somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বইমেলায় যাঁরা বাণিজ্য খোজেঁন এবং বাণিজ্যমেলায় যারা বই খোজেঁন

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

......................................................................................................

শুরুতেই সতর্কবাণী; শিরোনামের মতন ! তবে ভয়ের কিছু নেই, আপাতত:
যারা ভয় পাবার তারা পাবেই, যাদের আছে সংকীর্ণতা, রয়েছে ক্ষুদ্রতা - ভয়তো তাদের পিছেই, আমার বা আপনার, বিশেষত পাঠকের তো নয়ই।

প্রসঙ্গ কেন্দ্রিকতা ‘বই’ এবং তার সংশ্লিষ্টতা, বাড়তি হিসেবে সংযোজিত ‘বাণিজ্য’ ও তুলনামূলক সমর্থিত শব্দ ‘মেলা’; যদিও আধুনিকতায় - বই, বাণিজ্য ও মেলা-সমূহ’কে আলাদা করে দেখবার আদর্শ বা নীতিগত তেমন সুযোগ থেকেও নেই অথবা সুযোগ ব্যবহারের চেষ্টা করেও করিনা বা পারিনা। না করাটা’ অক্ষমতা এবং না পারাটা’ ব্যক্তিগত সীমাবদ্ধতা।

ফিরে যাই শিরোনাম প্রসঙ্গে; চলছে বইমেলা-একাডেমী প্রাঙ্গণে এবং চলবে ফেব্রুয়ারী মাস পুরোটা অব্দি। মেলায় মিলন ঘটবে-এটাই স্বাভাবিকতা। প্রকাশক-লেখক-পাঠককুলের এক অপূর্ব-নিরবিচ্ছিন্ন মিলন । যদিও মিলনের সমীকরণ’টা এরকম: প্রকাশক-লেখক এবং পাঠক-লেখক, তবে প্রকাশকের সাথে পাঠকের সংযোগ’টা সেখানেই যেখানে ‘বাণিজ্য’ অস্তিত্ব সু-সমৃদ্ধ।

লেখক ইমদাদুল হক মিলন সাহেবের কোন একটি লেখার উদ্ধৃতি দিচ্ছি “তারাঁ আমাকে প্রশ্ন করলেন, ‘কলকাতার বইমেলার সঙ্গে বাংলা একাডেমীর একুশে বইমেলার ব্যবধান কী?’ উত্তরে আমি বললাম, পশ্চিমবঙ্গ বইমেলা বা কলকাতার বইমেলা একটি বাণিজ্যিক মেলা আর আমাদের বইমেলা হচ্ছে একুশের চেতনার সঙ্গে যুক্ত প্রাণের মেলা।” – প্রখ্যাত লেখকের এমন মন্তব্যে উচ্ছসিত হওয়াটাই স্বাভাবিক, আশায় সঞ্চারিত হোই আমরা পাঠকেরা। বইমেলাকে নিয়ে ব্যক্তিগত ভাববার যে দৃষ্টিসীমা সেখানে সমুন্নত উদ্দীপনা যুক্ত করেন উদ্ধৃতির লেখক। সাধুবাদ তাকে।

খানিকটা বাস্তবতায় বিচরণ করি, বলছি আমাদের বইমেলার কথা। একটি তুলনামূলক পরিসংখ্যানের হিসেবটা কারও অজানা নয়-“বই প্রকাশের সংখ্যা”র হিসেব। লক্ষ্যনীয়, বইমেলা উপলক্ষ্যে মেলা চলাকালীন সময়ে যে হাজার বা ততোধিক সংখ্যার বই প্রকাশিত হয়, সারা বছরের প্রকাশের সংখ্যা সেখানে দু বা তিন ডিজিটে কষ্টে কষ্টে ছুয়ে থাকা। এটা কিসের ইঙ্গিত হতে পারে ? আমি বিশ্লেষক নই, তাই আপাতত শুধু মন্তব্যই করছি। প্রকাশ সীমাবদ্ধতায় থেকেছে তা নয়, এর সাথে যে ‘বাণিজ্য’ তার হিসেবের পরিমাণটাও এ বইমেলাতে কোটি টাকা ছাড়িয়ে বা ততোধিক। একটা মন্তব্য করতে দু:সাহস দেখাই - ভাষার মাস, শোক, একুশ তারিখ; বাঙালী আবেগের সাথে জড়িয়ে থাকা এ’কটা শব্দের মমার্থ কি আমরা কোন “বাণিজ্য” শব্দকরণের মধ্যে খুঁজতে চাইবো ? নিশ্বচয় সমস্বরে “না”। কারণ একুশ মানেই আবেগ, আর সে আবেগের বড় জায়গাটা আমাদের এই গ্রন্থমেলা।

