somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

প্রদীপ হালদার
আমি জাতিস্মর। সপ্তমবার মানব জন্ম। অষ্টমবার মানব জন্ম নিয়ে আবার পৃথিবীর বুকে ফিরবো। সীতারাম নন্দী(১ম), কৃষ্ণকান্ত নন্দী(২য়),কাশিমবাজার রাজা কৃষ্ণনাথ রায়(৩য়),বিজয়কৃষ্ণদুলাল পাল(৪র্থ),হরিদাস মুখার্জী(৫ম),রমেশ সাহা(৬ষ্ঠ),প্রদীপ হালদার(৭ম)।

থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম(Thermodynamics System) মানুষের মৃত্যুর পরের অস্তিস্ব প্রমাণে কতটা কার্যকরী ?

১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ১১:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভূত ছিল । আছে । থাকবে । তবে অনন্তকাল ধরে থাকবে না । ভূত হয়ে থাকার একটা সময় আছে ।
ভূত আসলে এনার্জি(energy) । বাতাস কে মাস(mass) বা ভর করে নিয়ে এনার্জি , যেটি মানুষের শরীর থেকে বের হল ,সেটি সেই মানুষের আকার নিয়ে নেয় ।
থার্মোডিনামিক্সের মাধ্যমে ভূতকে প্রমাণ করা কঠিন । মানুষের শরীর ওপেন থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম । হিট ইঞ্জিন । টেম্পেরেচার কনোষ্ট্যান্ট । প্রেসার কম হলে , ভলিউম বাড়বে । আইসোথারমাল প্রসেস । এনার্জির , মাস(mass) বা ভরের আদান প্রদান আছে । হিট ইঞ্জিনে সোর্স এবং সিঙ্ক থাকে । এনার্জি ঢুকলে এনট্রপি বাড়ে , সেজন্য এনার্জি বের হলে শরীরে এনট্রপি কমে ।
থার্মোডিনামিক্স বলছে পার্পেচুয়াল মোশান মেশিন বানানো সম্ভব নয় । আবার বিজ্ঞান বলছে থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম ধ্বংস করা যায় না ।
ওপেন থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম বিভিন্ন রকমের এনার্জি নিয়ে কাজ করছে ।
আসলে বিজ্ঞান বলতে পারে নি , ওপেন থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম বন্ধ কিভাবে হয় , হলে কি হয় ?
ভূতের শরীরের বর্ণনা প্রসঙ্গে বলি - ভূত দেখতে পায় এবং কথা শুনতে পায় , কথা বলতে পারে । ভূত ভূতকে দেখতে পায় এবং নিজেদের মধ্যে কথা বলতে পারে ।
ভূত উড়তে পারে । বেশীরভাগ সময় গাছের ওপর থাকে । এরা গাছ বেয়ে বেয়ে ওঠে না । বাতাসের মধ্যে থেকে সোজাসুজিভাবে ওপরে ওঠে ।
যত ওপরে থাকবে , তত বেশী পোটেনশিয়াল এনার্জি তার মধ্যে থাকবে । তারপর এই পোটেনশিয়াল এনার্জি রূপান্তরিত হয় কাইনেটিক এনার্জিতে এবং চলাফেরা করে।
ভূতের শরীরে এনার্জি ঢুকতে পারে , তবে মাস(mass) বা ভর ঢুকবে না । তাহলে ভূতের শরীর ওপেন থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম নয় । বরং ক্লোজড থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম হতে পারে।
বিজ্ঞান বলে - ফিজিক্যাল ডেথ আগে , তারপর মেণ্টাল ডেথ । এটাকে আমি একশ ভাগ সমর্থন করি ।
মানুষ শিশু থেকে বড় হয় । ভলিউম ধীরে ধীরে বাড়ে - আইসোথার্মাল প্রসেস । কিন্তু মানুষের মৃত্যুর পর বাতাসের মধ্যে মানুষের অবিকল আকার হতে সময় লাগবে এক মিনিট - সুতরাং এটি তখন আডিবেটিক প্রসেস(adiabatic process) হতে পারে ।
আমরা জানি শব্দ এবং ছবি ইলেকট্রোম্যাগ্নেটিক এনার্জির মাধ্যমে দূরে পাঠানো সম্ভব,শব্দ এবং ছবি অর্ডার ফর্মে থাকবে ।
মানুষের মৃত্যুর পরে মেমরিতে যে শব্দ এবং ছবি আছে, সেগুলি অর্ডার ফর্মে ইলেক্ট্রোম্যাগ্নেটিক ওয়েভ এনার্জির মাধ্যমে বের হয়ে বাতাসের মধ্যে একই আকার করে নেবে ।
