somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ডায়েরী -২০১১

১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.........
কিছু মানুষ আছে যারা স্বভাবগত ভাবে দাস্বত্ব ভালবাসে বা এটাকে তাদের নিয়তি বলে আত্ম-শিক্ষা দেয়.....নিজ উদ্যগ্যে স্বাধীন পেশার সুযোগ থাকলেও তার তা না করে দাসত্বে স্বস্ত্বি ও নিশ্চয়তাবোধ করে .......এই অবস্থার জন্য তাদে পারিপার্শ্বিকতা যতখানি না দায়ী তার চেয়ে বেশী দায়ী তাদের অনিশ্চয়তাবোধ থেকে আসা দাসত্বের স্বভাব

২.........
The people who is already in Hell
how can we tell him " Go to hell " ???
what can be the new language????
" go to more hell before die in a hell??
or go to hell form the illusion of heaven or hallucination????

৩..........
প্রতিটি সফল বিপ্লবের পর একজন নেপোলিয়ন বোর্নাপটের জন্ম হয়....ফ্রাঞ্জ কাফকা
সেভাবেই প্রতিটি সফল বিশ্বযুদ্ধের একটা সাম্রাজ্যবাদী যুক্তরাষ্ট্রের জন্ম হয়
আর পৃথিবীর যেখানেই সাধারণ মানুষ অনেক রক্তপাতের মাধ্যমে
স্বৈরশাসকদের পতন ঘটায়...তাতে আসলে বিজয় ও সুবিধা হয় যুক্তরাষ্ট্রের
আর সেখানে ঝরে যাওয়া প্রতিটি রক্তবিন্দুর ভেতর জেগে ওঠে একটা মানচিত্র
যে মানচিত্র আসলে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন কলোনীর বর্ধিত রুপ..যেমন লিবিয়া..
লিবিয়ার মানুষের স্বাধীনতা অর্জনের জন্য অভিনন্দন আর তাদের ভবিষত পরাধীনতার জন্য সমবেদনা :( :(

৪...............
আমার কোন গন্তব্যই ছিলো না কোনদিন
শুধু মাঝে মাঝে বিভ্রমে ভেবেছি ,তোমাকে গন্তব্যহীন করার কথা
যেহেতু পেছনে কোন পথ নেই ,সেহেতু সামনেও কিছু দেখিনা
তাই পথ ভুল হয়েছে এমন কোন আগন্তুক অনুভব
কোনদিন আসেনি মনে ,শুধু তুমি এসেছো
যখন তোমাকে জানি, আমার ডাকনাম ধরে আজ তোমাকে ডাকা হয়

৫......................
They are now in my room
taking smell of my all plastic things
biting on my computer's fixed face
playing my all guitar's brutal heart
and taking as food all Gold fish from my accurium
sleeping with out any dream on my bed
Oh all the ugly ANIMAL is now on my room
and suddenly i felt that once i was in forest
and now forest is remembering that once she was inside me
oh all the animal is treating my eyes as fallen star
and they are kissing me on my lips and i am forgetting myself at last
the animals are eating my great mask
and i know its great food for me also....

৬.........
তোমার কান্নার রঙ ,আমার চোখের ঘ্রাণ
আমার কান্নার ঘ্রাণ , তোমার মনের রঙ

৭...........
একটা মানুষের পক্ষে আরেকটা মানুষ বা জীবনসঙ্গী-টঙ্গী ছাড়া বাঁচা সম্ভব
কিন্তু আলো-বাতাসহীন একটা ঘরে থাকা সম্ভব না
যদি কেউ এভাবে বেচেঁ থাকে
অনেক দূরে বাতাস আর আলো ভেসে যেতে যেতে বলে
"কি মিয়া বান্দরের লগে অন্দরে কি করেন !!!!!!!!??? " :P

৮..................
এবার আয়নাটা ভেঙ্গে ফেলে নিজের সামনে দাঁড়াও
দেখবে তুমি আসলে তোমার ছেলেবেলা থেকে
প্রিয় হয়ে ওঠার অজস্র মুখের প্রতিচ্ছবি
অথবা দেখবে প্রিয় সব কন্ঠস্বরের ভাষা
তুমি কিছুটা অন্যভাষায় অনুবাদ করছো
তোমার নিজের মুখচ্ছবি আর কন্ঠস্বর
তোমার দৈহিক জন্মের সাথে সাথেই মনের কফিনে মৃত্যুর মুখোশে রঙ করছে

৯..................
ঘোড়ার ডিম পাড়তেছি
আর নিজের মানুষ আর শিল্পীরুপী ঘোড়ার ল্যাজের চুল ছিড়তেছি
ঘোড়ার ডিমের ওমলেট তোমার প্লেটে দিয়ে
হ্রেষা তুলি " এই নাও আমার প্রেম"
আর গোবর গুলো মরুভূমিতে ছিটিয়ে দিয়ে বলি
" এই নাও আমার গান , কবিতা আর যত বালছাল "

১০..........
হিমালয় চূড়া মেঘের দেয়ালে ঢেকে রাখা যায় না
তাই নিজের মনের বিরুদ্ধে আরেকটা ছায়া-মন বানিয়ে
তা দিয়ে ঢেকে রেখো না তোমার পাহাড়-চুড়া
আর যত খানাখন্দ গুহার গভীরের লাভা
তুমি বলতে পারো তুষার ঢেকে রাখবে সব লজ্জা
আমি বলি সূর্যের রোদের শক্তিতে পানি হয়ে গেল তূষার বৃষ্টি
আর রোদের যৌবন বেড়ে ওঠে সেই তুষার গলাতে
তুষারের মৃত্যুর পর নদীর জন্ম আর বার বার তোমার চুড়ার পুনর্জন্ম

১১...............
গলে গেলে ঠিকি আর তরল প্রবাহের আনন্দে তোমার দেহ হয়ে গেল নিজেই বাতাসের দেহে নাচ
আর আমিও আনন্দিত চোখে তাকালাম আজ সূর্যের দিকে
প্লাস্টিক পেইন্টিং এ তাক লাগানো এই আকশের দিকে
কিন্তু পানির নিচে হিমাঙ্কে জমে আছে আমাদের অতীত -মন
শঙ্কায় কাঁপে এই আনন্দ প্রবাহের সব মুদ্রা জমে জমে
যে আমাদের অনেক গভীরে ঠিকি জমে আছে যার যার ব্যক্তিগত এন্টার্টিক
আর সব এন্টার্টিক নিয়ে সময়-শীল মাছে ঢেকে রেখেছে তার চিরকালের রক্তক্ষরণ

১২.................
ধর্ম যৌনতাকে বন্দী করেছিলো যাতে করে মানূষের বেড়ে ওঠাটা সতস্ফুর্ত না হয়.
যেন সে স্বাধীন মত বেড়ে উঠে সমস্ত অবতার
আর মেকী ঈশ্বরের অস্ত্বিত্বকে না ভেঙ্গে দেয়
কারণ নিজের কাছে যে নিজেই ঈশ্বর
সে তোয়াক্কা করে না অন্যের বানানো প্রতিমা-ঈশ্বর
আর আমাদের এই ব্যবসায়ী সমাজ যৌনতার স্বাধীনতাকে বন্দী করে রাখে ,
সেটার কারণ হলো ব্যবসা.........ঢেকে রেখে যদি গভীর রাতে কোন বিজ্ঞাপনে আস্তে আস্তে মোলায়েম ভাবে খোলে তার দেহ ...তখন ব্যবসা বেড়ে যায় ...বেড়ে যায় রিমোর্টে ইতস্তত গরম হাত হাত ..

