somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... একটি নির্ভেজাল ঘুমপাড়ানি ছবি প্রজাপতি (জনস্বার্থেই Repost)

মূল লেখায় আপনাদের প্রতিক্রিয়া আশা করছি। এই ছবি কাউকে টানা ২ বার দেখানো গেলে পাগলাগারদে যাওয়া ছাড়া উপায় থাকবে না। জনস্বার্থেই রিপোষ্ট। অনুগ্রহ করে এই লেখায় আপনার প্রতিক্রিয়া জানান।

http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29487756 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29489141 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29489141 2011-11-23 22:37:42
একটি নির্ভেজাল ঘুমপাড়ানি ছবি প্রজাপতি

আজ বিকেলে দেখে এলাম প্রজাপতি মুভি। প্রিয় দুই অভিনেতা জাহিদ হাসান আর মোশাররফ করিম থাকায় অনেক প্রত্যাশা ছিল ছবিটিকে ঘিরে। ছবির অর্ধেক পার হতে না হতেই ভাবছিলাম কখন ছবিটা শেষ হবে। নির্ভেজাল ঘুমের ছবি প্রজাপতি। এতো লো বাজেটে নাটকের মতো মুভি এনটিভির প্রযোজনায় বের হতে পারে ভাবি নাই। ঘুরেফিরে একই ডায়লগ, ফ্ল্যাশব্যাক, ছবি জুরে একটু পর পর অতিরিক্ত গানের ব্যাবহার, একই ভাবভংগি, দুর্বল ডায়ালগ, মৌসুমির ন্যাকা অভিনয় আর সাধারন গল্পের সাথে রাজের জঘন্যতম পরিচালনায় ছবিটার অপমৃত্যু ঘটেছে বলাই যায়। মানুষ মৌসুমি, জাহিদ আর মোশাররফের নামের কারনে ছবিটি দেখতে হলে যাচ্ছে আর হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছে। অনেককেই দেখলাম ছবি শেষ হবার আগেই ফিরে যেতে। তবে ছবির গানগুলো দারুন-কিন্তু অধিক ব্যাবহারের কারনে ভাল গানগুলোই শুনতে অসহ্য লাগে। আর ক্যামেরার কোয়ালিটি খুব ভাল যদিও রাত দিন একে অন্যের দিকে তাকায় থাকার দৃশ্য দেখতে দেখতে দর্শকের বোর লাগা স্বাভাবিক...

গেরিলা, ম্যাড ইন বাংলাদেশ এর মতো ছবিগুলো দেখে ভাল বাংলাছবি দেখার প্রত্যাশা নিয়েই সিনেপ্লেক্সে যাই। এই মানের ছবি দেখতে হলে নিজেকে বড়ই প্রতারিত মনে হয়...

ছবিটি আর কেউ দেখে থাকলে তাদের মন্তব্যের প্রত্যাশায় রইলাম...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29487756 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29487756 2011-11-21 21:46:42
জরূরী কুরবানী বিষয়ক ইসলামী জিজ্ঞাসা-অনুগ্রহ করে সাহায্য করুন সাম্প্রতি আমার বাবা জুম্মার নামাযে খুতবাতে জানতে পারেন একটা পরিবারে যদি ৩ জন আয় করে যার ফলে তাদের উপর কুরবানী ফরয হয় তাহলে তারা সম্মিলিতভাবে টাকা দিয়ে ১ জন অংশিদার হিসেবে কুরবানী দিতে পারবেন না তাদের ৩ টি ভাগ/অংশীদার হতে হবে।

ধরুন ৩৬ হাজার টাকা গরু। ৩টি ফ্যামিলি। ১ নং ফ্যামিলিতে ৩ জনের আয় এরুপ যে তাদের উপর কুরবানী ফরয, ২ ং এবং ৩ নং ফ্যামিলিতে ২ জন করে ব্যাক্তি আছেন যাদের উপর ফরয। এক্ষেত্রে সমান ১২ হাজার টাকা করে ৩ ভাগ না হয়ে ৩-২-২ এভাবে কি ভাগ হবে টাকা যেহেতু ভিন্ন ভিন্ন ফ্যামিলিতে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যাক কুরবানী ফরয এরুপ ব্যাক্তি আছেন?

আশা করি বিষয়টা বোঝাতে পেরেছি। কেউ যদি সোর্স সহ উত্তর জানাতেন সুবিধা হোত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29479108 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29479108 2011-11-06 23:30:42
কুরবানী বিষয়ক কিছু জিজ্ঞাসা-সাহায্য করুন

১- পশু কুরবানী দেবার সময় কিভাবে কয় নাম দিতে হয়। ধরুন আমার বাজেট ৩০ হাজার টাকা যেখানে ১০ হাজার টাকা করে ৩ অংশীদার আছে। এখন ৭ নাম কি হতে হবে? নাকি বিজোড় সংখ্যক নাম দিতে হবে? নামকরনের সিষ্টেম টা কি?

২- হাসিল কি এক এক হাটে এক এক রকম? এবারে সরকার নির্ধারিত হাসিল কত?

৩-গরীব আর আত্নীয় স্বজনকে কি সমানভাবে মেপে মেপে মাংশের ভাগ দিতে হবে নাকি অনুমান নির্ভর হলেও সমস্যা নাই?

আল্লাহ আমাদের সবার কুরবানী কবুল করুন আমীন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29478035 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29478035 2011-11-04 20:36:11
প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য প্রতিযোগিতা নিয়ে ধান্দাবাজিতে প্রথম আলো কেন সহায়তা করছে প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য প্রতিযোগিতা <img src=(" style="border:0;" /> একটা বানিজ্যিক ব্যাবস্থা যার কোন আন্তর্জাতিক মানদন্ড নেই। কেবল মোবাইল কোম্পানিগুলো যেন আমাদের আবেগ নিয়ে খেলে টাকা আয় করতে পারে সে কারনে প্রথম আলো নিয়মিত প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য প্রতিযোগিতা নিয়ে খবর ছেপেই যাচ্ছে। অথচ আপনারা ভাল করেই যানেন সুইজারল্যান্ডের ইন্টারনেট ভিত্তিক সংগঠন 'সেভেন ওয়ান্ডার্স ফাউন্ডেশন পুরোপুরী টাকা আয়ের জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে। গুগলে new 7 wonders scam লিখে সার্চ দিলে হাজার হাজার তথ্য বের হবে।

প্রিয় প্রথম আলোর কাছে অনুরোধ আপনারা এই ভন্ড প্রতিযোগিতার পেছনে আমাদের ছুটতে উতসাহ যোগাবেন না। শুধু প্রথম আলো নয় সব গুলো পত্রিকাই নিরবে এদের সাহায্য করছে কেবল মোবাইল কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপন পাবার জন্য।

মিডিয়ার সবার কাছে অনুরোধ দয়া করে জাতিকে সঠিক পথ দেখান। যারা এখনো জানেন না কেন এই প্রতিযোগিতার কোন গ্রহনযোগ্যতা নেই তারা দয়া করে এই লেখাটি পড়ুনঃ

এখানে ক্লিক করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29477685 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29477685 2011-11-03 22:25:15
মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি প্রতিবছর ঈদে লাখ লাখ পর্যটকের ঢল নামে কক্সবাজারে। অথচ এখন কক্সবাজার আগের যে কোন সময়ের চেয়ে অনেক বেশী ঝুকিপূর্ন একটা ভ্রমন স্থান। সবার জন্য সতর্কতামূলক লেখাটি কি স্টিকি করা যায় ভেবে দেখবেন প্লিজঃ

কক্সবাজারে ভয়াল গুপ্তখাল-নিজে বাচুন অন্যকে সতর্ক করুন ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29476972 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29476972 2011-11-02 16:25:45
সবাই লক্ষ্য করুনঃ কক্সবাজারে ভয়াল গুপ্তখাল-নিজে বাচুন অন্যকে সতর্ক করুন
জন্ম হলে মৃত্যু হবেই। তবে অস্বাভাবিক মৃত্যু বোধকরি কারোই কাম্য নয়। এবার কক্সবাজার গিয়ে গুপ্তখালের কবলে পরে মৃত্যুকে খুব কাছে থেকে দেখলাম। সেই কষ্টকর অভিজ্ঞতা থেকে কিছু লেখবার চেষ্টা করছি যা সকলের জানা উচিত।

কক্সবাজারে এই নিয়ে চতুর্থবার ভ্রমন হোল। সাম্প্রতি বিয়ের পরে এপ্রিল মাসে একবার গিয়েছিলাম। গত মাসে সস্ত্রীক দুই কাছের বন্ধু জয় এবং সাজ্জাদ সহ বান্দারবনে গেলাম। সেখানে একদিন থাকার পরে নীলগিরী যাবার প্ল্যান ছিল। কিন্তু ভারতীয় বিএসএফ প্রধান সেই দিনই সেখানে যাওয়ায় নীলগিরী যাবার সব পথ ছিল বন্ধ। তাই তড়িত সিদ্ধান্তে কক্সবাজার চলে এলাম। সেই দিন সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় আর পানিতে নামা হোল না। পরের দিন আবার বান্দারবনে যাব বলে সকাল ৬ টার দিকে ২ নাম্বার সুগন্ধা পয়েন্টে নামলাম। মোট ৪ জনের গ্রুপ যার মাঝে আমি একাই কেবল সাতার জানি না। সব কিছু ভালই চলছিল। প্রায় ১ ঘন্টা পানিতে দাপাদাপির পর এল সেই বিশেষ মুহুর্ত। বন্ধু জয় হঠাত আবিষ্কার করল একটু আগে যেখানে কোমর পানি ছিল তার ঠিক ডান দিকে যেতেই পুরো মাথা তলিয়ে যাচ্ছে। ভোলায় বড় হওয়া জয় বিষয়টি বুঝতে পারে নাই সাতরে সে জায়গাটি পার হয়ে যায় সাথে তার পিছু পিছু আরেক বন্ধু সাজ্জাদ ও পার হয়ে যায়। আমিও ওদের কাছেই ছিলাম। একটু পর আমার স্ত্রীর চিতকার শুনতে পারলাম যে-“আদনান আমাকে ধর আমি দাড়াতে পারছি না।“ আমি ভাবলাম কোমর পানিতে কি আর হবে নিশ্চয়ই ব্যালেন্স করতে পারছে না। ওর কাছে এসে টেনে তুলে এক পা সামনে আগাতেই অবাক হয়ে খেয়াল করলাম ক্রমশ আমার পায়ের নিচে থেকে বালু সরেই যাচ্ছে। ২-৩ সেকেন্ডের মধ্যেই যেখানে আমার হাটু বরাবর পানির লেভেল ছিল তা আমার মাথার উপরে উঠে গেল। অন্যদিকে আমার স্ত্রীর পরনে ছিল ফতুয়া, পায়জামা আর ওড়না। সে সাতার জানে কিন্তু সেই মুহুর্তে তার পায়জামা আর ওরনা শরীরের সাথে জড়িয়ে গেল। অন্যদিকে আমার উচ্চতা ৫ ফুট ৬ ইঞ্চি সেখানে পানির লেভেল আরো প্রায় ৬-১০ ইঞ্চি উপরে চলে যাওয়ায় আমি কোনমতেই শ্বাস নিতে পারছিলাম না। বেশ কয়েকবার পানিতে ডুবছিলাম আর ভাসছিলাম কারন আমি বিন্দুমাত্র সাতার জানি না। আমার বন্ধুদ্বয় সেই জায়গাটা পার হবার সাথে সাথেই বুঝতে পেরেছিল আমরা এদিকে আসলে বিপদে পরতে পারব তাই জায়গাটা সাতরে পার হয়ে আমাদের সতর্ক করার জন্য মুখ ঘুড়িয়েই দেখে আমি পানিতে ডুবছি আর ভাসছি। এরই মধ্যে প্রথমবার ডুব খাবার সাথে সাথেই জীবনের ভয়ংকরতম ভয় পেলাম। আমার মনে হচ্ছিল মৃত্যু অবধারিত। সাথে সাথে আবিদের মৃত্যুর কথা মনে পড়ায় আরো বেশী প্যানিক হয়ে গেলাম। আমি এই পানি খাওয়া আর বার বার ডুবে যাওয়ার মধ্যেই প্রায় ৩-৪ বার আমার বন্ধুর নাম ধরে জোরে জোরে ডাকলাম আর তীরের দিকে হাত উঠিয়ে সাহায্যের আশায় হাত নাড়ছিলাম। সেই সময় মনে হচ্ছিল আমার চিতকার বুঝি কেউ শুনছে না আর এতো সকালবেলাকেউ হয়তো আমাদের খেয়ালো করছে না। আর আমার স্ত্রী কাপরে জট লাগিয়ে সাতার পারা সত্বেও ক্রমাগত পানি খাচ্ছিল। আমাদের এই অবস্থা দেখে ভাল সাতার পারা বন্ধু জয় দ্রুত আমার স্ত্রীর কাছে আসতে থাকে আর আরেক বন্ধু সাজ্জাদ তীরের লাইফ গার্ডদের দৃষ্টি আকর্ষন করে দ্রুত আমাদের উদ্ধার করতে অনুরোধ করতে থাকে। আমাদের বেহাল অবস্থা বুঝতে পেরে একজন ফটোগ্রাফার দ্রুত তীরে তার ক্যামেরা রেখে পানিতে ঝাপিয়ে পরে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে, কর্তব্যরত লাইফ গার্ডদের একজন সার্ফিং বোর্ড নিয়েও দ্রুত নেমে যায় আর একটি কিশোর ছেলে আমাকে উদ্ধার করে। আল্লাহর রহমতে খুব দ্রুত পায়ের নিচে মাটি খুজে পাওয়ায় ক্রমাগত পানি খাওয়া থেকে দুইজনই রক্ষা পাই।

