এই প্রতিবাদ লিপিটি আগামীকাল প্রধান দৈনিক গুলোতে প্রকাশ পেতে পারে, আপনিও জানুন
২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৩২
সেবামূলক ও লাভজনক সরকারী প্রতিষ্ঠান অধুনালুপ্ত বিটিটিবি/টিএন্ডটি তথা বিটিসিএলকে ক্রমান্বয়ে ধ্বংস করে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নের ভিত্তিমূলে কুঠারাঘাত করার ষড়যন্ত্র প্রতিহত করার উদাত্ত আহ্বান।
১) টিআইবি প্রতিবেদনে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ দুর্নীতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠান সমূহের তালিকায় বিটিটিবি’র নাম না থাকলেও দুদক কর্তৃক বিটিটিবি’র গত ৮ বছরের অত্যাবশ্যকীয় খরচকে ঢালাওভাবে অর্থ আত্মসাৎ হিসেবে অভিযোগ উত্থাপন করে মামলা দায়ের করা হচ্ছে । অধিকন্তু বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ বিষয়টি প্রচার করে কর্মকর্তা/কর্মচারীদেরকে সামাজিকভাবে হেয় ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলা হচ্ছে। ফলে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ চরমভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে।
২) দৈনন্দিন ও জরুরী রক্ষণাবেক্ষণ ছাড়া উচ্চ প্রযুক্তির এ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখা সম্ভব নয়। এ কারণেই বিটিটিবি এবং তৎপূর্ববর্তী এ প্রতিষ্ঠানের সৃষ্টিকাল থেকে Post and Telegraph Manual, Initial Account Code অনুযায়ী এবং প্রচলিত সরকারী আর্থিক বিধি বিধান অনুসরণপূর্বক রক্ষণাবেক্ষণ এবং সরবরাহ ও সেবা খাতে ব্যয় নির্বাহ করা হয়েছে। অথচ সংশ্লিষ্ট বিধি-বিধান বিবেচনায় না নিয়ে বিটিটিবি’র সমস্ত রক্ষণাবেণ ও সরবরাহ-সেবা খাতের খরচকে দুদক কর্তৃক ব্যক্তিগতভাবে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হচ্ছে।
৩) উল্লেখ্য যে, ২০০০-০১ হতে ২০০৭-০৮ পর্যন্ত ৮(আট) অর্থবছরে বিটিটিবি প্রায় ১২,০০০ (বার হাজার) কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে।
৪) ১৯২৮ খ্রিঃ এর পর থেকে আজ পর্যন্ত বিটিটিবি ও তৎপূর্ববর্তী এ প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় ব্যয় প্রতি বছর সরকারের অডিট অধিদপ্তর, মন্ত্রণালয় ও পাবলিক একাউন্টস কমিটি কর্তৃক নিরীতি / মীমাংসিত / নিষ্পত্তিকৃত। প্রসঙ্গত বিটিটিবিতে দুদক পরিচালিত অনুসন্ধান ও তদন্তকাজে নিয়োজিত দলের দলনেতা যখন সরকারের অডিট অধিদপ্তর এর পক্ষে বিটিটিবিতে অডিট কাজে নিয়োজিত ছিলেন তখন তিনি তাঁর প্রতিবেদনে এরূপ অর্থ আত্মসাতের কোন অভিযোগ আনেন নাই। কিন্তু বর্তমানে একই কর্মকর্তা দুদকের দুর্নীতির অনুসন্ধান কাজের দলনেতা হিসাবে বিটিটিবিতে এসে একই ব্যয়কে ব্যক্তিগতভাবে আত্মসাৎ হিসাবে চিহ্নিত করেছেন যা স্ববিরোধী, উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও ষড়যন্ত্রমূলক, কোন সিন্ডিকেটের স্বার্থ রাকারী এবং সরকারী লাভজনক প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল (অধুনালুপ্ত বিটিটিবি) কে ধ্বংসের অশুভ চক্রান্ত।
এ অশুভ চক্রান্ত থেকে সরকারী লাভজনক প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল কে রক্ষা করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকল মহলকে
কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের উদাত্ত আহ্বান জানানো যাচ্ছে।
বিটিসিএল (সাবেক বিটিটিবি) এর সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
প্রকাশ করা হয়েছে: পথের কিনারে বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
বিডি আইডল বলেছেন:
মানুষকে যে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ এবং সার্ভিস দেয়া হইছে..সেই বিষয়ে কিছু জ্ঞানপাত করবেন কি?
