ্র।
পেছন কালের দিকে দৃষ্টির সূতো , টানে তার টানের কষ্ট
নিয়ে আসে প্রতিটি নিশ্বাসের আলোড়ন মনেতে আমার,
বিনিদ্র রজনী গুলোতে কষ্টই কেবল বন্ধু হয়ে ওঠে
দিনের পর দিন একত্র সহবাসে ।

আমি তবু সেই সময় যন্ত্রের অপেক্ষায় জেগে থাকি আজও;
আমি শুধু সেই অতীতে ফিরে যাব বলেই তো
কষ্টকে বিতাড়িত করতে পারিনি ...
কষ্টের অতীত শিকড়ে কোদালের একটি কোপ বসাব
ফিরে সেই অতীতের সেই দিন , যেদিন কেষ্টর শিকড় হতে
অংকুরিত হয়েছিল একটি অনন্ত বিরহের গাছ।
আমি তাই একটি সময় যন্ত্রের অপেক্ষায় জেগেই রব অনন্তকাল
সেই অতীতে ফিরে ঘটাতে একটি আবশ্যক পরিবর্তন ।


১/১২/০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28876962 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28876962 2008-12-01 22:54:32
ভাবনায়- পথিক (! )-০১
মন ভীষন উচাটন এর পাল্লায় পড়ে যায় প্রতিটি নিশিতে , নিস্তার নাই, কারন নিস্তারের সন্ধান করার ল্য ছিলনা। ঐ যে কষ্টের আড়ালেই সুখ, সেই সুখের সন্ধানে কষ্টকে আদর আপ্পায়ন করেই চলেছি, আড়ালখানা আর চোখে পড়েনা। অন্ধের মত হাঁটতে হাঁটতে প্রায় প্রতিদিনিই হেঁটে যাই অনেকখানি পথ।

সেখানে কত রং, কত রূপ আর কতই না গন্ধ। ভাবনায় পথিকে সেই সবই মনউজাড় করা মাধুরী মিশিয়ে হবে নির্বন্ধ।


মাথাটা আজ পুরো ফাঁকা হতেই পারেনি, মুম্বাই যুদ্ধের থ্রিলিং আর বেদনাদৃশ্য মাথা থেকে মুছছে না, ফেসবুকের প্রোফাইলে যে প্রশ্ন ছিল সেটাই ঘুরছে বারবার -- ঐ জঙ্গীগুলা কি মানুষ, আমার আপনার মত?
কিয়দ পূর্বে খবরে জানলাম , শিবরাজ সাহেব মানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঐ ঘটনার ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পদত্যাগ করেছেন। আচ্ছা আমাদের কোন মন্ত্রী কি এ ধরনের কোন ঘটনায় পদত্যাগ করতেন ? মনে হয়না। বরং বিরোধী দলকে অভিযুক্ত করার অপকর্মেই ব্যস্ত হতেন। অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের তাই শিক্ষা দেয়, সেটা আমদের ধারনার কোন দোষ নয়।
আর ভারত দোষ দেয় প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান কে কোন অঘটনেই।

ঘুরুক মাথায় ...

প্রিয় প্রিয়ার কষ্ট আর বিচ্ছেদ ব্যথার চিরন্তন ঘূর্ণি তো আর বন্ধ হবে না তাতে। তবুও রে প্রতিটি মানুষের নিজস্ব ভূবন এর সীমনা খুব বড় হয়না। সেখানে নানা বৃত্ত ওভার ল্যাপ ও করে বলেই পথে পথিকের চোখে ধরা পড়ে সেই প্রিয়ার ও হাসি, সে হামি বড় ভালবাসি।



উহ ! মাথা মুহূর্তে ঘুরে আসে শেয়ার মার্কেট এর উত্থান পতনে। নির্বাচনে বেঁচার হিড়িক বলেই কি কমছে মার্কেটে শেয়ারের দাম? আমি বুঝিনা কিন্তু অনেকেই হয়তো বোঝে।

না! আরেকটি জিনিস বুঝতে পারছি , নির্বাচন এর মাঝে প্রবিষ্ট না হতে চাইলেও , উহা মাথায় ঘুরবেই আসছে কালে।

আজ আবর এসে গেলো বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। মুক্তিযোদ্ধাদের সেদিনের জয় আর আজকের পরাজয়, ভাবনার কি উপাত্য কম সেখানে?


ফেব্রুয়ারী আসবে কবে,নিজের লেখা নতুন বইয়ের মুখ দেখবো যে তবে।

...পথ হাসে , না আমি না সময়ই আসলে , দেখি একটু ভেবে দেখি।

১/১২/০৮


মন ভীষন উচাটন এর পাল্লায় পড়ে যায় প্রতিটি নিশিতে , নিস্তার নাই, কারন নিস্তারের সন্ধান করার ল্য ছিলনা। ঐ যে কষ্টের আড়ালেই সুখ, সেই সুখের সন্ধানে কষ্টকে আদর আপ্পায়ন করেই চলেছি, আড়ালখানা আর চোখে পড়েনা। অন্ধের মত হাঁটতে হাঁটতে প্রায় প্রতিদিনিই হেঁটে যাই অনেকখানি পথ।

সেখানে কত রং, কত রূপ আর কতই না গন্ধ। ভাবনায় পথিকে সেই সবই মনউজাড় করা মাধুরী মিশিয়ে হবে নির্বন্ধ।


মাথাটা আজ পুরো ফাঁকা হতেই পারেনি, মুম্বাই যুদ্ধের থ্রিলিং আর বেদনাদৃশ্য মাথা থেকে মুছছে না, ফেসবুকের প্রোফাইলে যে প্রশ্ন ছিল সেটাই ঘুরছে বারবার -- ঐ জঙ্গীগুলা কি মানুষ, আমার আপনার মত?
কিয়দ পূর্বে খবরে জানলাম , শিবরাজ সাহেব মানে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ঐ ঘটনার ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পদত্যাগ করেছেন। আচ্ছা আমাদের কোন মন্ত্রী কি এ ধরনের কোন ঘটনায় পদত্যাগ করতেন ? মনে হয়না। বরং বিরোধী দলকে অভিযুক্ত করার অপকর্মেই ব্যস্ত হতেন। অতীতের অভিজ্ঞতা আমাদের তাই শিক্ষা দেয়, সেটা আমদের ধারনার কোন দোষ নয়।
আর ভারত দোষ দেয় প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তান কে কোন অঘটনেই।

ঘুরুক মাথায় ...

প্রিয় প্রিয়ার কষ্ট আর বিচ্ছেদ ব্যথার চিরন্তন ঘূর্ণি তো আর বন্ধ হবে না তাতে। তবুও রে প্রতিটি মানুষের নিজস্ব ভূবন এর সীমনা খুব বড় হয়না। সেখানে নানা বৃত্ত ওভার ল্যাপ ও করে বলেই পথে পথিকের চোখে ধরা পড়ে সেই প্রিয়ার ও হাসি, সে হামি বড় ভালবাসি।



উহ ! মাথা মুহূর্তে ঘুরে আসে শেয়ার মার্কেট এর উত্থান পতনে। নির্বাচনে বেঁচার হিড়িক বলেই কি কমছে মার্কেটে শেয়ারের দাম? আমি বুঝিনা কিন্তু অনেকেই হয়তো বোঝে।

না! আরেকটি জিনিস বুঝতে পারছি , নির্বাচন এর মাঝে প্রবিষ্ট না হতে চাইলেও , উহা মাথায় ঘুরবেই আসছে কালে।

আজ আবর এসে গেলো বিজয়ের মাস ডিসেম্বর। মুক্তিযোদ্ধাদের সেদিনের জয় আর আজকের পরাজয়, ভাবনার কি উপাত্য কম সেখানে?


