...অত:পর !
২২ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:২৪
[রং=#800080] ... আসলে অজন্তার কোন অলটারনেটিভ ছিলো না। সুতরাং বাধ্য হয়েই...।
সমস্ত গন্ডগোলের মূলে ছিলো অজন্তার মা। আরে বাবা, মেয়েটা নাহয় ফড়িং হয়ে একটু বেশিই উড়ে বেড়াচ্ছিলো- তা উড়ুক না, এ তো ওড়ারই বয়স। তাই বলে তার পাখা কেটে ফেলার ষড়যন্ত্র ! এ বড্ড বাড়াবাড়ি। অজন্তা যে প্রতিদিন ইউনিভার্সিটি থেকে দেরীতে বাড়িতে ফিরতো সে তো আর এমনি এমনি নয়- কাজ আর ব্যস্ততার চাপে। কে না জানে ইউনিভার্সিটির ফার্স্ট ইয়ারে পড়া আনকোরা জীবনটা কত ব্যস্ততার! কাজের কি আর শেষ আছে- কার্জন হল ক্যাম্পাসের সৌন্দর্য দেখতে দেখতেই তো কত সময় লেগে যায়।তার ওপর টি.এস.সি. তে "DU" এর পর A থেকে Z লাগিয়ে কত সংগঠন! সবগুলোর সদস্য না হলেই নয়। নতুন বন্ধুদের সাথে জম্পেস আড্ডাটাও কি কম ইম্পর্ট্যান্ট? এর মাঝে ক্যাম্পাসের আশেপাশের দর্শনীয় স্থানে ঘোরাঘুরি। এই সব কিছুর ফাঁকে কাস-প্র্যাকটিকাল তো করতেই হয় (যন্ত্রণা)। সুতরাং এতদিক রক্ষা করে অজন্তা যে সুস্থভাবে বাড়ি ফিরতো সে-ই ঢের। কিন্তু অজন্তার মা এসব বুঝলেন না। মেয়ে ওপর কড়া শাসনের ব্যর্থ চেষ্টা করে তিনি পাকা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন, বেয়াড়া মেয়েটাকে বিয়ে দিতে হবে।
অজন্তার মাথায় পুরো আকাশ ভেঙ্গে পড়লো। মাকে শত অনুনয় করেও লাভ হলো না। সামনে পুরো জীবন, ক্যারিয়ার, এনজয়মেন্ট--এর মাঝে বিয়ে নামের যন্ত্রণা! রক্ষে করো ঈশ্বর, অজন্তাকে বাঁচাও। ঈশ্বর শুনলেন, অজন্তাকে বাঁচানোর পথ বের করে দিলেন। হবু বর নামক শত্রুর সাথে কথা বলার সুযোগ পেলো সে। হঠাৎ এক সন্ধ্যায় অজানা কণ্ঠের ফোন--সে-ই। সুযোগ পেয়েই নানান মিথ্যে অজুহাতে বিয়ে ভাঙ্গার চেষ্টা চালালো সে। পাত্র অনড়, অজন্তা যে সমস্যার কথাই বলে বিরক্তিকর রকমের ভদ্্র বর বলে "It's ok,No prolem"। এরপর প্রতিদিন তাকে জ্বালাতে আসতে শুরু করলো ফোন। কোন উপায় না দেখে অজন্তা একদিন তাকে বলে বসলো, "আমার একজনে সাথে অ্যাফেয়ার আছে....", তখনও প্রতুত্তর "It's ok,তোমার বয়সে এটাই স্বাভাবিক। "No problem,বিয়ের পর আমি এসব মনে রাখবো না"-!!! প্রায় হাল ছেড়ে দিয়ে অজন্তা প্রতি রাতে আতংকে থাকে কখন যেন নির্লজ্জ, নাছোড়বান্দা লোকটার ফোন বেজে ওঠে। অবশেষে শেষ চেষ্টা হিসেবে অজন্তা একদিন তাকে সত্যি কথাই বলে। বলে তার স্বপ্নের কথা, তার পড়াশোনা, স্বাধীনভাবে ক্যাম্পাস-জীবন কাটানোর ইচ্ছা, একটা ব্রিলিয়ান্ট ক্যারিয়ার....। টেলিফোনের অপর প্রান্ত নি:শ্বব্দে সব শোনে, বুঝতে পারে একটা উজ্জ্বল জীবনের স্বপ্নভঙ্গের বেদনা...এবং অবশেষে ধীরে ধীরে ছোট্ট করে বলে "ok dear, তোমার স্বপ্নই সত্যি হোক, ভালো থেকো।"
অত:পর...। আতংকের সেই ফোনটা আর আসে ন। অজন্তা ভাবে বুঝি বাঁচা গেলো। বাঁচতে গিয়ে দ্যাখে কিসের অপেক্ষায় যেন সমস্ত দিন বড্ড ফাঁকা। প্রিয় ক্যাম্পাসের প্রিয় ব্যস্ততাগুলো অর্থহীন--রাত নামে, বাড়ে প্রতীক্ষা। নিজের অনুভবের হঠাৎ পরিবর্তনে হতবাক নিজেই সে ভাবতে থাকে "Is it really ok?"
