আমার প্রিয় পোস্ট

ইসলাম হলো জামাতের মালিকানা সম্পদ। বিজ্ঞানের ঠিকাদারি নিল নাস্তিকতা। আর মুক্তিযুদ্ধ হল আওয়ামীলীগের বাপের সম্পদ। আমি বাস্তুহারা একজন।

২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৪৪

শেয়ারঃ
0 0 0

পর্ব দুই

নাস্তিকতার বিজ্ঞান ঠিকাদারি এবং বুদ্ধিজীবি ভাবনা।
বুদ্ধিজীবি শব্দটির অর্থ নির্ণয় করা বেশ কঠিন। শব্দটির ব্যবহার শুরু হয়েছে উনিশ শতকের শেষের দিকে। প্রাসঙ্গিক উদ্দেশ্যের কারণেই এখানে প্রত্যেক সংস্কৃতিবান বা প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি কে বুদ্ধিজীবি হিসাবে সংজ্ঞায়িত করার প্রস্তাব রাখা হচ্ছে না বরং এটিকে আরবীতে আল-মুফাকিরুন এর মধ্যে দৃঢ়ভাবে সীমাবদ্ধ করে রাখার পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে বর্তমান আলোচনা। যার অর্থ হলো বিশ্লষণাত্বক মন ও মনন এর অধিকারী যিনি তার বাগ্মিতা বা ভাষণ অথবা লেখা প্রকাশনার মাধ্যেম কোন মতামত বিনিময়ের ক্ষেত্রে নেতৃত্ব দিতে সক্ষম এবং এভাবে যোগাযোগ তার দক্ষতা প্রমান করে, শুধু ঘরে বসে চিন্তা ও সমালোচনায় নিজেকে আবদ্ধ করে রাখে না। কিন্তু আসলেই কি নাস্তিক দাবিদার এ ধরণের ব্যক্তির কোন উদাহরণ আমাদের সামনে আছে? এ কথাতো সবারই জানা যে, ইউরোপ এমনকি কামাল তুর্কীর এলিট সম্প্রদায়ও এই দৃষ্টিভঙ্গি লালন করেন যে, স্রষ্টার প্রতি বিশ্বাস বা আন্তরিকতা এবং বুদ্ধিমান হওযার মধ্যে একটি পারষ্পরিক বিরোধ আছে। সহজভাবে বলতে গেলে তারা মনে করেন যিনি ধর্মে বা স্রষ্টায় বিশ্বাস রাখেন তার মাথায় কোন বুদ্ধি নেই। আবার বুদ্ধিমান ব্যক্তিমাত্রই আল্লাহকে বা ধর্মকে বিশ্বাস করেন না। আসলে উনিশ শতকের মাঝামাঝি থেকে শরু করে বর্তমান সময় অবধি পাশ্চাত্য ও তুর্কী শিক্ষিত মহল জড়বাদী বা নাস্তিক হওয়াকে বুদ্ধিবৃত্তিক শৈলির পরিচায়ক বিবেচনা করতেন। বিশেষতঃ কেউ যদি হন বামপন্থী তাহলে তো কথাই নাই, যেন বুদ্ধিবৃত্তি বামপন্থীদের একচেটিয়া অধিকার এবং রক্ষণশীলদের এতে কোন প্রবেশাধিকার নেই। এবং এজন্যই শুধু ধর্মকে আক্রমণ করেই একজন চটি বইয়ের লেখক ও হতে পারেন বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবি বা কলামিষ্ট, সাহিত্যক। আমরা যাকে বলি বুদ্ধিবিক্রেতা।