ফেব্রুয়ারী আসবে কবে,নিজের লেখা নতুন বইয়ের মুখ দেখবো যে তবে।

...পথ হাসে , না আমি না সময়ই আসলে , দেখি একটু ভেবে দেখি।

১/১২/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28876541 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28876541 2008-12-01 00:56:33
আমার চশমা পড়ার কাল নিয়ে কিছু কথা এই খানে গুতাদিলে যে পোষ্ট টি ওপেন হবে তাহা পড়ে এই পোষ্টখানির অবতারনা করলাম।
অবাক লাগে যখন আয়নায় দেখি নিজেকে আজকাল ...চোখের উপর চশমা থাকেনা, অথচ বিগত ১৭/১৮ বছর ধরে চশমা ছিল দেহেরই একটি অবিচ্ছেদ্য অংশের মত। রাতে ঘুমানোর সময় আর গোসল বা চোখ এ পানি দেয়ার সময়টুকু বাদে কখনই চশমা খোলা হতো না। খুলবো কি করে চশমার পাওয়ার তো আর কম ছিলনা। ডান চোখে ছিল (-) ৫.৭৫ আর বাম চোখে (-) ৫.৫ পাওয়ারের চশমা শেষ চশমা ব্যবহারের কালে, সেটা ১৩ই ফেব্রুয়ারী ২০০৮ এর আগে।

একদম দিন তারিখ মনে নেই , তবে ১৯৯০ সালেই হবে, প্রথম চশমা উঠেছিল আমার চোখে। খুব মজা পেয়েছিলাম সেদিন সত্যি। চোখে একটু কম দেখতাম, বাসায় বলায় আব্বু আর আম্মু বকাও দিয়েছিলেন প্রথম প্রথম , বলেছিলেন চশমা পড়ার শখ হয়েছে বলেই ওমন বলতাম। একটু সত্যি যে ছিলনা তা না। আপু চশমা নিয়েছিল তারও আগে। একটু হিংসা তো হতোই।
কিন্তু ডাক্তার দেখানোর পর জানা গেলো চোখের দৃষ্টি শক্তির অবস্থা অত ভালনা তখন।প্রথম পাওয়ার লেগেছিল , ঠিক মনে পড়ছেনা।তবে সম্ভবত ২.২৫ ছিল মনে হয় দুচোখেই। প্রথম হিসেবে কিন্তু অনেক বেশী। প্রথম চশমা নিয়েছিলাম বায়তুল মোকারম মার্কেট থেকে মনে আছে আর ডাক্তারের নাম ছিল জাফরউল্লাহ।

যেহেতু কাশে মামুন নামে অন্য সহপাঠী ছিল তাই বন্ধু মহলে কানা মামুন নামটাও উচ্চারিত হয়েছে কদাচিৎ।

সেই যে চশমা পড়া শুরু হলো তারপর শুরু হলো অনবরত চশমা বদলানোর পালা আর চশমা সংক্রান্ত নানান ঘটন আর অঘটন পরবর্তীকালে।

প্রায়ই রাতে চশমা নিয়েই ঘুমিয়ে পড়তাম আর পিঠের নিচে পড়ে চশমা যেত বেঁকে , ভেঙেছেও কয়েকবার। ইন্টারের আগ পর্যন্ত গড়ে ২ বছরে তিনটে চশমা তো লাগতোই আমার। পড়ে অবশ্য চশমার প্রতি যতœবান হয়েছিলাম।
মাঝে মাঝে চশমা পড়তে খুবই বিরক্তও লাগতো। অবশ্য অভ্যাসটাও ভালই হয়েছিল। না হলে চশমা পড়েই ফুটবল , ক্রিকেট সব খেলাধূলায় চালাতাম নিয়মিত।

মনে পড়ছে কাশ সেভেনে থাকতে একবার এক বন্ধুর সাথে মারামারি করতে গিয়ে চশমার ডান্ডা ভেঙে ফেলেছিলাম। বাসায় বললে বকা দেবে বলে অনেকদিন জোড়া তালি দিয়েই ব্যবহার করতে হয়েছিল সেই চশমা।

আরেকবার ঘটেছিল মজার ঘটনা। সম্ভবত তখন কাশ নাইনে পড়ি। আমি তখন পাঁচতলার উপরে থাকি ব্যাংক কলোনীতে। নিচ থেকে এক ফ্রেন্ড ( বর্তমানে সে আমেরিকাতে আছে, যার চোখে সেই সময় থাকত প্লাস পয়েন্টের চশমা, দুমাস আগে দেশে এসেছিল , সেও এখন চশমা পড়েনা , আমেরিকাতেই লেসিক করিয়েছে) ডাকল , বারান্দায় দাঁড়ালাম। কেন যেন বন্ধুটি নিচ থেকে একটি ঢিল ছুড়েছিল, আর একদম সেটা বাম চোখের উপর যে কাচ চশমার সেখানে গিয়ে আঘাত করল। বাস চৌচির হলো। কপাল ভাল কাঁচ ভেঙে চোখে লাগেনি।

কাচের চশমার প্রতি অনীহাটা তখন থেকেই হয়তো শুরু হয়েছিল। ইন্টারের পর থেকে যত চশমা নিয়েছি তার সব ছিল প্লাস্টিকের গ্লাস। ওটাতে বেশ হালকা হয় চশমা আর পুরুত্বও একটু কমানো যায় । যাতে বোঝা যায়না অন্তত পাওয়ারের আধিক্য।

ও প্রথমের সেই ২.২৫ পাওয়ার বেড়ে উঠতে খুব একটা কার্পন্য করেনি। যতবার ই ডাক্তারের কাছে গিয়েছি পাওয়ার বেড়েছেই। ইঞ্জিনিয়ারীং পড়ার সময় পাওয়ার টা উঠেছিল ৫ এর উপরে।

৫.৭৫ আর ৫.৫ হওয়ার পর চশমার পাওয়ার বাড়ার দৌড় থেমেছিল। সেটা ২০০৪/২০০৫ সালের মত সময় থেকেই মনে হয়।
অতবছর পর চশমা যেমন নিত্য অভ্যাসের বস্তু হয়েছিল তেমনি চশমার পড়ার বাড়তি ঝামেলাটাও নিত্য হয়েছিল।

উহ! কত যে হ্যাসেল চশমা নামক একটি বাড়তি উপাদান সার্বণিক ব্যবহারের। চশমা নিয়ে কয়েকটা কবিতাও লিখে ফেলেছি অনেকবার।

২০০৪ সালে ছোটবেলার বন্ধু কয়েকজনার সাথে গিয়েছিলাম সেন্টমার্টিন দ্বীপে। সাথে আমেরিকা হতে আসা ঢিল মেরে সেই চশমা ভাঙা বন্ধুটিও ছিল। সেন্ট মার্টিনের স্বচ্ছ পানিতে সাঁতার কাটতে গিয়ে চশমা গেলো খুলে, কাছেই বন্ধু ছোট মামুন দাঁড়ানো ছিল। তাকে বলতেই সেই স্বচ্ছ পানির ভেতর সেটা খুঁজে উঠিয়ে হাতে দিল। ইস যদি না পেতাম কি কষ্টই না হতো। অর্ধকানা হয়ে যেতে হতো। সাথে আর কোন স্পেয়ার চশমা ছিলনা। এরপর থেকে কোথাও গেলে কখনও দুটো চশমা ছাড়া যেতাম না।

কত ছোট ছোট ঘটনা মনে পড়ে যাচ্ছে চশমা নিয়ে আমার চশমা পড়ার কালের। সব কি আর লেখা যায় এই স্বল্প পরিসরে সময় স্বল্পতায়!

মনে পড়ছে ২০০৫ সালে বিসিএস চাকুরীতে জয়েন করা আগে মেডিক্যাল টেস্টে গিয়েছিলাম মিডফোর্ট হাসপাতালে। সেদিন প্রথম প্রার্থী ছিলাম আবার আমি। ঢুকলাম চোখের ডাক্তারের চেম্বারে। ভাগ্য ভাল ঢোকার সাথে সাথে চশমার ভেতর দিয়ে দেখে নিলাম যে লেখা গুলো পড়তে হয় পাওয়ার টেস্টের জন্য।
ডাক্তারের এসিসটেন্ট মহিলাটি চশমা খুলে লেখা পড়তে বলল। আমি কিছু দেখছিলাম না কিন্তু মুখস্ত বলে গেলাম ।
আমার পরে যারা ছিল তারা সেটা আমার মুখ থেকে শোনার পর রুমে ঢোকার আগে শুনে শুনে মুখস্ত করে নিয়ে নিযে ঢুকছিল।কারন অনেকেরই চশমা পড়া ছিল। আমি আজও ঠিক বুঝিনি চশমা পড়া থাকার পরও কেনো চশমা খুলে পড়তে হবে।


ওহ! মজার একটা কথা বলা হয়নি। কাশ সেভেনে থাকতে ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীায় উত্তীর্ন হয়ে মেডিক্যাল টেস্টে গেলাম। সেটা ছিল আদমজী ক্যান্ট . কলেজ। চশমা নিয়ে ঢুকিনি। ডাক্তার যখন লেখা পড়তে বলল , সবচেয়ে বড় লেখাটা ছিল যতদূর মনে পড়ে ইউ , আমি পড়েছিলাম পি। কাছে গিয়ে দেখেই নিজে লজ্জা পেয়েছিলাম এবং বুঝেছিলাম ক্যাডেটে পড়ার আশা সেখানেই শেষ।

