আমার প্রিয় পোস্ট

রং-বেরঙের রঙিন স্মৃতি!

১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

শেয়ারঃ
0 0



রং জিনিসটাই আমার ভীষণ প্রিয়! লাল-নীল, হলুদ-সবুজ, সাদা-কালো, কমলা-গোলাপি...কি সুন্দর! 8-|

ছোট থাকতে রং নিয়ে আমার মহান সব শিল্প কর্মের সুপ্ত প্রতিভাগুলো বিকশিত হত বাসার প্রতি ঘরের দেয়ালে দেয়ালে। গুহা মানবীর মতো প্রতিটা দেয়ালে দেয়ালে অঙ্কিত হত আমার জীবন কাহিনী। সবচেয়ে বেশি কাহিনী রচিত ছিল আমার বিছানার পাশের দেয়ালে যতটুকু হাতের নাগাল যেত ততটুকু জুড়ে, সাইনপেন গুলোর সদ্বব্যবহার করে একটা অভিনব টাওয়ারের নীল নকশা অঙ্কন করেছিলাম আমি। যার চূড়ায় ছিল একটা আলু! তবে খুব দুঃখ লাগে ভাবতে যে সেই টাওয়ারের মর্মদ্ধার সে আমলে কেউই করতে পারেনাই। /:)

কোন ক্লাস মনে নাই তবে খুব ছোট থাকতে মামা আমেরিকা থেকে বেশ বড় এক সেট সাইন পেন এর ব্ক্স নিয়ে গিয়েছিলেন আমার জন্য। ব্ক্সটাতে দুই রকমের সাইনপেন ছিল। মোটা আর সরু। তাছাড়াও দুইটা বোনাস পেন ছিল যেটা দিয়ে একটা টান দিলে তিনটা করে আর দুইটা করে দাগ হয়ে যেত! যেটা দিয়ে দাগাতে আমার অনেক ভালো লাগতো! !:#P

স্কুলে যাওয়া শুরু করার পর মনে আছে মা অনেকগুলো মোম পেনসিল কিনে দিয়েছিলেন। যেগুলি সার্পনার দিয়ে সার্প করতে খুব মজা। সার্প করার পর সেই নানান রঙের গুঁড়োগুলো একসাথে মিশিয়ে একটা কৌটার মধ্যে জমিয়ে রাখা ছিল আরো মজা। কিছুদিনেই সেই মোম রংগুলো তাই ভ্যানিশ হয়ে যেত আর আমার কৌটাটা ভরে যেতে থাকতো। :>
(আসল মজাটা হয়েছিল যেদিন হাঁড়ি-পাতিল খেলার সময় গুঁড়াগুলি দিয়ে একটা নতুন ধরনের স্যুপ বানিয়ে মাকে যখন খেতে সেধেছিলাম!) :((

যাই হোক আমার খুব প্রিয় রং ছিল সে সময় স্ট্যানডার্ড কাঠপেনসিল। ছবি এঁকে তার উপর তুলি ভিজিয়ে টান দিলে মনে হতো জলরং এ আঁকা। স্কুলের ড্রইং ক্লাসে এই কাঠপেনসিলটাই ব্যবহার করতে বলত। কিন্তু পরীক্ষা আসতে আসতে সব পেনসিল হালুয়া হয়ে যেত। কারনটা অবশ্য তেমন কিছুনা-এত কষ্ট করে রং করে আবার তুলির আঁচড় কে মারে। তাই বুদ্ধি করে ডাইরেক্ট পানির মধ্যে পেনসিলটা চুবিয়ে চুবিয়ে আঁঙ্কন শিল্প সম্পাদন করতাম আরকি! :``>>

এরপর ঠিক মনে পরছে না সম্ভবত জন্মদিনে একজন একটা ইয়া বিশাল প্যাস্টেল কালারের বক্স দিয়েছিল। আসলেই অনেক বড়। আমার জীবনে প্রথম দেখা প্যাস্টেল কালার। কিই সুন্দর! কাউকে ধরতে দিতাম না। নিজেও ব্যবহার করতাম না(ছবি আঁকতে পারলে তো!/:))। স্কুলে ঐ বক্সটা নিয়ে ভাবই থাকতো আলাদা!B-) প্যাস্টেল কালারের সেড আর কাগজের উপর তাদের মিশ্রন দেখতে আমার খুব ভালো লাগতো।
ড্রইং খাতায় ছবি আঁকা শেষে পাতায় পাতায় গাদা খানেক পাউডার ছিটিয়ে তারপর রেখে দিতাম। B:-/