সেই যুক্তি ও বিজ্ঞানের বিকাশ কাল থেকে এখন পর্যন্ত এই দৃষ্টিভংগি লালন করা হয় যে ধার্মিক মানেই বিজ্ঞান হারা আর বিজ্ঞান মানেই নাস্তিকতা। এর বীজ বপ্ত হয় ১৭ শতকে ডেসকটেসের মাধ্যমে, এর ফুল ফুটতে শুর করে ১৮ শতকে এবং পরিপূর্ণভাবে পত্র পুষ্পে পল্লবিত হয়ে উঠে উনিশ শতকে। project of modernity ছিল মুল ইউরোপে খ্রীষ্টান যাজক সম্প্রদায়ের ক্রমাগত আধিপত্য থেকে দাসত্ব মোচনের আন্দোলন, এ আন্দোলন মানুষের যুক্তিকে যে কোন অন্তর্দৃষ্টি অন্তজ্ঞান বা উপলব্ধির উৎস থেকে শ্রেষ্ঠতর বিবেচনা করত। কিন্তু কাল মার্কস, ডারইউন, ফ্রয়েড, নিয়েৎজ এবং অন্যান্যদের কারণে এই দাসত্ব মোচন আন্দোলন স্থুল বস্তুবাদ এবং চর্চিত নাস্তিকতায় রূপ নিয়েছে। যুক্তিবাদের এহেন বিকাশ কি তার প্রতিশ্রুতি মাফিক শান্তি, সুখ, রাজনৈতিক উন্নয়ন আনতে পেরেছে? পৃথিবীতে?। বরং ধর্মচ্যুত এবং সংস্কারমুক্ত মানুষ একের পর এর যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েছে। তথাকথিক যুক্তিবাদের এই আধিপত্যকালে অধার্মিক আধুনিক মানুষেরা বিচিত্র সব মতাদর্শের যাঁতাকলে নিস্পেষিত হয়েছে। এই নির্যাতন ধর্মীয় নিস্পেশণের মাত্রাকে ভয়াবহ রকম ছাড়িয়েগেছে। উদাহরণ হল নাৎসিবাদ, ফ্যাসিবাদ, কম্যুনিজম এবং শ্যেভিনিজম। লক্ষ লক্ষ মানুষকে কনসেন্ট্রেশণ ক্যাম্পে রাজনৈতিক অথবা জাতিগত ভিন্নতার জের ধরে হত্যা করা হয়েছে।ঔদ্ধত্য দিয়ে পারিপাশ্বিক জগতটাকে ধ্বংস করেছে।

হ্যাঁ লক্ষণীয় যে, এসব ব্যর্থতা এবং অক্ষমতা পাশ্চাত্যে বিশাল সংখ্যাক লোকজনের অহমিকাকে নাড়া দেয়নি। এরা বিভোর হয়ে আছে আমেরিকান জীবন যাত্রার সর্বাত্মন অনুকরণ এবং বুদ্ধিবর্জিত সমর্থনে। আরও লক্ষনীয় যে, কিছু মসলিম নামধারী এবং পাশ্চাত্যের তথাকথিত এলিট সম্প্রদায় এখনো উনিশ শতকে বেড়ে উঠা শিশুর মতই আচরণ করছে। তারা উপলব্ধি করতে পারছেনা যে বিজ্ঞান ও দর্শন ক্রমশই সরে যাচ্ছে বস্তুবাদ ও নাস্তিকতা থেকে। আসলে মুসলিম দেশগুলোর এলিট সম্প্রদায়ের কিছু সদস্য আছেন যারা ধ্যান ধারনায়, চলনে বলনে পাশ্চাত্যের অনুকরণে বেশ গর্বিত বোধ করেন। এরা একটি ব্যাপরে পুরোপুরি অসচেতন হয়ে আছেন যে বাঘা বাঘা সব বুদ্ধিজীবি এবং নোবেল বিজয়ী বিজ্ঞানীরাও স্রষ্টাকে ভয় করতেন। এসব গর্বিত এলিটবৃন্দ এটিও উপলব্দি করেত পারেন না যে, আধুনিক অনুবিজ্ঞানিদের কাছে শক্তির অস্তিত্ব এখণ আর অবিশ্বাস্য নয়। সমস্যা হয় দাঁড়িয়েছে বরং বস্তুর প্রতিষ্ঠা। অথবা তারা এটাও উপলব্ধি করতে পারে না যে একজন নাস্তিক হওয়াটা না যুক্তিযুক্ত না বিজ্ঞান সম্মত। যেহেতু স্রষ্টার অস্তিত্য নেই এটি যেমন প্রমাণিত নয় তেমনি প্রমাণ করাও যাবে না। অন্যদিকে প্রকৃতি বিজ্ঞানী ও দার্শনিকবৃন্দ যেমন সুইনবার্ণ এখন উপসংহার টানছেন এই বলে যে স্রষ্টার অস্তিত্ব নেই এটি বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে একেবারেই অসম্ভব একটি ধারনা।

