আমার প্রিয় পোস্ট
- ♫(Lyrics)লিরিক দেখুন ♪♪আপনার উন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ারে - হামিদ পায়োনিয়ার
- ইউনিকোড থেকে বিজয়ে কনভার্টার চাই ।। হেল্প প্লিজ ! - আমার বাংলা ২০১০
- ১০০০০০ ই-বইয়ের ভুবনে স্বাগতম
- ইন্ঞ্জিনিয়ার
- মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যুকে প্রত্যাখ্যান করলাম - কৌশিক
- প্রয়োজনীয় কিছু web address - আবদুল মুনয়েম সৈকত
- নেটের সর্বশ্রেষ্ঠ ফ্রি মুভি ডাউনলোড সাইট
- বিডি আইডল
- আমার দেখা ভালোলাগা কিছু চলচিত্র - মে ঘ দূ ত
- ভালো লাগা প্রিয় কবিতারা-৫০ (যা চেয়েছি, যা পাবো না --সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ) - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- ছড়াংবিতা - ১৯৭১স্বাধীনতা
- প্রিয় ব্লগারের প্রিয় লেখাঃ বাংলা বর্ণমালা শিক্ষা - বড়বেলা [হাসিব] - পাগল@মন
- বাঙ্গালী নেটে কি করে (১৮+ পোস্ট)
- নাফিস ইফতেখার
- শব্দ-রাজ্যে অভিযান (১): Sadist ! - ম্যাভেরিক
- ফটোগ্রাফির দ্বিতীয় পাঠ - ফয়সাল আকরাম
- ভার্চুয়াল চরিত্র থেকে বাস্তবের মানুষটি কতোটা দূরে থাকেন? - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- ডিজুস প্রভাবিত ডিজিটাল প্রজন্মের প্রতিনিধি হওয়ার প্রেক্ষিতে, আচানক analogue যুগীয় দুর্ভাবনা.. - হিমালয়৭৭৭
- ব্লগারদের মতামতের ভিত্তিতে ভালবাসার লাইভ এবং বাস্তব ধর্মি গবেষনা। (০৩) - শব্দ০০৭
- ভালোবাসার কথা কে আগে বলে ছেলেরা নাকি মেয়েরা? - মাইমুনা
- যদি ফেসবুক সহ আরো সাইট ব্যান হয়, তাহলে কী করবেন? - ত্রিভুজ
- কিছু Technological প্রতিষ্ঠানের নামকরনের ইতিহাস ও উৎপত্তি (১ম পর্ব) - নাফিস ইফতেখার
- রোদ্দুরের গল্প - ভাঙ্গা পেন্সিল
- ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষণ জরীপ - দ্রুত অংশ নিন - রোবোট
- মদীনার জনবসতীর ইতিহাস ও নরপতি তুব্বা । - েশখসাদী
- এই লেখাটি আপনাদের নজরে না এনে পারলাম না!!কেউ কি একবার জিজ্ঞেস করেছেন ১৬৮ আর্মি আর তাদের পরিবার কোথায় গেল?? - ড়ৎশড়
- রিভিউ: এ্যাকাডেমী এ্যাওয়ার্ড ২০০৯ (অস্কার) - নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী
- গল্প : ধর্ষক এবং রক্তের গন্ধ - রিজওয়ানুল ইসলাম রুদ্র
- মারফিসূত্র বা Murphy's Laws (রিপোস্ট) - খলিল মাহমুদ
- নতুন ডিজিটাল ক্যামেরা মালিকের প্রথম ছয়টি ভুল - হাসান বিপুল
- Chat ডিকশনারি - স্ল্যাং ও অর্থসহ (একটি সম্পূর্ণ আজাইড়া পোস্ট) (১৮+ পোস্ট) - নাফিস ইফতেখার
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
- পরিণত মোহ কিংবা অপরিণত ভালোবাসা ( শেষ পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- একটি টেকি সায়েন্স ফিকশন গল্প: কালা কোডেক... - নোবেলজয়ী
- অতলান্তিক পাড়ে ১- স্যামনের মুড়ো - তনুজা
- নবীনদের জন্য - নাদান
- প্রেম - কত প্রকার ও কি কি - সবিস্তারে বর্ননা (১৮+ পোস্ট) ♥♂♀ - নাফিস ইফতেখার
- টিউটোরিয়াল - কেমনে হইবেন পেশাদার ব্লগীয় লুল
- নাফিস ইফতেখার
- আপনি কয়টা স্কুলে পড়েছেন? - ইমির