এরপর একদিন চূড়ান্ত দ্্বিধা আর ভয় নিয়ে ভীষন কাঁপা হাতে অজন্তা আঙুল ঘোরায় এক অনভ্যস্ত নম্বরে, পরিচিত কণ্ঠস্বরের আশায়...।
আসলে অজন্তার কোন অলটারনেটিভ ছিলো না। সুতরাং বাধ্য হয়েই... [/রং]
প্রকাশ করা হয়েছে: অনুগল্প বিভাগে ।
কালপুরুষ বলেছেন:
ওয়াও!! সাংঘাতিক রকমের সুন্দর এক অনুভূতি ছড়ানো গল্প। আরে! আপনি তো দারুণ লিখেন। খুব ভাল লাগলো পড়ে।
কালপুরুষ বলেছেন:
ওয়াও!! সাংঘাতিক রকমের সুন্দর এক অনুভূতি ছড়ানো গল্প। আরে! আপনি তো দারুণ লিখেন। খুব ভাল লাগলো পড়ে।
ঝরা পাতা বলেছেন:
সত্যিই অসাধারণ। অনেকদিন পর একটা মন ছুঁয়ে যাওয়া ছোটগল্প শুনলাম। আরো লিখুন।
কালপুরুষ বলেছেন:
মন্তব্যটা দুবার এসেছে। বেশী ভাললাগার কারণে কিনা বুঝতে পারছি না। একটা মুছে দিলে ভাল হয়। সাথে এটাও।
অতিথি বলেছেন:
:-) কালপুরুষ, আমি ভেবেছিলাম একটা মুছে দিব, কিন্তু এখন এই মন্তব্যের পরে তো কোনটাই মুছতে ইচ্ছা করছে না ! এটা তো আরো বড় কম্প্লিমেন্ট হয়ে গেলো।ও আচ্ছা এই গল্পটা আমি এখন থেকে 4 বছর আগে লিখেছিলাম মনে হয়।নিজেদের একটা পত্রিকা ছিলো, সেখানে ছাপিয়ে দিয়েছিলাম।ভেবেছিলাম ঝরা পাতাকে ধন্যবাদ দিতে ইচ্ছা করে ভুলে যাবো কিনা, হি হি হি...শোধ! তারপরে ভাবলাম থাক...ধন্যবাদ :-)
অতিথি বলেছেন:
কই ছিলেন ভাই? আমি দ্্বিতীয়বার এ ধরণের আচ্ছন্নতায় আবিষ্ট হলাম। প্রথম হয়েছিলাম কিশোরের লেখা পড়ে। একপাতার লেখা কিন্তু অসাধারণ টানটান। খুব ভালো লেগেছিল। একুশের মেলায় আমার প্রকাশনী থেকে বের করেছিলাম ভালোবাসার চারাগল্প নামে। ভালো সাড়া পেয়েছিলাম। আপনাকে অভিনন্দন, লিখে যান। ভালো লাগলে জাগৃতি থেকে বেরিয়ে যাবে বই! চিন্তা নেই।
কালপুরুষ বলেছেন:
প্রজাপতি,আমার আবার চট করে কারও প্রেমে পরার বদ অভ্যাস আছে। ইমন' কে বলছিলাম আমি মনে হয় প্রজাপতি'র লেখা আর প্রশংসা শুনে ওর প্রেমে পরে যাচ্ছি। শুনে ইমন একটু জেলাস ফীল করলো। কিন্তু মুখে স্বীকার করলো না। আমি জানি কেউ কেউ ভাঙ্গে কিন্তু মচকায় না।
অতিথি বলেছেন:
প্রজাপতির লেখাটা চমৎকার হয়েছে। আমি আহমেদ কবীর কিশোরের বইটা পড়েছি। ভালো লেগেছে। 4 বছরে প্রজাপতির লেখা নিশ্চই আরো সমৃদ্ধ হয়েছে। পড়তে চাই ভাই। নিয়মিত পোস্ট করবেন।
অতিথি বলেছেন:
ফয়সাল ভাই,অনেক ধন্যবাদ। আরে ভাই, বলেন কি? তাইলে আমার আর চিন্তা কি? হি হি হি।
অন্ধকার,
আমি নিয়মিত লিখতেই পারি না, পোস্ট করব কেমন করে বলেন? :-(
ধূসর,
আপনি ডাংগুলি খেলা শেষ করে লেখালিখি শুরু করে দিছেন, আর আমার অবস্থা দেখেন, 4 বছর আগে লিখতাম ঠিকই কিন্তু এখনও ডাংগুলি খেলা শুরু করতে পারলাম না। :-(
কালপুরুষের জন্য মধুর হাসি :-)
অতিথি বলেছেন:
পড়লাম। ভালো লেখা। জীবনের অসংখ্য প্যারাডক্সের ভিতরে আরেকটি প্যারাডক্সিক পরিস্থিতি।
(ভালো কথা, প্যারাডক্সের ভালো বাংলা কি হবে?)
