আমার প্রিয় পোস্ট
- গল্প : অপেক্ষা - একরামুল হক শামীম
- ব্যবহার করুন এনিমেটেড স্মাইলি (COOL) - ব্রাইট
- তারার ফুল (কল্পগল্প) - (অ)গাণিতিক
- বীরাঙ্গনা ......... আজো ক্ষমা চাই তোমাদের কাছে........ - হনলুলু
- বৃষ্টি এবং টেলিপ্যাথী - উত্তরাধিকার
- বাক্যমুক্তি...................... (গল্প) - রন্টি চৌধুরী
- নুপুর পরা মেয়েটি, খুঁজছি তোমায় - রিপোষ্ট - রাতমজুর
- সব কিছু তোমার জন্য নয় - মানুষ
- একাকিত্বের অন্ধকারে ----- - বিষাক্ত মানুষ
- অতিক্রান্ত সময়...... তুমি...... আমি...... - দেবদারু
- উৎসর্গ ....... আমার সতের বছর বয়স ...... - হনলুলু
- ঘুমের আবেশে,ভালোবেসে... - ২য় জীবনানন্দ
- বাবা তোমায় ভালোবাসি - একরামুল হক শামীম
আত্মতৃপ্তির নেশায় (গল্প)
০২ রা আগস্ট, ২০০৮ রাত ১:২১
ব্লু-রে নির্গমনের প্রথম টিউবটা খুঁজে পেয়েই- তার মুখের সামনে চট করে পাতলা হলুদ বর্ণের স্লাইডটা মেলিপা দিয়ে বসিয়ে, পঞ্চম হাতখানা ঝাড়া দিয়ে উঠে দাঁড়ালো র্র। ইতিপূর্বে নবম সিকিউরিটি কোড প্রবেশের স্ক্রিনটাও মেলিপার বাম পার্শ্বস্থিত কোড ডিসেবল প্রোগ্রাম দিয়ে অকেজো করে এসেছে সে। নির্দিষ্ট লক্ষ্যস্থলে পৌঁছানোর জন্য এখন তার আর শুধু বাকি ব্লু-রে নির্গমনের দ্বিতীয় টিউবটা খুঁজে পেয়ে সন্তর্পণে তাকে কিছুক্ষণের জন্য অকেজো করে রাখা।
মেলিপাটি পঞ্চম হাত হতে তৃতীয় হাতে বদল করে আবার খুঁজতে শুরু করল র্র। প্রথম হাতে খুব যত্নের সাথে খানিকটা গোল আকৃতির সাদা বর্ণের বস্তুটি ধরে রেখেছে সে। ক্ল্যাভিথাণ দ্বারা গঠিত এ ব্স্তুটিকে প্রতিস্থাপন করাই তার এই মিশনের মূল লক্ষ্য। প্রতিস্থাপনের পর কিছুদিনের মাঝেই (হিসাব মতে দ্বিতীয় প্রদর্শনীর আগেই) হিলিয়ামের সাথে বিক্রিয়া করে সম্পূর্ণ ভাবে মিলিয়ে যাবে তার এই জটিল আবিষ্কার। ততদিনে অনায়াসে নিরাপদে লুকিয়ে ফেলতে পারবে সে মূল বস্তুটিকে।
দ্বিতীয় টিউবটি খুঁজতে খুঁজতেই মাঝ সকালের সেই স্মৃতিটা আবারো র্র এর বুকের কাছের সেকেন্ডারি ব্রেনে ভেসে উঠল।
তাদের সারা ইউনিটে চ্র-ই একমাত্র ব্যক্তি যাকে হিসাব করে গত ফিন বছর প্যাগা ছায়াপথের পরের দুই ছায়াপথ পেরিয়ে বেশ দূরের একটি সৌরজগতের বিশেষ এক গ্রহে মহাকাশ গবেষণা ইউনিট পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিল। আর সেখান থেকে ফেরার পর হতেই তার ভাব-গাম্ভীর্যের মাত্রা এমনই কয়েক য্যা গুণ বেড়ে গেছে যে সারা ইউনিটের কাছে তা এখন নিঃসন্দেহে অসহনীয় পর্যায় ঠেকেছে। তার সেই ভ্রমণের এক ফিন বছর পূর্তি উপলক্ষেই আজ মাঝ সকালে এক বিশাল অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল চ্র।