- এক নজরে ৬৬তম গোল্ডেন গ্লোব উইনার লিস্ট ২০০৯ - নতুন পৃথিবী
- পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা ( এয়োদশ পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- ট্যালেন্ট শো এর নামে ছ্যাবলামি - নাফিস ইফতেখার
- পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা (দ্বাদশ পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- পরিনত মোহ কিংবা অপরিনত ভালোবাসা (একাদশ পর্ব) - একরামুল হক শামীম
- ঠিক বলেছ..... (অর্ণব) - নিবিড় অভ্র
- Yahoo! Messenger এ বাংলায় Chat করুন... - মৃত হাসানের প্রেতাত্মা
- আজ আপনার বয়স কত? সহজেই নির্ণয় করুন। - আদনান শামীম
- টাইম ম্যাগাজিনের টপ টেন মুভিস অব ২০০৮ - দারাশিকো
- মনোগ্যামির ভুত - সুমন রহমান
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল
কিস্তি -১ - চোরকাঁটা
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল কিস্তি ২ - চোরকাঁটা
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল
কিস্তি -৩ - চোরকাঁটা
- ব্লগের বর্ষসেরা পোস্ট- চোরকাঁটা ইশ্টাইল
শেষ কিস্তি (আপাততো)
- চোরকাঁটা
- কেন কিনবেন বই যখন ফ্রী পাচ্ছেন? - তামিম
- মেয়ে নিক, রাজাকার আর ধর্ম বিষয়ক - পদ্ম পুকুর
- "দুর্গাপূজা" - ণগেন হরিখটকা
- বাংলা ব্যাকরণ বইতে রবি চৌধুরী ও ডলি সায়ন্তনীর প্রেম
- নাফিস ইফতেখার
- জেনে নিন - মোবাইল ফোনে আপনি কতটুকু আসক্ত? - একজন ব্লগার
- কিছু দেশের গান - একলা একজন
- এই লেখাটি বোদ্ধা পাঠকের জন্য নয় - নাজনীন খলিল
- ইংলিশ গানের ভক্তদের বলছি......(সঙ্গত কারনে রি-পোস্ট) - মাজেদুল ইসলাম
গল্পকারের গল্পকথা......
০১ লা জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
ইয়েস্তেন গার্ডার এর ‘সোফি’স ভারডেন’ পরেছেন নিশ্চয়ই। যেখানে সোফি একসময় আবিষ্কার করে সে নিজেই একজনের গল্পের চরিত্র। কেউ একজন তার মেয়ের জন্য একটি গল্প লিখছেন। আর সেই গল্পটিরই চরিত্র সোফি। বইটা পড়ে বেশ আলোড়িত হয়েছিলাম। কে জানে! আমরাও হয়তো কারও গল্পের চরিত্র। জীবন ভাবছি যেটাকে, সেটা কারো আরোপ করা, কারো পরিকল্পনা মাফিক সাজানো। এই যে আমি প্রজ্ঞা তাসনুভা রূবাইয়াৎ, আমিও একটা ‘ক্যারেক্টার’, হয়তো আমাকে নিয়েই কেউ গল্প লিখছে, কিংবা অন্য কাঊকে নিয়ে লেখা গল্পের প্রয়োজনীয় চরিত্র আমি। ... আমাদের ভাবনা, চিন্তা, স্বপ্ন, আনন্দ-বেদনা-দুঃখ-সুখ-হাসি-কান্না সব কিছুই গল্পকার এর চিন্তা। সে ই ইচ্ছেমতো ঘটনার জাল বুনছে, আবার সেই একেক্টা ঘটনায় একেকটা চরিত্রকে যুক্ত করছে।
হতেই পারে... আমি অন্তত এভাবে ভাবতে ভালোবাসি। জীবনটাকে অনেক বড় মনে হয়। অনেক রহস্যের মনে হয়। কী হবে সামনে ভাবতে থাকি!...অপেক্ষা করি পরের দৃশ্যের...। গল্পকারের সাথে একটা অদৃশ্য ভিন্ন মাত্রিক যোগাযোগ এর চেষ্টা করি। ... তাকে অনুভব করার চেষ্টা করি।...আর মনে মনে ভাবতে থাকি, এবার এই দৃশ্যটা হোক, আমাকে নিয়ে এভাবে সে গল্পটা সাজাক, ওভাবে ঘটনাগুলোর সংযোগ ঘটাক। গল্পকারই হয়তো আমাকে এভাবে ভাবায়!
