কয়েকদিন ধরেই মাথার অবশিষ্ট নাট-বল্টুগুলো আর খুঁজে পাচ্ছিনা:

যাত্রা পথের যাত্রী (গল্প)

১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৩৬

শেয়ার করুন:                   Facebook

This is Hunts Point Avenue.....
Our next stop is Whithlock Avenue....
Stand clear of the closing door please....
বলেই ট্‌খ্‌স করে বন্ধ হয়ে গেল দরজাটা।

দরজার কাছেই একটা খালি জায়গা দেখে ঝুপ করে বসে পড়লো সরোজ, এখানে ভদ্রতা দেখানো বোকামি। ছোট্ট একটা ঝাকি দিয়ে ততক্ষণে সিক্স ট্রেন চলা শুরু হয়ে গেছে। ট্রেনের তালে দুলতে দুলতে অনেকেই যারা বসার জায়গা পায়নি কিংবা স্বেচ্ছায় দাঁড়িয়ে আছে তারা জানালা দিয়ে শূণ্যদৃষ্টিতে চুপচাপ পাতালের অন্ধকারের দিকে তাকিয়ে থাকে।
তবে বেশির ভাগ মানুষই হয় ব্যাগ থেকে খাবার-দাবার বের করে মহা আনন্দে খেতে থাকে অথবা কানটাকে সতর্ক রেখে চোখ বুজে একটা ন্যাপ নিয়ে নেয়। সরোজও সবসময় তাই করে।

গতরাতে ভালো মতো ঘুম হয়নি তার। সকালে অফিসে ঢুকতেই ক্লান্ত চেহারা দেখে এক কলিগ চোখ টিপ দিয়ে জিজ্ঞাসা করে কি ব্যাপার স্যাড়োজ রাতে ঘুমানো হয়নি মনে হচ্ছে? ঐ ব্যাটার সব কিছুতেই ফাজলামি! সরোজের ছোট ছেলেটার খুব শরীর খারাপ তাই সারারাত সে আর মিলি মিলে সঙ্গ দিয়েছে তাকে, ভোরে চোখটা একটু লেগে আসতেই অফিসের জন্য ছুট লাগাতে হয়েছে। তবে মজার বিষয় হল এসব কথা শুনে সেই ফাজিল ব্যাটা ম্যাক্সই সরোজের হাতের বাকি কাজগুলো করে দিবে বলে আজ আগে বাসায় চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছে।

কামরার এক মাথায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ময়লা ছেড়া কাপড় পরা এক বৃদ্ধ উঠে পড়েছে। এরা অবশ্য মদের টাকায় টান পরলেই এমন বেপরোয়া হয়ে হাত পাতে। এদের দেখলে সরোজের এখনো রফিক ভাইয়ের সেই তের বছর আগের পুরানো জোক্সটার কথা মনে পড়ে যায়।

প্রথম প্রথম এখানে আসার পর সরোজ হতাশায় ডুবে যাচ্ছিল প্রায়। একে তো দেশের কথা মনে পড়লেই বুক ভেঙ্গে কান্না আসতো, তার উপর একটু আধটু ইংলিশ পারলেও এখানকার উচ্চারণ সে কিছুই ধরতে পারছিল না। সেই সময় একদিন রফিক ভাইয়ের সাথে ট্রেনে যাওয়ার পথে এক ফকির কে দেখিয়ে বলেছিল, 'দ্যাখ মিয়া, এখানকার ফকিরও কেমন গড়গড়িয়ে ইংলিশে ভিক্ষা করে আর তুই পারবিনা এটা একটা কথা হলো নাকি!'
সেই রফিক ভাই আরো কতো ভাবেই না সেই সময় সান্ত্বনা দিয়ে অবশেষে তাকে দাঁড় করিয়ে ছিলেন। পেটের তাগিদে দেশ থেকে পালিয়ে আসা এই মানুষটার পনের বছর পর অবশেষে দেশে ফেরার স্বপ্নটা পূরণ করে দিয়েছিল হঠাৎ এক এক্সিডেন্ট, লাশ হয়ে!

