somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... উষ্ণতা কম্পিত হয় ছিপছিপে সর্প যেন; নীল ভায়োলিন সুর তার
জমা রাখে বাম আস্তিনে।
তোমার ইচ্ছেরা
ঘাঁসের আলস্যে উষ্ণতা জানে।

তোমার ইচ্ছেরা জেগে আছে অরণ্যে
মৌয়ালের বাঁশের ঝাঁপির
চারপাশে উড়ন্ত মধুকীটের বিদ্রোহে
এবং সব অবসন্ন চিত্রকরের অবিন্যস্ত সময়ে
তোমার ইচ্ছেরা পর্যুদস্ত গোয়ের্নিকো
আর ঝুটিঅলা বালিকার গুন গুন গান যেন

তোমার ইচ্ছেরা নীল দরিয়ার
আব্বাসউদ্দীন নাম; আর জলের সার্শীতে
বেদনা-কম্পিত হরিণের ধাবমান চোখে- সোয়ানলেক
রাশান হংসব্যালে; তুমি-
তোমার ইচ্ছেরা যেমন

তুষার ঝড়ের সাদা অবসরে কৌনিক প্রাসাদ থেকে
আলোগুলো নিভে গেলে
ইচ্ছেরা নিরুদ্বিগ্ন হয় জেনে
তোমার শরীরের উষ্ণতা কম্পিত হয়
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28874816 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28874816 2008-11-27 11:02:12
অদ্যাবধি কবিতা (নিছক ব্যক্তিগত)
আমার খুব মনে আছে, ক্লাশ নাইনের বছর আমার এক বন্ধুর তাৎক্ষনিক কবিতা লেখা দেখে দারুন মুগ্ধ হয়েছিলাম আমি; তাকে রীতিমত রবীন্দ্র-নজরুলের সমবর্তি বলে মনে হতো তখন। তার হাঁটার স্টাইল, তার তাকানোর ভঙ্গি খুব অন্যরকম মনে হতো। একটা সময়ে এসে দেখলাম আমার অধিকাংশ বন্ধুই কবিতা লেখে। শুধু আমি ছাড়া। আমি ছিলাম পাঠক; কেবলমাত্র পাঠক। আমার বন্ধুদের সঙগে চলাফেরা করতাম গর্বিত ভঙ্গিতে।

কিন্তু আমি পারিনি। কবিতা আমি লিখতে পারিনি। আমার বন্ধুরা যখন কবিতার পর কবিতা লিখে বান্ধবীদের বাহবা কুড়াচ্ছিল; আমি তখন পরাজয়ের গ্লানীর জ্বালা নিয়ে মুখস্থ করতাম পর্যায়সারণরি মৌল সমূহের নাম; অথবা স্কেলার আর ভেক্টর রাশির সংজ্ঞা খুঁজতাম। এমন কি ইন্টারমিডিয়েটে যে সুন্দরী বন্ধবীর জন্য ক্লাশ ফাঁকি দিয়েছি দিনের পর দিন, তার কথা ভেবে তার উদ্দেশ্যেও কোন পংক্তি আসে নি মনে।

বেদনা নাকি শীল্প সৃষ্টির প্রবেশ মুখ। তখন আমি অনার্স দ্বিতীয় বর্সের ছাত্র। প্রথম বর্ষ পরীক্ষার রেজাল্ট বের হয়েছে- অপ্রত্যাশিত ভাবে রেজাল্ট খারাপ হলো। বেশ খারাপ। সেকেন্ড ক্লাশ টেকে না। রাতে ঘুম হতো না। হঠাৎ হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে যেতো। বিশেষ করে ভোরে। ইম্প্রুভমেন্ট দিতে হবে। এদিকে নাকের ডগায় দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল। সবচেয়ে বড় কথা ইমেজগত সমস্যা। ততটা খাপরাপ ছাত্র ছিলাম না কখনওই। কিন্তু রেজাল্ট ভালো ছাত্রের প্রমান দেখাতে ব্যর্থ হয়েছে। ঠিক এরকম একটা সময়ে আমার প্রথম কবিতা লেখা। ২০০৪ সাল; রাত ১২টারও কিছু বেশী। সঞ্চয়িতা পড়ছি। অতীত কবিতাটি, কথা কও, কথা কও,/ অনাদি অতীত , অনন্ত রাতে কেন বসে চেয়ে রও... । তখনই হঠাৎ অনিবার্য পরিণতির মতোন মাথায় আসল আমার জীবনের প্রথম পংক্তি, হে, অতীত, তুই আয় ফিরে। এরপর নিয়তির মতো লিখতে শুরু করলাম, ঐ অন্ধকারের বুক চিরে,/ নিয়ে সেই লেনিন, কামাল আর আনোয়ার...। পলকেই লিখে ফেললাম জীবনের প্রথম লেখা; লেখা বলছি এই কারনে এটি আসলে কবিতা ছিলনা। ফসকে যাওয়া কয়েকটা লাইন মাত্র, রবীন্দ্রনাথের কবিতারই প্রেরণাজাত পংক্তি। এটির নাম দিয়েছিলাম হে অতীত। এখন অবশ্য এটি আমার সংগ্রহেও নেই। তার পর অনেক লিখেছি পদ্য। যেগুলো দেখে আমি নিজেই লজ্জা পাই। নিছক অনুকরণ ওগুলো। সেই থেকে আমার যাত্রা শুরু; কবিতার সঙ্গে সহবাস। আজ অবধি।

আমি যখন কবিতা লেখা শুরু করি। তখন দেখি আমার কবি বন্ধুরা- যারা এতদিন কবিতার পর কবিতা লিখে আমাকে অবিভূত করে দিত- আস্তে আস্তে কবিতা লেখা ছেড়ে দিচ্ছে। কবিতায় তারা আর আনন্দ পায় না। তাদের নাকি আর কবিতা আসে না। তারা যে বয়সে এসে সমাপ্তি টানলো, সেই বয়সে আমি শুরু করেছিলাম কবিতার সঙ্গে আমার গেরস্থালি। আমি অবশ্য আনন্দ লাভের উদ্দেশ্যে কবিতা লিখিনি। যদিও কবিতা লিখে আমি অসহনীয় আনন্দ পাই। মুলত পংক্তির তাড়নাই আমি কবিতা লিখি। বিভিন্ন সময় আমার মধ্যে অসংখ্য বিচ্ছিন্ন পংক্তির সৃষ্টি হয়। যন্ত্রনার মতো মাথার মধ্যে ঘুরপাক খায়। এইভাবে চলতে থাকে কিছুদিন। এর মধ্যে অনেক পংক্তিই চলে যায়। কিন্তু কিছু কিছু অবাধ্য পংক্তি মাথার মধ্যে থেকে যায়। তখন আর উপায় থাকেনা। এই পংক্তি দিয়েই শুরু হয় জালবোনা। শুরু হয় অংক: বীজগনিত, জ্যামিতি। শুরু হয় অমোঘ এক খেলা।