গল্পকার আমার চরিত্রটাকে অনেক ঘটনাবহুলতায় সাজিয়েছেন। অনেক অনেক চরিত্রের সাথে আমার সংযোগ ঘটিয়েছেন। নিজেকে ‘ডিফারেন্ট’ ভেবে নিতে লিখেছেন। মিল্টন ভাই যেমনটা বলে, ‘তুই অনেক কিছুই করবি, কিন্তু কোনোদিন ‘সাধারণ’ হতে পারবিনা, আর জীবনে না পারার তালিকায় এইটাই তোর সবচেয়ে বড় ‘না পারা’ হবে’।
কথাটা হয়তো সত্যি। ......
নিজেকে গল্পকারের একজন ‘এক্সপেরিমেন্টাল’ চরিত্র ভাবতে থাকি!... আমাকে নিয়ে সে প্রতিটা দৃশ্যে, প্রতিটা পর্বে দারুণভাবে এক্সপেরিমেন্ট করছে। চারিদিকে খুঁজে বেড়াতে থাকি আরো সব ‘এক্সপেরিমেন্টাল’ চরিত্রদের। গল্পকারই একটা সময় কারো কারো কাছে নিয়ে যায়। তার সাথে সখ্য গড়ে তুলি। ভাবতে থাকি আমাদের মত এই পরীক্ষনমূলক চরিত্রগুলোর পরিণতি কি??......গল্পের শেষে কোনো ক্লাইম্যাক্স এ কি আমাদের কেউ প্রধানতম চরিত্র হয়ে যাবো??
যে কথাটা একজনকে বলছি তাকে কেন বলছি?...যেই আচরণটা করছি তা কেন করছি?...যে মানুষটার সাথে মিশছি তাও বা কেন??...যাকে ভালোবাসছি তাকে কেন ভালোবাসছি??...কেন আমি এই বাংলাদেশে, এই ঢাকায় একটা মধ্যবিত্ত পরিবারের বড় সন্তান হয়ে জন্মেছি?...এই আমারই আবার কেন বাবা’র সাথে দিনের পর দিন কথা হয় না নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া?...কেন আমি আমার মা’র যথেষ্ট প্রগতিশীল চিন্তা সত্ত্বেও তার ‘গোড়াপন্থী’ দিকটাকে বেসিক বলে না মেনে পারিনা?...কেন আমার ভাইয়ের সাথে আমার যোগাযোগটা নিরব দুরত্বের দিকে যেতে থাকে আর আমি সিপিইউ এর গায়ে দু’জনের নাম পাশাপাশি লিখে ভাবতে ভালোবাসি আমরা ভাই-বোন এখানে তো একসাথে!......
