somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... সাদাত শাহরিয়ারের 'আমাদের গল্প' --- বেশ কিছু মনোমুগ্ধকর ছোট গল্পের সংকলন সাদাত শাহরিয়ার - পেশায় আমার মতই প্রকৌশলী। পার্থক্য সে কর্পোরেট জব করে আর আমি ঘুণে ধরা সিস্টেমের আবর্তে। তবে দু'জনেই গল্পকার। এইটা বড় মিল, নিবিড় একটা বন্ধন এই অংশেজীবনের হয়তো তাই।

অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১২তে অনুজ এই ছেলেটির প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। বইটির নাম `আমাদের গল্প'।


বইটির ২৪টি ছোট ছোট গল্প পড়ে আমার ঠিক অনুভূতিটা এমন -`এই ছেলেটা জীবনের প্রতিটা মুহূর্ত মনে নিয়ে ভাবতে থাকে, তাই তার ছোটগল্পগুলো ছুঁয়ে যায় এ যুগের আধুনিক বাতাসে ধোঁয়া আমাদের মন।'

লেখক সাদাতের ভাষ্য -' আমি মনে করি, আমরা যা দেখি, শুনি কিংবা করি তাই এক একটা ছোট গল্প। প্রতিটা মানুষের প্রতিটা নিঃশ্বাসই ছোট গল্পের যেন এক একটা লাইন। '

তার সে ভাষ্য আর গল্প গুলো বুননের ক্ষেত্রে পরিপূর্ন মিল, অংকের সমাধানের মতই ইক্যুয়াল চিহ্ণের এপাশ ওপাশ ।

তারুণ্যে উন্মুক্ত দৃষ্টি মেলে সাদাত বর্তমান তারুণ্য আর যৌবন উদ্দীপ্ত সমাজ জীবনের প্রেক্ষাপটকে প্রতিটি গল্পের মূল গাঁথুনি করে তুলেছে। তরুন সমাজের বর্তমান জীবনধারন, গোপন মানসিকতা , বাস্তবতার এদিক সেদিক , নানা অসংগতির টিকে যাওয়া রূপ ছোট ছোট গল্প হয়ে জীবন্ত সব মুহূর্ত হয়ে উঠেছে তার গল্পে।

'কর্পোরেট সাউন্ড ' গল্পটির কথাই ধরি- স্পষ্ট একটা তফাৎ ফুটে উঠেছে খুব স্বল্প কয়টি লাইনেই তথাকথিত হাই সোসাইটি আর ধ্রুপদী মধ্যধারার সোসাইটির মাঝে। কর্পোরেট অফিসে জব করার ফলে এ ধরনের উপলব্ধি সে গল্পে কাজে লাগিয়েছে খুব তুখোড় ঢংয়ে। ঐ গল্পের শেষ লাইন -'হোয়াট এ কর্পোরেট সাউন্ড' - একাধারে তার ক্ষোভ, উষ্মা এবং বর্তমান সমাজের চরম কর্পোরেট পুঁজিবাদ সমাজের নেতিবাচক দিকটার একটা চিত্র যা পাঠকের সামনে মুহূর্তে একটা বাস্তবতা হয়ে ওঠে। এই বাস্তবতার আরও কিছু উদাহরণ সাদাত রেখেছে অন্য কয়েকটি গল্পেও। 'গ্রহণের কালে' গল্পটিতে কর্পোরেট জগতের সিঁড়িতে উঠতে গিয়ে নারীকে কিরকম নেতিবাচক বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয় সেদিকটিও ছোট গল্পের হালকা সুরে বেজে উঠেছে।

তার গল্পের নারী চরিত্রগুলো ফুটিয়ে তুলতে গিয়ে সাদাত বেশ মুন্সিয়ানা দেখিয়েছে। একজন ব্যাচেলর সাদাতের মাঝে নারী চরিত্রের বেশ গভীর কিছূ দিক ফুটিয়ে তোলার ক্ষমতায় তার নিজেরর প্রতিভা এবং ভাবনার সূক্ষ্ম গভীরতার পরিচয় পাওয়া যায়। `তিশার বাসর!' নামক গল্পটিতে খুব স্বল্প পরিসরে বাসর রাতে এক নারীর মনের গভীর অনুভূতিও তাই সাদাত বেশ বাস্তবতার আঙ্গিকেই ফুটিয়ে তুলেতে সক্ষম হয়েছে।

ছোট গল্পে বৈচিত্র খোঁজে পাঠক । ২৪টি গল্পে নানান বৈচিত্রও লক্ষনীয় বিষয়। হিজরা শিশুকে নিয়ে তাইতো কখনও লিখে ফেলেছ 'হারমাফ্রোডাইট' গল্প আবার জাপান প্রবাসী বাঙালী দম্পত্তির ভূমিকম্প আতংকও অন্যদিকে সে তুলে ধরেছে 'ভুমিকম্প' গল্পে। সমসাময়িক এক ভীতির নাম গোপন ভিডিও চিত্র। এ বিষয়েও তার একটি বেশ লক্ষ্যনীয় গল্প রয়েছে। তেমনি কয়েকটি গল্পে পরকীয়ার মত অবক্ষয়ের উপরেও তার কলম চলেছে।

'হ্যাপি ভেলেন্টাইনস ডে' ;'কর্পোরেট সাউন্ড' কিংবা `লুঙ্গি সন্ত্রাস' গল্পের মধ্য দিয়ে লেখক তার রসবোধেরও পরিচয় দিয়েছে।

কয়েকটা গল্পে যৌনতা এসেছে। ছোটগল্পে ঠিক যতটা আসতে পারে, যতটা এলে অশ্লীল মনে হবে না পাঠকের কাছে ঠিক ততটাই পরিমিত ভাবে।

ছোট গল্পের বুননে সাদাতের পারদর্শীতা উন্নতির দিকে, এটা আমার পর্যবেক্ষণ।
সিরিয়াস একটা গল্প হচ্ছে 'পাগল'। কন্টেম্পরারি বাস্তবতা থেকে একদম সেই আমাদের গৌরবময় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস যেন সে ফুটিয়ে তুলেছে। লেখক সাদাতের এই ভার্সেটালিটি লক্ষ্যনীয়।

ছোট গল্পের দুটি মুখ্য বিষয়- বাহুল্য বর্জন এবং একটা অন্তত জবরদস্ত চমকিত করার মত বিষয় থাকার প্রয়োজনীয়তা- এখানে বিধূরিত।

ভাষা হয়তো আরো গুরু গম্ভীর হতে পারত কখনও কখনও। কিন্তু তাতে আবার কন্টেম্পরারি তরুণ সমাজের বাস্তবতায়প প্রাঞ্জলতা হারাত। কয়েকটা গল্পে টুইস্ট মানে চমক একেবারএ ছিলনা। এই যেমন - 'একটি সাধারণ গল্প' । সে হিসেব পাঠকে সে গল্প আলাড়িত করেনি। কিন্তু একটা বাস্তব চিত্রের সাথে পরিচয় ঘটাবে নিশ্চিত।

ছোট গল্প লেখা বেশ কঠিন কাজ। অল্প কথায় মুহূর্ত ধারন এবং পাঠককে ভাবানো-কঠিনকর্ম না হয়ে কী পারে!। সাদাত শাহরিয়ার সেই কঠিন কর্মটিই নিয়মিত করে চলেছে। তার বাক্য গঠন এবং ভাষার ব্যবহার সরলতার স্বাক্ষর। জটিল বাক্য বা শব্দ খুব একটা তার গল্পগুলোতে চোখে পড়েনা।

আমি একজন যতসামান্য গল্পকার হিসেব তার এই প্রথম গল্প সংকলনটির যথাযোগ্য সাফল্য কামনা করছি। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29540445 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29540445 2012-02-13 16:36:09
মামুন ম. আজিজের ৩য় গল্প সংকলন -‘উদ্ঘুট্টি’

মানব মনের ইচ্ছে ঘুড়ির মুক্ত বিচরণ অসীম কল্পনায়। তবে মন যা চয় সব হয়না। যেভাবে দেখতে চায় চারপাশ সেভাবে ঘটেনা অধিকাংশই। মনের ভাবনা আর বাস্তব দৃশ্য - উভয়েই এলোমেলো ধারনার উদাহরণে ভরপুর। আর আমাদের এই দেশের সমাজ জীবনে টানাপোড়ন তো নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা। এক সাধারণ লেখকদৃষ্টি আমার সেই সব টানাপোড়ন আর এলোমেলো দৃশ্যগুলোই দেখতে দেখতে নিজের মত করে খাপছাড়া কিছু ভাবনার বিসদৃশ্য মালা গেঁথে চলে মনে। আমার তৃতীয় গল্প সংকলন ‘উদ্ঘুট্টি’ সেইসব ভাবনার একটি কাগুজে প্রকাশ।

‘উদ্ঘুট্টি’ শব্দের অর্থ বলা যেতে পারে এলোমেলো, খাপছাড়া কিংব উদ্ভট। খাপছাড়া কিছু ঘটনা একের পর ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে চৌদ্দটি আলাদা আলাদা স্বাদের গল্পে। গল্পগুলো হয়তো কল্পনা প্রসূত, হয়তো কখনও সমাজের দর্পন কিংবা দর্শন মনের; তবে পূর্ণ অবাস্তব নয় । সেই সব খাপছাড়া আর এলোমেলো কাহিনী নিয়ে ছোট-বড় গল্পের আঙ্গিকে পাঠক মন নাড়ানোর চেষ্টাই গল্প লেখার মূল উদ্দেশ্য।

বইটি প্রকাশ হবে আগামী একুশে বইমেলা ২০১২ তে। বইটি প্রকাশ করছে ‘ভাষাচিত্র প্রকাশনী’। প্রকাশক হলেন খন্দকার সোহেল। বইটির প্রচ্ছদ করেছেন মুস্তাফিজ কারিগর। ৯৬ পৃষ্টার বইটির মূল্য ১৫০ টাকা।

কষ্ট- সেতো এই সমাজ জীবনে পদে পদে। হরহামেশা কষ্টের নানা রূপের দর্শনতো হচ্ছে আমাদের। সমসাময়িক সমাজ জীবনে একজন সাধারণ চাকরিজীবি এবং শখের লেখক ব্যক্তির নিত্য কষ্টগুলোর নানান ধরনের রূপগুলো দেখানোর প্রচেষ্টায় লেখা হয়েছে ‘উদ্ঘট্টি কষ্ট’ নামের গল্পটি। এ গল্পটিকে কষ্টের সরল এবং সমসাময়িক বিশ্লেষনও বলা যেতে পারে।


সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি করা হয়ে ওঠেনা আমদের অধিকাংশেরই । যথাসময়ে যথা কাজ করতে পারার মাধ্যমে জীবনকে এগিয়ে নেয়ায় সুস্থ এক মানসিকতা জাগে মানুষের প্রাণে। এমনই এক ক্ষুদ্র উদাহরণ ‘সময়’ নামের ছোটগল্পটি ।


দু’ দু’জন বেকার যুবকের জীবনের একটি দিন আর একটি রাতের সহজ স্বাভাবিক জীবনযাত্রার নানা টানাপোড়ন, সুখ-দুঃখ, অসুস্থতা চিত্রনের মাধ্যমে কিছু জটিল বাস্তবতা তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে ‘আজ আমি একা একা’ গল্পটিতে।


শক্তির নিত্যতা কিংবা ভরের নিত্যতার মত যদি ধরে নেই ভালো-মন্দেরও নিত্যতা রয়েছে! ‘কোথাও ভাল হলে সাথে সাথে একটা খারাপও হতে হবে ’- সে দর্শনকেই আলোকিত করা হয়েছে মূলত ‘ভালো মন্দ’ গল্পে। সমাজের অনেকগুলো বিষম দৃশ্য আলোচনা করার আড়ালে বলতে চাওয়া হয়েছে ভালো আর মন্দ মুদ্রার এপিঠ ওপিঠ, তারা যুগপৎ ঘটে থাকে।


‘বিষবাষ্প’ গল্পটি গোপন ভিডিও চিত্রের অনৈতিক এবং অবাধ ছড়িয়ে পড়ার অসুস্থ ঘটনা সমাজের অবক্ষয়ে কিভাবে বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে সে বিষয়টি পাঠকের সামনে তুলে ধরার একটা প্রয়াস খোঁজা হয়েছে।
জীবন কারও জন্য বসে থাকেনা। একজন পতিতা আর তার ছোট শিশুর জীবনও নিত্যই এগিয়ে চলে। একজন পতিতার জীবনের এই সম্মুখ গতির কথা তুলে ধরতইে অবতারণা করা হয়েঠে গল্প -‘ সম্মুখে জীবন’।
বাঙ্গালীর বৈশাখী উৎসব এবং সে উৎসব ঘিরে টিনএজ আনন্দ উচ্ছাস দিয়ে গল্পটি শুরু হলেও মূলত ‘ইভটিজি’ নামক ভয়াবহ সামাজিক ব্যধিটির প্রতি ক্ষোভ থেকেই লেখা হয়েছে গল্প -‘সাদা মেঘেও কান্না ঝড়ে’।
একজন তরুণ লেখক। পারিবারিক বিত্তবৈভবের কারনে কোন অভাব বোধ নেই তবুও গল্পের প্লট মাথায় আসছিলনা যা মনঃপূত হয়। প্রিয় এক বন্ধুকে সংগে নিয়ে সমাজ-প্রকৃতির বাস্তবতায় আশেপাশের বেশ কিছু চরিত্রের জীবনকে নিজস্ব পকিল্পনায় চালিত করে সে ঘটনা থেকে নিজেই নিজের গল্পের প্লট তৈরী করে নেয়ার এক ভিন্ন মানসিকতার চিত্র নিয়ে লেখা গল্প - ‘উদঘুট্টি কান্ড’।