যাক বলতে শুরু করলে বাড়তেই থাকবে।

শেষ করতেই যখন হবে, চশমা হীন কালের কথা একটু বলেই নেই। হঠাৎ কি মনে করে শখ হলো লেসিক করাব। যে ভাবা সে কাজ । ইতিমধ্যে এক বন্ধুর পাওয়ার ৮ এর উপরে দেখলাম লেসিক করিয়ে মোটা কাচের চশমা থেকে মুক্ত হয়েছে। তার কাছ থেকে ভাল করে খোঁজ নিলাম। চিনলাম ওএসবি লেজার ভিশন ,মিরপুর কেন্দ্র টি। সাহস করেই ছুটে গেলাম। ২০০০ টাকা খরচ করে চেক আপ করালাম। ডাক্তার বলল চোখের পেশী ঠিকই আছে। লেসিক করা যাবে। একটা ডেটও দিলেন। দিনটি ছিল ১৩ই ফেব্র“য়ারী। দুচোখের লেসিক খরচ লাগলো ৩২০০০ টাকা। সাথে এক বেকার বন্ধুকে নিয়ে গেলাম। কারন লেসিক করা পড় লম্বা ঘুম না দেয়া অবধি মোটামুটি কানাই থাকতে হবে জানতাম।
(লেসিক করা ২/৩ মিনিট সময় অণ্য রকম একটা অনুভূতি হয়েছিল, সেটা অন্য কোন পোষ্টে ব্যাখ্যা করব।)
সেই মিরপুর থেকে সিএনজি করে বাসায় এসে একটু চোখ খুলে দ্রুত খেয়েই দিয়েছিলাম ৫ ঘন্টা ঘুম। ঘুম থেকে উঠেই চশমা হীন জীবন শুরু।

একটু মজা হয়েছে আজকাল, হঠাৎ দেখে অনেকেই চিনতে পারেনা চশমা হীন এই আমাকে। বিষয়টা বেশ এনজয় করছি আজকাল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28875179 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28875179 2008-11-28 01:02:06
কবিতা//রাত যত বাড়ে... সুখের কল্প কথায়, সময় ভুলে ভাসতে থাকি দুজন মেঘোপরে
ঐ আকাশে সুপ্ত তখন নক্ষত্র রাশি,
ঝিলিক দিয়ে ক্ষণে ক্ষণে বলে ‘ভালবাসি
তোমাদেরই ভালবাসার কাব্যিক এ স্বর্গ’
থেমেও যায় ঠিক তখনই আঁধার-আলোর তর্ক।


রাত যত বাড়ে, ঘুমের মৃত্যু ছুটে আসে, চোখ দেখে তারে
খুনসুটি আর প্রেমের মায়ায়, হারিয়ে দুজন ভূবন ছেড়ে যে দূরে
নিরবতার সপ্তসুরে মূর্ছনা আর ধ্যানে
প্রেমের মত আর কি আছে এই জগতের জ্ঞানে,
তাই সে প্রেমের কল্প সুখে রাত যে ভীষন স্বল্প
চাঁদখানি আজ আঁধা হলেও পূর্ণ প্রেমের কল্প।

রাত যত বাড়ে, মধুর পরশ হাতটি ছুঁয়ে, কাছে আনে তারে
গভীর রাতের হিমেল হাওয়ায়, বিরহ ভুলে তার সে বাহুডোরে
হাসির ঝিলিক অধর হতে অধররে নেয় কাড়ি
ওমন পরশে তারই, মরিতেও সুখ ভূবনটাকে ছাড়ি।
তারপর...মেঘের ঘরে দুজন মোদের ভীষন ভালবাসা,
কাব্যিক এক কল্প স্বর্গে হারিয়ে পরে ঘুমের বৃথা আশা।

২৫/১১/০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28873822 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28873822 2008-11-25 01:56:10
এ কান্ট্রি ফুল অফ ড্রামা
তুমি ১০০ টাকা চাহিয়াছ , আমি কি তোমার কথা শুনে চলি নাকি, অন্যলোকের কাছে ছোট হয়ে যাব না তাইলে , আমি তোমারে দেবো ১০১ টাকা, তাইলে তোমার কথা শোনা হইল না, অন্যরা বলিতে পারিবেনা নত হইয়াছি।...................

কোন একটা নাটকের ডায়ালোগ ওটা, যে নাটক চিত্রায়িত হয়নাই।

একটা খুব সুন্দর ইতিহাস ( গপ্প না ) শুনেছিলাম, আমাদের জাতীয় সিস্টেমে ফাইনাল সিদ্ধান্ত প্রদান কতৃপরে সর্ব্বোচ্চ কর্ত্তার নিকট যখন একটা প্রকল্পের প্রস্তাবনা গেলো চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য তিনি সব পড়িয়া দেখিলেন সেখানে কলম চালানোর কিছু পাওয়া যাচ্ছেনা , কিন্তু কলম ই যদি না চালাবেন, তাহলে সর্ব্বোচ্চ মতার প্রয়োগ কেমন করে হবে(!) , ভাবনা বিষয়(!)। তাই তিনি তার অভিজ্ঞতার সরল চেতনা দিয়া বিবেচনা করে ভাবলেন এবং ঠিক করলেন ঐ প্রকল্পে ১০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলা হয়েছে , তিনি সেটা কেটে ৯৯৯ মেগাওয়াট করে দিলেন, এবং প্রমান ও করে দিতে সম হলেন ঐ ১০০০ এর ঘর হতে নিচে আনায় অনকে েেত্র খরচও কমে গেলো...
কিন্তু প্রকারান্তে হিসেব নিকেষে কতটা গরমিল হলো তাহা সংশ্লিষ্ট ডিজাইনাররাই তা জানবেন , ঐ সর্ব্বোচ্চ কর্তা নয়।


এইটা একটা ফাচুকি গপ্পই বটে। দৃষ্টি আকর্ষনের কারনে প্রয়োগ হলো এইখানে।

আসলে সন্ধ্যায় দেখলাম সরকার নতুন তফসিল ঘোষনা করেছেন নির্বাচনের এবং তাহা ২৯ শে ডিসেম্বর। সেই আলোচিত ১৮ই ডিসেম্বর নির্বাচন করার যে দাবী একটি বিশেষ দলের সেটার কাছে মাথা নত হতে হলোনা। খুবই স্ট্রং সরকার।
কিন্তু নাটক এখানেই শেষ না। ঐ যে সর্বদা বলি এই জাতি অলরেডি কথা সর্বস্ব জাতিতে পরিণত হয়ে গেছে।
অন্য বিশেষ দলটির তো কিছু একটা বলতে ই হবে।খুবই সরল সমীকরনের একটা কথা বলেই দিলো।
....সরকার এখনও নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করতেছে...
যে ধরনের কথার সত্য মিথ্যা প্রমাণ বর্তমান ক্ষণে সম্ভব না সেই ধরনের কথা বলার জন্য সচেষ্ট বুদ্ধি লাগে।
এই সব বুদ্ধি আমাগোর রাজ নীতি নাড়াচাড়া করা লোকজন এর ঘটে খুবই ব্যাপক।

আফটার অল ...পলিট্রিক্স ইজ আ গেম , ইজ আ ইনটেলেকচুয়াল গেম এন্ড ট্রিক্স।
আরও কত যে ড্রামা দেখব আমরা এই দেশের নাগরিক কূল সে কারনেই।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28873247 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28873247 2008-11-23 22:06:55
খুবই সামান্য ব্লগ বিষয়ক সমস্যা আমার এবং কথাবার্তার পর সমাধান আর তাই দুলাইনে সেটা প্রকাশের প্রয়াসে এই লেখা ।

একই লেখা একই সাথে দুতিনটে ব্লগে একসাথে প্রকাশ , বিষয় বস্তুর অভাব
এসব কথা খুবই নরমালি ব্লগে এসেছ সব গুলাতেই....ওসব কথা তাই থাক।
আসলে যত জায়গায় পোষ্ট তত বেশী প্রোবাবিলিট এই ভীষন ব্যস্তঅন্তর্জালে একজন অন্ততত নতুন মানুষের দৃষ্টি আকর্ষনের ...

আমি নিজে তিনটে ব্লগে রোজ ঢু মারি , রোজ মানে রোজই। ৯২০ টাকা দেই নেট ইউস এর জন্য্ একদিন মিস গেলে হয়! এবং আমি বেশ অনেকপোষ্টই তিনজায়গাতেই পোষ্ট করি।

ব্লগ একজন ব্লগারেরর নিজের ডায়েরীর পাতার মত, সেখানে সে তার অন্য ব্লগের লেখাই হুবুহু মেরে দেবে এই স্বাধীনতা রোধ করার মত কোন অপ ধারনা সৃষ্টি অকারন।

সে যা হোক
যেখান থেকে শুরু করেছিলাম...
কোথায় মানে একই লেখায় কোন ব্লগে মন্তব্য করা উচিৎ, সেই হালকা কিন্তু জটিল সমস্যা নিয়ে কিছু একটা সমাধানে আসা উচিৎ
এমনো লক্ষ্য করছি ...যার কাছে যার লেখা মনপুত হয় , সে সবগুলো ব্লগেই আবার সেই লেখা য় মন্তব্য করছে
কখনো করছে---এই লেখাটি অমুক ব্লগেও পড়েছিলাম টাইপের ছ্যাবলামী মন্তব্যও। যা হোক সেটা পারসনাল ম্যাটার।




আমি আমার সমস্যা নিয়ে চিন্তিত ..কারন এই একটু চিন্তা মাথায় ঢুকিয়ে খুবই স্বল্প সময়ে জন্য মাথায় মূল আর দীর্ঘসূত্রিতার সমস্যাগুলোকে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খাওয়াতে চাইলাম।

তথাপি এই সমস্যার সমাধান কি?