কিংবা আশেপাশের সব মানুষগুলো...যাদের বন্ধু বলি তারা......অনিক...সবাই...ওদের সাথে সম্পর্কগুলো, কিংবা নিতান্তই যারা পথ চলতে গিয়ে পরিচিত, কাজের সূত্রে ঘনিষ্ঠ, তাদের সাথে সম্পর্ক কোন উপসংহারের অপেক্ষায়?.....কিংবা এই আমিই কেন জীবনটাকে দেখছি একটা ‘এক্সপেরিয়েন্স’ হিসেবে যেখানে আমি ছুঁয়ে যেতে চাই জীবনের সব ক্ষেত্র!...ছবি আঁকছি, লেখালেখি করছি, ফটোগ্রাফি করছি, এটা-সেটা কাজ করছি...অনেক কিছুই করছি...গল্পকার আমাকে তিন বছর কোচিং এ কাজ করিয়েছে, দুই মাস অনিমেষ আইচ এর অ্যাসিস্ট্যান্ট কামলা হিসেবে কাজ করিয়েছে, এখন ক্যানভাস পত্রিকায় ‘কন্ট্রিবিউটর রিপোর্টার’ হিসেবে কাজ করাচ্ছে। সামনে প্রাচ্যনাটে গ্রুপ এ কাজ করাবে নাকি জানিনা। গল্পকার আমাকে তিন/চারটা টিউশনি করিয়েছেন। একটা চলছে। আগের চারটার তিনটাই শেষ হয়েছে খুব বাজে ভাবে!...একপ্রকার হঠাত করে ছেড়ে দেয়ার ঘটনা বলা যেতে পারে!...এবারেরটা কি করবে সে জানিনা!...
গল্পকারের কি খেয়ালে জানিনা, আমি সায়েন্স পেয়েও কমার্স এ পড়েছি, কমার্স থেকে ইণ্টারে আবার আর্টস এ এসেছি। ক্লাস সিক্স-সেভেন এ পড়ার সময় থেকে বাবা’র মত ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়বো, ‘বাপকা বেটি’ হবো চিন্তা করতে করতে ঢাকা ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি পরীক্ষার তিন দিন আগে সিদ্ধান্ত নিলাম ইংরেজি সাহিত্য না, আমি মনোবিজ্ঞান এ পড়বো! সবাইকে শকড্ করে আমি মনোবিজ্ঞানেই ভর্তি হলাম। এখন আবার সেই মনোবিজ্ঞান নিয়েই পড়াশোনায় গল্পকার আমাকে নিরুৎসাহিত করছেন। প্রথম বর্ষের ফার্স্ট গার্ল আমি সেকন্ড ইয়ারে হয়ে গেছি ‘গোনার বাইরে’। গল্পকারের কি উদ্দেশ্য, কে জানে!
যেই আমাকে সে একসময় ভাবিয়েছে ভালোবাসা-প্রেম এগুলো’র জাগতিক রূপ এর কোনো মূল্য নেই। প্রেম বলতেই সেটা কমিটমেন্ট হবে, ডেটিং হবে, এটা-সেটা খুন-সুটি হবে, জৈবিক চাহিদা থাকবে তা নয়। প্রেম অনেক বড় জিনিস। প্রেম একটা মহান ধর্মের মত পবিত্র। ভালোবাসা মানেই একজন আরেকজনকে চাওয়া-পাওয়ার হিসাব কষা নয়। ভালোবাসা একটা তপস্যা। ভালোবাসায় পাওয়ার কোনো চাহিদা থকবেনা। যাকে ভালোবাসি তার জন্য সব করবো, জীবন দিয়ে দিতে পারবো এরকম যদি মনের ভাব হয়, তবেই সেটা ভালোবাসা। প্রেম বলতেই আমি কারো সাথে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখবোনা। প্রেম হবে দুইটা আত্মার সমক্রিয়ায়। আমি কাউকে ভালোবাসবো, সেও আমায় ভালোবাসবে। এই ভালোবাসায় কোনো নিয়ম বাধা থাকবেনা। ...... বৈষয়িকতার উর্ধ্বে থাকবে সেই সম্পর্ক।
