somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... Virginia O Virginia...
আর কিছুদিন পরেই আমাকে ফিরে যেতে হবে আমার এই পরিচিত শহড় ছেড়ে। খুব বেশিদিন হইনি আমি এই শহড়(Virginia) এ এসেছিলাম। বলতে পার আমার কোন প্রয়োজনের তাগিদে। কিন্তু হুট করে আসা শহড় টি খুব অল্প কদিনে আমার অনেক আপন হয়ে গেল। এতটাই আপন, আমার বার বার মনে হয় আমি এখানেই বিলংস করি। অনেক খারাপ, ভাল
অভিঙতা নিয়ে আমার ভাল লাগা এই শহড় টিকে ঘিরে।

মনে পড়ে প্রথম যেদিন, বাসা থেকে বিদায় নিয়ে, এখানে এসে পৌছুলাম, জানলাম আগে থেকে ভাড়া করা বাসাটি দিয়ে দেয়া হয়েছে আরেকজনকে। সেদিন সারাদিন ক্লাশের পরে যখন এই খবর টা পেলাম, আমি তো একেবারেই চিন্তায় পরে গেলাম। এখন কি করবো। সকালে চার ঘন্টা ড্রাইভ করে এসে ক্লাশ করার এনার্জি যা ছিল সবই খতম হয়ে গেছে ইতিমধ্যে, আবার চার ঘন্টা ড্রাইভ করে বাসায় ফিরে যাব সেটাতেও মন সায় দিচ্ছে না কারন পরের দিন সকালে আবারো ক্লাশ। এরকম অসহায় মুখ করে যখন বসে বসে ভাবছি, তখন কোথা থেকে উদয় হলেন এনায়েত ভাই,উনি একি ক্লাশের স্টুডেন্ট। আমাকে ক্লাশে নুতন দেখে, কথা বলার আ্গ্রহ হলেন। তাই কথায় কথায় যখন উনি যানতে পারলেন, আমার অভস্থার কথা, বললেন, যদি সমস্যা না থাকে তাহলে উনার একটা পরিচিত বাসা আছে, ভাড়া খুজছে, সেখানে ট্রাই মেরে দেখতে পারি। আমি ভাবলাম কেন নয়? সো উনি আমাকে একজন বাংলাদেশী পরিবারে নিয়ে গেলেন। বেশ সুন্দর বাসা। আন্টি কথা বললেন আমার সাথে, জানি না কেন, উনি আমাকে বললেন, তোমার যতদিন খুশি এখানে থাক, কোন সমস্যা নেই আমাদের। মন টা হুট করেই ভাল হয়ে গেল। এক দিকে থাকার চিন্তা, অন্যদিকে, পরিবারে সবাই আমাকে পছন্দ করাতে বেশ সাচ্ছন্দ বোধ করলাম। সেই থেকে আমার পরিচিতি এই শহড়টির সাথে। দিন যেতে লাগল, আমার ভাল লাগা ততই বেড়ে গেল। অনেক ছোট ছোট ভাল, খারাপ ঘটনা নিয়ে কেটে যেতে লাগল আমার দিন গুলো।

একবার মনে পরে, খুব বড় গাড়ী এক্সিডেন্ট করলাম। হাইওয়ের এপ্রান্ত থেকে ওপ্রান্তে শুধু গাড়ী আর গাড়ী। এত মানুষের মাঝেও, নিজেকে কেমন অসহায় মনে হল। মনে হল, এখন কি করবো? কল করলাম, আমার খুব অল্প দিনের পরিচিত এক বন্ব্ধুকে। বেচারা সব শুনে কাজ ফেলে আমাকে উদ্ব্ধার কর‌তে এগিয়ে এল। আমাকে আপসেট দেখে সেই সব সামলে নিল, ইনসুরেন্স কোম্পানি তে কথা বলা, পুলিশের সাথে কথা বলা, সব করলো। তারপর আমাকে বাসায় নিয়ে ওর ফেমিলির সবাইকে বললো আমার এই অবস্থা, সবাই কেমন অস্থির হয়ে গেল, আমার কোন কিছু হয়েছে কিনা জানার জন্য। খুব অবাক হয়েছিলাম, এই ভেবে, ওরা তো আমার কেও না তবুও এত কেয়ার। যেটা ভেবে মনে হল, পৃথিবীতে একা পথ চলাটা খুব একটা কষ্টের কাজ না।

এভাবে দিন গড়িয়ে গেল, আমার ক্লাশ শেষ করে জবের জন্য চিন্তা। বাবা বাসা থেকে সরাসরি বলে দিয়েছেন, আমাকেই কিছু করে নিতে হবে কারন, টাকা দিয়ে হেল্প করার আর সম্ভব না। কি করা যায়। হন্যে হয়েই একটা কাজ খুজছি। যেকোন জব। যাইহোক কিছু দিন পরেই পেয়ে গেলাম একটা। খুব সাধারন কাজ, তবুও আমার ম্যানেজারের (কেলী) কাজ করাটা আরো ইজি করে দিল। আমার সব কথা শুনে। আমার এই শহড়ে আসার উদ্দ্যেশ, আমার পরিস্থি তি সব শুনে বললেন, কোন সমস্যা নেই, আমি যেন আমার সুযোগ মত কাজটা চালিয়ে যাই সেই সাথে যখন যা প্রয়োজন যেন তাকে জানাতে হেজিটেট না করি। আমার জীবনে অনেক মানুষকেই আমি এমন কথা বলতে শুনেছি, কিন্তু প্রয়োজনে, আমি খুব কমই তাদের কাছে পেয়েছি। কিন্তু কেলী ছিল সম্পূর্ন অন্যরকম। সে তার কথা রেখেছে। আমার যেকোন প্রয়োজনে, সে সবসময় আমাকে হেল্প করার চেষ্টা করেছে। একজন আমেরিকান হয়েও আমার সব সমস্যাগুলো নিজের করে ভাবতে পেরেছে। যা আমি অনেক সময় আমার খুব কাছের মানুষদের কেও বোঝাতে পারিনি।কাজ ছেড়ে দেবার দিন, সে প্রায় কেদেই ফেলল, আমাকে বললো, প্রমিজ মি, জীবনে, অনেকে তোমাকে ছোট করবে, কষ্ট দিবে, কিন্তু নিজেকে কখনো হারিয়ে ফেলবে না। আমি কি বলবো বুঝতেই পারছিলাম না, মানুষের ভালবাসা এমন কেন? যাকে আমি এক বছর আগে চিনলাম, আবার আজকে চলেও যাচ্ছি, সে মানুষ কেন আমাকে এতটা টান দেখাবে? সে মানুষ কেনই বা আমাকে নিয়ে এত টা ভাববে। সত্যি অবাক হই।