সেই খেলা খেলে চলছি আজ অবধি। পাঠকপ্রিয়তার মধ্যে কখনওই সার্থকতা খুঁজিনি। যদিও পাঠকের শংসা বাক্যে ভীষণ আন্দোলিত হই। কোন বিশেষ উদ্দেশ্য নিয়েও কবিতা লিখিনা। কেবল মাত্র কবিতা লেখার আয়োজনেই কবিতা লিখি। যার দুএকটা কারো কারো ভালো লাগে, অধিকাংশই লাগে না; তবু লিখি। লেখার আনন্দে লিখি। সৃষ্টির বেদনায় লিখি। এবং লিখবো।




(পরীক্ষামুলক)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28869032 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28869032 2008-11-14 17:43:08
নভেম্বর লাগোয়া গল্পগাঁথা দৃষ্টি খুলে দিয়েছি, নিয়ে নাও বৈশাখী গান
আমি নভেম্বরের গল্প আর বনভোজনের শীল্পের
কথা কাউকে জানতে দেবো না। শীতের নিরব
প্রস্থানের কথা, আমি তোমাকে কোনদিন বলিনি।
তুমি সবুজ কার্পেটে গিয়ে যদি কোনদিন দাঁড়াতে পারো
চেখে নিতে পার খয়েরী ঘ্রাঁনের স্বাদ...
আমি অবিনয় ভঙ্গি ভুলে নিয়ে যাবো তোমার শরৎ

জ্যোৎস্নায় বেদনা ছুঁয়ে যদি তুমি ফেরাও
দৃষ্টি কমলরঞ্জিত গতকালের দিকে -চোখ তুলে-
আমি তবে শেষ গান ভুলে হৃদয়ের সমুল আশ্বাসে
তোমাকে এনে দেবো গহণ অরণ্যের শ্বাস;
প্রশ্বাস নিতে ভুলোনা নির্মোহ আঘ্রানের ভোরে
দৃষ্টি খুলে দিয়েছি শ্রাবণের জল নাও যুগল কোষে

তাকাও তুমি তারকা খচিত সন্ধ্যার দিকে যদি
সব নদী স্রোতের নামে বহমানতার গানে
ছলাৎ ছলাৎ ঢেউ নামাবে; তুমি চোখের পাপড়িতে
তুলে রেখে দিতে পারো নদীর শীতার্ত সেই গান;
অথবা পায়ে হেঁটে পার হতে পার হিম আলো, আমি
ত্রিসন্ধ্যার জপমন্ত্রে জেগে উঠে ফিরে পাবো সোনা
তুমি ভোররাতে একা শুয়ে নভেম্বর লাগোয়া গল্পগাঁথা

আমি কি অশেষ আশ্লেষে বিনয়ী ঈর্ষার লাল
কম্পাস নিয়ে ভাসিয়েছিলাম তরী তোমার ইচ্ছার দিকে?
নভেম্বরের শৈশ্নিক রাতে কী ঘটেছিল- আমি জানাই নি- হয়েছিল কি
স্বপ্ন বুনন- রাত্রি পেরিয়ে সকালের কাছে হাওয়া- কেউ তা জানে না
শতরঞ্চি বিছিয়ে কে চলে গিয়েছিল ঐশ্বরিক আনন্দে ভিজেয়ে
চোখ, কে সুর করে কেঁদে কেঁদে পথে বলেছিল- তোমার ভালো হোক
কেউ তা জানে নি- কেউ- জানে নি। আমি দৃষ্টি খুলে দিয়েছি
আষাঢ়ের মেঘ নাও, জল নাও, বৃষ্টি যাও শুধু রেখে।

নভেম্বরের গল্প কেউ কোন দিন জানে নি।





কবিতাটি আমার ব্লগহে শিরোনামে প্রকাশিত হয়েছিল; এখানে কবিতাটি শিরোনামসহ আংশিক পরিবর্ধিত হল।

ছবি কৃতজ্ঞতা: হুমায়রা হারুন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28866214 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28866214 2008-11-08 08:44:57
কবির মুখ স্বচ্ছ হ্রদের কাছে বিকেলের শিশির ঘাঁস
নরোম পদাঙ্ক তার বক্ষ জুড়ে
জেগে থাকে সারা রাত- চায়ের আলস্য
তার সুঘ্রান ছড়ায় অবিরাম প্রভাতময়

পথিকেরা নীল ঘুড়ির নাটাই মগডালে
ঝুলে থাকা দেখে- কালো সর্প
সেই ঘুড়ি কিনে নেয় জলের দরে
তারপর একদিন নীল ভাসে
আকাশে আর পৃথিবীর জলে

কবি তার মুখ দেখে জলের আয়নায়
বুক জুড়ে হিমাঙ্কের বিকেল নামে
বিকেলের বিষন্ন রোদ পড়ে জলে
সেই জল ফিরে যায় হ্রদের স্বচ্ছ কার্পেট ছুঁয়ে

নরোম পদাঙ্ক তার রাতভর গুঞ্জন করে;



(...ঈর্ষায় সবুজ হয়ে উঠছি।, এরকম একটি বাক্যাংশ মনে রেখে)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28865014 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28865014 2008-11-05 15:03:26
অভিযোজন ব্যবস্থাকে সহায় করে যে অশ্ব ছুটে যায় মধ্যদিনের আলো ভেঙ্গে
তাকে আমি আলোতে দেখিনি কোন দিন। কিছু অন্ধকারগ্রস্থ মানুষের ঘোরলাগা
সংলাপে আমি তাকে লাফাতে দেখেছি শুধু; দেখেছি তার অলীক খুরের প্রমত্ততা
বাস্তবিক মানুষকে কীভাবে গ্রাস করে চলছে নিয়ত। ফলশ্রুতিতে মানুষ প্রায়োগীক
বিদ্যাকে অবমুল্যায়ন করে কী এক প্রশান্তির দিকে ঝুঁকছে- ভাবছে-
কোন খানে এক দেশ আছে, সেখানে একজন বৃদ্ধাও নেই,
অসংখ্য রুপসীর যোনীপথ অপেক্ষায় আছে পুণ্যবান পুরুষের (কিছু যুবক
আর অধিকাংশই প্রমত্ত বৃদ্ধ) প্রোথিত ইচ্ছাকে চরিতার্থ করার লক্ষ্যে।
সেই দেশে আরও আছে নয়নাভিরাম লিপ্সা, আছেন মানুষের বিভিন্ন
মাঙ্গলিক আয়োজনের লোকগত কেন্দ্রবিন্দুতা-;- ভাবি- এটা এক রকম
অভিযোজন। সেই অভিযোজন প্রক্রিয়ায় মানুষ নামক নশ্বর বাস্তবতা
অলীক অশ্বের পৃষ্ঠে চড়ে চলে যেত চায় অন্ধকারজীর্ণ আলোর আশ্বাসে।