উদ্ধার পাবার পর লাইফ গার্ডের প্রথম প্রশ্ন ছিল এইদিকে গেলেন কেন? জানেন না এদিকে গুপ্তখাল আছে? পেপার পত্রিকায় এতোদিন সাগরের নিরব ঘাতক এইসব গুপ্তখালের কবলে পরে পর্যটকের মৃত্যুর খবর জেনেছি সেই দিন নিজে এর শিকার হয়ে এর ভয়াবহতাটুকু মর্মে মর্মে উপলদ্ধি করলাম। এ এমন এক অভিজ্ঞতা যা থেকে সবাইকে সতর্ক না করলেই নয়।



পত্রিকা আর সিগাল হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার মারফত জানলাম প্রচন্ড প্রতিভামান কন্ঠশিল্পি আবিদের মৃত্যুর পর এবার কক্সবাজারে পর্যটকের আসা কমে গিয়েছে। ঈদের আগে ও পরের ১০ দিনে যেখানে ১০ লাখের উপরে পর্যটকের আগমন ঘটে সেখানে এবার নাকি ঈদের ৩-৪ দিনে পঞ্চাশ হাজারের মতো পর্যটক এসেছেন। আবিদের মৃত্যুর পর ভেবেছিলাম কক্সবাজারের সার্বিক ভয়াবহতার ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ প্রচুর ব্যাবস্থা নিয়েছেন। কিন্তু আমার ভাবনায় ভুল ছিল-এ যে আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ যেখানে অনিয়মই নিয়ম, প্ল্যানিং এর বড়ই অভাব।

পর্যটকদের নিরাপত্তা দেবার জন্য সরকার ইয়াসির লাইফ গার্ড এবং ওয়াচ বে লাইফ গার্ড নামক দুটি সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছে। এরা প্রতিবছর শত শত মানুষকে উদ্ধার করছে। কিন্তু টোটাল সিস্টেমে অনেক গলদ আছে যার কয়েকটা বলছিঃ

* ১- লক্ষ্য করুন আমরা পানিতে নামতে যাই সকাল ৬টার দিকে। এর আগের দিন খবর নিয়ে জেনেছিলাম সকাল হোল জোয়ারের সময় যা সমুদ্রে গোছলের জন্য নিরাপদ। সৈকতে গিয়ে দেখি এক দুইটি মাত্র সবুজ আর কিছু লাল পতাকা। আগের দিন প্রচুর পতাকা ছিল যার কিছুই সকালে চোখে পরে নাই। সেই ঘটনার পরে জানতে পারলাম লাইফ গার্ডরা সকাল ৭টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। সেই সময় ধীরে ধীরে তারা পতাকা লাগাতে থাকেন। তাহলে ভোরে সূর্যদয় দেখতে যারা আসবেন তারা যদি সাগরে নামতে চান তবে তাদের জন্য পতাকা কই? আর ২৪ ঘন্টার জন্য লাইফ গার্ডের ব্যাবস্থা করতে সমস্যা কোথায়?
* ২- গত এক বছরের মধ্যে কলাতলী থেকে ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট পর্যন্ত উত্তর দক্ষিনে ১০ টির মতো কয়েক শ ফুট লম্বা ৬টি গুপ্তখাল আর আড়াআড়িভাবে কয়েকটি পুকুর আকৃতির গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এই গর্ত আর খালগুলোর অস্তিত্ব ভাটার সময়ে খুব সহজেই চোখে পরে কারন পানির লেভেল সেই সময় অনেক নিচে থাকে। সরকার কি পারে না মাত্র কয়েক লাখ টাকা খরচ করে এই বিশেষ স্থানগুলোকে বাশ বা জাল বা অন্য কোন ভাবে পুরোপুরি ঘিরে দিতে? তা না করে তীরের সোজা তারা ২টি লাল পতাকা দিয়ে চিহ্নত করার ব্যাবস্থা রেখেছে যা মোটেও যৌক্তিক নয়। কারন গোছলের সময় ঢেউয়ের তোরে অনেকেই ক্রমশ ডানে/বামে চলে যেতে থাকে। আমরা যেমন সুগন্ধা বীচ বরাবর সেফ জায়গায় নেমেছিলাম কিন্তু ঢেউয়ের সাথে সাথে কখন যে অনেকখানি ডানে চলে গিয়েছিলাম খেয়াল ছিল না। পরে উদ্ধার হয়ে ফেরত আসার সময় বিষয়টা চোখে পরে। তাই স্থায়ীভাবে জায়গাগুলো চিহ্নিত না করা গেলে যে কারো বিপদে পরা সময়ের ব্যাপার মাত্র।
* ৩- সেই দিন বিপদ থেকে বাচার পর হোটেল সাইমনে নাস্তা করতে যাবার পর ফ্রন্ট ডেস্কে একটা লিফলেট দেখলাম যা কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি থেকে দেওয়া হয়েছে। সেখানে সৈকতে কিভাবে নিরাপদে গোসল করা যায়, বিভিন্ন রঙের পতাকার অর্থ কি,বিপদে পরলে কি করতে হবে-এসব বিষয়ে চমৎকার কিছু পরামর্শ ছিল। লিফলেটটি হাতে পাবার সাথে সাথে আমাদের চারজনের উপলদ্ধি ছিল এটি আগে হাতে পেলাম না কেন? কক্সবাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার পর্যটক আসেন। তারা সবাই কোন না কোন হোটেলে উঠেন। প্রতিটি হোটেল আর গেষ্ট হাউসে যদি সেই লিফলেটটি দেওয়া হয় আর প্রতিটি নতুন গেষ্টের হাতে ধরিয়ে দিয়ে একবার করে হলেও পড়বার অনুরোধ করা হয় তাহলে অনেকগুলো প্রান নিঃসন্ধেহে রক্ষা পেত।
* ৪- সৈকতের জনপ্রিয় ৩টি পয়েন্ট হোল যথাক্রমে লাবনী, সুগন্ধা আর কলাতলী। এই পয়েন্টগুলোর প্রতিটি মোরেই যদি মাইকিং করে আর লিফলেট বিতরন করে পর্যটকদের সতর্ক করা যেত তবে অনেকেই পতাকার গুরুত্ব বুঝতে পেতেন। ফলে দুই লাল পতাকা বরাবর স্থানে পানির নিচে যে চোরাবালি/গুপ্তখাল আছে তা তারা জানতে পারতেন। আমাদের মতো অনেকেই দুই লাল পতাকার মানে জানেন না কারন শুধুমাত্র প্রচারনার অভাব।
* ৫- হঠাত করে কেউ কক্সবাজার গেলে অবাক হয়ে যাবেন সাড়ি সাড়ি নতুন নতুন হোটেল হচ্ছে। এসব হোটেল বানাতে প্রয়োজন পরছে বালুর। রাতের অন্ধকারে/দিনে দুপুরে সাগর থেকে বালু সরানো হচ্ছে যার ফলে সৃষ্টি হচ্ছে নতুন নতুন গর্ত-আবিদের মতো কত তরুন প্রান আনন্দ করতে এসে মারা যাচ্ছে। প্রশাসন কি বিষয়গুলো দেখছে?
* ৬- সৈকতে রাতের বেলা ভুতুরে অবস্থা সৃষ্টি হয়। কোথাও কোন আলোর ব্যাবস্থা নেই। সৈকতের মূল পয়েন্টগুলোয় সারা রাত আলোর ব্যাবস্থা করতে খুব বেশী কি অর্থের প্রয়োজন?
* ৭- একটা ভয়ংকর তথ্য সবাই জানুনঃ ইয়াছির লাইফ গার্ড স্টেশনের পরিচালক ও নৌবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ডুবুরি মোস্তফা কামাল গত ১০ বছরে সৈকতের বিভিন্ন স্থানে গোসল করতে নেমে ৮৫ জন পর্যটকের প্রাণহানি ও এক হাজার ২০০ জনকে উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, কলাতলী থেকে ডায়াবেটিক হাসপাতাল পয়েন্ট পর্যন্ত এলাকায় নিহত ৬২ পর্যটকের মধ্যে ৫১ পর্যটকের লাশ তাঁরাই উদ্ধার করেন। এই মৃত্যু আর দুর্ঘটনা থেকে আমরা কতটুকু সচেতন হয়েছি-সরকার কতটুকুই বা সচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিয়েছে?