কিন্তু আমাদের বস্তুবাদি নাস্তিকগণ এমন ভাব দেখাচ্ছেন যেন তারা দেশ এবং সমাজ থেকে ধর্মকে বেশ সফলভাবেই বিতাড়িত করতে পেরেছেন। বাস্তব ব্যপার হচ্ছে আক্ষরিক অর্থে তারা এক ধর্মকে প্রতিস্থাপন করছেন অন্য ধর্ম দিয়ে। তাই মুসলিম বুদ্ধিজীবিদের প্রথম কাজ হল দর্শন এবং বিজ্ঞানে যোগ্য হয়ে নাস্তিকতার থিওরীর ভিত্তিতেই নাস্তিকতাকে চ্যালেঞ্জ করা। এটি প্রমাণ করা যে, যে কেউ সু-শিক্ষিত এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে দ্ক্ষ হয়েওএকজন ভাল মসুলিমও হতে পারেন। শুধু মসলিম বুদ্ধিজীবিরাই এটি প্রমাণ করতে পারেন যে নিজেক নাস্তিক হিসাবে দাবি করা মানে বুদ্ধিবৃত্তির প্রাচুর্য নয় বরং এটি হলো বুদ্ধিহীনতা। একটি দুঃখজন অবস্থা এই গুরু দায়িত্বের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে আছে। কুরআনে বারবার মানুষকে বলা হয়েছে তার যুক্তিকে কাজে লাগাতে, প্রকৃতির পর্যবেক্ষণ করতে,। এটি খুব ভালোবাবেই জানা কথা যে এরই ফলশ্রুতিতে নবম থেকে পনের শতক পর্যন্ত মুসলিম সভ্যতা বাগদাদ থেকে আন্দালুসিয়া ফেজ থেকে সমরকন্দ জ্ঞানের প্রতিটি ক্ষেত্রে চমক সৃষ্টি করেছিল। অনেকেই ইসলামের সেই সোনালী যুগের কথা স্মরণ করে নস্টালজিয়ার আক্তান হন যেন আজকের এই দুঃখ দুর্দশার অবসান ঘটবে শুধু অলষ স্মৃতিচারনেই, যেন যথেষ্ট প্রচেষ্টা ছাড়াই ইসলামের আল্লাহ সেই উৎকর্ষের গ্যারান্টি দিতে বাধ্য।

সেই মর্যাদাকর অবস্থান থেকে এক সময় ইউরোপীয় উপনিবেশে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে যে অধঃপতন ঘটে মুসলিম বিশ্বের তার পিছনে রয়েছে অনেক জটিল কারণ। কিন্তু অতিতের দিকে দৃষ্টিপাত না করলেও দেখা যায় উপনিবেশকতা থেকে মুক্ত মুসলিম বিশ্ব এখনও রয়েছে পাশ্চাত্যের কায়েমি আধিপত্য। আধুনিক পরবর্তী বিশ্বের এটা এমন এক চিত্র, যেখানে আমেরিকার জীবনযাত্রা সর্বাত্মকভাবে প্লাবিত করেছে জনবীজনকে এভাবে যেন এটিই হল বাধ্যতামূলক এবং একমাত্র গ্রহণযোগ্য জীবনযাত্রা। হতাশাবাদিরা বলেন যে প্রযুক্তির অগ্রসতার বা আধুনিকায়ন কেবল অনস্বীকার্য নয়, উপরক্ত পাশ্চাত্যকরণ থেকে একে কিছুতেই পৃথক করা যায় না। তারা মনে করেন প্রযুক্তির উন্নয়ন এবং পাশ্চাত্য সংস্কৃতি অবিচ্ছদ্য। এ ধরনে কথা তারা কেন বলেন? কারণ প্রত্যেক প্রযুক্তিগত পদ্ধতি বা পন্য এবং প‌্রত্যেক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানই এর পেছনে কার্যরত একটি মানষিক প্রক্রিয়ার ফসল। এর মানে যেমন কেউ যদি স্যাটেলাইট বা ক্যাবল টিভির প্রতি তর্জনী তুলে শাসায়, তাহলে তার পুরো হাতকেই সে খেয়ে নেবে, তার ক্ষমতাকে পুরোপুরি গলঃধকরণ করার মতো ক্ষমতা এই স্যাটেলাইট চ্যানেল বা ক্যাবল টিভি রাখে এবং এরই ফলস্বরুপ হতাশাবাদিরা মনে করেন একদিন সে নিজের টিভির স্ক্রীনে পর্নোগ্রাফীর সামনে বসে থাকতে বাধ্য হবে।

