অতঃপর আমরা সবাই ব্যস্ত হয়ে পড়লাম;
শামীম চেলে গেল বান্দরবন-
তার বছর খানেক পর কক্সবাজার থেকে ফেরার পথে
হাসান ভাই ঢাকার উদ্দেশ্যে ফেনী নেমে গেলেন।
পাপ্পু ছিল আরো কিছুদিন। সেও রেজাল্টের আগেই
বাইং হাউজের চাকরি নিয়ে চলে গেল এক ভোরে।
নানা ঝামেলা শেষে অরুপ বাধ্য হল এলাকা ছাড়তে,
সে এখন নাবিস্কো মোড়ের একাটা এনজিওতে
এইচআর এ আছে। করিম মালয়শিয়া যাবার
কিছুদিন পরই শিবলী সিএ ভর্তি হয়ে গেল।
এ শহরের জ্যোৎস্না ছেড়ে হাবীব তার অনেক আগেই
সপরিবারে ঢাকা উঠে গেল। আর আমাদের সকলের
যোগাযোগের ঠিকানা আয়েশা টেলিকমিউনিকেশনের
স্বত্বাধিকারী মিলন মাদ্রাসা পড়ুয়া একটা মেয়েকে ভাগিয়ে
চলে গেল কক্সবাজারের সৈকতে। আয়েশা টেলিকমও
বন্ধ হয়ে গেল তার কিছুদিন পরে। এভাবে আস্তে আস্তে
শুন্যতা নেমে আসছিল আমার চারদিকে, এরমধ্যে একদিন
জানতে পারলাম কবিতা পরিষদ থেকে আমি বহিস্কৃত
যৌথ ভাবে অশ্লীল কবিতা লেখার দায়ে-
ট্রেন চলছে, স্তন দুলছে
নিস্তেজ নাগ ফনা তুলছে
একা একা হয়ে শহরে হন্যে হয়েছি
প্রিয় শহর বিশ্বাস ঘাতকতা করল।।
দুপুর ঠিক ১১.৩৫মি. আমরা আট জন হাসপাতালে ভর্তি হলাম।
ক্যাম্পাসে দল-লীগ আর ইসলামের ধ্বজাধারীদের ভর্তি
বানিজ্যে বিরুদ্ধে একটি মিছিলে ছিল মাত্র আট জন ছাত্র
কবিবন্ধু হাবীব ইমন খিলগাও বসে কবিতা লিখলেন,
অচেনা ঘাতকের বিরুদ্ধে মৃত্যুর পরোয়ানা শিরোনামে।
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