আমার দুবছরের সফর এই শহড় টিকে ঘিরে কত ঘটনা, কত মানুষ, কত জায়গা। মনে পরবে, যখন তখন বন্বধুদের (ঝরনা, মিরা, সাইফুর)বাসায় চলে যাওয়া। গিয়ে আন্টির হাতে মজার রান্না খাওয়া, বাসার সবার সাথে আড্ডা মারা। মনে পরবে, কোন অনুষ্ঠানে সবাই মিলে কেমন শাড়ি পরবো, কেমন করে সাজবো, কেমন করে সবার সাথে খুব হৈ
,চৈ করবে.সব..সব মনে পরবে। আরো মনে পরবে ক্লাশের সবাই মিলে, লান্চে গিয়ে আড্ডা দেয়া, নুতন নুতন ছেলে মেয়ে দের সাথে পরিচিত হওয়া, মাঝে মাঝে হারিয়ে যাওয়া ক্লাশমেটদের সাথে দেখা হওয়া।

ভাবতেই খারাপ লাগছে এত কিছু এই দুবছরে, এত ভাল লাগা, এত ভালবাসা সব ফেলে ফিরে যেতে হবে। হ্য়তো জীবনটাই এমন, প্রয়োজনের তাগিদে এগিয়ে যেতে হয়, আবার অজানা কোন জায়গায়, অজানা মানুষদের ভিরে।

তবে যেখানেই যাই , আমি বার বার ফিরে আসতে চাই এখানে। আমার এই ছোট্ট প্রিয় শহড়টিতে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/29083991 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/29083991 2010-01-23 09:23:28
ফটোগ্রাফি-২ দুটা ছবি দিলাম। দেখুন তো কেমন হলো।


প্রজাপতি, প্রজাপতি কোথা যাও নাচি নাচি
একবার দাড়াও না ভাই <img src=" style="border:0;" />]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28822096 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28822096 2008-07-20 05:48:52
ঢাকা প্রজেক্ট(প্রতিষ্ঠিত-২০০৫)
http://www.thedhakaproject.org

বিস্তারিত জানতে চাইলে এখানে ভিজিট করতে পারেন। এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন "মারিয়া কনসিসাও" ওনি একজন বিদেশি। বাংলাদেশের না হয়েও আমাদের দেশের মানুষের জন্য গভীর মমত্ব বোধের প্রকাশ।

ভিডিও টি দেখুন:



]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28805294 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28805294 2008-06-02 00:28:06
গল্প নয় সত্যি
দুজনের সংসার ওদের।শুভ-র সাথে বিয়ে হয়েছে বছর দু্য়েক হল। তেমন ঘটা করে বিয়ে নয়। বাবা , মা কেও-ই রাজি ছিলেন না এতে। শুভ-র বাড়ী নেই, খুব ভাল জব-ও সে করেনা, যা দিয়ে একজন রমনীর সমস্ত আবদার পূর্ন হতে পারে।তবু-ও তিলু সবাইকে উপেক্ষা করে শুভ কেই বিয়ে করেছে। তিলু বা শুভ দুজনেই ছোটবেলা থেকে বেশ সাচ্ছন্দ্যেই মানুষ হয়েছে। বাবা, মা সব আবদারই পূরন করেছেন ওদের। দুজনের জীবনে শুধু একটি জিনিসের অভাব ছিল ওদের , সেটা ছিল ভালোবাসা। কি জানি কে জানতো কোন একদিন বিধাতা এই দুটি আত্মাকে এভাবে এক করবে।

প্রথম পরিচয়েই অনেক কথার ফুলঝুরি ছুটেছিল দুজনের। শুভ খুব মুখচোরা স্বভাবের। কখনো নিজের কষ্টের কথা কারো সাথে বলবে না। কিন্তু ঠিকই কার কি সমস্যা হচ্ছে, কার কোথায় কি লাগবে সেইসব ব্যাপার গুলো খুবই চিন্তিত করে ফেলে ওকে। তিলুর সাথে প্রথম পরিচয়ে হরবর করে মনের সব গোপন ব্যাথাগুলো বলে ফেলেছিল সেদিন। আর তিলুও যেন কোথায় খুজে পেয়েছিল তার ছোটবেলাকে এই মানুষটির মাঝে। দুজন মানুষের জীবন ধারা কেমন করে এত মিলে যেতে পারে, তা ওর কাছে সত্যি ভীষন আশ্চর্যের বিষয় ছিল।