আমার ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতা থেকে উপরে কিছু সমস্যা তুলে ধরলাম। এ ব্যাপারে আমার ব্যাক্তিগত কিছু সাজেশন দেইঃ

* ১- কক্সবাজার বীচ ম্যানেজমেন্ট কমিটি থেকে দেওয়া লিফলেটটি সব হোটেলের ফ্রন্ট ডেস্কে থাকতে হবে। যখনই কোন নতুন গেষ্ট আসবেন তার হাতে সেটি তুলে দিয়ে পড়ে দেখতে অনুরোধ জানাতে হবে।
* ২- সৈকতে এ যাবত চিহ্নিত গুপ্তখালগুলো ঘিরে দেবার ব্যাবস্থা করতে হবে। সাতার কেটে কেউ যেন বেশী দূরে না যেতে পারে সে জন্য নিরাপদ স্থানগুলো জাল দিয়ে ঘিরে দেওয়া যেতে পারে।
* ৩- ভাটার সময় পানিতে নামলে দন্ডের ব্যাবস্থা করা যেতে পারে।
* ৪- সৈকতের মূল পয়েন্টগুলোতে স্থায়ী কোন নির্দেশমালা স্থাপন করতে হবে যা দেখে সবাই সতর্ক হতে পারে।
* ৫- তীর থেকে দূরে বোটে করে টঠল দেবার ব্যাবস্থা করতে হবে যাতে সবাইকে সহজে নিরাপদ স্থানে থাকতে সতর্ক করা যায় আর কেউ বিপদে পরলে দ্রুত উদ্ধার করা যায়।
* ৬- একেবারে সাতার যারা জানেন না তাদের জন্য লাইফ জ্যাকেটের পরিমান বাড়াতে হবে। বেসরকারিভাবে যারা লাইফ জ্যাকেট/টিউব সরবরাহ করেন তাদের অতিরিক্ত চার্জের কারনে অনেকেই লাইফ সেভিং এসব জিনীস ব্যাবহারে উতসাহ বোধ করেন না।
* ৭- ২৪ ঘন্টা গার্ডের ব্যাবস্থা রাখতে হবে। বর্তমান ব্যাবস্থায় খুব ভোরে/সন্ধ্যার পরে কেউ সৈকতে আসলে তার নিরাপত্তার জন্য কেউ থাকে না। ডুবুরি আর গার্ডের সংখ্যায় প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল যা বাড়ানো প্রয়োজন।
* ৮- রাতের বেলা মূল পয়েন্টগুলোতে লাইটের ব্যাবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে এনার্জি সেভিং লাইট লাগানো যেতে পারে।



কক্সবাজারে নিজে, সপরিবারে বা বন্ধুবান্ধব সহ যারা আসতে চান তাদের জন্য কিছু পরামর্শঃ

* ১- পানিতে নামবার আগে অবশ্যই জোয়ার ভাটা সম্পর্কে ভালভাবে জেনে নিবেন।ভাটার সময় পানিতে নামবার চিন্তা ভুলেও মাথায় আনবেন না।
* ২- দুই লাল পতাকা মানেই হোল পতাকার অবস্থানের সোজা বরাবর গুপ্তখাল আছে। দুই পতাকা চিহ্নিত স্থান থেকে শত হাত দূরে থাকুন।
* ৩- পানিতে নেমে প্রাইভেসি খুজতে জাবেন না। যতোটুকু সম্ভব অনেক মানুষের সাথে পানিতে নামুন। যে কোন বিপদে সাহায্য পাবেন।
* ৪- অনেক তরুন পানিতে নেমে বড্ড এ্যাডভেঞ্চারাস হয়ে পরেন-নিজের জীবন কে তুচ্ছ জ্ঞ্যান করেন। একটু ভেবে দেখুন যে বাবা মা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন তাদের কতটুকু ফেরত দিয়েছেন। নিজের জীবনকে ঝুকিতে ফেলার আগে নিজের আপনজনের কথা আরেকবার চিন্তা করে দেখুন।
* ৫- ছোট বাচ্চারা সাথে থাকলে প্রতিটি মুহুর্ত তাকে চোখে চোখে রাখুন। আপনার মুহূর্তের অসতর্কতা তার বড় ধরনের বিপদের কারন হতে পারে।
* ৬- একদম সাতার না পারলে হাটু পানির বেশী এগুবেন না। সম্ভব হলে লাইফ জ্যাকেট/টিউব ভাড়া করুন।
* ৭- আমার আপনার নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত লাইফ গার্ডদের নির্দেশ মেনে চলুন। মনে রাখবেন আমার আপনার থেকে তারা সমুদ্রের বিপদ সম্পর্কে অনেক ভাল জানেন,বুঝেন।
* ৮- বিপদে মাথা যতটুকু সম্ভব ঠান্ডা রাখার চেষ্টা করুন। সর্বদা লাইফ গার্ডদের সাহায্য নিন।
* ৯- মেয়েরা সালোয়ার,কামিজ আর ওড়না পরে পানিতে নামতে যাবেন না। কাপড়ে জট লেগে বিপদে পরার শতভাগ সম্ভাবনা থাকে।
* ১০- খুব ভোরে/সন্ধার পর পানিতে নামবেন না। সবকিছু জেনে বুঝে শতভাগ নিশ্চিত হয়েই পানিতে নামুন।

প্রতি দিন হাজার হাজার নতুন পর্যটকে মুখর হয়ে উঠে কক্সবাজার। পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকতে হাংগর বা অন্য কোন জলজ প্রানী হানা দেয় না বলে এতো দিন এটি পর্যটকদের জন্য নিরাপদ স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছিল।নিত্যনতুন হোটেলের নির্মান বলে দেয় ভ্রমনের স্থান হিসেবে কক্সবাজার আজো কতটুকু আকর্ষনীয়। আমরা চাই না আমাদের গর্ব এই সৈকতে কেউ এসে প্রান হারাক। আমি আর আমার স্ত্রী বেশ ভাগ্যবান হওয়ায় আল্লাহোর রহমতে বেচে গেছি-আমাদের মতো সৌভাগ্য অনেকের নাও হতে পারে। বেচে আছি বলেই আমার পক্ষে আজ এই লেখা লিখা সম্ভব হচ্ছে। সবার কাছে অনুরোধ কক্সবাজারে ভ্রমনের আগে নিজে সতর্ক হোন-অন্যকে সতর্ক করুন। কক্সবাজার সৈকত এখন সত্যিকার অর্থেই অনেক অনেক বেশী ঝুকিপূর্ন। আবিদের পরিচিতির কারনে গুপ্তখালের বিষয়টি এখন যেভাবে প্রচার পাচ্ছে এর আগে ততোটা পায় নি-অথচ বেশ কবছর ধরেই দুর্ঘটনার পরিমান কিন্তু বেড়েই চলছিল। হয়তো হোটেল ব্যাবসায়ীদের চাপে এসব খবর জাতীয় পত্রিকাগুলোর পাতায় আসে না বা আসলেও অনেকের চোখে পরে না। তাই সার্বিকভাবে সবার সচেতনতা একান্তই প্রয়োজন।

সেই দিন বেচে যাবার সাথে সাথেই প্রতিজ্ঞা করেছিলাম কক্সবাজারের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। আজকের এই লেখা সেই প্রয়াসের অংশ মাত্র। লেখাটি শেয়ার করে/লেখার বিষয়বস্তু সবাইকে জানিয়ে আমার প্রচেষ্টা সার্থক করবেন-সবার কাছে এই প্রত্যাশা।

পূর্ব প্রকাশঃ http://bn.jinnatulhasan.com/2011/10/5790/]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29474815 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29474815 2011-10-30 09:58:27
কিছু Accounting Tutorial সাইট

একাউন্টিং রিলেটেড কিছু প্রয়োজনীয় সাইট এর নামঃ

Accounting Training Sites:

www.middlecity.com

www.accountingcoach.com

www.accounting-tutorial.com

http://www.tutorialized.com/tutorials/Accounting/1 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29472501 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29472501 2011-10-25 22:57:42
এরোকম বাবা জেন আর না জন্মায়...

‘তিন বছর আলো-বাতাস পাইনি দেখিনি খোলা আকাশ’

‘তিন বছর আলো-বাতাস পাইনি, দেখিনি খোলা আকাশ। কারও সঙ্গে কথাও বলতে পারিনি। শরীরটা উটপাখির মতো হালকা হয়ে আছে। এভাবে বন্দী না করে জেলখানায় দিলেও আলো-বাতাস পেতাম; পেতাম ঠিকমতো দুই বেলা খাবার। দ্বিতীয়বার বিদেশ যাওয়ার টাকা চাইতে গেলে বাবা মাওলানা শামছুর রহমানের নির্দেশে প্রায় তিন বছর আমাকে টয়লেটে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে। ঠিকমতো খাবারও দেওয়া হতো না। পিপাসা পেলে অনেক সময় টয়লেটের পানি খেয়ে থাকতে হয়েছে।’

ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হওয়া ফিরোজ আলম (৩২) এ প্রতিনিধিকে এভাবেই তাঁর বন্দিজীবনের বর্ণনা দিলেন। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ গ্রামে।
তিন বছর টয়লেটে বন্দিজীবন কাটানোর খবর ফাঁস হলে সাংবাদিকদের মাধ্যমে জানতে পেরে গতকাল বুধবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইফুল ইসলাম মজুমদারের নেতৃত্বে থানার পুলিশ ওই বাড়ির টয়লেট থেকে শিকল দিয়ে বাঁধা ফিরোজ আলমকে উদ্ধার করে। পরে তাঁকে চিকিৎসার জন্য ফরিদগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় পুলিশ গতকাল বুধবার ফিরোজের বাবা মাওলানা শামছুর রহমান, মা হালিমা বেগমসহ তাঁর দুই ভাই শাহ আলম ও নাছিরকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গেলে গ্রামবাসী জানান, মাওলানা শামছুর রহমানের ছেলে ফিরোজ পাঁচ ভাই ও চার বোনের মধ্যে সবার বড়। এসএসসি পাস ফিরোজ বেশ কয়েক বছর আগে বিয়ের পর বিদেশে যান। স্ত্রীর সঙ্গে মা-বাবার বনিবনা না হওয়ায় তাঁর সংসার ভেঙে যায়। পরে আবার বিয়ে করানো হয় তাঁকে। দ্বিতীয় স্ত্রীও শ্বশুর-শাশুড়ির নির্যাতন সইতে না পেরে বাপের বাড়ি চলে যান। একপর্যায়ে ফিরোজের সঙ্গে তাঁর মা-বাবার সম্পর্কের অবনতি ঘটতে থাকে। নিরুপায় হয়ে বাবা তাঁর অবাধ্য ছেলেকে জেল খাটান। জেল থেকে ছাড়া পেয়ে তিনি আবার বিদেশে যাওয়ার জন্য বাবার কাছে টাকা চান। এ নিয়ে পরিবারের সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া-বিবাদ লেগে থাকত। একপর্যায়ে বাবার নির্দেশে তাঁকে নিজের পাকা ভবনের টয়লেটে বেঁধে রাখা হয় প্রায় তিন বছর।
গতকাল বুধবার ফিরোজদের বাড়ির আশপাশের লোকজন জানান, ‘মাওলানা শামছুর রহমানের পরিবারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক নেই।’ গ্রামে কেউই তাঁকে ভালো চোখে দেখে না বলে জানা যায়।
ফরিদগঞ্জ থানাহাজতের গেটে ফিরোজের বাবা মাওলানা শামছুর রহমান বলেন, ‘ফিরোজ বিদেশে যাওয়ার জন্য আমাদের নির্যাতন করত। আমাদের অবাধ্য থাকায় একবার তাকে জেলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।’ কিন্তু তাঁকে টয়লেটে বন্দী না রেখে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন—এ প্রশ্নের জবাবে মাওলানা শামছুর রহমান বলেন, ‘আমি তো এখন অসহায়। টাকাপয়সার অভাবে তাকে জেলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।’

স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও চিকিৎসক সুমন বলেন, ঠিকমতো খাবার না খেতে পেরে ফিরোজের দেহটি কঙ্কালসার হয়ে আছে। তাঁর কথাবার্তা শুনে মনে হচ্ছে না সে কোনো মানসিক রোগী।
ফরিদগঞ্জ থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি (তদন্ত) জাবেদুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনার জন্য ফিরোজের মা-বাবা ও দুই ভাইকে আটক করা হয়েছে।
ইউএনও সাইফুল ইসলাম মজুমদার বলেন, ফিরোজের খবর শুনে গতকাল বুধবার তাঁর শিকলের সব তালা খুলে মুক্ত করে আনা হয়েছে।

/<img src=" style="border:0;" />/<img src=" style="border:0;" />
সোর্সঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29465083 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29465083 2011-10-13 10:31:58
পোষ্টপেইডের শেষ মাসের বিল না দেওয়ার অভিজ্ঞতা আছে কারো?

