প্রত্যেক প্রাণীই নির্দিষ্ট জ্ঞান নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। তারপর সেই জ্ঞানের বিকশিত ঘটে। বাস্তব পৃথিবীতে এসে নতুন করে কোন জ্ঞান লাভ করে না। যে যেমন জ্ঞান নিয়ে এসেছে,তার সেই জ্ঞানের বিকাশ ঘটে। কেউ ডাক্তার হচ্ছে। তার অর্থ হলো তার ভেতর আগে থেকে ডাক্তার জ্ঞান আছে। এবার বই তাকে বিকশিত করছে। যদি আগে থেকে তার মধ্যে ডাক্তার জ্ঞান না থাকতো তাহলে ডাক্তার শাস্ত্রের বই তাকে ডাক্তার জ্ঞানে বিকশিত করতে পারবে না। এই পৃথিবীতে কত রকমের বই আছে। তাহলে সবাই বই পড়ে জ্ঞান লাভ করতে পারতো। বাস্তবে তা কিন্তু হয় না। যার মধ্যে যেমন জ্ঞান আছে , সেই জ্ঞান বিকশিত হয় সেই ধরণের বই-এর সাহায্যে।
যারা বলে ভূত বলে কিছু নেই,আসলে তাদের মধ্যে আগে থেকে ঐ জ্ঞান আছে। তাদের মধ্যে আর অন্য কোন জ্ঞান ঢুকবে না। আবার যারা বলছে ভূত আছে, তাদের মাথায় আগে থেকে ঐ জ্ঞান ঢোকানো আছে।
বিভিন্ন জ্ঞান বিকাশের জন্য যাবতীয় বিষয় পৃথিবীতে রয়েছে। একই বাড়ীতে ভাই বোন ঝগড়া করছে। আবার কোন বাড়ীতে বাবার কথা মেয়ে শুনছে না। অথচ সবাই পড়াশোনা করেছে। আসলে মেয়ের মাথায় আগে থেকেই জ্ঞান আছে। এখানে সেই জ্ঞানের বিকাশ ঘটবে। এখানে বই-এর জ্ঞান বা বাবার জ্ঞান মেয়ের মাথায় ঢুকবে না।
আসলে আমরা কে কি করতে পারবো,কতদূর যাবো সব আগে থেকে নির্দিষ্ট। একে পরিবর্তন করার ক্ষমতা কারোর নেই।
উদাহরণ- আমি একটি মোটর সাইকেল কিনলাম। পেট্রোল পাম্পে গিয়ে ডিজেল কিনে ভরলাম। কিন্তু গাড়ী আর চলে না। আসলে আগে থেকেই ঠিক আছে পেট্রোল দিলে চলবে। তাহলে পেট্রোল যতক্ষণ পাওয়া যাবে না ততক্ষণ মোটর সাইকেল চলবে না।
তাই আমরা কেউ নতুন করে জ্ঞান অর্জন করি না। সবার পথ নির্দিষ্ট। পরিবর্তন করা যায় না। তাই কেউ যখন খারাপ কথা বলে,তখন বুঝতে হবে, তার দোষ নয়, আসলে আগে থেকে তার মধ্যে খারাপ কথা বলার জ্ঞান ঢোকানো আছে। এরপর সময় এবং সেই ধরণের সংস্পর্শে এসে তার খারাপ কথা বলা জ্ঞানের বিকাশ ঘটলো।
আমি বলেছি ভূত আছে। প্রমাণ করা যাবে। সময় এবং সেই বিষয়ের সংস্পর্শে এলে আমার জ্ঞানের বিকাশ ঘটবে। এখন অপেক্ষা করা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