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+। যে টুকুন র্দূনীতি হয়েছে তার হোতাদের শাস্তি হউক। তার মানে এই নয় যে বিটিটিবি কে বিটিসিএল এ লিমিটেড কোম্পানী করা। কারণ বিটিটিবি ছিল সরকারের একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান। ডঃ ফখরুদ্দিন হলেন বিশ্ব ব্যাংকের আমলা এই জন্য শুধু বিটিটিবি নয় অগ্রণী, সোনালী ও জনতা ব্যাংক তেমন লোকসানী না হলেও বিশ্বব্যাংক ও আই.এম.এফ এর চাপে এগুলো কে লিমিটেড কোম্পানী করা হয়েছে। আশা করি বর্তমান রাজনৈতিক সরকার এগুলো কে পুনরায় রাষ্ট্রীয় করণ করবে এবং প্রাইভেট মোবাইল (বিদেশী) কোম্পানী গুলোর চেয়ে কম রেটে টেলিযোগাযোগ সুবিধা দিবে। ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: টেলিযোগাযোগ সেক্টরে সরকারেরর একমাত্র উইং ছিল এই বিটিটিবি...
যাকে
ক্রমান্বয়ে বিটিসিএল
এবং তিন খন্ডে বিভক্তি ( বিটিসিএল , বিএসিসসিএল এবং টেলিটক)
এবং হঠাৎ মাত্র ১০/১৫ পয়সায় মিনিটে বিল নামিয়ে আনা
এসব করে প্রকারান্তরে এই উইংটি ধ্বংস করাই মূল উদ্দেশ্য মনে হয় ।
যে কারনে সরকারেরর ডিজিটাল বাংলাদেশে গড়ার ক্ষেত্রে যে উইং কে এবং যাদের জ্ঞানকে ও ইনফ্রাসটেকচারকে কাজে লাগানো যেতা তাকে কাজে লাগানো যাবেনা নিকট ভবিষ্যতে...
অল টেলিকমিউনিকেশন প্রাইভেটে ছেড়ে দিলে ..সরকারেরর কন্ট্রল কেমনে থাকবে বুঝিনা।
হাজার হাজার কোটি টাকা মোবাইল কোম্পানী গুলো যখন কল টার্মিনেশন করে গায়েব করে আর শাস্তি সরূপ মাত্র ২০০/৩০০ কোটি জরিমানা হয় তখনই বোঝা যায়
এই সব ষড়যন্ত্রের মূল কোথায় হতে পারে।
বিটিসিএল করে পঙ্গুই করা হয়েছে , কাজের কোন সুষ্ঠু ( যা পূর্বে আসলেই সমস্যা জনক ছিল বলেই এত বদনাম) সিস্টেম ডেভেলোপই করা হয়নি।
আদতে স্থবিরতার দিকেই ধাবিত হচ্ছে একটি অতি প্রয়োজনীয় বিভাগ।
অমাবশ্যার চামচিকা বলেছেন:
এমনিই ঘুম ঘুম ভাব, এই লেখাটি পড়ে ঘুম এসে গেলো... রাইখা দিলাম। পরে পড়মু।
রাজর্ষী বলেছেন:
বিটিটিবি কোন দরকার নাই। আর এর কর্মচারীদের সবগুলাকেই কোন কারন ছাড়াই বরখাস্ত করা উচিৎ শুধু মাত্র কেন এখানে চাকরী করে জন্য। রাজস্ব তো শুধু মাত্র মোবাইল কম্পানীগুলেো এসেছিলো বলে পেয়েছে। না হয় তো রেলওয়ের মতই হতো।
লেখক বলেছেন: মোবাইল কোম্পানী এসেছিল মানে বুঝলাম না।
ল্যান্ড ফোন থেকেই ঐ রাজস্ব এসেছে
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
রাজর্ষী এইটা কি বললেন!শুধু দূর্ণীতির রেলওয়ে এমন দশা কথাটা ঠিক না।আমি অবশ্য একথা বলছিনা যে রেলওয়েতে দূর্নীতি নাই।রেলওয়ের অধ:পতিত হওয়ার সাথে আরো অনেক কেচ্ছা-কাহিনী আছে।
বিটিটিবি টিকে থাকুক এবং সেটা সরকারী তত্বাবধানে।ভারতের ভি,এন,এস,এল যদি সমানতালে সেলুলার এবং ল্যান্ডফোনের সেবা দিয়ে লাভ করতে পারে, তাহলে বিটিটিবি পারবে না কেন?
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
অব্যশই পারবে শিমুল ভাইকিন্তু সেই না পারাটা সফল করা জন্যই চক্রান্ত চলছে....
প্রথমে দেখলেন তো তিনটুকরো করেছে কিভাবে..