বাবা একবার সিঙ্গাপুর থেকে একসেট ডার্ক প্যাস্টেল কালার নিয়ে আসছিলেন। সেই পুরা সেটটায় আমার ভালোমতো ছোঁয়া লাগার আগেই কোথায় জানি হারিয়ে গেছে! মনে পড়ে আমি প্যাকেট থেকে খুলতাম, রংগুলি নাড়াচাড়া করতাম, আবার বক্সে রেখে ট্রান্সপারেন্ট প্যাকেটা দিয়ে মুড়িয়ে ব্ক্স বন্ধ করে ড্রয়ারে রেখে দিতাম। রংগুলো ডার্ক আর খুব সুন্দর ছিল! :((

ইন্ডিয়ার ফুটপাথ থেকে কিনেছিলাম ওয়াটার কালারের টিউব। ওদেরও আমার ছোঁয়া পাওয়ার সৌভাগ্য খুব বেশি একটা হয়নি, তার আগেই শুকিয়ে খটখটে মরুভূমি। /:)

একটু বড় হওয়ার পর মায়ের শখের ফেবরিক্স কালারের দিকে চোখ পরলো। চোখ আগেই পরেছিল তবে ধরার অনুমতি ছিল না। আবার কোথায় জানি লুকানোও থাকতো! /:)
দুপুরগুলোতে ডিজনির বইগুলো থেকে ছাপ হয়ে হয়ে বাবার যতগুলো রুমাল আর গেন্জি ছিল সবগুলাতে পিনোকিও, টুইটি, ডামবো, বামবি সহ আরো কত সব যে মুভি রিলিজ হত বলে শেষ হবেনা ! B-))

সে সময় কাজের কাজ একটাই হয়েছিল, ক্লাসে এক ফ্রেন্ড তখন সুপার ম্যানের দারুন ফ্যান। তাকে একটা রুমালে সুপারম্যানের 'S' লিখে দিয়েছিলাম। কি যে খুশি হয়েছিল সে! :P
এ্যাম্বুস ইউজ করে কার্ড বানানোও শিখেছিলাম মায়ের ফেবরিক কালার দিয়ে। কার্ডে এঁকে হালকা গরম ইস্ত্রি দিয়ে ডলা দিলেই রংগুলো ফুলে উঠত। কি যে দারুন ছিল সে সব অবসর সময়গুলো! :(

বাবার যত রকমের পেন ছিল সব অলিখিত নিয়ামানুযায়ী আমার পেন ছিল। অফিসে কেউ কোন দামি পেন গিফট করলে বাসায় আনার সাথে সাথে সেটা আমার ড্রয়ারের প্রবেশ করত। যার মুখ আর কেউ কোনদিন দেখতে পেতনা। এমনকি নিজেরও হয়ত কালি শুকানোর আগে দেখা হতনা!
বাবা অফিসের কোন মিটিং এ যেতে গেলে আর কোন পেন খুঁজে পেতেন না। সংগ্রহের প্রায় সব পেনই বাবার দেয়া ছিল। তার মাঝে একটার মাজেজা অবিষ্কার করেছিলাম অনেকদিন পর। একবার বাসার ইলেক্ট্রিসিটি চলে গেল দেখি পুরা পেনটা থেকে হালকা সবুজ এক আলো বের হচ্ছে। ফ্লুরোসেন্ট পেনটা নিয়ে বহুত জায়গায় ভাব মেরেছিলাম! :#)

একবার একটা ছোট্ট ঘড়ি ওয়ালা সোনালি পেন আমাকে দেখতে দিয়েছিল বাবা। আমি দেখে টেখে খুব সুন্দর বলে ফেরত দিয়ে দিয়েছিলাম। পরে শুনি মায়ের কাছে গিয়ে বলে আমাকে দেখালো তবুও কেন আমি নিয়ে নিলাম না! B:-)

ঢাকায় যখন প্রথম জেল পেন বের হল, এক কাজিনের কাছে সোনালি-রূপালি পেন দেখে আমার তো মাথা খারাপ হওয়ার দশা! প্রায় ৩৫ না কত টাকা জানি ছিল তখন এক একটা পেনের । অনেক দিন ধরে একটু একটু করে পেনগুলো আমার কালেকশনে এসেছিল! :)

আরেকটা পেনসিল ছিল(এখনও নিউমার্কেটে হয়তো পাওয়া যায়) সার্প করা লাগেনা চারপাশে মোড়ানো কাগজটা একটু একটু করে খুললেই হয়। সেটাও খুব মজার ছিল! :D

