আশরাফ শিশির এর দীর্ঘকবিতা দুধধান ২য় অংশ
দাঁড়িয়ে বসেই আছি তীর্থের কাক
প্ররোচিত সেই প্রথাগত নীল
শুন্যের গায়ে মিশে হয়েছে আকাশ
ভাগ্যরেখায় মাটি কঠিন ও ধুসর
প্রত্যাখ্যানে ওড়ে পাখীদের ডানা
ঝাপটানো সন্ধ্যায় তোমারওতো ঠোঁট
কাঁপা কাঁপা ঠোঁট হয়ে ঠোঁট ছুঁয়েছিল
অমৃতও মরে যাবে যদি দাও মদ
ঘোড়ারা ঘুরতে এসে গোটা পাড়া গাঁ
অশ্বগতির দৌঁড়ে হেঁটে হেঁটে যাবে
অঘোড়া তখন ডুবে অঘোর সে ঘুম
জ্বেগে উঠবার আগেই মদ হোক ধান
এমন মদেই বুঝি চাঁদ ডুবে যায়
চাঁদমুখও মুছে যাবে শুধু কিছু স্মৃতি
দুঃখতা হাঁটু গেড়ে আরো এক পেগ
অনেক কষ্ট চেপে সে হল মাটিচাপা
আমাকে দাঁড়িয়ে রেখে গোর পাহারায়
গেঁজানো দুঃখগুলো পূনর্জীবন
ফিরে এসে চায় কিছু সাজানো সময়
দুঃখেরা বরাবর ঋণী ছিল বলে
অন্তেষ্টিক্রিয়ায় ছিল কিছু বাঁধা
বিপন্ন করা যেত এই প্রস্থান
ফেরাতে পারিনি শুধু তোমার যাওয়া
ফেরারা আসবে ফিরে এবং সেও
কলংকে চাঁদওতো জ্বলে বিশ্বাসে
খোদার কসম ফেলে রেখে যাবো না
করুণা করার মতো এতটুকু স্মৃতি
ও মদ পান করো আমার শরীর
ফিরে এসে সে যেন না পায় আমায়
আমাকে তরল করো গড়িয়ে যে জল
কিছুটা মাটিতে যায় কিছুটা আকাশ
ছুঁয়ে যেন না দেয় সে নিরন্ন মন
যে নারী আসবে তার সংসার আছে
পুনরুত্থানে যদি জ্বাগে দুধধান
চোখের জলেরা হবে দীর্ঘতর
সে জল মুছে দিতে আমার এ হাত
থাকবে না জল হয়ে বৃষ্টিতো হবে
বৃষ্টির গান কবে কে বুঝেছে মন
সহজিয়ানায় তুমি এতটা কঠিন
আমাকে খেয়েই ফেলো ভাঙ্গো সংযম
খোরাকীতে মুদ্রাও যথারীতি ফুটো
কামদ ভেতরে এক কালো জল মদ
ছলচাতুরী হয়ে হল উপাসনা
তুমি কি ভালই আছো ভালোদের মেয়ে
ভাল মানুষের সাথে কাটে ভাল দিন
আরো ভাল দিন আসুক আরো ভাল রাত
নষ্ট মানুষের দুঃখ হয়ো না
নির্ভরতার বুকে হাঁটি বুক ভর
এক দমে নিঃশ্বাস চোখ বুজে আসে
ভেতর ও বাহিরে তারও অনেক ভেতর
বিস্তারিতরা সব হল সংক্ষেপ
ধানদের মেয়ে গেছে নাইওর তো শেষ
আঁড়বাঁশি জ্বেগে ওঠে রাখালের হাড়
মজ্জা ও করোটিতে ভেসে আসে সুর
বসে থাকে ধেনো মদ তাকে ফেরাবে না
ফিরতি পথেও ফেরে কোন কোন পথ
তোমার ফেরার কথা জানে না তারিখ
তবু কার অবতার অথবা প্রেমিক
হাতগুলো ছুঁয়ে দেয় গোপন কবর
তোমার গোপন ছুঁয়ে অপরাধবোধ
ভীষণ শুধরে দেবো দেখো কোনদিন
আপাততঃ এই ঋণ অথবা খেলাপ
গোলাপের চোখে হোক শুধু আমানত
দুধের মতই এক দুধতর দুধ
দুধেল সময়জ্ঞান ভুলে ঘড়িকাঁটা
তোমার ধানের মত গোপন এক মদ
কোদালের মাটি কোপে নিল প্রতিশোধ
ওই দেখো দুধধান মদ হল ওই
মাতাল খুঁটিতে চেপে মাটির কবরে
তারপর উঠে আসে গলাধঃকরণ
জাগোয়ার জেগে ওঠে আধো জাগরণে
জাগ্রত তবু এক ঘুমকাতুরে
ঘুমিয়ে যাবার আগে আরো একবার
পেয়ালা গড়িয়ে দিয়ে আবারও মাতাল
সমতল বুঝে নেয় অতলান্তিক
ডুব দিয়ে ভেসে উঠে দিই এক ডুব
ফ্যাদম পাল্টে লিখি বুকের টোটেম
সেখানে তোমার চোখ নিয়ত সরল