মানুষ অবস্থায় আমরা ঘুমিয়ে পড়লে স্বপ্ন দেখি । এখন পর্যন্ত ব্রেনে চার রকমের ওয়েভ দেখা গেছে- আলফা , বিটা , থিটা , ডেল্টা ।
ভূত কিন্তু স্বপ্ন দেখে না । মানুষের মতো ভূতেরও ঘুম আছে । তবে ক্ষুধা, তৃষ্ণা নেই।
ভূতের শরীরে যে বিভিন্ন রে(ray) কাজ করে , সেটা ভূত দেখতে পায় ।
ভূত গাছের ওপর থাকে । বৃষ্টির সময় , জল ভূতের শরীর ভেদ করে । কিন্তু শরীরের আকারের কোন পরিবর্তন হয় না ।
ওপেন থার্মোডিনামিক্স সিস্টেমে ভলিয়ম নির্দিষ্ট থাকে অর্থাৎ কন্ট্রোল ভলিউম ।
ভূত তার আকার অর্থাৎ ভলিউম পরিবর্তন করতে পারলে -সেটা হবে কন্ট্রোল মাস(control mass) অর্থাৎ ক্লোজড থার্মোডিনামিক্স সিস্টেম ।
বিজ্ঞান বলছে - সাম্য আবস্থায় থাকলে কোন বস্তু কাজ করতে পারে না ।
ইকুইলিব্রিয়াম অবস্থায় থাকলে কেউ কাজ করতে পারে না । নন ইকুইলিব্রিয়াম অবস্থায় থাকলে যে কেউ কাজ করতে পারে । সিস্টেম এবং এনভিরনমেন্টের মধ্যে প্রেসার এর তফাৎ থাকলে কাজের ট্রান্সফার হয় , টেমপেরেচার এর তফাৎ থাকলে হিট ট্রান্সফার হয় , কনসেনট্রেশান গ্রেডিয়েণ্ট থাকলে মাস(mass) বা ভর ট্রান্সফার হয় ।
কেমিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম হলে মাস বা ভরের ট্রান্সফার হয় (ডিফুসান ) ।
মেকানিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম হলে কাজের ট্রান্সফার হয় । (আনব্যালেন্সড ফোর্স), গ্রেডিয়েণ্ট প্রেসার ।
থার্মাল নন ইকুইলিব্রিয়াম হলে হিট ট্রান্সফার হয় । (টেমপেরেচারগ্রেডিয়েণ্ট ) ।
জীবিত অবস্থায় মানুষের শরীর - কেমিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম , মেকানিক্যাল নন ইকুইলিব্রিয়াম এবং থার্মাল নন ইকুইলিব্রিয়াম । সেজন্য মানুষের শরীর এবং এনভাইরনমেণ্টের মধ্যে মাস বা ভরের ট্রান্সফার হয় , কাজের ট্রান্সফার হয় এবং হিটের ট্রান্সফার হয় । মানুষের শরীর ইকুইলিব্রিয়াম অবস্থায় গেলে , এই শরীর আর কোন কাজ করবে না ।
ইকুইলিব্রিয়াম অবস্থায় থাকলে , কোন সিস্টেমকে রেগুলেট করা যাবে না , কিংবা তাকে দিয়ে আর কাজ করানো যাবে না । সেজন্য মানুষের মৃত্যু হওয়ার অর্থ হলো- মৃত্যুর পর শরীর আর এনার্জি গ্রহণ বা ত্যাগ করতে পারে না ।
মানুষ মারা গেলো , তাহলে এনার্জি কোথায় গেলো ?
জীবিত অবস্থায় মানুষ ওপেন থার্মোডিনামিক্স নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে থাকে । মানুষের মৃত্যুর অর্থ মানুষের শরীর ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে চলে যায় ।
নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে থাকার অর্থ হলো - এই অবস্থায় সিস্টেম কাজ করতে পারে ।
তাহলে ভূত কাজ করতে পারে অর্থাৎ নন ইকুইলিব্রিয়াম ষ্টেটে থাকে ।
মানুষের শরীরে খাদ্যের মাধ্যমে এনার্জি সাপলাই(supply) হয় । একটা সোর্স এবং একটা সিঙ্ক থাকে , হাই থেকে লো-এর দিকে এনার্জি ফ্লো করে - এটাই হিট ইঞ্জিন ।
লো থেকে হাই-এর দিকে এনার্জি ফ্লো করলে -সেটা কোল্ড ইঞ্জিন । মানুষ গাইড করে এই ধরনের ইঞ্জিন বানায় ।

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে অক্টোবর, ২০১২ দুপুর ১২:৫১
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×