(বহুদিন আগে লেখা, তখনও কবিতার চোখ ফোঁটেনি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28862470 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28862470 2008-10-31 12:53:38
দাগলাগা শিরোণাম তুমি তা কোনদিন দেখনি। নৈঃশব্দের মতো আমার
শপথগুলো নিরর্থক মনে হতে পারে- আমি জানি
মুখ খুলে সবই বলতে হয় তোমাকে, নাহলে বোঝনা
আমার প্রেমিক অক্ষরগুলোর আর্তনাদ; অরণ্যে,
বৃষ্টিতে, তুমি দেখনি আমার সূর্যোদয় থেকে
সূর্যাস্তের দিকে হেঁটে যাওয়া; তুমি ভাবনি
হা-ভাতের আর্তিতে কী ভীষন এক সূর্য
আমাদের সোনার সূর্যের রক্তললাট লেখা।

শীতনিদ্রায় আছি যদি ভাব
অচ্ছুত হয়ে আছি যদি ভাব
আঁধারে নিয়ত ডুবে ডুবে নির্জন হয়ে আছি
যদি ভাব- তবে আমার অট্টহাসিতে শুনে নাও-

জ্বলে উঠিনি বলে ভেবোনা আগ্নেয়গিরি নই।



{দীর্ঘদিন ধরেই (প্রিয়) ফরহাদ উদ্দিন স্বপন অভিযোগ করে আসছিলেন, আমার কবিতায় শুধু হতাশারই গান বাজে}]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28862039 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28862039 2008-10-30 15:15:18
রাজর্শি পাখি, বিপরীতে আমি, অথবা আমি
অথবা আমরা
আমাদের দীর্ঘ নিদ্রায় সূর্য চুরি হয়ে গ্যাছে;
মালিকানা আর আমাদের নয়; আমাদের
ডানাগুলো নিয়মতান্ত্রিক উড়াওড়ি ভুলে গিয়ে
ইতিহাস হয়ে আছে- ঝড়ো ইতিহাস।

আমাদের অস্থি বেচে খায়, খুঁটে খায় রাজর্শি
আমার কোটরগত সাহস
আমার কোটরগত সঙ্ঘবদ্ধতা
আমি হারিয়ে ফেলেছি;

আমাকে খুঁটে খায় রাজর্শি
আমি বুক পেতে দিই তার মুখে

আমার অস্থির মোহে
অন্ধকারে আকন্ঠ আছি ডুবে
অন্ধতায় সুখ ভেবে, মুক্তি মেনে

আজ, আমি যৌক্তিক ঘৃনাও চিনিনা।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28861069 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28861069 2008-10-28 15:29:08
নাগরিক শয্যা (প্রেমিক পর্ব) নাগরিক শয্যা (সমুদ্র পর্ব)
নাগরিক শয্যা (একজন অপ্রকৃতস্থ কবি)

শেষ দরজায় কড়া নাড়া হয়ে গ্যাছে-
দ্রোহী, তুমি প্রেমিক হও
প্রেমিকেরা আজ ক্লীববৎ

চিরস্থায়ি নৈঃসর্গ ভেবে নিয়ে আলোহীন তাবৎ প্রেমিক
মুষ্ঠিবদ্ধ হাত থেকে দূরে নিষাদের সহমর্মী হয়;
রমনক্লান্ত এই সভ্যতা বাণিজ্যিক নিয়মে
নিজের ভিতরে ক্লৈবত্য বেড়ে ওঠা দ্যাখে নির্বিকার।
পিঠ চাপড়ানো আশ্বাসে জুয়ার টেবিলে উজ্জ্বল হয় নীল ঘুঁটি
আমাদের নীল রঙের ঘুঁটি- ব্রীজের পাতায় ব্যাথায় নীল হয় রাশান গোলাম
শেষ চাল আর বাকী- এখনও গ্লাস ধোঁয়ায় পূর্ণ হয় নি।
তবু সঙ্গম-প্রিয় প্রেমিকেরা শয্যার প্রতি অনাস্থা আনে
কক্ষ জুড়ে নামে শীতনিদ্রার ধুম- দ্রোহী,

প্রনয়ের মোহন খিলান খুলে ক্লীবদের রক্ষা দাও তুমি।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28859889 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28859889 2008-10-26 10:00:41
কাঁটার শীর্ষে বিম্বিত হও আমি তোমারে পেয়েছি অজানা সাধনে...

রৌদ্রজ্জ্বোল হও সলিলাবৃত তমসার অভ্যন্তরে
আমার অনিদ্র রূপাশ্রয়ের বোধিসত্বে
তোমার হৃদয়ের চর্যা গান বেজে ওঠে
তুমি রৌদ্রজ্জ্বোল হও-

তোমার নামে আকাশে ঝড় ওঠে
মৃত্তিকার দ্বন্দ্বে বাড়ে বৃক্ষ
তোমার কন্ঠস্বরে আলো ভাঙ্গে অস্বচ্চ প্রিজম
তুমি রৌদ্রজ্জ্বোল হও-

বর্শা ফলায় তোমার নামের সংযুক্তি
দিবসের মধ্যাহ্নের সূর্য হায়
তুমি আমাদের হৃদয়ের তরল আগুন
শীতরাতের উষ্ণতার গান

সমুদ্র তলের স্বচ্চ বালুর ঝিলিক
তোমার আনন্দিত চোখে জ্বলে
তোমার নামে রক্তের মতো শিশির ঝরে
ঘাঁসে, ফুলে, ওষ্ঠের আঙ্গিনায়

তুমি রৌদ্রজ্জ্বোল হও;
তোমার নামে নিশি ভোর হয়
তোমার নামে আমাদের প্রথম সূর্যোদয়
তুমি রৌদ্রজ্জ্বোল হও রক্তরাগে-

তুমি সুতীক্ষ্ণ কাঁটার শীর্ষে বিম্বিত হও, হে বিনম্র সুন্দর;]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28858504 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28858504 2008-10-23 08:48:39
নাগরিক শয্যা (একজন অপ্রকৃতস্থ কবি)
যে কবিতাটি লেখা হচ্ছে সেটি না লিখলে বিশেষ ক্ষতি হতো না আমাদের; অর্থাৎ পৃথিবীর। তবু অশেষ মেধাশ্রমে কবি এইমাত্র যে জ্যামিতি সৃষ্টি করলেন তার জন্য তিনি ঘনিষ্ঠ নারীর সঙ্গে অবলীলায় বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারেন কোনরকম অপরাধবোধ ছাড়াই; সমস্ত মানবিকতার মুখে থকথকে থুথু দিয়ে চলে যেতে পারেন নিশ্চিন্ত পানাহারে। কবি তার সমস্ত জীবন মধুর আলস্যে কাটাতে পারতেন যদি তা কবিতা জন্মের সহায়ক হতো!

