মাঝে মাঝে এক ঘুমের তলদেশের কফিনে
বরফের উষ্ণতায় তলিয়ে যেতে ইচ্ছে করে-যেখানে তলাতে হবে
পোকা অধ্যুষিত অন্ধকারের সেই পোড়জমিনে।
অথচ জেগে ওঠে নিঃসঙ্গ মরুভূমি আর তার প্রবল আতঙ্ক
আত্মার নীলিমায় শরীর ছড়িয়ে ব্যথায়
এপাশ-ওপাশ করছে যে মরুভূমি,
কুয়াশার অপেক্ষায় গরম বালুকণা সুর্যকে কাছে ডেকে আহত করে
প্রচণ্ড দাবদাহে বালুর ভাজে কাতর দেহে দুমড়াতে মোচড়াতে গিয়ে
দেখা হয়না সুন্দর নিহত হয়েছে কিনা উটের অনন্ত তৃষ্ণায়।
এই বিধবস্ত মরুবাগানে সুপ্ত-নিষ্ফল বীজেরা কিসের আশায়
তাকিয়ে আছে আকাশের প্রতারনা ও অনন্ত শেকড়ে অঙ্কুর চেয়ে!
আমিও কেন সে দৃশ্যে বসে আছি
অভিশপ্ত বাতাসে ফুসফুসের ছন্দে ফুলে ওঠা
আমার বেদুইন তাবুর ভেতর!?
মরুভূমির অনন্ত তৃষ্ণার থেকে
যে মরীচিকা-প্রবণ ঈশ্বরের রটনা
ঘেমে ওঠা বাতাস কি তাকে সম্ভাষণ জানাবার
জন্য প্রশান্ত ও প্রস্তুত?
আমি তাই সূর্যের কাছ থেকে শিখা চুরি করে এনে
তামাটে শয়তানের বেদীতে দিয়েছি নৈবেদ্য।
যে পথে জাগে মৃত্যু, মোক্ষহীন ঊষরতা আর নির্জন নরক
মৃতদের অশেষ সঙ্গমে অন্ধকারে জন্মে যে কুসুম
তা কুড়োতেই সেই পথের ধারে আমার পাপাত্মার অনন্ত জন্ম।
অনিত্যের পিঠে চেপে এই জন্মে
চলি নিত্য স্রোতের শীর্ষ থেকে অতলে
দেখি আমাকে দেখতে না পারার সামর্থে
আমার নৃ্সংশ চোখের কোটরে
আলো ও আধার তাদের ঘুরে চলার প্রেরণায় ভীষণ বিপর্যস্ত।
এই কবিতাটা আমার প্রথম কবিতার বই "নৈঃশব্দের মৃত্যু"
থেকে দিলাম
কবিতাটা পুনর্লিখিত

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

