আমার প্রিয় পোস্ট
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- বীরাঙ্গনা ......... আজো ক্ষমা চাই তোমাদের কাছে........ - হনলুলু
- বৃষ্টি এবং টেলিপ্যাথী - উত্তরাধিকার
- বাক্যমুক্তি...................... (গল্প) - রন্টি চৌধুরী
- নুপুর পরা মেয়েটি, খুঁজছি তোমায় - রিপোষ্ট - রাতমজুর
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- একাকিত্বের অন্ধকারে ----- - বিষাক্ত মানুষ
- অতিক্রান্ত সময়...... তুমি...... আমি...... - দেবদারু
- উৎসর্গ ....... আমার সতের বছর বয়স ...... - হনলুলু
- ঘুমের আবেশে,ভালোবেসে... - ২য় জীবনানন্দ
- বাবা তোমায় ভালোবাসি - একরামুল হক শামীম
আবর্তন... (গল্প)
০৩ রা জুন, ২০০৮ রাত ১:৩৭
বসন্তের এই বিশেষ দিনটির জন্য সারা শহর অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করে থাকে। বিশেষ করে শহরের তরুণ-তরুণীদের মাঝেই উত্তেজানার ঢেউ একটু বেশি লক্ষ্য করা যায়। তাদের সারা বছরের সমস্ত প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে আজ বিশিষ্ট লাভ স্টোরি রাইটার ড্যানিয়াল লিয়ানের পঞ্চমতম প্রেমের উপন্যাস প্রকাশিত হতে যাচ্ছে।
এই দিন সকাল হতেই শহরের বইয়ের দোকান গুলোতে লম্বা লাইন লেগে থাকা একটা পরিচিত দৃশ্য। কে কার আগে প্রিয় লেখকের গরম গরম টাটকা বইটা হাতে নিবে তার প্রতিযোগীতা শুরু হয়ে যায়। তারপর কিছুদিন পাড়ায়-পাড়ায় তরুণদের মাঝে জটলা চলতে থাকে। বইয়ের বিভিন্ন ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানান রকমের আলাপ-আলোচনা হয় তাদের মাঝে। আবার হ্য়তো কখনো দেখা যায় পার্কের বেঞ্চে প্রেমিকের বুকে মাথা রেখে প্রেমিকা হাওয়ায় উড়ে বেড়ানো ফুলের রেণুর তালে তালে গল্পের সবচেয়ে রোমান্টিকতায় পূর্ণ প্যারাগুলোর স্মৃতিচারণ করছে!
ড্যানিয়াল লিয়ানের বইয়ের প্রতিটা পাতা থেকে যেন আবেগ চুঁইয়ে চুঁইয়ে পরে। বই প্রকাশের পর থেকে শহরের ঘরে ঘরে চিরাচরিত চিত্র কিছু দিনের জন্য হলেও পালটে যায়। প্রকৃতির সাথে সাথে শহরের মানুষগুলোর মনেও যেন বসন্তের রঙিন তুলির ছোঁয়া লাগে।
লিয়ানের বইয়ের আবেগ পূর্ণ ভাষা কখনও কোন তরুণীর চোখের কোণের জলের কারন হয়ে দাঁড়ায়, আবার হয়তো কখনো বয়স্ক কোন পাঠককে তিরিশ- চল্লিশ বছর আগের সেই যুবক বয়সের ঝলমলে দিনগুলোতে ফিরিয়ে নিয়ে যায়। একঘেঁয়ে জীবনের ব্যাস্ততার ফাঁকে মধ্যবয়স্ক পাঠককে আবারও নতুন করে তার প্রিয়তম মানুষটার অনেক বেশি নিকটে পৌঁছে দেয় ভালোবাসার মাধুর্যে পরিপূর্ণ সেই সব উপন্যাস।
অন্যদিকে পড়ার বইয়ের ফাঁকে লুকিয়ে লুকিয়ে উঠতি বয়সী কিশোর-কিশোরীরা চোখ বড় বড় করে গোগ্রাসে গিলতে থাকে আর ভালোবাসার গভীরতা উপলব্ধি করে শিহরিত হয়ে উঠতে থাকে।