জার্মানিতে থাকতে প্রতি উইকের সেল পেপার দিলেই চোখ থাকতো সব সময় স্টেশোনারির দিকে। কত পেন যে কিনে ড্রায়ারে রেখে কালি শুকিয়েছি জানা নাই। যেই যেই রঙের জেলপেন কেনা বাকি ছিল আমার সেই সময় মোটামুটি প্রায় তার সবগুলোই আমি পেয়ে যাই।

আমার এখন পর্যন্ত ব্যবহার করা সবচেয়ে দারুন লাগা সাইনপেন হল Stabilo. 0.4 mm এই পেনটা দিয়ে লিখতে খুব্বি ভালো লাগে। সরু নিবের এই সাইনপেন গুলো দিয়ে এখনও সময় পেলে দাগাই! :D

লন্ডনে পাউন্ড শপে গিয়ে কিনব না কিনব না করেও এক সেট পোস্টার কালার কিনে ফেলেছিলাম। এমন খসখসে রংগুলো ...একটুও ভাল্লাগেনাই X( :-P

আমি জানি যে আমার রংগুলোর কখোনই সদ্বব্যবহার করা হবে না তবুও কেন জানি কিনে ফেলি! তবে এটা একটা ভালো দিক যে আমি কখোন তেমন দামি রং কিনে নস্ট করিনাই। অধিকাংশই কম দামি, তবুও...
(সেদিনও একটা দোকান থেকে এক ডলার দিয়ে ২৪ টা ক্রেয়ন কিনে ফেলেছি! 8-| )

স্কুলে প্র্যকটিকাল খাতায় সেলো বলপেন দিয়ে লিখেছিলাম, ফাইনালের দিন জমা দিতে গিয়ে দেখি পুরা খাতার লেখাগুলি কেমন জানি হলদে টাইপ হয়ে গেছে! X( আমার রেড লিফ দিয়ে লিখতে ভালো লাগতো না, অনেকেই দেখি লিখতো।

জীবনে সব্বচেয়ে আরাম পেয়েছি যে বলপেনটা দিয়ে লিখে তা হল "ম্যাটাডোর" বলপেন! :) ওহ কি যে আরাম লিখতে!
এখানে একদিন ক্লাসে এক মেয়ে আমার কাছ থেকে পেনটা দিয়ে লিখে টিখে বলে সে এটা আর ফেরত দিতে পারবেনা... /:) দেয়ার সাথে সাথে আমিও চামে এটা আমার দেশের পেন হ্যানত্যান ডায়ালগ মেরে দিসি B:-/ ।এখানে আসার আগে ডজন খানেক কিনে এনেছিলাম এখন যা প্রায় শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে! সেদিন ক্লাসটেস্টে একজন পেন আনতে ভুলে গেছিল আমিও ভদ্রতা করে আমারটা দিলাম যে লেখ....ওটাও আর ফেরত দিলনা... :| (তবে আমি এখানে পেনসিল দিয়েই ক্লাসে লিখি, মোছার একটা চান্স থাকে! B:-/ )

এই স্মৃতিচারণ লিখতে গিয়ে অনেক সময়ে হাতে থাকা আরো অনেক পেন-পেনসিলের কথা লিখতে ভুলে গেসি...যেমন একটা ইয়া লম্বা পেনসিল ছিল যার বডি জুড়ে বিভিন্ন রঙের শিষ ছিল। বদলে বদলে রং করতে হত! মেলা থেকে ইয়া লম্বা লম্বা পেন আর কাঠ পেনসিল কেনা হয়েছিল। আর একটা পেনসিল ছিল অরিজিনালি গাছের ছোট্ট একটা ডাল! ছোটখাট সুটকেস সাইজের একটা রং পেনসিলের বক্স ছিল- কাঠ পেনসিল, দুইরকমের সাইনপেন আর জলরং ছিল বক্সটাতে...মনে পড়ছে না কে দিয়েছিল! :(

কত দুপুর...কত তুলি...কত জলরং...কত কাগজ... :(

ছবি আঁকা-আঁকি বা ডায়েরি লেখালিখি আমি কখোনই তেমন একটা পারিনা...করিওনা...তবুও কেন জানি রং আর সাদা কাগজ দেখলে খুব খুশি হয়ে যাই! মার্কারের গন্ধ শুঁকি...গ্লিটারের টিউবগুলো আলো পরে ঝলমল করে দেখি...ধবধবে সাদা সাদা এফোর পেপারগুলো ফাইলে রেখে দেই, এমনিই!