সেই অনুষ্ঠানে তৃতীয় হাতে পিটা ভর্তি গ্লাস নিয়ে চলমান পথ দিয়ে ঘুরতে ঘুরতে তার বিশাল সংগ্রশালা আমন্ত্রিত অতিথিদের দেখাচ্ছিল চ্র। অবশেষে সাত কোণ বিশিষ্ট এই বিশালাকার হল রুমটার সামনে এসে পৌঁছে অতিথিদেরকে বিশেষ গোপনীয়তা রক্ষা করার প্রতি অনুরোধ জানিয়ে রুমের ব্লু-রে নির্গমনের টিউবগুলো কোড প্রয়োগে সাময়িক কাল অফ করে দিয়েছিল সে। এরপর কপালের উপরের একমাত্র চোখটি নাচিয়ে নাচিয়ে মাত্রাতিরিক্ত গর্বিত কন্ঠস্বরে আমন্ত্রিত সকলের সাথে খানিকটা গোলকৃতির এই সাদা বস্তুটির সাথে পরিচিত করিয়ে দিয়েছিল চ্র। আর ঠিক সেই সময়েই তার এই আমন্ত্রণের মূল উদ্দেশ্যটা র্র এর কাছে পরিষ্কার হয়ে ধরা পড়ে গিয়েছিল।
পৃথিবী নামক গ্রহ থেকে আসার আগ দিয়ে সে নাকি এই স্যাম্পল সংগ্রহ করেছে। এবং ফিরে এসে মহাকাশ ইউনিট প্রধানের কাছে বিশেষ অনুরোধ করে অবশেষে নিজের সংগ্রহশালায় এই বস্তুটিকে রাখার অনুমতি লাভ করেছে সে।
বস্তুটির অভ্যন্তরীণ আর্দ্রতা ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় বিশেষভাবে এই হলরুম গঠন করেছে চ্র এবং ডবলইউ রে দ্বারা এর মধ্যকার ব্ণহীন অর্ধতরল বস্তুতে ভাসমান নরম গোলাকার কমলা বৃত্তটির গঠন রুমের মাঝের হলগ্রাফিক স্ক্রিনে দেখানোরও ব্যবস্থা করেছে...
আরো নানা ধরনের বর্ণনা দিতে দিতে অবশেষে চ্র হলরুমের আমন্ত্রিত অতিথিদের উদ্দেশ্যে কিছুটা তাচ্ছিল্যের সুরে এক সময় যখন বলে উঠল যে, এর মাঝে পৃথিবীর ভাষায় প্রাণের সঞ্চার নামক জটিল এক প্রক্রিয়া ঘটে থাকে যা তাদের সাধারণ মস্তিষ্কের বোঝার ক্ষমতার বাইরে বলে সে আর এখন ব্যাখ্যা দিচ্ছেনা...., ঠিক তখনই র্র এর মেজাজ নবম স্কেলের চূড়ান্ত পর্যায়ের পৌঁছে গেল এবং ঠিক সে মূহুর্তেই তার মস্তিষ্ক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল যেভাবেই হোক এ বস্তু তাকে গাপ করে ফেলতেই হবে!
হিসাব করে আরো কিছু ফিন বছর পরে সে নিজের নামে চালিয়ে দিতে পারলেও এই মুহূর্তে বরং চ্র এর অহংকারের মাত্রা খানিকটা কমিয়ে আনাই র্র এর মস্তিষ্কে মূল উদ্দেশ্য হয়ে কাজ করছে।
র্র ঠিক যেই মুহূর্তে ব্লু-রে নির্গমনের দ্বিতীয় টিউবটা খুঁজে পেয়ে অকেজো করায় মগ্ন ঠিক সেই মুহূর্তে পাঁচ লইমা দূরে চ্র তার সামনে খোলা হলগ্রাফিক স্ক্রিনটা অফ করে দিয়ে বামপাশে ভাসমান সমতল হতে পিটা ভর্তি গ্লাসে শেষবারের মতো চুমুক দিয়ে বিশ্রাম নেয়ার আয়োজন করছে। চতুর্থ হাতের ইশারায় ঘরের নরম সবুজ আলোটাকে আরো একধাপ কমিয়ে দিয়ে একমাত্র চোখটা বন্ধ করতে করতে মাঝ সকালে নিজের আচরণের কথা ভেবে তার নিজেরই কেমন জানি হাসির মতো এসে গেল।
বোকার দল সব!