১৩..................
এই যে আপনি সাজুগুজু করে মুখে একগাদা রঙ মেখে বেরিয়েছেন রাজকুমারী
এই যে আপনি রাজকুমারের মত বাইক একটা জায়গা মত নিয়ে
নিজেকে যতখানি সুন্দর অথবা বিভতস ভাবছেন ও ভাবাচ্ছেন
আসলেও কি আপনি অতখানি সুন্দর বা বিভতস??????
একটা আটপৌড়ে মুল্যবোধে আপনি যাকে বলছেন " স্বাভাবিকতা"
তা হলো আপনার চরম অস্বাভাবিকতা
যেখানে যেকোন আগন্তুক ইচ্ছা আর স্বপ্নে নতুন আর উতকটতায় ভরে থাকে চারপাশ
যেখানে কোন পৌনুপুনিকতা নেই , নেই অনুসরণ আর অনুকরণ
সেটাই হলো সুর্যের চোখে দেখা একেবারে ভিন্ন মানুষ , যে তার নিজের কায়া , অন্যের ছায়া নয়

১৪................
সারারাত বিছানার কোণায়
দু-পায়ের মাঝে মুখ গুঁজে
গুটিসুটি মেরে তুমি বসে থাকো
যেন চোখের ঘনকালো মণির পাশে
জমে থাকা একফোঁটা চোখের জল
দেখে মনে হয় চোখের নিকষ মণির পাশে
কাঁদতে থাকা একফোঁটা চোখের পানি


১৫...........
Don't get so dead when you stand on your golden high heel
Don't go tho the doctor very often
cause i have already seen your mind on my mirror
but really you don"t have heartbeat and you don't have any reflection
i have seen only a shadow of your curve
and you tried to kill your sickness
but tragedy is you killed yourself before the vanish of Sterilizing lovely wild wind

১৬............
যে দূরত্ব আজ উঠে এসেছে আমাদের মাঝে
মিলিয়ন মিলিয়ন মাইল বরফের চুপ থাকা
তা ঘোচানোর ক্ষমতা আমার নেই
এখন তাই শুধু দূরত্বের কাছে থাকা
বর্তমানের প্রেত্মাত্মা অতীতের জীবিত কারো রক্তের
ভেতরে যদি দেখে ফেলে ভুলের সাম্রাজ্য
তবে সেই সাম্রাজ্যকে ফুলে ফুলে ভরিয়ে তোলার ক্ষমতা আমার নেই
এখন মিলিয়িন মিলিয়ন মাইল দূরত্বের খুব কাছাকাছি থাকা

১৭................
বিদায় , বিদায় বিদায় আমার সুইটু-গুইটূ , জান্টু-পান্টু -মন্টু দোযখ-শহর
যাওয়ার আগে তোমারে একটা চুম্মা দিই???? Mmmaaaaa :*
ওহ মুখটা ভরে গেল কঙ্ক্রিট আর রুপান্তরিত CNG ধোঁয়ায়
চিন্তা করো না, ব্যাপার না আমার সুইটু গুইটো , ও আমার ড্রেনের শহর
আমার খুখ করে কাঁশা কলিজার টুকরা , একদলা আগুন ব্যাপার না
আমার সবুজ মায়ের কাছ থেকে কিছু নিয়ে
মুখ থেকে তোমার চুমুর গন্ধ সরিয়ে আবার আসবো ফিরে ফ্রেশমুখে :* :* ♥
বাই বাই বাই বাই জান্টু-পান্টু -মন্টু দোযখ-শহর
তখন আবার দিও তুমি যানযট আর ঘামের দুর্গন্ধ ভরা চুম্মা :P :P

১৮...........
চোখের সীমার একটু উপরে আকাশ জলছে তারায় তারায়
আর তার নিচের ঝোপের ভেতর জোনাকীর সমুদ্র
ভুল করে মনে হয় আকাশ আজ মাটিতে
আর ঝোপঝাড়্গুলো ভেসে চলা মেঘ
এক হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে জলন্ত সিগারেট
আরেক হাতের আঙ্গুলের ফাঁকে জলন্ত জোনাকী
ভুল করে জলন্ত জোনাকীকে সিগারেট ভেবে দিই সুখটান

১৯.................
প্লাষ্টিকের গাছগুলো বেড়ে উঠছে তামা হয়ে যাওয়া মনের মাটিতে
আর তারা বেড়ে উঠছে ধাতব জলে
আর শো-কেস থেকে বের করে না সব স্ফটিক হাতি-বাঘ আর সিঙ্গহ ছেড়ে দেয়া হয়েছে এই অরণ্যে
আমাদের নিঃশ্বাশ এতই ডিজেলের রঙ্গে রাঙ্গানো যে
পারদশূণ্য পড়ে থাকে একটা থার্মোমিটার
যেন সংগমবিহীন জন্মানো এক মৃত শিশু পড়ে আছে মাটিতে নয়
আমাদের জীবনহীনতার শূণ্যস্থানে
কোথায় সেই বন্য নারী আর বর্বর পুরূষের দল, এসো ভরে তোল এইখানটা তোমার ঊষ্ণ বীর্যে আর কামে

২০............
I loved so many woman and so much woman loved me
but love was and is and will be always so far from us
love is always well thought dream
but this is the life where we can't sleep well to feel the dream
until our real death...The illusion of dream can't find another way
without go to the paradoxical hole of imagination about dream
cause we can't be another one , and no one can be more than me