‘দুরদর্শীতার প্রতি’, ‘বিশ্বাস’, বৃষ্টিবেলার পতন, ‘গোলতাড়ি এবং..’ ‘তারপর হারিয়ে যাব স্বাধীনতায়’ এবং ‘বিরহে বিনোদী বৃষ্টি’ ..শিরোণামের গল্পগুলিতেও কখনও নিজস্ব সমাজ দর্শন আবার কখনও সমাজের মাঝে দেখা প্রেম ভালোবাসা এবং বিরহ বেদনা, ঘুনে ধরা বাস্তবতা- এই সকল এলোমেলো চিত্র ফুটিযে তোলা হয়েছে।

সকল আগ্রহী সুধীজনকে বইটি বইমেলায় ‘ভাষাচিত্র’ প্রকাশনী হতে সংগ্রহ করে পাঠ করার আমন্ত্রন রইলো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29531546 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29531546 2012-01-29 19:23:44
‘সংকাশ’-একটি লেখক সংগঠন যার প্রথম প্রয়াস-‘নৈঃশব্দ্যের শব্দযাত্রা’ সংকাশ ’।
‘সংকাশ’-একদল লেখক-কবির সংগঠন। সংকাশ এর শ্লোগান-‘সংকোচহীন শব্দযাত্রা’।

নিঃশব্দে সংকাশের সাহিত্যিক বন্ধুদল লিখে চলে সমাজ, প্রকৃতি, বাস্তবতা আর কল্পনার কথা।


‘সংকাশ’ এর যাত্রা শুরু হয়ছে সবে মাত্র । প্রথম প্রয়াস হিসেবে আসছে বই মেলা ২০১২ তে “নৈঃশব্দ্যের শব্দযাত্রা” নামে একটা একটা ব্যতিক্রমধর্মী ছোটগল্প সংকলন প্রকাশ করতে যাচ্ছে ‘সংকাশ’।

নিঃসন্দেহে এটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী উদ্যেগ । কারণ-এ সংকলনে যে একুশ জন গল্পকারের লেখা রয়েছে, তাদের পরিচয়ের সূত্রপাত বিভিন্ন – বিশেষ করে বাংলা সাহিত্য ব্লগে লেখার মাধ্যমে। তাদের বেশীর ভাগের স্থিতি বাংলাদেশে হলেও, কেউ কেউ প্রবাস থেকেই চালিয়ে যাচ্ছেন সাহিত্যচর্চা। এদের কেউ কেউ এখনো অন্য লেখকদের সামনাসামনি দেখেননি বা অন্যদের সাথে কথাও বলেননি। এই ইন্টারনেটের যুগে সেটা কোন বাধা হয়ে দাঁড়ায় নি। সাহিত্য চর্চার শুদ্ধ বাসনা তাদের সকলকে বেঁধেছে একসূত্রে। যে বাঁধনের কারনেই সাহিত্য চর্চার শুদ্ধতায়গড়ে উঠেছে ‘সংকাশ’ - সাহিত্য সংগঠন ।

‘নৈঃশব্দ্যের শব্দযাত্রা’র ভূমিকায় এ সংগঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে,

‘সংকাশ– একদল বন্ধুপ্রতীম সাহিত্যানুরাগী এবং সাহিত্যচর্চায় অন্তঃপ্রান দলের সম্মিলিত সুর। সংকাশের বন্ধুরা লিখতে চায়, লেখার প্রচেষ্টাকে একদিন পরিপূর্ণতার স্বচ্ছ হ্রদে পূর্ণিমার চাঁদের আলোর মত মনোমুগ্ধকর রূপে জাগাতে চায়। সংকাশ আমাদের সেই সংকোচহীন শব্দযাত্রা। আমরা নিঃসঙ্কোচে এগিয়ে যাব, তাই সে চলার গতি যদি ধীরও হয়, গতিখানা যেন অনিন্দ্য-স্পন্দনে বিধুর-বিনুনিতে তাল-লয়ে এগোয়, সেই তো আমাদের শাশ্বত আকাঙ্ক্ষা আর লক্ষ্য। কেননা আমাদের দায়বদ্ধতার প্রাণভোমরা রয়েছে মাটি আর মানুষের কাছে, সাহিত্যের চিরায়ত শুদ্ধতার পথে। সোচ্চারে জানাই, আমরা আমাদের লক্ষ্যের প্রতি দৃঢ় প্রতিশ্রুতিশীল’।


‘নৈঃশব্দ্যের শব্দযাত্রা’র সম্পাদনায় রয়েছেন তানভীর আহমেদ, মামুন ম আজিজ এবং মৃন্ময় মিজান। বইটি প্রকাশিত হবে ভাষাচিত্র প্রকাশনী হতে এবং সংগত কারনেই বইটির প্রকাশক -খন্দকার সোহেল। দৃষ্টিনন্দন প্রচ্ছদ করেছেন বিডি-নিউজ২৪ ‘এর প্রশাসক আইরিন সুলতানা। ১৪৪ পৃষ্টার( নয় ফরমার) বইটির দাম ধরা হয়েছে ২০০ টাকা মাত্র। ২০১২ সালের একুশে বই মেলায় বইটি পাওয়া যাবে ‘ভাষাচিত্র’ প্রকাশনীর স্টলে।
‘সংকাশ’ এর এই প্রথম গল্প-সংকলনটিতে আহমাদ মুকুল, আহমেদ সাবের, ইফতেখারুল ইসলাম, খন্দকার নাহিদ হাসান, জায়েদ বিন জাকির (শাওন), প্রজ্ঞা মৌসুমী, ফাতেমা প্রমি, তানভীর আহমেদ, তৌহিদ উল্লাহ শাকিল, নাজমুল হাসান নিরো ,মনির মুকুল ,মামুন ম. আজিজ, মোঃ আক্তারুজ্জামান, মৃন্ময় মিজান, মাহাবুব মাহি, র. জাহান , রনীল, শাহীতাজ আক্তার, শামসুল আরেফিন, সাইফুল ইসলাম (সূর্য), এবং সালেহ মাহমুদ এর লেখা স্থান পেয়েছে। প্রতিটি গল্পই আপন বৈচিত্র্যে বিধূত।
এই একুশ জনকে নিয়ে শুরু হলো সংকাশের শব্দযাত্রা।




আশা করি সকল পাঠক, ব্লগার, লেখক তথা প্রতিটি সাহিত্য প্রেমী মানুষ ‘সংকাশ’ এর পাশে থেকে সহযাত্রী হবেন সেই শব্দযাত্রায়।

[সংকাশ এ ই-মেইল করতে ব্যবহার করুন ]

প্রচারে
মামুন ম. আজিজ
সংকাশ সম্পাদকমন্ডলীর সদস্য
http://mamunma.blogspot.com ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29521473 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29521473 2012-01-13 02:44:22
'প্রজন্মের দায়ভার' সংগঠনটি মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীকে পৌঁছে দিল হুইল চেয়ার
প্রজন্মের দায়ভার প্রদানকৃত হুইল চেয়ারে বসে আছেন মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলী।
`প্রজন্মের দায়ভার’ বিজয় দিবস ২০১১ উপলক্ষ্যে দু’জন মুক্তিযোদ্ধা বা তার পরিবারকে সাবলম্বী করার পদক্ষেপ নিয়ে অনলাইনে উন্মুক্ত সাহায্যের আহ্বান জানায়। সে লক্ষ্যে সংগঠনটির ফেসবুক গ্রুপটিতে প্রকাশিত সহযোগীতার আহ্বানটি ছিল নিম্নরূপঃ

প্রজন্মের দায়ভার ৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাগনের কাছে আমাদের ঋনের শেষ নেই। সে ঋনের খুব ক্ষুদ্র অংশটুকু হলেও শোধ করার দুঃসাহস নিয়ে আমরা “প্রজন্মের দায়ভার” এর বন্ধুরা একটা ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা নিয়েছি। ৭১ এর মহান মুক্তিযোদ্ধা, এই দেশকে যারা স্বাধীন করেছেন তাদের অনেকেই আজ অত… আরও দেখুন৭১ এর মুক্তিযোদ্ধাগনের কাছে আমাদের ঋনের শেষ নেই। সে ঋনের খুব ক্ষুদ্র অংশটুকু হলেও শোধ করার দুঃসাহস নিয়ে আমরা “প্রজন্মের দায়ভার” এর বন্ধুরা একটা ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা নিয়েছি। ৭১ এর মহান মুক্তিযোদ্ধা, এই দেশকে যারা স্বাধীন করেছেন তাদের অনেকেই আজ অত্যন্ত অসহায় অবস্থায় জীবন যাপন করছেন। আমরা প্রজন্মের দায়ভার থেকে উদ্যোগ নিয়েছি আগামী ১৬ ই ডিসেম্বরে দু’ জন মুক্তিযোদ্ধাকে স্বাবলম্বী করার । আমাদের এ উদ্যোগে হাত মিলিয়েছেন দেশী প্রবাসী অনেক হৃদয়বান বন্ধু। আমরা প্রত্যাশী যে প্রজন্মের দায়ভার এবং বিবেকবান বন্ধুরা মিলে আমাদের এই উদ্যোগ সফল করব.।


ঐ লক্ষ্যে প্রজন্মের দায়ভার দুঃস্থ, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা বা তদ্রুপ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের সন্ধানে নিয়োজিত রয়েছে।

চার বছর ধরে একটি হুইল চেয়ারের আশায় মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলী শীষর্ক দৈনিক প্রথম আলোর একটি রিপোর্ট থেকে মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীর হুইল চেয়ারের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি প্রজন্মের দায়ভারের নজরে আসে। রিপোর্টটি থেকে জানা যায় -

শরীরের সব শক্তি হারিয়ে দীর্ঘ চার বছর থেকে একটি চালা ঘরে পড়ে আছেন তিনি। পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় উঠে বসেন, আবার শুইয়ে দিলে বিছানায় পড়ে থাকেন। অর্থের অভাবে ঠিকমতো চিকিত্সাও হচ্ছে না। এমনই এক অবস্থায় জীবন কাটছে মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীর। চার বছর আগে হূদরোগে আক্রান্ত হয়ে বাকশক্তিও হারিয়ে ফেলেছেন। ……………………… বাবরের স্ত্রী নাসিমা খাতুন জানান, চার বছর আগে একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে টিউবওয়েলের দিকে যাওয়ার সময় হঠাত্ করে তাঁর স্বামী অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, তাঁর স্বামীর খুব ইচ্ছা একটু বাড়ির চারপাশ ঘুরে বেড়ানো। নিজে উঠতে পারে না, তাই সারাক্ষণ হাত দিয়ে ইশারা করে একটি হুইল চেয়ারের কথা বলেন। এই চেয়ার পেলে তিনি চালা ঘর থেকে বাইরে বেরুতে পারবেন। কিন্তু অর্থের অভাবে তাঁরা কিনে দিতে পারেননি।

প্রবাসি লেখক এবং ব্লগার তৌহিদ উল্লাহ শাকিল মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীর বিষয়টি প্রথমে গল্পকবিতা.কম এর আড্ডা পাতায় জানানোর মাধ্যমে প্রজন্ম দায়ভারের দৃষ্টিতে আনেন।
পরে প্রজন্ম দায়ভারের সিনিয়র কর্মী আগমাদ মুকুল, নীরব , নিরো প্রমুখ মিলে যিনি রিপোর্টটি করেছিলেন সেই সাংবাদিক আজাদ রহমানের সাথে যোগাযোগ করেন।
প্রজন্মের দায়ভার যোগাযোগ এর মাধ্যমে বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয় এবং অসহায় ও দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাকে সহযোগীতার হাত বাড়ানোর প্রথম পদক্ষেপ হিসেব `প্রজন্মের দায়ভার’ এর পক্ষ হতে গত ২৯শে ডিসেম্বর , ২০১১ তারিখে ঝিনাইদহের দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীকে একিট হুইল চেয়ার এবং ২০০০ টাকা ঢাকা হতে প্রেরন করা হয়।




দৈনিক প্রথম আলোর স্থানীয় রিপোর্টার আজাদ রহমান হুইল চেয়ার এবং টাকা গ্রহণ করে এবং স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সহযোগে প্রজন্মের দায়ভারের পক্ষে এগুলো মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীকে পৌঁছে দিয়েছেন।

আর্থিক প্রয়োজনের বিষয়টা আলোচনা না হওয়ায় মুক্তিযোদ্ধা বাবর আলীর প্রয়োজনীয় হুইল চেয়ারের সাথে শুভেচ্ছা স্বরূপ ২০০০ টাকাও পাঠানো হয়।

`প্রজন্মের দায়ভার’ তাদের লক্ষ্য নিয়ে দুঃস্থ অসহায় , দরিদ্র মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্যের জন্য সদা উদগ্রীব। শীঘ্রই এ সংগঠনটি আরও এক বা দু’জন মুক্তিযোদ্ধাকে সাবলম্বি করার উদ্যগ নিতে যাচ্ছে।