একটা ছোট সাবমেরিন স্টেশন ..সেটাই একটা আলাদা কোম্পানী
আমি নিজে ওখানে ১৮ মাস কাজ করেছি...
ওটার সব কনট্রল ইন্ডিয়ার মোম্বাই স্টেশনের হাতে..
আলাদা কোম্পানী হয়ে ওটার কাজ কি...
আর টেলিটক আলাদা করে দেয়া মানে ..সেটাকেও ধ্বংস করার প্রয়াস।
ভেবে দেখবেন।
অ্যামাটার বলেছেন:
আপনার সাথে একমত হতে পারলাম না পথিক ভাই,আপনি নিজে হয়ত আপনার ডিপার্টমেন্টের একজন সৎ কর্মকর্তা হতে পারেন, কিন্তু আমি ভেতরের অনেক খবরই জানি, আমার দেখা সাবেক বি.টি.টি.বি'র বিভিন্ন পর্যায়ের কয়েকজন কর্মকর্তা আছেন মহা চোর, জি.এম, ডি.ই পর্যায়ের দু'জন কর্মকর্তাকে আমি আত্মীয়তার সূত্রে চিনি, যারা দূর্ণীতিতে ইনশাল্লাহ্ পি.এইচ.ডি. ডিগ্রী অর্জন করার যোগ্য।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
বিলুপ্ত বিটিটিবির কিংবা বর্তমান বিটিসিএল এর মূল আয় আন্তর্জাতিক কল, মোটেই অভ্যন্তরীন কল নয়। এবং তারও মূল কারণ আন্তর্জাতিক কলে মনোপলি। বিটিটিবি ছাড়া আর কেউ আন্তর্জাতিক কল সুবিধা দিতে পারে না। কিন্তু বাংলাদেশের প্রাইভেট মোবাইল কোম্পানীগুলো অভ্যন্তরীন কল থেকেই বিশাল মুনাফা তুলে নিচ্ছে। আর সেখানে বিটিটিবির টেলিটক সম্পূর্ণ ব্যর্থ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
মহা শব্দটা বাদ দিতে হবে...চাইলেও এখানে মহা চোর হওয়ার সুযোগ থাকেনা এইজন্য যে ...সাবেক বিটিটিবির টোটাল বাজেটই রোডসএন্ড হাইওয়েজের একজন মাত্র এক্সিকিউটিভ ইঞ্জি. এর বাজেটের সমান থাকে
আর হাস্যকর বিষয়টা হচ্ছে ...যাদের পরিচিত বলছেন তারা কি ২০০১ থেক ২০০৮ এর আগে ছিলনা....তবে এ পিরিয়ড বাদ দিয়ে একটা কাল্পনিক টাইম ফ্রেম আটবছর কেনো ধরা হচ্ছে....
রাজন সান বলেছেন:
বিটিটিবি-তে একটা লাইন পেতে ১০ বছর হাঁটাহাঁটি করে আবেদনকারী ওপারে চলে গেছে, এমন গাদাগাদা নজীর আছে। এই গতমাসেও আমার খারাপ লাইনটা ঠিক করতে ওই জিনিষটা আবার দিতে হলো মিয়া সাহেবের পকেটে!!!!!!!!!!!!!!!!
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
আজছাবুল , তাহলে অবশ্যই বিটিটিবি বা বিটিসিএল বন্ধ করে দেয়া উচিৎ...