২১..............
অভদ্র মহোদয় ও ভদ্র মহিলাগণ, ড়াবিন্ড্রীক ষ্টেশনে এবার আপনার প্রেমকে না নামতে দিন
তাহলে দেখতে পাবেন অজস্র ষ্টেশনে আপনার নামার আছে
আর সেখানে নেমে আপনার দেখার আছে, শোনার আছে, বোঝার আছে , অনুভব করার আছে
চাক্ষুস চেখে দেখার আছে বিচিত্র প্রেমের ল্যান্ডস্কেপ
ড়াবিন্ড্রীক স্টেশনে নেমে এই যে গেঁথে যাচ্ছেন প্লাটফর্মের কঙ্ক্রিট ফর্মে
তাতে আপনাকে দেখে আমার মনে হচ্ছে , আপনি স্টেশনের বহুদিন ধরে
একস্থানে গেঁথে থাকা স্থবির চেয়ার ...এবার একটু ফর্মহীন হোন ...বহুবিচিত্র স্টেশনে অন্তত যে স্টেশন আপনার নিজের বলে মনে হয় সেখানে নামুন , আপনার জন্য বহুবিচিত্র প্রেম নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বহুবিচিত্র আগন্তুক যাত্রী

২২....................
ওহ ললিপপ , তুমি কেন অন্যের মুখে মুখে ঘুরে ফেরো !!!
আমার উপর তোমার এত কিসের অভিমান !!!!
কোন সে বিরাগে তোমার সব রস ঝরাও অন্যের মুখ-গহবরে!!!!
তুমি কি জানো না সেসব মুখ না সেসব বান্দরের উলটা মুখ !!!
ওহ ললিপপ আজ রাতে তুমি ছাড়া পুরোটা জিহবায় শুধু আপশোষ
ওহ ললিপপ অন্যের মুখে তুমি বেমানান যেন রোষ্ট করা এক ছাগলের পা
ওহ ললিপপ, তুমি অন্যের মুখে আর আমার লালা খোঁজে তোমার রসের তরল শরীরে তার দেহ

২৩.............
আমাকে ভালবাসতে হলে , আমার ভালবাসা আর ভাললাগাকে গ্রহণ করেই ভালবাসতে হবে
আমাকে ভালবাসা মানে আমাকে বদলাতে আসা নয়
আর আমিও তোমাকে ভালবাসি বলে হাত বাড়াইনি তোমার ভেতরে
আমার অপছন্দের ছায়াগুলো বদলে দিয়ে তোমাকে নতুন কায়ারুপ দেয়া

২৪................
মন একটু বেশীই মোহিত ছিলো ....ঘোরে ঘোরে দেখছিলাম
আমার দাদার বাপের নষ্টালজিক ব্যাপার স্যাপার
ঠাস করে কে যেন মুখে দিল একটা চড়
ফ্যাল ফ্যাল করে তাকায়ে থাকলাম , সে কইলো
" ঐ দেখ ব্যাটা কাঁটাতারে হা হা করে ঝুলতেছে ফ্যালানী....
বড় জমির পাশে নিজের ছোট জমি , তাই নিজ ক্ষ্যাতের লাংগল ভাবে " সে বাইবর্ন বর্গা লাঙ্গল"
তো মন একটু বেশীই মোহিত হয়ে যায় , নিজ দেশের আতিথিয়েতা দেখে
আহা মহামন আসছে , সাথে তার ব্যবসার মগজ ধোলাই যন্ত্র
তারা কই হেরা কই , ডগ স্কোয়াডের কুত্তা কই " ইহা আতিথিয়েতা"
আমার মনে হয় ইহা বড় জমির মালিকের পা চাটার কুচকাওয়াজ

২৫.......
যে রক্ষনশীলতায় তোমাকে ঢেকে রাখা হয়েছে আপাদমস্তক
আর তুমি যে ঢেকে রাখাকে ভাবছো তোমার নির্জন বাগান
আর ভাবছো সেই বাগানে যে পাখিরা ফুটছে তার পাপড়ির মত ডানায়
আর যে ফুলেরা উড়ছে তার ডানার মত পাপড়ি দিয়ে
তার সব তোমার মনের রঙ-এ বদলাচ্ছে তাদের রঙ
না তেমনটা নয় তা বরং তোমার মনের রঙ শুষে নিয়ে
তোমার মনকে করছে চির-হরিৎ
তোমার রক্ষনশীলতা আর শ্লীলতাবোধ তোমার অগোচরেয় কারো ব্যবসায়ী মুলধন
শেষ রাতে যখন নির্জনে তুমি তোমার পোষাক খুলছো ..
সেই দৃশ্য বাজারে বিকোচ্ছে চড়া দামে যদিও তুমি ভাবছো
তা তোমার প্রেমিকের সামনে উন্মোচন ছিলো

২৬............
অনেক অনেক রাজকন্যা
আর অনেক অনেক নগরনটিতে ক্লান্ত হয়ে গেছে মন
এবার ডাইনী তুই আয় তোরে চুমু খাই
বেশী ক্ষুধা পেলে আমারে কামড় দিবি
আমার রক্ত জমে জমে কালো হয়ে গেছে
তোর ম্যাজিকের আগে ব্ল্যাক হয়ে বসে যেতে

২৭............
প্রতিটা দেশ আত্মপ্রেমে অন্ধ
আর গ্লোবাইলাইজেশন ও সেই অন্ধত্বের আরেক রুপ
কারণ আত্মপ্রেমে অন্ধ কিছুদেশ তার দেশের সীমানা বাড়ানোর জন্য
এই গ্লোবালাইজেশনের ফাঁদ পাতে
দেশপ্রেম হলো নিজের ভয়ঙ্কর ক্ষত ঢাকার এক মাখনে তৈরি মুখোশ

২৮...............
ফুটবল ঈশ্বরের ডিনারে লঙ্কাকান্ড
আর প্রতিবেশী বড় দেশের রাজার টেবিলে
শুকনা মরা পদ্মা তার অতিশুকনা ঢেউ এর নর্তকী নিয়ে
বালুর উপরে লাফাতে থাকা ইলিশের গন্ধে ভরিয়ে তোলে
পঞ্চ তারকা ঝলমলে হোটেলের অতি ভ্যাকুয়াম শুন্যতা
কারণ আমাদের পাকস্থলী অতি ভ্যাকুয়াম শুন্য
আমাদের পেট চলে তাদের দেয়া বায়বীয় আশায়
আমাদের পেট ভরা থাকে তাদের এই সব খাদ্যগ্রাসের টেলিভিশন ফুটেজের তীব্র স্বাদে

২৯......................
যখন আমি হেসে উঠি অবশেষে
একসাথে নিজে নিজেই বেজে ওঠে
পৃথিবীর সব পিয়ানো