সেই আমাকেই গল্পকার একটা সময় টিপিকাল ভালোবাসার চাহিদায় বন্দী করেছেন। কোনো একজনের দলীয় নাট্যচর্চার প্রধান নায়িকা হয়েছি আমি। আমার মুখ থেকে সে কৌশলে বের করে নিয়েছে ‘ I LOVE YOU’… তারপর বন্ধুমহলে খুব গর্ব করে বলেছে, ‘মেয়েটারে তো পটায় ফেললাম।‘... আমি পরে জেনেছি এসবের পেছনে যাদের অনেক ভালো বন্ধু ভাবতাম তারাও ছিলো! ... প্রায় দেড় বছর নিজের সাথে যুদ্ধ করতে করতে এক্সময় ওই নাটক থেকে নিজেকে বের করে আনতে পেরেছি, কিন্তু যুদ্ধে বিধস্ত হয়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলেছি।
গল্পকার আমার জীবনের আবহকে ওখান থেকে পাল্টাতে শুরু করেছেন। নিজেকে খুঁজে পাওয়ার জন্য দিক-বিদিক-জ্ঞানশূন্য হয়ে এদিক ওদিক ঘুরেছি। যখন হতাশ হয়ে গেছি, তখন গল্পকার আমাকে পরিচয় করিয়েছেন অনিক এর সাথে। ওর মত বন্ধু পেয়ে একটু একটু করে পথ চলতে চলতে নিজেকে আবার পেয়ে গেছি।
গল্পকার আবার আমাকে ভালোবাসিয়েছেন। তবে এবার সেই নিয়মহীন ভালোবাসা। গল্পকার আমাকে আগে কল্পনা করাতেন আমার একটা বন্ধু হবে সে এমন হবে, ওমন হবে...এই...সেই...অনিকের মাঝে তিনি সেই বিষয়গুলোর উপস্থিতি দেখিয়েছেন। আর আমি ভেবেছি গল্পকার তবে আমায় নিয়ে কেবল না’বোধক এক্সপেরিমেন্ট করেন না !
গল্প চলছে এভাবে। প্রতিদিন এটা সেটা করছি। গল্পকার আমায় দিয়ে অনেক কিছু করাচ্ছেন, অনেক কিছুর এক্সপেরিয়েন্স দিচ্ছেন। ... আমাকে তিনি গল্প শেষে কোথায় দাঁড় করাবেন জানিনা।...গল্প চলতে থাকবে। নতুন নতুন ঘটনা ঘটবে। একটার জন্য আরেকটা প্রভাবিত হবে, আর আমি ভাবতে বসি বাটারফ্লাই ইফেক্ট এর কথা, এমন যদি হতো তবে কেমন হতো!...গল্পকারকে বলি ঘটনাটা নতুন করে লিখতে...গল্পকার উত্তর দেয়না। অমোচনীয় কালিতে সে গল্প লেখে ভেবে নিয়ে তার জন্য দুঃখিত হই...।
আর ভাবি, পরেরবার হয়তো গল্পকার অনেক ভেবে চিন্তে কোনো একটা ঘটনা লিখবে যাতে পরে আমাকে আর ভাবতে না হয় দৃশ্যটা অন্যরকম হতেই পারতো!
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
দেবার্নব রায় বলেছেন:
ভালোবাসা নিয়ে আপনার ভাবনাটা ভালো লাগলো না.........টিপিক্যাল মেয়েমানুষী ভাবনা......আপনি যে বললেন, জৈবিক চাহিদা থাকবে না...এখানে আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করি, আপনি কখনো একটা মেয়েকে ভালোবাসতে পারবেন, বা এই জিনিসটাকে সমর্থন করেন? আমার ধারনা করেননা। কেন করেননা? কারন শরীর। একটা মেয়ে একটা মেয়ের প্রতি যেমন আকৃষ্ট হয়না, একটা ছেলে একটা ছেলের প্রতি যেমন আকৃষ্ট হয়না বিপরীত ভাবে একটা ছেলে একটা মেয়ের প্রতি যেমন আকৃষ্ট হয় তার কারণ হচ্ছে শরীর। এজন্য শরীর ছাড়া কখনো প্রেম হয়না।প্রেমকে আপনি যতই স্বর্গীয়, শরীবিহীন দেখাতে বা দেখতে চান at the end of the day, that's the point.