কবিতাকে নারীর সমমর্যাদা দিতে পৃথিবীর তাবৎ কবি নারীকে নিজ শয্যায় নিয়ে গিয়ে প্রকারান্তরে আত্মহত্যায় অনুপ্রাণিত করেন? নারী তখন কবির চোখে থরোথরো প্রেম রেখে কামহীন অন্ধকারে দ্রবীভূত হয়ে যায়। কবি শরীরে কামের গন্ধ নিয়ে ঘাম আর বীর্যস্খলনোৎসবের মধ্যদিয়ে নতুন রাজ্যপাটে অভিষিক্ত হন।

পৃথিবীর সমস্ত কবিতাই আসলে নারীর চোখের জলের মতোই টলটলে- কবি ভাবেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28857221 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28857221 2008-10-20 08:34:23
কোথাও কি কথা ছিল কোন প্রভাতের মর্মরে গাইতে রাগভৈরবী? কেউ বলেনি;

স্বপ্রনোদিত উৎসবে মানুষের এই আয়োজন স্বতোৎসারিত;
পরিধি অতিক্রমের দুর্জয় ইচ্ছায় মুষ্ঠিবদ্ধ হাত
মানুষের বেদনা মানুষকে নামিয়েছে মিছিলে একদিন;

আজও সেই মিছিল আজও সেই বেদনা
আজও সেই কান্না প্রতিধ্বনির মতো
মানুষের সাথে সাথে সাংসারিক সংলাপে ফেরে।

যারা ভাবে ঢিলে হয়ে গ্যাছে সেইসব মুষ্ঠিবদ্ধতা
যারা জানে মানুষের কখনও আর মিছিল হয় না
যারা বলে ফেরে মুক্তি আমাদের নেই কোন দিন
তাদের উদ্দেশ্যে ঘৃনা রেখে
এইসব অনুভবে আমারও রক্তে বান আসে
অসহ্য রাত পেরুনো ইস্তেহার পড়ে
লাল ফিতা মগজে বাঁধি...

কোথাও কি কথা ছিল কোন? মুখোমুখী আঁধারে
কাস্তে আর হাতুড়ির প্রতিধ্বনি ক্রমশঃই বাড়ছে!

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28856286 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28856286 2008-10-18 08:54:53
দ্রোহে দখলদার বিশ্বাস
দখলদার বিশ্বাসের কাছে সুন্দর স্বপ্নরা আজ
বিবস্ত্র হয়ে আছে; ইতিহাসের দুষ্ট প্রতিভার সুপরিকল্পিত
চক্রান্তে বিপন্ন যৌক্তিক বোধ। মুল্যবান সময়গুলো-
যে সময়ে সময়কে সাজানো যেতো
কৃষ্ণচুড়া ডালের মতো- পূর্ব-পশ্চিমে খোঁজে অশালীন সুখ।
মধ্যযুগের ঔরসজাত অসত্যের অযৌক্তিক
পবিত্র অঞ্চলে সুগন্ধী শশ্রু সমেত
অথবা মুন্ডিত মস্তক মুখ অথবা...
নিয়ত উচ্চারণ করে চলে অশ্লীলতম বাক্য;
ধেই ধেই করে ছুটে আসে নষ্ট মেধার কতক কুকুর।

ইঁদুরের মতোন জ্যামিতিক প্রজননে এইসব কুকুর বড়ই পারদর্শী

২.
প্রদীপ্ত শপথেরা শ্রেফ জ্বলজ্বলে দেওয়াল লিখন

চৈতন্যজুড়ে নেমেছে সন্ধ্যাকাল
আবহমান গোধূলী ভুলে
মগজে
কারফিউ
নামে;
সময় বন্ধ্যা-
সূর্যস্নানে মেলেনা উষ্ণতা
প্রদীপ্ত শপথেরা শ্রেফ জ্বলজ্বলে দেওয়াল লিখন
যখন সূর্য উঠে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28855633 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28855633 2008-10-16 19:54:09
ক্যালেন্ডার ২০০৪
পুরুষ একবার ভালোবেসেছিল নারীকে, তারপর চলে গিয়েছিল ভাগাড়ে
নারী সেই দৃশ্য অংকিত করেছিল সর্বগ্রাসী শরীরের বিভিন্ন প্রদেশে।
২০০৫ (প্রথমার্ধ)
দেবালয় থেকে পাপের যাত্রা শুরু; মানুষ সেই অলৌকিকের উত্তরাধিকার হয়ে
বেঁচে থাকতে চায়। আর পশু প্রজাতিরা পাপহীন বেঁচে থাকে নিজস্ব মহিমায়
২০০৫(শেষার্ধ)
অধিত বিদ্যায় মানুষ হয়ে ওঠে মানুষের রুপান্তর। যাকে নিয়ে উন্মত্ত হয়
পবিত্র সরাব, আর কোন বিকারে নেই তিনি। তিনি আছেন, ছিলেন;
২০০৬
কারো চোখে প্রেম মানে নারীর প্রনয়; কারো চোখে প্রেম মানে
পুরুষের সচিত্র আলিঙ্গন; আর কারো চোখে প্রেম মানে বিক্ষত হৃদয়
২০০৭(মধ্যবর্তি)
নতজানু হতে যদি হয়, বুদ্ধের কাছে হবো; ঈশ্বরহীন দ্ব্যর্থ মন্ত্রে
তিনি মঙ্গলময়। অন্যরা সব লোভ আর ভয়ের ইস্তেহার বয়ে নিয়ে যায়
২০০৮ (প্রথমার্ধ)
আমরা প্রথমে জেনেছি শীতার্ত কুয়াশার ঘ্রাঁন ছুঁয়ে জেগে উঠছে আমাদের
ভালোবাসার বসত; তারপর বিস্ময়, অবশেষে ডুবে গেছি জলপাইর গহীনে
২০০৮(চলতি)
পুস্তকের ইশারায় বাণিজ্যের চরিত্র ঠিক হয়; পুস্তকের ইশারায়
বাণিজ্যের প্রসার ঘটে। পুস্তকের ইশারায় পুঁজি বাজরে ধস;]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28854075 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28854075 2008-10-13 08:50:24
সমকালিন অফুরন্ত অবসর। আমার ক্ষতির দিন শেষ,
নির্ভাবনায় থাকি সর্বক্ষণ- শৈশবের মতো।
শৈশব হাত ছানি দেয়- চোখের বিভ্রম-জানি-
বার্ধক্যই অনিবার্য বিলম্বিত মৃত্যুতে। সূর্য-প্যাঁচার
শত্রুতার মতোন কোটরগত সব-সমস্ত আশা, স্বপ্ন।
নৈরাজ্যের সাথে দীর্ঘ রতিবাস- উদ্যমহীনতা
আশু উত্তরাধিকার দারী রাখে। বুদ্ধের সরন
না নিয়েও নির্লিপ্ততার নির্বান গ্রহনে অকুন্ঠ সমকালিন
... আমি।

প্রাণিত আঁধারের প্রচ্ছন্ন প্রতিবেশ ছুঁয়ে
স্বপ্নগুলো কবর দিতে ভালোই লাগে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28853688 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28853688 2008-10-12 08:45:31
নাগরীক শয্যা (সমুদ্র পর্ব) সে কি মোর তরে পথ চাহে
সে কি বিরহ গীত গাহে...