সিটিসেল জুম আল্ট্রা ব্যাবহার করছি অনেক দিন। ক্রেডিট লিমিট ছিল ১৫০০ টাকা। ১১০০ টাকার মতো ব্যাবহার করার পর লাইন কেটে দিছে। টাকা দিলে আবার একটিভেট করবে। পোষ্ট পেইড আর কন্টিনিউ করব না ভেবে টাকা দেই নাই। এখন দেখি চিঠি আসছে। টাকা না দিলে নাকি লিগ্যাল একসেন নিবে । কারো কি এমন অভিজ্ঞতা আছে? এরা টাকা না পেলে কি করে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29460334 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29460334 2011-10-05 08:21:01
হঠাত রিকশা বন্ধ করল কেন?
আজকে রায়ের বাজার থেকে ঢাকা ভার্সিটি যাবার বেলায় দেখি জিগতলার আগ থেকে রিকশা বন্ধ। সব রিকশাকে ধানমন্ডি ৮ নাম্বার দিয়ে সাইন্সল্যাবে ঘুরে যেতে হচ্ছে। অনেক ঝামেলা করে নিউমার্কেট গেলাম। হঠাত করে এই সড়ক ভিআইপি করাটা যৌক্তিক হয় নাই মোটেও। মিরপুর রোড ভিআইপি করার পরো সমস্যা হয় নাই কারন সেই রোডে ৭,৯,২৭ সহ আরো বেশ কিছু লোকাল বাস চলে। কিন্তু এই রোডে ১৩ নাম্বার ছাড়া কোন লোকাল বাস নাই-তাও সংখ্যায় খুবই কম। কেউ কিছু জানেন হঠাত কেন এই সড়ক ভিআইপি হোল। এই সংক্রান্ত খবরের কোন লিঙ্ক আছে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29450725 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29450725 2011-09-18 23:14:03
উপস্থিত বুদ্ধি আর ভাগ্যের জোরে ছিনতাইকারীর হাত থেকে বেচে গেলাম আজ...

আজ রাত সাড়ে ৮টার দিকে রায়েরবাজার থেকে ধানমন্ডী সোবহানবাগে যাবার জন্য ধানমন্ডী ২৮ পর্যন্ত রিকশা ঠিক করেছিলাম। বেশ কিছুদিন ধরে পিসিটা সমস্যা করছিল বিধায় পিসিটা চেক করবার জন্য সাথে ছিল রিকশার নিচে রেখে যাচ্ছিলাম। ৩২ নাম্বারের ব্রিজ থেকে নিচের ঢালে এসে একটু সামনে যাওয়া মাত্রই একটা ছেলে রিকশাওয়ালাকে মামা কয়টা বাজে জিজ্ঞেস করতে করতে রিকশার উপরে এসে পরে রিকশা থামায় দিল। সাথে সাথে দেখি রিকশার ২ পাশে আরো ৩ তরুন হাজির। আমি কুইক রিফ্লেক্সের গুনে লাফ দিয়ে রিকশা দিয়ে নেমেই একটু দৌড়ে গলার সর্বশক্তি দিয়ে ছিনতাইকারী...ছিনতাই বলে চেচাতে চেচাতে পাশের ফ্ল্যাটের গেটে পৌছে যাই। সেই ৩ জনের একজন আমার শার্ট একটুর জন্য ধরতে পারে নাই,হালকা ছোয়া লেগেছিল,অন্যদিকে আরেকপাশের আরেকজন কোন শব্দ করবি না বলতে বলতে এগুচ্ছিল। আমার হঠাত দৌড় আর প্রচন্ড জোরে চিতকারে ওরা আর সামনে না এসে যে যার মতো চারদিকে দৌড়ে/হেটে চলে যায়। আল্লাহোর রহমতে রিকশায় পড়ে থাকা আমার সিপিউ নেওয়ার সাহস করে নাই কারন আমার চিতকারে মুহুর্তের মধ্যে পাশের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার আর দাড়োয়ান বাসার বাহিরে চলে আসে। তারা বলল আমার চিতকার শুনে তারা ভাবছে কেউ বিপদে পরছে। মুহুর্তটা যে কেমন ছিল বলে বোঝানো যাবে না। সেই ফ্ল্যাটে চিৎকার করে ঢুকার পরে আমার সাড়া শরীর কাপছিল। সিপিউটা নিয়ে গেলে ২০-২৫ হাজার টাকার লস হয়ে যেত। রিকশা থেকে নামতে আর ২-৩ সেকেন্ড দেরী হলেই ওরা পাশ থেকে চিপে ধরত-আমার কিছুই করার থাকত না। জানি না কোথা থেকে কি মাথায় আসল যে এতো দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে রিকশা থেকে লাফ দিয়ে নেমেই চিতকার করতে করতে দৌড়ে আরেক বাসায় ঢুকে পরেছিলাম

এর আগে ১২ এ থেকে আমার ছোট ভাইয়ের মোবাইল নিয়ে গিয়েছিল, আবাহনী মাঠের একটু আগে রিকশায় দিয়ে যাবার সময় পাশ থেকে আমার বউয়ের ব্যাগ টান দিয়ে (মোটরসাইকেলে করে) আবাহনী মাঠের পাশের সরু গলি দিয়ে পালিয়ে গিয়েছিল।আমার বউয়ের ব্যাগ টান দিয়ে নিয়ে যাবার সময় আমি সাথেই ছিলাম। অদ্ভুদ ব্যাপার হোল আমি ওকে মাত্র ১০ মিনিট আগেই বলেছিলাম ব্যাগটা সাবধানে রাখো। কথার ফাকে কখন ওর ব্যাগ বাম দিকে চলে গিয়েছিল খেয়াল করে নাই। মটোরসাইকেলে বসা ছিল দুই জন যার পেছনের জন রিকশার কাছে বাম পাশে এসে জোড়ে টান দিয়ে পালিয়ে যায়। টাকা, মোবাইল সব যায়। কি যে অসহায় পরিস্থিতি... এসব থেকেই শিক্ষা নিয়ে সবসময় সতর্ক থাকি।

সোবহানবাগে থাকতাম বলে প্রায় ১০ বছর ধরে ৩২ নাম্বারের ব্রিজ দিয়ে যাওয়া আসা করছি। এর আগে কখনোই এমন কিছু হয় নাই। রিকশায় সবসময় এলার্ট থাকি বলে প্রাক্তন প্রেমিকার (এখন বউ) কাছে বহু খোটা শুনেছি। কিন্তু এখন সেই অভ্যাসের কারনেই বেচে গেলাম। ফোরামের সবাই রিকশা/কোন যানবহনে যাবার সময় এলার্ট থাকার চেষ্টা করবেন। বিশেষ করে অস্বাভাবিক কিছু ঘটার শুরুতেই নিজেকে প্রস্তুত করে নেওয়া ভাল। কয়েক সেকেন্ড দেরী হলেই অনেক সময় এসব ছিনতাইকারীর কাছে অসহায় আত্নসমর্পন ছাড়া কিছুই করার থাকে না। আর ঈদের মৌসুম শুরুর আগে এসব ছিনতাই বেড়ে যায়। সবাই নিরাপদে চলাফেরা করুন-খারাপ রাস্তাগুলো যেনে বুঝে সতর্ক হয়ে পার হোন এই প্রত্যাশা রইল... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29418159 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29418159 2011-07-23 00:37:15
কিউবির ব্যাপারে তথ্য প্রয়োজন..

বাসায় ১৫০০ টাকায় ব্রডব্যান্ড ব্যাবহার করছি, ডাউনলোড স্পীড ৫০-৭০ থাকলেও ব্রাউজিং এর অবস্থা খুব খারাপ। তাই চিন্তা করছি কিউবি নিয়ে দেখব। কিউবির ব্যাপারে কিছু প্রশ্নঃ

১- বর্তমানে যারা ৫১২ এর আনলিমিটেড প্যাকেজ ব্যাবহার করছেন তারা এভারেজ কেমন স্পিড পাচ্ছেন?
২-ব্রাউজিং আর ডাউনলোড স্পিড কেমন?
৩- দোতলায় লাইন পেতে সমস্যা হতে পারে কি?
৪-ইউএসবি মডেম এর রেঞ্জ কেমন? ল্যাপটপে ঢাকার বিভিন্ন জায়গায় গেলে লাইন পাওয়া যাবে?
৫-ঝড়বাদলের সময় লাইনে কোন সমস্যা হয়?
৬-নিজে নিজে প্রাথমিক সেট আপ করা যায়? নাকি ওদের ইঞ্জিনিয়ার দিয়ে লাইন সেট করে দিতে হয়?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29404053 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29404053 2011-06-28 22:56:40
প্রফেশনাল গ্রাফিক্সের কাজের জন্য কোন মনিটর ভাল হবে?

সাধারন Samsung ১৯ ইঞ্চি LCD মনিটরে ফটো রিটাচিং এর কাজ করে মোটেও সাচ্ছন্দ বোধ করছি না । সবচেয়ে বেশী সমস্যা লাগছে কালার এর ক্ষেত্রে। LCD মনিটরের আউটপুট অনেক বেশী সাদা মনে হচ্ছে। অন্যদিকে মনিটর এর বিভিন্ন এংগেল থেকে তাকালে ভিন্ন ভিন্ন কালার, ব্রাইটনেশ,কন্ট্রাষ্ট দেখা যায় যা CRT মনিটরের বেলায় ছিল না। ফটোশপে কিছু এডিট করে CRT মনিটরে নিয়ে গিয়ে দেখলে দুই মনিটরের কালারের ভিন্নতা চোখে পড়ে ।

এ অবস্থায় যে কোন মূল্যে আমি পুরাতন CRT মনিটরের মতো কালার পেতে চাই। আধুনিক LCD/LED মনিটরে কি তা পাওয়া সম্ভব? অথবা অন্য কোন সাজেশন?