এমনই ভালোবাসার যাদু ভরা লিয়ানের উপন্যসগুলো। এমন লেখকের ফ্যান ক্লাব থাকবেনা তা তো হয়না। শহরের একদল তরুণীর রুমের দেয়ালে স্থান পায় লিয়ানের হাস্যোজ্জল পোস্টার, তাদের সারা জীবনের একমাত্র স্বপ্নই যেন লিয়ানের কাছ থেকে একটা অটোগ্রাফ পাওয়ার। আর তার সাথে যদি কোনক্রমে একটা ছবি তুলতে পারে তাহলে তো কথাই নেই। সেই আরেক স্টার হয়ে যায় যেন।
নিজের বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটা কোনক্রমে শেষ করেই আজ ড্যানিয়াল লিয়ান তার সব ভক্ত দর্শকদের মন ভেঙ্গে দিয়ে গাড়ি নিয়ে বেড়িয়ে যায়। কাল রাত থেকেই তার শরীরটা ভালো লাগছেনা তেমন। মাথা ব্যাথা নিয়ে হলেও আজ তার অনুষ্ঠানে আগমন। সে নিজেও ভিতরে ভিতরে এই দিনটার জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। কিন্তু শরীরটা তার আজ কিছুতেই মানছে না।
গ্যারেজে গাড়ি পার্ক করে রেখে বাসার ঢুকে ব্লেজারটা খুলে স্ত্রীর হাতে দিতে দিতে লিয়ান জানায় তার শরীর খারাপের কথা। এখন শাওয়ার নিয়ে সে নিজের ঘরে বেশ কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে চায়। কিন্তু তার আগে সে এক কাপ গ্রীন টি পেতে পারে নাকি জানতে চায়।
তার স্ত্রী সম্মতি জানিয়ে জিজ্ঞাসা করে আজ বইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান কেমন হলো। সে একটু আগে চলে আসলেও সব কিছু বেশ ভালো মতোই সম্পন্ন হয়েছে, দোতলার সিঁড়ি দিয়ে উঠতে উঠতে লিয়ান জানিয়ে দেয়।
দোতলায় যখন লিয়ান শাওয়ার নিতে থাকে নিজের তলায় তার স্ত্রী কেটলীতে ফুটন্ত গরম পানির দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে অবচেতন মনেই হিসাব মিলিয়ে যেতে থাকে।
মানুষটা তার সমস্ত ভালোবাসা আবেগ অনুভুতি নিজের লেখার মাঝেই ঢেলে দেয়। উপন্যাসের নায়িকার অশ্রু সিক্ত চোখের জল কি সহজেই না হাতের তালু দিয়ে মুছে সে বুকে টেনে নিতে পারে কিন্তু নিজের স্ত্রীর বুকের হাহাকার সে এত বছরেও টের পেল না। ঘন্টার পর ঘন্টা সে স্টাডি রুমে কাটাতে পারে কিন্তু স্ত্রীর একান্ত অল্প কিছুটা মুহূর্ত তার সাথে কাটানোর আর্তনাদ সেই রুমের চার দেয়াল ভেদ করে তার কাছে পৌঁছায় না। তার কলমের স্পর্শে নায়িকার অপরূপ রূপে কি সহজেই মুগ্ধ হয় প্রেমিক নায়ক, কিন্তু নিজের স্ত্রীর যে রূপ-লাবণ্য ছটা ধীরে ধীরে অযত্ন আর বয়সের ছাপে ঢাকা পরা শুরু হয়েছে তা কখনোই তার মনে মুগ্ধতার সঞ্চার করেনি।
চায়ের কাপে রাখা টি-ব্যাগটা গরম পানি দিয়ে ভিজাতে ভিজাতে নিজের এত বছরের নিয়তিকে ঝাপসা চোখে আবারো মেনে নেন মিসেস ড্যানিয়াল লিয়ান।