অচেনা বন্দরে প্রেম কঙ্কাল হয়; আমরা সরে যাই পরস্পর থেকে। বিচ্ছিন্ন হওয়ার মতো আনন্দ আর নেই- বিষ্ময়ে যেনে যাই।

তাদের চোখের রেখায় দুরন্তপনাই ছিল বেশী। নাবিক তাই জ্যামিতিক হিসাবে বড় রকম ভূল করে ফেলে; জাহাজ পশ্চিম থেকে ক্রমশঃ ভীড়ছে উত্তরে- কারো কোন মাথা ব্যাথা নেই।

রাতের রেস্তোরায় অভিনিবেশ ঘটে খুব। নদীর জলের শব্দে আহত হয় দেশী মদের বোতল। হাতের তালুতে নদীর ভিন্নরকম চিত্রকল্পের আভাস; নারীর শয্যায় তাদের স্বামীরা এতদিনকার বকেয়া গোনে।

অচেনা বন্দর চেনা হয়ে যায়; সুতরাং অচেনার উদ্দেশ্যে আবার যাত্রা শুরু; সন্তরনপটু জাহাজ নাবিকের ইশারা বোঝে ঠিক ঠিক। দুরত্ব কেবলি বাড়ে।

বন্দরের মেঝেতে থেকে যায় শুধু ক্লান্ত নাবিকের হৃদয়ের খন্ড দলিল।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28852569 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28852569 2008-10-09 09:13:46

নগরের অনুর্ধ পুরুষেরা সড়কে ধারে বসতি গড়ে। প্রাসাদ তৈরীর মতো হিরা-মানিক্যের ঝনঝন শব্দ ওড়ে। শুভ্র সফেদ মন এই শতকের নতুন তৈলচিত্র। আমাদের শহরের নাগরিকদের চারপাশে এইসব সফেদি দিল্ এর বেশ কিলবিল।

প্রচ্ছন্ন ইচ্ছাকে মাড়িয়ে ভাববাদে দীক্ষা নিতে ইচ্ছে হয় যখন তুমি কটাক্ষ ছুঁড়ে দাও। এবং সফেদ উপনিবেশ আমাকে অনুপ্রেরণা জানায়- বিশ্বাস বিশ্বস্ত।

অর্থ-অনর্থের মাঝামাঝি নগর, রাষ্ট্র- সভ্যতা নামক এই বিরাট উপসর্গে অ প্রত্যয় যুক্ত নেতির ঔরসে প্রশ্নের জন্ম হয়-

বিশ্বাস কি বিশ্বস্ত?
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28851155 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28851155 2008-10-05 13:40:13
মতান্তরে শিখে যাই মৃত্যুর গান (হাঁড়ে মজ্জায় আমাদের নন্দিত কাবিননামা; সোনালী হোক আর রূপালীই হোক কাবিনের ইতিহাস আঁধারে মন্থর) সভ্যতা যেদিন লিপিবদ্ধ হতে লাগলো সত্যের সাথে মিথ্যার অজেয় ঠাঁই মিললো। পক্ষপাতের ইতিহাসে পুস্তকগুলি সব নিয়ত ভারাক্রান্ত হল- উঁইপোকার অন্তজ এইসব লিখিত দলিল।

হাঁড়ে মজ্জায় আমাদের মিথ্যার নয়টি মোকাম। অর্ধেক মৃত্যু দিয়ে, বাকি অর্ধেক রক্ত চোখে প্রতিষ্ঠার শিখরে। আর অবশিষ্ট আষ্টআনা অজ্ঞানতার কারাকক্ষে স্থবির দিন গোনে আলস্যে।

২.
আমাদের আনন্দের কোন গান নেই-
আমাদের মুখর কোন নৃত্য নেই-
আমাদের দৃষ্টিতে সৌন্দর্যের কোন দর্প নেই-
আমাদের চোখে কোন স্বচ্চ আলো নেই-
আমাদের বেঁচে থাকায় কোন আস্থা নেই-

নেই-নেই-নেই- মৃত্যুময় আঁধারে
(মৃত্যুসিক্ত ভৃত্যেরা গান ধরে)
মৃত্যু ছাড়া আমাদের আর কোন উৎসব নেই;
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28850847 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28850847 2008-10-04 12:49:03
উচ্ছিষ্ট টানি। জানি, আমাকে দেখে ঘৃনায় চোখ ফেরায় ঘাঁস ফড়িং-
ইষ্টকুটুম-চড়ুই আর শালিখের দল। কী এক কারনে শুধু
নিজেকে বন বেড়াল বলে মনে হয়; কতটা যৌক্তিক অথবা
অযৌক্তিক -জানি না- জানি উচ্ছিষ্ট। বিস্মৃতির ধূসরে
যদি হারাই তবু দুর্নাম কিছু কম হবে, এই যা ভরসা।
সাদা আকাশ ক্রমশঃ হচ্ছে ছাই বর্ণ। এই প্রান্তর হবে
সবুজ- দু'একটা ব্যাঙ বেরুবে শিকারে, কলতানে
মুখরিত হবে মাকড় সম্রাজ্য- কতটা অসহায় হয়ে,
কতটা আশা নিয়ে এখনো দাঁড়িয়ে আছি। ভালোবাসতে
চাই সবুজকে। বাতাসে মুছে যায় আকাশের ছাই রঙ

এতটা উচ্ছিষ্ট নিজেকে আর হয় নি কখনো মনে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28847255 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28847255 2008-09-24 08:28:21
সংক্ষিপ্ত শিরোণামে ম্রিয়মান শহরের দৃশ্যপট
তুমি এই শহরে আবিষ্কার করে চলছো পালঙ্কের সূদীর্ঘ ইতিহাস। তোমার মধ্যে ছিল স্বপ্নের বিভিন্ন রঙ, শিল্পকলার মতো আমৃত্যু অহংকার। চোখে বিজুলির চমক। রূপালী ঠোঁটে যখন হাসি ফোঁটাও তখন আমরা কিয়ৎকাল শহরের সাম্প্রতিক ম্রিয়মানতাকে ভুলে থাকি। তুমি স্বীকারই কর না সোডিয়াম লাইট উৎকট হতে পারে কখনও; তুমি মানতেই রাজি নও নগর এক বিরাট উপনিবেশ। বরং নিয়ন আলোয় তোমার নিবিড় স্বাচ্ছন্দ্য- আমাদের বুকে ভীষণ জ্বালা ধরায়-

(শহরের ঋণ আর শরীরের ঋণ নাগরীক শয্যায় একীভূত হয়) নিয়ন পর্দার ভিন্ন প্রান্ত থেকে ফিরে আসবে চর্বি সর্বস্ব এক মহিলা। তুমি আমাদের হৃদয়ে রূপালী ঝর্না এখন।

বড় বেশী আকাঙ্খা প্রিয় নারী, তুমি;
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28841667 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28841667 2008-09-11 16:32:14
জেগে ওঠে; তুমি পৈশাচিক উল্লাসে হাতের তালুতে তুমি পৃথিবী আঁকা শিখে যাও-;