মহাকাশ ইউনিট প্রধানের কাছ থেকে বিশেষ অনুমতি তো দূরের কথা পৃথিবী নামক গ্রহ থেকে ফিরে আসার পর তাকে নানা রকম শর্তাবলী দিয়ে বেঁধে রাখা সহ এক একটা ধূলিকণাও সব শুষে নিয়েছে মহাকাশ ইউনিট! এমন কি ফিরে আশার পর গত নিন বছরেরও বেশি সময় ধরে তাকে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে রাখা হত। প্রতিটা চাল-চলন তার স্ক্যান করা হত! কঠিন সব শর্তাবলী পালনের মধ্য দিয়ে তার দিন পার হত...
অবশেষে এই বছর সেসব ঝুট ঝামেলা ব্ন্ধ হওয়ার পর পরই চ্র নিজের সেকেন্ডারি ব্রেন দিয়ে পৃথিবী থেকে তুলে আনা বিভিন্ন সব ছবি দেখে দেখে কিছু মিশ্রনের সমন্বয়ে সম্পূর্ণ নিজের আবিষ্কৃত- এই খানিকটা গোলাকৃতির সাদা বর্ণের বস্তুটি দেখিয়ে কি দারুনভাবেই না সবাইকে চমকে দিল আজ!
ছবিলিংক
প্রকাশ করা হয়েছে: (অপ) গল্প বিভাগে ।
লেখক বলেছেন: বিজি নাকি
??
আর সায়েন্স ফিকশান! চাপাবাজির এক্সপেরিমেন্ট চালালাম আরকি ![]()
....
ভালো থেকো...
লেখক বলেছেন:
আমিও কিসু বুঝিনাই !!
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ভাই, কিছুদিন পরই আবার আসলাম ![]()
গপ্পো ভালো লাগসে তাই থ্যাঙ্কু
এটা বেশ অনেকদিন আগেই লিখেছিলাম...
র্র যে কেমন নাম তা তো নিজেই বুঝলাম না ![]()
ভালো থাকবেন...
চিকনমিয়া বলেছেন:
খাইচে!!! এইডা আফনে লিকচেন?????
লেখক বলেছেন:
হুম !!
লেখক বলেছেন:
দুর্দান্ত???
থ্যএএএঙ্কু ![]()
শুভেচ্ছা রইল রাতিফ
লেখক বলেছেন:
শুভেচ্ছা হনলুলু ভাই
লেখক বলেছেন: এডা চাপাবাজি ছাড়া আর কিছুই নহে
!!
তানজু রাহমান বলেছেন:
ব্রেইন চূড়ান্ত ভাবে ম্যালফাংশন করছে! এখন পড়ব না...কিন্তু আই উইল বি ব্যাক!
লেখক বলেছেন: এই অবস্থা কেন??? ঘটনা কি ???
অপেক্ষায় থাকলাম কিন্তু...![]()
চিকনমিয়া বলেছেন:
আফাতো দেকি বিরাট জ্ঞানী, সাইন্স ফিকশন ভালা লাগেআফনে আবার ফুডুশপের কাজও পারেন
এক্কারে জিনিয়াস
আরো এইরম লেকা দেন
পেলাচ দিচি
লেখক বলেছেন:
!!!
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন:
পড়লাম ... ভাল্লাগছে ।
লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ!
এই একটু আগেই আপনার ব্লগ থেকে রেঁনেসার গানটা শুনছিলাম। খুব প্রিয় গান...
লেখক বলেছেন: (আমি যাই লিখি কেমন জানি বাবু বাবু টাইপ সহজ লেখা হয়ে যায়)
এটা আসলে একটা এক্সপেরিমন্টাল লেখা ছিল...উৎসাহ দেয়ার জন্য ধন্যবাদ আপনাকে...আমার ব্লগে স্বাগতম...
ভালো থাকুন সব সময়...
লেখক বলেছেন:
!!!