অনেকেই আছেন যারা LCD/LED ব্যাবহার করতে বলেন। তারা সম্ভোবত সাধারন মুভি দেখা/গেম খেলার এক্সপেরিয়েন্স থেকে বলছেন। কিন্তু ফটো রিটাচিং এর মতো গ্রাফিক্স এডিটিং কাজে সাধারন LCD/LED মনিটরগুলো কখনোই CRT মনিটরের মতো একুরেট কালার শো করতে পারে না। এ কারনেই প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনাররা Professional Series এর LCD/LED ব্যাবহার করেন যা বাজারের সাধারন LCD/LED এর চেয়ে দামী হয়। আর সাইজ শুরু হয় সাধারনত ১৮/২০ ইঞ্ছি থেকে।
উদাহরনঃ
ViewSonic এর VP Series এর LCD মনিটর
Click This Link
ASUS এর PA246Q মডেল যেটির "P-IPS panel with 98% Adobe RGB coverage and 178° wide viewing angle"
Click This Link

ফোরামে গ্রাফিক্সের কাজ যারা করেন বা ভাল প্রফেশনাল সিরিজের মনিটর সম্পর্কে যাদের ধারনা আছে তাদের মতামত আশা করছি। দাম কেমন পরতে পারে?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29380076 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29380076 2011-05-13 00:17:27
সাহায্য চাইঃ CRT মনিটরের মতো কালার কি LCD/LED মনিটরে পাওয়া সম্ভব?

দীর্ঘদিন CRT মনিটর ব্যাবহার করায় আধুনিক বিদ্যুত সাশ্রয়ী LCD মনিটরে (Samsung ১৯ ইঞ্চি LCD) মোটেও সাচ্ছন্দ বোধ করছি না । সবচেয়ে বেশী সমস্যা লাগছে কালার এর ক্ষেত্রে। LCD মনিটরের আউটপুট অনেক বেশী সাদা মনে হচ্ছে। অন্যদিকে মনিটর এর বিভিন্ন এংগেল থেকে তাকালে ভিন্ন ভিন্ন কালার,ব্রাইটনেশ,কন্ট্রাষ্ট দেখা যায় যা CRT মনিটরের বেলায় ছিল না। ফটোশপে কিছু এডিট করে CRT মনিটরে নিয়ে গিয়ে দেখলে দুই মনিটরের কালারের ভিন্নতা চোখে পড়ে :??।

এ অবস্থায় যে কোন মূল্যে আমি পুরাতন CRT মনিটরের মতো কালার পেতে চাই। আধুনিক LCD/LED মনিটরে কি তা পাওয়া সম্ভব? অথবা অন্য কোন সাজেশন?

যদি শুধু গেম খেলতাম বা মুভি দেখতাম তাহলে নিঃসন্দেহে মানিয়ে নিতে পারতাম। কিন্তু গ্রাফিক্স বা ওয়েব সাইটের বিভিন্ন এডজাষ্টমেন্ট করবার সময় মনিটরের ব্যাপারগুলো ভয়ানক সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। আমার মাথায় ঢুকে না প্রযুক্তি আপগ্রেড হয়ে উন্নত হয় অন্যদিকে LCD/LED প্রযুক্তি কেবল বিদ্যুত সাশ্রয় করে কিন্তু কালারের বেলায় আজো CRT সেরা...বাজারে অনেক খুজেও মনে হয় না বড় CRT মনিটর পাওয়া সম্ভব। তাই বাড়তি কোন গ্লাস বা কোন প্রযুক্তি প্রয়োগে পুরাতন কালার ফিরে পেলে দারুন হোত...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29378317 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29378317 2011-05-09 22:05:11
গেরিলা : বুকে হু হু কাঁপন ধরায় বাংলাদেশি হিসেবে আমাদের নির্দিষ্ট কিছু আবেগ আছে। তবে সবচেয়ে বড় আবেগের বিষয় মুক্তিযুদ্ধ_ আমাদের মুক্তির যুদ্ধ। অনেকে বলেন, আমাদের দেশপ্রেম কমে যাচ্ছে। কিন্তু কারো সামনে মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে উপস্থাপন করা হলে তার বুক হু হু করে কেঁপে উঠবেই। অজান্তেই চোখের কোণ দিয়ে এক ফোঁটা হলেও জল গড়িয়ে পড়বে। ‘দেশপ্রেম’ শব্দটি তখন সার্থকতা নিয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

‘গেরিলা’ যারা দেখেছেন এ বিশ্বাস তাদের।

দেশের বেশ কয়েকটি হলে এখন চলছে মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘গেরিলা’। মুক্তিযুদ্ধের কিছু ভয়াবহ দৃশ্য এখানে দেখানো হয়েছে। যা দেখে নতুন প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েছে নতুন করে। তারা যেন স্বচক্ষে দেখেছেন যুদ্ধের সময়কার পাক হানাদের বর্বরতা। এই প্রতিবেদকের মতো যারা বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান তারা তাদের প্রিয় পিতার বর্ণনায় নিশ্চয় শুনেছেন হানাদারদের নৃসংশতার কথা। কিন্তু ওই বর্ণনা কখনো সখনো এক কান দিয়ে ঢুকে অন্য কান দিয়ে বেরিয়ে গেছে। হৃদয় কিছুটা স্পর্শ করলেও কাঁপন ধরেনি। কিন্তু ‘গেরিলা’ দেখে বারবার কেঁপে উঠছে দেহ; মনও। অজান্তেই দর্শক বলে উঠছে, উফ, কী ভয়ঙ্কর… কী নৃসংশ… কী নির্মম… কতটা পাশবিক… কতটা অমানবিক… আহ্ এভাবেই আমাদের দেশের মানুষ নির্যাতিত হয়েছিল একাত্তরে। কোনও কোনও দর্শকের দু’হাত মুঠো বন্দী হয়ে যাচ্ছিল। যেন এখনই ঝাঁপিয়ে পড়বে পর্দায়_ মুক্তিযুদ্ধে। ‘গেরিলা’ দেখে তারা বুঝেছে_ নিজেদের প্রিয় পিতা, অগ্রজ এবং স্বজনরা কেন মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অতটা আবেগী হয়ে মানসপটের গল্প আওড়ান বারবার। মুক্তিযুদ্ধের ছবি এদেশের মানুষ আগেও দেখেছে। সেখানে মুক্তিযুদ্ধ অতটা স্পষ্ট হয়নি। তাই হয়তো অনেকেই হা-ই তুলেছেন চোখ কচলাতে-কচলাতে। কিন্তু ‘গেরিলা’র ক্ষেত্রে উল্টো স্রোত বইল। চোখের পলক কি পড়েছিল কারো? উত্তর জানা নেই।



‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের রয়েছে অসাধারণ এক শক্তি। পর্দায় যখন মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি আর্মির বুকের রক্ত ঝরাত কিংবা উড়িয়ে দিত তাদের আস্তানা; দর্শকও তখন চিৎকার করে উঠেছে। ‘আমরা পেরেছি, আমরাই জয়ী’_ তাদের চিৎকারের অন্তর্নিহিত অর্থ নিশ্চয় এটাই। আর এ কারণেই ছবির শেষে অনেক দর্শক স্লোগান তুলেছেন, ‘জয় বাংলা… জয় বাংলা…’। আবার যেন মুক্তিযুদ্ধে ফিরে গেছি আমরা। শো শেষে অনেক প্রবীণ চোখ মুছতে মুছতে বেরিয়ে এসেছেন। ‘গেরিলা’ দেখে যুদ্ধের স্মৃতি কাঁদাচ্ছে তাদের।

‘গেরিলা’ বিভিন্ন দিক থেকেই ব্যতিক্রম এবং একটি পরিপূর্ণ শিল্পসম্মত চলচ্চিত্র। যেমন এর চিত্রায়ণ, তেমনি শিল্পনির্দেশনা। সংগীতও কোনো অংশে কম যায় না। আর অভিনয়! এক কথায় অসাধারণ। ‘গেরিলা’য় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেক অভিনয়শিল্পীই চমৎকার অভিনয় করেছেন। তাদের মধ্যে দু’জনের কথা না বললেই নয়। কেন্দ্রীয় চরিত্রের জয়া আহসান আর শতাব্দী ওয়াদুদ। জয়ার অভিনয় যতটা আবেগী করেছে, শতাব্দীর অভিনয় করেছে ঠিক ততটাই হিংস্র। শতাব্দী দুটো চরিত্রে অভিনয় করেছেন। দুটোই পাকিস্তানি আর্মি অফিসারের। সব পাকিস্তানি আর্মিই ‘৭১-এ একইরকম ছিল, সমান ছিল তাদের পৈশাচিকতা_ শতাব্দীর চরিত্র দুটো বোধহয় সেই ইঙ্গিতই দিল। হিটলাররূপী শতাব্দী ওয়াদুদের দ্বিতীয় চরিত্রটি আরও একটি ইঙ্গিত দিল। আর তা হচ্ছে হিটলরা যুগে যুগে ফিরে আসেন।

‘গেরিলা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক দেশের বিশিষ্ট নাট্য নিদের্শক নাসির উদ্দীন ইউসুফ নিজেই একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সৈয়দ শামসুল হকের উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’ এবং নিজের মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে নতুন প্রজন্মের জন্য নির্মাণ করেছেন চলচ্চিত্রটি। তার এই সৃষ্টি বাংলাদেশীদের কতটা ঋণী করেছে তা প্রকাশ করা কঠিন। আগামী প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের ধারনা দেবে ‘গেরিলা’। তবে সবশেষে শেষ কথা_ অহংকার করার মতো মুক্তিযুদ্ধের একটি চলচ্চিত্র পেয়ে গেছি আমরা।

সোর্সঃ আমার দেশ ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29370267 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29370267 2011-04-27 12:21:35
‘বিজয়ী ভারতীয় দলকে উপহার দেওয়ার সেরা পথ হলো নগ্ন হওয়া।’ !!! <img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_25.gif" width="23" height="22" alt=":P" style="border:0;" /><img src="http://cdn.somewhereinblog.net/smileys/emot-slices_09.gif" width="23" height="22" alt=";)" style="border:0;" />

কার ভাগ্য কিভাবে খুলে যায় কেউ কি আগে থেকে বলতে পারে? সারাজীবন বিগ্রেডের নায়িকা থাকা শিল্পা শেঠী বিগ ব্রাদারে বর্ণবাদী মন্তব্যের কারনে প্রচারনার শির্ষে চলে এসে যার ফলে এখন হলিউডের রথি মহারথিদের সাথেও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তাকে দেখা যায়। লাইমলাইটে আসার জন্য মডেল পুনম পান্ডের প্রচেষ্টা তাকে জনপ্রিয়তার আসনে বসিয়েছে। ভারত পাকিস্তান ম্যাচের আগে নগ্ন হবার ঘোষনার ফলে ইন্টারনেটে গত ২ দিনের সবচেয়ে সার্চ করা টপিকের একজন হয়েছে এই অখ্যাত মডেল। আশা করা যায় এই ঘোষনার ফলে খুব দ্রুত একজন বড় সেলিব্রেটিতে পরিনত হবেন অখ্যাত মডেল পুনম পান্ডে। আজকে প্রথম আলোতে তার কথাগুলো পড়ে হাসব না কাদব বুঝতে পারলাম না। ভালই মজা পেলাম আপনারাও পাবেন নিশ্চয়ইঃ

ভারত জিতলে কথা রাখবেন মডেল পুনম



ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনাল নিয়ে পৃথিবী জুড়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনার ঝড়। কে জিতবে এবারের বিশ্বকাপ? ফাইনালের টিকিট পাওয়ায় ভারত জুড়ে এ উত্তেজনা যেন আরও একটু বেশি। সে উত্তেজনায় ঘি ঢাললেন মুম্বাইয়ের মডেল পুনম পান্ডে। ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ভারত জিতলে দলের জন্য নগ্ন হতে প্রস্তুত এই মডেল।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে গতকাল বৃহস্পতিবার দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে পুনম বলেন, ‘অবশ্যই, আমি বিবস্ত্র হব। কিন্তু কোথায়? খেলোয়াড়েরা যেখানে চান সেখানেই নগ্ন হতে প্রস্তুত আছি। এটা খেলোয়াড়দের ড্রেসিং রুম, এমনকি স্টেডিয়ামের যেকোনো স্থানে।’ <img src=" style="border:0;" />