রফিক ভাইয়ের কথা ভাবতেই মনটা কেমন করে উঠল সরোজের। ছেলের পড়ালেখা, অফিসের কাজের চাপ আরও কত কি মিলিয়ে তারও দেশে যাওয়া হয়না প্রায় ছয় বছর হতে চলল। দেশে ফোন করলেই বুকে মোঁচড় দিয়ে ওপাশ থেকে মায়ের কান্না ভেজা ব্যাকুল কন্ঠস্বর ভেসে আসতে থাকে!

সরোজ কোলের উপর ব্যাগটা রেখে কামরার এপাশ থেকে ওপাশ একবার আড়চোখে দেখে নিয়েই চোখ বুজে একটু বিশ্রাম নিতে যাবে ঠিক তখন তখনই মেয়েটার দিকে চোখ পড়ে গেল তার।

প্রচন্ড অবাক হয়ে সরোজ আবিষ্কার করলো একদম মুখোমুখি সামনের সিটে বসা মেয়েটার চুল আর গায়ের রং টা বাদ দিয়ে হুবহু যেন শিউলির বসে আছে।

শিউলি!
ঠিক সেই রকম বড় বড় উজ্জ্বল এক জোড়া চোখ, পাতলা গোলাপি রঙা ঠোঁট, চিবুক, এমনকি ভ্রু জোড়াও একই রকম ভাবে বেশ কাছাকাছি। এত মিলও সম্ভব!
সরোজ মনে হল কোথায় যেন শুনেছিল স্রষ্টা একই ছাঁচে নাকি সাতটি চেহারা বানান। হ্য়তো তাই, নাহলে শিউলির সাথে এই ভিনদেশি মেয়ের... ...
এসব কথা ভাবতে ভাবতেই মেয়েটার সাথে চোখাচোখি হয়ে গেল সরোজের। মিষ্টি করে একটা হাসি দিয়ে হাতের খোলা বইটার দিকে আবার মনোযোগ দিল সে।
সরোজও আস্তে করে চোখ বুঁজে ফেলল। তের বছর আগের সেই রফিক ভাই, শিউলি আজ হঠাৎ করে তার সামনে এসে পড়ে কেমন জানি এলোমেলো করে দিচ্ছে ভাবনাগুলোকে...

মনে পড়ল সেই সময় সংসারের হাল ধরতে গিয়ে একমাত্র সম্বল জমিটুকু বিক্রি করে নিজের ভালোবাসাকে বিসর্জন দিয়ে সরোজ পাড়ি জমিয়েছিল ঐশ্বর্যর এই দেশ নিউইয়র্কে। রফিক ভাইয়ের হাত ধরে দিনরাত ফুলটাইম খেটে বাবার চাওয়া একটি মাত্র দাবী গ্র্যাজুয়েশনটা শেষ করেছিল সরোজ। তা নাহলে আজ এত ভালো কাজ পাওয়া তার পক্ষে হয়তো সম্ভব হতোনা।

সাত বছরের মাথায় দেশে ফিরে মায়ের কাছে জানতে পারে- শিউলি দুই বছর ধরে তার জন্য অপেক্ষা করেছিল। কিন্তু সরোজের দেশে যাওয়া তখন সম্ভবই ছিলনা... অবেশেষে শিউলির অমতেই তার পরিবারের পছন্দে বিয়ে হয়ে যায়... তার দুই বছরের মাথায় পৃথিবীতে নতুন এক সদস্যের জন্ম দিয়ে গিয়ে তার অতীতের প্রেম চিরতরে এ পৃথিবীতে ছেড়ে চলে যায়...
এরপর মিলির সাথে তার বিয়ে দিয়ে দিলেন মা...
সরোজ তখন থেকেই নিজের জীবনের কোন ব্যাপারই মিলির কাছে গোপন করেনি...