কথাচ্ছলে অভিযোগের সুর তোলা হচ্ছে এখন, “সারাবছর প্রকাশকরা শুধু একমাস বই বের করার জন্য বসে থাকেন।” প্রকাশকেরা কি বই লেখেন ? তারা তো শুধুই ছাপান। তাহলে লেখকেরা কি সারা বছর অপেক্ষা করেন এ মাসে বই ছাপানোর জন্য ? প্রশ্নটা আমারই। ভালো – মন্দের হিসেব’টা তো আলাদা। এটা অস্বীকার করার জো নেই, প্রকাশক তার অর্থ লগ্নি করছেন বই প্রকাশে, ইনভেষ্ট মানেই রিটার্নের প্রত্যাশা থাকবেই, কারণ এগুলো ব্যবসার অন্তর্ভুক্ত। দ্বন্দ’টা সেখানেই, “মুনাফার লক্ষ্য হয় যদি উপলক্ষ বইমেলা” এটাও নিশ্চয় সবাই করছেন না, কিন্তু তা হচ্ছে। হচ্ছে বলেই একুশের মেলাকে টাগের্ট করা হয়, তা না হলে আর্ন্তজাতিক বা ঢাকা মেইমেলা নামে চলা অন্য মেলাটি কিছুতেই পাঠক প্রাধান্য পায়না বা সেরকম উদ্যোগই থাকেনা। বই বিক্রি করে টাকা পাওয়া যায় একথা ঠিক আবার বই কিনে জ্ঞাণের খোরাকও হয়। অবশ্য সব বইয়ে জ্ঞান দেয়া থাকেনা, সেটা প্রত্যাশিতও নয়।
নির্ভেজাল সত্য কথা, আমাদের যে প্রকাশক সমিতি রয়েছে সেখানে নিবন্ধিত সদস্য ৬০ এর কিছু অধিক, অথচ লক্ষ্যনীয় সর্বাধিক স্টল বরাদ্দ পাওয়া এবারের বইমেলায় তার সংখ্যা প্রায় ৩০০ এরও বেশী, সহজেই কি প্রতীয়মান হয়না, এ প্রকাশনা সংস্থাগুলোর আবিভার্ব শুধুই ‘সিজেনাল প্রকাশক’ হিসেবে নয় ? অনেক লেখককে আক্ষেপ করতে দেখেছি “সম্পাদনার” মতো বড় বিষয়টি প্রকাশনা সংস্থাগুলো এড়িয়ে যান, কিন্তু কিভাবে একটি নির্ভূল ও মানসম্মত বই পাঠকের হাতে পৌছবে ? কথায় আছে না! ‘শেষ ভালো যার তার সব ভালো’ তো ‘বই বিকিকিনি ভাল তো সব ভাল’-এমনটা যেনো না হয়, এটা শংকা’র কথা।

“পাইরেসী” বিষয়টিকে পাশ কাটানো যাবে, সেটারও উপায় নেই। ‘মরার উপর আরেক ঘা’। নগ্ন বাণিজ্য পলিসিতে পিছিয়ে নেই একদল প্রকাশ্য অপরাধী। কার বই কিভাবে কে ছাপিয়ে দিচ্ছে, তারপর হরদম চলছে ক্রেতা-বিক্রেতার হাতবদল। কাগুজে ছাপানো বিধিমালা সমেত আইন সেখানে নির্বাক কটা বাক্য মাত্র। দেখার কেউ নেই যেনো, শুধু গলা ফাটিয়ে চিৎকার, নয়তো দৈনিকের পাতায় দু-চার কলামের ‘আফসোস বাণী’। আরো দেখতে হবে না জানি কতো বই নিয়ে ব্যবসার হরেক রকম কায়দা ! ফন্দি ! এবং ফিকির !

ফিরে আসি ইমদাদুল হক মিলন সাহেবের কথায়, তিনি লেখালেখির শুরুতেই লেখাকে পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন এবং এ পেশায় টিকে থাকবার জন্যে ‘জনপ্রিয় বই’ লেখার লেখক হিসেবেও ঝুকেঁ গেলেন। তিনি জানতেন এবং বুঝতেন, তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। আজকে এক্ষেত্রে তিনি একজন ‘জনপ্রিয়’ লেখক। লাইনে দাড়িয়ে বই সংগ্রহে বাড়তি উৎসাহ হিসেবে যোগ হয় যদি পাওয়া যায় স্বহস্তে তার আকাঁনো অটোগ্রাফ। নি:সন্দেহে সেদিনকার সে ‘জনপ্রিয়’ হবার সিদ্ধান্ত তাঁর ভূল ছিলোনা। প্রত্যেক লেখক ভেদে পাঠকের ভিন্ন রকমের প্রত্যাশা থাকে, প্রত্যাশা পূরন হলেই ব্যাস, পাঠকের চাহিদা তো অন্তত মিটে যাবে !

