এটা কোন কবিতা না
শার্টের কলারে ময়লা জমে বলে আপা আমাকে সাবধান হতে বলেছে,
বাবা বলেছে চুলের কথা,
“খোকা পেছনে ওরকম চুল ঝুলিয়ে রাখেনা,
দেখতে অসভ্যের মতো লাগে।
বাবার কথায় আমি কোন দিন রাগ করিনি।
ভাইয়া আমাাকে গার্লস স্কুল রোডে দাড়াতে নিষেধ করেছে
বারে! আমি কি ঔ রোডে যাই নাকি!
বিজনেস ম্যাথ প্রাকটিসের জন্য ঐ রোগের
একতলা ঘরটার ১৬ নং রুমটা যেতে হয় মাঝে মাঝে
ভাইয়া না বুঝে বলেছে বলে তার কথায়ও আমি কিছু মনে করিনি।
রনি ভাই বলেছে অন্য কথা। মেয়েদেকের ফোন করে
টাকা খরচ করতে নিষেধ করেছেন।
বলেছেন, ‘ দ্রব্য মূল্যের এহেন পরিস্থিতিতে এটা জাতির জন্য একটা অপূরনীয় তির কারণ হয়ে দাড়াবে।
চ্যাটিং এ রনি ভাইকে আমি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছি,
আমি মেয়েদের ফোন করিনা। মাঝে মাঝে তাহেরাকে করতাম শুধু। বন্ধু বলে। কি একটা কারনে এখন আর সেটাও হচ্ছেনা।
আমি বাংলা সাহিত্য নিয়ে চর্চা করি; রাসেল ভাই তাতে জোর আপত্তি তুলেছেন।
বলেছেন, ‘করলে ইংরেজীটা নিয়ে কর। ইংরেজী ভাল পারিনা, তারপরও কেন যেন ঐটা বেশ ভাল লাগে।
এরপর আমি খুব একটা দেরি করিনি।
৮ লাইনের একটা কবিতা লিখে তাকে এসএমএস করে জানিয়ে দিয়েছে
russell vi, Now I am complete foreign poet.
প্রিয় শিক্ষক বলতে আমার তেমন কেউ নেই।
হাইস্কুলের স্যারদের জোড়া বেত, কলেজে বেসামাল অনুপস্থিতি- নানা কারনেই প্রিয় স্যার হয়ে
কেউ উঠতে পারেনি। তাই তৈফুর ভাই (প্রাইভেট টিচার) ই আমাদের প্রিয় স্যার।
তিনি কাজের কথাটাই বলেছেন, ‘বলেছেন, তোমাদের খুব বেশি বেশি করে ইংরেজি প্রাকটিস করা উচিৎ।
আমি ভাইয়ার কথা ফেলতে পারিনি।
থার্ড ইয়ারের কোন কোর্সই ধরা নাই, তার দিকে খেয়াল না দিয়ে আমি
ইংরেজীর পিছনে নেমে পড়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। স্পোকেন ইংলিশ এর মোটা মোটা
বই গুলো সংগ্রহে লোক লাগিয়ে দিয়েছি।
এ তো গেল কথা রাখার পালা। অনেকে অনেক কথাই বললো, সবার কথাই শুনেছি।
কারও কথায় কোন আপত্তি তুলিনি, দুঃখও পাইনি।
শুধু একটা কথা না বলায় আমি দুঃখ পেয়েছি,
যদি কোন একজন আমাকে বলতে ”. শুধু একজন-
'"তুমি যে এত জনের এত কথা রাখছো, আমার কথা কিছু রাখবেনা?’"
তবে আমি সবার কথা ফেলে শুধু তার কথাই রাখতাম,
শুধু তার কথা।।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