ততক্ষণে আপটাউনগামী সিক্স ট্রেন পাতাল ছেড়ে উপরে উঠে এসেছে। বন্ধ চোখেই সরোজ অনুভব করছে বাইরের রোদেলা বিকেলের ঝলমলে উজ্জ্বলতা।

সরোজের ভাবনাগুলো তখনও চলেছে...
আসলে মনে হয় মানুষের জীবনটাই একটা ট্রেন যাত্রার মতো ছুটে চলা। প্রত্যেকেরই নির্দিষ্ট একটা গন্তব্য স্থল আছে। যার যার গন্তব্যে পৌঁছে তাকে নেমে যেতে হয়, আবার নতুন নতুন মানুষ এসে ভরে উঠে। পিছনে ফেলে যায় আনন্দ-বেদনা, স্বার্থ-বন্ধুত্ব, সাফল্য-ব্যর্থতা মাখা শুধু কিছু স্মৃতি। কখনোবা তারা এসে হানা দেয় অবশিষ্ট যাত্রীর মনের ঘরে...

এইসময় মাথার উপরের সাউন্ড বক্সটা ঘরঘর করে উঠল-
This is Whithlock Avenue.....
Our next stop is Parkchester ....

দরজা খোলার শব্দ শুনেও সরোজ চোখ বুজে বসে আছে। আরো তিন স্টেশন পর তার গন্তব্যস্থল ... কত নতুন মানুষ এখন উঠবে কতজন নেমে যাবে এখন..কতজন থেকে যাবে তারই মতো।

...ভাবছে, অতীতের সব কিছু জানার পরও জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রেই মিলির ভালোবাসার ছোঁয়া সে অনুভব করে..অফিস থেকে ফিরতেই ছেলেটা ঝাঁপিয়ে এসে পরে তার বুকে। মিলি আর ছোট ছেলেটাকে নিয়ে সে তো কোন অংশে কম সুখী নেই.... তাহলে অতীতের স্মৃতিগুলো খামোখা টেনে এনে দুঃখ পাওয়া ছাড়া আর কি বা লাভ হবে তার ... থাক না সেসব পিছনে পরে..

Stand clear of the closing door please....

টখস করে দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল...
মুখোমুখি বসে থাকা অতীতের স্মৃতি মাখা মেয়েটাকে আর দেখতে পাবে না সেই বিশ্বাস নিয়ে সরোজ ধীরে ধীরে তার চোখ মেলা শুরু করল...

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): গল্পগল্প ;
প্রকাশ করা হয়েছে: (অপ) গল্প  বিভাগে ।

 

  • ৩৮ টি মন্তব্য
  • ২৯৩ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ১৫ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৪৫
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
খুব সুন্দর হৈছে আপু।
১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রাতমজুর ভাই। ভালো আছেন তো?

২. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৫৩
comment by: মানুষ বলেছেন: ভাল্লাগলো
১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ মানুষ। এই প্রথম মনে হয় আপনাকে আমার ব্লগে দেখলাম।:) ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা রইল।

৩. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:৫৮
comment by: আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

হুঁম ! বেশতো !
১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:০৬

লেখক বলেছেন: হুম! স্বার্থক তাহলে!
শুভেচ্ছা থাকলো শিপন।

৪. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:২২
comment by: রাতমজুর বলেছেন:
আছি একরকম আপু, ঘন্টা দুয়েক আগে রেজিগনেশন জমা দিলাম, এবার দম নেব একটু।
৫. ১৯ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৮
comment by: হনলুলু বলেছেন: অসাধারন হৈছে তমাপু ........ সত্যি অসাধারন হৈছে ......

প্রিয়তে নিলাম .........
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: ই ই ই এত্ত বড় একটা সম্মানে ভূষিত করিবার জন্য আপনাকে এত্তগুলো ধন্যবাদ প্রদান করা হইল :)
খুব্বি আনন্দিত বোধ করছি হনলুলু ভাইয়া :)

৬. ১৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০১
comment by: নিহন বলেছেন: জাক্কাচ হয়েছে ।
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: নিহন অনেক অনেক থ্যাংক ইউ। শুভেচ্ছা রইল, সব সময় ভালো থাকুন।

৭. ১৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০৭
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: সরোজ কোলের উপর ব্যাগটা রেখে কামরার এপাশ থেকে ওপাশ একবার আড়চোখে দেখে নিয়েই চোখ বুজে একটু বিশ্রাম নিতে যাবে ঠিক তখন তখনই মেয়েটার দিকে চোখ পড়ে গেল তার।