আগ্রহীগন প্রজন্মের দায়ভারকে অর্থ সাহায্য পাঠাতে পারেন :
Name: Md. Nazmul Hosen, Rowsan Jahan Bhuiyan, A/C No: 107.101.278128, Dutch Bangla Bank Ltd , Kawran Bazar Branch,বাংলাদেশ। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29516652 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29516652 2012-01-05 12:15:10
প্রকাশিত হলো, 'আলোওছায়া' এর সূচনা সংখ্যা

একটি নতুন সাহিত্য কাগজ , আলোওছায়া এর সূচনা সংখ্যা আজ ১৮ই আগষ্ট প্রকাশিত হলো।
আগামীকাল থেকে পৌঁছে যাবে বুক ষ্টোল এবং নিউজ পেপার কর্ণারে,দেশের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে।

==========================
বহুদিন মনে ছিল আশা
প্রাণের গভীর ক্ষুধা
পাবে তার শেষ সুধা-
কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতা ছত্রের সে আশা হয়তো প্রেমাষ্পদ ভালবাসার জন্য । আমরাও অনেক বড় আশা মনে লালন করেছি। স্বপ্ন দেখেছি। সেই স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশ আমাদের এই কষ্টের ফসল, আমাদের গভীর ভালবাসার আলোওছায়া। এ আমাদের মনের গভীরের তীব্র ক্ষুধাই তো, সে ক্ষুধা মিটল আজ এই সাহিত্য কাগজের স্বতঃস্ফুর্ত প্রকাশে।
‘এভরিথিং দ্যাট ইস ডান ইন দি ওয়ার্ল্ড ইস ডান বাই হোপ’ মানবাবাদী নেতা ডঃ মার্টিন লুথার কিং এর এ মহা সত্য উক্তি হয়তো বড় পরিসরের জন্য কিন্তু আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টার জন্যও এ উক্তি মোটেও অনর্থক নয়। আলোওছায়া কেবলমাত্র একটা সাহিত্য কাগজ নয়, এখানে আমাদের স্বপ্ন, প্রচেষ্টা, কষ্ট সব কিছুর মিলন ঘটেছে পাঠক-লেখকের সুন্দর মিলন মেলা তৈরীর খুব স্বত:স্ফুর্ত এক ভবিষ্যতের আশায়। পাঠক পড়তে চায়। আলোওছায়া পাঠকের সেই চাওয়া পূরণ। আমরা বিশ্বাস করি একজন লেখকের যেমন বহুমাত্রিক চিন্তা ও অভিরুচি, পাঠকের ও তদ্রুপ। পাঠক লেখকের সেই অভিরুচি আর চিন্তার যৎসামান্য পরিস্ফুটন ও প্রকাশ এই আলোওছায়া।



আলোওছায়ার উপদেষ্টাঃ আহসান হাবীব
প্রকাশকঃ ইকবাল হোসেন
সম্পাদকঃ প্রিন্স আশরাফ
সহ-সম্পাদকঃ রুমানা বৈশাখী, মামুন ম. আজিজ , তাহমিনা সানি
সমন্বয়কঃ জহরুল হক
সূচনা সংখ্যার প্রচ্ছদঃ মামুন ও সানি
সূচনার সংখ্যার লোগো ডিজাইনঃ নুরুল আমিন রাসেল
ফোকাস পাবলিকেশন্স কর্তৃক প্রকাশিত।

৯ ফর্মার সূচনা সংখ্যার মূল্যঃ মাত্র ২৫.০০ টাকা।



সূচনা সংখ্যায় যাদের যে ধরেনের লেখা রয়েছেঃ
উপন্যাস - প্রিন্স আশরাফ, রুমানা বৈশাখী
সাইন্স ফ্রিকশন- আহসান হাবীব
রম্য গল্প- খায়রুল বাবুই
বড় গল্প- মামুন ম. আজিজ
গল্প- কৌশিক আহমেদ, শফিকুল ইসলাম
রহস্য বড় গল্প- সাজ্জাদ কবীর
অতিপ্রাকৃত বড় গল্প- মুনতাসীর মারুফ
হরর গল্প- জাবেদ ইমন
অ্যাডভেঞ্চার বড় গল্প- তাহমিনা সানি
অনুবাদ গল্প- শরীফ মাহমুদ, হাসান খুরশীদ রুমী, তারক রায়
সায়েন্স ফিকশন গল্প- নাজমুল আলম সিজার
সায়েন্স ফিকশন কবিতা- পথিক
ফিচার- আলী ইমাম, রিফাত জামিল ইউসুফজাই, রনক ইকরাম, নভোনীল, ইশিতয়াক হাসান
প্রত্নতত্ত্ব- খন্দকার মাহমুদুল হাসান
ভয়াল প্রাণীরা- শাহিনূর রশিদ
চলচ্চিত্র ফিচার- আসমার ওসমান
ছড়া- অনিক খান

এ ছাড়াও খেলা, বিজ্ঞানের খবরাখবর, হেঁসেল, রূপ-কথা সহ রয়েছে আরও নানান বিভাগ
রয়েছে পাঠেকর জন্য লেখা প্রতিযোগীতা এবং যে কোন পাঠকের যেকান লেখা পাঠানোর অবারিত সুযোগ।
পত্রিকা প্রাপ্তির জন্য যোগাযোগঃ
ফোকাস পাবলিকেশন্স ১১/১, ইসালামি টাওয়ার (২য় তলা) , বাংলা বাজার, ঢাকা। ০১৭৩৪৯০১১৩৯।
যেকোন সমস্যা জানাতে ও জানতে এবং লেখা ও চিঠি পাঠানোর জন্যঃ
৮৭ বশিরউদ্দিন রোড (৪র্থ তলা), কলা বাগান, ঢাকা। website- http://www.alochayya.com e-mail-
ফুরিয়ে যাবার আগেই সংগ্রহ করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29225506 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29225506 2010-08-19 01:21:28
এখনও আছে................. পাতাগুলো বৃন্ত শুধু
বৃন্ত গুলো শুধু কোষ.........
গাছ নাই , পাতা নেই
বৃন্ত নেই , কোষ মানে ভবিষ‌্যত গাছ
কিন্তু কোষ মানেই কি প্রাণ ......?
না .......তাহলে প্রাণ ছিল....প্রান মানেই
আশায় ভরা ভবিষ্যত, বিশাল বৃক্ষ;
আমার এখনো প্রাণ আছে, আছে ......

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29178099 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29178099 2010-06-16 13:27:07
"আলোছায়া"-- সাহিত্য পত্রিকার প্রথম সংখ্যার জন্য লেখা আহ্বান
আমরা চারবন্ধু ( রুমানা বৈশাখি, প্রিন্স আশরাফ,তাহমিনা সানি এবং মামুন ম. আজিজ) , নিজেদের সম্পাদনায় ও বৈশাখী প্রকাশনীর সার্বিক সহায়তায় আসন্ন ঈদুল ফিতেরর আগেই আমাদের অনেকদিনের লালিত স্বপ্ন - একটি সাহিত্য ধর্মী রহস্য ঘেরা , আনন্দে মোড়া মৌলিক লেখার মাসিক পত্রিকার -প্রথম সংখ্যা ইনশাল্লাহ বার করতে যাচ্ছি ।
পত্রিকার নামঃ আলোছায়া

উক্ত পত্রিকার জন্য আপনার /আপনাদের মৌলিক গল্প কবিতা , ফিচার, ভ্রমন কাহিনী ইত্যাদি লেখা আগামী ২১শে জুনের মধ্যে পাঠিয়ে একটি মান সম্মত ও সময় উপযোগী পত্রিকা প্রকাশে অবদান রাখার জন‌্য বিনম্র অনুরোধ করছি।

অনুরোধে--
সম্পাদক ( প্রিন্স আশরাফ) এর পক্ষে
মামুন ম. আজিজ ( সদস্য সম্পাদনা পরিষদ)

লেখা পাঠানোর ই-মেইল address :