পুনম আরও বলেন, ‘ভারতের অসংখ্য মানুষের সমর্থন রয়েছে আমার পক্ষে। জনগণ আমাকে উত্সাহিত করছে। ভারতীয় দলের জন্য কিছু করছি এ জন্য আমার মা-বাবাও গর্ববোধ করছেন । তাঁরা নগ্ন হওয়াকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন না।’:-*

নগ্ন হওয়া অপরাধ এবং এ জন্য তাঁর সমস্যা হতে পারে, এমন প্রশ্নের জবাবে এই মডেল বলেন, ‘আমি বিসিসিআইর অনুমতি গ্রহণ করতে যাচ্ছি। আমি আইনবিরোধী কোনো কিছু করতে চাই না।’ <img src=" style="border:0;" />

তবে ফেসবুকে বন্ধু ও সহকর্মীরা তাঁকে অনুরোধ করেছেন বিসিসিআইর অনুমতি ছাড়াই নগ্ন হওয়ার জন্য। মডেল শ্বেতা শর্মা পুনমকে লিখেছেন, ‘বিসিসিআই নিষেধ করলেও পুনম নগ্ন হবেন। এমন কোনো অজুহাত তিনি দেবেন না, যদি তারা রাজি থাকে তাহলেই আমি নগ্ন হব।’ <img src=" style="border:0;" />

ইন্টারনেটে গত দুই দিন সবচেয়ে বেশিবার সার্চের তালিকায় থাকা পুনম বলেছেন, ‘বিজয়ী ভারতীয় দলকে উপহার দেওয়ার সেরা পথ হলো নগ্ন হওয়া।’ সে তাঁর ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘আমি নতুন প্রজন্মের মেয়ে! :-* আমার দেশ বিশ্বকাপ জিতবে এ জন্য যেকোনো কিছু করতে পারি। আমরা ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ আবার ফিরে পেতে চাই।’<img src=" style="border:0;" />

টাইমস অফ ইন্ডিয়ার মূল প্রতিবেদনটির লিঙ্কঃView this link ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29355108 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29355108 2011-04-01 20:49:07
এই রিকশাওলা ভাইয়ের জন্য অন্তর থেকে রইল অনেক অনেক দোয়া...
মাঝে মাঝে কিছু ঘটনা শুনে থমকে যেতে হয়। লোভ,লালসা,হিংসা,বিদ্বষের এই নষ্ট পৃথিবিতে কেউ যখন এমন কান্ড করেন তখন অবাক হতে হয় মহান স্রষ্ট্রার অপূর্ব সৃষ্টি মানুষের মনুষত্ববোধ দেখে। একটু আগে একজনের লেখায় লিঙ্ক পেয়ে দেখলাম একজন সাধারন রিকশাচালকের কুরিয়ে পাওয়া টাকা ফেরত দেবার অসাধারন কাহিনী। এটা নিউইয়র্ক নয় যে হারানো গহনা/টাকা পয়সা ট্যাক্সির নাম্বার ধরে খুজে পাওয়া যাবে। ইচ্ছে করলেই রিকশাচালক পারতেন টাকা নিয়ে সটকে পড়তে। কিন্তু তিনি তা করেন নি-এখানেই মানুষ হিসেবে জন্মের সার্থকতা। এই ঘটনার নায়ক রুপচান্দ সোহেল এর প্রতি রইল অনেক অনেক দোয়া...

ভিডিওঃ http://www.youtube.com/watch?v=VCZnYPrX5ho]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29353824 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29353824 2011-03-30 16:11:49
খেলার সাথে রাজনীতি মেলানো গাধাগুলোর উদ্দেশ্যে প্রশ্নমালা সামুর মতো জায়গাতেই এসব সুশীল পাওয়া যায় যেই গাধাগুলো খেলার সাথে অন্য সব কিছু মিলায় ফেলে। আরে গাধার দল স্বাধীনতা পাবার পর বংগবন্ধু তাহলে কেন পাকিস্তানে গিয়েছিলেন? কেন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানরা আমাদের দেশে আসেন? কেন তাদের আতিথেয়তা দেওয়া হয়? যুদ্ধ হয়েছে বলেই কি চিরকাল সেই দেশের সব কিছু বাদ দিয়ে চলতে হবে? আধুনিক বিশ্বে কি তা সম্ভব? তাহলে তো পাকিস্থানে আমাদের দুতাবাস বোমা মেরে উরায় দেওয়া উচিত। আর আমাদের পাসপোর্টে ইসরাইলের সাথে পাকিস্তানে যাবার ব্যাপারেও নিষেধাজ্ঞা থাকা উচিত তাই না? আপনাদের মতো আবালদের জন্যই দেশে এতো বিভক্তি। মিথ্যে দেশপ্রেমের বুলি না আউরায়ে দেশের জন্য ভাল কিছু করেন। ৭১ এ স্বাধীনতা পেয়েছি-এবার দেশকে অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন করেন।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29350755 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29350755 2011-03-25 11:25:12
সামুর সেরা রম্য লেখাগুলো শেয়ার করুন প্লিজ
গতকার রাতে তামিম ভাইয়ের ক্লাসিক "আমার বান্দরবেলা" সিরিজটা পড়ে হাসতে হাসতে জীবন শেষ। সামুতে তেমন ঘোরাফেরা হয় না বলে অনেক রম্য লেখা হয়তো পড়াই হয় নাই। সবার কাছে অনুরোধ করছি আপনার পড়া প্রিয় রম্য লেখাগুলোর লিঙ্ক শেয়ার করুন প্লিজ। নিয়মিত পোষ্ট আপডেট করে আর্কাইভ বানিয়ে ফেলা যাবে...আর সবার সুবিধার্থে লেখাগুলো পিডিএফ করে সংকলন করে রাখব যাতে প্রিন্ট করে কেউ সংগ্রহে রাখতে পারেন। সকলের সহযোগিতা আশা করছি...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29349408 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29349408 2011-03-22 22:18:35
জরুরিঃ ল্যাপটপের ডিভিডি ড্রাইভ/রাইটার এর দাম কেমন?

স্ক্রীনশট

সকালে ঘুম থেকে উঠে ল্যাপটপ চালাতে গিয়েই মেজাজ খারাপ। উইন্ডোজের বিখ্যাত নীল ডেথ স্ক্রিনে 0X0000007b এরর দিচ্ছে crying। অন্যদিকে কিছুদিন ধরেই ল্যাপটপের সাথের ডিভিডি রাইটার কাজ করছে না। ফলে নতুন উইন্ডোজ সেট আপ দিয়ে এরোর রিপেয়ার করা যাচ্ছে না

কেউ কি বলতে পারবেন ল্যাপটপের উপযোগি ডিভিডি ড্রাইভ/রাইটারের দাম কেমন? USB ডিভিডি ড্রাইভের দাম বোধহয় আরো বেশী...

প্রসংগত আমি আসুসের K40IJ সিরিজের ল্যাপটপ ব্যবহার করছি]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29347175 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29347175 2011-03-19 11:35:31
দৃষ্টি আকর্ষনঃ সামুতে আদমশুমারি বিষয়ক ব্যাপক প্রচারনা চাই
আজ সোমবার রাত ১২টা এক মিনিট থেকে শুরু হচ্ছে পঞ্চম আদমশুমারি ও গৃহ গণনা-২০১১। চলবে ১৯ মার্চ পর্যন্ত। এডমিন ও মডারেটরদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি। ব্যানার/প্রত্যেক ব্লগারকে অটোমেটিক ইমেল প্রেরনের মাধ্যমে এই বিষয়ে ব্যাপক প্রচারনার আহবান রইল। বিষয়টি দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29344460 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29344460 2011-03-14 21:46:39
সাবাশ বাংলাদেশ>>সিঁধুর বর্ণবাদী মন্তব্যের জন্য ESPNকে সতর্ক করল আইসিসি

ভারতীয়রা বড় অদ্ভুদ। তাদের নিজেদের দল যতক্ষন জিততে থাকে তখন তারা তাদের মাথায় তুলে নাচে আর হারলে ঘরে পাথর ছুড়ে মারতেও দ্বিধা করে না। ২০০৭ এ ভারতের বিদায়ের পর ক্রিকেট+অজ্ঞ মান্দিরা বেদীরা প্রতি ম্যাচেই বাংলাদেশকে নিয়ে একের পর এক নোংরা মন্তব্য করেছিল যা সে সময় বাংলাদেশের অপামর ক্রিকেটপ্রেমী সবাইকে বিরক্ত করেছে। এবার মান্দিরা বেদীর জায়গা নিয়েছেন সিধু। অবশ্যই সে অপেনিং এবং স্পিন এর বিপক্ষে একজন দারুন ব্যাটসম্যান ছিলেন। কিন্তু অন্য অনেক আতেল সাবেকদের মতো সেও এমন কোন রেকর্ড ধারী ছিলেন না যার মুখে বড় বড় কথা মানায়। এতোদিন সিধু,মান্দিরাদের নোংরা মন্তব্য আমরা মুখ বুজে শুনে এসেছি। কিন্তু এবারি প্রথম আমাদের মধ্যে কেউ এককজন সৎ সাহস নিয়ে সিধুর বাংলাদেশ বিরোধী মন্তব্যের জন্য আইসিসির কাছে নালিশ করেছে যার ফলশ্রুতিতেই ইএসপিএনকে সতর্ক করেছে আইসিসি। মহৎ এই কাজের জন্য ইমেইল প্রেরক দীপনের জন্য রইল অনেক অনেক শুভেচ্ছা...