এই লাইনগুলোর আগের বর্ননায় বোঝাই যায় নি গল্পটি হঠাৎ এভাবে মোড় নেবে। চমৎকার বুনন।

এরপরে স্মৃতিচারন আর চোখ মেলা।

গল্পের মাঝখানের গানগুলোর লাইন বাংলা বর্নে লিখলেই ভাল হত।
২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১১:৫৬

লেখক বলেছেন: :-* এ্যাঁ গল্পের মাঝখানের গান ??? !!!

অনেক ধন্যবাদ রন্টি মন্তব্যের জন্য।:)
আসলে হঠাৎই এই লেখাটা মাথায় এসে গেল। সম্পূর্ণ বাক্যহীন গল্পটা বলতে গেলে স্মৃতিচারন করা দিয়েই পার করেছি। অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা রইল।
আচ্ছা, আপনার কাছ থেকে তো বেশ কিছুদিন হলো কোন নতুন গল্প পাচ্ছিনা? অপেক্ষায় আছি কিন্তু...

৮. ১৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৮
comment by: উত্তরাধিকার বলেছেন:
প্রিয়তমা,
খুব সুন্দর... খুব্বি সুন্দর হয়েছে।

This is an Excellent Post !
Your next post will be even better…!!
Stand-by mode applied for the upcoming post please !!!

অনেক শুভেচ্ছা নিন।
:)

২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: অ-নে-ক অ-নে-ক অ-নে-ক ধন্যবাদ উত্তরাধিকার :``>>
এত্ত সুন্দর একটা মন্তব্য পরবর্তীতে কোন কিছু লেখার বিশাল এক অনুপ্রেরণা হয়ে গেল আমার। :)

শুভেচ্ছাগুলো নিয়ে নিলাম আর মনটাও খুব ভালো হয়ে গেল। অবস্থা এখন এমন দাঁড়িয়েছে আপনাদের মন্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত লেখাগুলো আমার কাছে অপূর্ন লাগতে থাকে।

আকাশ আর নীলিমা দুজনের জন্য আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইল। সব সময় ভালো থাকুন, খুব ভালো।

৯. ১৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৬:২৩
comment by: আসিফ আহমেদ বলেছেন: অনেক ভালো লিখেছেন।
১০. ১৯ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৬:৩০
comment by: মাহবুব সুমন বলেছেন: কস্ট বাড়ানিয়ে লেখা। ভালো লেগেছে।
১১. ১৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ৮:৩৯
comment by: অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: গল্পটা ভাল লাগল আপু।
এক কথায় অসাধারণ
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০২

লেখক বলেছেন: এত্তগুলো ধন্যবাদ অদ্ভুত আঁধার এক! পড়েছেন জেনে খুবই ভালো লাগলো। শুভেচ্ছা থাকলো অনেক। ভালো থাকুন সবসময়।

১২. ১৯ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১১:২৮
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: চমৎকার... লেখাটা একদম সড়গড়ে, একটানে পড়ে ফেললাম। ভালো লাগলো খুব। আপনাকে শুভেচ্ছা।
১৩. ১৯ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০২
comment by: একরামুল হক শামীম বলেছেন: ধীরে ধীরে চোখ মেলা.........
১৪. ১৯ শে জুন, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬
comment by: আবু সালেহ বলেছেন: অতীতের স্মৃতিগুলো খামোখা টেনে এনে দুঃখ পাওয়া ছাড়া আর কি বা লাভ হবে তার ... থাক না সেসব পিছনে পরে.

হ্যা থাক সব পিছে পড়ে......
১৫. ২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ১:২৫
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: লেকাডা ভালা লাগচে
মনডা খারাপ হইচে:(
১৬. ২০ শে জুন, ২০০৮ রাত ২:০২
comment by: মৈথুনানন্দ বলেছেন: গপ্পোটা খুউব ভালো হয়েছে। মনটা তার চেয়েও বেশি খারাপ হয়েছে। আরো খারাপ হয়ে যাবে যদি আমায় দাওয়াত না দাও - আমার বোনকে দিলে আর আমায় দেবে না? :P
২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: বা..রে! বোনের বাসায় দাদা কে আবার দাওয়াত দিয়ে আসতে বলতে হয় নাকি ??? :P
মন্তব্যটা খুউব ভালো লেগেছে মৈথুন দাদা ! :) মন খারাপ করে কি আর হবে...হুমম...এমনই তো হয়...তাই না?