লেখক বলেছেন: সেইটা তো আমিও জানি। কিন্তু আমি ওই ভাবনাটায় নিজেকে সম্পৃক্ত করতে পারিনি। শারীরিক প্রেম হতেই পারে। খুব স্বাভাবিক। কিন্তু আমি প্রেম কে যেভাবে দেখেছি তাতে সেটা খুব গৌণ।
লেখক বলেছেন: আর টিপিকাল মেয়েমানুষি ভাবনা মনে হয় বলা যায়না এটাকে। তাহলে তো আশেপাশের সব মেয়েকেই এভাবে ভাবতে দেখতাম। সবাই তো আলাদা নয়। হয়তো চারদিকের ১০০ মেয়ের মধ্য থেকে ৫/১০ জন আলাদা হবে। বাকিরা কিন্তু টাইপড। আর তাদেরকে টিপিকাল বলে।......
দেবার্নব রায় বলেছেন:
দুখিত মানতে পারলাম না বলে......আপনি কি যুক্তি দিতে পারবেন?
লেখক বলেছেন: এগুলা নিয়ে তর্ক না কইরে আসেন আমরা এই শীতকালে আইস্ক্রিম খাই...![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
আর ভাবি, পরেরবার হয়তো গল্পকার অনেক ভেবে চিন্তে কোনো একটা ঘটনা লিখবে যাতে পরে আমাকে আর ভাবতে না হয় দৃশ্যটা অন্যরকম হতেই পারতো!এই লাইনটা না থাকলে অপূর্ণ হতো। এজন্যেই এই লেখার অব্যক্তিক চেহারা হয়ে গেছে। আমার খুবই ভালো লাগলো লেখাটা।
লেখক বলেছেন:
...ধন্যবাদ
দেবার্নব রায় বলেছেন:
আমি কিন্তু মেয়েদের কে এভাবেই ভাবতে দেখেছি বেশি, যে কারনে আমি বলেছি টিপিক্যাল, হয়তো আপনি নিজেকে অনেক আলাদা ভাবেন, আমিও দেখলাম আপনি অনেক আলাদা, কিন্তু এই একটা জায়গায় টাইপড মনে হয়েছে, তাইতো মন্তব্যটা করলাম......প্রেম ও ভালোবাসার ব্যাপারে আমার অভিজ্ঞতাও খুব ভালো না......কিন্তু সেই অভিজ্ঞতা থেকেই আপনার ভাবনাটাকে চ্যালেঞ্জ করলাম।
লেখক বলেছেন: আমি দেখেছি বেশির ভাগ মেয়েরকেই স্বপ্ন দেখতে ঘর-সংসার নিয়ে। যতই ক্যারিয়ারিস্ট হোক, কিংবা না হোক। ... প্রেম বলতে নরমালি যে সম্পর্ক্টা হয়, সেইটা তো আসলে এক প্রকার কমিটমেন্ট এর জায়গায় নিজেকে বেধে নেয়া। এইটা টিপিকাল...
আমি ঐ কমিটমেন্ট এর জায়গাটা থেকে প্রেম কে দেখিনা।
আর জৈবিক চাহিদার কথা থাক্তেই হবে কেন? কত ধরণের প্রেম আছে, বাবা-মা-ভাই-বোন-বন্ধু এদের জন্য যে প্রেম, তা কি জৈবিক চাহিদা বহির্ভূত না? প্রকৃতি প্রেম, বিশ্ব প্রেম এরকম আর কত কত প্রেম আছে.........
তাহলে আমার প্রেম ও জ়ৈবিক প্রেষণা বাদ দিয়ে হতেই পারে...তাই না?.........