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29178022 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29178022 2010-06-16 11:31:51
মাহবুব মোর্শেদের--`ফেস বাই ফেস' বইটি ভাল লেগেছে...তাই কিছু আলোচনা। মাহবুব মোর্শেদ ভাই, মানে ব্লগার, মানে প্রথম আলো ব্লগের একসময়ের মডু, মানে বর্তমানে সমকালের সাহিত্য বিভাগে আছেন, সাথে যিনি একজন প্রাথমিক কালের ব্লগার (সামু যুগে আবির্ভাব) এবং একজন পাড় ফেসবুকিষ্ট। সেই বহুল গুণে বিভূষিত ব্যক্তিটি একটা লালটুকটুকে মোলাটের বই লিখেছেন এবার। উপন্যাস। নাম - ফেস বাই ফেস। অটোগ্রাফ সহকারে বাড়ীতে নিয়ে আসা বইটি পড়ে এককথায় বলব মজা পেয়েছি। আর বেশী কথায় বললে:
মোট ১২০ পাতার বইটির প্রায় শেষের দিকে এই ১০১ পাতার শুরতেই পাওয়া যায়-“ কোথাও গিয়ে দুই বন্ধু প্রেমিকা হারানোর কথা শেয়ার করতে করতে গলা ধরে কান্দি”- এই ডায়ালোগ খানা। পড়ে মনে হচ্ছে দুই বন্ধু মানে দুই যুবক প্রেমিকা হারানোর বেদনায় বেদনার্ত। আসলে এই দুই বন্ধুর একজন আবার নারী ।
চরম ক্লাইমেক্স।
ক্লাইমেক্স শুধু এখানেই না, বইয়ের পরতে পরতে নানান বাঁকে নানান টুইস্ট খুঁজে পাওয়া যায়। আর মূল উপজীব্য বিষয় মানে ফেসবুক এর পোষ্ট মর্টেম লেখক ভাই চরমভাবেই করেছেন। পাতায পাতায় দেখেবেন ঠিক আপনি যে কাজটি একটু আগে ফেসবুকে করেছেন, ঠিক তাই হয়তো ঘটাচ্ছে আমাদের নায়ক শুভ।
বাস্তবের ফেসবুকে মোর্শেদ ভাই যেমন ক্ষণে ক্ষণে চমৎকার চমৎকার ফেসবুক স্টাটাস দেন ঠিক তেমনি তিনি বইয়ের প্রতিটি অধ্যায় এর কোন সাংখ্যিক ক্রম না করে ফেসবুক স্টাটাসের মত একটা একটা উরাধূরা জব্বর বাক্য ব্যবহার করেছেন। পড়লেই ভাবনা পড়ে যায়মন--‘ আসলে কি অর্থ সে সব বাক্যের’।
“রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে লোকে যেভাবে ডাব উঁচু করে রস খায় , সেভাবে সুপর্ণার মুখ উঁচু করে ওর মুখে চুমো খাই। ” চুমু খাওয়ার এই উপমা ন্সিন্দেহে ভিনন্নতায় পাঠককে কিঞ্চিৎ ভাবুক করে তোলে।
এমন নানান টুকরো টুকরো ঘটনার বর্ননার ফাঁকে ফাঁকে বইটিতে একটু পরে পরেই এসেছে ফেসুবকের মাঝে শুভর সাথে নতুন বা পুরাতন চেনা বা অচেনা কোন ফেসবুক ফ্রেন্ডের কথোপকথন। দু:খের ঝর্ণা ধারায় শেয়ারিং অথবা প্রেমের কথন।
ফেসবুককে লেখক একজায়গায় নাম দিয়েছেন পেন্ডোরার বাক্স । যথার্থ উপমা। কি নেই আসলে ফেসবুকে । লেখক ও তার এই ফেস বাই ফেসে সেইসব ভার্সেটাইল বৈচিত্র স্পষ্ট ফুটিয়ে তুলিয়েছেন। এমন চরিত্রের সাথে একদা শুভর আলাপ হয় যে কিনা ফেসবুকে পরবাসী এক মেয়ের সাথে অবাধ নিখাদ প্রেমে পড়ায় দুজনে ফেসবুকেই বিয়ে করে ফেলে, মিথ্যে বিয়ে, ভাবনার বিয়ে, কিন্তুফেসবুকের রিলেশনস্টি স্টাটাসে ম্যারিড টু ...সেই দুজন দুজনার নাম । চিন্তার সূত্র লেখকের ফেসবুকের কোনায় কোনায় ছড়িয়ে পেড়েছে এখানে। এক ব্যবসায়ী ভ্রদ্রলোক পৌঢ় ভদ্রলোক এর সাথে শুভর ফেসবুকে খুব জমে, সে তাকে তার বউয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য উদগ্রীব হয় তার প্রিয় এবং ব্যতিক্রম মনে হওয়া শুভর সাথে। একদা সেই গৃহবধূর সাথেও ভিন্ন এক সম্পর্ক গড়ে ওঠে শুভর। আমেরিকাতে একজন মেডিক্যাল এনথ্রপলজিস্ট এবং ডিভোর্সী স্বাধীনচেতা নারীর সাথে শুভর নানান আলোচনায় উপন্যাস চরম ভাবে সামনে এগানোর উপাত্য খুঁজে নিয়েছে। পাঠকও সে সব পড়ে ফেসবুকের মূল মজাটার নির্যাস বুঝতে পারবেন । এই চরিত্রটির সাথে আমি বাস্তবের সেলিনা শিকদার নামক একজন ব্লগার কবির মিল খুঁজে পাই।
এই এক সমস্যা পাঠক কূলের , একটু মিল পেলেই কারও সাথে সেটা মিশিয়ে ফেলে। আমিও ফেলতে ফেলতে ফেলি না। মিল সামান্য , অমিলই আসলে বেশী। হয়তো দেখা যাবে ফেসবুকে ঘটে যাওয়া লেখকের নিজের জীবনের অনেক ঘটনাই একটু একটু ভিন্ন আঙ্গিকে তিনি এখানে ফুটিয়েছেন।
কোন এক ফেসবুক আইডির নারী চরিত্রের রগরগা প্রোফাইল পিকচার দেখে শুভর যখন মনে হয় সেটা ফেইক, সে সরাসরি জিজ্ঞেস করে, নারী চরিত্র তাকে প্রমান দেয়ার জণ্য বলে , আমার পিরিয়ড চলছে। তারপর আলোচনা হয় পিরিয়গ হলে মেয়েদের কেমন লাগে সেই সব বিষয়ে। ফেইক চরিত্রের কথায় নারীর ঐ গোপন বিষয়ে বিশদ জ্ঞান তার মেয়ে হবার প্রমাণ হিসেবে কাজ করে। শুভর মনেও এই পিরিয়ডের রিয়েল অনুভিতি জানার তীব্র আকাংখা জেগে ওঠে। ফেসবুকে শুভর সাথে দেখা যায় একজন সুফি সাধিকার ও পরিচয় হয়। সে তাকে নানা পরামর্শ দিতে থাকে।
মোট কথা ইটস এ কমপ্লিট ফেসবুক একটিভিটিস । এখানে একই সাথে চরিত্র গুলোর মাধ্যমে বেশ মজার , রোমান্টিক এবং হৃদয়ঘন অনেক ঘটনাও ফ’টিয়ে তুলেছেন তিনি।
তবে সরি টু সে একটা ছোট ইতিহাসজনিত ভুল করে ফেলেছেন মোর্শেদ ভাই। সেটা বইয়ের ৮৫ পাতায়। সেখানে উনি ভারতের জয়পুরের পিং সিটির আলোচনা করছিলেন। তথায় জয়পুরের রাজা হিসেব টিপু সুলতানের কথা উল্লেখ করেছেন। কিন্তু বাস্তবে জয়পুরে রাজত্ব করত রাজপুতরা। আর টিপু সুলতানের রাজত্ব ছিল মহিশূরে যেটা ভারতের দক্ষিণে। আর জয়পুরের অবস্থান উত্তরে।
এই ছোট ঐতিহাসিক ভুলটা বাদে পুরো বইয়ের ভাষার সাবলিলতা পাঠককে খুব টানার কথা। আমাকে টেনেছে। ফেসবুক জাতীয় হট এবং প্রচন্ড সমসাময়িক একটা বিষয় মাহবুব মোর্শেদ ভাই যে চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তারজন্য তাকে সাধুবাদ।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29095087 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29095087 2010-02-11 02:48:11
"প্রতীতি"---আমার প্রথম উপন্যাস, পঞ্চম বই থেকে এক ঝলক.... ........................................হয়তো কখনও যাবেই না সে পার্কের পশ্চিমে সরু পথ টা ধরে ধ্যানার মাজারে। ঢুকেও নি কখনও। দূর থেকে দেখেছে লাল সালুর তলে একটা পাকা কবর। চারপাশে আগর আর মোমবাতির জ্বলছেই অনবরত। হুলুস্থুল কান্ড। সে যাক না যাক শত শত মানুষ রোজ যাচ্ছে, সেখানে বিত্তবান বা বিত্তহীনদের নাম আলাদা করে বলা যাবে না। সবাই যাচ্ছে, কেউ সেজদা করছে লালসালুর ছায়ায়, কেউ রক্ষিত বাক্সে ফেলছে টাকা, কেউ নিচ্ছে খাদেম নামের এক জটাধরীর হাত থেকে তাবিজ কিংবা লাল হলুদ সূতা। রিকশা ওয়ালা রিকশা চালাতে চালাতে এক হাত উঁিচয়ে চুম খাওয়ার চেষ্টা করছে। ঐ যে-বিশ্বাসে মিলায় বস্তু। ওখানেই ভীরু মানুষের সমস্যা।
সায়ানের কোন সমস্যা নেই। সে শুধু জানে তার তো প্রয়োজন নেই। তবুও চোখ তার ঠিকই লাল সালুর দিকে চলে যায়। এখানে এলেই চোখ যায়। তখন মন তার ভাবার চেষ্টা করে সাদা শুভ্র দাড়িতে একটা লোক বসে আছে। ধ্যান করছে, কোন কথা নেই তার মুখে। কোন চাহনি নেই। চাহনি নেই বলে রাগ ক্রোধের বালাই নেই। অনেকগুলি কৌতূহলী চোখ তাকে দেখছে, সামনে একটা পুকুর। সেখানে পানিতে ভাসছে লাল পদ্ম ফুল। আধ্যাত্মিক লোকটি ধ্যান করেই চলেছে, বহু বছর ধরে, সে ঐ পুকুর পারেই পাকুর গাছের নিচে পড়ে থাকে। সেই পাকুর গাছটি এখনও আছে, তার তলেই মাজার আর মাজারের উপরে ঝালর ওয়ালা লাল কাপড় এর আচ্ছাদন। কেউ নাম জানতো না বলে তার নাম দিয়েছিল ধ্যানা মিয়া। তার পা ছুঁয়ে এলে হাতের ব্যাথা ভাল হয়ে যায়, গায়ের ধূলো এনে লাগালে ভাল হয়ে যায় যুগ যুগের ঘা পাঁচড়া সব। সায়ানের ওসব বিশ্বাস না হলেও এসবই যুগ যুগ ধরে চলে আসা বিশ্বাস। হঠাৎ সায়ান দেখে সেই পুকুর এর ধারে দু’দল ব্যক্তিবর্গ পুকুর এর দখল নিয়ে মারামারি করছে। সেই প্রথম নাকি ধ্যান ভেঙেছিল ধ্যানা মিয়ার। চোখ খুলে মারামারি দেখে রেগ যান ধ্যানা; তার পর সবাই কে হাতে ইশারায় চলে যেতে বলেন। সকালে পুকুর টি দেখেতে পায় না কেউ আর, এক রাতেই ধ্যানা পীরের ক্রোধে জল শুকিয়ে ভরে যায় পুকুরটি, প্রতিটি পদ্ম ফুল হতে জেগে ওঠে এক একটা বড় বড় গাছ। সেই সব গাছই আজকের এই পার্ক এ নাকি দেখা যাচ্ছে। এসবই ধ্যানা মিয়ার ক্রোধের উপহার। পুকরের দখল নিতে আর কেউ কোনদিন আসেনি। ধ্যানার ধ্যানেও আর কোনদিন কোন বাধা পড়েনি।
পার্কটির সামনে ইংরেজী এল শেপের মত খানিকটা ফাঁকা জায়গা। এরই পশ্চিম পাশ দিয়ে ধ্যানার মাজারে প্রবেশের পথ, নকশা করা দেয়ালটা পার্ক আর মাজারকে পৃথক করে রেখেছে। এল শেপের অন্য প্রান্তে এককোনায় ছানা মিয়ার চায়ের দোকান। বেশ সুনাম ছানা মিয়ার চায়ের। অত্র এলাকার সকল কিশোর তরুণের আড্ডার হাতেখড়ি এই চায়ের দোকান আর পার্ক ঘিরেই শুরু হয়। এই রাস্তার মোড়টির আরেকটি বাড়তি সুবিধা আছে। সেটা উঠতি বয়সের ছেলেদের জন্য। এই রাস্তা ধরেই সকালে বিকেলে বড় রাস্তার গালর্স স্কুল এন্ড কলেজের মেয়েগুলো যাতায়াত করে। কত যে প্রেমের শুরু এই স্থানেই আর কত যে পতনও এখানেই তার হদিস কেই বা রাখে। এত প্রাণ চঞ্চলতার মাঝে এখানে মারামারি আর খুন খারাবীর ইতিহাসও বেশ বড়। তবে ইদানীং পুরো বাংলাদেশের মত ছোটখাট মারামারি আর খুন টুন এখানেও কমেছে। সায়ান আগে এখানে খুব একটা দাঁড়াত না। ভার্সিটিতে ভর্তির পরই তার দাঁড়ানোর পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে দ্রুত।
ডুবে যাওয়ার আগে সূর্য শেষবারের মত ভূবনের সাথে আলো বিনিময় করে নিচ্ছে। সেই পড়ন্ত বেলায় ছানা মিয়ার চায়ের দোকানের ডানে দাড়িয়ে আড্ডা রত পাঁচটি ছেলের মধ্যে আবীর নামের ছেলেটা পরপর দুটো অজ্ঞান পার্টির ঘটনা বলে গেলো। সব আড্ডাতেই কিছু লোক থাকে যারা কেবল বলতেই চায় আর অন্যরা বলার সুযোগই পায় না। তারা আবার সব জানে, যে বিষয়ই সামনে আসবে সে বিষয়ে তার অগাধ অভিজ্ঞতা।
.................................................

প্রকাশনীঃ শব্দশৈলী ( আরও পাওয়া যাবে মনন প্রকাশনীতে)
প্রকাশকালঃ একুশে গ্রন্থমেলা ২০১০।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29094376 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29094376 2010-02-10 00:30:46
আমরাবন্ধু.কম এ লেখা একটি লেখার লিংক ... ২০০৬ আর ২০০৭ এর অর্ধেক সময় এর পোষ্টের তালিকা দেখলেই কেউ বুঝবে কি হারে তখন লিখতাম। কবিতা গদ্য , যা ইচ্ছে ..তাই। অবশ্য সে সময়ের কম করে হলেও শ খানেকের বেশী পোষ্ট মুছেও দিয়েছি( নানা কারনে)
যা হোক উপরেরর কথা গুলো খুব একটা প্রয়োজনীয় বা দৃষ্টিপ্রদায়ক কথা না।
ব্লগের ভালবাসা থেকে ...বিভিন্ন ব্লগের ব্লগার হতে আমার সাধ জেগেছে, হয়েছি। তবে সচালায়তেনর উচ্চমার্গিয় ব্লগার হবার আপাতত ইচ্ছে বা সুযোগ নেই( অকপটে স্বীকার করছি) ।
সম্প্রতি চালু হওয়া আমারবন্ধু ব্লগের অংশীদার হতে পেরেও তাই আমি গর্বিত।
এবার মূল বক্তব্যে আসি। আমার বন্ধু ব্লগে একটা হালকা টাইপ দিনলিপির মত সিরিজ লিখছি। সেই সিরিজে আজ আজকের বইমেলা এবং আমারব্লগ.কম এর ভিন্ন( সামুর সাথে ভ্ন্নি) ব্লগ দিবস বিষয়ে মনের কিছূ কথা লিখেছি।
পড়তে পারেন ...ভেতর-বাহির(দ্বিতীয় পর্ব) ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29089784 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29089784 2010-02-02 00:32:08
টেলিটক মোবাইল সকাল থেকে অচল পাচ্ছি... কারো কাছে বিস্তারিত তথ্য আছে?]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29088946 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29088946 2010-01-31 15:49:08 "প্রতীতি"---আমার প্রথম উপন্যাস, একুশে বই মেলায় প্রকাশের অপেক্ষায়
ফ্ল্যাপে যে কথা বলা হয়েছে............

বান্দরবানের গহীন ভিন্ন পরিবেশে অপার সৌন্দর্যের নিসর্গে এবং সবুজ পাহাড়ের ঢালে ঢালে নিজেকে জড়িয়েছে ঠিকই, মিশেছে মনপ্রাণ দিয়ে সেখানের খুঁড়িয়ে চলা সভ্যতায়, কিন্তু পেছনের ফেলে আসা বাস্তবতাকে আদৌ রেশাদ এড়াতে পারেনি। স্বেচ্ছা নির্বাসন কি সত্যি বাস্তবতার কষ্ট থেকে মুক্তি দেয়? একটা সময় সেই ফেলে আসা বাস্তবতার মুখোমুখি হতেই হয়। হারানো প্রেমের চিরন্তন স্মৃতি হতে মনে ঠিকই উঠে আসে আত্ম কবিতার পুরানো ছন্দ...
“হাত ধরেছে হাতটি তোমার
মন ধরেছে মন,
নদীর জলে চাঁদ হয়েছে
হলুদ টিপ যখন। ...”... ... ... ... ...অথচ মন ধরা সেই মন যার-সেই সৃজয়া আজ চলে গেছে অনেকদূর।
অন্যদিকে রেশাদের ছোট বোনের স্বামী-শাহেদ বড় বেমানান, কখনও নিজের কাছে কখনও এই ঘুনে ধরা সমাজে। তবুও নিজস্ব একটা প্রতীতি সবারই থাকে। আছে শাহেদেরও। খুব সাধারণ আরও দুটো চরিত্র সায়ান এবং শিমকী , তবুও তাদেরও আছে নিজস্ব বোধ, আছে আপন প্রতীতি এবং দু’জনের প্রতি দু’জনার তারুন্য উচ্ছ্বল প্রেম।