পাইছি/////প্রথমে যে ব্লগে লেখা চোখে পড়বে আমি এখন থেকে সেই ব্লগেই মন্তব্য করব। অন্য জায়গায় নয় ।

যাক হালকা সমস্যা দূর...
ফিরে এল আমার চিরন্তন আর অবিচ্ছেদ্য সব সমস্যা।

কিচ্ছু ভাল্লাগেনা।


[এক যোগে প্রকাশ ঃ
প্রথম আলো ব্লগ
আমার ব্লগ এবং
সামহয়্যার ইন ব্লগ]]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28872085 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28872085 2008-11-21 12:40:28
সমসাময়িক মুহূর্তে মাথায় ঘুরছে যা, সেই সব আর শান্তির সন্ধান। তাই শান্তির মা মইরা গেলো বলে তো গতি থামবে না, জীবন থমকাবেনা। তাই শান্তির বাপেরে নতুন করে বিবাহতো করতেই হবে, অথবা বিবাহ বহির্ভূত উপায়ে শান্তি রে জন্ম দিতেই হবে। না হলে গতি থেমে যাবেই ।

কিন্তু হালায় আমাগোর এই পোড়া কপাইল্যা দেশের বুকে শান্তি জন্মাতেইে পারেনা, সেই প্রিমিটিভ এজের মত কন্যা সন্তান বলে তারে জন্মের সাথে সাথে কবর দিয়া মেরে ফেলা হয়। কন তো সব মেয়ে মরে গেলে কেমন করে জন্ম শব্দটা টিকে থাকে।
বুদ্ধিমান হৈছেনতো অনেকেই , বলবেন, কেনা ক্লোন আছে না, ...
হে হে
আমাগো বুদ্ধিদীপ্ত শাসককূল যেমন ভাবছেন আর ভেবেছেন যেমন মনে লয় বিগত ২২ মাস, এ যেন সেই রূপ কথা।

অত বুঝিনা, শান্তি লাগবোই , শান্তি ছাড়া দেশের গতি থেমে গেছে,
ওদিকে দেশ ছেড়ে নিজের মনে হানা দিই যেই নিরবতার কালে , সেখানেও আরও কঠিন অবস্থা , শান্তি সব জ্বরাগ্রস্থ। কন তো কেমোন লাগে? রাত বাড়ে আর ঘুম মোরে ছাড়ে ছাড়ে ...


মন চায় কইষা গালি মারি , নিজেরে আগে তারপর জাতীয় পর্যায়েও কিছু।

দিলাম , কিছু মনে কইরেন না
দূত্ত্বর ...এক্কেরে আমি জানি এক বা../লে/..

শালা ও চু ...মা.. কাজকারবার সব, বা.ে.র রাজনীতি এই সব।
জাউ..বা.., ভাল্লাগেনা কিছ্চু।

গালির মাঝেই শান্তি ...নিজের উপর রাগ হয়...

সেখানে রাগ দেশে থেকে মনের জমিন অবধি...
কোথাও মনপূত ঘটনা ঘটেনা।


২২ মাস আগেও যেমন লাইভ নাটক দেখতাম টিভিতে , আজও তাই দেখি

আর মনে আমার আপন ভুলের যে বিষজল ফুটতে দিছিলাম ...তার থেকে বাষ্প বার হয়ে মেঘ হৈতেছে আর বৃষ্টি পড়তাছে আর ...ফুটতাছে আর চক্র চলিতাছে...
বিষ বাষ্পে আমি কলংকিত, কষ্টে কোমাক্রান্ত অগোচরে মানুষের।

শালার কিছ্ছু ভাল্লাগেনা...কিছ্ছু না...

তারে না দেখলে যেন বাঁচেনা আমার প্রাণ। আর তারে দেখুম কেমনে এই বন্দী রাতে?

ওদিকে আমাগো সোনার ক্রিকেট খেলোয়াড়রা তো ধারাবাহিক ভাবে পেছন দিয়া খেতে খেতে হাসি বাঁকাইয়া ফেলছে। খেলা দেখার মুড ই চলে যাবে দেশবাসীর। গেছেও, কয়জনা আজ খেলা দেখছে কন তো?

এই মাত্র আবার চোখ গেলো টিভির দিকে ...উরে সব বাচালের দল, বাচালের সংখ্যা বাড়িতেছে জ্যামিতিক হারে। ২২ মাস আগে এইটা বাড়তো গাণিতিক হারে।
মনে লয় টিভিডা ভাইংগা ফেলি। নিম্ন আয়ের মানুষ না হৈলে , ভাংগতামই ঠিক।

শেষ পর্যন্ত আমরা সেই কথা সর্বস^ জাতিতে পরিণত হৈয়াই গেলাম। আর আমি হৈলাম হুদাই গ্রহের এক একনিষ্ঠ বাসিন্দা।
শালার কষ্টের মা..রে বা..।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28871963 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28871963 2008-11-21 01:12:10
ট্রুথ কমিশন কেনো হলো , কেনোই আবার অবৈধ হলো, মানুষ কি আর ভালো হবার এসব সুযোগে আস্থা রাখবে কভূ এই তো সদ্য আদালত কতৃক তাকে অবৈধ ঘোষনা দেয়া হয়েছে বলে আমরা জানলাম পত্রিকা মারফত।

এখন কি হবে, একটু ভাবুন।
অলরেডি অনেকেই শুনেছি , পড়েছি খবরের কাগজে সত্যবাদী হয়ে ওঠার চেষ্টা করেছেন ট্রুথ কমিশনে , অবৈধ উপায়ে অর্জিত টাকাও তারা জমা দিয়েছেন

যাক মন্দের ভালো , কিছু লোক তো সত্য কথা বলে মুক্ত হলো বিবেকের তাড়না হতে
এবং রাষ্ট্রও অনেক টাকা পেলো সে বদৌলতে।

কিন্তু সত্য বাদী হবার সাহস খুবই বড় ব্যাপার
...এই বড় কাজটি করার সাহস যারা পেয়েছেন তারা পেয়েছেন ট্রুথ কমিশনের উপর আস্থাবান হয়েই।
সেই আস্থা জাগানো ব্যবস্থাটাই যখন আইনের চোখে বেআঈনী হয়ে ওঠে
তখন সত্যর জোর কোথায় থাকে।


ভুল সবই ভুল , অদূরদর্শীতা আর একগুয়েমি সততা আনায়নের চিন্তাধারার ভুল।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28869546 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28869546 2008-11-15 22:30:29
প্রশ্ন পূর্ণিমা রাত , তবু আজ মোর ভীষন কষ্ট তিথি
আজ এ দিনে এসেছিল ধরায় এক নতুন অতিথি;
ধরনী অবণী আবীর কি নীল হেসেছিল সেদিন হয়তো,
আজ বহুকাল পেরোনো দিনে হাসির ঝর্ণা ধারা বয়তো?
জানি, সেতো আমিই জানি, আমিই যে ঢুকেছি মনে
হাসি সব তারা কবর দিয়েছে-কষ্টে সে, তারা জানে।
এমন কেনো হয়গো ভূবন জবাব তুমি কি দেবে
তোমার উপর ক্ষমতা যাঁহার তাঁহারে কে সুধাবে?

১৪/১১০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28869532 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28869532 2008-11-15 21:43:01
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ১১
অনেক ভালবাসার পরে কষ্টগুলো সঙ্গী হয়
সব হারানো নিঃস্ব মনে স্বপ্ন গুলোই টিকে রয়
অনেকটা পথ হাঁটার পরে অনেকধূলো লাগলে পায়
তবেই তুমি পথিক হবে, প্রেমিক হবার কি উপায়?

