বছরের প্রথম দিন, অপেক্ষার প্রহর শেষে নতুন দিনের প্রত্যাশার প্রাপ্তি। আনন্দ, অনুভূতিটাই অন্যরকম। তেমন কোন আয়োজনের ঘটা নয়, খুব সাধারণভাবেই বরণ করে নেয়া। তবুও সাধারণের মাঝেই অসাধরণের অস্তিত্ব আছে বলেই বিশেসত্বগুলো আলাদা করে চোখে পড়ে। এই যেমন আজ সকালটা অন্যদিনের তুলনায় একটু আলাদাভাবে শুরু হল, মোবাইলের স্ক্রীনে ২০-২৫টি উইশ এসএমএস আনরিড অবস্থায় পড়ার অপেক্ষায়, শুধু দেশ নয় দেশের বাহিরের বন্ধুরাও মনে করেছে যে যার মতন। পরিচ্ছন্ন এক সুখানুভূতি নিয়ে শুরু হল নতুন বছরের এক পথচলা।
বাবা-মা’কে উইশ করলাম, অফিসের বস, কলিগ, ফ্রেন্ড সার্কেল, ক্লায়েন্ট আর যারা পরিচিত অপরিচিত ফোন করছে রিসিভের শুরুতেই নতুন বছরের শুভেচ্ছা বিনিময়। এমনিতেই বছরের প্রথম দিন তাই সবকিছুতেই একটা নতুনত্ব, কিছু ফাইল আপডেট, পুরোনোগুলো বস্তাবন্দী, ওয়ার্কস্টেশন ঝেড়ে মুছে কিছুটা পরিস্কার ভাব- পার্থক্যটা অন্য দিনের তুলনায় কিছুটা হলেও ব্যতিক্রম।
গিফ্ট পাওয়ার ভাগ্যে মোটামুটি ভাল গ্রেডেই অবস্থান ছিল, তাই এবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি, সকালেই অফিসে ফুলের উপহার দিয়ে শুরু, এর পর টি-শার্ট, সবচেয়ে মজার হল বসের কাছ থেকে একটি ঘড়ি উপহার পাওয়া, সিনেপ্লেক্সের টিকেট, এইতো এ পর্যন্ত উপহারের ঝুলিতে এগুলিই জমা পড়ে গেছে। মেইলে ই-কার্ডের সিরিয়ালটাও বেশ লম্বা, ফিরতি উইশ করতেও খবর হয়ে যাচ্ছে। আজ প্রথম দিন তাই দুপুরের লাঞ্চেও ছিল নতুনের ছোয়া, বিশাল খাওয়া।
পূর্ণতা - অপূর্ণতা নিয়েই জীবন। তাই হয়তা পূর্ণতাই আড়ালে অপূর্ণতাকে মাঝে মাঝে হারিয়ে ফেলি, তবুও ঠিকই অপূর্ণতা সামনে ধরা দেয়। ব্যতিক্রম হয়নি এত কিছুর মাঝে কিছ যেন না পাওয়ার অতৃপ্তিটাও আজ প্রথম এ দিনেও ছিল। হারিয়ে ফেলা বন্ধুদেরকে খুব মিস করেছি, মিস করেছি খুব কাছের এক প্রিয় মানুষকে যাদেরকে হয়ত এভাবেই স্মৃতিতে রেখে দিব।
আজ আর আমার কথা নয়, এবার আপনাদের কথা শেয়ার করুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