শব্দশৈলী প্রকাশনী হতে বইটি প্রকাশিত হবে। সবাই কে একবার নজর বুলানোর জন্য অগ্রীম অভিনন্দন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29087764 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29087764 2010-01-29 11:31:25
অসম্পূর্ণ ঘুম-অসম্পূর্ণ কবিতা গত রাতে ঘুমটা খুব বেয়াড়া হয়ে উঠেছিল, তোমার চেয়েও বেশী,
তুমি যে আসবে না, সে তো জানা তথ্য।
অথচ ঘুম তো আসে , প্রায়ই আসে , তবুও এলোনা গত রাতে...
তোমার সাথে কোন গোপন আতাতের নিকোষ আভাস,
অথবা তোমার প্রেমে সেও পড়েছে আমার মত আর
দূর থেকে দূরে দৌড়ে গিয়ে ভর করেছে তোমার ঐ মায়ার চোখে।
ঘুম গেলো , রাত গেলো, প্রেম গেলো, গেলো শান্তির মিথ্যে বান
তবুও তো কিছু আছে , সে আমার কবিতার প্রাণ ...
ওমা! তুমি এতটা না করলেও পারতে, কবিতাকেও...
কেনো বশ করলে ,কেনো? প্রাণে ঘোরে -মনে পড়ে
কবিতার আর প্রসব হয় না ... ওকেও তুমি জঠরে লুকালে,
বড় অবিমৃষ্য তুমি হে আমার নির্লিপ্ত প্রেম , সুখ হনন পিয়াসী
কেবল নিঃস্ব আমাকে কেনো তবে ফেলে গেলে, আমাকেও
মানে এই আত্মাটাকেও নিয়ে যেতে কোন তোমার চারু প্রহসনে,
তোমার তো একনিষ্ঠ দাসেরও প্রয়োজন পড়ে , তাই না।

২৫/১/২০১০
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29085237 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29085237 2010-01-25 09:00:52
নিরবতার নৈকট্য।
নিরবতা, নিরবতা ও নিরবতা
তুমি নাই, তুমি নাই , নাই তো কাছে।
ফুঁশে ওঠা অস্থিরতায় উর্ধ্ববুক ওঠে নামে বেশ দ্রুত,
অনেকটাই বেশী যেমন বৈশাখের কোন রাতে
ঝড়ের আগে বাতাসের বাড়ন্ত গতি।
আঁধারে ভেজা রাতের মাটিতে বিড়ালের পায়ের শব্দ শুনি,
শুনি কিছু দূরে ইমসোমনিয়ায় ভোগা কুকরের ডাক
একটা থেকে দুটো তারপর তিনটে তো বটেই...
সাথে সাথে নিশী পথিকের লাঠির শব্দ লোহার পোষ্টে
ঠুক ঠূক ঠুক, দূর করে হয়তো সে আত্মভীতি।
রাতের বাসাতে ছড়িয়ে পড়ে আধো চাদের গীতি
ওটাও নিরবতার এক কারন মৃত্যুর।
এগুলো সাধারন, তারপর ঐ দূরে কাঁদে ...
মনে, আমার মনে যে জল ঢেলেছিল বৃক্ষে,
একটা নৌকায় উঠেছিল, এক একা মন সাগরে আমার
ঘুরে বেড়ালো, তারপর হারিয়ে গেলো অনাবি®কৃত দ্বীপে।
সাগরের জল নোনা , নোনা চোখের জল তার
ঘুমিয়ে সকল মানুষ, তবু অভাব যে নিরবতার ।
নিরবতা, নিরবতা ও নিরবতা
তুমি নাই, তুমি নাই , নাই তো কাছে।
কান্নার চিত্ত উদাসী ধ্বনী ভেসে আসে ইথারে
চাঁদের গানের সুরে সুরে এবং মশাগুলো ডানায় ।
মশাগুলো মরে যায়, নিরবতা মরে যায়
কেবল বেড়ে ওঠে , উঠতেই থাকে অস্থিরতা,
তুমি কই তুমি কই, কেবল কান্না পাঠাও কেনো
নিরবতা পাঠাতে পারো না, নিরবতা! যে নিরবতায়
মুখ থুবড়ে পড়ে রব রাতের গভীরে বিড়ালের শিকার
একটা ছোট্ট ইদুরের হয়ে ঐ তো কালো ডোবার ধারে,
সকালে কেউ তাহলে মারাবেনা আমার নিরবতার নৈকট্য।

২৪/০১/২০১০ ( রাত ৩ টা)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29084535 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29084535 2010-01-24 03:07:22
ক্রিকেট বোর্ডে এসব ফালতু সমস্যা কেনো? লোটাস কামাল সাহেব এর অহং আর কটুক্তি এমন সময়ে অযৌক্তিক , এটা একজন...
গতকাল ক্রিকেট খেলায়াড়দের কিছু অধুনা স্বীকৃতির পুরষ্কার প্রদান অনুষ্ঠানে বোর্ড সভাপতি জনাব লোটাস কামালের উদ্ধত্য পূর্ণ বক্তব্য বিষয়ক খবর ইতিমধ্যে জাতি জেনে গেছে খুব ভাল ভাবেই।

উনি খেলা করেন না খেলা করে খেলোয়াড় রা , খেলোয়াড়রা খেলা করেই বলে একটা বোর্ড দরকার হয়েছে এবং যে কোন ভাবে উনি সেটার সভাপতির পদ আসিন করেছেন।
এ দেশে কর্তা ব্যক্তি ( যদিও কর্তা ব্যক্তি বলা উচিৎ না এই সভ্যতার চরম যুগে, সবাই নিদির্ষ্ট কাজের কর্মী আসলে) রা চেয়ারের উচ্চতায় চরম গরমে নিজেকে অনেক কিছূ ভাবেন এবং সে ভাবে সব মুখের জোড়ে ছাই এর মত উড়াতে থাকেন। তাই বলে যে ক্রিকেট আমাদের এত আশঅ ভরসা সেখানেও এই রম।
অবশ্য নুতন কিছূ না , এর পূর্বে সেই গর্ডন গ্রীনিজের চলে যাওয়ার ঘটনা তেও আমরা দেখেছি। পরে জেনেছি।
গ্রীনিজ খেলোয়াড়দের পক্ষেই তো কথা বলতে গিয়েছিলেন শুনেছি।

ঠিক এই বিষয়টা ঘটে দেখেছি অনেক ক্ষেত্রে সচিবালয়ে। অনেকক্ষেত্রে, সব ক্ষেত্রে নয়।
যেমন - স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব নিয়মতান্ত্রিক কারনে ডাঃ হবেন না সেটাই স্বাভাবিক প্রাকটিস এবং রুল। কারন চিকিৎসা ক্যাডার থেকে সচিব হন না। হন অন্য জেনরালে , বিশেষ করে অ্যাডমিন ক্যাডাররের কেউ। যিনি ডাঃ না হওয়াই স্বাভাবিত।
তো যখন কোন বড় সিদ্ধান্তের প্রয়োজন হয়, তিনি সম্ভবত পরামর্ম নেবেন স্বাস্থ্য ডিজির কাছে...( যিনি ডাঃ অবশ্যই) , কিন্তু ঐ যে চেয়ারেরর কারনে দেখা যাবে প্রধান কর্তার মনে কোন এমন খেয়াল যদি আসে যা মেডিক্যাল ব্যস্থায় ঠিক দরকার নেই, কিন্তু ডিজি বা অন্য ডাক্তার রা চেয়ারের দাপটে সরাসরি ডিনাই করার সাহস পাবে না । ঘটে এমন ঘটে।
উপরের ওটা একটা উদাহরণ , হয়তো স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ে সেটা নাও ঘটতে পারে। কিন্তু যেহেতু মানুষের চেয়ে পদ বড়, তাই এমন ঘটনা খুব স্বাভাবিক যে কোন সরকারী বিভাগে।

সে যাক, খেলায় আসি। খেলা নিশ্চয় এত সহজ কর্ম নয়। অনেক কিছূ এর সাথে রিলেটেড তো অবশ্যই। উন্নয়নশীল দেশ এই বাংলাদেশ এত সমস্যার পরেও এই ওরা যা খেলছে , সেটা কি আসলেই খুব একটা খারাপ? না মোটেও।
আমরা সাপোর্টার রা মাঝে মাঝে মনে মনে , প্রকাশ্যে খেলোয়ারদের গালি দেই ঠিকই , কিন্তু ভালও তো কম বাসি না। আশা তো কম করি না।
আর দায়িত্ব সম্পন্ন একজন কতা ব্যক্তি ২য় টেস্টের মাত্র ১ দিন পূর্বে খেলোয়াঝ্ড়দের উজ্জীবিত না করে উল্টো ডিমরালাইজড করে তুলছে।
ভেরী ভেরী হতাশাব্যঞ্জক।
একজন অতি সাধারন ক্রিকেট প্রেমী হিসেবে আমি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।
লোটাস কামালের সাথে একটি বিশেষ ক্রিকেট দলের অতি সুসস্পর্ক এবং সেই দল মানে আবাহনীর লীগে মোহামেডানের কাছে হেরে যাওয়র ঘটনা নাকি সাকিবের প্রতি তার মনে বিদ্বেষ ঘটিয়ে থাকবে , কালের কণ্ঠের এমন ঘটনা উল্লেখ মনে আরো কষ্ট দেয়। এমনটি কেনো হবে?

খেলাটাকে তো আমরা পুরো তিক্ততা এবং দুর্নীতি মুক্ত আশা করেতই পারি। না হলে আর এত প্রত্যাশা কেনো?
এত ঝামেলার মাঝে খূদে খেলোয়ারড়া যা করছে তাই তো অনেক। নাকি?

খবরটি বিডি নিউজে পড়ুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29083992 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29083992 2010-01-23 09:26:20
ফ্রেমে অনঢ় -গেঁথে রাখতে পার না
ভেঙে গেলে কত নাম- বালির ঘর কিংবা ঘর তাসের
আর টিকে গেলে সোনায় সোহাগা, ভাগ্য বটে...
যা দেখা যায় তাইতো দেখে, অদেখা আর দেখে ক’জন!
খোঁপায় তোমার প্রজাপতি হয়ে বসেছিলাম, জান?
জানো না, ভেবেছিলে ওটা নকল, অনঢ় মানেই কি নিষ্প্রাণ?
বরং দেখেছিলে প্রজাপতি পূর্বের রূপ - শূককীট, ওটা দেখতে
নির্জীব , তাই না - ঘেন্না ধরেছিল কিম্ভুত দর্শনে সেই ...
তারপর প্রজাপতি হয়ে সেই তোমাতেই যখন উড়ে গেছি...
ততদিনে ভুলে গেলে। নিষ্প্রাণ আর প্রাণের তফাৎ
ছোট বেলাতেই তো মানুষ শিখে যায়, তুমি কেনো শিখলে না।
সোনায় সোহাগা ভুবন এ বন্দীতো , চোখে ভেজা পর্দা
কান্নাটাও নিজে আর চিনতে পার না তাই, মরু ঝড়
আসবেই ; শুকিয়ে যাবে বাষ্পটুকুও । তখন তৃষ্ণায় কাতরাবে,
না , এসব অভিশাপ নয়, আত্ম যন্ত্রনা আর ঐ যে
অনঢ় রূপের ইতিকথা যা সাগরে হারানো জল কণার মত গুপ্ত।
আমি আবার প্রজাপতি হব, ঘন কালো পাখনা হবে
তোমার খোঁপায় মিশে যাবে নকশা করা দেহ, তখন?
তখন কি অনুধাবনের জোৎস্নায় ভেজা ভেজা রাতের উঠোন
ভিজে উঠবে না তোমার হারিয়ে যাওয়া হাসির মায়ায়?
না মনে হয়, তুমি প্রজাপতি আর ভাল বাস না, তুমি
আজকাল ভালবাস দামী ফ্রেমে স্টিফ করে রাখা মৃত
প্রজাপতির শো পিস, আমাকেও কি ওভাবে কাচের ফ্রেমে
গেঁথে রেখে দিতে পারনা ...তোমার অবসর কালের জন্য ।