নিজের ভেতরে নিজস্ব নিয়ম বেড়ে ওঠা দেখে
সিগারেটের ধোঁয়ায় ভীষণ অহংকারী হয়ে যাই;
সেই ধোঁয়ার মধ্যে ভরে করে নাটকের
শেষ অংকের দিকে তুমুল ব্যাস্ততা নিয়ে
ধোঁয়াটে অনুপ্রবেশ ঘটে-;

আমার কব্জিতে বিদ্যুৎ খেলে যায়
তুমি নায়িকার সাজে মঞ্চ কাঁপাচ্ছো-;
ঘোর লাগা সংলাপ আর শরীরের চাতুর্যময়
সঞ্চালনে দর্শর সারি বিভিন্ন উল্লাসে মাতিয়ে রাখ
আমি আমি গৌন ভূমিকা নিয়ে কম্পমান মঞ্চে
গোপন আক্রোশ নিয়ে আরও ম্লান হতে থাকি

মঞ্চ জুড়ে কালো পর্দার ক্ষমা নামে:

সাজঘরে এসে এবার তোমার ম্লান হবার পালা
আমি আস্বস্ত হই, এবং ধোঁয়া ভেদ করে
ক্রমশ তীক্ষ্ণ হয়ে উঠি; আমার পৌরুষ
স্বাতন্ত্রিক সত্ত্বায় জেগে ওঠে; তুমি সেই পৈচাশিক
উল্লাসে ভীষণ মানবিক হয়ে হাতের তালুতে দেখ-
মানুষ তার সঙ্ঘবদ্ধ আচরন থেকে সরে এসে
স্বাতন্ত্রিক পৃথিবী গড়ে তোলে;]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28838755 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28838755 2008-09-04 19:19:23
বিরহ প্রস্তাব ভোর হলে ফিরবো না; ফিরে যাবে গান

বিরহ চিনিনা; দেখিনা সুখ
নৈরাজ্যের আগে- ফালি ফালি
হয়ে থাকে সুখবোধের সোনালী ইশারা

বিরহ প্রস্তাব রাখি তোমার সমুখে
তুমি খোঁজ ইতিহাস আঁকাবাঁকা পথ
আমি তাই আঁধার মন্থনে হই নিরুদ্দেশ

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28838354 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28838354 2008-09-03 20:01:33
অর্কেষ্ট্রা পৃথিবীর দুরহতম আকাঙ্খার কাছে এইভাবে নিমজ্জিত হয়ে থাকে
আদিম কল্পণার অনুপ্রাস; হে সময়, হে অনুচ্চারিত প্রেম,
কোথায় গিয়েছে চলে আমাদের জানু আর জঙ্ঘার বিবিধ উচ্চারণ?
তরল জ্যোৎস্নার মতো বিষাদের কাছে (নিয়তির কাছে?)
ক্লান্ত মানুষের বোধের পরাজয় ঘটে। রাত আর অন্ধকার
এরকম ভাবে টিকে থাকে মস্তিস্কের কোষে কোষে;
খ.
ভুল বিন্যাসে লিখিত পংক্তিমালার সঙগে সহবাসের আকাঙ্খা
জাগিয়ে রাখেন নব্য কবি; বিস্তার করে চলেন শিল্পকলাহীন কবিতার স্তুপ
তিরিশি পঞ্চক আবার আসবেন কি আমাদের এই হিনমন্য
কবিতার উপত্যকায়? বুদ্ধদেব কি সুধীন্দ্রনাথ- উঠপাখি, জল দাও আমার শিকড়ে...
মাঝে মাঝে জীবনানন্দের কাছে কিছু ঋণ জমে আধুনিক
ছন্দের মাঝির বৈঠায়; আর সুধীন্দ্রনাথ? আজও চলছে পৃথিবী জুড়ে
নির্বোধেরই ভ্রান্ত দুঃস্বপ্ন;
গ.
ঈষানে ঈর্ষার বিষাণ আমাকে নিয়ে গ্যাছে অনেক দূরে; দূরতম শব্দের কাছে, পঙক্তির একেবারে শেষ সীমান্তে; অনিচ্ছার মেঘ যেখানে সমস্ত সকাল ভেসে চলে শুণ্যতার আবরণে; লহমায় ওড়ে বিষাদের তুলো যত্রতত্র; আমাকে নিয়ে যাবে তুমি? তুমি চরাচর আমার করেছ আলোকময়; তোমার যৌবনের কাছে বাধিত আমার প্রেম; বহুগামীতার ছদ্মবেশ আমার পুরুষময়। এ নদী থেকে ছুটেছি ও নদীর জলে অবগাহনে, সন্তরণে...। তুমি, তোমার ঈষানে ওড়ে ঈর্ষার নিশান; তোমার শাড়ির আঁচল হাওয়ায় ছুড়েছে হাতছানি?
ঘ.
মনে পড়ে, সবুজ অর্কেষ্ট্রার বাতাবরণে চিরকালীন কবিতার দুঃখকে ঢেকে রাখার সেই সময়? ছদ্মবেশী অনুরাগের কাছে জীবনের গূঢ়তর অধ্যায়ের পঠন লিখন; কারাগারের জমাট বাতাসের মতোন ঘিরে আস তুমি; আধুনালুপ্ত সময়ের তুমি কি শীতল স্পর্শ?
তুমি কি প্রেম? কাম? সহবাস? দেবী? অনাঘ্রাতা? কবিতা? বেশ্যা? দয়মন্তী? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28837556 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28837556 2008-09-01 21:31:09
জেব্রা দাগের ভিন্ন প্রান্তে; থেমে থাকো চোখ, ঠাঁয় দাঁড়িয়ে থকো;
দলছুট দাঁড় কাকের
ডানায় এখনো ক্লান্তি নামেনি;
সড়কের ধারে নির্মতারা
এইমাত্র বিছিয়ে গেলো দু'রঙা কার্পেট
তার ভিন্ন প্রান্তে বৃত্তের মতো জেগে ওঠো চর

বিজ্ঞ আবহাওয়াবিদগন আজ এ শহরে বিপদ সংকেত ঘোষণা
করার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন- তোমার দিকে
গত শতকের শেষার্ধে নির্মিত একটি রাডার তাক করার আছে
তুমি আহ্লাদিত মুখ খানি আরেকটু মানবিক করো
চরের জমিনে এক্ষুনি বৃষ্টি নামতে পারে; থেমে থাকো

নতুবা সিগ্যনাল না দেখা একটি ক্লান্ত কাক
ভূলক্রমে অতিক্রম করে যাবে জেব্রা দাগের এই প্রান্ত!
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28836753 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28836753 2008-08-30 18:44:10
তোমাকে; উৎসের দিকে
এবার শ্বাস নিতে পারো অবলীলায়;
তোমার শ্বাসযন্ত্রের এতদিনকার বিরুদ্ধতা
অবশেষে আমাকে অতিক্রম করে গেছে;