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
আমার মনে হয় সায়েন্স ফিকশন মানেই চাপাবাজি। তবে সেই চাপাবাজিটাও একটা শিল্প হিসেবে দাঁড়ায়, যখন বিশিষ্ট চাপাবাজ অত্যন্ত নিখুঁত ভাবে গানিতিক সমীকরন এবং আধুনিক বিজ্ঞানের সমন্বয় ঘটান। আর কে না জানে, এই কাজে সিদ্ধ হস্ত গুরু আইজাক আসিমভ। তার ফাউন্ডেশন বইটা দশবারের চেষ্টায় পড়তে পেরেছিলাম আমি। যখন ভেতরে ঢূকে গেলাম, তখন অন্য জগত! সেই জগতটি আমার কাছে দারূন আকর্ষণীয়!!
আপনার চাপাবাজিটি কিন্তু আমার কাছে ভালোই লেগেছে।
++
লেখক বলেছেন: কি আমি চাপাবাজ !!!!
অনেক অনেক ভালো লাগলো আপনার মন্তব্য পেয়ে। যিনি এত বড় বড় সা.ফি. এর বই পড়েন তার কাছে ভালো লাগার মন্তব্য পেয়ে আমি আসলেই গর্বিত এবং মহা উৎসাহিত ![]()
আশা করি ভালো থাকবেন সব সময়...
শুভেচ্ছা রইল..
লেখক বলেছেন: তাহলে আবার কেমনে ভালো লাগলো
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন:
সাইন্স ফিকশান পড়া বাদ দিছি কলেজপাস দেয়ার পর থেকে।ব্লগে অনেক সাইন্স-ফিকশান ভক্ত আছে।চালিয়ে যান।অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য।চাইলে মুছে দিতে পারেন
লেখক বলেছেন: অপ্রয়োজনীয় মন্তব্য হতে যাবে কেন ...আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে
সা.ফি. পড়া বাদই দিয়ে দিলেন কি মনে করে ভাই?...যাইহোক ভালো থাকবেন সর্বদা শুভ কামনা রইল।
লেখক বলেছেন:
তারকে বলেছেন:
Click This Linkএই গ্রুপে পোষ্ট করুন । গল্প ভালো হয়েছে । অবশ্য সাইন্স ফিকসান এমনিতেই ভালো লাগে । +
লেখক বলেছেন: লিংকটা তো কাজ করছেনা ভাই !!
মন্তব্য পেয়ে খুব খুশি লাগলো। ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা থাকলো।
উত্তরাধিকার বলেছেন:
পড়লাম।
ভাল লাগলো।
আজ সায়েন্স ফিকশন প্রসঙ্গে আমার একান্ত কিছু অভিমত জানাতে চাই-
সায়েন্স ফিকশন হলেই চরিত্র গুলোর নাম খুব অদ্ভুত হতে হবে কি?
এটা প্রচলিত জানি -
কিন্তু যখন আপনার লেখায় সায়েন্স ফিকশনের যাবতীয় উপাদান মজুদ আছে; সেই ধারা ইচ্ছে করলে আপনি ভাঙ্গতে পারতেন বলে মনে হয়েছে। নাম গুলো সাধারন পাঠক এর কাছে কিঞ্চিৎ পরিচিত হলে সবার মনে দাগ কাটতে সুবিধা হতো হয়তো !
আশাকরি আমার ভাবনাটুকু বোঝাতে পারলাম;
অন্যথায় জানবেন এ আমার আত্মপ্রকাশের ত্রুটি।
শুভেচ্ছা...
লেখক বলেছেন: ![]()
কি জানি ভাইয়া এটা প্রচলিত তা তো বটেই তবে আমার মনে হয় নামগুলো একটু ভিন্ন রকম হলে সা.ফি. টাইপ একটা ভাবও চলে আসে
আবার আজকাল মানুষের নামের সে অবস্থা দেখি(যেমন জরিনা হয়ে যায় জেরি, কলিমুদ্দিন ক্যাল!!) ভবিষ্যতে আসলেই এমন সব নাম হলেও অবাক হব না ![]()
মন্তব্য পেয়ে খুব ভালো লাগলো। বিষয়টা মনে রাখতে চেষ্টা করব...হয়ত এই কথাটা ভেবেই আরেকটা হাবিজাবি (অপ)গল্পও লিখে ফেলবো...![]()
ভালো থাকবেন সব সময়...অনেক শুভেচ্ছা ![]()
উত্তরাধিকার বলেছেন:
ওহ! এখন দেখলাম আপনার জবাবটা।
আপনার অনুরোধটা রাখা হলো না তো...