২০/০১/২০১০


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29082118 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29082118 2010-01-20 03:10:48
এ কান্ট্রি - ফুল অব চাঁদাবাজি
গত রোজার ঈদের তিন/চার দিন আগের কথা, নারায়নগঞ্জ ২ নং গেইটের চৌরাস্তার পূর্ব পাশে বসে আছি ব্যাটারী চালিত থ্রি হুইলারে (এই বাহন নারায়নগঞ্জে বেশ চোখে পড়ে ইদানিং)। গন্তব্য মুক্তারপুর কাঠপট্টির গুদারাঘাট। ব্যাটারি চালিত ঐ বাহনে চারজনের সিট, দুজন মাত্র উঠেছি। সময় বয়ে চলেছে, সদ্য সমাপ্ত সকালবেলাতেও যাত্রী আসছেনা। রাস্তার একপাশ জুড়ে এই নতুন পরিবহণটির লম্বা লাইন রাস্তাকে আরও সরু করে দিয়েছে। হঠাৎ একটা কনষ্টেবল এসে গাড়ীতে একটা মোটা সোটা লাঠির গুতো দিয়ে বলল, ‘ছাড়্ ছাড়্..’-বলেই চলে গেলো, সাথে সাথে এল একজন রাগী পৌঢ় লোক, এবার লাঠির বাড়ী জোরে পড়ল বাহনের গায়, ‘‘ছাড় ...আর লোক লাগবো না এখন’। ড্রাইভার বাধ্যহয়ে দুজনকে নিয়েই ব্যাটারী চালু করল। তারপর সেকি গজ গজ, রাগ আর গালাগালি ড্রাইভারের কণ্ঠে; সেই রাগ নিয়েই বলল, “আইজক্যা চাঁদা দিমু না হালাগোরে, ঐ হালায় লাইনম্যান আমারে ধমকায়! রোজ রোজ ২০ টাকা কইরা দেই লাইনের লাইগ্যা, হেরপরও এই ব্যবহার...।”... সন্ধ্যায় ঠিকই তাকে ২০ টাকা দিতে হবে, এইটা সে যেমন জানে জানি তেমনি আমরা সকলে। আবার এও জানি ঐ টাকার থেকে ট্রাফিক পুলিশ, সার্জেন্টও বখরা নিয়ে থাকে। ঐ লাইনে ৮০ টার বেশী ঐ ধরনের গাড়ী নাকি নেমেছে। হিসেব কষলে মোট চাঁদার পরিমাণ কম হবে না। রাস্তা কার আর সেই রাস্তাায় ব্যাটারী অটোর লাইন বসিয়ে চাঁদা তুলছে কারা!
চাঁদাবাজির এই তো সামান্য এক ধরন মাত্র। এ দেশের প্রকৃত চাঁদাবাজির আদ্যপ্রান্ত বর্ননা করতে গেলে অনেকগুলো বইয়ের মোট মোটা ভলিউম তৈরী হয়ে যাবে। রাস্তার চাঁদাবাজীটা জনগণ প্রত্যক্ষ করে খুব বেশী। যাত্রাবাড়ী মোড় থেকে ঢাকার মূল কেন্দ্রে লোকাল বাসে নিয়মিত যাতায়াত করলেই বুঝবেন কিছু পয়েন্টে কিভাবে হাত পেতে অলিখিত রোড পার্মিট নামে চাঁদা দিতে হচ্ছে। না দিলে উপায় নেই গাড়ী আটকে দেবে। ট্রাফিক পুলিশ ওসব দেখবে না, কারন- এই হলো সিস্টেম। আবার গাড়ীর ফিটনেস বা অন্যান্য কাগজপত্র থাকে না , ফলে তাকেও ঘুষ এর সাথে চাঁদা কে একত্রে বরণ করতে হয় নানান স্থানে। এ চিত্র প্রায় সর্বত্রই এই ঢাকার, এই দেশের। হাইওয়েতে গেলে দেখা যাবে আরও ব্যাপক চাঁদাবাজী। ঢাকায় প্রবেশের বা বাহির হবার জন্য রয়েছে চাঁদা, বিশেষ করে মালবাহী গাড়ীতে তে। আর যাত্রীবাহী গাড়ীগুলোর জন্য সম্ভবত থাকে মাসিক হারে।
রোজার সময় ইফতার পার্টির নামে কত যে চাঁদাবাজি চলে এ দেশে তার খবর আর কতজনাই রাখে। যেসব সরকারী বা আধাসরকারী অফিসে বা কোম্পানীতে শ্রমিক ইউনিয়ন আছে, ইফতার পার্টির টাকা তারা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে চাঁদাবাজি করেই তোলা হয়। এ খুবই পুরাতন প্রাকটিস। পুরাতন বলেই এগুলো সিস্টেম হয়ে গেছে। ঈদ এলেই যে দেশে সর্বত্র আরও ব্যাপকহারে চাঁদাবাজির মহোৎসব শুরু হয়। ঢাকার এক ব্যবসায়ী এলাকায় রোজার সময় এক ব্যবসায়ীর ছেলের মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হুমকি দেয়া হলো, ৫০,০০০ টাকা না দিলে খালাশ হয়ে যাবে ছেলেটা। শেষে ১০,০০০ টাকায় এ রফা হয়েছিল। এটা তো জানা , অজানা আরও কত হাজার এই ঘটনা যে ঘটে প্রতি ঈদের আগে বা অন্য সময়ও।
আমরা জনগণ কি একবার ভেবেছি এই যে দেশের বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলো হরহামেশা, নানা সভা, অনুষ্ঠান, ইফতারপার্টি করছে, তাদের এই সব খরচ কোথা থেকে আসছে? খুব স্বাভাবিক ভাবেই রাজনৈতিক দলগুলো অন্তত দলের জন্য কোন ব্যবসা পরিচাল না করে না যেখান থেকে তাদের খরচ আসতে পারে। সুতরায় খরচের একটাই উপায় বিত্তবানদের চাঁদা। দেশ পরিচালনা ও সেবার জন্য যাদের কর্ম তাদের শুরুতেই চাঁদা। এরপর আর চাঁদা থাকবেই বা না কেনো নিম্নস্তরে? এই ফাঁকে একটা সত্য কথা বলে দেই, এ দেশে চাঁদা দেয় মানুষ দুই কারনে, প্রথম- ভয় বা সমস্যা হতে পরিত্রান এর জন্য আর দ্বিতীয়ত-স্বার্থ সিদ্বির আশায়। রাজনৈতিক দলে চাঁদা যারা দেয় তারা যে নিঃসন্দেহে পরের টার কারনে দেয় তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
হিজরা নামের যে শ্রেণীকে সমাজ এবং স্বাভাবিক মানুষ অবজ্ঞা করে চলে তাদের জীবন চলে চাঁদাবাজীরই উপর। কোন এক কারনে মানুষ বিশেষ করে দোকানদাররা ভয় পেয়ে তাদের চাওয়ার আগেই কিছূ না কিছূ চাঁদা দিয়ে দেয়। এইখানে অজ্ঞাতে সমাজে তাদের অবাঞ্চিত ধারনার দূর্বলতাই বেশী কাজ করে বোধহয়। মাঝে মাঝে বাসাবাড়ীতে ও তারা হানা দেয়, কোন নতুন শিশু জন্ম হয়েছে জানলে তারা সেই বাচ্চা কোলে নিয়ে নেচে টেচে বড় অংকের চাঁদা আদায় করবেই।
আরেকটা বিশেষ চাঁদার কথা না বললেই নয়, খুব মর্যাদাময় চাঁদা সেটা। প্রতিটি জেলার ডিসির আওতায় এল.আর ফান্ড নামে একটা বিশেষ ফান্ড রয়েছে। এই ফান্ড জনগণের দেয়া চাঁদা থেকেই নাকি গঠিত হয়। শুনেছি ভিআইপি ব্যক্তিদের আপ্যায়ন ও সকলের অতিরিক্ত উদর পূর্তীর খরচ এইখান থেকে মেটানো হয়। বিগত তত্ত্বাবধায়ক আমলে এই ফান্ড নিয়ে কয়েকদিন পত্রপত্রিকায় খুব লেখা শুরু হতে যাচ্ছিল, তারপর একদিন হঠাৎ করেই বিষয়টির আলোচনা রহিত হয়ে যায়।
মহল্লার মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে এবং উন্নয়ন কাজ চলছে, নির্মাণ ব্যয় এবং পরিচালনা খরচের জন্য মসজিদ কমিটি সিদ্ধান্ত নিল , এলাকার সকল ভাড়াটিয়া দেবে প্রতিমাসে ৫০ টাকা আর বাড়ীওয়ালারা দেবে ১০০ টাকা করে। ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়, নেতিবাচক কোন কথা বলা যাবে না, বাধ্য ঠিক না একেবারে খাসদিলে পূণ্যের আশাতেই সকলে তাই দিয়ে চলেছে নির্ধারিত টাকা। এই ক্ষেত্রে আবার ছাপানো রিসিট ও দেয়া হয়ে থাকে। এই রিসিট দেখে আমার মাথায় হঠাৎ বুদ্ধি এলো , সারাদেশে যেভাবে অরাজকতার মাধ্যমে যত্রতত্র যাচ্ছেতাই ভাবে অসমতায় চাঁদাবাজী চলছে এবং খোদ গোড়াতেই একই গন্ডগোল বিদ্যমান তাই একটাই ভাল উপায়-- রেজিষ্টার্ড চাঁদাবাজ সৃষ্টির একটা পক্রিয়া তৈরী করে এই চাঁদাবাজিকে একটা সভ্যতার আদল দেয়া । ব্যবসা করার জন্য যেমন রেজিষ্ট্রেশন থাকে সেরক একটা ব্যবস্থা থাকবে। সেই রেজিষ্ট্রেশনের বিভিন্ন ভাগ থাকবে অর্থাৎ এক ধরনের চাঁদাবাজির জন্য এক এক ধরনের রেজিষ্ট্রেশন থাকবে, ফি থাকবে, নবায়ন থাকবে, এলাকা ভাগ থাকবে। সে ক্ষেত্রে সেই কমন সমস্যাটা আবার দেখা যাবে যে সমস্যার নাম তদবীর আর ঘুষ। তবুও জনগণতো অযথা হয়রানি হওয়া থেকে রক্ষা পাবে, যা চাঁদা দেবে সেটা তখন রিসিট নিয়েই দেবে। ইনকাম ট্যাক্স দেয়ার সময় সারা বছরের দেয়া চাঁদা খরচের মধ্যে ধরা যাবে। চাঁদার টাকা হতে একটা ট্যাক্স ও সরকার নিতে পারবে। সরকারের আয়ও বাড়বে।
সে ক্ষেত্রে ট্রাফিক আর সার্জেন্টের একটু সমস্যা হতে পারে, অবশ্য বাংগালী বহুত সেয়ানা , একটা আয়ের উপায় এরা বের করেই নেয়। এ দেশে ঢেউ গুণে ঘুষ খাওয়া লাগে না, বালু উড়িয়েও চাঁদাবাজী করতে পারে। বুঝলেননা - বালু উড়িয়ে মানে কি? তাইলে শুনন এক লোক সরকারী কোন এক অফিসের সুপারভাইজার , তার কাজ রাস্তা ঘাট , বা যেকোন রকম স্থাপনাকাজের সুপারভাইজিং করা। কিন্তু তাকে যেখানেই পাঠানো হয় সেখান থেকে চাঁদা তোলে ( ঘুষের গল্পে এটাকে ঘুষ বলেও চালানো যাবে, দুটোর মধ্যে মাঝে মাঝে মিল পাওয়া যায়) । চাঁদা না দিলে সে নানা খুঁত ধরতে থাকে, কাজের সমস্যা সৃষ্টি করতে থাকে। তাই তাকে দেখলেই কণ্ট্রাকটর তার নির্ধারিত চাঁদা বা ঘুষ হাতে গুঁজে দেয়। সে সোজা হেঁটে অন্য কাজে চলে যায়। এমন ভাবে চলতে চলতে একবার তার নামে সরকারের কাছে অনেক নালিশ চলে গেলো। সরকার তাকে বাধ্য হয়ে অফিসে এনে বসিয়ে দিল। এবার তো আরও বড় সুযোগ । ফাইলের গুরুত্ব অনুযায়ী তার চাঁদার রেট নির্ধারণ করা থাকে, কোন ফাইলই সে টাকা ছাড়া ছাড়ে না। আবারও নালিশ। এবার তাকে সরিয়ে দেয়া হলো। পাঠানো হলো ডিমশন করে বিভিন্ন কাজের স্থানে ইট, বালু পাহারা দেয়ার জন্য। শাস্তি সরূপ সেই কাজেই সে যেতে বাধ্য হলো। কিন্তু এ দেশে ইট বালু সবইতো রাস্তার উপরই রাখা হয়। হয়ে গেলো সুযোগ- তার চাঁদাবাজীর উপায়, বালু উড়িয়ে কোন গাড়ি গেলেই সে থামিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবী করে , না দিলে বালু নষ্ট করার অভিয়োগে মামলা করবে বলে ভয় দেখায়। বাধ্য হয়ে এক সময় বালু মাড়ানোর আগেই গাড়ীচালকরা তাকে নির্দিষ্ট হারে চাঁদা দিতে শুরু করে দিলো। ...গল্পটা একটু সরল হলেও এদেশের সিস্টেমের চরিত্র এমনই নেতিবাচক বহু ক্ষেত্রে।
মদ্দ কথা যার যেখানে জোড় সে সেখানে চাঁদা আদায় করেই চলেছে। কোন স্থানে কোন সরকারী কাজ চলবে আর স্থানীয় দলীয় ক্ষমতাধররা এবং নানা স্তরের ক্ষমতাশালীরা সেই কাজের অর্থের থেকে চাঁদা আদায় করে না তেমন অবস্থাই বাস্তবে এ দেশে কম। কিন্তু ভুক্তভুগীরা কেউ মুখ খোলে না। সবাই দিচ্ছি, ক্ষমতা পেলেই আবার ঘুষ আর চাঁদায় বিত্তবান হওয়ার নেশায় গা ভাসাচ্ছি। এসবই পুরাতন , জানা কথাবার্তা আসলে, কিন্তু বদলাচ্ছে না কেউ । হয়তো সভ্যতা বাড়ছে বলেই ভাবছি বদলানো যাবে না অথবা হয়তো একদিন সত্যি সকল চাঁদা আদায়কারী হয়ে যাবে রেজিষ্টার্ট চাঁদাবাজ।
এ দেশের চাঁদাবাজীর কথা শেষ করা আমার সাধ্য নয়, শুধু শেষে এক সাংবাদিক বন্ধুর একটা কথা উদ্ধৃত না করলেই নয়; তাকে আমি জিজ্ঞেস করেছিলাম, “অনেক সাংবাদিকদের নামে বেশ বদনাম শোনা যায়, তারা নাকি পত্রিকায় বদনাম বা কুৎসা লিখে হেয় করার ভয় দেখিয়ে অনেকের কাছ থেকে নানা সুবিধা আর অর্থ লাভ করে থাকে? এরকম হলে সত্যটা কাগজে ফুটিয়ে তুলবে কে?” বন্ধুবর উত্তর দিয়েছিল, “কারও মনে দূর্বলতা থাকলেই সে ভয় পায়, আর ওমন কাজ করে যেসব সাংবাদিক তারা ঐ সুযোগটাই নেয়। সাংবাদিকদের তাই দোষ দিয়ে লাভ নেয়, যারা বড় বড় অন্যায় আর অর্থ মেরেকেটে খাচ্ছে তাদের থেকে সামান্যই সাংবাদিকরা ওভাবে নিয়ে থাকে...”।
আসলে আমাদের মন মানসিকার সাথে চাঁদাবাজি লেপ্টে গেছে। চাঁদাবাজি থেকে পরিত্রান তাই দুরুহই নয় অসম্ভব। কারন সবাই মেনে নেয় আর ধরেই নেয় এ দেশে এ সবই সিস্টেম।
///
মামুন ম. আজিজ
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29077383 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29077383 2010-01-12 23:50:23
বুড়িগঙ্গার কালো রং পরিবর্তন হতে যাচ্ছে কি? বুড়িগঙ্গা থেকে বর্জ্য অপসারণ শুরু -- দৈনিক প্রথম আলো 7/1/10
শুরু হলো বুড়িগঙ্গার পলিথিন অপসারণ ...বিডি নিউজ ২৪ এর নিউজ ০৬/১/১০