৩০............
গোপনে গোপনে আমাকে চিনে ফেলছে সেই মালভূমি
যেখানকার কেউ আমাকে চেনে না
আর আমিও আমার এই পলায়নে ঢেকে রাখা ছাউনীর নিচে থেকে
সেখানকার কাউকে চিনি না
সময় এসেছিলো কিন্তু তা হয়ে গেছে মরা শুয়োরের চামড়া
এখন আবার সময় এসেছে সবকিছু ছেড়ে যাবার , যা এক নাইটিঙ্গেলের ভ্রুণ
আর সময় আসবে নিজের বন্ধুত্ত্ব শুরু করার ক্ষেত্রে আরো সাবধানী হবার
হোক না কেন তা চিড়িয়াখার নিঃসংগ কোন জিরাফের গলার মত ঊচুতে বড় একা

৩১...................
ইশারা ইঙ্গিতে কথা বলতে বলতে তুমি আপাদমস্তক এক ইশারা হয়ে গেছো
যার দিকে আমাদের এখন আর বক্র চোখে তাকানো ছাড়া আর কিছু করার নেই
আর এত এত ইশারা ইঙ্গিত না বুঝতে পেরে যে নিজেদেরকে কানা, কালা , বোবা মনে হয়
তাতে কোন পঙ্গুত্ব বোধ নেই আমাদের
কারণ সরাসরি বলার মত তোমার যে সাহস দরকার তা তোমার নেই
তাই লজ্জাবোধ তোমার আর তোমার সেই ভূষণের নিচে চাপা পড়া যে তুমি
আমরা ভুখা অশিক্ষিত কাঙ্গাল জণগনেশ তার সৎকার করার জন্য বেঁচে আছি
এটাই স্বাভাবিক ( বাংলা কবিতার জন্য এলিজি )

৩২................
" অবৈধ সঙ্গম ছাড়া শান্তি নাই " শ্রীমান জীবনানন্দের এই কবিতার লাইন আমাদের রোমকুপ দিয়ে ঢুকে মজ্জার ভেতরে গিয়ে কি বিষাদে চুপ হয়ে বসে আছে !!!!!!!!!! কবে যে তা হয়ে যাবে তাজা বোমা , আর ভূমি মাইনের মত প্রবল শক্তিতে ফেঁটে পড়বে সে.........আমরা দেখবো প্রবল শক্তিতে ছিটকে পড়ে আমাদের মাংস , শুধু মাংস-এর টুকরোগুলো জিকির তুলছে " ওম শান্তি , ওম শান্তি " ...বৈধ সঙ্গমে হলো তার অপমৃত্যু আর অবৈধ সঙ্গমে নির্বাণ

৩৩................
নিঃসন্দেহে পুতুলের জন্য পুতুলই পার্ফেক্ট
আর পুতুলের নগ্নতা হলো পোশাকের ইজ্জত রক্ষা
তবু শহর ভারী হয়ে উঠছে পুতুল-পোশাকের দামী দোকানে
আমাদের নিঃস্ব নিঃশ্বাসের উপর গরম আর দমবন্ধ হয়ে আসা নিঃশ্বাস ফেলছে
পুতুল সাজিয়ে পুতুল ক্রেতা আকৃষ্ট করা শপিংমল
ওহ মাথার ভেতর বার বার জড়িয়ে যাচ্ছে চলন্ত সিঁড়ি
মনের ভেতর পাখি্র ডানা খুঁজে পাচ্ছে না আর কোন পার্কিং প্লেস
আর এই সব ভুলে পুতুল আর পুতুলের বিবাহ অনুষ্ঠানে
আমি কেন রঙ্গীন কাগজে মুড়িয়ে ,উপহার নিয়ে যাচ্ছি এক জলজ্যান্ত মানব -শিশু !!!!!!!!!!!

৩৪.............
বেদনায় তুমি নীল হয়ে আছো??
নাকি আমি অনেক সময় নীল আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলাম বলে
এখন যা কিছু দেখছি তা নীলাভ লাগছে ????!!!
অথবা নীল রঙ ছাড়া আর সব রঙ বিলুপ্ত হয়ে গেছে মহাবিশ্ব থেকে ?
দাঁড়াও চোখটা একটু হাত দিয়ে ভাল করে মুছে নিই , তারপর আবার তোমাকে দেখবো :P
দেখবো তোমার নীল রঙ কি বেদনার না কি রঙ হীনতার

৩৫.............
ছাগলের কোন স্পেসিফিক নাম থাকে না .তাই সাধারণত ছাগলের মালিকেরা আদর করে তার বিচিত্র নাম রাখে যেমন " উলে আমার কালা পাখি, উরে আমার আরব-দুম্বা, উরে আমার লিন্টু পিন্টু , উরে আমার ঘাস-পোকা " এই সব .........তো ফেসবুকে আর ব্লগে যাহারা এমন ফেক নাম নিয়ে বড় বুদ্ধিবৃত্তিক যুদ্ধ চালায় , হ্যারে বকে , হরে উপদেশ মারে , দ্যাশ উদ্ধার করে ...তাহাদেরকে আমার অনুরূপ ছাগল মনে হয়, এমন মধুর মধুর ফেক নামে বকে আর সামনে দেখা হলে বন্ধুত্তে গলে পড়ে .......তাহলে তাদের সম্পর্কে এই সিদ্ধান্তে এলাম যে , যে সব ছাগল তাহার সামনের দুই পা খাঁড়া করে সেটাকে হাত বানায়ে চোখে চশমা পরে বুদ্ধিবাজী করে তাহাদেরকে ব্লগের না ফেসবুকের ফেক আইডিধারী মহান বুদ্ধিজীবি বলে

৩৬...............
আহা ঘুম !!! অজস্র জেগে থাকা বিষন্ন মুখের চেয়েও তুই কত বেশী সুন্দর !!!
অজস্র স্বপ্নবিহীন জেগে থাকা মুখোশের চেয়ে দুঃস্বপ্নের মুখ কত বেশী আরামের!!!
আহা! ঘুম , প্রেম-ট্রেম এর দ্বন্দমুখর হেমের চেয়ে কফিনে শুয়ে থাকার আগমনী নিয়তিতে
আমার এই স্যাতসেতে বিছানায় সারাদিন জুড়ে ঘুমের ভেতরে যে মৃত্যুর ড্রেস রিহার্সেল
তাহা এমনই এক অলৌকিক আনন্দের যে অফিস ঘরে ঝিমোতে থাকা
লৌকিক ঘামের বিন্দু গুলো শুধু তার প্রতি ঈর্ষাকাতর
কিন্তু প্রকাশ্য আছে তার নিন্দায় নিয়োজিত :P :P

