শোন দিলজাহান, সবাই পায় না-
কেউ কেউ পায়;
তোমার উষ্ণ ওষ্ঠের নির্মান নিয়ে আমি ভাবিনা
মাঝ বয়সী মহিলার আত্মরতি নিয়ে
আমার কোন মাথাব্যথা নেই-
পুরুষকে সহজেই ওড়নায় পেঁচিয়ে রাখা যায়
অনির্ণেয় ইঙ্গীতে বিপথগামী করা যায়
কবিকে দিতে হয় অন্য কিছু;
তুমি জান, সব কিছু পাওয়া যায় না-
কবি মানেই নারীর হন্তারক
তুমি, কতিপয় লৈঙ্গিক বৈশিষ্টের আষ্ফালন বড়জোর;
দিলজাহান, প্রান্তরময় জ্যোৎস্না থাকলেই হয়না
একটি নদীর পুর্নাঙ্গ মালিকানায়ও কিছু এসে যায় না
কবি মানেই, নিহত রমনীর নির্মম উপাখ্যান
আর কবি হতে গেলে কবিতা লেখাও জরুরী নয়, আমি চাই
মেঘদল, অথৈ পানির জল; তোমার বাস্তবিক গঠন
খুবই গৌন এখানে; তারচে’ বরং বাড়িতে ফেরীঅলা আসলে
আরেকটি লিপষ্টিকের বায়না ধরতে পার- মধ্যাহ্নে এসেও
তোমাকে বেশ মানাবে--- ঠিক প্রশ্নবোধক চিহ্নের মতো
দিলজাহান, বয়সন্ধিকালের রক্ত সবাইকে দেখাতে নেই;
অপ্রাপ্ত নিঃশ্বাস ডিঙিয়ে পৃথিবীর অভিমুখে তুমিও লিলিয়ান হও
পরাবৃত্তের মোহ ভেঙ্গে কবিকে বুঝতে শেখ

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