আজব লাগে নিজেরই! হায়রে শখ! /:) তবে আমার শুকিয়ে যাওয়া রং গুলির মতো শখগুলোও প্রায় শুকিয়ে যাচ্ছে...আগের মতো আর সেই পাগলামিও নাই! দুনিয়ায় স্রষ্টার সৃষ্টি এত আলো আর এত রং যে আমি চোখ দিয়ে দেখতে পাচ্ছি তা ভাবলেই মনটা প্রফুল্ল হয়ে যায়! :) :)

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার আমি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
চানাচুর বলেছেন: তবে এখন মনটা খুব খারাপ আছে...ভালো হলে লেখাটা হয়তোবা প্রথম পাতায় যেতে পারবে...:|

কি বললা এইটা! তুমি অ্যাকসেস পাও নাই!:(

নাকি ঢং করে বলতেছো লেখার মান নিয়ে তোমার সন্দেহ আছে!

লেখা প্রথম পাতায় দিয়াসো। যাও
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৬

লেখক বলেছেন: দিলাম তো.../:)

২. ১৪ ই জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
চানাচুর বলেছেন: গান শুনাবা কবে?:D:D
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: :-/গান !!! সেইটা আবার কি রে...পান করে না দান করে...!!??

৩. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪
(অ)গাণিতিক বলেছেন: আমি কয়েকদিন আগে নিউমার্কেট থেকে কিছু জল রঙ কিনলাম। ক্যামেল , রঙ গুলো নিয়ে কাগজে আকিবুকি করছি, আমার অবশ্য এগ টেম্পারা আর পোস্টার কালার বেশি পছন্দ আঁকার জন্য।

তবে স্কেচে বেশি স্বচ্ছন্দ। আপনার রঙ আর কলমের গল্প ভালো লাগলো। :)
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: ...আমি তো আসলে ছবি-টবি আঁকতে পারিনা একটুও...

স্কুলে থাকতে বন্ধুরা আঁকলে আমি চেয়ে নিয়ে আমার কাছে রেখে দিতাম....:)

এরপর কিন্তু তাহলে শুধু গল্পই না আমরা স্কেচ ও দেখতে চাই
(অ)গাণিতিক ভাইয়ার :)

৪. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫২
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: চমৎকার লেখনী!

খুব সুন্দর একটা শখ।

মন খারাপ কেনো?! মনের আকাশ রঙে ঝলমলিয়ে উঠুক।
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৫৭

লেখক বলেছেন: :``>>
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!
আমার ব্লগে স্বাগতম ও শুভেচ্ছা রইল।

৫. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩১
নিবিড় বলেছেন: ...........মুঠো ভর্তি রং হয়ে ঝরে পড়ে শৈশব -কৈশর ।আস্তে আস্তে শুকিয়েও যায় .......শুকিয়ে যাওয়া গন্ধে আমরা খুঁজে পাই নানা রঙের দিন গুলি
( ব্লগার হিসাবে কমেন্ট করলাম )


........ভাবী আফনের মত এই কলমের শখ আমারও আছিল ।সারা দিন কলম নিয়া থাকতাম ।কেউ যদি জিজ্ঞেস করত তোমার জন্য কি পাঠাব বিদেশ থেকে ....আমি বলতাম কলম ।যাউক লিখাটা ১ম পাতায় দেন্নাই ক্যান? মাইলাশ

(ননদ হিসাবে লিখলাম)
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৩

লেখক বলেছেন: :``>>আপনার মন্তব্যটা আমার ভীষণ ভালো লেগেছে আপু।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে এত সুন্দর করে বলার জন্য! মন ভালো হয়ে গেল। অনেক অনেক শুভ কামনা রইল আপনার জন্য, ভালো থাকবেন।
(ব্লগার হিসাবে)


....হই কেমন আসো? তোমার শখ শুইনা মজা পাইসি :)...আমার পেপার, কালার, পেন এসব দেখলে এখনও অনেক ভালো লাগে:)...প্রথম পাতায় লেখা দিয়ে দিসি।
ভাবী হিসাবে ;))

৬. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৩
নিবিড় বলেছেন: আরে আজব ১ম পাতায় কমেন্ট যায় নাই কেন??আপনে কি জেনারেল হয়া আসেন নাকি ???কাহিনী কি ???জানান তো
৭. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৪৬
রাশেদ বলেছেন: কত্তগুলা ইমো দিছেন! :-*
১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৭