৩৭..............
একটা সফটওয়্যার তাকিয়ে আছে শুণ্য পাকস্থলীর দিকে , আর সে আঙ্গুল দিয়ে টোকা মারলো পাকস্থলীর শুণ্যতায় ....সেখানে কিছু শব্দ হলো ফাঁপা আর ফাঁকা পেটের ....যেহেতু মানুশ এখন নিজের অনুভুতি প্রকাশ আর ধরে রাখার মত হার্ডওয়্যার আর নেই সেহেতু সেই সফটওয়্যার রেকর্ড করে রাখলো সেই শব্দ , যেহেতু মানুষের কন্ঠ আর তার প্রেমের অনূভুতি এর অনুবাদ করতে অক্ষম , সেহেতু সেই সফটওয়্যার নিজেই কন্ঠ দিলো সেই শুণ্য পাকস্থলীর শব্দ গলায় এনে .........আর সফটওয়্যারটা সব বিকল হার্ডওয়্যার কে খাওয়ানোর জন্য বাজারে ছেড়ে দিলো সেই শুণ্য পাকস্থলীর মেশিনে রুপান্তরিত শব্দ .....আর সব বিকল হার্ডওয়্যাররা সেই শব্দকে গান ভেবে বিষাক্ত অমৃতের মত গিলতে থাকলো আর ভরতে লাগলো তাদের শুণ্য পাকস্থলী

৩৮................
প্রেমের প্রথম উপহার হলো আনন্দের ইনসমননিয়া
প্রেমের মাঝখানের উপহার হলো প্রেমিক -প্রেমিকা ঘুমালেও জেগে থাকে রাতের অন্ধকার আর তারা
মানে সেখানেও ইনসমননিয়া
প্রেমের অনিবার্য উপহার হলো বিষাদ আর বিবাদের সঙ্গমের ফলে বালিশের তুলোর যৌথ ইনসমননিয়া
আর প্রেমের শেষ উপহার হলো একটা নিঃসংগ কবরের অনন্তকালের ইনসমননিয়া

৩৯.................
Baby may be this is the last night of our life
where life is breathing her last breath
and night is getting so dark for the last time
and the sun will never rise on the color of an child sunflower
Baby may be this is the last touch and my skin is feeling his color on your eyes
baby this river is taking us so far from any boat
baby may be this is the last night when stars are hanging them self on sky-heart
so don't forget to touch me, don't forget to miss me
like you are on the mirror and dont get so late to kiss me last

৪০...........
আমার যে কোন মুহূর্তেই হতে চলা অপমৃত্যুর জন্য তুমি দায়ী না
আর আমি নিজেকে দোষী বলার মত মহাত্মা গান্ধী কোনদিনো না
তোমার প্রতি মূহুর্তের আত্মহত্যার জন্য আমি দায়ী না
আর তোমাকে দায়ী করার মত প্রেমিক আমার প্রেম না
তাহলে কে আমাদের খুন করছে পথে পথে পদে পদে
আমরা যখন আমাদের এক মন নিয়ে বিভিন্ন দেহধারণ করছি বার বার
আমরা খুন হচ্ছি বার বার , আমাদেরকে যারা খুন করছে তারা কেউ না
তারা মানুষ না তারা মানুষের নিয়ন্ত্রক একটা ব্যবস্থা , যারা রুপ নিচ্ছে ঘাতকের ভ্যাম্পায়রের
এসো আজ রাতে যদি আমাকে সত্যি ভালবাসতে চাও খুন করো সেই ঘাতককে
তোমার হাতে আমি কোন গোলাপ দেখতে চাই না দেখতে চাই একটা রক্তাক্ত ছুরি
তাকে খুন করো যে তোমার কায়া থকে বের হয়ে প্রকান্ড হয়ে ওঠা তোমার নিয়ন্ত্রক ছায়া

৪১............
যে শরীরের কোন ইতিহাস নেই সেই শরীর আমাকে টানেনা
কেননা ইতিহাসের ধ্বংস্তুপ থেকে ফিনিক্স পাখির
ক্লান্ত ডানার মত উঠে আসা আমার শরীরের ভেতর দানা বাঁধে এক সুর্য..
যেন গরম পুঁজের মত তার আলো আর মাঝবয়েসী মায়ের জঠরের মত উত্তাপ
যে সুর্যের কাছে কোন রাতের স্মৃতি নেই, নেই চাঁদের কোন নষ্টালজিকতা
নেই কোন ভোরের পূর্বাভাষ
ইতিহাস আমাকে শেখালো ইতিহাস ভুলে যেতে
সম্পুর্ণ স্মৃতিহীন হয়ে তোমাকে পেতে

৪২.............
এখন সেই চোখ অন্ধ আর এই অন্ধত্ব শুরুর পরেই সেই চোখের পাতা খুলে যাওয়া
আর সেই চোখ যেন মাটির নিচে হারিয়ে যাওয়া এক কফিনের শিয়রে
পাতালের থেকে দৃষ্টি বের করে তাকিয়ে থাকা এক সমাধিফলক
যার চূড়ো আকাশের দিকে তাকিয়ে দুইটা তারার বেড়ে চলা দূরত্ব দেখে ভাবে
" দূরত্ব আসলে কিছুই না , দূরত্ব বলে আসলে কিছু নেই
তাহলো নিজেকে চিরিদিনের জন্য হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা
অন্যকারো চোখে প্রতিভাত হওয়া দেখে শিওরে ওঠা ।
কারণ সে হারিয়ে যাবে এমনটা ভেবে ওঠার আগে
কাউকে খুঁজে পাবার জন্য আপ্রাণভাবে সচল করেছিলো
তার মৃত্যুপুর্ব অচল জীবন

৪৩..............
আমার কথা নাকি তোমার মাথার উপর দিয়ে উড়ে যায় , ধায় ধায় সায় সায় করে
আমি জানি তবু সেতো কোন মার্কিনী যুদ্ধ-প্রেমিক ক্ষেপনাস্ত্র নয়
অথবা নয় কোন নেতার মুখ দিয়ে মুখ দিয়ে গড়গড় করে বের হওয়া বমি
সে হয়তো বা তোমার জানালী বিহীন অন্ধকার ঘরে এক অতি অচেনা পাখি
যার ডানা আর মাংসের শীতলতা তোমার উষ্ণ চুল ছুয়ে যায়
তুমি না বুঝতে পারো সেই পাখির মন কিন্তু তার পালকের রঙ তো অদ্ভুত ভাবে নতুন আর আনকোরা
পুরোন আয়নায় অনেক খসালে তোমার আটপৌড়ে সময়
েবার নতুন আয়নাহীন ঘরে নিজেকে অচেনা পেয়ে নিজের সদ্য অচেনা হওয়া দেহ হাতড়াও
আর তোমার সেই আত্মমৈথুনের তোমার হাতটা হোক আমার হাতের নতুন ক্ষুধা