আক্ষেপ, অভিযোগ, অনুতাপ, হতাশা ও খানিকটা অসহায়বোধ থেকে পত্রিকার কলাম ছেপে প্রকাশ পাচ্ছে বইমেলা সংক্রান্ত খবর পাতায় পাতায়, উদাহরণের ধরণটা এমন ‘মোড়ক উন্মোচনের জোয়ার’, ‘যেন মানসম্মত বই বের হয়’, ‘স্থান সংকুলান নিয়ে জট’, ‘ভালো বইয়ের আকাল’, ‘পাইরেসির বিরুদ্ধে অভিযান’, ‘আর্ন্তজাতিকতার ছাপ দেখতে চাই’, ‘বইয়ের মান বিচার করা উচিত’, ‘লেখকের স্বার্থ বিপন্ন’ ইত্যাদি এবং অনেক কিছু।

অন্যায়ের আবদার নয়, এতটুকুন ভবিষ্যত প্রত্যাশা – ফেব্রুয়ারীর এ বইমেলা যেনো শুধু বই বিক্রীর ‘মাসব্যাপী বিশেষ বাজারে’ পরিণত না হয়, তার আগেই সেটাকে আক্ষরিক ও ব্যবহারিক অর্থে মেলাপোযোগী করে তোলার প্রয়াস থাকতে হবে, তা স্থান সম্প্রসারণ থেকে শুরু করে, নীতিমালা বাস্তবায়ন ও তার প্রত্যক্ষ প্রয়োগ। অসাধু-কপটাতা থেকে মেলাকে দূরে রাখার পাশাপাশি এক মাসের সংকীর্ণ চেতনাকে বিসর্জন দিতে হবে, লেখক এবং প্রকাশক উভয়কেই। জলাঞ্জলী দিতে হবে অপেশাদারী মনোভাবকে। শুধু সরকারের দোহাই নয়, লেখক সংঘ, পাঠক ফোরাম এবং প্রকাশক সমিতি, যথেষ্ট কি নয় কোন নতুন পরিবর্তনে সহায়ক ভূমিকা রাখতে এ তিনটি দলের অভিন্ন মতামতের ? প্লিজ! এ কথাটুকু অন্তত মাথায় রাখি সবাই, আমাদের লজ্জার সীমা থাকবেনা যখন অন্য দেশের কেউ আঙুল উচিঁয়ে উদাহরণ দাড় করাতে চাইবে, “ওই তো ওপারেও বই বিক্রীর একটা হাট বসে ফেব্রুয়ারীতে, দেদারছে চলে ব্যবসা, ভালই – মন্দ না।” আমাদের আক্ষেপ’টা বেড়ে ততদিনে শতগুণে পৌছাবে কারণ অবহেলায় পার করা এ সময় আমাদেরকে সহজেই ছেড়ে দেবেনা।

অনস্বীকার্য সত্য এ কথা, যারা প্রকৃত পাঠক তারা মুখিয়ে থাকেন নতুনত্বে, পাঠ তৃষ্ঞা ক্রমাগত তাদেরকে তৃষ্ঞার্ত করে তোলে অপেক্ষার প্রহরে। ফেব্রুয়ারী মাস ঘুরে যেতেই সেই পুরোনো কষ্ট বুকে চেঁপে অতীত অপেক্ষার পুনারাবৃত্তি।
লেখক – পাঠকও বটে! কিন্তু সব পাঠক – লেখক নয়। তাই লেখকের দুটি স্বত্ত্বা। তাঁরা বাক্যের কারিগর, শব্দের রুপকার – সৃষ্টিশীলতাই তাদেঁর পরিচয়। তাদেঁর প্রাপ্য সম্মানকে তাদেঁর কাছে পৌছে দিতে হবে। এবং পাঠকেরাই লেখকের আবিষ্কারক। সেজন্যই আবিষ্কাকরকে প্রাধান্য দিতে হবে লেখককে, প্রকাশক তার সহায়ক।