শুভ কে দেখেই ওর মনে হয়েছিল, এই কি সেই মানুষ যাকে বটবৃক্ষের সাথে তুলনা করা যায়। যার ছায়ায় বসে সে একটু প্রাণ জুড়োবে অনেক ক্লান্তির পথ হেঁটে এসে। যার কাছে থাকলেই মনে হয় পৃথিবীর আর কোন অপবিএতা ওকে ছুঁতে পাবে না। শুধু এই একটি মানুষ যার কাছে নিজেকে সঁপে দিয়ে ভুলের কোন হিসাব করতে হবে না। তিলু অনেক কিছুই মেলাতে পারে না আসলে। কেন এমন হবে? কি করে কাওকে এভাবে ভালবাসতে পারে ও? কি করে সম্ভব অনেক কষ্টের পরেও শুধু শুভ র কথা ভেবে সব ভুলে যাওয়া। সত্যি মেলাতে পারে না ও।

শুভ যেমন ভালোবাসা হীন পরিবেশে মানুষ , তিলু-ও তাই। কথায় আছে যে যা কখনো পায় না সেটা সে কখনো দিতে পারে না। তাই শুভ র সাথে পরিচয়ের আগে কখনোই ভাবতে পারত না ও কখনো কাওকে নিয়ে সংসার করতে পারবে। শুভ -ও তাই। বিয়ের পরেও দুজনেই মাঝে মাঝে দুরত্ব অনুভব করে। তবে সেই দুরত্ব ভালবাসার দুরত্ব নয়। মনের ভিতর লুকিয়ে থাকা চাপা বেদনা গুলো যেন ওদের ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। কেমন অচেনা মনে হয় নিজেদের। তারপর ক্ষানিক পরেই যেন ভালবাসার অথই নদী পারি দেয় দুজন। তিলুর খুব কান্না পায় তখন, মনে হয় যুগ যুগ ধরে শুভ-র কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন ও। বুকের মধ্যে জমে থাকা দীর্ঘনিশ্বাস গুলো একেক টা প্রবাল ঢেউ য়ের মত আছরে পরে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28797851 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28797851 2008-05-14 11:02:42
অকবিতা-১ সারি সারি অন্ব্ধকারে, তোমাদের নিলজ্জ উঁকি ঝুকি।
আর পথ থেকে পথে , শুধু কালচে সবুজের ভালবাসা -
খয়েরি রঙ্গের ভালবাসা গুলো আমায় এলো মেলো করে
চেয়ে থাকি, নিস্তব্ধ, বধির আমি;
যেন উড়ে যেতে থাকি দিগন্তে থেকে দিগন্তে।
ভাল লাগা টুকু বেয়ে পরে চোখের কার্নিশ থেকে,
হ্ণৎপিন্ডের নালা পেরিয়ে;
ঠিক নখের বেড়া পর্যন্ত।
এক বাঁক দু বাঁক...
হঠাৎ...

অসুস্থ রঙ্গের সেই আলোর প্রবেশ।



পুনশ্চ: কবিতার কোন নাম দিতে পারিনি।তাই অকবিতা বলে আখ্যায়িত করলাম। যদি নাম বিহীন কারো নাম, অনামিকা হয়, তবে নাম বিহীন কবিতা কেন অকবিতা হতে পারবে না, তাই না <img src=" style="border:0;" />


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28795423 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28795423 2008-05-08 11:36:28
একশত টাকা.. পাঁচটি বিশ টাকার নোট সেখানে । ।
হুম!
হিসাব করছি,
হয়ে যাবে তেল খরচ
কিনব কিছু নুতন জামা-
সিনেমাও দেখা যাবে;
কিছু রাখবো ব্যাংকে-
হয়ে গেল ভবিষ্যতের "ফিক্স ডিপোজিট"।
আর কি চাই?
২০*৫ = ১০০ 'শত টাকা।
হাতের পাঁচটি আঙ্গুল
অনেক ক্ষমতা । ।
আরে না না রেখে দাও
ব্যাঙ্গ হাসি ।
প্রশ্ন 'প্রতিক "ভালবাসার"?
দরোজা বন্ব্ধের জোর শব্দ
উওর টা চাপা পড়লো,
নোটের ভাঁজে..




]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28793149 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28793149 2008-05-01 06:46:42
চারকোণা অভিমানী আহা!

শব্দের এপিঠ ওপিঠ
অনুভূতি গুলো যান্ত্রিক টোনে
গেঁথেছে মালা..

ইচ্ছে হলোনা আজ
তাকে ছুঁই

চারকোণা অভিমান তার;
আমার এক বিকেলের উদাসিন ভাবনায়।

যান্ত্রিক টোনে জানান দেয়
ভাইব্রেটিং রাগ।





---এপ্রিল ১৬,০৮
সময়- রাত ২:০৮]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28788319 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28788319 2008-04-16 12:10:38
ফটোগ্রাফি-৩
ছবিগুলো দেখে মনে মনে একটা গানই বেজে উঠছে, "এই পথ যদি না শেষ হ্য় তবে কেমন হত তুমি বলতো?"