আসলে গল্পটা কিন্তু এখানেই শেষ। আরো যদি বলতে যাই তাহলে ঘটনাগুলো চক্রাকারে ঘুরতে থাকবে। আবারো কোন এক বসন্তে হয়তো লিয়ানের অনেক পরিশ্রম আর ভালোবাসা দিয়ে দাঁড় করানো আরেকটা বই প্রকাশিত হবে, সারা শহরের মাঝে সেই বই ভালোবাসার রঙ ছড়াবে কিন্তু নিজের পাশের ঘরের মানুষটা কোন রঙে সাজবেনা, মুখোশের আড়ালে তার জীবনের সঙ্গীটা সাদা-কালোই থেকে যাবে। লিয়ানের সুদূর অতীতে কিছু ঘটেছিল কিনা আমার জানা নেই যদি ঘটেও থাকে তবে সে আজো কেন তা আঁকড়ে ধরে আছে সেইটাও আমার জানা নেই।
হয়তো মিসেস লিয়েনের মতো একজন নারী সত্ত্বার নিজের নিয়তিকে মেনে নিয়ে নতুন স্বপ্ন-আশায় বেঁচে থাকার মতো গুণাবলী একজন লেখক হয়েও ড্যানিয়াল লিয়ানের মাঝে নেই!
---------------------------------------------------
[লেখাটা মনে হয় কেমন জানি একটু রূপকধর্মী হয়ে গেসে
]
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্প, গল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: (অপ) গল্প বিভাগে ।
লেখক বলেছেন:
থাঙ্কু!
লেখক বলেছেন:
কোন মেয়েটা রাতমজুর ভাই ?!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে, খুব ভালো লাগলো মন্তব্য পেয়ে।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
চায়ের কাপে রাখা টি-ব্যাগটা গরম পানি দিয়ে ভিজাতে ভিজাতে নিজের এত বছরের নিয়তিকে ঝাপসা চোখে আবারো মেনে নেন মিসেস ড্যানিয়াল লিয়ান।................কথাটা মন ছুঁয়ে গেলোলেখাটি বেশ ভালো হয়েছে।
শুভেচ্ছা জানিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: আসলে আমার মনে হয় (ছেলেদের চেয়ে একটু বেশি) মেয়েদের মাঝে যেরকমই হোক নিয়তিকে মনে নিয়ে দিনের পর দিন বেঁচে থাকার একটা অদ্ভূত ক্ষমতা স্রষ্টা দিয়ে দিয়েছেন!
লেখক বলেছেন:
তাই নাকি রে?
লেখক বলেছেন:
!!
রাতমজুর বলেছেন:
স্যরি তমা'পু, ওটা সাজি আপুরে জিগাইতে হবে, ভুলে আপনেরে লিখছি।
ভালো থাকবেন, মার জন্য একটু দোয়া কইরেন, দিন দশেক ধরে শরীরটা ভালোনা তার।
লেখক বলেছেন: ঠিক আছে রাতমজুর ভাই। ইনশাল্লাহ, শীঘ্রই তাঁর সুস্থতা কামনা করছি।
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
আলোচনাঃ শুরুটাতো দুর্দান্ত। মনে হচ্ছিল বহুল চর্চিত কোন লেখকের উপন্যাসের প্রথম পরিচ্ছেদ পড়ছি।সমালোচনাঃ শেষের দিকে এসে হঠাৎ এমন সারমর্ম টাইপ বর্ননা কেন করা হল? গল্প হিসেবে চমৎকার শেষ হতে পারত।
আবদারঃ রিরাইট করে একটি অসাধারন গল্প উপহার দিন প্লীজ।
+দিয়েছি।
লেখক বলেছেন: আলোচনাঃ
আমার কখনোই লেখালিখির অভ্যাস নেই। আজকাল আপনাদের উৎসাহ পেয়ে মনের আনন্দে যা মনে আসে তাই লিখে ফেলি।
সমালোচনাঃ
সারমর্ম টাইপ বর্ননা হয়ে গেছে? আসলে আমার মূল ইচ্ছা ছিল বিশেষ দুইটা বিষয় বোঝানোর। তাই শেষে ঐ অবস্থা হয়ে গেছে মনে হয়। গল্প হিসেবে কিভাবে শেষ হবে?