লেখক বলেছেন: না পড়ে শুধু ইমোগুলিই দেখলেন... :-*

আসসালামুআলাইকুম....:|

নানাজান আমাকে আপনি করে বলতেসেন কেন.../:)

১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: Acchi re ami....aii je dekho...:P

৯. ১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:২৯
অ্যালন বলেছেন:
পাব্লিক্কতো সুন্দর্সুন্দর পোষ্ট করে..কি সুন্দর্কাহিনী..কি সুন্দর্বর্নোনা.. /:)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: আমি আবাঢ় এম্নক্লিক্লাম :|| । ঠ্যান্খু ক্যাগা। কেম্নাসেন??

১০. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০১
চানাচুর বলেছেন: পোস্টটা প্রথম পাতায় দাও:-/
১১. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩১
অ্যালন বলেছেন:
এখানে আবার্কে গান্গাবে..শুনিতো../:)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৫

লেখক বলেছেন: গান আবার্কি জিন্সরে বাই B:-) ! আমিও এট্টু শুন্তে চাই:|

১২. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:২১
অদ্ভুত আঁধার এক বলেছেন: আপু অনেকদিন পর আসলাম। আছেন কেমন?
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আরেএ অদ্ভুত আঁধার ভাই যে! আসলেই অনেক দিন পর দেখলাম আপনাকে। কই ছিলেন এতদিন??
এখন থেকে নিয়মিত লেখা চাই কিন্তু। :)
আপনাদের খুব মিস করি। :(
ভালো থাকুন...

১৩. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬
মেঘাচ্ছন্ন বলেছেন: দারুউণ মজার লেখা..........+++++


( ধুর ! ঘুমের জ্বালায় বেশি কিছু বলতে পারতেছি না )
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: থ্যাঙ্কু মেঘু। আচ্ছা ভালো করে ঘুম দাও এখন একটা... :#)

১৪. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৯:৪৪
তামিম ইরফান বলেছেন: ছোটবেলায় আমারও কলম সংগ্রহ করার শখ ছিলো।৩৫০ কলম আছে আমার।সব এখনও রেখে দিছি আলমারীতে..

একবার নিউমার্কেটে দেখি ৩ হাত লম্বা কলম বিক্রী হইতছে।দেখে আমার মাথা পুরা খারাপ যেভাবেই হোক ঐ কলম কিনতেই হবে না হলে জীবনটাই বৃথা।মা বললাম কলম কিনে দিতে মা কিছুতেই ঐ কলম কিনে দিবেনা কারন আমার এমনিতেই খোচাখুচির অভ্যাস আছে,তার উপর আমার মতো বান্দরকে এতো লম্বা কলম কিনে দিলে খুচাখুচির জ্বালায় বাসায় কেউ আর টিকতে পারবে না।আমি মার্কেটের মধ্যে গড়াগড়ি করে কান্দাকাটি লাগায় দিলাম,শেষ পর্যন্ত মা কলম কিনে দিতে বাধ্য হইছিলো।

বাসায় আসার পর ঐ ৩ হাত কলম আমার পিঠে ভাঙ্গা হইছিলো
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২০

লেখক বলেছেন: আরে আমার মতো বান্দর ভাইয়েরও শখ ছিল জেনে অনেক ভালো লাগলো তো!! :D

আমি আসার আগে কত শখের পেন যে বিলায় আসছি:|...আর যেগুলোর কালি শুকায় গেছিল ফেলে দিয়ে আসছি :(( ...
আমার পার্কার...পাইলট...স্ট্যানফোর্ড...

আরো কত কাহিনী তো লিখিই নাই। বলপেন আগুনে গলিয়ে পেপার ওয়েট বানাতে গিয়েছিলাম, বলপেন ফুঁ দুয়ে বেলুনের মতো ফুলানোও একটা মজা ছিল B-)) সব ভুলে যাচ্ছি আজকাল, তাই লিখে রাখলাম :)

ও আর সেই লম্বু পেন আর পেনসিল...হিহি...ঐটা আমাকেও কিনে দিয়েছিল...পিটায়-পুটায় ভেঙ্গে ফেলেছিলাম !! :#)

১৫. ১৬ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:৪৮
সাইফুর বলেছেন: জল রঙ এর প্যকেট গিফট পেয়েছিলাম ক্লাস টুতে থাকার সময়..
এমনিই মজা করতাম তখন ওটা নিয়ে


পোষ্টটা ভালো লাগছে
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: আমিও এমনিই শখে মজা করি, তাই ভালো লাগে!!
ছবি-টবি তো আর আঁকতে পারিনা...