বিশ্বাসও চোখ বুজে জন্মান্ধতা
আমাকে মাতাল করো লিরিকের বোন
ছান্দসিকের শোকে বুকের বাতাস
দুলে উঠবার আগেই অন্তঃমিলে
চুমুকে চুমুকে হোক মহাপয়ার
মদেরা তরল হোক বরফের কোপে
দগ্ধ তামাক দেখো বরফপ্রতিম
তুমি কি ভীষণ খালি তবে ভরে ওঠো
খোলামাঠ করো পান যাবতীয় ধানে
চুমুকে তোমার মুখ মনে পড়ে কেন
পানের অযোগ্য স্মৃতিদের ফেনা
সমুদ্র ভুলে গেছি এবং মোহনা
সম্ভাবনায় দেখি দু’একটা চুল
পড়ে আছে ঠিক অথবা উড়ে
এসেছে কোথাও কারো মতিভ্রমে
দুগ্ধবতী এক ধানের মোহে
দুষ্ট জীনের মত দুরে পড়ে আছি
ধান সনত্মান ধান এবং মদে
আঙ্গিকে আরোপিত একই নারী চোখ
জন্মান্ধের মত জন্ম মাতাল
নারীগন্ধেই ধান ভুলেছে ঈমান
আমিও কবি দেখো কবিতাবিহীন
অথচ মাতাল দিন সারাটা জীবন
এটুকু মদে আর কতটুকু হবে
অতি পান করেছি দিও না দোহাই
তোমাকে হাত ভেবে ভাবিনি ঘড়ি
নিজেকে বৃত্ত ভেবে ঘোরে না চাকা
তোমারও অধিক ছিল জ্যামিতিক জ্ঞান
আমাকে ন্যাংটো করে লাভ হল না
চোখের দুঃখ দেখি আরেক চোখে
জল এসে জমে গেছে নাকি ধেনোমদ
গাল ও চোয়াল বেয়ে ভিজে যায় গলা
এখন গাইলে গান অদ্ভুত হবে
রাজপুত হয়ে হাত ছুঁয়েছে যে জল
তা কবে মদ হয়ে মদে ডুবে গেছে
বুঁদ হয়ে দেখি মন প্রপিতামহ
শুন্যে বরাদ্দ যত খাস জমি
সরেজমিনে আবার কামাতুর ক্ষেত
প্রকৃত নাগর দিও নতুন ফলন
আমিতো ফিরেই যাবো যাবো না শহর
গ্রামও নারীর মত পুরুষলোভী
এইবার দরকার দেখা ঈশ্বর
তার ছায়া ছুঁয়ে দিয়ে হোক ছায়াছবি
সে আসুক নিয়ে যাক আর কোন নারী
ছুঁয়ে যেন না দেয় এ নিরন্ন মন
ধানসনত্মানেরা ভুলে যাক পিতা
আমার মৃত্যু হোক জন্মেরও আগে
তার আগে জবাবদিহী দাঁড়িয়েছে পথ
ঈশ্বর কোন মদ আমাকে ভোলাবে
তবুও রাতের মত ফুরে আসে মদ
ফুরসতে স্মৃতিরাও ঘুরেটুরে আসে
তোমাকে নামায ভেবে পড়ে নিই আবার
অন্তরে নিয়ত কুমারী পুজো
জালে আটকে গেছে বড় এক মাছ
আমারও ছিল খুব জাল প্রয়োজন
মাতাল চোখের দিক নিষেধ কাবা
বিবিধ কাছিম যাবো ওরসে আবার
আমাকে চোখ ভেবে দেখোনি কখনো
তুমিতো শরীর হয়ে পরিধেয় করো
অন্তর্বাস নয় কাফন ও লোবান
এমন মৃত্যু দিনে কোনদিন এসো
তোমাকে কবিতা ভেবে ভেবেছি নারী
মাংসের ভেতরেও আরেক অবয়ব
শিল্প ও সুন্দর দেবী তারপর
বরাবরই বেড়ে গেছে মাংসের দাম
দুধধান ভাল ছিল নিষ্পাপ ধান
ভালবেসে টিপ দিলে হয়ে যেত দুধ
নিয়ত মাটির ছাঁচে নিটোল যুগল
আমিতো অধঃস্তন সারাটি জীবন
কবিতার সবই ছিল ছিল না শরীর
তাইতো নারীর কাছে নিতে হল ঋণ
আর কোন মদ নয় অথবা নারী
এইবার ঈশ্বর আমি ও আদম
দীর্ঘসূত্রিতা ঃ
যে ধানে মদ হয় সে ধানে নবান্ন নেই
সেই ধানে রেঁধো ভাত তৃষ্ণা মেটাবো
আর তোমাকে খাবো
আমাকেও খেয়ো তুমি যদি পারো কিছুটা লবন
আমার অধিক হলে তোমাকে দিতাম.................
(দক্ষিণ ভারতে বসে লেখা )
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।