জায়গাটার নাম "স্কাইলাইন ড্রাইভ"

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28787940 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28787940 2008-04-15 04:47:59
একটি রাতের গল্প- -শেষ পর্ব
আস্তে আস্তে শুভ মা'র দিকে এগিয়ে যায়।ধীরে ধীরে বলে, 'মা, আমাকে একটু জড়িয়ে ধর, আমি যে মারা যাচ্ছি'।বলতে বলতে শুভ বুঝতে পারল ওর চোখ দুটো ঘুমে জড়িয়ে আসছে, আর সেই পুরনো দিনের কথা মনে আসছে। তিলুর কথা, বাবার কথা, ভাইয়ের কথা, সবার কথা।কেমন আছে সবাই? আর যদি কিছুদিন সময় পেতাম তাহলে হিসেব গুলি মিলিয়ে দিয়ে আসতাম।বিড়বিড় করে বলতে লাগল শুভ।

হঠাৎ প্রচন্ড ঝাঁকুনিতে ঘুম ভেঙ্গে গেল ওর।' এই শুভ, এই, কি হয়েছে তোর?কি সব বিড়বিড় করছিস?' শুভ চোখ মেলে তাকিয়ে রইল, তারপর ধড়মড় করে উঠে বসল বিছানায়।দেখল, নীলু দাঁড়িয়ে আছে মাথার কাছে।শুভ'র রুম মেট।' কি রে, কি হয়েছে তোর?' নীলু প্রশ্ন করল।' কোন দু্ঃস্বপ্ন দেখেছিস?'

শুভ ওর ডান হাতের দিকে তাকাল।স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল সেখানে কোন কাটা দাগ না দেখে।ও সত্যি তাহলে বেচে আছে?তাহলে ও এতক্ষন স্বপ্ন দেখছিল! হঠাৎ দেয়ালে ঝুলে থাকা ক্যালেন্ডারের দিকে চোখ পড়ে গেল।আজ ১০ ই ডিসেম্বর। স্বপ্নে ও দেখেছিল ১২ ই ডিসেম্বর।একটু চিন্তিত মনে হল শুভ কে।কিন্তু কিছু না বলে উঠে দাঁড়াল।হাতঘড়িটা পড়ার জন্য টেবিলের কাছে যেতেই স্বপ্নে দেখা ফুলদানিটা চোখে পড়ল ওর।বুকটা ধরাস করে উঠল।তবে কি ও সত্যিই ওর মৃত্যুকে দেখেছে?নাকি খুব শিঘ্রই ও মারা যাবে?খুব দ্রুত চিন্তা করতে লাগল শুভ।একটুও সময় ব্যায় না করে জামা কাপর গুছাতে লাগল ও।তারপর উঠে দাড়িয়ে ব্যাগটা হাতে নিয়ে দড়জার দিকে এগোল।হঠাৎ মনে পড়ে গেল নীলুর উপস্থিতির কথা,ঘুরে দাঁড়িয়ে বলল, ' ভাল থাকিস'।নীলু এতক্ষন বোবা পুতুলের মত শুভ'র কান্ড দেখছিল। এবার প্রশ্ন করলো, 'কোথায় যাচ্ছিস তুই শুভ?'শুভ উত্তর দিল-'কিছু অংকের হিসাব মেলাত।' বলে দড়জা দিয়ে সোজা বেরিয়ে গেল ও।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28772938 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28772938 2008-02-22 05:24:28
একটি রাতের গল্প- -পর্ব-২ একটি রাতের গল্প-১

এদিক ওদিক তাকাতে লাগল শুভ। কেমন ভয় মাখা দৃষ্টি ওর দু চোখে এখন।হঠাৎ ওর চোখ দুটো আটকে গেল টেবিলে রাখা ফুলদানিটার উপর।সেখানে কিছু রজনীগন্ব্ধা সাজানো।

রজনীগন্ব্ধা শুভ'র খুব প্রিয় ফুল।ওর মনে পড়ে গেল ফেলে আসা সেই দিনগুলির কথা।তিলু ওকে অনেক রজনীগন্ব্ধা কিনে দিত।দু ' হাত ভরে। হঠাৎ তিলুর কথা মনে হল কেন? ও তো সেই কবেই তিলুকে ছেড়ে চলে এসেছে। প্রায় বছর দুয়েক। বিদেশে আসার পর বেশ কিছুদিন যোগাযোগ ছিল ওদের মাঝে।তারপর এখানকার আধুনিক বেশভূষা আর দূরত্ব- দু 'টোই শুভ ' র ভালবাসাকে আস্তে আস্তে ম্লান করে দিয়েছে।আর প্রয়োজন বোধ করেনি তিলুর সাথে যোগাযোগ রাখার।কিন্তু এতদিন পরে এসব কেন? নাহ্‌, এসব নিয়ে চিন্তা করার সময় ওর নেই এখন। ওর হাতটাকে কিছু একটা করা দরকার।
আবার উঁঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করল শুভ।এবার ঠিক পারল। আস্তে আস্তে ড্রইং রুম পেরিয়ে রান্না ঘরের কাছে আসতেই দেখতে পেল, ওর মা শাড়ির আঁচল হাতে নিয়ে দাড়িয়ে আছে। গায়ে একটা সাদা শাড়ি জরানো।শুভ' র চোখ আবার বিস্ফরিত হয়ে এল।
-মা! অনেকদিন পর দেখছি তোমাক. কেমন আছ তুমি মা?
-ভালো খোকা, তুই তো আমাকে একদম ভুলে গেলি।সেই কবে তোকে আমার আঁচল দিয়ে তোর মুখটা মুছে দিয়েছি! আয় বাবা, কাছে আয়।আঁচল দিয়ে তোর মুখ খানা মুছে দেই।শুভ মণ্ঞমুগ্ধের মত তাকিয়ে রইল ও'র মার মুখের দিকে।কি দেখছে এসব? কি ভাবছে এসব ও।মা' তো সেই কবেই মারা গেছেন। বছর দুই হবে। রাগ করে বাড়ি থেকে বেড়িয়ে গিয়েছিল ও। তারপর তিনদিন পর বাড়ি ফিরে দেখতে পেয়েছিল, সাদা কাপরে মোড়া মায়ের লাশ।সেই শুভ আবার বাড়ি ছেড়েছে আর ফিরে যায়নি সেখানে।