সোনালী চুম্বনের পাত্র হাতে
অবয়ব সর্বস্ব বিষয় থেকে
মুখ তুলে এই দিকে তাকাও

তোমার দিকে আমি আবহমান অস্তিত্বের উৎস খুঁজি;]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28835452 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28835452 2008-08-27 08:31:08
বৃক্ষ ও শস্যের গান
(আমাদের বৈকুন্ঠবিলাস কালো চরে
যে সবুজের সমারোহে মত্ত ছিলো
তারই শব্দ শুনি সংলাপের মতো)

নিটোল বনানীতে আগুন লেগেছে
কীটেরা সুখী নয় তাই
বাতাসে মিছিলের সাথে পতঙ্গের বিভ্রাট;
আঁধার এই আর্দ্র-উষ্ণ পৃথিবীর স্তনে
তুমি ম্লান কুয়াশার দিন গুনো না;

আমাদের মিলিত প্রেমে
আমাদের মিলিত শ্রমে
আমাদের মিলিত ঘ্রানে
আঙুরের বাগানে প্রসব উৎসব নামে
বেদনার বহ্নুৎসব পেছনে ফেলে
হে আঁধার তাকে তুমি ম্লান করো না;

আমার চরের জমিনে কখনও পুস্প ফোটেনি
তাই শস্যের গন্ধেই আমাদের সুখ
আর্দ্র দিনে আমরা সকলেই সমবেত স্বরে
বৃক্ষ আর শস্যের জন্য প্রার্থনা সঙ্গীত গাই:
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28834910 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28834910 2008-08-25 21:25:36
শিরোনামের প্রয়োজন নেই, শুধু তুমি ঈশ্বরী এই কবিতার গন্তব্য কেবল তোমার দিকে
নির্ধারিত করে দিয়েছি-
তোমার দিকে- তোমার নির্মানের দিকে
শুধু তোমার উদ্দেশ্যে রচিত এই কবিতার
সকল পংক্তিমালা-
শুধু তোমার জন্যে।

এই কবিতার প্রত্যেকটি শব্দ তোমার প্রতিনামে
উচ্চারিত হবে- প্রতিটি বর্ণে বর্ণে কেবল
তোমার আয়ত দৃষ্টির বর্ণচ্ছটার রঙধনু দেখা যাবে-
পংক্তি থেকে পংক্তির দূরত্বে, ঈশ্বরের মতো-
ঈশ্বরীর মতো-
দুই পংক্তির মধ্যবর্তী নৈঃশব্দ্যে
তোমার চুপচাপ প্রহরগুলো উপমায়িত হবে-
কেবল তোমাকে লক্ষ্য করে এই কবিতার প্রতিটি চরণ-

তোমার হাসি-মুখ ঠোঁটের প্রান্তদেশে
যেরকম আমার কাতর চুম্বন ছুটে যায়-
তোমার গন্ডদেশে- বক্ষের উর্ধ্বভাগে
নাভী নিম্নে যেরকম আমার চুম্বন ছুঁটে যায়-
অথবা তোমার নক্ষত্রদ্বয়ে-
অথবা তোমার সমুদ্রে
আমার যে সন্তরনশীলতা-
এ নিছক যৌনতা নয়;
তোমার শরীরের সামনে-
তোমার ঈশ্বরী প্রতিমার সামনে
আমার দশটি আঙুল কেবলি কবিতা;
আমার চোখ মহাকাব্যের মতো মহত্ব নির্মানে
ঈশ্বরী, কেবল তোমাকে লক্ষ্য করে-

তোমাকে আবিষ্কারের নেশায়
তোমার আর্দ্র উষ্ণ নিঃশ্বাসের ঝড়োতায়
আমি সেই অভিযাত্রী;- তোমার কবি;

তোমার উদ্দেশ্যে আমার সকল চুম্বন কবিতা;
তোমার উদ্দেশ্যে আমার সকল আলিঙ্গন কবিতা;
তোমার উদ্দেশ্যে আমার সকল আলাপ কবিতা;
তোমার উদ্দেশ্যে আমার সকল যৌনতা কবিতা;

তোমার ওষ্ঠে বাহুতে উরুতে কামোন্মাদনায় নয়
কবিতা, কেবল কবিতার পংক্তি অর্ঘের মতো
রেখে আসি হে ঈশ্বরী;- তোমার স্নিগ্ধ ইচ্ছার সামনে-

তোমার দিকে- তোমাকে লক্ষ্য করে
এইসব কম্পমান অক্ষরগুলো
আর্তের মতো হাহাকার করে
সৃষ্টির অনিন্দ্য উল্লাসে;
এ নিছক পংক্তি নির্মান নয়-
তোমার নির্মান প্রয়োজনে, ঈশ্বরী

তুমি, তোমাকে লক্ষ্য করে এই রাতজাগা কবিতা;
দীর্ঘদিন আমি রাত জেগে কবিতা লিখি না
অথবা অনেকদিন কবিতার জন্য রাত জাগিনা;

তোমাকে উদ্দেশ্য করে অনভ্যস্ত এই রাতজাগা কবিতা
তোমাকে আবিষ্কারের আনন্দের মতো
তোমার মানচিত্রের সকল ভূ-রেখা পরিভ্রমনের মতো
এ কবিতা লেখা;

.................এ গোলার্ধ থেকে ঐ গোলার্ধের দিকে নয়
.................সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্তের দিকে নয়
.................গন্তব্য থেকে উৎসের দিকে নয়

তোমার নক্ষত্রদ্বয়ের জলবিন্দুর উদ্ভাসনের দিকে
তোমার মসৃন নাভীদেশের অতলান্ততার দিকে
তোমার চুড়ান্ত গন্তব্যের দিকে
এই কবিতা কেবল তোমার নির্মান প্রয়াসে, ঈশ্বরী
তোমাকে লক্ষ্য করে-
তোমার উদ্দেশ্যে রচিত, ঈশ্বরী আমার;



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28833862 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28833862 2008-08-23 10:08:33
খন্ডকালিন কবিতা হাহাকার
কতটা নিরব থাকলে তবে স্তব্ধতার কাছে যাওয়া যায়?
আর কতটুকু নিবর থাকতে হবে- হে আমার বিষন্ন
সুন্দর? জনতার তীব্র হাহাকার, সভ্যতার অশ্লীল চিৎকার
সঙ্গমে অতৃপ্ত নারীর ব্যর্থ শীৎকার, কোকীলের কান্নার
কোলাহলে ঢেকে যাওয়া পৃথিবী; যে রাত্তিরে
ঝরাতো তরল জ্যোছনা অনর্গল
সে রাত্রি জুড়ে আজ কেবল জনতার যন্ত্রনা কাতর চিৎকার।

দৃশ্যপট
ধোঁয়ার ভেতরে ভেতরে হেঁটে যায় সারি সারি গুবরে পোকার
সাঁজোয়া; ভ্যানের হেড লাইটের আলোয় ধরা পরে
পলাতক শেয়াল; সকালের সব রঙ চুরি করে নিয়ে গ্যাছে
একটি কালো রঙ এর পায়রা। শান্তির অন্বেষনে একদল উট
বমির মতোন গলা থেকে ঢেলে ফেলে দ্যায় অনেক দিনের জমানো জল;
দেখি সবকিছুই উল্টো দেশের উল্টো রাজার মতোন