প্রমিত কুমার বলেছেন:
সত্তি কথা বলতে আপনার লেখার( "প্রেম বলতেই আমি কারো সাথে ঘর বাধার স্বপ্ন দেখবোনা। প্রেম হবে দুইটা আত্মার সমক্রিয়ায়। আমি কাউকে ভালোবাসবো, সেও আমায় ভালোবাসবে। এই ভালোবাসায় কোনো নিয়ম বাধা থাকবেনা। ...... বৈষয়িকতার উর্ধ্বে থাকবে সেই সম্পর্ক।") এ অংশটুকু কেই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।বুঝলাম না দেবার্নব এর ভালোবাসা চিন্তাটুকু কেনই বা জৈবিক চাহিদাতেই থমকে গেল?
লেখক বলেছেন: হুমমম...
লেখক বলেছেন: হুমম...
দেবার্নব রায় বলেছেন:
পবিত্রতা ব্যাপারটাই কি আপেক্ষিক নয়? যে কোরবানীর মাংস আপনি পবিত্র মনে করে খান, তা কারো কাছে অপবিত্র (আমার কাছে নয়, আমি শুধু উদাহরণ দিচ্ছি)...আর আমি তো নিয়ন্ত্রণের ব্যাপারে কিছু বলিনি। আমি শুধু প্রজ্ঞার একটা বাক্যের বিরোধিতা করেছি যে তার কল্পিত ভালোবাসায় জৈবিক চাহিদা থাকবে না। আমার ভালোবাসা চিন্তা তাই জৈবিক চাহিদা তে থমকে যায়নি বরং বরং ভালোবাসা তার সম্ভাব্য সব রঙ্গীন পথ পাড়ি দিয়ে শেষ গন্তব্য হিশেবে জৈবিক চাহিদায় গিয়ে মিশেছে।
অর্ন্তমুখী বলেছেন:
লেখাটা পড়ে মনে হলো আপনি হতাশা আর একাকীত্বে ভুগছেন।অনেক বিষয়েই একমত হতে পারলামনা তবে লেখার ভঙ্গীটা সুন্দর।প্লাস দিলাম।
লেখক বলেছেন: ঠিক তা নয়। আমি ভালো-মন্দ সব ঘটনা নিয়েই এভাবেই ভাবি। 'কেন হলোনা' কিংবা 'কি হতে পারতো' অথবা 'কেন হলো' এগুলো হতাশার জায়গা থেকে ভাবিনা। জীবনের সব ঘটণা গুলো, উপাদান গুলো মেলানোর প্র্অয়াস থেকে ভাবি......
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ...![]()
শেরিফ আল সায়ার বলেছেন:
ভাবনাটা কিন্তু চমৎকার। খুব গভীর থেকে লিখেছেন। প্রতিটি মানুষ হঠাৎ কোনো এক মগ্নতায় হারিয়ে যায়। আপনার হয়তো তাই হয়েছিল। তাই লেখায় উঠে এসেছে আপনার একাকিত্বের কথা, হতাশার কথা, কষ্টের কথা। অন্যদিক থেকে আপনি সব মেনে নিয়েছেন। কারণ, আপনি ঈশ্বরের বানানো একটি চরিত্র।
আর তাছাড়া গল্পতো মানুষ বলবেই। নিজেকে নিয়ে হোক কিংবা অন্যকে পর্যবেক্ষণ করে। গল্প মানুষকে বলতেই হবে। গল্প ছাড়া তো মানুষ হয় না।
আপনার ভাবনাগুলোর গভীরত্ব এতো ছিল। কিন্তু বিশ্বাস করুন; আর বেশী না....তিন মাস পরেই আপনি হাসবেন.....আর বলবেন, কি লিখেছিলাম এগুলো!!!!