চলবে..
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28772542 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28772542 2008-02-21 03:21:24
একটি রাতের গল্প- -পর্ব-১
শুভ বুঝতে পারল ও রীতিমত ঘামছে।কি করবে ও?কাওকে ডাকবে নাকি ডাক্তারকে ফোন করবে?'নাহ্‌' ডাক্তারকেই ফোন করি, বলে ওঠে দাঁড়াতে চাইল ও। কিন্তু পারল না। মনে হল কে যেন শক্ত দু'হাতে ওর পা জড়িয়ে আছে।কিছুতেই নড়াতে পারল না ও পা দু 'টো। কি হচ্ছে এসব ওর সাথে?শুভ ভয়ে চিৎকার দিতে চাইল কিন্তু গলায় তেমন জোড় পেল না। ও কি তাহলে মারা যাচ্ছে?হঠাৎ দেয়াল ঘড়িটা ঢং ঢং করে তিনটে বাজার খবর জানিয়ে বেজে উঠল। দেয়ালে ঝুলে থাকা ক্যালেন্ডারের দিকে চোখ গেল ওর। ১২ ই ডিসেম্বর। ডান হাতটার দিকে আবার তাকাল ও। রক্তে ভেসে যাচ্ছে চাদর, বিছানা, বালিস।

চলবে..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28772226 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28772226 2008-02-20 08:16:27
এই খোকা


এই খোকা;
উঠে পর শিঘ্রী ভোর হল যে,
স্কুলে যেতে হবে, হাত মুখ ধুয়ে নে।
মন দিয়ে পড়বি সোনা;
খেয়ালের বশে করি না দুষ্টমিটা-
তুই অনেক বড় হবি;
দেশের তরে হবি, এক সূর্যসেনা।

এই খোকা;
মাকে কি মনে পড়ে না তোর?
থাকিস যে তুই সাত সমুদ্রের পর-
জানি তুই অনেক বড় হবি;
মায়ের কথা, খোকা কি ফেলতে পারে?

এই খোকা;
তুই আসবি ফিরে কবে?
এই দু:খিনী মায়ের কোলে।
আচল দিয়ে মোছাবো মুখ;
কোলে নিয়ে ঘুম পারাবো-
চাঁদ মামা মিষ্টি গানের সুরে।

খোকা-
কলমের লিখায় মন যে ভরে না আর
বড্ড দেখতে ইচ্ছে হয় যে তোকে;
আয়না একবার ছুটে আমার কাছে,
দেখবো সোনা, তোকে প্রানটি ভরে।
কতদিন হলো চিঠি আসেনা তোর;
অপেক্ষায় দিন চলে যায়,
মা ডাক শুনবো বলে-
হয় যে মন আকুল-
খোকা, মাকে কি মনে পড়ে না তোর?

এই খোকা,
ভুলিস না যেন নিজের যত্ন নিতে;
অসুখ বাধাস না যেন আবার হেঁয়ালি করে।
মন দিয়ে পড়বি সোনা-
খাবার খেতে ভুলিস না যেন,
একটু সময় করে।


আজ তবে রাখছি;
অনেক চুমু দিয়ে,আমার খোকার গালে;
ভুলিস না তুই লিখতে চিঠি-
তোর দু:খিনী মায়ের তরে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28763963 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28763963 2008-01-24 23:19:45
আমার ফটোগ্রাফি-১ " style="border:0;" />। একসময় প্রফেসনাল ফটোগ্রাফার হবার ইচ্ছা জাগলো, সেই ইচ্ছা থেকেই আমার ছবি গুলোর জন্ম।

তবে বলে রাখি আমার খুব ভাল লাগে সাদা-কালো ছবি তুলতে, স্পেসালই মেয়েদের ফেইসের প্রতি আমার একটা দূর্বলতা আছে। এখনো তেমন কোন ছবি তোলা হয়নি যদিও,তবে তুলবো কোন একদিন।

পি:এস: আমি এখনো প্রফেসনাল হতে পারিনি <img src=" style="border:0;" />

ছবি হিসটরি:

এই ছবি দুটো তুলেছিলাম, নর্থ ক্যারোলাইনার "আউটার ব্যাংক" এ গিয়ে। একটা জনপ্রিয় রোমান্টিক ছবি আর আমারো ফেব "Message in a bottle"ছবিটি আমাকে অনুপ্রানিত করেছিল এই জায়গাটি ঘুরে আসবার। সত্যি রোমান্স করার জন্য দারুন একটা জায়গা। ওখানে গেলেই মনটা সমুদ্রের মত বিশাল করে ফেলতে ইচ্ছে করে। তবে আমি একটু বেশী ভাবুক প্রকিতির থাকাতে, আকাশ, সূর্য আর সমুদ্রের প্রেমে পরে গেলাম । হি:হি:


প্রথম ছবি:

"Sunset on the other side": মজার ব্যাপার হলো, এখানে সূর্যটা অস্ত যাচ্ছিল না, কিন্তু আমি সমুদ্রের ঠিক যেখানে দারিয়ে ছিলাম, সেখানে একেবারেই দিনের আলোর মত ঝক ঝক করছিল, আর অন্য সাইডে দেখছিলাম সমুদ্রের ঝড়। এক পাশে আলো আর অন্য পাশে অন্ব্ধকার কেমন লাগে ব্যাপারটা বলুনতো? তাই চটপট ক্যামেরা বন্দী করার চেস্টা করলাম দৃশ্যটা। কিন্তু প্রিন্ট করে দেখি, একি, এতো চারিদিকে অন্ব্ধকার। তবুও ছবিটা আমার মন ছুঁয়ে দিল।