আবদারঃ
এই মহা অলস রিরাইট করেই বা কতটুকু পরিবর্তন আনতে পারবে!
এক্ষেত্রে লেখক সাহায্যপ্রার্থী!
তবুও প্লাস পেয়ে অনেক অনুপ্রাণিত হলাম।
অ-নে-ক শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকুন বেশি করে মন্তব্য করুন ![]()
""শ্রাবণী"" বলেছেন:
অসাধারণ হয়েছে আপু। লেখা লেখির অভ্যাস না থাকলেও এত ভাল কি করে লিখেন মাথায় ঢুকে না
লিখতেই থাকেন আপু।
লেখক বলেছেন: হিহিহি এই রকম করে বললে গলে টলে ভর্তা হয়ে যাব তো
!!! এইটা ভালো হইসে!!
শ্রাবণী আপুর লেখা পড়ে আমারো মাথায় ঢুকে না এত সুন্দর কিভাবে লিখে ফেলে সে!
এখন থেকে হচাপচা যা মনে আসে মহা আনন্দে লিখতে থাকবো ... তখনও সাথে থাকতে হবে কিন্তু...
অনেক ভালো থাকুন...প্রাণঢালা শুভেচ্ছা রইল
উত্তরাধিকার বলেছেন:
আমি নতুন ব্লগে, তথাপি বলছি একান্ত নিজস্ব অভিমত।
আপনার লেখা পরিষ্কার।
বক্তব্য সুস্পষ্ট।
আয়তনে বড় হলে পাঠক হিসেবে আমরা আরও কিছুক্ষন আনন্দ পেতাম সত্যি কিন্তু তাই বলে সৃস্টির সৌন্দর্যের ঘাটতি আমার কাছে লাগে নি।
অনেক শুভেচ্ছা নিন।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য পেতে আমার খুবই ভালো লাগে, নতুন ব্লগার বন্ধু বলে মনেই হয়না।
সত্যি কথা বলতে কি, আমার কখোনই এভাবে লেখা হয় নাই, এত উৎসাহ পূর্ণ মন্তব্য পেয়ে যখন যা ভাবি তাই লিখে ফেলি
ভুল-ত্রুটি গুলো ধরিয়ে দিলে করলে হয়তো পরবর্তি লেখাগুলো আরো ভালো হবে...
ব্লগে এত দারুন দারুন লেখা পড়লে নিজের পোস্ট দিতে অনেক সময় খুবই লজ্জা লাগে...
যাই হোক উত্তরাধিকার অ-নে-ক শুভেচ্ছা রইল। অনেক ভালো থাকুন আর বেশি করে মন্তব্য করুন।
সঞ্জিব বলেছেন:
এই রকম সবাই লেখতে পারেনা,অন্তত আমি পারি না.....মাঝে মাঝে ভাবি....ত্থাউকগা+
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সঞ্জিব শুভেচ্ছা রইল... কিন্তু আমার পাওনাটা
? হিহি!
নিহন বলেছেন:
দারুন হয়েছে ।
লেখক বলেছেন:
পলাশ রহমান বলেছেন:
এই মন্তব্যটি মুছে ফেলা হয়েছে, মন্তব্য করার সময় ব্লগ ব্যবহারের শর্তাবলীর দিকে খেয়াল রাখুন । শর্তাবলী
নিলা বলেছেন:
কষ্ট অনুভব করলাম।
লেখক বলেছেন: আসলেই মানুষের ভিতর আর বাইরের রূপের পার্থক্য আমাকে খুব কষ্ট দেয় !! ভালো থাকুন নিলা।
রুবেল শাহ বলেছেন:
কেন এমন কষ্ট পায় মানুষ-------- ?