৪৪............
আজ সন্ধ্যায় সিড়ি ঘরে বসে একা একা একটা হেব্বি ব্লুস গান গাচ্ছিলাম আর ফাঁকে ফা৬কে রবীন্দ্রসঙ্গীত গুনগুন আর নিজের গানের কিছু কিছু অংশ ..হঠাত কোথায় যেন গোলাগুলির শব্দ শুনলাম...টানা একটানা কিছুক্ষণ ..তাদের সেই বেতাল প্রতিশোধ পরায়ন গুলির তাল খান খান করে ভেঙ্গে দিলো আমার গানের তাল ....আর আমি গান থামিয়ে ভাবছিলাম .আমার এই গিটারের তাল বড়ই ভঙ্গুর আর ধ্বজভংগ, অক্ষম ....বরং সেই গুলি বাদকের তাল অনেক প্রভাবশালী কারণ সেই তাল বাজার সময় চারপাশের লোকালয় কেমন শুকণা গলায় শুনশান হয়ে যায়....আর বেঁচে থাকার জন্য গায়করা যখন গান গাচ্ছে কন্সার্ট, লাউঞ্জ, ক্যাফে অথবা অন্ধ ভিখিরী বাউলের মত ট্রেনে অথবা আমার মত বেলহীন গায়ক গান গায় আড্ডায় তখন মানুষ যেন খুঁজে পায় তার সব না বলা কথা আর চিতকার করতে থাকে গলার সব চেয়ে উচু স্বরে .......এখন এখানে অথবা সর্বকালেই একটা সঙ্গীত যন্ত্রের চেয়ে একটা বন্দুক অনেক বেশী নির্ধারণ করেছে সময়ের গতিপথ

৪৫............
আজ যদি আমাদের নির্দয় ফ্লাটবাড়ির মেঝে ফেঁটে চৌচির হয়ে গজিয়ে উঠতো গাছ
তাহলে হয়তো আমি ঘুমের ভেতরেই হয়ে যেতাম সেই গাছে নাম না পাওয়া কোন ফুল
আর ঘুম থেকে উঠে দেখতাম তুমি পাশাপাশি ঝুলে থাকা এক টসটসে রসালো ফল
যার লোভে দুরত্বের আকাশ ঘুচিয়ে এই শহরটাকে অরণ্য বানাতে দূর অরণ্য ছাড়ছে নাম না দেয়া অনেক ছোট্ট পাখি

৪৬............
তিনি আসছেন উড়ন্ত বিমান থেকে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে নামবেন
সোনা এখন তামা হয়ে যাওয়া বাংলায়
তিনি আসছেন পা রাখবেন রক্তে আর ক্ষুধায় ডুবে যাওয়া লাল গালিচায়
আর নৈরাশ্যে ডুবে যাওয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের হাতে জ্বলজ্বল করছে স্লিপিং পিল
আর তিনি তার সমস্ত ভিক্ষাক্লান্তি শেষে আজ ঘুমাবে তার কোনদিন বিদ্যুত না যাওয়া
কোনদিন যে লনের ঘাষ পানিহীনতায় ভোগে নি সেই রাজপ্রাসাদের একান্ত নিঃসংগ বিছানায়
তিনি আসছেন তাই পুলিশ সরাই সব মানুষ মাংসের জঞ্জাল , রাস্তা পুরা ক্লিয়ার
কারণ সেই কিলার এখন যাবে এই রাস্তা দিয়ে
আর আমরা শুনলাম এম্বুলেন্সের ভেতর প্রসুতি-মায়ের পেটের ভেতর তিনার অপেক্ষায়
মরে যাওয়া এক শিশু কাদঁছে-আহা সেই মরা শিশুর কান্নার নাম বাংলাদেশীদের রাস্ট্রীয় ভাষা

৪৭............
আমার না খেয়ে মরার জন্য তুমি দায়ী
আর অধিক খেয়ে হৃদয়ের ক্ষ্যাতে কোলস্টরেল চাষীর অপমৃত্যু অথবা
আত্মহত্যার জন্য আমি আমি নিজে দায়ী
আর চাষীর বউ হিসেবে তোমার ঘোমটার আড়াল থেকে কোন
ধরনের প্রেম প্রেমের সাবধান বাণী না শোনানোর জন্য
তুমি যখন ভরা ক্ষ্যাতে ছাগল ছেড়ে দিয়ে তার দঁড়ি নিয়ে
ছুটে যাচ্ছো বাবলা গাছে দিকে তখন যে আমি মৃত্যু থেকে পুনর্জন্ম নিয়ে তোমাকে
প্রেমের সাবধান বাণী ঝাড়তে যাইনি তার জন্য কি আমার প্রেম দায়ী ???? :P

৪৮..............
পা এখনো পথের শুরুতে
আর মাথা চলে গেছে পথের একদম শেষে
মাঝখানে যে শরীরের অংশ
তা কখনো হচ্ছে পিচ্চি মুনিয়া
আর কখনো হয় ক্ষুরধার শকুন
তার সাথে তোমার বিবাদ , তার সাথেই তোমার প্রেম
তার সাথে তোমার স্মৃতি বিরহের বুক থেকে শুষে নেয় হেম
আর আমি আর আমার যাত্রাকালীন পথ যেন এক ক্লান্ত পাগল
যে ঈশ্বরের মাথা ভেবে একাএকা বাছে নিজের মাথার উকুন

৪৯...........
আজ যাকে আপনি আপনার ঐতিহ্য বলছেন একদিন তা ছিলো হয়তো
আপনার পুর্বপুরুষের ভিটায় বিদেশী কোন লোভনীয় আকর্ষণ
তারপর আপনি জন্ম নিলেন এক বিদেশী ঘরে
আর রক্তে মিশিয়ে নিলেন সেই বিদেশী প্রবাহের রঙ
তাই আজ যখন আপনার সন্তান খুঁজে আনছে প্রতিবাদের তীব্র ভাষা হিসেবে
কোন সুদুর দেশের জীবনধারা থেকে এক তীব্র ক্ষোভের ভাষা তা অপ সংস্কৃতি নয়
তা হলো বিবর্তন , আর সেই বিবর্তনকে সে খূজে এনেছে তার নিজের প্রয়োজনে
তা আপনার মত বিদেশী আগ্রাসনে পরাজিত অক্কমের মত বাধ্য হয়ে নয়
বাংলা রক মিউজিক দীর্ঘজীবি হোক , আর কানে খাটো যারা তারা বাড়াক তুলোর ব্যবসা :P