দ্বিতীয় ছবি:
"The story of Sunrise":আমার দ্বিতীয় ছবিটির নাম। সেদিন ভোরে উঠেই দৌড় দিলাম সানরাইজ দেখবো বলে। সারা রাত ঘুমাতেও পারিনি ঠিকমত। শুধু চিন্তা যদি মিস করে ফেলি তাহলে আর আমার এখানে সানরাইজ দেখা হবে না। তো, সূর্য ওঠার আগেই পারে গিয়ে দারিয়ে রইলাম ক্যামেরা নিয়ে। উফ এতক্ষণ লাগে নাকি সূর্য উঠতে। অস্থির অস্থির.. প্রায় ঘন্টাখানেক অপেক্ষার পর তার দেখা পেলাম। কি সেই সোন্দর্য, অসহ্য অসহ্য,তাকিয়ে আছি, আর আছি। হঠাৎ মনে হলো, আরে ছবি তোলাই তো হচ্ছে না, কিন্তু সূর্যমামা মেঘের আড়ালে চলে যাচ্ছেন। খুব তাড়াহুড়া করে ছবিটা তুললাম। মনে গেঁথে গেল প্রিন্ট করার পর।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28763098 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28763098 2008-01-22 04:12:04
লাইব্রেরী কিছু কষ্ট;
কিছু আবেগ;
কিছু আশা;
শক্ত মলাটের মাঝে-
চার দেয়ালে
ভিন্ন মানুষের ভীরে..
চুপচাপ একাকী। ।

কারো-র কোমল স্পর্শ
অথবা...
মসৃন খসখসে হাতের আড়ালে
জেগে ওঠে ওরা
পৃষ্ঠার ভাঁজে ভাঁজে-
কখনো, কোনসময়
আবার;
.... সবসময়। ।

টিক্‌ টিক্‌ করে নঁয়টা বাজলো;
আলো গুলো প্রান হারালো
গুন গুনানি, বিড়বিড়ানি
আওড়ানো শব্দগুলো -
থমকে গেল সেই সাথে। ।

একঝাঁক নিঃসঙ্গতা ফিরে এলো
ওদের মাঝে...

সত্যি কি?
নাহ্‌ ,
বইগুলো এখন স্বস্তি পেলো
অন্ব্ধকারে.। ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28762724 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28762724 2008-01-21 00:10:36
মুক্তির বারতা আজ আকাশে বাতাসে..

আজকের এই খুশির দিনে কোন ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।
আপনারা যারা মুক্তি পেয়ে আমাদের মাঝে ফিরে এসেছেন, সবাইকে স্যালুট দিয়ে অভিনন্দন জানাচ্ছি।

এই খুশির দিনে একটা গান (এই গানটা ডেডিকেটেড ফর ১৯৭১ মুক্তিযোদ্বাদের কে, তবুও আমি এই গানটাই আপনাদের কে (যারা নুতন করে সংগ্রাম করেছেন আমাদের দেশ ও ভাষার জন্য) ডেডিকেটেড করছি।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28761515 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28761515 2008-01-16 21:27:25
এসো হাত ধরো... কুরে কুরে মরতে চাই না আর;
চাই জেগে উঠার পথ।
জাতি তুমি আর ভয় পেও না..
এসেছে সময়, ফিরে দেখার
আর অশ্রু নয়, এসেছে সময় চোখ মুছার
দেখ, ঐ পথে কে যায়
তোমাদেরই একজন।
এসো হাত মিলাও
এসো মোরা জেগে উঠি একসাথে,

পথিক আর পথ ভুলো না
এসো এই পথ ধরো
যে পথে ঝরেছে রক্ত।
এসো ভয় পেও না-
ঐ রক্তের দাবি নিয়ে-
মোরা এগিয়ে যাই
উল্লাসে একসাথে;
নু্তন বিজয়ের আকাঙ্খাতে।

জননী, আর কেঁদো না-
এসো হাত ধরো,
যে ক্ষত তুমি ঢেকেছো এতদিন লজ্জায়;
তার প্রতিশোধের সময় এসেছে।
এসো জেগে উঠি মোরা একসাথে-
তোমার হারানো পুত্রর দাবী নিয়ে-
ছিনিয়ে আনবই আমরা আজ সব আলো।

এসো সবাই, ভয় পেও না-
আমরা ওড়াবোই
বিজয়ের পতাকা।

প্রতিজ্ঞা ;

সেই পতাকার লালে থাকবে না আর হতাশা
থাকবে দ্বীপ্তময় জ্বলে ওঠা আমাদের অহংকার।

এসো হাত ধরো।


(অনুপ্ররণা, রাগ ইমন আপু, নাদান আরো অনেকে)

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28755256 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28755256 2007-12-31 02:49:38
তোমার অজান্তে সেই পবিত্র স্নানে।
আমি জল ছুঁয়েছি, তোমারই অলক্ষ্যে---
শত শত ঢেউয়ের প্রাচীরে, আজ আবার হয়েছি চুর্ণ।

আমি নীল থেকে হচ্ছি নীলাম্বরী
মেঘ গুলো বসিয়েছে তার প্রিয় সাদা কালোর মেলা।
জানি বৃষ্টি ঝরবে আবারো,
কোন অপ্রিয় কালো রাত্রিরে;

জানি তুমি কখনোই শুধাবেনা আমায়,
চাইবে না ছুঁতে, সেই নীলাম্বরীকে;
শুধু, নিথর দৃষ্টি কোমল হবে,
কিছুক্ষনের মেঘ-বার্তায়...