খুশবু বলেছেন:
প্রজাপতি এত ভাল লেখেন আগে কখনও পড়িনি মনে হয় বড় কিছু মিস করছি ।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ সাদিক ভাই, প্যারাডক্সের ভালো বাংলা তো এক শব্দে জানি না। আরেকটা ইংরেজী শব্দে বোধহয় "কোনইনসিডেন্স" বলা যেতে পারে,নাকি? আর আপনি বলার পরে ডিকশনারীতে দেখলাম লিখা আছে, "অসংগত বলে মনে হলেও যা আসলে সংগত বা যথার্থ "।খুশবু,
ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো আপু।ভালো থেকো।
কুংফু,
এটা গল্প না হয়ে সত্যি হলে জানাতাম নিশয়ই কার কপাল...(পুড়ে না কি হয়!)। আর বিয়ের দাওয়াত, আসলে ইয়ে মানে আমাদের বাজেট বেশি না তো, সবাইকে তো আর বলে সম্ভব না....!
অতিথি বলেছেন:
শুনেন 4 বছরে কিছু লেখেন নাই এহেন চাপা আর মাইরেন না। আমি পড়তে চাই দ্যাটস অল। আপনি সত্যিই অনেক ভালো লিখেছেন। এরকম কাহিনী অনেকেই লিখতে পারে, আপনার সার্তকতা কোথায় জানেন? খুব অল্প পরিসরে আপনি পূর্ণাঙ্গ ভাব প্রকাশ করতে পেরেছেন। এখানেই ছোটগল্পের সার্থকতা। প্লিজ লিখবেন এবং পুরোনো লেখাগুলো পোস্ট করবেন। ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
সার্থকতা পড়তে হবে।
অতিথি বলেছেন:
জব্বর লিখেছেন ...................তয় শেষটায় শেষ করলেন না কেন????
অসম্বভ রকম ভালো লেগেছে.........
অতিথি বলেছেন:
আহ্! মনে হলো - অনেকদিন পর চমৎকার একটি অনুগল্প পড়লাম। একসময় পাঠক ফোরাম আর বন্ধুসভায় এরকম লেখা পড়তাম। শুভকামনা - - -
অতিথি বলেছেন:
নাইস।
অতিথি বলেছেন:
আবু সালেহ, মুক্তধারা, সাদাত শিমুল--সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। শিমুল, পাঠক ফোরাম ভীষন প্রিয় ছিলো আমারও। ওখান থেকেই ছোট গল্পের চাইতেও ছোট এই অনুগল্প থিমটা খুব ভালো লাগা।অসাধারণ সব পাঠক ফিচার পড়ার জন্য মুখিয়ে থাকতাম। ভাঙ্গন বড় খারাপ জিনিস, বন্ধুসভাও একই ভালোবাসা নিয়ে পড়তে চেয়েছি, কিন্তু পাফোসদের সেই সুর সেখানে যেন পাই না। ভালো থাকবেন।
চোর, আপনার ভালো লাগলো? খুশি হলাম শুনে।ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
আমার অবস্থাও আপনার মতো। অনেক চেষ্টা করেও বন্ধুসভায় পাঠক ফোরামের সে আমেজটি পাইনি। পাঠক ফোরামের কী চমৎকার চমৎকার সব ফিচার বেরুতো - - - "এই বেশ ভালো আছি", "ভুত", "মেঘের 'পরে মেঘ জমেছে" - -- এরকম আরো অনেক ভালো লাগা ফিচারের কথা এখনো মনে আছে।আমার ব্যক্তিগতভাবে মনে হয়েছে বন্ধুসভা সাহিত্যের চেয়ে সাংগঠনিক কাজকর্মের উপর বেশি জোর দিয়েছিল। তাই পাফোসের সুর ওখানে খুঁজে পাওয়া যায়নি। তবে সবচে' বড় কথা - ঐ যে আপনি বললেন - "ভাঙন বড় খারাপ জিনিস"। পাঠক ফোরাম - বন্ধুসভা তাই এখন আমাদের কাছে ঝাপসা লাগে।
অতিথি বলেছেন:
ঠিক কথাই বলেছেন শিমুল। বন্ধুসভা সাহিত্য থেকে দূরে সরে গিয়েছে অনেকখানিই। পরিসর বেড়েছে কিন্তু ভালোবাসায় টান পড়েছে। আমার মনে পড়ে পাঠক ফোরাম একদম শুরুতে বৃহস্পতিবারে অর্ধেক পাতা বেরুত, তখনও অসাধারণ সব লিখা আসতো,শুক্রবারে ইষ্টিকুটুম ছিলো এইটুকুনি পরিসরে..তখন পিচ্চি ছিলাম-ইষ্টিকুটুম যে কী ভালো লাগতো! ভোরের কাগজ-ভোকার নাম কোথাও দেখলেই চিৎকার দিতাম! যখন ভেঙ্গে গেলো অতি আবেগে কি কান্নাটাই না কেঁদেছিলাম গিয়াস ভাইয়ের চিঠি পেয়ে !ধুরো...আপনার সাথে প্যাচাল পেরে তো পুরা নষ্টালজিক হয়ে গেলাম।
অতিথি বলেছেন:
আমার ঢাকার বাসায় এখনো অল্প কিছু পাঠক ফোরাম, আর শ'দুয়েক বন্ধুসভা সংখ্যা জমানো আছে মনে হয়। কখনো তেমন কাছে যাওয়া হয়নি মানুষগুলোর। শুধুলেখা পড়তাম। ভালো লাগতো। আর কী আগ্রহে অপেক্ষা করতাম - পরের সংখ্যার জন্য!ইস্, আমিও নস্টালজিক হয়ে যাচ্ছি!
অতিথি বলেছেন:
হুমম,গল্পটা কি এখানেই শেষ?
পরের অংশটা আরো জটিলও হতে পারে!!
প্রজাপতি, আপনি খুবই চমৎকার লিখেন ...
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ জিনের বাদশা। যখন এই গল্পটা লিখেছিলাম আমার বন্ধুরাও বলেছিলো যেন এটা আরো কন্টিনিউ করি কিন্তু আমি এটা এখানেই শেষ করেছি...বাকিটা আপনি ভেবে নিন। :-)
অতিথি বলেছেন:
কন্টিনিউ কলে তো আর ছোটগল্প বা অণু গল্প হলো না। পাঠককের চিন্তার খোরাক থাকতে হবে ছোটগল্পে। যেটা পুরোমাত্রায় উপস্থিত গল্পটায়।
অতিথি বলেছেন:
এই ভয়টাই পাচ্ছিলাম, এই লেখাটা পড়লেই চিনে ফেলবে!
অতিথি বলেছেন:
আগে পড়লামনা ক্যান, জব্বর একখান লেহা, তো আগেরখান কোয়াই পাইমু?
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ আলী প্রাণ। কিন্তু এর আগে তো আর কিছু নেই, পাবেন কি করে?
হযবরল বলেছেন:
আমাদের গেইটের সামনে ভেলপুরি পাওয়া যায় খাওতো ? কুংফু ভাই কিন্তু আমাদের কর্াজন হলের জানোতো। তবে আমার তুলনায় নাদান বাচ্চা। জাহাংগীর ভাইয়ের চা খাওয়া হয় তো ।ভাল কইরা খাইয়া লও, এক সময় এসব শেষ হয়ে যাবে।
অতিথি বলেছেন:
এপির সামনের ভেলপুরি অবশ্যই এখনও পাওয়া যায়, বাসের জন্য অপেক্ষা করতে করতে রোজ খাই। কিন্তু আমাদের এখন মোকাররমে ক্লাস হয় জানেন, এইজন্য এখন ওখানেই থাকি বেশী। কার্জনকে মিস করি খুবই। মোকাররমের পাশে একটা দারুন জায়গা হয়েছে, নাম "ক্যাফে ক্যাম্পাস"। একটু বেশি সাজানো-গোছানো, কিন্তু মোটেও ফরমাল না, সায়েন্স ফ্যাকালটির ভাব পুরা বজায় আছে, ওখানেই বেশী থাকি যদি আড্ডা দেই।কিন্তু আড্ডা আসলে এখন বেশী দেই না। ফার্স্ট আর সেকেন্ড ইয়ারে আড্ডা আর ঘুরাঘুরি যা করার করে এত বেশী করে ফেলেছি, এখন জাবর কাটি খালি।
কালপুরুষ বলেছেন:
প্রজাপতি,পাগলাকে নৌকা ডোবানোর কথা বলতে নেই। আমিতো এখন রেগুলার 'ক্যাফে ক্যাম্পাস" এ আড্ডা দেব। যদি কোন রকম একটা জ্যান্ত প্রজাপতি ধরতে পারি এই আশায়।
অতিথি বলেছেন:
মুক্তধারা,অসাধারণ ভালো একটা লেখা। আমি লেখাটা নিয়ে নিলাম। কিন্ত ু আমার চোখে পড়লো না কেন?