সেই সে উপায় জানার তরেই সঙ্গী কষ্টগুলো
নিঃস্ব মনের শূণ্য কুহোর ভরায় যে কে বলো?
অতীত মধুর স্মৃতির পাহাড় আজ যা মেলেনা আর
সেই খানে প্রেম হারানো কাব্য আমার সাথে তার।

ধুলো উড়ে আসলে পরে বুঝতে কি আর পারো
কোন সে পথের স্মৃতির রথে বন্দী স্বপ্ন তারও
ধূলোর জীবন পথের তরে , চুমিতে পথিক পায়
কষ্টেরও তাই ,নিঃস্ব হৃদয় ভরাতেই শুধু চায়।

অনেক ভালবাসালে যে তাই অনেক কষ্ট মেলে
স্মৃতির পাহাড় মনের ভেতর কষ্টের সাথে খেলে
ধূলোর মত কষ্ট যখন জড়ায় মনের গায়
তখন তুমি প্রেমিক হয়ে উঠলে প্রেমের নায়।

এবার প্রেমিক স্বপ্ন দেখে বিরহ সুখ খোঁজে
কষ্ট ছাড়া মন কখনও প্রেম কি যে তা বোঝে?

১৪/১১/০৮
==================================
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০১
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০২
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৩
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ০৪
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৫
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৬
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৭
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৮
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৯ ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ১০
================================
ছবি সূত্র ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28868849 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28868849 2008-11-14 02:04:15
সুখ জাগাতে চাও? মিথ্যে বলেই মহৎ হবে,
সত্য গিলে খাবেই তবে...
ওমন মিথ্যে কেনোই বলো
সত্য সুখের কষ্টও ভালো...
হাসবে ঠোঁটে লুকানো দুখে
ব্যাথার সত্য ঠিকই যে বুকে।

এবার তবে কষ্ট দিয়ে বানিয়ে ভেলা
বেদনার জলে ভাসব বলে হারিয়ে বেলা
উদাস হারিয়ে দিগন্ত পানে
আমার প্রতি তোমারই টানে
ভয় কি বলো দ্বীপান্তরে হয়তো চিরকালই...
হৃদয়ে যদি নিরবে তোমার ভালবাসাই পালি।

অনেক ভেবে
মনটাকে বেশ কষ্ট নীলে শুকিয়ে নিলাম
দিগন্ত মরিচিকা
বুঝতে পেরোও সেদিক পানেই ছুটতে গেলাম
কারন তুমি
কারন তুমিই
বুঝিয়ে দিলে মিথ্যে ছলে
আমায় ভালবাসই বলে
সুখ ভোলাতে
মিথ্যে কথার তুষার শুভ্র ছড়িয়ে দিলে।

১১/১১/০৮

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28867501 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28867501 2008-11-11 01:28:22
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ১০ বাতাস বলে যায় আবার এসেছে ফিরে
দূর থেকে নিকটের তীরে সে এখন;
নিকট বাতাসে তাই চটুল নৃত্য,
কষ্টবাণগুলো সব ক্ষণিকের ভৃত্য
হয়ে লুটিয়ে এ পায়ে মোর ধূলো মুছে দেয়;
আরেকটু এগিয়ে পদজোড়া হায়
সুবাসের তীব্রতা খুঁজে পেতে চায়।
যে ঝড়ো বাতাসের তোড়ে সে কালে
লন্ডভন্ড মনে নৈকট্যের দড়ি ছিড়ে
ভেসেছিল অকূলে দৃষ্টির সম্মুখে চিরায়ত সুখ
সে বাতাস আজ বুঝে তার ভুল
উল্টো ঝড়ের শান্ত ছোঁয়ায় ভুলাতে চায় দুখ।
শুধু সময় চিনে ফেলে কালের প্রভাব
সেদিনের ভাললাগা ধূলোরই যে অভাব!

৮/১২/০৮
=================================
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০১
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০২
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৩
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ০৪
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৫
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৬
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৭ ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৮
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৯
=================================

photo source ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28866537 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28866537 2008-11-09 00:55:57
সাদা নামের গানটি মন কেড়েছে পথিকের
অ্যালবামের নাম যার ডানপিটে আর তার শিল্পীর নাম মিনার।
লিরিকস আর লিংক একটু নিচের দিকে স্ক্রল করলেই পাবেন।
গানের লিংক

লিরিকস

তুমি চাইলে বৃষ্টি , মেঘও ছিল রাজি
অপক্ষা শুধুই বর্ষনের
মাতাল হাওয়া বইছে
দূরে পাখি গাইছে গান
বৃষ্টি তোমার আহ্বান

সাদা রঙের স্বপ্নগুলো দিলনা গো ছুটি
তাইতো আমি বসে একা
ঘাসফুলেদের সাথে আমি একাই কথা বলি
ঘাসফুলগুলো সব ছন্নছাড়া


তুমি চাইলে জ্যোৎছনা স্বপ্নীল কোন এক রাতে
আকাশটা ঘিরে প্রার্থনা
চাঁদটা বলবে হেসে জ্যোৎছনা এলে শেষে
জানিয়ে তোমার অভ্যর্থনা

সাদা রঙের স্বপ্নগুলো দিলনা গো ছুটি
তাইতো আমি বসে একা
ঘাসফুলেদের সাথে আমি একাই কথা বলি
ঘাসফুলগুলো সব ছন্নছাড়া

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28865877 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28865877 2008-11-07 11:16:46
পথের ধূলো এবং জোৎসনার আলো গায়ে পথের ধূলো মাখা যেতে পারে
তাই বলে জ্যোৎস্নার আলো!
কিন্তু কত লোকেই তো মাখে ভরা পূর্ণিমায়
আমিও চেষ্টা করে দেখেছি
অসম্ভব মনে হয়নি , তবে বোধদয় হয়েছে
ওকাজ সম্ভব তখন যখন থাকে সেই অনুঘোটক,
যে অনুঘোটক এর নাম ‘প্রিয় মানসীর উপস্থিতি’।

যা হোক
জ্যোৎস্নার আলো আর গায়ে মেখে দেখা হলোনা
ধূলো গুলো আজকাল তাই বড্ড উপহাস করে
নামতেই চায়না , জড়িয়ে থাকে , কি যেন সুখ
তাদের আমারই জোৎস্নার ছোয়া লীন দেহে জড়ায়ে;
আর নামবেই কখন , অনবরত এ আমার পদচারণা
ধূলোর রাজ্যে গহীনে গহনে মন থেকে দূরে দূরে...
ধূলো গুলোই আজকাল একাকীত্বের মৃত্যু ঘটায় আর
গিলে খায় ছুটে আসে যতগুলো জোৎসনার আলো কাছে।

সেদিন চোখদুটো বন্ধ ছিল, মানে কল্পনায় আর কি
চাঁদের গায়ে হাত দিয়েছিলাম, ঠিক তখন দেখেছিলাম
সেই হাসি আমার সেই প্রিয় মানসীর সেই প্রিয় অধরে,
চাঁদ যেন সবটুকু জ্যোৎসনা ঢেলে দিলো আমাদের তরে
আমি দুহাতে আজলা ভরে সে আলো মেখেছি
আর মাখিয়েছি সেই প্রিয় মানসির হাতে মুখে বুকে
আর তখনই ঝড়ো হাওয়া বইলো, চোখ খুলে গেলো
ধূলোর এক পশলা বাতাস এসে ধূলোয় জড়ালো গা।

ধূলো কে কি তোমরা আমার শত্রু ভাবছ?- ভুল ।
ধূলোই আমাকে শুনিয়ে যায় সেই প্রিয়ার খবর
দূর থেকে দূরে উড়ে উড়ে বারেবারে এবং ফিরে ;
জ্যোৎস্না বড় অহংকারী , রাজর্ষী ভাব তার দীপ্তী যে বড়,
একাকী আমার কাছে আসেই না , আর দেখ ধূলো গুলো
নির্দ্বিধায় আসছে, থাকছে, জড়াচ্ছে গায়, হাসছে হাসাচ্ছে;
তবুও সত্যি জ্যোৎস্নার অভাব প্রিয় মানসির জন্য কাঁদায়..
সে কান্নার জলে পথের ধূলো গুলো চিকচিক করে ওঠে,
আর সে উজ্জ্বলতায় চমকে ওঠে জোৎসনারও আলো।


৬/১১/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28865332 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28865332 2008-11-06 02:29:02
জিততে থাকা ম্যাচ কেমন করে হারতে হয় , শিখাল আমাদের জাতীয় টীম আর জেতার জন্য প্রয়োজন ছিল ১২২ রান।

স্টার্টটাও অসাধারণ ছিল...
কিন্তু তারপর কেমনে করে ক্রিজে যেতে হয় আর ভুল বলে ছক্কা হাকাতে যেতে হয় আর মিস টাইমিং করতে হয় সেইটা শেখাল আমাদের মত রাত জাগা দর্শকদের আমাদের সোনার জাতীয় ক্রিকেট টীম।
একটা সময় মাত্র ৪৯ বলে মাত্র ৬২ রান দরকার ছিল , আর হাতে ছিল ৭ উইকেট...কিন্তু অকারণ আত্মহত্যা সব খেলোয়াড়দের।