সরি-
ভাল থেকো আপু।
লেখক বলেছেন:
এখন থেকে মনে রাখতে হবে কিন্তু ![]()
!!
লেখক বলেছেন: হে হে! থ্যাঙ্কু ![]()
আজকাল আপনাকে এত কম কম দেখা যায় কেন
??
মহা ব্যস্ত নাকি??
![]()
মৈথুনানন্দ বলেছেন:
সিয়েস নিয়ে বিয়েস?
লেখক বলেছেন:
!!
তানজু রাহমান বলেছেন:
অনেক জটিল লিখেছেন। সত্যি সত্যি! তাল মিলিয়ে পড়তে ভীষন কষ্ট হলো!!! তবে ছোটগল্পটা দারুন। সত্যি খুব ভালো মনে হচ্ছে।
চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন:
তুমি দেখি চমৎকার সায়েন্স ফিকশান লিখো।বেশ ভালো হয়েছে............।
ভালো তো?
শুভেচ্ছা
লেখক বলেছেন: আপু আসলে এত উৎসাহ দেন দেখেই যা মনে আসে তাই লিখে ফেলি...ভালো লেগেছে জেনে আমারো খুব ভালো লাগলো...
কেমন আছেন আপনি?? সব সময় খুব ভালো থাকুন শুভ কামনা রইল। ![]()
রন্টি চৌধুরী বলেছেন:
দা-রু-ন।সায়েন্সফিকশন। আহা।
চ্র নিজেই একটা ডিম বানালো। সেকেন্ডারী ব্রেইন দিয়ে একটা মানুষের বাচ্চার ছবি তোলার সুযোগও বেচারা পায় নি। তার আগেই মনে হয় পৃথিবী ফিনিস।
ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রন্টি ![]()
আরো অনেকের মতো আপনার মন্তব্য পেতে বরাবরই আমার খুব ভালো লাগে...এক ডিম নিয়েই কি যে অবস্থা আর মানুষের খোঁজ পেলে তো না জানি কি হতো!! ![]()
আজকাল খুব ব্যস্ত দিন যাচ্ছে বুঝি?? বেশ কম কম দেখা মিলে...
লেখক বলেছেন: আরে ভাবী যে ![]()
আছেন কেমন??? বাসায় সবাই কেমন আছে ?? ![]()
![]()
লেখক বলেছেন: পরের বার
...!!! ইয়ে মানে... আপনার অবস্থা দেখে এবারই আমার করার শখ মিটে গেছে
!!
লেখক বলেছেন: আর বলবেন না আপা জীবনটা একদম লাইফ হয়ে গেল
...কিছুই ভালো লাগেনা...
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
হা আপু কেমন আছেন?
লেখক বলেছেন: এই তো ভাইয়া আছি কোন রকম আরকি!!
আপনি কেমন আছেন ?? ভালো লাগলো আপনাকে দেখে ![]()
আর নতুন গল্প কই?? আমি তো কবিতা খুব একটা ভালো বুঝিনা
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন:
হা আপু কেমন আছেন?
উত্তরাধিকার বলেছেন:
হুম্ম আপু,
তোমার এই বিবর্তনটুকু কিন্তু আমার খুব মনে ধরলো...
সাইন্স ফিকশন = সা.ফি.
মনে হলো কারো নাম যেন...
এধারাতেও নাম হতে পারে গল্পের চরিত্রের।
অনেক শুভেচ্ছা নাও।
লেখক বলেছেন:
হ্যাঁ ভালোই বলেছেন তো!!
আচ্ছা, নীলিমা আর আকাশের গল্পতো অন্নেক দিন ধরে শোনা হয়না ![]()
শুধু দারুন দারুন সব কবিতা লিখে গেলেই হবে??
![]()
ভালো থাকবেন ভাইয়া...শুভেচ্ছা গ্রহণ করা হল..



















এখন পড়ার ইচ্ছা থাকলেও পড়তে পারছি না। তবে পরে পড়ে মন্তব্য করে যাবো।
আশা করি তুমি ভালো আছো।