প্রাণে যেন হু হু করে এক পলশা কল্প বাতাস বয়ে গেলো। নির্ভেজাল প্রশান্তি মাখা। মনে পড়ে যায় শৈশবের বুড়িগঙ্গার তীর। কত বিকেল..কত সন্ধ্যা সুর্যটা ডুবে যেত স্বচ্ছ পানির ঢেউ এড়িয়ে ঐ ওপারে..মনে পড়ে .নুড়ি বালুর উপর দিয়ে নদীর কূল ঘেঁষে হাঁটার স্মৃতি গুলো। গোপনে লুকিয়ে কাপড় নিয়ে চলে যেতাম ছুটির কোন এক সকালে , সাঁতার জানতাম না তবুও এক আকর্ষনে নেমে যেতাম বুড়িগঙ্গার জলে। তারপর বন্ধুরা মিলে দাপাদাপি।
খুব দ্রুত তারপর দেখতে দেখতে সময়ের আবর্তে ঘোলা জলখানি হয়ে উঠল কালো নোংরা ড্রেনের বন্ধ জলের বড় এক আধার। ছিঃ ছিঃ ছাড়া কোন বিশেষণ দর্শকের মনে আসেনা ঐ বুড়িগঙ্গার জন্য। অথচ নদীটার কি দোষ....দোষটা আমাদের। আমার আপনার সবার কম বেশি।
মনে পড়ে আজ থেকে ১৩/১৪ বছর আগে জীবনের প্রথ ফিচার লিখেছিলাম একটা সাপ্তাহীক ম্যাগাজিনে প্রিয় বুড়িগঙ্গার দূষন নিয়ে। কালো জল তার কি বিশ্রী। কি লজ্জা। তারপর কেটে গেছে এতটা বছর। নোংরা হতে হতে পানি এখন ঘন কালো হয়ে উঠছে। দেখলেই একটা ছোট বাচ্চাও বোঝে ওটা জল নয়, নোংরা আবর্জনার স্তুপ। একটু তরলতা যা আছে মাত্র।
উপরের নিউজগুলো মনে প্রশান্তি আনে। যাক নদীর মৃত্যকাল ঘুচতে যাচ্ছে। প্রাণ আসতে যাচ্ছে নদীর গর্ভে। তলদেশে ১২/১৩ ফুট পলিথিন আর মানব বর্জ্য। উফ! কিভাবে নিশ্বাস নেবে নদীটা।
কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে পাইলট প্রকল্প নেয়া হয়েছে, কাজ শুরু হয়েছে। আশা করি এই পাইলট প্রকল্প ফলপ্রশূ প্রল্প হযে উঠবে ধীরে ধীরে । লুটপাট যে হবে না এ দেশে তা অল্পনীয়। তবুও নদীর জলটা কালো রংটা পরিত্যাগ করতে পারলেই নিশ্চয় আমরা খুশি হব।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29073626 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29073626 2010-01-07 13:27:15
নিরব রাতের ছড়া এখন সবাই ঘুম
এখন আমি কষ্ট খুড়ব
নিরব আমার রুম

মনে আমার ইচ্ছেমত
ভাবব কত কথা
কত ভাঙা স্বপ্নগুলো
মনেই দেবে ব্যাথা

এখন ভীষণ আধার ওগো
এখন সবাই মৃত
তাইতো আমি একাই সজীব
নিজের কাছেই ধৃত

কেউ দেখেনা দুঃখ বিলাস
কেউ দেখেনা শোক
সবাই ভাবে পাগল আমি
রাগ জাগাটাই রোগ

আমি জানি কেনো জানি
হয়তো সেটাও মিথ্যে
জানার মানেই সত্য হবে
লেখা যে কোন চিত্তে?

এখন আমি ঘুমকে ডাকি
ঘুম যে আমার পোষ্য
এখন আমি উল্টো হাঁটি
কেউবে বুঝবে না রহস্য

এমন নিরবতার মাঝে ওগো
আলোর মাঝে হারাই
কত যে বন্ধুর বারানো হাতে
হাতটি আমার বাড়াই...



৫/১/২০১০
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29072050 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29072050 2010-01-05 03:44:20
আইইউটা(IUTAA)র রিইউনিয়ন ও নির্বাচন ২০১০// নব নির্বাচিত কমিটি আইইউটি হতে পাস আউট ছাত্রদের প্রানের সংগঠন আইইউটা এর দ্বিতীয় পুনর্মিলনী ও নির্বাচন অনুষ্টিত হয়ে গেলো গত ১ লা জানুয়ারী, নব বর্ষের প্রথম দিন । ভ্যানু ছিল আইইউটি ক্যাম্পাসের মনোরম পরিবেশ এবং অডিটরিয়াম। ( বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন ) ।

আইইটা(IUTAA) র নবনির্বাচিত কমিটির রূপটি নিম্নের মতঃ-

প্রেসিডেন্টঃ
মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান মোল্লা ( স্টুডেন্ট আইডি- ৯৬২৪১৬)

ভাইস প্রেসিডেন্টঃ
মারুফ আযম ( অভি) ( ৯৮২৪৪৬)

জেনারেল সেক্রেটারীঃ
মোহাম্মদ রেজাউল করিম রিজভী ( ৯৯২৪৩৮)

এসিটেন্ট জেনারেল সেক্রেটারীঃ
সৈয়দ ফারহান রেজা ( ৯৯২৪৪৬)

পাবলিকেশন সেক্রেটারীঃ
মামুন মঞ্জুরুল আজিজ (৯৮২৪১৮)

ট্রেজারারঃ
মোঃ মাহবুব উল ইসলাম (৯৬২৪৩১)

ওরগানাইজেশন সেক্রেটারীঃ
মো আজিমুদ্দীন খান (০২৪৪৪১)

সদস্য/মেম্বারঃ
১. মোহাম্মদ মেহেদী হুসেন ভূঁইয়া (৯৭১৪১৫)
২. মোঃ আহসান হাবীব ( ৯৯৪৪১২)
৩. মোঃ ইফতেখার আলম ভুঁইয়া (৯৯১৪১৯)
৪. এস এম মশিহুর রোমান (০৪৪৪০১)
৫. আবদুল্লাহ আলী ফারুক ( ০৪৪৪২৮)

( সেক্রেটারী - স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স পদে আইইউটার সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তীতে নির্বাচিত করা হবে)

//মামুন ম. আজিজ
পাবলিকেশন সেক্রেটারী, আইইউটা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29072016 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29072016 2010-01-05 03:13:20
মন খারাপের হিড়িক পড়েছে

মন খারাপের হিড়িক পড়েছে
শীতের গায়ে জ্বর হয়েছে
আজ এ রাতে শীতের সাথে করুন সুর বাজাই
শীতে কেঁপেছে নিজেই আজই
কেঁপেছে ফোনেতে ধ্বনী রাজী
ঢলে পড়েছে শ্রবন যন্ত্রে হিড়িকের খবর,
নগর জুড়ে ঘুরছে দেখ জ্বর হওয়া ঐ শীত
মন খারাপের হিড়িক দেখে গাইছে কাঁপুনী গীত।
মন খারাপের হিড়িক পড়েছে
দুটো পেঁচা আজ পথ ভুলেছে
জ্বলজ্বলে চোখ শীত খেয়েছে, জ্বরের ডঙ্কা বাজে
নাচছে কুদছে কষ্টগুলো ভীষন উদোম সাজে...
মন খারাপের হিড়িক পড়েছে
ওদের কান্না প্রাণ ছুঁয়েছে...
দর্শক বড় কষ্টদায়ক, স্রষ্টা শুধুই স্রষ্টা
শীতের ভয়ে চোখ ঢেকে হব না পথভ্রষ্টা।
মন খারাপের হিড়িক পড়েছে
সময়টাকে ভয় লেগেছে...
লেপের তলে না লুকিয়ে, হাত বাড়িয়ে কান্না যদি মুছি
ভীষন তুচ্ছ, শীত বলেছে তখন আমি যে বুঝি।


৩০/১২/২০০৯
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29068086 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29068086 2009-12-30 02:09:56
খুব কাছে তো খূঁজি না


মূল্যবান দুটো কাগজ খুঁজলাম আর খুঁজেই চললাম
সারা রাত ঘুমানোর পূর্বাবোধি, সকালটা পুরো, বিকেল এর ক্লান্তি ভুলে
সন্ধ্যার শীত গায়ে মেখে কারন জানালাটা ছিলো আধো খোলা।
ভুলো মনের দোষ, শীতের লেজ বেয়ে বেয়ে খোলা পথে মশার গুপ্তাগমন চলছিলই
ভুলো মন কাগজ খুঁেজই চলেছে কঠিনতম আনাচে কানাচে, শত প্যাকটের ভাঁজে ভাঁজে
তারপর রাত আরেকটু পাকতে থাকলে হঠাৎ পেয়ে যাই
কাগজদুটো চিৎ হয়ে শুয়ে এমন এক আস্তাকুঁড়ে, শোকেজের এক কোনে
যেখানে থাকার কথাও না...অত পষ্ট স্থানে মূল্যবানর কাগজ কেউ রাখে নাকি,
অথচ আমি রেখেছি তো, ওদুটোর পা গজায়নি , গজায় না...
স্মৃতি আমার ভুলো মনের সাথে খুনসুটির সুযোগটা নিয়েই নেয়...
কেউ হারে না, না স্মৃতি না ভুলো মন, হারি কেবল আমি...
হয়তো কাছে ধারে খুব নিকটে যেখানে থাকার কথা নয় সেখানেই
আছে সবই , আর খুঁজে চলি দূর দূরান্তে কঠিন থেকে কঠিনে...
অথচ একদিন পেয়েই যাব মূল্যবান কাগজ দুটির মত হাতের কাছে
দৃষ্টির অতি নিকটে, যেখানে থাকার কথা নয়, অথচ থাকে ...
তাহলে আমিই তো ভুল বুঝি, ভুলো মনের অবাধ্য হতে হতে একসময়
সব কিছু থেকে মুখ ফেরাতে হয়, স্মৃতিও বিট্রে করে ...
সময় অনেক পেরিয়ে যায়, খুঁজে পেলেও কি লাভ আর হবে তখন?---
বিগত কালের সাথে রয়ে যায় সেই ভাবনাটাই কেবল আর সাথে হতাশা।

২৮/১২/০৯
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29067553 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29067553 2009-12-29 09:04:38
এরপর... এরপর...
কবিতা হয় না কবিতার মত আর
মশাগুলো মৃত ভেবে ডিম পেড়ে যায় গায়ের যত্রতত্র।
দেহটা রকেট হয়েছিল, ছায়াপথের নাড়ি নক্ষত্র ঘুরে
এসেছিল মনের দীপশিখা প্রচন্ড ঝড়ে নেভার পুর্বেই;
এরপর...
ক্লান্তি তাই সাগড় পাড়ে পোতা ছাতার বাটের মত ভেজা
মনের বালুতে গেড়ে বসছিল, দুহাত প্রসারিত করে
তাই জাপটে ধরি নোনা জলের ঝর্ণা ধারা, দীপ জ্বালানো
নারী ঝর্ণার চটুল কামিনী জল হয়ে হারিয়ে যায় বহু গভীরে।
এরপর...
মশার মনের মত স্বল্প উচ্ছিট্ট মনটুকু ভেবে নেয় নিজেকে
মহাকাশে হারিয়ে যাওয়া এক ধুমকেতু...
ঘুরতে ঘুরতে হারিয়ে যাওয়া সেই ধূমকেতু ফিরবে কবে,
কে সেদিন অপেক্ষায় রবে, সেই সব ভাবনায়
কবিতা হয় না কবিতার মত আর
তারপর...
মশাদুটো কুপোকাত অস্থিরতার হস্ত প্রসারনে...
প্রাণ টাতে তাই নতুন নারীর ঝড়ো হাওয়া ক্রমাগত বইছে
এই তো ধূমকেতুর সে হারানো ভূবনে।