( আইসিএল এর ঢাকা ওয়ারিয়র্স এর সাথে কোন তুলনা এখানে করব না, তাতে দেশকেই ছোট করা হবে)

আফসোস আর খারাপ লাগে...জিততে থাতকা একটি ম্যাচ কেনো হেরে যায়, কেনো?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28865320 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28865320 2008-11-06 01:52:19
এক লাইনে কেটে যায় রাত
এভাবেও রাত নির্র্ঘুমতার বাহু জড়িয়ে ধরে নির্জল কান্নার সাথে নিবীর প্রেম বন্ধন আর সখ্যতার উৎকর্ষতার বৃদ্ধি ঘটিয়ে নিদারুন কান্তির ভবিষ্যত রচনায় উদগ্রীব হয়ে তীব্র কোন আকাঙ্খায় আমার প্রতি তার অনুকম্পার নিশ্চুপ নিরবতার গোপন লালিত স্বপ্নের ছোঁয়া জাগানো মিষ্টি চাঁদের আলো লুকানো শীতল কুয়াশার জন্ম বারতায় ঝিঁঝিঁ পোকার নিক্কন সুর লোহরিতে মুগ্ধতার মিথ্যে প্রয়াসে কখনও নাবালক শিশুর মত হাস্যক্রন্দনে ভোলানোর ছলে এ মনে আমার উভয় মেরুর রূপ রস ঢেলে বুকের বাম পাশে নোনা ব্যাথায় শান্তির প্রলেপ মেখে দেয়ার বাসানায় চাদরের মত আকঁড়ে রাখতে গিয়ে
আমার মাঝে কখন যেন সে রাত নিজেই হারিয়ে যেতে থাকে যার ফলে এই বেদনায় বিতত আমি হয়ে যাই এক পুরো রাতের হত্যাকারী।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28864320 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28864320 2008-11-04 02:43:31
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৯
বেদনা মোর খাচ্ছে কুঁড়ে বেদনারই
বসতভিটা-সে এই যে এ মন আমার
গিলছে সদাই মনের ভূবন হচ্ছে সদাই
স্বাস্থ্যবান, মন তবে কি শেষ হবার?
এমন আপন স্বার্থ তরে বেদনাটা বুদ্ধু বেশ
পরগাছা সে আবাস গেলে জীবন যে তার হবেই শেষ।
তার সে বোকার কর্মকাজে বেঘোরে এই মনটি মোর
বেদনার শেষ খাদ্য হয়ে হারায় যদি জীবন ডোর
তখন সত্যি বেদনাটাও কৃষ্ণগুহায় উধাও হবে
উধাও তারই উদর মাঝে মনটি যে মোর কোথায় রবে,
জানবে যে কে,, খুঁজবে কোথায়, কে দেবে তা বলে
আপন মাঝে এমনি করেই শান্তি পাবার ছলে
ডোবে বুঝি জীবন তরি জীবন নামের নদে
মন বেদনার উদর পূর্তি ই নামায় মৃত্যু খাদে।

৪/১১/০৮



=====================================
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০১
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০২
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৩
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ০৪
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৫
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৬
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৭ ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৮
=========================================


ছবিসূত্র ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28864317 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28864317 2008-11-04 02:27:25
কবিতাঃ জীবন্মৃত তা নির্ণয় করতে বসি যখন কষ্ট আকাশচুম্বী...

মৃতের দলে আমিও আমন্ত্রন পাই
হরহামেশাই আজকাল জাগরণ এবং শয়নে
কিন্তু ওই দলের ওদেরকে মনে হয়
সৌভাগ্যবান আমার চেয়ে বোধহয় বেশীই
তাই যাইনা ওখানে , দেই না আমন্ত্রনে সাড়া;
নিয়তির অমোঘ টানে যাত্রী তো মৃতের দলের
হয়েই আছি, সময় ভূলবেনা, কিসের তাই তাড়া,
যখন সে সৌভাগ্যবানরা নিয়তিরই টানে মরেছে
একবাইর আর আমি স্বদোষে মিছে মিছে মরি
রোজ রোজ হয়ে জীবন্মৃত, একক কষ্টে টইটুম্বুর
দেহাধারের সজীব চর্ম খোলসে ঢাকা বিরহী মানুষ।

নিয়তির ডাক, যেদিন আসবে আমার পানে
আর যখন সে সৌভাগ্যবানের দলে শরীক হয়ে
ভাবনার সাগরে আমার থেমে যাবে বিষের স্রোত,
সে তো জানেনা এ ব্যধিগ্রস্থ মনখানি মোটেও
কিন্তু তার আগেই এ দুর্ভাগ্যের জীবনে আমার
বেদনার বিষপোকা বাসা বাঁধে আর জোটেও
সেই বিষপোকাদের বেঁচে থাকার একমাত্র
খাদ্য - সেই সে আমার ফলনশীল সেই কষ্ট
যে কষ্টের পাহাড় জেগেছে মনে আর চূড়ায় যারই
নেমে আসতে দেখি মৃতের দলের আমন্ত্রন স্পষ্ট।

১/১১/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28863217 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28863217 2008-11-02 00:40:29
চিত্তনাশী ভালবাসা চিত্তনাশী ভালবাসা

হায়রে ভালবাসা !
চিত্তনাশী হইল কেনো?
হইলো কেনো লুকোছাপা
হায়রে ভালবাসা!

মাটির কবরে আশার বাস
সেই খানে ছোট দোর,
ভাঙা কাঠের পট্টি দুটি
ভালবাসার সেই সে কবেই
দিয়েছিলাম আমিই ছুটি।

কাঠ মিস্ত্রি আর কেউ নয়
সে সে আমি সেই কালেতে
ঐ এ পথের জমিন ধেয়ে
চটুল হিমেল বাতাস আর
সবুজ গাছের ছায়া পেয়ে
হাঁটতে হাঁটতে কুড়িয়ে নেয়া
ভালবাসার খাঁটি ফুল
তারপর সেই কবরের ডাক
আশার মৃত্যু আমার ভুল।

হায়রে ভালবাসা !
চিত্তনাশী হইল কেনো?
হইলো কেনো লুকোছাপা
হায়রে ভালবাসা!

ভেঙেছে আজ কাঠের দোর
কবরের ভেতের আলোর তোর
মনে পথিকের স্বপ্নকুড়ি
সুপ্ত কালের খোলস খুড়ি...
এপার ওপার তোলপাড় আশা
সেই সে পথে ধূলোর ঝড়
মিথ্যে কবর তুচ্ছ ঘর...

তবে কেনো সেই সে কালে
হায়রে ভালবাসা,
আশার মৃত্যু সুষ্টি করে
কষ্টগুলো সঙ্গী মেনে
পথ দিলো সে ছেড়ে
সময় শত্রু সময় বন্ধু
সুখ সে নিল কেড়ে।


কবর চাপা আশার রোষে
আলোর ছোয়া লাগলো কেনো
কাঠের দরজা ভেঙে তবে
আলোর মুখ সে চুমলো কেনো?
কোন সে আছে জবাব?
শক্র সময় , বন্ধু সময়
জীবন মানে, বললে না কেন
কেবলই যে মনের ক্ষয়।

চিত্তনাশা ভালবাসায়
ক্ষয়িষ্ণু এ মন
লুকোছাপার ভ্রান্তি খেলায়
উদ্ভ্রান্ত-এখন।

হায়রে ভালবাসা !
চিত্তনাশী হইল কেনো?
হইলো কেনো লুকোছাপা
হায়রে ভালবাসা!


১/১১/০৮




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28863078 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28863078 2008-11-01 19:04:33
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৮ ভুল করে ভুল বুঝি বলেই কষ্ট চিনতে শিখি
আর না বুঝলে পরে তখন কষ্ট না বোঝার
বেদনাটাই ভীষন কষ্ট , ভীষন করে ভাবার
শুরু বলে নেই কিছূ , নেই তাই কোন শেষ
কবিতা হলো মধ্য কালের স্বপ্নের আবেশ ।
মন থেকে খসে পড়তে থাকে মনের দুখ সুখ
কবিতার মাঝে ছায়ায় যেন সুখদুখের মুখ।
তবুও ভেবে পাইনা কেনো কষ্ট প্রাণ সখি...
পায়ে ধূলো লাগবে বলে হাঁটবোনা, বল একি!
পথিক প্রাণে পথের মাঝে জীবন বিলাবো ভাই,
কষ্ট সত্য , ভুল নিত্য আর কবিতাও যে তাই ।

২৯/১০/০৮
=======================================
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০১
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০২
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৩
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ০৪
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৫
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৬
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৭ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861796 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861796 2008-10-29 23:42:13
টাকার সাথে পারফরম্যান্স সমানুপাতিক? টাকার সাথে পারফরম্যান্স সমানুপাতিক , মানে একটা বাড়লে আরেকটা বাড়ে আর ভাইস ভার্সা।

বক্তব্য র উপজীব্যতা ছিল আইসিলের ২০ ২০ চ্যামি্পয়ান শীপে আমাদের এক সোনার টুকেরা ছেলে, অলক কাপালীর চোখ জুড়ানো সফলতম পারফরম্যানস। তার সেই পারফরম্যান্স আমরা জাতীয় টীমের খেলায় পাইনা।

কিন্তু কেন?
তবে কি জাতীয় টীমে খেলতে খেলোয়াড়দের কোন বাড়তি চাপ কাজ করে নাকি সেই টাকার সমানুপাতিক সূত্র ?

