সারাদিন মাঠে কাজ করতে হয় বলে রাতে বড় ক্লান্ত ঠেকি! ব্লগিং ভাল লাগলেও গতরে জোর পাইনা । টাইপ করার মতো মন আর থাকেনা তখন। ছোট একটা প্রেমও করি আবার! ওর বাপে বাড়ি থেকে বের হলে একটা মিস দেয়। তখন ২/চার মিনিট কথা বলতে পারি। এই সময়টা বিকেলের শেষ দিকের। তাই সন্ধার আগে আগে ভালই থাকি। আগামী সপ্তাহের রবিবার ওর বিয়ে। এইজণ্য তেমন একটা দুঃখ হয়যে হয় তাও না। দুঃখটারে খুব কইরা আপন করছি বইলা এইটা আমারে খুব একটা কষ্ট দিতে পারেনা। ঘরে সৎ মা, উনি আমারে সিনেমার সৎ ছেলের মতোই আদর(!) করেন! বাপে জন্ম দিছে বলে দুইটা ভাত খাওয়ায়। সিজনে তার কেনা মাঠে কাজ কইরা ঐ ভাতের দাম আমি পুরোপুরি শোধ কইরা দেই। এইবার আমাদের মাঠে ভাল ফলন হইছে। তাই বাপের মন খুশি খুশি। শীত আসনের আগে আগেই আমার জন্য একটা লেপ বানাতে দিছে শুনলাম।
সন্ধার পর শহরে ঘন্টা দুইয়ের জন্য আসি। এই শহরে ছোট্ট একটা ক্যাফে আছে। ক্যাফের মালিক আমার ক্লাস মেইট বইলা রাত ৯ টার পরে ও আমার কাছে ঘন্টা ১০ টাকা কইরা রাখে। আমি তখনই একটু সময় পাই। এই যেমন এখন পাইলাম।
ঐযে প্রেমটার কথা বলছিলাম না, ওর চলে যাওয়াতে কেমন যে লাগতিছে বুঝতে পারতিছি না। কষ্ট না হওয়ার কথাটা বোধ হয় মিথ্যা বলছি। কালকের ওর কাছ থেকে খবরটা শোনার পর থাইকা আমি তেমন কিছু খাইতে পারিনাই। বমি আসে, খাইতে গেলেই বমি আসে। কষ্ট হইলে বমি আসে কিনা জানিনা। আমিতো সব সময়েই ঐটার মধ্যে থাকি। তখনতো বমি টমি আসেনা। তাইলে এইটা হয় ক্যান বুঝতে পারছিনা। কষ্ট কি খুব বেশি পাইতেছি? খুব বেশি কষ্টে বমি আসে?
আমার চোখে পানি আইসা যাইতেছে। আমি আর লিখবোনা। বন্ধুরে চোখের পানি দেখাতে লজ্জা লাগতিছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