..শুধু শুধু দেশের এত এত সম্পদ আর জমি কেনো দখলে থাকবে তাদের ।
এটা সরকারকে বোঝানো উচিৎ।
পথিক!!!!!!! বলেছেন:
@রাজন সান মিয়া সাহেব মানে লাইনম্যান কে না দিয়ে আপনি একটু কষ্ট করে অফিসে গিয়ে বলে আসতেন ...দেখতেন অফিসাররা কিছূ করে কিনা
করলে তো ভালই
আর না করলে কি দরকার তখন ওমন লাইন ঘরে রাখার। তাই না
খালি অন্যর দোষ ধরি আমরা
আপনি যে দিলেন ..দিয়ে দিয়েই তো ...তাদের খারাপ করা হয়েছে
রাজন সান বলেছেন:
আপনি মনে হচ্ছে বাংলাদেশে বাস করেন না। এখানে কোন নীতিকথা খাটেনা, মনে হয় ভুলে গেছেন। ওদের অফিসের হেডসাহেব হলো আমার স্কুলবন্ধু। সে যথেষ্ট করেছে এবং বলে দিয়েছে। তারপরও দুইদিন ওটা ডেড হয়ে পড়েছিলো!!!! মই ভাড়া করে লাগানোর নাম করে হাতিয়েছে ভাইজান।
আছহাবুল ইয়ামিন বলেছেন:
পথিক ভাইয়ের এত লাগল কেন? কাছের কেউ আছে নাকি বিটিটিবি তে?আট বছর আগের তুলনায় বিটিটিবির সেবা এখন তুলনামূলকভাবে ভালো। তারপরও গত রোজার ঈদে কয়েকবার বলার পরও লাইন ঠিক না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত লাইনম্যানকে ঈদ বখশিশ দিয়ে লাইন স্হায়ীভাবে ঠিক করাতে হয়েছে (অভিযোগ করলে লাইনম্যান ঠিক করে দিয়ে যেতো, কিন্তু পরের দিনই আবার নষ্ট হয়ে যেতো)। যাহোক বিটিসিএল এর বর্তমান অবস্হা ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা যাওয়ার মতো। এখন অনেক বাসা বা অফিসেই আর আগের মতো টিএন্ডটি ফোনের জন্য বসে থাকে না। মোবাইল ফোন দিয়ে কাজ চালিয়ে নেয়। মোবাইল অপারেটরদের সাথে পাল্লা দিয়ে এন ডাব্লিউ ডি কলের চার্জ কমিয়ে ফ্ল্যাট রেট করছে। তারপরও এন ডাব্লিউ ডি কলের জন্য মোবাইল ফোনকেই মানুষ প্রাধান্য দেয়।
আমি বিটিটিবি বা বিটিসিএল দূর্ণীতি সত্যতা নিয়ে বলছি না। দূর্ণীতি দমন কমিশন মামলা করলে ধরে নেয়া যায় কিছুটা প্রমাণ তাদের হাতে আছে। নাহলে কোর্টে তার সত্য-মিথ্য প্রমাণ হবে। আমি বলতে চেয়েছি বিটিটিবির মনোপলির যুগ এখন শেষ। ভিওআইপি উন্মুক্ত হলে বৈদেশিক কল থেকে আয়ের একচ্ছত্র অধিকারটিও হারাবে। মুক্তবাজার অর্থনীতিতে সরকারী-বেসরকারী, দেশী-বিদেশী এসব মানুষ দেখে না। মার্কেটে টিকে থাকতে হলে প্রতিযোগীতামূলক সেবা দিয়েই টিকে থাকতে হবে। নয়ত "লাভজনক প্রতিষ্ঠান" কথাটা আর বেশীদিন থাকবে না।
অকৃতকার্য বলেছেন:
আমার কম কলরেট দরকার। কম সময়ে/কম ঝামেলায় কানেকশন দরকার। মোবাইল/বেসরকারী ল্যান্ডফোন ব্যবহার করছি। তাই বলে কি সরকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে? বেসরকারী কোম্পানীগুলোতো কলরেটের রাজস্ব দিচ্ছে।ভিওআইপি এর মাধ্যমে হাজার কোটি টাকা রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে বিটিটিবি, কিন্তু অনেকেই মনে করেন ভিওআইপি থাকা উচিত উম্মুক্ত। বিটিটিবি লোভ করে এটা দখলে রাখছে। উন্মুক্ত হলে প্রতিযোগিতায় টিকার যোগ্যতা তাদের নাই।
আর, বিটিটিবির কর্মকর্তাদের যোগসাযশ ছাড়া মোবাইল কোম্পানীগুলো ভিওআইপি চালিয়েছে, এমন যদি বলতে চান তাহলে বুঝতে হবে কোন বিশেষ স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্য এই বক্তব্য।
পথচারী বলেছেন:
সবচেয়ে বড় ট্রাজেডি হলো সেটাই....এমন কোন গ্রাহক নেই বিটিটিবি বা বিটিসিএল এর যে কিনা দুর্ভোগ পোহাই নি ল্যান্ড ফোন ব্যবহারেরর কারনে।
এজন্য সত্যি কোন পাবলিক সাপোর্ট ই নেই এই প্রতিষ্ঠানটির।
আর সে কারনেই এই প্রতিষ্ঠান টির ধ্বংস অনিবার্য হয়ে ওঠে। ...
তাই মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন আর...
তবে একটা কথা ..আমরা বাংগালীরা অনেক পরে বুঝি.....যখন আর সময় থাকে না। ...
বাবুয়া বলেছেন:
বাংলাদেশে দুইজন "ম্যান" আছেন। একজন বি টি টি বি'র চেয়ারম্যান অন্য জন তাদের "লাইন ম্যান"! বিটিটিবি'র টেলিফোন আছে অথচ "লাইন ম্যান"র অপরিসীম ক্ষমতা দ্বারা হয়রানী হননি এমন গ্রাহক খুঁজে পাওয়া মুশকিল।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