ছবির চার্টে দেখুন ..অলকের সুপার পারফরম্যান্স আইসএল এর ২০ ২০ তে।

আরো দেখুন ঐ চার্টে আমাদের আরো দু সোনার ছেল আফতাব আর নাফিসের অবস্থানো । ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861683 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861683 2008-10-29 19:06:30
প্যান বসাতে ১২২ শ্রমিক, কিস্তু জানেন কি ১২২ জনের মোট মজুরী কত হয়( মাত্র ১২,২০০টাকা)
বিষয়টি নিয়ে কোন সাফাই দেয়ার মানসিকতা নিয়ে এই লেখা নয় আমার। অন্যায় অন্যায়ই , তা সে যে রূপেই আর যেভাবেই হোক। কিন্তু আমার অবাক লাগে এইরম একটা বিষয়কে মহা কিছু ভাবার অবকাশ টা নিয়ে।
রাগ করার কিছু নাই পাঠক ভাই। আমাদের সরকারী নীতি এবং ব্যবস্থা এবং আইন ও কর্মপদ্ধতি (সিস্টেম) এমনই কিছূ ঘোরটোপে আটকা যে অনেক কিছূই বাহির থেকে অন্যরকম মনে হতে পারে সাধারণ মানুষের কাছে।

একটু সহজ করে বলি---
যারা ভাবছেন ১২২ জন শ্রমিক মানে না জানি কত টাকার মামলা। তারা অবাক হবেন , পাবলিক ওয়ার্কস ডিপারটমেন্টের রেট অনুযায়ী একজন শ্রমিকের মজুরী মাত্র ১০০ টাকা , ( বর্তমানে সেটা ১৫০ টাকা হয়েছে) ( এই মূল্যে কোথাও আপনি কোন ডেইলি লেবার পাবেন না)
তো ১২২ এর মোট মজুরী তাহলে ১২,২০০/= টাকা।

এখন আসুন সরকারী যেকোন কাজ তা যতই ছোট হোক না কেন, চাইলেই করা যায়না। তার জন্য সারটেন প্রসিডিউর পালন করতে হয়। সে ক্ষেত্রে শ্রমিক দেখিয়ে অন্য খরচ উঠিয়ে অনেকে অন্যায় ভাবে কাজটি করে থাকতে পারেন। যেটা হতে পারে ঐ প্যান কেনার ক্ষেত্রে ঘটেছে।
কোটি কোটি টাকা নিয়ে এ দেশে কি হয় সেটা তো নিশ্চয় বুদ্ধিমানদের বলে দিতে হয়না।

১২২০০ টাকা, যার আবার দেখা যাবে প্যান আর আনুষাঙ্গিক ক্রয়েই হয়তো অধিকাংশ ব্যায় হয়েছে।। এমন হতে শুনেছি।
এ ক্ষেত্রে তেমন নাও হতে পারে ( জানা নাই) , তবে একটা প‌্যান কিনতে কোটেশন করা টেন্ডার করা বাস্তবিকতার পরিপ্রেক্ষিতে সম্ভব নয়, আবার এমনেও কিন্তু আইন দেকানের ভাউচার দিয়ে সেটা কিনতে দেবেনা। অডিট আপত্তি তুলবে ।
তখন ঐ ভাবে লেবার দেখিয়েই হয়তো প‌্যান বসানোর জরুরী প্রয়োজন মেটানো হয়েছে।


তাই খালি হাসলেই হবেনা, সিস্টেমএর ফাঁক আর দুর্বলতাগুলোও অনুধাবন করতে হবে। না হলে কোন উন্নয়ন প্রকল্পই দেশে উন্নতি আনয়ন করতে পারবেনা। কারন সর্ষের মধ্যেই ভূত।
সাংবাদিক ভাইদের বলব, হাইলাইট করুন রিয়েল দূর্ণিতীগুলো ..এরম গুলো নয়।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861609 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861609 2008-10-29 16:40:19
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৭ যেন রাত যত গভীর হয় বেড়ে যায় একাকীত্ব
যেন অবশেষে ঘুমের কোলেই ফিরে আসি নিত্য...
ভাবনা তেজস্বী , কামার্ত দৃষ্টি আরও একটু বেশী
অনুছিদ্র ভেদে নজর ছূঁয়ে আছে কুচার্গ কারও বুকের
পথের পরিধি দূরত্ব ছেড়ে বিন্দুতে মিশে যাওয়া হঠাৎ সুখের
কিন্তু তারপর কষ্ট গুলো একঘেয়ে, পুনঃ আবর্তন যার
মনের পথ খুঁজে নেয়া প্রতিচ্ছবি মাঝে আনাগোনা তার....
তখন( জীবনকালে) মেঘের কপালে ঘনঘন শ্বেদ বিন্দু
পথ সে কেন্দ্রে হারাতে পাড়ি দেয় মাঝে যদিও থাকে সিন্ধু।
ঘুরে ফিরে সব পথ সেই(!)মোহে যেন একই কেন্দ্রে খোঁজে মুক্তি
তবে কি নিঃসঙ্গ নির্ঘুম রাতের মতই পথ চলা আত্ম কান্তি যুক্তি?
২৯/১০/০৮
========================================
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০১
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০২
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৩
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ০৪
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৫
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৬ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861365 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861365 2008-10-29 01:44:37
কারন নির্ণয় করি আসুন
দেশের বাইরে তাকাই...
আমেরিকাতে ..ক্যাটরিনা...আরো যেন কি কি নাম ....

আচ্ছা বলুন তো এই ঝড়গুলোর নাম সব এমন রোমান্টিক আর মেয়েলি কেনো?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861040 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28861040 2008-10-28 14:15:13
মনের সারথির আমার চোখে জল
মনের সারথির আমার চোখে জল, যদিও
অবিরত বৃষ্টি ঝরেই চলেছে জমিনের কোলে,
শত কোটি বৃষ্টি কনার আবরণ ভেদ করে দৃষ্টি
দেখে নেয় সে চোখ সহজাত আকুতির টানে ।

কাঁচুলির হুকে থেমে গিয়েছিল আবেগের দৌড়
আর ঠোঁট কেঁপেছিল অযুগলতার ব্যর্থ ক্ষোভে,
বৃষ্টির ধীর ফোঁটা গুলো ঠোঁটে খোঁচা দিয়ে যায়
শুকাতে দেয়না তৃষ্ণার বিতত ক্ষত ঠোঁট দোহে।

কল্পনার গগনে টুকরো টুকরো মেঘ শিশুরাও
কালো কালো রঙে শোকের বারতা শোনায় ,
আর বাস্তবে জলমগ্ন মেঘগুলোর আর্তচিৎকার
ছাপিয়ে মনে বাজে মনের সারথির কান্নার সুর।

প্রগলভ চোখের জল চোখ থেমে নেমে নেমে
ছুঁয়ে যায় ঠোঁটের উষ্ণতা, গ্রীবার ভাঁজ এবং
সে নামতেই থাকে, স্তন ছাপিয়ে আরও বহুদূর
মনের সারথি আমার বিরহে শীর্ণ আর্ত মেদুর...