৫০.............
হাতের মুঠোর ভেতর ধুক ধুক নিঃশ্বাষ শুনতে পারছি কয়েকশ বছর আগে
মরে যাওয়া আগে এক প্রাচীন ভারতীয় শহরের ।
সেই শহরের কোন এক জানালায় বসে তুমি নেড়ে চলেছো হাতের শাঁখা
আর অদূরের ঢাকের শব্দের ভেতর জড়িয়ে যাচ্ছে তোমার হৃতপিণ্ডের ওঠানামার সুর
প্রতিমার দেহ ভিজিয়ে একটা নদী একটানা ধেয়ে আসতে চাচ্ছে তোমার পায়ের কাছে
আর অসুরের সুরে দানবিক সময় তার ছেড়া বীনায় বাধছে এক পারমাণবিক সকাল
এসে গেছে আজ সেই সুরে এই সময় , আমাদের হৃদয় অগ্রাহ্য করে চিমনী চেনায় প্রগতি
তোমাকে আজ আর মনে পড়ে না কেননা তোমাকে রুক্ষা করার মত কোন ক্ষমতা নেই আর
আজ আমার মেশিন চালিয়ে ক্লান্ত হাত অন্ধকারে তোমার প্রতিমা ছুতে গিয়ে ছুয়ে ফেলে
এমন এক শূন্যতার মরালাশ যে লাশের স্পর্শে মানুষ হয়ে যায় যমদূত

৫১.........
এতগুলো গিটার রেখে ঘরের বাইরে বারান্দায় গেছিলাম বৃষ্টি দেখতে
ফিরে এসে দেখি গিটার গুলো আর নেই ওরা সব মরা কুত্তা হয়ে গেছে
আর তাদের চোখ গুলো আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে
যেভাবে সকাল হেসে ওঠে জীবন হয়ে প্রতিদিন
আর সেই সব মরা কুত্তার চোখে বৃষ্টীর ছাঁত হুদাই , বিরক্তিকর আর উদাসীন হাকুল্ল্যা হীরকের টুকরো হয়ে ঝরছে
যদিও আমি সেই সব হীরে বেঁচে অনেক দিন আগেই কয়েক কার্টূন সিগারেট কিনে তা খেয়ে
প্রেম পত্রের বদলে আমার পোড়া ফুসঅফুস পাঠাইছিলাম প্রেমের আবদার করে
আমার না জন্মানো প্রেমিকার ঠিকানাহীন বাড়ির ঠিকানায়

৫২................
বিদায় , ঘুমাতে গেলাম , স্বপ্নে আপনাদের সাথে দেখা হবে
যেখানে কৈ মাছ কিনে বাজারের ব্যাগ হাতে আপনারা ফিরছেন
কোরবানীর গরুর বাজারের মত এক কর্পোরেট অফিস-বাজার থেকে
আর আমি আমার ঘরের সাইজের সমান একটা একুরিয়াম এর ভাঙ্গা কাঁচে
কেঁটে যাওয়া আমার হাতের রক্ত একটা বয়ামে ভরে
আপনার ঐ কৈ মাছের বটির নিকটবর্তী ভবিষৎ এর দিকে
সেই স্বপ্নে এগিয়ে যাবো ,
আমাকে পেছাতে আপনি এগুলে আমিও আগাবো আপনার পিছুপিছু :P

৫৩.............
প্রেম নিয়ে সারাদিন যারা ভাবে ( বিশেষ করে যে নারী-পুরূষের প্রেম)
আর সারাদিন প্রেমের গান শোনে আর শোনায় সবাইকে
অথবা প্রেম ব্যবসায় পুজি খাটায় তার প্রেমহীন মগজ
তাদের আর সিরিয়াল কিলারদের ( All American President) মধ্যে কোন পার্থক্য নেই
তারা হলো একে অন্যের যময

৫৪...............
আমি থাকি অনেক উচুঁ চিলেকোঠায় , যেখানে ওঠার কোন সিঁড়ি নেই
মাটি থেকে কিছু দেয়াল আশ্রয়ী মেরুদন্ডহীন লতাগাছ উঠে গেছে সেই ছাদের দিকে
আত্ম-মৈথুনের প্রয়োজনে কিছু দরকার হলে একমাত্র অমাবস্যার রাতে
আমি সেই লতানো গাছ বেয়ে পৃথিবীতে নামি আবার উঠে যাই
পথে পথে পুর্ণিমার আলোয় গাধার পিঠ গুলো চিক চিক করে ওঠার আগেই
আজ খুব ভোরে স্বয়ং " প্রেম " নিজে সেই লতা বেয়ে আমার চিলেকোঠায় ওঠার চেষ্টা করছিলো
ছাদের প্রায় কাছাকাছি এসে আমার বুনো নগ্ন চেহারা দেখে সে ভয়ে পালিয়েছে
ইয়াহূ !!! প্রেম আমাকে দেখে ভয়ে পালিয়েছে :)

৫৫...............
আমাদের মন এক মরা ডাইনোসরের মত এই সম সাময়িক সকালে
প্রথা , আচার আর আর প্রতিদিনের গৎবাধা কাজে ঘুমিয়ে থাকে
তবে কোন একদিন যদি সেই ঘুম থেকে আড়মোড়া ভেঙ্গে জেগে ওঠে
তখন সে দেখতে পায় তার এই প্রাগৈতিহাসিক বিশাল দেহটা
এই বর্তমান সময়ে কত বেমানান আর আগন্তুক !!!!
সে দেখতে পায় সব কিছু তার অচেনা আর অজস্র স্বপ্নহত্যা করে
স্বপ্ন ছাটাই করে করে বামন হয়ে যাওয়া লিলিপুটদের ভেতর সে এক প্রকান্ড ডাইনোসরের মত নিঃসংগ গালিভার

৫৬...............
নারী পুরূষের প্রেমের সম্পর্কের পথের বন্ধুরতায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হেঁটে আমি সময় নষ্ট করতে নারাজ
কেননা পৃথিবীর অধিকাংশ মানুষ এখনো খাদ্য সঙ্কটে পড়ে বেঁচে আছে মৃতের মত
যাদের কাছে প্রেম চুড়ান্তরকম ভাবে একটা অভিজাত ফাজলামী বা রোমান্টিকতা
বা ভরপেট খাবার শেষে এক কাপ আয়েশী চা
আর আমি তাদের ক্ষুধা ভরা পেটের দিকে প্রেমের সব ভোগান্তি শেষে চুকুচুকু প্রেমের গান ছুড়ে দিয়ে
আত্মপ্রসাদের সা রে গা মা....................পা ধা নি সা................... তুলে
একটা বিনোদন উৎপাদনকারী গাধা হয়ে সেই সব ভুখা মানুষের কঙ্কাল থেকে হাড় ছিনায়ে
ড্রামস বাজাতে চাই না , আমি জন্ম না দিতে পারলাম তবু হত্যাকারী হতে পারবো না ম্যাকডোনাল্ডসের মালিকদের মত