মূল খবরঃ

সিঁধুর বাংলাদেশ বিরোধী মন্তব্যঃ ইএসপিএনকে সতর্ক করল আইসিসি

নভজোৎ সিং সিঁধু ব্যাটসম্যান হিসেবে যতটা আক্রমণাত্মক ছিলেন, খেলা ছাড়ার পর ধারাভাষ্যকার হিসেবেও ততটাই আক্রমণাত্মক। চিবিয়ে চিবিয়ে উচ্চৈঃস্বরে ঝাঁজালো ইংরেজিতে তিনি ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষণ ব্যবহার করেন নানারকম। তবে তাঁর সেই আলোচনা ক্রিকেট প্রিয় মানুষের মধ্যে যতটা না আগ্রহ তৈরি করে, তার চেয়ে বেশি তৈরি করে বিরক্তি আর ক্ষোভ। কারণ, সিঁধু ইংরেজির প্যাঁচে ক্রিকেট ও ক্রিকেটের দলগুলোকে নিয়ে আলোচনায় অনেক সময় সভ্যতা, শালীনতা ও ভব্যতার সীমা ছাড়িয়ে যান। খেলা ছাড়ার পর, একজন ‘জ্বালামায়ী’ ক্রিকেট ভাষ্যকার হিসেবে সিঁধুর আবির্ভাব। মূলত স্যাটেলাইট চ্যানেল ইএসপিএন-স্টার স্পোর্টসেই সিঁধুকে বেশি ধারাভাষ্য দিতে দেখা যায়। অনিয়ন্ত্রিত কথা বলে এর আগে কয়েকবারই বিভিন্ন মহলের ক্ষোভের কারণ হয়েছিলেন তিনি। এবারের বিশ্বকাপে ইএসপিএন-স্টার স্পোর্টসে ম্যাচ পূর্ব ও পরবর্তী একটি টকশোতে অংশ নিচ্ছেন নভজোৎ সিং সিঁধু। বিখ্যাত ধারাভাষ্যকার হারশা ভোগলের উপস্থাপনায় এই টক শোনাতে অংশ নিচ্ছেন, ইয়ান চ্যাপেল, সৌরভ গাঙ্গুলি, প্যাট সিমকক্স থেকে শুরু করে ডারমট রীভ ও অন্যান্য সাবেক ক্রিকেটাররা। আর এতেই বাংলাদেশ দলকে নিয়ে কয়েকটি উল্টা-পালটা মন্তব্য করে তিনি পরিণত হয়েছেন বাংলাদেশের অগণিত ক্রিকেটামোদীদের ক্ষোভের লক্ষ্যবস্তুতে। এ নিয়ে দীপন নামের একজন বাংলাদেশি ক্রিকেটভক্ত আইসিসির প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত বরাবর একটি ই-মেইল পাঠিয়ে প্রতিকার চান। দীপন সিঁধুকে অভিযুক্ত করেন একজন ‘বর্ণবাদী’ হিসেবে। তাঁর অভিযোগ ছিল, বাংলাদেশ নিয়ে সেই টক শোতে সিঁধু যেসব মন্তব্য করেন, সেগুলো আইসিসির বর্ণবাদ বিরোধী নীতিমালা ও কোড অব কন্ডাক্টের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। আইসিসির প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত দীপনের এই ই-মেইল বার্তাটি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে নিয়ে তদন্তও চালান। আইসিসি সেই তদন্তে ইএসপিএন-স্টার স্পোর্টসের সেই অনুষ্ঠানটির ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে সিঁধুর বিরুদ্ধে বর্ণবাদী কথাবার্তার সুস্পষ্ট প্রমাণ পেয়েছে। এর ভিত্তিতে ইএসপিএন স্টার স্পোর্টসকে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বলে হারুন লরগাত দীপনকে মেইল করে জানান। লরগাত এই মেইলটি একই সঙ্গে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি আহম মোস্তফা কামাল ও আইসিসির মহা-ব্যবস্থাপক ডেভিড রিচার্ডসন বরাবরও পাঠিয়েছেন। সিঁধু বাংলাদেশকে নিয়ে কি বলেছিলেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগে তিনি ইয়ান বোথামের একটি মন্তব্য খণ্ডাতে গিয়ে বাংলাদেশকে নিয়ে একটি কটু মন্তব্য করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ম্যাচের আগে বোথামের ব্যক্তিগত অভিমত ছিল, কোয়ার্টার ফাইনালের দৌড়ে ক্যারিবীয়দের থেকে বাংলাদেশ এগিয়ে রয়েছে। সিঁধু বোথামের কথা উড়িয়ে দিয়ে তাচ্ছিল্যের সঙ্গে বাংলাদেশ সম্পর্কে পাখি ও তেলাপোকা উভয়েরই আকাশে ওড়ার ব্যাপারটি টেনে আনেন। দীপন এই একটি মন্তব্যকে উদ্ধৃত করে প্রধান নির্বাহী লরগাতের কাছে মেইল করে জানান, ‘সিঁধুর এই উপমাটি আইসিসির বর্ণবাদ বিরোধী নীতিমালার অনুচ্ছেদ-২ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সেই অনুচ্ছেদে লেখা আছে, “আন্তর্জাতিক ম্যাচের সময় ক্রিকেট সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি চাই সেটা মাঠে হোক কিংবা অন্য কোনো জায়গায়, কোনো দেশ, জাতি, ধর্ম , বর্ণ ইত্যাদি সম্পর্কে যদি এমন মন্তব্য করেন, যা সংশ্লিষ্টদের অনুভূতিতে আঘাত করে, সেটাই বর্ণবাদের পর্যায়ে পড়ে এবং সেটা শাস্তিযোগ্য।” দীপনের মেইলের উত্তরে হারুন লরগাত লিখেছেন,‘মেইলে আপনি যে প্রসঙ্গের অবতারনা করেছেন, তা আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে এবং আইসিসি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ সজাগ রয়েছে। আইসিসি সবসময়ই বর্ণবাদের ব্যাপারে অনমনীয় নীতি গ্রহণ করে এসেছে। আপনার অভিযোগের ভিত্তিতে ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ব্যাপারটি সত্যিই বর্ণবাদ বিরোধী নীতিমালা লঙ্ঘনের পর্যায়ে পড়ে।’ লরগাত আরো জানান, ব্যাপারটি নিয়ে আইসিসি তাদের বাণিজ্যিক উইংয়ের মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ইএসপিএন-স্টার স্পোর্টসকে আনুষ্ঠানিকভাবে সতর্ক করে দিয়েছে। কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশের উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান তামিম ইকবাল সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে সিঁধুকে তাঁর এসব মন্তব্যের জন্য ‘একজন অপ্রকৃতিস্থ’ মানুষ হিসেবে অভিহিত করেছিলেন। তাঁর সেই মন্তব্য দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিতও হয়েছে।

দীপনের ইমেইল আর হারুন হারুন লরগাতের উত্তরঃ Click This Link

সোর্সঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29341995 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29341995 2011-03-10 21:55:24
Super Exclusive News: সাকিবের ভিডিওটা ছিল আয়ারল্যান্ড ম্যাচের !!! বাংলা ভিষনের হলুদ সাংবাদিকতা...

http://www.youtube.com/watch?v=mCHPiCpYhCg

এটা দেখে সবাই সাকিবের মুন্ডুপাত করতে শুরু করেছেন । কিন্তু এই মাত্র ফেসবুকে একটি চমৎকৃত খবর পেলাম। উক্ত ভিডিওটি ছিল আয়ারল্যান্ড ম্যাচের পর বিজয়ী বাংলাদেশ অধিনায়কের সংবাদ সন্মেলন। ওয়েস্ট ইন্ডিজের ম্যাচের পরের সংবাদ সন্মেলন নয়।

ডেইলি স্টারেই প্রমান দেখুনঃ
At the press conference following the Ireland match, when asked, perhaps a bit naively, why they had gotten out to bad shots in their innings, Shakib's answer had some of the assembled press, who were only too relieved with the win in stitches, and others gobsmacked. "Because we wanted to get out. Because we felt it would be good for the team if we got out, and because we heard the lunch was good and we wanted to have a bite," said the Bangladesh captain."

জাতিকে বিভ্রান্ত করে দলের ঐক্য নষ্ট করার জন্য বাংলাভিষনের নিউস এডিটর, উক্ত সাংবাদিক ও জড়িত সবার বহিস্কার দাবি করছি। কালকের বাংলা ভিষনের টক শো যারা দেখেছেন তারা হয়তো খেয়াল করেছেন উপস্থাপক ... (একটা গালি হবে) ইচ্ছে করে সুজন আর রকিবুল হাসানকে সাকিবের বিরুদ্ধে বলার জন্য খুচিয়েছে। সাকিবের আচরনের প্রবলেম আছে-এটা অনস্বিকার্য তবে ওরা যা করেছে তা নিঃসন্দেহে হলুদ সাংবাদিকতা।

সাবেক খেলোয়ারদের সমালোচনা অনেকেই মেনে নিতে পারেন নাই। কিন্তু আমি আমার মত জানাই। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই ২০১১তে আজকের বাংলাদেশ ক্রিকেট দল হিসেবে যে স্টেজে তা তাদের ২০০৬/২০০৭ এর মধ্যে পৌছানো উচিত ছিল। টেষ্ট স্ট্যাটাস, প্রচুর সুবিধা পেয়েও তারা একের পর এক ম্যাচ হেরে এসেছে। আজকে সুজন, হান্নান সরকার, শান্ত, পাইলট,অপি, সুমনরা যে এক একজন এক্সপার্ট সেজে এতো সাজেশনের ফুলঝুরি ছটায় তারা নিজেদের সময় কয় বার জাতিকে লজ্জায় ফেলেছিল তা তাদের ভোলা উচিত হবে না। মানুষ নিজেরটা খুব সহজে ভুলে যায় আর অন্যের ভুল ধরার জন্য পাগল হয়ে পড়ে। এই সুজন এতো কথা বলছে সেই কিন্তু গতকালের কালের কন্ঠে বলেছে সিডন্সের জায়গায় নাকি একজন রিকশাওয়ালাও ভাল কোচিং করাতে পারত। এটা কি ধরনের স্পর্ধা? সুজনের উদ্দেশ্যে কালকে পাওয়া সেই স্মরনীয় কমেন্টঃ

আর সূজন ভাইজানের কথা কি কমু, পাকিগো সাথে বিশ্বকাপের পর প্রথম মোকাবিলায় কী করছিলা মামু। তুমি যখন মাইর খাইতা তখন এই পাবলিকই কইত তোমার মত দেড় ব্যাটারী আর কী খেলব? টনি গ্রেগ ৫ ফুট ১ ইন্চি উচ্চতা বিশিষ্ট সাহসী(!) ক্রিকেটার বইলা তোমারে সহ বাংলাদেশরে উপহাস করত। অনেকে বাংলাদেশের পারফরম্যান্স এর ব্যাবচ্ছেদ করতে যাইয়া টিনি পাখি বইলা টিটকারি করত, ইংগিতটা থাকত তোমার দিকে। তুমি একটা বালের ব্যাটসম্যান আছিলা জীবনে সোজা ব্যাটে কভার ড্রাইভই করতে পারতানা, তোমার কাছ থিকা কি শিখব বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানরা। জীবনে খোয়াব দেখিসনা বাংলাদেশের কোচ হওয়ার। তাইলে এই সাপোর্টাররা তোরে পিডাইয়া ল্যাংড়া কইরা দিব কইয়া দিলাম।

ভারতের ক্রিকেট দল নিয়েও আগে যখন সমালোচনার ফুল ঝুরি ছড়াত তখন কিন্তু কিছু বিশেষ+অজ্ঞ দের মনে করিয়ে দেওয়া হোত তাদের নিজেদের খেলোয়ারি কৃর্তি। গাভাস্কার, বয়কট আর হাতে গোনা কয়েকজন ছাড়া বেশিরভাগ ধারাভাষ্যকার নিজেদের খেলোয়ারি জীবনে মধ্যম/এভারেজ মানের প্লেয়ার ছিলেন। তাই এদের বিশ্লষনকে আমি অন্তত কখনো মূল্য দেই না। এসির নিচে বসে ভাষন দেওয়া আর মাঠে করে দেখানোর পার্থক্য যারা জানেই না তাদের জন্য কেন এতো সহমর্মিতা? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29339860 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29339860 2011-03-07 14:10:37
আতেল সাবেকগুলোকে একেবারে ধুয়ে দিল সাকিব।কে কে তাকে সমর্থন করেন???

টিভিতে ক্রিকেট খেলা দেখানো হলে একটা মজার অনুষ্ঠান হয় অনেক সময় তা হোল Post Match Analysis অর্থাৎ ম্যাচ শেষ হবার পর বিশেষ+অজ্ঞ দের তুফান বিশ্লেষন। ম্যাচ দেখে,ম্যাচের ফলাফল জেনে তারা এমন বিদ্যার বাহার দেখেন দেখে মনে হয় উনাকে ক্রিজে নামায় দিলে তারা এক একজন আকাশ বাতাস সব কাপায় দিয়ে আসবেন...