হোক না,
তবুও ভাববো---
ক্ষতি কি তাতে?
আমি যে হয়ে উঠছি পবিত্র তোমারি অজান্তে।

(লেখাটা অনেক পুরনো ;
অক্ট, ৪/০৪)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28754805 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28754805 2007-12-29 08:20:20
এরিয়ে যেও না, আবার কাছেও এসো না! তবু মৃত্যুতে আনন্দ অথবা দুঃখ পাও।
কি অধিকারে ছিনিয়ে নিলে তাকে,
আর কি অধিকারে এই আনন্দ উৎসব?
কি শোকে তুমি শোকাহত, কিংবা
কি জ্বালায় তুমি ক্ষতবিক্ষত?
অন্ন, বস্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা এই শুধু তোমার অধিকার।
পেয়েছো কি সব? তবু কেনো তোমার বুকের পশু আজও জাগ্রত?
কি অধিকারে ছিনিয়ে নিলে তাকে,
আর কি শোকে আজ তোমার চোখে কান্না ঝরে?
আমি বুঝি না, আমি সত্যি বুঝি না
এই মানব সমাজ,এই বিকৃত পৃথিবীর আনন্দোৎসব।

ভেবো না,

তুমি শুধু এড়িয়ে যাও, কাছেও এসো না,
আবার কারো মৃত্যুতে দু-ফোঁটা জল ও ফেলো না !

এই আমার প্রার্থনা।


আজ কোন একটা কারনে মনটা খারাপ। জানি এমন ঘটনা নুতন নয়, তবুও খারাপ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28754520 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28754520 2007-12-28 07:07:23
@২০০৭
আজকে বসে বসে ভাবছিলাম, কেমন গেল আমার এই বছরটি। সত্যি খুব উল্যেখযোগ্য একটি বছর ছিল আমার জন্য। বছরের শুরুতেই মনে মনে ভেবেছিলাম, নিজের জন্য কিছু করবো। অবশ্য আমার ভাগ্যদেবী এবার আমার সহায়তেই ছিলেন। একটা সুযোগ পেয়ে গেলাম নিজের কেরিয়ার চেইন্জ করবার, সাথে সাথে লাইফ স্টইলেরও। আমাদের দেশের অধিকাংশ মেয়েরাই আপন পরিচিত ঘর থেকে বের হতে খুব ইনসিকিওরড ফিল করে। আমরা ভাবি আমরা সত্যি কি কিছু করতে পারবো সেভাবে একা একা। আমি ও এর বাইরে ছিলাম না। তবুও মনের মধ্যে উড়াল পাখিটা ছঠফঠ করতো, কবে হবো আমি মুক্ত পাখি, কবে ডানা মেলবো কোন অজানা পথে। হ্যাঁ, ভাগ্যদেবী আমার প্রতি প্রশন্ন হয়েছিলেন। কিন্তু ডানা থাকলেই তো খাচার পাখি উড়তে পারে না, তার জন্য লাগে কিছু পশ্রয়, কিছু সাহস, আর অঘাধ বিশ্বাস। আমি ও তা পেয়েছি, আমার বাবা মা, আর আমার ভালবাসার মানুষটির কাছে থেকে। জীবনটাকে নুতন করে চিনতে শিখিয়েছে ওরা।
তবে এটাও সত্যি নিজস্ব গন্ডি থেকে বের হতে গিয়েও যে আমাকে কম হয়রানি হতে হয়নি তা কিন্তু নয়, সবচে আপন বন্ব্ধুরা হয়ে গেল পর, হয়ে গেল একেকজন বিষাক্ত সাপের মত, "করে নাকো ফোস ফাস, কিন্তু কাটে হুট হাট "<img src=" style="border:0;" />।
নুতন জীবনের পথে অনেক মানুষের ভালবাসাও পেয়েছি তা সত্যি অকল্পনীয়। এই বছরটি মিলে মিশে হয়ে গেল টক ঝাল মিষ্টি..<img src=" style="border:0;" />

এই কবিতাটা তার জন্য....( আর অনেক অনেক পেয়ার<img src=" style="border:0;" />)

পৃথিবীর বুকে সে খুব ছোট্ট, কোটি কোটি অনুপরমানুর ভিতর
তার বেচেঁ থাকার স্বপ্ন
হোক না তা কোন কুড়েঘরের, অথবা কোন প্রাসাদের
তবু স্বপ্ন, স্বপ্ন নয় আজ
ক্লান্ত চোখ আর ভয় করে না
সে জানে, স্বপ্ন ভেঙ্গে গেলেও তা আবার পাখা মেলে,
তোর অবাধ ভালবাসায়....

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28754182 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28754182 2007-12-27 01:32:35
টুকরো ভাবনা বিলিয়ে দিতে সুখ,
হৃদয়টাকে আকাশ করে
কেঁদে ভাসিয়েছি বুক।