৫৭.................
হাসপাতালের এই মুমূর্ষু কেবিন থেকে একবারের জন্য হলেও আমাকে নিয়ে চলো সমুদ্রে
বয়স্ক ক্র্যাচের বদলে আমি না হয় আমার হাত রাখবো তোমার পাখির ডানার মত সফেদ ঘাড়ে
আমার পঙ্গুত্বের ভারে হয়তো একদিনের জন্য ওজন বাড়াবে তোমার নির্ভার দেহ
তবু সেই ভোগান্তি মেনে নিয়ে একদিনের জন্য আমাকে নিয়ে চলো সমুদ্রে
দেখো আমি তোমাকে ঠিকই তোমাকে মনে করিয়ে দেবো আমাদের গত প্রেম-জন্মে
তুমি ঠিক কোন ঢেউটা ছিলে , আর নিশ্চিনহ হয়ে গেছে নিশ্চিত জেনেও
তোমার চোখ হয়তো খুঁজবে আমি ঠিক কোন ঢেউটা ছিলাম
আর তোমার চোখের এই অহেতুক ক্লান্তিতে কিছুটা হলেও হয়তো সেরে উঠবে আমার মুমূর্ষু কেবিন

৫৮....................
Like an ancient dead animal on my bed
and the river is inside the eye of an lonely little ant
and i am like a dead fish on the dead sea
and the hidden volcano is killing himself
on my Self -portrait in hanging photo frame
i am like a dead animal on my bed
who is biting his flesh to live and to leave again

৫৯...................
This is my kingdom and all the crown ( made by dust) is tumbling in the dust
and all the bridge went through under the river
and we all can swim more than dead fish
and the holy fish stomach is full by our hunger
sky is painted here like the skin of a beggar
and the road what is go to the king palace is name " The Beggar street "
oh I am the king with a widow queen
oh i am the king of empty pocket :P :)

৬০..........
অনায়াসে তাহারে পাই
আরো অতীব আয়েশে হারাবার লোভে :P
বারাম খানে হয়ে থাক হেরেম খানা
আমার হৃদয় চিরকাল এক উড়ুক্কু পাখির ছানা
হে ডাল থেকে সে যায় আরো দুরের ও ডালে
প্রেমের রসিক আছি বটে
তই জড়াবো না রসে টইটম্বুর ফলের জালে ♥ :*

৬১..............
শিল্পসৃস্টির জন্য আলাদা কোন ধরনের জীবন যাপন করতে হবে বলে আমার মনে হয় না
আমি যে জীবন যাপন করছি তা আমার ভালো লাগে বলে করছি
কবিতা , গানের পেছনে আমি আমার জীবন ছুটাচ্ছি না
বরং লাগামহীন ভাবে তা ছোটাচ্ছি শুধু জীবনের পিছুপিছু
আর সেখান থেকে যে দিনলিপ আমি তুলে ধরছি অজস্র জীবনের সামনে
তাই আমার কথা, আমার গান আর কবিতা
এর জন্য আলাদা কোন সাজসজ্জা নেই

৬২..............
ডুবে যাচ্ছি অনেক জঞ্জাল ভরা জ়ীবনের নর্দমায়
মৃত্যু ছাড়া কি ভেসে উঠতে পারবো না আবার আকাশের দিকে চোখ মেলে????
ডুবে গেছি তো অনেক , ফুওফুস দিয়ে মৃত্যু নিয়েছি অনেক
যতবার নিঃশ্বাস নিয়েছি তার চেয়ে অনেক অনেক বেশী
না এবার ডুবলে আর মরবো না বরং হয়ে যাবো ডুবুরী
আর নর্দমার অতলে যে সব মৃত দেহ প্রেম আর অর্থহীনতায় ডুবে আছে
তাদেরকে ভাসিয়ে তুলবো , আকাশের দিকে মেলিয়ে দেবো তাদের চোখ আরেকবার
এবার ডুবলে আর মরবো না , হয়ে যাবো ডুবুরী তোমার মনের গোপনে
হতাশা আর ব্যর্থতায় ডুবে যাওয়া জীবনের প্রতি প্রেমকে ভাসিয়ে তুলতে

৬৩...............
ও আমার কসাই রাষ্ট্র , এই পেটে লাথি মারার আগে জেনে নিও
তোমার রাক্ষুসী পেট কিন্তু ভরে ওঠে এর রোদে পোড়া মাংসে
তোমার দানবিক , সর্বগ্রাসী গলার পিপাসা মেটায় এর রোদে টুপুটুপ করে ঝরা ঘামের বিন্দু
যে দেশে এই ধরনের শাসন করে সেই দেশকে আমি ঘৃণা করি
আর সেই শাসন যারা মেনে নেয় মুখ বুজে তারা আমার জন্ম-জন্মান্তরের শত্রু

৬৪............
আমাকে অনেকেই জিজ্ঞাসা করতে পারে, কেনো আমি এখানে এত বসে থাকি
কেন রাস্তার ধারে অহেতুক বসে থেকে মানূষের ইতঃস্তত চলাচল দেখি
আমি দেখি এই মূহুর্তে কারা বা কে কে কোথায় কি করছে
কারণ গতকাল আমি যা করেছি হয়তো তারই ফলাফল হিসেবে
কোন মানূষ আজ কিছু একটা করলো
আর সবারই অতীতের কাজের ফলাফলে আজ হচ্ছে সাম্প্রতিক বর্তমান
আর সেই বর্তমানে অন্য কারো অতীত কর্মের জন্য গ্লানি, ঘানি , আনন্দ , বেদনা টানছে হয়তো আরেকজন
তাই আমি অন্যের বর্তমানের দিকে তাকিয়ে এই মূহুর্তে খুঁজে ফিরছি আমার অতীত
আর খুঁজছি আমি যা করেছিলাম তা কেমন ছিলো , তার কি ছিলো ভূল আর কি করা দরকার ছিলো আর কি করেছিলাম ভাল

৬৫.........
সূর্য ওঠার আগেই সূর্য ডুবে গেলো
আর রোদ তোমার দেহ ছুবার আগেই তুমি ধুলো হয়ে গেলে
আমি সেই ধুলা দিয়ে প্রতিমা বানাবো না কোন
আমি সে ধুলো দিয়ে পাখি বানাবো আর বেচবো পূজোয় প্
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১১ রাত ১০:৫৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আসলে কেউ ফেরে না।

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০৮ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর

যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×