১৭. ২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ১২:১৮
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: লেখাটা অনেক ভালো হয়েছে
একটু বেশি বড় হলো........।
তোমার চমৎকার লিখার হাত অসাধারণ

কেমন আছো?

ভালো থাকো
শুভেচ্ছা নিও।
২১ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:৪০

লেখক বলেছেন: আসলেই আপু একটু বড়ই হয়ে গেছে লিখতে লিখতে...পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ:)
হঠাৎ করেই ভাবতে ভাবতে লিখে ফেলেছি গল্পটা...
আপনার উৎসাহপূর্ণ মন্তব্যগুলো পেলে কি যে ভালো লাগে...

আল্লাহর রহমতে ভালোই আছি... । গোছগাছ চলছে...:)
অনেক শুভেচ্ছা থাকলো আপু। ভালো থাকবেন।

১৮. ২১ শে জুন, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
comment by: আউলা বলেছেন: অনেক ভাল লাগলো, বর্ণনাগুলো অনেক সুন্দর দাও তুমি
২৩ শে জুন, ২০০৮ সকাল ১০:২১

লেখক বলেছেন: :D পড়ার জন্য অ-নে-ক ধন্যবাদ আউলা আপু...মন্তব্য পেয়ে খুব্বি ভালো লাগলো...শুভেচ্ছা থাকলো

১৯. ২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:০৮
comment by: েমঘপুত্র বলেছেন: এই ব্লগে সদস্য/ব্লগার হবার পর এই প্রথম + দিলাম। শুভেচ্ছা আপনাকে
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৭

লেখক বলেছেন: তাই নাকি !!! এত্ত বড় সৌভাগ্য আমার!
মেঘপুত্র কে স্বাগতম আমার ব্লগে। ভালো থাকুন সর্বদা,
অ-নে-ক শুভকামনা রইল।

২০. ২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:১৯
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: এই ব্লগে সদস্য/ব্লগার হবার পর এই প্রথম + দেয়া পোষ্টে আবার একবার মাইনাস দিতে ইচ্ছা হইতাছে। শুভেচ্ছা আপনাকে

নতুন পোষ্ট কই X(
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২২

লেখক বলেছেন: X( X(( নতুন পোস্ট কই মানে???
আপনার নতুন নতুন গল্প কতদিন পড়া হয়না খেয়াল আছে??
ফাঁকিবাজি খালি!!:-P

২১. ২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
comment by: রন্টি চৌধুরী বলেছেন: আমি নতুন নতুন কটা পোষ্ট দিলাম, দেখছেন? :-P
গল্প আসিবে শীগগির।:)
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: |-) ঠিক আসে...
লাইনে আছি...:)

২২. ২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৪
comment by: রাশেদ বলেছেন: আপ্নে কই!
২৪ শে জুন, ২০০৮ ভোর ৪:২৯

লেখক বলেছেন: :|কে আবার কই গেল???!!

২৩. ২৫ শে জুন, ২০০৮ রাত ৩:২৮
comment by: ধূসরিত স্বপ্ন গুলো বলেছেন: ক্যান জানি উপন্যাস অথবা বড়গল্প টাইপ মনে হলো! মানে...আরও কিছু জানতে চাচ্ছিলাম...কিন্তু ধুম করে কাহিনী নিভে গেল ঐখানে :( !!
আপনি একটা বড় গল্প লেখেন :)

 



 


প্রিয় স্রষ্টা প্রিয় তাঁর সৃষ্টি
প্রিয় শুষ্ক মাটিতে ঝরে পড়া
প্রথম এক ফোঁটা বৃষ্টি
nhasin14[at]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

সর্বমোট হিট

 ১৮১১০