মানুষ এমনই। এজন্যই তো হাজার কষ্ট বুকে নিয়েও মানুষ বেঁচে থাকতে পারে।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: তাইতো ভাইয়া বেচে আছি...এখনো খুব হতাশ হয়ে সুইসাইড ধরণের কোনো আকাম করিনাই...আমি কিন্তু খুব মজা নিয়ে লাইফ এর এক্সপেরিয়েন্সগুলো নিয়ে ভাবি। "কেন?" র উত্তর খুঁজি, কিন্তু সেটা দুঃখ, একাকিত্ব থেকে না, কৌতুহল থেকে......
ভালো থাকবেন আপ্নিও...
রাতমজুর বলেছেন:
আগাম শুভ জন্মদিন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ...
সৌম্য বলেছেন:
উরি বাবারে কত্ত বড় লিখা।সোফির জগত বইটা ১ বছর ধরে পড়ে আছে, ধৈর্য পাই না। কি আবোল তাবোল লিখা।
সৈয়দ নাসের বলেছেন:
খুব ভালো লিখেছেন । মনোযোগ দিয়ে পড়লাম ভালো লাগলো । নতুন বছরের প্রতিদিন হোক ঝলমলে গীতিময় । ভালো থাকবেন ।আমার ব্লগে মাঝে মাঝে আসলে খুশী হবো ।
অ্যামাটার বলেছেন:
হুমম...খুব ডিপ্রেস্ড অবস্থায় লিখেছেন মনে হচ্ছে...আসলে এভাবে চিন্তা করলে আমাদের প্রত্যেকের জীবনই এক-একটা গল্প...এক-একটা সাগর...
আর এ'রকম চড়াই-উৎরাই; হাসি-কান্না; আনন্দ-বেদনার মধ্যদিয়েই তো আঁকাবাকা বয়ে চলে আমাদের জীবন নদী...
তাই নেগেটিভ ভাবনাগুলো না বাদ দিলে এটা আরও চরম হতাশায় আচ্ছন্ন করে ফেলবে...
যা হোক; গল্পকার গল্পের শেষে তার সেন্ট্রাল ক্যারেক্টারটাকে ডেসটিনেশনে পৌঁছতে দেখে ভাল লাগল...
প্রলয় হাসান বলেছেন:
ইংরেজি নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকে। কায়মনোবাক্যে কামনা করছি, নতুন বছর আপনার জন্য হোক আরো হাসি আর আনন্দময়। সেই সাথে আপনার ব্লগের পাতা সাহিত্যের কল কাকলীতে আরো ভরে উঠুক ।
ম্যাভেরিক বলেছেন:
গল্প একটি চমৎকার জিনিস, শুধু গল্প শব্দটি শুনলে যে চিত্র ভাসে মনে, তার চেয়েও বড়, অনেক বড়। তবে "গল্পকারের সাথে একটা অদৃশ্য ভিন্ন মাত্রিক যোগাযোগ এর চেষ্টা করি।"--এই অনুভবই আপনাকে মহান করে, গল্পের নিষ্ক্রিয় জড় পদার্থটি আর থাকেন না আপনি। ত্খন যদি আপনি মমতা অনুভব করেন গল্পটিতে আপনার জন্য এবং আর জগতটির জন্য, আমার মতে, এই হল একটি পরিপূর্ণ জীবন।
ভালো থাকবেন।
আন্দালিব পান্থ বলেছেন:
জীবনটা হলো আমাদের ইচ্ছার সমষ্টি। আমাদের ইচ্ছাই আমাদের জীবনকে পরিচালিত...............Everything depends on choice.............life is made of total sum of choices.....
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
সোফির জগৎ পড়া হয়নি পুরোটা, এই লেখকেরই অন্য একটি বই "the solitaire mystery" পড়েছি।।। অনেকটা কাছাকাছি একটা বক্তব্য এই বইটাতেও আছে।।।লেখাটা পড়লাম, আপনার ভাবনা আপনার কাছেই তোলা থাক।।।।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















দৃশ্যটা অন্যরকম হতেই পারতো!
অসাধারন পোষ্ট।+ দিলুম।