লেখক বলেছেন: হুমমম সেইটা তো আমিও ভাবি কেন এমন হয় মানুষ------ ?
শুভেচ্ছা রইল।
~টক্স~ বলেছেন:
লেখাটি রূপকধর্মী হলেও চমৎকার হয়েছে।আমার কাছে অবশ্য মনে হচ্ছিল যেন কোন নামকরা বিদেশী লেখকের অনুবাদ করা কোন গল্প পড়তে বসেছি।জীবন তো এমন করেই কাটে আমাদের তাইনা !!!লিখতে থাকুন।আপনার জন্য শুভকামনা।
লেখক বলেছেন: অনেক থ্যাঙ্কু
আসলেই এভাবেই জীবন কেটে যায়...কিছু পাওয়া আবার কিছু না পাওয়া...ভালো থাকুন সবসময়...শুভেচ্ছা রইল।
যীনাত বলেছেন:
ওয়াও। দারুণ। এমন লেখা আনেক দিন পড়া হয় না।।+দিলাম।
গল্প লেখার একটা গ্রুপ খুলেছি - 'গল্পঘর'। সদস্য হতে পারেন।খুশি হব।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ যীনাত
আমি গ্রুপটা আগে খেয়াল করিনি... জয়েন করলাম জানিনা কতটুকু ভালো লেখা দিতে পারবো তবে আপনাদের দারুন দারুন লেখা পড়ে অনেক অনূপ্রেরণা পাই... শুভেচ্ছা নিন।
দূরন্ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। আর সাথে শুভেচ্ছাও রইল অনেক।
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
অন্যরকম একটি গল্প পেলাম এখানে............আপনার লেখাটা সাবলীল, সবার জন্য...
এ জন্য বিশেষ ভাল লাগল।
কয়েকটা লাইন ভাল লেগেছে বেশ।
অনেক লাইন হয়ে যাবে ভেবে আর কোট করলামনা।
লিখতে থাকুন ,
আর ভাল থাকুন সবসময়.........
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
আর একটা কথা বলতে ভুলে গেলাম।শিরোনামটা অসাধারন হয়েছে......
খুব প্রাসংগিক......
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ভালো লাগলো এত সুন্দর উৎসাহপূর্ণ মন্তব্য পেয়ে। আসলে মানুষের বাইরের আর ভিতরের রূপের পার্থক্য আমাকে মাঝে মাঝে খুব কষ্ট দেয়.... জীবনে চলার পথে অনেক কিছুকে নিয়তি বলে মেনে নিয়ে আমাদের আগিয়ে চলতে হয়...ভালো থাকুন...শুভেচ্ছা রইল।
ভুতের আড্ডা বলেছেন:
অসাধারণ, দারুন লাগলো।
লেখক বলেছেন: অনেক দিন পর আপনাকে দেখলাম...কেমন আছেন?...নতুন ভূতের খবর পাব কবে আবার???
শুভেচ্ছা রইল।
লেখক বলেছেন: হিহি এখন অনেক রাত ঘুমাতে যাওয়ার আগে একটু ঢুঁ মেরে গেলাম
...ভাত রান্না কেমন চলছে? ![]()
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
বেশ তো
লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু ![]()
নিয়াজ মোর্শেদ চৌধুরী বলেছেন:
পড়ে চমৎকার লেগেছে। আরেকটু বড় হলে আরো তৃপ্তি পেতাম। ঠিক যখন মজাটা পেতে শুরু করলাম, তখনই যেন শেষ হয়ে গেল। যদিও ছোট গল্পের এটাই স্বভাব। লিখতে থাকুন। শুভকামনা রইলো। (+)
লেখক বলেছেন: আপনার শুভ কামনা পেয়ে খুবই ভালো লাগলো...সময় করে আপনার সব লেখাগুলো পড়ে ফেলতে চেষ্টা করব। আমার ব্লগে আপনার জন্য অনেক শুভেচ্ছা রইল। ভালো থাকুন সবসময়।


