তোমাদের একটু হাসি,
একটু হৃদয়ছোয়া গান,
একাতরে বিলিয়ে গেছি
চাইনি প্রতিদান।

এমনি করে দিন কেটেছে
কেটেছে কত মাস,
নিজের দুঃখ সরিয়ে রেখে
চেপেছি দির্ঘশ্বাস।

আজ তোমরা ভেসে বেড়াও
সুখের সাগর কূলে,
আমি কেন আজ একটুখনি
হাসতে গেছি ভুলে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28737418 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28737418 2007-10-14 00:41:16
কি হবে? কি হবে খবরের কাগজে, বিকৃত রুচির প্রতিবাদ করে?
কি হবে আধুনিক শিক্ষায় নিজেদের শিক্ষিত করে?
হবে না পরিবর্তন আমাদের,
হবে না পরিবর্তন এই জাতির।
জেগে উঠবে না আমাদের মূল্যবোধ,
দিন ফুরোলে নুতন করে হবে ষঢ়যন্ত্র;
হবে আবারো কারো মুন্ডপাত
হবে আবারো কোন নারী নির্যাতিত।
কবিতা গুলো আজ শুধুই কবিতা।
কাগজের ভাঁজে ভাঁজে হারিয়ে যায় সব
কালিগুলো শুধু হচ্ছে অপচয়
শিক্ষা, আজ দেয়ালে টাঙ্গানো সুদৃশ্য ফ্রেমে বন্দী।
স্পনেরা আজ মৃত, পরাজিত,
ঘৃনা আর লজ্জাই আজ আমাদের অলঙ্কার।
কে জাগাবে আমাদের?
বলতে পার, কি কেও?
বলতে পার, কি হয় কবিতায়-
খবরের কাগজে, শিক্ষায় ?!
যদি মূল্যবোধ না-ই জাগে আমাদের।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28727299 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28727299 2007-08-23 02:33:47
জীবন যেখানে যেমন কারন শব্দগুলো,
আজ মনের জালে আর আটকে থাকেনা
চুয়ে পড়া পানির মত।

ক্ষয়ে যাওয়া মনের আবেগ কে ফিরে পেতে,
শুনতে হয় বৃষ্টির কান্না।
অথবা কিছুক্ষন তাকিয়া থাকা,
কচু পাতায় জমে থাকা কিছু জলে।

তবুও শব্দেরা যেন মালাগাথে না।
ক্রস কানেকসনের মত
দু একটা শব্দ যদিও গেথে যায়,
তাও হারিয়ে যায়, হঠাৎ করে জ্বলে উঠা
কোন যান্ত্রিক আলোয়।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28726312 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28726312 2007-08-17 12:31:14
আমি কোন অভিযোগ করিনি শৈশবে বেনি দোলানো হরিণ হতে চেয়েছিলাম
তোমরা আমার শৈশব কেড়ে নিয়েছ
আমি কোন অভিযোগ করিনি ।

কৈশরে হতে চেয়েছিলাম শিশিরের আদর মাখা
হেমন্তের সকালের কোন ঘাস ফুল
তোমরা আমার কৈশর কেড়ে নিয়েছ
আমি কোন অভিযোগ করিনি ।

যৌবনে আমি আপেক্ষায় কাটিয়েছি ব্রতচারী রাত
তুমি আসবে বলে অমরাবতি হাতে
তুমি কোনদিন আসনি
আমি কোন অভিযোগ করিনি ।

তাই আজও আমার সমূদ্র দেখা হলনা ।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28707167 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28707167 2007-04-21 05:06:42
নিজ দায়িত্বে.. http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28696931 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/28696931 2007-02-05 23:06:52 ফেলে আসা দিন গুলো (1) । ওদের নাম হলো রুপা, সোমা, লুবনা, আর সুমি । অনেকের ধারনা মানুষের চিন্তা চেতনা যদি এক না হয় তবে সেখানে সমর্্পক থাকে না। কিন্তু আমরা সবাই ছিলাম একে অপরের উন্টো। রুপা ছিল মহা টাঙ্কিবাজ ওর নিত্য কাওকে না কাওকে ভাল লাগত আর আকাশ কুসুম চিন্তায় বিভোর হতো। সোমা ছিল আর্টিস্ট তাও আবার যেন তেন আর্টিস্ট না মেক আপ আর্টিস্ট। ওকে দেখলেই মনে হতো এখুনি মুভির শুটিং শুরু হবে।লুবনা ছিল সাংঘাতিক ইনোসেন্ট একটা মেয়ে, আমাদের দুষ্টামির অধিকাংশ ব্যাপারই ওকে বুঝিয়ে দিতে হতো। সুমি ছিল ক্লাশের ভাল ছাএীদের একজন, ওর জন্য ছুটির দিন ও যা ক্লাশের দিনও তা।সারাক্ষনই বইয়ে মুখ গুজে আছে। আর সবশেষে এই আমি ।ভাবুক প্রকৃতির সারাক্ষন কিছু না কিছু ভাবতাম(যদিও এখন সেটা অনেক কমে গেছে)(ক্লোজআপহাসি)....

আমাদের সময় গুলো কেটে গেল খুব দ্রুত। ক্লাশ শেষ হবার পর প্রায়ই আমরা রিকশায় করে আনন্দ সফরে বের হতাম। একেক জনের জন্মদিনে কাকে কিভাবে বাশ দিব তা নিয়ে নানান প্লল্যান হতো। মাঝে মাঝে আমি রুপা চলে যেতাম নিউমাকেটের বইয়ের দোকান গুলোতে। বেশ মজাতেই ছিলাম তারপর বছর ঘুরতেই চার রত্নকে ছেড়ে চলে এলাম দেশের বাইরে। আজ অনেকদিন হলো তবু মনে হয় যেন এসব গতকালের ঘটনা...

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/27926 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/27926 2006-12-12 18:37:33
ঝরা পাতা আবারো হেঁটে যাবি তুই;
সব রিক্ততা ভুলে।
শিউলি ঝরানো পথে, পাখিদের কলকাকলিতে,
মন মাতাবি হেমন্তের-ই সুরে;
গানে গানে কাটবে যে দিন
গহীন আঁধার শেষে।

বক,ু

সব ঠিক হয়ে যাবে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/21223 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/21223 2006-10-09 15:40:14
তোমাকেই বলছি,,, কেটেছে মৌনতা তব-
ঝিরিঝিরি স্পন্দনে,,,,
সবাইকে শুভেচ্ছা--

প্রিয়তি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/21110 http://www.somewhereinblog.net/blog/priotiblog/21110 2006-10-08 02:39:01