কাছিম ভাই অনেক ধন্যবাদ আপনাকে...:)

১৬. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
অ্যালন বলেছেন:
হ্যাহ..কতো মানুশাছে গান্শুনানের..জাইগা শুন্তে.. /:)

ওহ আজ্কাতো আবার শুক্রুবাঢ়..কাল্কা-পশ্শু-তশ্শু সুটি..পার্টি..ইআবাডাবাডুউউ..B-)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: হ জান্না জান শুন্তে...তুলা সাথে না নিলে আর কানডা সাথে নিয়া ফিরতে পার্বেন্না কইয়া দিল্ম..../:)

১৭. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
একরামুল হক শামীম বলেছেন: স্মৃতি কথা ভালো লাগলো অনেক । :)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তোমারে...ভালো থেকো...:)

১৮. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৪
ফারহান দাউদ বলেছেন: এইখানে দেখি রঙ আর পেনসিল নিয়ে পুরা থিসিস হয়ে গেছে। ভাল হইসে:)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৪

লেখক বলেছেন: :) ভালো হইসে ???...থ্যাঙ্কু ...
সব ভুলে যাচ্ছিলাম তো তাই লিখে রাখলাম...

শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৯. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৪
অ্যালন বলেছেন:
আমি এক্বার এক্টা বার্মিজ চাক্কু গিপ্ট পাইসিলাম..হেব্বি ডিযাইন আসিলো..চাক্কুর হাতল্বাদেই ছিলো সাঢ়ে আটিন্চি..শেই কি ষাইন..

বাইতুল মোকার্রম থিকা কিন্সিলাম পুরা ফোল্ডিঙ চাক্কু..ফোল্ড করার্পর বুযাই জাইতোনাজে এই চাক্কু..
/:)
১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: :-/ আপ্নে চাক্কুর কতা বল্লেন ক্যান !!! এ্যাঁ ???
(ঢোক গেলার ইমোটিকন)

আপ্নিকি মষ্তান? না পান্ডার বাই গুন্ডা?...:|

২০. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:০৭
অ্যালন বলেছেন:
আমার্কাসে অনেগ্গুলা চাক্কু সিলো সুন্দর্সুন্দর..সব আম্মা ফালাইয়া দিসে..এর্ভিতরে আমার্কয়েক্টা নিজ্হাতে বানানোও ছিলো.. :(

কিযে বলেন..এইটা আমারেক্টা সক্সিলো..চাক্কু সংগোরোহো করা..গুন্ডা-পান্ডা হমু ক্যান..যদিও..না থাক..:|

চাক্কুর্কথা বল্লাম..ওইযে পরেন্নাই অষি তেকে মষি শক্তিশালি..তাই আপ্নি মষির্কথা লিক্সেন..আঢ়ামি লিক্সি অষির্কথা.. /:)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

লেখক বলেছেন: অষি তেকে মষি ওধিক শক্তিশালি ...হ্যহ হ্য B-)

২১. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:২০
উত্তরাধিকার বলেছেন:
খুব সুন্দর হয়েছে লেখা আপু।
আর তুমি তো অনেক সুন্দর আঁকো।

রঙীন হোক তোমার আগামীর পথ চলা।

নিরন্তর শুভেচ্ছা।
:)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া,
লেখাটা পুরোটাই আসলে স্মৃতিকথা...আরো অনেক কথাই হয়তো লিখতে ভুলে গেছি...যেমন আমার একগাদা গ্লিটার জেলপেন ছিল...আছেও...:)
এভাবে কিছু কিছু মনে পরতে থাকলে লেখাটাও এডিট করতে থাকবো।

আপনার জন্যও অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা।
ভালো থাকবেন।:)

২২. ১৭ ই জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:১৪
জেরী বলেছেন: লেখাটা অনেক সুন্দর করে লিখেছেন.......আপুনি
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:০০

লেখক বলেছেন: জেরীপুউ, থ্যাঙ্কিউ, আর সাথে অনেক অনেক শুভেচ্ছা !! :)

২৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৫৯
অ্যালন বলেছেন:
হ..আইশেন সামুরাইয়ের শাম্নে নিয়া মষি..
দৌঢ়ানি দেক্বে বিশ্মবাঁশি..
/:)
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: মন্তব্য পড়ে এসে গেল আমার অনেক হাসি
গুনীজন সবাই জানে সেরাই হল মষি