২০/১২/০৮
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29062097 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29062097 2009-12-20 03:48:29
পা--সিনেমাটির ডাউনলোড লিংক বিরল বার্ধক্য রোগে আক্রান্ত একটি বালকের কাহিনী ....পা ...ছবিটি দেখব বলে ডাউন লোড করছি।
আপনিও করতে পারে ন........
download link of PAA
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29058451 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29058451 2009-12-14 03:32:54
ইমপোর্টেড ক্রিয়েটিভিটি
আত্মবিশ্বাস যখন বিকেলের রোদের মত
স্তমিত হয়ে ওঠে জাতিগত চরিত্রে তখন
ইমপোর্টেড রঙিন কাচে আড়াআড়ি
আধো মূর্ছা সূর্যের আলোয় ঝকমকে দ্যুতি
যা প্রচন্ড স্পষ্ট - নকল, নকল।
ক্রিয়েটিভ মিডিয়ায় ভিনদেশী সব
রিয়েলিটি শো...মাথাটা করি বো
ওই ভিনদেশী রিয়েলি রিক্রিয়েটিভ
জান্তাদের মস্তিষ্কের উর্বরতায়...... ।
ভাল লাগার মত মস্তিষ্কে কোন
জলাশয় খোড়ার আগেই কেবল
নতুন নতুন সিমিলারিটির বন্দী বোতল
সাজিয়েই ভরে তুলি মাঠপ্রান্তর...
স্বাধীনতার গর্ব ভরা জাতিগত সোচ্চার
বারবার কেবল ব্যবসায়িক ধ্বনি
ছাড়া আর কিছুই মনে হয় না আমার
তা সে শিক্ষা থেকে বিনোদন সর্বত্রই,
তাই পড়ন্ত সূর্য দিনের শেষে
মরে গেলেও আমি বুঝি না..
চোখ দুটো বুজাব না রাখব
অমুদিত আঁধারের প্রেমে হয়ে মত্ত।


৮/১২/২০০৯
( ভোর ৭ টা)
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29055288 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29055288 2009-12-08 06:58:27
ডাক্তার সাহেব এমন আপসেট হলে সেটার দায়ভার কার?
ডাক্তারের চেম্বারে অনেক্ষণ ওয়েট করার পর যখন ভেতরে ডাক পেলাম, তখনও আমার সামনে চারজন রোগী। রুমের ভেতর সেকেন্ডারী ওয়েটিং এ বসে আছি। নিরবে তাকিয়ে তাকিয়ে ডাক্তার সাহেবের রোগী দেখা দেখছি আর ভাবছি, ডাক্তার সাহেবকে খুব স্বাভাবিক প্রাণ চঞ্চল মনে হচ্ছে না, অথচ উনি খুবই প্রাণ চঞ্চল এক জন পৌঢ় মানুষ। যথেষ্ট ফুরফুরে মেজাজে থাকেন, ওনার রোগী হলেই সে ধরা বান্ধা, এই অ্যাজমা রোগটাই এমন, একবার রোগী হয়ে নাম লেখালে লটকে থাকতেই হবে, বিশেষজ্ঞ ঐ ডাক্তার সাহেবের ইনকামের নিশ্চিত উপায় আর প্রাচুর্যতায় ফুরফুরে মেজাজ প্রকৃতি তাকে আপনাতেই প্রদান করে থাকবে হয়তো। কিন্তু আজ তিনি প্রচন্ড আপসেট। আমি স্পষ্ট টের পাচ্ছিলাম, সেই আপসেটের প্রভাব পড়ছে তার ডাক্তারী বিদ্যায়। গতিতেও ধীরতা , বাইরে প্রাইমারী ওয়েটিং এ দেখে এলাম বিরক্তি নিয়ে অপেক্ষমান প্রচুর রোগী। সেকেন্ডারী ওয়েটিং এ আমিও বসে আছি অনেক্ষণ।
একটা ফোন এল আর আমর কাছে আপসেটের গুরু তত্ত্ব স্পষ্ট হয়ে গেলো। একটু জানতাম উনি কিছূ মাস আগে ঢাকা থেকে অন্য দূরবর্তী এক বিভাগীয় শহরে বদলী হয়ে গেছেন ( তার মূল সরকারী চাকুরীতে) । ওনার বস ফোন করেছেন; কথোপকথনে বোঝা গেলো। দূরবর্তী শহরে অফিস না করা কারনে বেশ ঝারি ঝুরি খেলেন। রোগীদের সামনে উনি একটু ইতস্তত বোধও করলেন মনে হলো।
আমি ভাবতে লাগলাম। এই যে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যার ভরসায় কঠিন রোগ নিয়ে সুস্থ থাকার প্রানন্ত আর অর্থ ব্যয়জনিত চেষ্টায় শত শত রোগী, তাকে ঢাকার বাইরে হঠাৎ অনাহুত পোষ্টিং ( যতদূর জানি সেটা পলিটিক্যাল কারনে) করায় তাদের তো ব্যাপক সমস্যা হয়ে যাচ্ছে। মনে হলো এটা েেতা ডাক্তারের সাথে ঠিক হয় নি। আমাদের সুস্থ থাকার নির্ভরতা তার উপর।
সাথে সাথে আবার এমনও মনে হলো, যেখানে তার পোষ্টিং , যে চাকুরীতে জনগনের সেবার নৈতিক দায়িত্ব তার উপর, যেখান থেকে সরকারী বেতন ভোগী, সেখানেও তো অনেক রোগী নিত্য অপেক্ষায় বসে থাকে।না সেটাও তো ঠিক না। সব বিশেষজ্ঞ ডাক্তার যদি রাজধানীতে বসেই থাকেন তবে মফস্বলের রোগীদের , গরীব রোগীদের কি হবে।
কিন্তু সরকারী হাসপাতালের চেয়ে বেশী রোগী তো তাাঁর এই প্রাইভেট প্রাকটিসে। এ রোগীদের ও তার উপর অধিকার জন্মিয়েছে। এদের কি হবে?
ওদিকে আবার ভাবছি, এই পোষ্টিং হ্যাপাচার্ড এর পুরো প্রভাব পড়ছে ডাক্তারের চিকিৎসার গতিতে। সেটাও তো খারাপ। অনৈচ্ছিক পোষ্ঠিং কি তবে অনুচিৎ?
যদি সরকারী চাকুরীটাই মূখ্য হওয়া উচিৎ তবে আবার প্রাকটিস প্রাকটিসের পসরা সাজিয়ে বসাতেও কোন বাধা নেই কেনো?
বাধা থাকলে ভাল চিকিৎসা সুবিধা পাব কি করে আমরা?
একবার আমি এই পক্ষে আর একবার ঐ পক্ষে ...কনফিউসিড।
আমার টার্ণ এলো, শীতকালে আমার সমস্যা বেড়েছে। শুনলেন আপসেট মন নিয়েই । এবং আশ্চর্য হলাম, হঠাৎ তার চিন্তার সূতা ছিঁড়ে ছিঁড়ে যাচ্ছে। তিনি প্রেসকিপসনে তারিখ লিখতে গিয়ে অনেকক্ষণ কলম ছুঁয়ে রাখলেন কাগজে, আমি বলে দিলাম , আজ ৬ তারিখ।

এই জন্যই এটা সেলুকাস দেশ, সেলুকাস ইন অল সেক্টর, লার্জ ওর স্মল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29055119 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29055119 2009-12-07 22:18:20
সরকারি ল্যান্ড ফোনের ক্ষমতা আরেক কোটি বাড়বে--স্বপ্নে বিভোর হবার মত একটা বুলি / অথবা প্রমিস সরকারি ল্যান্ড ফোনের ক্ষমতা আরেক কোটি বাড়বে
বিডি নিউজের খবরটি পড়ে আর এক দু লাইন না লিখে পারলাম না।
আসলে মুখ আছেই বলার জন্য। যেমন এই হাত , পিসি আর ব্লগ আছে আমার লেখার জন্য , তবে মুখের সাথে পার্থক্য হচ্ছে-এইসব ব্লগের লেখা সেন্সরড হতে পারে, মুছে দিতে পারে কেউ, মুখের কথা মুছবে কে?
তারউপর যদি সর্বোচ্চ পর্যায় এর মুখ থেকে উচ্চারিকত হয় বেদবাক্য ধরা যাবে না, কিন্তু কাছাকাছি তো বটেই । কারন তাহারা মন্ত্রী।অনেক বড় পজিশন।
ল্যান্ড ফোন যাহা সরকারী ঘরানার তাহা প্রদায়ক প্রতিষ্ঠান আজ কোম্পনী হয়েছে যাহার নাম বিটিসিএল।
যে কোম্পনীর ঘরের ভেতর সবই আগোছালো......কারন আনসিস্টেমেটিকএবং আন প্লানড এবং অসম্পর্ণ ট্রান্সফরমেশন।
মাত্র ১০ লাখ ফোন আগামী এক বছরে কি ধরনের আলাদিনের চেরাগ পেয়ে ১ কোটি তে পরিণত হবে তাই ভাবছি।
টেলিকম প্রকৌশলী হিসেবে ভাবনা স্বার্থকতা পাবেই আর না পেলে বুঝতে হবে আমার অজ্ঞতা। কারন মন্ত্রী বলেছেন যখন , নিশ্চয় হবেই, কোন পরিকল্পনা হয়তো থেকে থাকবে, যাহা আমি জানি না।

তবে আমি জানি বিটিসিএল তার আভ্যন্তরীন অর্গানোগ্রাম আর কর্মচারীর কোম্পনীতে আত্তিকরণ, ক্যাডার কর্মকর্তাদের মু্ক্তি দান এইসবজটিলতা না দূর করায় কোম্পনীর ব্যবসা ইসমুথ হচ্ছে না......( সেবার কথা এখন আর বিববেচনাধীন করা যাবে না, কারন কোম্পনী ব্যবসা দেখবে, সেবা দেখে সরকারী ডিভশন বা বোর্ড - ব্যাবসার জন্যই কোম্পানী করা)।
ফোন বাড়ানোর জন্য ব্যবসাটা তো শিখতে হবে। সাবেক সেবাদাতাদের মানে আমাদের বিটিসিএলএর এম্লইয়িদের ব্যবসা শেখাবে টা কে?

না মুখে বললেই ব্যবসা শেখা হয়ে যায়?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29054399 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29054399 2009-12-06 14:35:23
শুরু তাই নতুন স্বপ্নের।
মাঝে অনকেগুলো সময়
নিয়মিত কলংকের উল্কি গায়ে মেখে নিয়েছে
---ইতিহাস
মাঝে পাপ ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে
নুয়ে মুমুর্ষু হয়ে আত্ম যন্ত্রনায় ঝুকে থেকেছে
---ইতিহাস
৩৪ বছর আগে এ জাতির সবচেয়ে নৃশংস
হত্যার স্বাক্ষী এবং ধারক হয়ে মুখ লুকিয়েছে
---ইতিহাস
আর অপেক্ষা করেছে এক পলশা কল্প বৃষ্টি বা
কলংক ধোঁয়া জলের...
কলংক সবই ইতিহাসের গায়ে স্থায়ী বলি রেখা ,
তবুও কলংক ধোয়া জলে ঘুচবে গভীর লজ্জা তার
---অপেক্ষা কত তাই ইতিহাসের।

তিন যুগ নিকৃষ্ট খুনীদের সাথে বসবাস
তিনযুগ প্রায় তাই জাতির অবক্ষয় অভিশাপে
ব্যথিত ইতিহাসের
আজ ইতিহাস কলংক জলে পরশ পেয়েছে
আজ সেই নৃশংস খুনের বিচারের রায় হয়েছে
শুরু তাই নতুনস্বপ্নের।



১৯/১১/০৯
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29046529 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29046529 2009-11-20 01:22:11
Cupid's bow

এখন প্রশ্ন কিউপিড এর ধনুক কেনো? তাহলে জানতে হবে। কিউপিড কে। অনেকেই আমরা জানি, কিউপিড হলো রোমান পুরাণে একজন বিখ্যাত দেবতার নাম। যে মূলত কামজ প্রেম আর সৌন্দর্যের দেবতা। গ্রীক পুরাণে এই দেবতারই নাম এরস। ল্যাটিন নাম তার আমর ( ভারতীয় পুরাণের কাম দেবের সাথে অনেকটা মিল)। কিউপিড বা এরস হলো ভালবাসার দেবী ভেনাস এর পুত্র। সরাচর কিউপিড এর পিঠে এক জোড়া পাখা, হাতে একটি বাঁকানো ধুনক আর এক গোছা তীর সহ চিত্রিত করা হয়। কিউপিড তার এই কাল্পনিক চিত্রনে ভ্যালেন্টাইন ডের একটি আইকন ও বটে। প্রেম জাগানোর জন্য কিউপিড তীর নিক্ষেপ করে থাকে বলে এসব পূরানে ধারনা করা হয়ে থাকত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29046460 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29046460 2009-11-19 23:07:28
যবনিকাপাতের তাড়া...
তাড়াহুড়ার কিছু নেই, আবার আছে বৈ কি!
তুমি কি জান যবানিকাপাত? উল্কাপাতই তো জানো না
কখন আসে আর ভূমিতে এঁকে দেয় তা অ্যামবুশ।
ব্যাঙের ডাক শুনে থাকবে খুব, কিন্তু দেখবে না,
তোমার আমার সামনে ও ডাকে না, যেমন
দেখা দুষ্কর বিড়ালের রতিখেলা, খুবই লাজুক প্রাণী।
“ভুলে যাও , তাড়াহুড়ার খেলা ভুলে যাও, তবে
.. দেরী করোনা।”- ঠিক যেন রাজনৈতিক উপদেশ।
শুনো না, তুমি স্বাধীন, আমি স্বাধীন, তবে বিনা যুদ্ধে
অর্জিত স্বাধীনতা। যে কেউ , ধর তুমি আমি পরাজিত
হতে পারি নির্দ্বিধায় , অকপটে.. কেবল জয়ী হবার
তরে কেনো তবে এত অনুঘটক, ঘটক কিংবা প্রভাব...

১৭.১১.২০০৯
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29044663 http://www.somewhereinblog.net/blog/pothe_potheblog/29044663 2009-11-17 01:36:40