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেল আর পত্রিকাগুলোতে এখন সাবেক প্লেয়ারদের জয় জয়কার। এক একজন একই দিনে ৩-৫টা চ্যানেলে ঘুরে বেরাচ্ছেন। কেউ টক শো, কেউ সংবাদে, কেউ বা অন্য কোন ভাবে টিভিতে এক্সপার্ট হিসেবে একের পর এক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। দল হারার পর উনারাও বসে নাই। যে যেভাবে পারছেন ঝাপায় পড়ছেন। কেউ মৃদু কেউ তীব্রভাবে সমালোচনা করেই যাচ্ছেন...

আজকে এসব বিশেষ+অজ্ঞ সাবেকদের একহাত নিলেন সাকিব। সকাল বেলায় লেখা পড়েই বুঝেছিলাম বড্ড কঠিন কিন্তু বাস্তব কথা বলেছেন। সাবেক বিশেষ+অজ্ঞদের একদম প্যান্ট ধরে টান দিয়েছেন। আসুন কথা না বাড়িয়ে তার লেখাটা কোট করিঃ

সবচেয়ে খারাপ লাগে, যখন দেখি জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটাররাও আর দশজন সাধারণ দর্শকের মতো কথা বলেন। তাঁরা অনেক বোঝেন, অনেক খেলেছেন, এ রকম পরিস্থিতিতেও অনেকবারই পড়েছেন। তাঁদের কথাগুলোই তাই বেশি হতাশাজনক। একটা জিনিস অন্তত তাঁদের চিন্তা করা উচিত, তাঁরা কী ক্রিকেট খেলে এসেছেন। আমি চাই না কাউকে ছোট করতে। তবে কে কত দূর খেলে এসেছেন, সেটা রেকর্ড ঘাঁটলেই পাওয়া যায়। আমরা জানি, কার কেমন রেকর্ড আছে, কারা কোন ক্রিকেট খেলে এসেছেন, কী ধরনের ক্রিকেট খেলে এসেছেন। এটা স্বীকার করি, তাঁরা ওই সময় শুরু না করলে আমরা হয়তো আজ এই পর্যন্ত আসতে পারতাম না। তবে আমার মনে হয় না, বাংলাদেশে এমন কোনো ক্রিকেটার আছেন, যিনি এ রকম বাজে পরিস্থিতিতে পড়েননি। গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আমরা এমন একটা পরিস্থিতিতে পড়লাম। আমরা দু-তিন বছরে একদিন যে পরিস্থিতিতে পড়ছি, আমাদের তো মনে হয়, তাঁরা প্রায়ই সে রকম পরিস্থিতিতে পড়তেন! ভালো পরিস্থিতির দেখা পেতেন মাঝেমধ্যে। কাজেই সবারই বোধ হয় একটু বুঝেশুনে কথা বলা উচিত। তবে সব সাবেক ক্রিকেটারই যে এমন বলছেন, তা নয়। অনেকে আমাদের দিকে সমর্থনের হাতও বাড়িয়ে দিচ্ছেন। এই সমর্থন আমাদের কাছে মহার্ঘ্য।

সোর্স

আমি জানি কথাগুলো শুনতে কারো কারো কাছে খারাপ লাগলেও একদম বাস্তব কথা বলেছেন সাকিব। গতকাল মাশরাফির কমেন্ট শুনলাম। সে কিন্তু দলকে সাপোর্ট দিয়েছে। অন্যদিকে নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের লেখা কালের কন্ঠে পড়লাম জিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন সিডন্স খেলোয়ারদের কি শেখাচ্ছেন? ভাবখানা এমন গ্রিনিজ,বারলোর কোচিং এর সময় দুর্জয়ের বাংলাদেশ বিশ্ব জয় করে এনেছিল। এসব সাবেকদের আসলেই শিক্ষা হওয়া দরকার ছিল। সাকিবের আচরন উদ্ধত হলেও কথাগুলো আমি সমর্থন করছি। আপনাদের কি মত?

আরেকটি কথা না বললেই নয় তা হোল প্রথম আলোর লেখার পর বাংলা ভিষন আবার বিষয়টাকে আরো কঠিন করে তুলছে। সাকিবের আচরনের উদ্ধত দিকটি তুলে ধরে+সুজনের সাক্ষাতকার নিয়ে বিষয়টা মনে হয় অনেক বেশি পেচায় ফেলছে। দলের জন্য বিষয়টি ভাল হবে না বলেই বিশ্বাষ।

ভিডিওটি এখানে দেখুনঃ

http://www.youtube.com/watch?v=mCHPiCpYhCg]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29339501 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29339501 2011-03-06 21:40:44
এসব সুবিধাভোগী সাপোর্টারদের কি করা উচিত

মূল লেখাটি দেখতে এখানে ক্লিক করুন

আমি অনেকক্ষন ধরেই যুক্তি দেবার চেষ্টা করলাম। আপনারাই বলুন এসব সুবিধাভোগী সাপোর্টারদের কি করা উচিত?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29339477 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29339477 2011-03-06 21:01:23
হেল্প চাইঃ LCD ডিসপ্লেতে কালার সমস্যা...

সাম্প্রতি ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার জন্য বিভিন্ন গ্রাফিক সফটওয়্যার এর কাজ শিখছি । ল্যাপটপ/মনিটরের LCD ডিসপ্লে নিয়ে দারুন সমস্যায় পরতে হচ্ছে। বিশেষ করে ল্যাপটপের মনিটর উঠানো নামানোর ফলে কালারে তারতম্য হচ্ছে । অন্যদিকে LCD মনিটরের আউটপুটের সাথে CRT মনিটরের আউটপুট ম্যাচ হচ্ছে না। বিষয়টার অটোমেটিক কোন সমাধান আছে? উল্লেখ্য আমি উইন্ডোজ XP ব্যবহার করছি...আর সফটওয়্যারগুলো এডোবি CS5 গ্রুপের...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29335076 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29335076 2011-02-27 13:02:40
আসুন প্রামাণ্যচিত্র ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ এর নির্মাতার কথা জানি (Repost)

যারা মিস করেছেন তারা অনুগ্রহ করে এখানে দেখুনঃ http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329808 ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329898 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329898 2011-02-19 13:48:27
আসুন প্রামাণ্যচিত্র ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ এর নির্মাতার কথা জানি
সাড়ে তিন মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’



বাংলাদেশকে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি হবে। এখানে থাকবে না নেতিবাচক কোনো কিছু। বিশ্বের সামনে একটি সুন্দর এবং অপার সম্ভাবনাময় দেশকে তুলে ধরতে হবে।

হ্যাঁ, বাংলাদেশটা আসলেই যে কতটা সুন্দর, কত কিছু আছে এখানে, যেকোনো পর্যটক তা দেখে অবশ্যই মুগ্ধ হবেন! এর সঙ্গে আছে শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিত করার ব্যাপারটিও। এমনি নানা ভাবনা থেকে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের জন্য তৈরি হলো সাড়ে তিন মিনিটের প্রামাণ্যচিত্র ‘বিউটিফুল বাংলাদেশ’। এটি পরিচালনা ও প্রযোজনা করেছেন গাজী শুভ্র।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রামাণ্যচিত্রটি দেখে অনেকেই অভিভূত হন। অনেকের মনেই প্রশ্ন জেগেছে, কার চোখ দিয়ে বিশ্ববাসী এই সুন্দর ও চমৎ কার বাংলাদেশকে দেখছে? নিশ্চয়ই দেশের বাইরের কেউ। না, পুরো কাজটাই করেছেন বাংলাদেশের ছেলেরা।

শুভ্র বললেন, ‘ভালোবাসতে না পারলে দেশটাকে সুন্দরভাবে দেখা সম্ভব নয়।’

শুভ্র জানান, বিজ্ঞাপনী প্রতিষ্ঠান গ্রের মাধ্যমে ১৬ জানুয়ারি তিনি এই প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণের অনুমতি পান। কাজ শুরু হয় ১৯ জানুয়ারি। দৃশ্য ধারণের কাজ শুরু হয় কক্সবাজার থেকে। এরপর পর্যায়ক্রমে বান্দরবান, নীলগিরি, চট্টগ্রাম, কাপ্তাই, গোপালগঞ্জ, টুঙ্গিপাড়া, বাগেরহাট, মংলা, সুন্দরবন, খুলনা, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, বগুড়া, পাহাড়পুর, ঢাকার লালবাগ কেল্লা, রাতের শহীদ মিনারের দৃশ্য ধারণ করা হয়। কাজের মাঝপথে কাপ্তাই লেকে শুটিংয়ের সময় এক দুর্ঘটনায় নিহত হন প্রোডাকশন ব্যবস্থাপক জাহেদ। এ সময় তিন দিন কাজ বন্ধ ছিল। শুটিং-পরবর্তী পুরো কাজটা হয়েছে রেড ডট স্টুডিওতে।

প্রামাণ্যচিত্রটির ক্যামেরায় ছিলেন খসরু। পুরো কাজটা শেষ করতে সময় লেগেছে ২৩ দিন।

শুভ্র আরও জানান, বিশ্বকাপ ক্রিকেট চলার পুরো সময়টাতে এবং পরেও প্রামাণ্যচিত্রটি বিদেশি বিভিন্ন খেলার চ্যানেলে প্রায় প্রতিদিনই দেখানো হবে।

অসাধারন ভিডিওটির লিঙ্কঃ http://www.youtube.com/watch?v=8sQd4f76iF0

হাই কোয়ালিটি: http://www.youtube.com/watch?v=BVOWQaH8il0

নির্মাতা গাজী শুভ্রের ফেসবুক প্রোফাইলঃ Click This Link

নির্মাতা প্রতিষ্ঠান রেড ডটের ফ্যানপেইজঃ Click This Link

সোর্সঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329808 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329808 2011-02-19 12:07:40
কলকাতার পত্রিকাগুলোতে বাংলাদেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমালোচনা !!!
নিজেরা ভারত ইংল্যান্ডের ম্যাচ অপ্রস্তুত ইডেন মাঠ (যেখানে ৯৬ এর সেমিফাইনাল পন্ড হয়েছিল) এ আয়োজন করতে পারে নাই বলেই কিনা আমাদের এত্তো অসাধারন অনুষ্ঠানের সমালোচনায় মেতে উঠেছে কলকাতার পত্রকাগুলো। দু;খিত এই মুহূর্তে রেফারেন্স দিতে পারছি না। NTV এর খবরে ওদের বিভিন্ন পত্রিকার লেখা দেখে মেজাজ পুরাই গরম হয়ে গেল angry angry angry

আপডেটঃ আনন্দবাজারের নিউজ দেখুন। শালাদের কি যেন ফন্ট। স্ক্রীনশট আপলোড করলাম। মেজাজ গরম হতে বাধ্যঃ

http://i53.tinypic.com/2w5lyrq.jpg

সামুর ভারত বিদ্বেষী আলচনায় নিজেকে সামিল করতে চাচ্ছি না। খবর টি দেখে অনেক খারাপ লাগল তাই শেয়ার করলাম। অনুগ্রহ করে ঝগড়া বাধিয়ে দিবেনা না কেউ...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329202 http://www.somewhereinblog.net/blog/problogger99/29329202 2011-02-18 14:58:56