সামুরাই পারে রক্তক্ষরণ, মুছতে মুখের হাসি
মষি দিয়ে সব জয় হয় জানে বিশ্ববাসী..../:)

২৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১০
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: লেখক বলেছেন: স্কুলে প্র্যকটিকাল খাতায় সেলো বলপেন দিয়ে লিখেছিলাম, ফাইনালের দিন জমা দিতে গিয়ে দেখি পুরা খাতার লেখাগুলি কেমন জানি হদুল হয়ে গেছে

হদুল কি নতুন কোনো রঙ আফা?
আর পেন্সিল কলমের লেখার কপিরাইট আমার.../:)
মামলা করমু নাকি ক্ষতিপূরণ দিবেন?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: :``>>ইয়ে মানে কত রঙেরই তো নাম আজানা আছে...
ঠিক করে দিসি ঠান্ডু ভাই :P
আর আপনার মতো আমি ভাঙ্গা-চুরা পেন্সিল নিয়ে লিখিনা হ্যাহ :-P

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: আপনাকে আজকাল আমার ব্লগে আসতে দেখিনা কেন...X(

২৭. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:১৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ধুর........ ইমো আসে না...........:(
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৪

লেখক বলেছেন: ....কোন ইমো আসতেসেনা....:|

২৮. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৫
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: তুমি মাসে পোস্ট দাও একটা! কয়বার আসব?

/:) এই ইমোটা আসে না কেন? কিভাবে দেয়?
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: আপনি দেখতে আসেন নাকি যে বলতেসেন একটা পোস্ট দেই..../:) (এই ইমোটা)

২৯. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: ঐ যে, মুখ বিকৃত করে একটা..........২৪ নাম্বার মন্তব্যে যেটা আছে......।
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: হা হা হা....আমার প্রিয় একটা ইমো...:P

/ # ) স্পেসগুলো বাদ দিয়ে দিয়ে দেখেন।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: :> থ্যাঙ্কু আমারো খুব দরকার এইটা...
তুমি নাকি আমার ননদের ফেরেন্ড..../:)

২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩২

লেখক বলেছেন: তুমি করেই বললাম...:P

৩৩. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৪
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: তুমি-ও তো আমার ব্লগে যাও না....।তাই কাটাকাটি.......... :P
২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি পসা পসা লেখা পড়িনা.... X(

৩৪. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৬
আশরাফ মাহমুদ বলেছেন: আমি পসা পসা লেখা পড়িনা.... X(
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: .../:)

৩৫. ২৩ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৯
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: তুমার ননদ কেঠা? আমি কোনো আমেরিকান মাইয়া চিনি না;)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৩৬

লেখক বলেছেন: শরম পাইলে থাক ;)

৩৬. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১১:৪৭
অ্যালন বলেছেন:
বাদ্দেন্তো এইশব ক্যাচাল অষি আঢ় মষিঢ়..
আসেন্সবাই মিলে কথা ব্লি হাশি আঢ় খুষিঢ়..
/:) :-<
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন: এইতোইবার্ঠিক্বল্সেন এমোন হঅয়াই চাই
হাশি-খুষি ষূখের্দিনের ষ্বপ্ন বুনে জাই
ক্যাচাল্প‌্যাচাল হাবিযাবির কোণোই জেলাপ্নাই
রঙ-বেরঙয়েঢ় আণোণ্দেথে মেতে ঊঠি ষবাই..../:)

৩৭. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০১
অ্যালন বলেছেন:
হা হা হা..:#)
কঠিন্লিক্সেন্তো..এইতো অস্তে অস্তে পার্তেসেন..দারুনোঈসে..B-)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৯

লেখক বলেছেন: পার্বনাকেন :-*
এম্নে লিখআড়এমন্কি.../:)

৩৮. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৩
তামিম ইরফান বলেছেন: এখনো পটল তুলেন নাই/:)
৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৫০

লেখক বলেছেন: নাহ, পটল ভাল্লাগেনা খাইতে.../:)

৩৯. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:০৬
অ্যালন বলেছেন:
ক্যাগা..আম্রিখা কবেঈতেসেন.. :#)
৪০. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:১৫
তামিম ইরফান বলেছেন: সবকিছু ঠিক থাক্লে এই বছরের ডিসেম্বরে চইলা আসুম:)@ক্যাগা
৪১. ৩১ শে জানুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৪:২২
তামিম ইরফান বলেছেন: এর আগে খাইসিলেন তাইলে/:)@প্রিয়তমা
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৪