শেষ করছি বাণিজ্য মেলা নিয়ে একটা কাহিনী দিয়ে,

ঘটনাটা গেল বাণিজ্য মেলায়, তেমন বেশী কিছু না। খুব সিম্পল। তিনি যে স্টলেই ঢুকছেন সবার দৃষ্টি তার দিকে, একেবারে সেলস্ ম্যানেজার, এক্সিকিউটিভ এমনকি যারা কেনাকাটা করছেন তারাও পর্যন্ত সবকিছু থামিয়ে তার কথা শুনছেন নয়তো তাকিয়ে আছেন। তিনি’টা যিনি তিনি সমাজের একজন উচুঁ দরের, চলনে আর কথার ধাচেঁই তা বলে। কিন্তু কি এমন ঘটনা ঘটাচ্ছেন যে প্রতিটা স্টলেই সবাই সবকিছু থামিয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।

তিনি একটা “বুক শোপিস” খুঁজছেন, সোজা বাংলায় বইয়ের শোপিস। তা সে কাঁচ, সিরামিক, ইট-পাথরের যাই হোকনা কেনো! দাম কোন ব্যপারই না! কিন্তু শোপিস’টা হতে হবে হোমারের বইয়ের। অন্য কিছু নয়। বিপত্তিটা সেখানেই; কেউ এরকম শোপিস রাখা তো দূরে থাক নামও বোধহয় শুনেছে কিনা তাও সন্দেহ। শুধু ফুচকা-চটপটির কটা’ দোকান বাদ দিয়ে আর কোন স্টলেই তিনি বাকী রাখছেন না।

- “হোমারের ইলিয়াড বইয়ের শোপিসটা কি আপনার স্টলে আছে?”
স্যার, দু:খিত ... হোমার ..
- “হোমারের ইলিয়াড বই”

ঠিক পাশে দাড়িয়ে থাকা ফতুয়া পরনের আধা বয়সী একটা লোক বইয়ের নামটা শুনতেই পেছনে তাকান। একনজর তাকে দেখে ভাবতে বিন্দুমাত্র দেরী করলেননা তিনি একজন সাহিত্য বই সমঝদার লোক, যে কিনা এরকম বিশ্বখ্যাত সাহিত্যের খোঁজখবরও রাখেন।

- ‘ভাই, আপনি তো খুব সাহিত্য সমঝদার লোক ! তা এখানে কি ওই হোমারের বই পাবেন ?’ - লোকটা জিজ্ঞেস করলনে তাকে।
- ‘বই না ভাই, “শোপিস” খুঁজছি। বইয়ের শোপিস’ – উত্তর দিলেন তিনি

মেলা শেষ অব্দি হয়তো তিনি সবকটা’ স্টলেই চষে বেরিয়েছেন, কোথাও বইটি, দু:খিত বইয়ের শোপিস’টি পেয়েছিলেন কিনা তা আর জানা হয়নি। ইদানিং কালে উঁচুরা কাগুজের বই সংগ্রহ না করলেও আভিজাত্য বাড়াতে “শোপিস বই” কেনার ব্যপারে যে আগ্রহী হয়ে উঠছেন, এটা বেশ আশাব্যঞ্জক। সার্থক বাণিজ্যমেলা !
কাহিনীর শেষ এখানেই।

উপসংহার : “এনলার্জমেন্ট অব চয়েস” - ধার করা এ বাক্যটির সুরে তাই লেখার সর্বশেষ বাক্য “বাণিজ্য মেলাতে বই ? না ! বই মেলায় বাণিজ্য?” – চয়েস আপনার – ভূল বা ঠিক যাই হোক !
৯টি মন্তব্য ৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দ্য ড্রাগ কিং

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:১৫


সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।

খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮

আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইজিবাইক চলাচলের প্রকৃত কর্তৃপক্ষ কে?

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৩৪



দেশের বিভিন্ন শহর ও গ্রামে ইজিবাইক নামে একটি যানবাহন চলাচল করে। কিন্তু এর পরিচালনা, লাইসেন্সিং এবং চলাচলের ক্ষেত্র সম্পর্কে সুস্পষ্ট ও সর্বজনবিদিত কোনো নীতিমালা সাধারণ মানুষের কাছে দৃশ্যমান নয়।

শহরের ভেতরে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন কথনিকা-৪৮৭৩-৭৪

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৯

মন কথনিকা-৪৮৭৩
তোমার আমার মতামতে আকাশ পাতাল সীমা
আমার বুলি বরফ জলের তোমার যেন বোমা,
তুমি বলো রোদের তেজে আমি বর্ষার মতন
বুকের ভিতর বন্ধু বুঝি পাথর পুষো যতন।

মন কথনিকা-৪৮৭৪
পিঠে ব্যথা ভাল্লাগে না, মন... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

×