মুক্তধারা,
ভালো কোন লেখা চোখে পড়লে আমার ব্লগে একটা msg দিয়েন।
অতিথি বলেছেন:
প্রজাপতি আপনাকে ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
প্রজাপতি,আমরা একটু আপনার লেখার উপর গবেষণা চালিয়েছি।

অনেক ভালো লেগেছে আমার। আমার একটা ওয়েব সাইটটে আপনার 2 টা বা 4 টা লেখা কপি করে নিবো। আশাকরি আপনি আপত্তি করবেন না।
সাইটটা ইচছা করলে দেখতে পারেন।
[লিংক=যঃঃঢ়://লযড়ৎড়যড়ধি.50বিনং.পড়স/
]ক্লিক করুন [/লিংক]
আপনাকে ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
ও আচ্ছা, এই কাহিনী! দেখলাম তোমাদের সাইট। ভালো তো। কিন্তু তুমি যে আমাকে দুইবার কৃতগগতা জানিয়েছো তা খেয়াল করেছো? :-)
অতিথি বলেছেন:
প্রজাপতি,না তো???
কখন এবং কোথায় দুইবার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলাম। আর করলেই সমস্যা কোথায়? লেখা ভালো লেগেছে ভালো লেগেছে আপনাকেও ....সমস্যা কোথায়...................

আর সাইটে মন্তব্য লিখতে ভুলবেন না কিন্তু..........
অতিথি বলেছেন:
ওককে।
অতিথি বলেছেন:
তাইতো বলি লেখার ধরনটা এতো চেনা চেনা এতো নিজস্ব মনে হয় কেনো? তোমার সব গুলো পোষ্ট পড়লাম ।
খুব মনে পড়লো এক পুরনো বন্ধুকে ।
আফরিন আহমেদ ।
পা.ফোরাম... বন্ধুসভা । অনেক স্মৃতি, অনেক কিছু ।
ভালো লাগলো এখানে ও সেই বোধিবৃক্ষের পাতাগুলো কে পেয়ে ।
অতিথি বলেছেন:
হাসান ভাই,কি বললেন এটা?! মাই গড!
আমি ওই পিচ্চী বয়সে আপনাদের সবার লেখার যে কি ভক্ত ছিলাম! পাঠক ফোরামকে এখনও স্বপ্নের মত মনে হয়। আপনি, সুপান্থ, সুমন্ত, আফরিন, পাপড়ি, পরবাসী, মাইনুল এইচ সিরাজী, পৃথ্বী আফসানার "নিশিপুষ্পের বর্ষযাপন"......কত কী!
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ ধন্যবাদ
অতিথি বলেছেন:
তুমি তো আমাকে চমকে দিয়েছো প্রিয় প্রজাপতি ।পৃথ্বী কে মনে আছে তোমার!
আমাদের এই বন্ধুটা এততো অসময়ে চলে গেলো ।
একটা সময় যে বন্ধুদের ছাড়া ভাবনার জগৎটা ভাবাই যেতোনা , আজ কে যে কোথায় ?
তবু কিছুই ভূল নয়, কিছুই ভূলা যায়না ।
কৃতজ্ঞতা , বন্ধুদের আবার মনে করিয়ে দেবার জন্য ।
রাশেদ বলেছেন:
জট্টীল।
যূঁথী বলেছেন:
কিউউউউউউউউউউউউট্টট্টট্টট্টট্টট্টট্টট্টট্টট্টট। যদিও রোমান্টিক গল্প পড়লে আমার খুব হাসি পায়। তারপরওওওও। +
রোডায়া বলেছেন:
খুব ভালো লাগলো৷
রুবেল শাহ বলেছেন:
কপি নিলাম ------- পরে বলবো


