বিষন্নতার শেষবিবৃতি
আজ শেষ দিন। বিষন্নতার আজ শেষ দিন। কাল থেকে যাত্রা শুরু
নিরন্তর দুখের দিকে; বিপর্যস্ততার দিকে; অনিশ্চয়তার দিকে
ধ্বংসের দিকে। আমাকে আলিঙ্গন করো হে বিগত দিন আমার
শেষবারের মতোন-জন্মাবধি ছিলাম তোমার সাথে- হৃৎপিন্ড
মিলাই; না, আজ আমার কোন অনুশোচনা নেই
ক্ষোভ নেই তিরস্কার নেই নিজের প্রতি। এই রকম দিন
ঠিক এই দিনের অপেক্ষাতেইতো ছিলাম অ্যাতো দিন। প্রেমে আর
আশ্লেষে আমাকে গ্রহন করো হে অনিশ্চি আগামি;

এই বর্তমান
অ্যাতো বিষাদ; ভুলের মাসুলগুলো দিতে দিতে। আর কি বোলবো,
স্বপ্ন দেখে দেখে চোখ খুইয়ে ফেলেছি; চোখের যে দোষ দেবো
সে উপায়ও নেই। আত্ম বঞ্চনায় ভুগি। এই ছিলো। এই নেই।
এই আমি। এই বর্তমান। এই-ই বর্তমান আমার।

সময়
আমরা সময়কে উচ্চারণ করে চলেছি ক্ষোভে,
ঘৃনায়, হতাশায়...
সময় আমাদের নিয়ে চলেছে কোথায়
আমরাই জানি; আমরাই সময়ের নির্ধারিত বিধাতা;

হে সময়, -হে সুমন
হে সময়, -হে সুমন,-
বিবর্তনে তুমিও বিবর্তিত;
আসন্ন কালের কাছে পরাজিত এক
তুমি ধুসর বিলুপ্ত লেখা; তোমার
মধ্যে বর্তমান হোক আগামির
অপ্রস্তাবতি ইঙগিত;
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28832688 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28832688 2008-08-20 09:50:54
Emonn! Stay in your home - I'll come The moon cries behind your rooftop, every night, i heard them telling;
Your garden blooms with silverflakes, from the deep blue space, those lyrics of unseen time befriend the verses that embrace a moving finger as you write.

I - miles away from those lyrics of solace and warmth,
Living in exile, a captive
Of the unforgiving jaws of sorrows - lost in darkness that's truly morose;
I'll walk past the labyrinth of hope and desire, to witness a glimpse of your lawn of love
Just wait for me at the eye of the silence - I'll come.



অনুবাদ কৃতজ্ঞতা: মৈথুনানন্দ দা




মুল কবিতা:

ইমন, বাড়ী থাকিস তুই; আমি আসবো
ইমন, বাড়ী থাকিস তুই, আমি আসবো; শুনেছি,
তোর বাড়ীর কার্নিশ গলে বিন্দু বিন্দু জোছনা ঝরে পড়ে-
রাত্রি ভর তোর উদ্যাণ জুড়ে নিবেদিত হয়
কবিতার মতোন জোছনার রূপালী অর্ঘ

আমি দীর্ঘদিন জোছনাময় কবিতার নৈঃসর্গিক সংসর্গ থেকে
নির্বাসিত; বহুদূরে নিঃসঙ্গ একা...।
আমি- আমাকে ঘিরে আছে গুচ্ছ গুচ্ছ অন্ধকার-
বহু আকাঙ্খা পেরিয়ে আসবো তোর উদ্যাণে
নৈঃশব্দ্যের কাছাকাছি;
তুই বাড়ী থাকিস, আমি আসবো;

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28831887 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28831887 2008-08-17 17:18:58
দ্বীপান্তরে ভাঙ্গা গলুইয়ের কাছে বন্ধকী রাখি পারাপার; অগ্নিভ সন্ধ্যায়
প্রান্ত-দ্বীপে আকাশ থেকে নেমে আসে যে আঁধার রঙের
উষ্ণতা, তাকে আমি অবহেলায় উপেক্ষা করে লিলিয়ান,
তোমারই মতো, তোমার ঘ্রানের মতো, তোমার লিপষ্টিকের
গৌরব-ম্লান করা নারীর নিকট সংস্থাপন করি আমার সময় প্রবাহ।

পৃথিবীর দিকে ফিরে আসা তোমার কখনোই হবে না;
ওড়ানর রঙ ফিকে হয়ে কালচে হ'লো; ঠিক তোমার মতো
তোমার নতজানু আঙ্গিকের মতোন। লিলিয়ান, তাই আমার
মতে অমিলের বিপরীতে সেই সস্তা রঙা মানবীর প্রতিষ্ঠা
আমার উদ্দেশ্যে যার প্রশ্নের বিরামহীন নিঃশঙ্ক আহ্বান;

আমার অপরাধী দৃষ্টি দ্বীপ-ভাঙ্গা অদৃষ্টের ঠাট্টায় মশগুল এখন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28831537 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28831537 2008-08-16 16:03:36
আনন্দ ভ্রমন শিস দিয়ে গান ধরে ট্রাকের হেল্পার
বিড়ি তার প্রসাধন নারকীয় প্রেম;
প্রধান আনন্দ তার ট্রিপ প্রতি পর
রঙণে শৃঙ্গারে রমনে পরস্ত্রী কর্ষণ
(আধুনা পৃথিবী তাই স্ত্রীও নয় কিঞ্চিতকর
স্বামীহীন শৃঙ্গারে তার বিনিদ্র ঘমার্ত ভ্রমন)
আধূনা পৃথিবী তাই ফিরে আসে সব
পথ তার রূপ পায়, পথিক সকল
রমনেই সুখ ভেবে আলিঙ্গনোৎসুক

মিথুন মৈথুন করে, হংস বলাকা
পক্ষিকূলও জানে রমন শৃঙ্গার ভ্রমন
পশুকূল জ্ঞাতিকূল, এ কূল সে কূল
পিতামহ রাম নাম জাপিবার কালে
পিতৃদেব ভাতৃদেব কণ্যা অবধি
কামরুপ কামাখ্যায় করিছে গমন;

অদৃষ্ট আধূনা তাই সড়কের ধারে
সংসার সংসার খেলা নির্ভিঘ্নেই চলে ;
হেল্পার বিড়ি ধরায় সাইড সিটে বসে
হৃদয়ে অনন্ত তার প্রেম লীলা চলে;
পরস্ত্রীর আলিঙ্গন ভীষণ মধূর
হাল্কা বাঁয়ে যাবে ট্রাক সতর্ক চালক;
ষ্টিয়ারিং ডান হাতে বাম পায়ে গতি
হৃদয়ে পরস্ত্রী রতি, ইচ্ছায় স্ত্রী সতি;
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28830803 http://www.somewhereinblog.net/blog/pranab2008blog/28830803 2008-08-14 14:02:14