লেখক বলেছেন: ...../:)

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: হু...../:)

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: হ...../:)

৪৪. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:২২
অ্যালন বলেছেন:
দুঃখিতো..এইটা'বে..
হ্যাহহ../:) = হ্যাহহ.. /:)
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৫

লেখক বলেছেন: অ...../:)

৪৫. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২১
বিষাক্ত মানুষ বলেছেন: ক্লাস টেনে থাকতে ব্যাঙ আর জবা ফুল আঁকছিলাম স্কুলে ।

আর ইন্টার পরীক্ষার সময় কি জানি আঁকছিলাম মনেও নাই .... আমার লেখালেখির গল্প এই পর্যন্তই /:)
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৭

লেখক বলেছেন: তাই নাকি....আর আমার শখ ছিল পেন-পেনসিল জামানো তবে আঁকাআঁকি তেমন কিছুই পারিনা...:(

৪৬. ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:০০
নিঃসঙ্গ বলেছেন: আমি আঁকা আঁকি করতে পারি না গরু আঁকলে ছাগলের মত দেখায় :|
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:২৮

লেখক বলেছেন: আর ছাগল আঁকলে কি মুরগির মত দেখায়:|...???

৪৭. ০৪ ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৯
ভুতের আড্ডা বলেছেন: ভালো লাগলো।

অনেক দিন আমার ব্লগে পদধূলি দিচ্ছেন না। নতুন গল্প ছিলো, দেখার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনার মন্তব্যের অপেক্ষায় থাকলাম।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভুতের আড্ডা।
আমি আপনার লেখার দারুন ভক্ত...
নতুন দুইটা গল্পই আমার খুবই ভালো লেগেছে...:)
মাঝে মাঝেই সময় পেলে লিখবেন আমাদের জন্য
অনেক শুভেচ্ছা ও শুভ কামনা রইল।

৪৮. ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৭
রূপকথার বিস্মৃত দানব বলেছেন: মন খারাপ হলে রংতুলি নিয়ে বসে কিছু না কিছু একটার বারোটা বাজাতম ছোটবেলায়।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: আমিও বারোটা তেরটা বাহান্নটা বাজাতাম...:D

আমার ব্লগে স্বাগতম আপনাকে...অনেক ভালো থাকুন।

৪৯. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:০৮
টুশকি বলেছেন: শিশু একাডেমীতে গিয়ে জেনেছি- মোম রং বলে যেটা দিয়ে ঘষাঘষি করতাম সেটার নাম কি আসলে প্যাস্টেল! পান্ডা নামের কোম্পানির যে জলরং আছে সেটাতে ২০% নাকি আসলে এক্সট্রা দেয়না, পানি মিশায় দেয়!
৫০. ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৬
টুশকি বলেছেন: স্ট্যান্ডার্ড পেন্সিলগুলা আসলেই খুব মজার। আমিও ডাইরেক্ট পানিতে চুবাতাম । অনেকে এগুলা দিয়ে হাতেও আঁকত।
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: .....:#)B-)

৫১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
অ্যালন বলেছেন:

আপ্নি কার্কার্ভাবি.. /:) :-
১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: আমি ভাবি আমি কার্কার্ভাবি :|

১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৩:৪৮

লেখক বলেছেন: এক্টা মানুশ...:-< .../:)

৫৩. ১১ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:০৭
ঝুমী বলেছেন: লেখাটা অনেক ভাল লাগলো। প্রিয়তমার জন্য....
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ঝুমী,
খুব্ব সুন্দর একটা ছবি...:)
শুভেচ্ছা রইল।

৫৪. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫
রাশেদ বলেছেন: নতুন লেকা কই?
১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:২৯

লেখক বলেছেন: আপনি কে ভাই!!! ঠিক চিনতে পারলাম না তো আপনাকে.../:)

৫৫. ১২ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ৮:০৬
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: কেমন আছো প্রিয়তমা?
আকাঁ-আঁকি কিছু পারি না। :(


১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১:৩১

লেখক বলেছেন: এই তো আপু আছি ভালই। ক্লাস শুরু হয়ে গেছে পুরোদমে।
আমিও তো তেমন আকাঁ-আঁকি পারিনা:(

 

মোট সময় লেগেছে ২.৯১৪৬ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
"রাতের নিকষ কালো আঁধারের পরেই ভোরের আলোর আগমন.."

nhasin14[at]gmail.com
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