কতদিনের লালিত অভিমানে ঐ তো বিরামহীন
বৃষ্টি ঝরিয়েই চলেছে মেঘগুলো নির্লজ্জের মত,
মনের সারথির আমার চোখে সে নির্লজ্জের প্রভাব
আর বিরহ তৃষ্ণায় আমি মরুভূমির মত শুষ্ক- মৃত।





২৭/১০/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28860348 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28860348 2008-10-27 03:18:21
বারে বারে বল ‘তোমায় ভালবাসি’--গান যা মনে ধরেছে গানটি গেয়েছেন যে তার নামটা ঠিক জানিনা , গানটি ‘লালন’ ব্যান্ডের বিপ্রতীপ নামক ক্যাসেটের।
লিরিকসএর লাইনগুলো একটু দেখুন ( হালকা ভুল হতে পারে উচ্চারণ দু একজায়গায় বুঝতে কষ্ট হওয়ায়, তার জন্য দুঃখিত অগ্রীম) কি চমৎকার

মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি
জিহ্বার ছোঁয়ায় ধুয়ে গেছে গো
সেই সে কবের আদর
মুছে গেছে সব
তবুও তুমি মাথা উঁচু করে
বারে বারে বল ‘তোমায় ভালবাসি’
তবুও তুমি..
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি

অন্তরে তোমার সর্বনাশা হাসি
অর্ধমের খাঁচায় গুমড়ে কাঁদে মনপাখি
অর্ধমের খাঁচায় গুমড়ে কাঁদে মনপাখি
অন্তরে তোমার সর্বনাশা হাসি
অর্ধমের খাঁচায় গুমড়ে কাঁদে মনপাখি

তবুও তুমি মাথা উঁচু করে
বারে বারে বল ‘তোমায় ভালবাসি’
তবুও তুমি..
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি

ভাঙনের প্রলপে রত তোমার দৃষ্টি নদে
অবিরত বেঁচে রই রক্তস্নাত হয়ে
অবিরত বেঁচে রই রক্তস্নাত হয়ে আমি
ভাঙনের প্রলাপে রত তোমার দৃষ্টি নদে
অবিরত বেঁচে রই রক্তস্নাত হয়ে আমি
অবিরত বেঁচে রই রক্তস্নাত হয়ে

তবুও তুমি মাথা উঁচু করে
বারে বারে বল ‘তোমায় ভালবাসি’
তবুও তুমি..
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি

মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি
জিহ্বার ছোঁয়ায় ধুয়ে গেছে জ্বর
সেই সে কবের আদর
মুছে গেছে সব
তবুও তুমি মাথা উঁচু করে
বারে বারে বল ‘তোমায় ভালবাসি’
তবুও তুমি..
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি

তবুও তুমি মাথা উঁচু করে
বারে বারে বল ‘তোমায় ভালবাসি’
তবুও তুমি..
মুছে গেছে সব দেনা পাওনার স্মৃতি





গানটির লিংক পাবেন এখানে


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28860087 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28860087 2008-10-26 17:03:25
মোরা ছাইয়া মো'সে বলেনা মনে ধরেছিল সেই কমা'স আগেই যখন ভিডিও চিত্র দেখতাম রোজ স্যাটেলাইট চ্যানেলর সুবাদ গানটির।
আজ হঠাৎ পরপর দুবার শুনলাম দুটো চ্যানেলে দুজনার মুখে। হঠাৎ আবেগে ঝর্ণার ধারা প্রবাহিত হলো চটুল বেগে....
আর সে আবেগে ভুলে গেলাম শিল্পীর নাম।তবুও
নেটে সার্চ দিলে পাব বিশ্বাস ছিল দৃঢ়। পেলামও তাই. দুতিনবার গানের মূল কলিটি লিখতেই ,
গানটি পাকিস্তানী গজল শিল্পী আমানত আলির গাওয়া একটি গজল মূলত।
আজ একটি বিশেষ দিন কোন বিশেষ সূক্ষ্ম কারনে ....হয়তো তাই এই বেদনার সূর লোহরিত গজল টি বেশি ভাল লাগছে ...
ভাল লাগছে হৃদয়তন্ত্রীতে ভিন্ন মাত্রায়

---------------------------------------
সাওয়ান বিতো যায়ে পে হারওয়া
মান মেরা ঘাবরায়ে
অ্যায়সো গায়ে পারদেস পিয়া তুম
চ্যায়েন হামে নেহি আয়ে।

মোরা ছাইয়া মো'সে বলেনা
ম্যায় লাখ যাতান কার হার রেহি
লাখ যাতান কার হার রেহি
মোরা ছাইয়া মো'সে বোলে না।


তু যো নেহি তো অ্যায়সে পিয়া হাম
য্যায়সে সুনা আঙ্গনা
ন্যায়ন তেহারি রাহা নিহারে
ন্যায়নান কো তারসা'ও না।


মোরা ছাইয়া মো'সে বলেনা
ম্যায় লাখ যাতান কার হার রেহি
লাখ যাতান কার হার রেহি
মোরা ছাইয়া মো'সে বোলে না।




গানটির ডাউনলোড করার লিংক


/মনের অপার্থিব প্রেমোপাদানের সুপ্ত আগ্নেয়গিরিতে হারিয়েছি যার প্রেমের সাড়া আপাত পার্থিবের কষ্টসুখে, সেই তার জন্য এই মনোমুগ্ধ গানটি উপহার /

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28858886 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28858886 2008-10-24 01:09:16
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৬ আবার ছুটে ছুটে যায়
আবার ফেরে আবার যায়
কে আটকাবে এই কল্পপথের অবিরাম গতি তার?

অঁধরে তার স্পর্শ মিশেই রয়
অনুভূতি বাতাসে লুটানোর আগেই
মন ছুয়ে আসে মনের অঁধর বিলিয়ে
মন যেন যেতে থাকে গোপনে মিলিয়ে
কৃষ্ণ গহ্বরের মত তাই নিজের মাঝেই

উন্মাদনার মহাশূণ্যতায়
স্থায়ী হারানোর নিয়ত খেলাধূলায়
ধূলো বালি তাই লেগেই থাকে মনে;
ঝর্ণার জল হয়ে মুছে দেয় ধূলোগুলো
কেবলই চোখের অবিমৃষ্য
বাঁধহীন জল যা ভীষন এলোমেলো।

২৩/১০/০৮
============================

ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০১
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০২
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৩
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ০৪
ধূলো ওড়ানো শব্দগুলোঃ ০৫
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28858676 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28858676 2008-10-23 16:21:01
কবিতাঃমনের তিন পরতের বেয়াড়াপণা তিন পরত এ অদৃশ্য মানব মনের,
তিনটি পৃথক স্তর ও বলা যেতে পারে
যার তিনিটিই তোমার বেয়াড়া ভীষন
আর আমার দুটো।
শেষ পরতের কর্তৃত্ব তোমার ও না, না আমার
ওটুকু কারোরই নিয়ন্ত্রনে থাকে না,
সৃষ্টি শক্তি সেখানে জুড়ে দিয়েছে
স্বশাসিত কোন নিয়ন্ত্রন যন্ত্র, যাকে তোমারা
অথবা আমিই তো ভাগ্য উপাধি ভূষিত করি কদাচিৎ।

এরপর মাঝেরটি - অর্ধ নিয়ন্ত্রনাধিন পরত
সেখানে জোরালো চিত্ত শক্তি প্রভাব ছড়ায়
সেখানে ভাবনার সূতো নানা রঙেন ঘুড়ি ওড়ায়;
বাহ্যিক নিয়ামক আর প্রভাবকের প্রভাব সেখানে
শেষ পরতের বন্ধনে শিথিলতা আনতেও পারে...
তোমার আসেনা যদিও , আমার কখনও কখনও-
বাহ্যিক প্রভাব যদি প্রতাপশালি হয় কোন সুকালে।
কিন্তু সে প্রতাপশালি প্রভাবকের আসার পথ আমি
অগোচেরই ঢেকে দিয়েছি পাহাড়ী ঢলের জলে।
তাই এ পরতও বেয়াড়া আমার
আর তোমার তো আগেই মেনেছি।

বাকী যে প্রথম পরত মনের সে তো নিজেই বাহ্য
বাতাস লালিত, সেখানে নবউদ্যম, চমক শোভিত
তুমি যদি চাইতে , কষ্ট হত , তবুও এড়াতে পারতে
তার বেয়াড়া পণা, কিন্তু বড় বেশী আবেগ যে তোমার;
সে আবেগ জেনো আমারও , কিন্তু চিত্তে যে বসবাস
এক কানা ভূতের, এক চোখে ঘুমায় সে আর অন্য চোখে
খোঁজে রাজ্যের নষ্টামী, সভ্যতার নতুন হাওয়ায় মনের
সে প্রথম পরত আমার ছুটে বেড়াতে চায় নতুন পথে
যদিও সব পথ মিশে যায় সেই এক মোহনায়
যেখানে তোমার আঁখি জলের ফোয়ারা আমাকে ভেজায়
আমি সিক্ত হয়ে কাঁপতে থাকি , ওটাই একমাত্র পাওয়া
আর ঐ মাঝের সভ্যতা বিষের পথে যখন
উন্মাতাল দিনগুলো কাটে , তখনই প্রথম পরত
আমার হারায় বেয়াড়াপনা স্বভাব নিয়মিত বিরতিতে।

মনের সে তিন পরতে তোমার আমার অদৃষ্টের বিরহ খেলা
বেয়াড়াপনা তো উপমা শুধু, আসলে তো অদৃশ্য প্রেমের মেলা।

২২/১০/০৮

(ছবি সূত্র) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28858371 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/28858371 2008-10-22 23:49:19