মুসলিম বুদ্ধিজীবীদের কাজ হল এই ক্ষেত্রে সরকারী কিংবা বেসরকারী সকল পর্যায়ে নীতিমালা তৈরী এবং প্রয়োগ ও মোটিভেশনের ব্যাপারে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। জনগণের কাছে আদর্শিক সুমহান রূপ তুলে ধরা এবং বাছাইকৃত মুসলিম বুদ্ধিজীবিদের সহযোগীতা করা এবং তারাই আমাদের পথ দেখাবে।

এই পর্বে মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করার কথা ছিল ৪র্থ পর্বে আমরা তা আলোচনা করব।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ইসলাম ও আমার ভাবনাইসলাম ও আমার ভাবনা ;
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই অক্টোবর, ২০১০ সকাল ১০:৪৪

 

১. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫১
জামিনদার বলেছেন: সরি
কার যেন কমেন্ট ভূলে মুছে ফেলেছি। ভাই রাগ কইরেন না।
২. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৫৭
শেষের_কবিতা বলেছেন: ইসলাম হলো জামাতের মালিকানা সম্পদ। বিজ্ঞানের ঠিকাদারি নিল নাস্তিকতা। আর মুক্তিযুদ্ধ হল আওয়ামীলীগের বাপের সম্পদ। আমি বাস্তুহারা একজন।



ভাল লেখা, তবে ইসলাম, বিজ্ঞান, মুক্তিযুদ্ধ কে অপরের সম্পদ বলে মেনে নিয়ে ভুল / অন্যায় করছেন। এখানে দ্বিমত। লেখায় (+)
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০০

লেখক বলেছেন: সময় থাকলে লেখাটি পড়ুন।

ব্লগে নিয়মিত চোখ থাকলে বিষয়টি বুঝার কথা।
এটা আমার কথা নই প্রত্যকেরই মনের কথা প্রকাশ করলামমাত্র।

আপনাকে ধন্যবাদ।

৩. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০৪
প্যাঁচনাই বলেছেন: এত বড় লেকা ক্যামতে পড়ি???
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০৮

লেখক বলেছেন: আসলেই বড় লেখা অনেকই পড়েনা।
কিন্তু বিষয়টি একটু জটিল তাই শেষ করতে একটু সময় নিলাম

সময় থাকলে একবার চোখ দৌড়াইয়েন।

ধন্যবাদ।

২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২২

লেখক বলেছেন: এতটুকু বুঝে নিলাম যে একচোখে দেখেননি?
অথবা কিছু একটা বিশ্লেষন করার কথা চিল।

ধন্যবাদ।

৫. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:১৫
বাতাসের রূপকথা বলেছেন: ব্লগের নাস্তিক এবং বুদ্ধিজীবি মহলকে লেখাটা উৎসর্গ করলে ভাল লাগতো। নাস্তিকদের আলোচনায় বুঝলাম বিজ্ঞানের বাইরে দর্শন তত্বকেও তারা আল্লার অস্তিত্বহীনতার ক্ষেত্রে সন্জীবনী শূরা হিসেবে গণ্য করে। বাংলাদেশের তথাকথিত বুদ্ধিজীবিরা সবচেয়ে unproductive and chaotic।
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৫

লেখক বলেছেন: তাদের কাউকে দেখছিনা।
দেখছিনা ইসলামি বিশেষজ্ঞদের কেও।

আপনাকে ধন্যবাদ।

২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৭

লেখক বলেছেন: ok

৭. ২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:২৯
স্পেলবাইন্ডার বলেছেন: অনেক কঠিন কঠিন কথা। একটু সংক্ষেপে ও সহজ ভাষায় লিখলে ভাল হত।

প্লাস।
২৩ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৪৪

লেখক বলেছেন: ব্লগে এ যাবত এটাই আমার বড় লেখা। আস্তিক নাস্তিক নিয়ে আগ্রহ খুব একটা বেশি না। কিন্তু কেন যেন মনে হয় সেদিকেই ধাবিত হচ্ছি।

এই বিষয়ে আরো দুই একটি আলোচনা করেই তাদের প্রতি কৃতজ্ঞাত জানিয়ে আলোচনা শেষ করব।

পড়েছেন যেনে অত্যন্ত ভাল লাগল।
পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ।

৮. ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১২:২৪
হুপফূলফরইভার বলেছেন: দোস্ত ! য়্যাত্ত ঘাটাঘাটি কৈরা এত্ত ভাবের পোস্ট লেখার সময় পাও কৈ?

মাঝে মাঝে আমারও তাই মনে হয় একেকজন তাল্লুকদারী সাজাইয়া বইছে ! নিজেরা ছাড়া বাকী মেংগো ফিপলগুলাইনরে হেরা নিজেদের চাকর বাকর মনে করে!

জামাতিরা মনে করে ইসলাম পালন করতে হলে হেগো দলেই যোগ দিতে ঐবু! নাহলে ইসলাম গেল
হাম্বালীগরা মনে করে দেশের উন্নয়নের একমাত্র তারাই যথার্থ দল মুক্তিযুদ্ধ তাদের বাপের সম্পত্তি
ভোটের রাজনীতিতে বিম্পিও তাই মনে করে!!

আজীব দেশ! আমরা যে কোথায় যাই!!
২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৫

লেখক বলেছেন: তুমি নিশ্চিত থাক তুমার দোস্ত কপি পেষ্ট করে নাই।
ব্লগে আসার পর থেকেই বিষয়গুলি নিয়ে ভাবতে ছিলাম। কালকে একটু সময় ছিল লেখে ফেললাম। এতেও যদি কারো উপকার হয়।

আমি অন্ধ, গোঁড়া, মারমুখি বা অসহিষ্ণু নই। আবার উদারতার নামে আদর্শ বিসর্জনের পক্ষপাতিত্তও করিনা। পরিষ্কার এবং ঘোলাপানি এক সাথেই প্রবাহিত হবে মাঝখানে থাকবে একটি সরল পর্দা।

তুমি ভাল থাক তোমার জন্য শুভ কামনা।

৯. ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫১
কলমবাঁশ বলেছেন: প্রথম পর্বটা কিভাবে পাব
মেইলে কি দিবেন প্লিজ।
২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: Click This Link

সময় করে পাঠাব।

শুভ কামরা রইল।

১০. ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০৩
জুন বলেছেন: গুরুত্বপূর্ণ কথা....
২৪ শে আগস্ট, ২০১০ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: হতে পারতো, যদি লেখাটা আমি না লেখে এমন কেউ লেখতো যাদের ব্যাপারে ইতোপূর্বে এ ধারনা বদ্ধমূল হয়ে গেছে যে তারা একজন মহামানব।

আপনাকে ধন্যবাদ।

১১. ২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ৯:৩৬
হুপফূলফরইভার বলেছেন: দোস্ত পোস্টের সংখ্যা ইট্টু কমায় দাও!

আমাগো মত আম-জাম-কাটাল পাবলিক যাতে একটা পোস্ট পইড়া দেইখা বুঝতে পারে এর জইন্যে হইলেও দুটু পোস্টের মাঝখানে কিছুটা সময় দাও!
পর্ব দুইটা লিখতে অনেক ভেবে চিন্তে লেখেছ এটা নিশ্চিত! জাস্ট পরামর্শ! আর কিছুই না!
২৪ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:০২

লেখক বলেছেন: ব্যাপারটা হল কি? কত্তুন যে মাথায় উদ্ভট সব চিন্তা আসে
না পোষ্টাইয়া পারিনা।

দোস্ত পরামর্শের জন্য তোমারে অনেক ধন্যবাদ।
সামনে আমল করব।

১২. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৩
তমাল হক বলেছেন: ইসলাম হলো জামাতের মালিকানা সম্পদ। বিজ্ঞানের ঠিকাদারি নিল নাস্তিকতা। আর মুক্তিযুদ্ধ হল আওয়ামীলীগের বাপের সম্পদ। আমি বাস্তুহারা একজন।
০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আমিও
ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫৮২ সেকেন্ড

 

© somewhere in net ltd | terms of use | privacy policy
জীবনটা দাঁড়িয়ে আছে
অনাস্থার দর্শনের উপর।
তাই একলা হাটি।
ভয় পাই মানুষকে।
কোন একদিন বিশ্বাস ফিরে এলে
আবার মানুষের সাথে...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই