বাদল দিনের ভাবনা...কবিতায়, গানে
১২ ই আগস্ট, ২০০৬ সকাল ১০:২১
[রং=#800080] "কিসের এমন প্রেরণা পেয়েছে মন
নষ্ট আঁধারে শ্রেষ্ঠ বাসনা খোঁজে
বুকের অসুখে সুখের স্বপ্ন লিখে
ঘন দুর্যোগ
তবু সে ভাসায় বেহুলার সাম্পান..."
...রুদ্্র চলে গেছে সেই কবে, কবিতারা রয়ে গেছে...প্রেরণাদায়িনী কবিতারা... আজো ভেসে বেড়ায় বাতাসের গন্ধে। বাঙালী বড় আজব জাতি, পেটে ভাত নেই তবু খোঁচা দাড়ি মুখে নিয়ে কবিতা ছাড়ে না! এত আবেগ কোথায় পেলো তারা? অন্য কেউ নয় গো, এই আমরাই।
হুম, আমরা। আমি, আপনি--আর কবিতা। আর গান। আর আবেগ এবং বেঁচে থাকার দ্্বন্দ্ব অথবা স্বস্তি।
আষাঢ় মাস। ঝরঝর ঝুম বৃষ্টির বাদল দিন। খুব ইম্পর্ট্যান্ট একটা কাজ ছিলো আজ...টানা বৃষ্টিতে ভেস্তে গেলো, বেরুতেই পারলাম না ঘর থেকে। মেজাজ খারাপ করে কিছক্ষুণ বসে থেকে কি ভেবে গান ছেড়ে দিলাম সিডিতে, "আমার হারিয়ে যাওয়া তুমুল কালো মেঘ/ তোর হারিয়ে যাওয়া কাশের বনে..."। অর্ণবের গানের অদ্ভুত সুন্দর সুর আর ভীষন উদাস করা গানের কথায় কোথায় হারিয়ে গেলো কাজের গুরুত্ব !
গানের সুরে, বৃষ্টির শব্দে ভাবতে বসি কি যেন...ভাবতে থাকি...।
বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে। প্রযুক্তির প্রচন্ডতায় বই পড়া, কাব্য লিখাকে সময় নষ্ট মনে করে জীবনযাত্রা থেকে ঝেড়ে ফেলাটাই বুঝি এখন বুদ্ধিমত্তার পরিচায়ক। তবু বাঙালী লিখে যায়, তার আবার বই বেরোয়, এখনও সেই বই মারমার কাটতিতে বাজার কাঁপায়। একুশে বইমেলায় ভীড়ের চাপে হেঁটে চলা দায় হয়ে দাঁড়ায়। এরকম মন্তব্য এখনও প্রচলিত যে বাংলাদেশে কাক ও কবির সংখ্যা প্রায় কাছাকাছি !
মানুষগুলো বদলে যাচ্ছে দিনে দিনে, বদলে যাচ্ছে যাপিত জীবন...তবু কৈশোর পেরুনো মেয়েটা আজো বদলালো না---পড়াশোনায় মন নেই তেমন, হঠাৎ মোটা কাগজ আর রং-তুলি হাতে বসে পড়ে ছবি আঁকার নেশায়, একলা ঘরে দরজা বন্ধ করে চালিয়ে দেয় সর্বোচ্চ আওয়াজে গান। তারপর হুট করে আবৃত্তি করে ওঠে, " তোমারও অভিসারে যাবো অগম পারে...কাঁদালে তুমি মোরে ভালোবাসারই ঘায়ে..."। প্রবল আবেগের তোড়ে অকারণ কি এক কষ্টে তার নবীন চোখ ভেসে যায় জলে।
বস্তিতে বেড়ে ওঠা একই বয়েসী মেয়েটা কিন্তু এমন করে গান শুনতে আর পড়তে পারে না... তাই বলে কি তার আঠারো তাকে কিছু দেয় না? না খেয়ে না দেয়ে রাজ্যের ক্ষুধা আর প্রেমহীন ভালোবাসাহীন পরিবেশে সেও যে আনমনে গেয়ে ওঠে, "তুই যদি আমার হইতি রে, ও বন্ধু আমি হইতাম তোর, কোলেতে বসাইয়া তোরে করিতাম আদর রে..." কার জন্যে ভালোবাসায় তার শুষ্ক মনে প্রেম জাগে সে কি নিজেও তা জানে?
জানা যায় না অনেক কিছুই। দেখাও যে যায় না কত কি! শুধু অনুভব করা যায়। যে রিকশাওয়ালা এই সভ্য (!) যুগে তার পাশের জনকে চৌদ্দ পুরুষের নাম উদ্ধার করে গালি দিয়ে, অহেতুক ঝগড়া বাঁধিয়ে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি করে ফেলে তার মনের সূক্ষ অনুভূতির খোঁজ কি আমরা রাখি? তারও মনের ঘরে যে বাস করে এক সভাবকবি থাকে, সারা দিন শেষে ক্লান্ত রাতে যে গেয়ে ওঠে, " আমি যে রিশকাওলা, দিন কি এমন যাবে? বলি তাই হে মাধবী তুমি কি আমার হবে? আমি যে রিশকাকবি" ।
কবিতা আর গান উজ্জীবিত করেছে বাঙালী জাতিকে বরাবরই। কখনও শান্তিময় জীবনে রোমান্টিক অনূভুতি জাগিয়ে, আবার কখনও ঝিমিয়ে পড়া মানসিকতাকে টেনে তুলে। তাই যুগে যুগে যখনই প্রবল বাস্তবতা আর আর শোষণ চেপে ধরেছে বাঙালী জাতিকে--সেই তেভাগা থেকে একাত্তরের মুক্তি সংগ্রাম অথবা আজকের স্বাধীন বাংলাদেশের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে কানসাট---তখনই তার প্রেমময় মনে অস্থিরতা আর বিদ্্রোহ জন্ম নিয়েছে। যুগে যুগে তাই বাঙালী বিপ্ল্লব করেছে, বিদ্্রোহ করেছে, অস্ত্র তুলে নিয়েছে হাতে আর সাথে সাথেই কলম যুদ্ধে সৃষ্টি হয়েছে অমর কবিতামালা। "এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়"। হাল ছেড়ে দেয়া চরম দুর্দিনে সেই সব কবিতা গান আমাদের উৎসাহ জুগিয়েছে, নতুন করে বাঁচতে শিখিয়েছে।
কবিতা আর গান-- এমনি করেই ছড়িয়ে আছে আমাদের দেশের মানুষের সমস্ত স্বত্তা জুড়ে। তাদের কেউ জীবনকে এক ফুৎকারে উড়িয়ে দেয় উদাসীনতায় আবার কেউবা আজীবন টানতে থাকে সংসারের ঘানি। আর কোন এক উদাসী মুহুর্তে বা অথবা প্রচন্ড ক্লান্তি শেষের অবসরে আঁকড়ে ধরে কোন গান ... অথবা... কবিতা।
-------------------------------------------------------------------------
[ইটালিক] "বাংলালাইভ" অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত। ঘোর বৃষ্টিতে লিখেছিলাম, আজকে অবশ্য কটকটে রোদ ! [/ইটালিক] [/রং]
প্রকাশ করা হয়েছে: খেরোখাতা বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই আগস্ট, ২০০৬ রাত ১:৩১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
সারিয়া তাসনিম বলেছেন:
বৃষ্টি - গান - খিচুরি
অতিথি বলেছেন:
কবিতার সিলেকশন গুলা দারুণ হইছে..বরাবরের মত লেখাটাও..কিন্ত এই দুর্দিনে আবারো কবিতায় উৎসাহ দেয়াটা কি বুদ্ধিমানের কাজ হচ্ছে?এমনিতেই তো "নিদ ভাঙেনা-দিল জাগেনা.."!
ঝরা পাতা বলেছেন:
বাংলালাইভ আই-পত্রিকাতে? গতকাল সম্পাদি-র মেইল পেলাম। অদ্ভুত ভালো লাগা। কেউ এভাবে খবর নেয় তুচ্ছ কিছু মানুষের। কি নামে লেখেন? যদি আপত্তি না থাকে জানাবেন। আপনার বৃষ্টির কথা শুনতে শুনেতে নিজের অজান্তে মনের বৃষ্টিতে ভিজে গেলাম। অদ্ভুত লাগে- যখন এখানে বৃষ্টি হয় ঠিক তখনি বাংলাদেশেও বৃষ্টি হয়। এর আগে আরো চারবার ফোন করে জেনেছি। সে যাক। বৃষ্টি ঝরুক ঝরুক মধুর দানা। শুধু আব্দুল মানাম হোসেনকে ভাসিয়ে নিয়ে না গেলেই হলো। চলিতে চলিতে পথে বাজুক ব্যাথা পায়ে,
মন সরে না যেতে ফেলিলে একি দায়ে.......
অতিথি বলেছেন:
পাতায়াতে কখনো ঝমঝম বৃষ্টি দেখিনি। মাঝে মাঝে মন খারাপের টিপটিপ ফোটা পড়ে। ভীষণ বিরক্তিকর। আজ সকাল থেকে মেঘ কালো হয়ে আছে। অথচ আমি জানি - আজও বৃষ্টি নামবে না।অফিসে এসে আপনার লেখাটি পড়লাম, বেশ কয়েকবার। অন্যরকম বৃষ্টির ছোঁয়া পেলাম।
কীভাবে লেখেন এসব অদ্ভুত লেখা!
অরূপ বলেছেন:
চমৎকার লেখা..
হিমু বলেছেন:
ভালো!
মাশীদ বলেছেন:
আসলেই...গান, কবিতা আর বৃষ্টি - এ তিনটা নিয়েই বোধ হয় আমরা সবাই। আমাদের এখানে মনে আছে...একদিন খুব বৃষ্টি হচ্ছে...আমাদের ল্যাবের বাইরে দেখা গেল আমি আর আরো দুইজন বাংলাদেশী ভাইয়া ল্যাবের বাইরে উদাস দৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে বৃষ্টি দেখছি। বৃষ্টি কেন যে উদাস করে দেয় মন - এটা অনেক বিদেশীকে বোঝানোর চেষ্টা করেছি কিন্তু পারিনি। ব্যাপারটা তাই আমার মনে হয় শুধুই আমাদের।খুব সুন্দর লিখেছিস...as always...
ভাল থাকিস।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ সবাইকে, অনেক অনেক।
ফজল বলেছেন:
দারুন হলো।
কালপুরুষ বলেছেন:
বেশী ভাললাগার কারণে ভুল করে দুই মন্তব্য হয়তো ভুলেও আর করবো না (বলা যায় না, মানুষ মাত্রেই ভুল করে) তবে ভাললাগার এই অনুভূতিটুকু জোড়ালো ভাবে শেয়ার করতে ইচ্ছে করে। বরাবরের মতই সুন্দর ও সাবলীল লেখার জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
আপনার প্রজাপতি পছন্দ নয় সেটা জেনেছি। তবে প্রোফাইলের ছবিতে প্রজাপতি দেখে আমি খুশী। কারণ প্রজাপতি আমার খুব পছন্দের পতঙ্গ।
অতিথি বলেছেন:
ধন্যবাদ ফজলে ভাই।কালপুরুষ,
থ্যানকু। কেমন আছেন? প্রজাপতি পছন্দ তো ! আমিও তো বেশি ভালোলাগার কারনেই পছন্দ না বলেছিলাম ! তবে প্রোফাইল পিক মাঝে মাঝেই বদলে যাবে।
কালপুরুষ বলেছেন:
জি্ব প্রজাপতি জি, ভালই আছি। আলহামদুলিল্লাহ। তা আপনি ক্যামন আছেন? কুংফু কারাতের কাশ কি চলছে নিয়মিত? আমি ভয়ে দূরেই সড়ে আছি। প্রজাপতি সুন্দর কোন সন্দেহ নেই। খুব পছন্দের হলেও কেন জানি ধরতে ভাল লাগেনা। মনে হয় ওরা খুব নাজুক। ধরলেই মুষড়ে পরবে। কষ্ট হবে। আর তাতে আমারও কষ্ট বাড়বে। প্রজাপতি নিয়ে মা'র মুখে আরও কিছু কথা শুনেছিলাম সেই ছোট বেলায়। মা বলতো প্রজাপতির গায়ে যে রঙ আছে তাতে বিষ থাকে। আর কেউ ধরতে গেলে গা ঝারা দিয়ে সেটা ছড়িয়ে দেয়। সেই রঙ চোখে গেলে চোখেরও তি হয়। আর তা একটু মুখে গেলে রক্ষে নেই। এই ভয়ে কখনও প্রজাপতি ধরার কথা চিন্তাও করিনি। এমন কি তাদের ভীষণ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে হলেও ছোঁয়ার সাহস হয়নি। কিন্ত আজ মনে হয় মা'র কথাগুলো সব সত্যি নয়। অবশ্য মিথ্যে বলার মতো তেমন কোন প্রমান হাতের কাছে নেই। তবে উনি যে প্রজাপতিগুলোকে আমার হাত থেকে বাঁচানো জন্য এই কথা বলেছিলেন তা মোটেও অমূলক নয়। এই সত্যটাই আজ উপলব্ধি করলাম। আসলে অনেক সময় বেশী আদরও মানুষকে যন্ত্রনা দেয়। যেমন ছোট বেলায় মুরগীর বাচ্চাকে আদর করতে যেয়ে হাতে চিপে প্রায় মেরে ফেলার দশা করতাম। মা এসে হাত থেকে কেড়ে না নিলে হয়তো মরেই যেত।
কালপুরুষ বলেছেন:
জি্ব প্রজাপতি জি, ভালই আছি। আলহামদুলিল্লাহ। তা আপনি ক্যামন আছেন? কুংফু কারাতের কাশ কি চলছে নিয়মিত? আমি ভয়ে দূরেই সড়ে আছি। প্রজাপতি সুন্দর কোন সন্দেহ নেই। খুব পছন্দের হলেও কেন জানি ধরতে ভাল লাগেনা। মনে হয় ওরা খুব নাজুক। ধরলেই মুষড়ে পরবে। কষ্ট হবে। আর তাতে আমারও কষ্ট বাড়বে। প্রজাপতি নিয়ে মা'র মুখে আরও কিছু কথা শুনেছিলাম সেই ছোট বেলায়। মা বলতো প্রজাপতির গায়ে যে রঙ আছে তাতে বিষ থাকে। আর কেউ ধরতে গেলে গা ঝারা দিয়ে সেটা ছড়িয়ে দেয়। সেই রঙ চোখে গেলে চোখেরও তি হয়। আর তা একটু মুখে গেলে রক্ষে নেই। এই ভয়ে কখনও প্রজাপতি ধরার কথা চিন্তাও করিনি। এমন কি তাদের ভীষণ ছুঁয়ে দেখার ইচ্ছে হলেও ছোঁয়ার সাহস হয়নি। কিন্ত আজ মনে হয় মা'র কথাগুলো সব সত্যি নয়। অবশ্য মিথ্যে বলার মতো তেমন কোন প্রমান হাতের কাছে নেই। তবে উনি যে প্রজাপতিগুলোকে আমার হাত থেকে বাঁচানো জন্য এই কথা বলেছিলেন তা মোটেও অমূলক নয়। এই সত্যটাই আজ উপলব্ধি করলাম। আসলে অনেক সময় বেশী আদরও মানুষকে যন্ত্রনা দেয়। যেমন ছোট বেলায় মুরগীর বাচ্চাকে আদর করতে যেয়ে হাতে চিপে প্রায় মেরে ফেলার দশা করতাম। মা এসে হাত থেকে কেড়ে না নিলে হয়তো মরেই যেত।
জলদীপ বলেছেন:
সুন্দর লিখেছেন। ।ভালো লাগলো পড়ে।
অতিথি বলেছেন:
এক দমে পড়ার মতো লেখা। রুদ্রর কবিতার উদ্ধৃতি মুগ্ধ করেছে।
ঝরা পাতা বলেছেন:
আপনাকে জিটকে ইনভাইটেশন পাঠিয়েছি।
আপন তারিক বলেছেন:
ঢাকার চিঠি... অনলাইনে দেখছিলাম ওই দিন । আজই পড়লাম । দারুন.... !!!
অতিথি বলেছেন:
দারুন লিখেছ...ভাল লাগলো.।বেশ
জলদীপ বলেছেন:
মোস্ট ওয়েলকাম!!!
অতিথি বলেছেন:
ছবির সাথে লেখার শিরোনাম এর যথেষ্ট মিল আছে, মন প্রাণ ছুঁেয় যাচ্ছে ।
কনফুসিয়াস বলেছেন:
আমারো মন প্রাণ হৃদয় সব ছুঁয়ে যাচ্ছে! ;-))
অতিথি বলেছেন:
ইশশিরে, একটুর জন্য কনফু কে পিছনে ফেলতে পারলাম না
!বাটারফ্লাই, আপনি লোকটা সুবিধার না।
প্রথমত: শুভাশীষ দিয়ে ফুলগুলো নিজের ঝুলিতেই নিয়ে নিলেন (আমি কিন্ত আপনাকে দিয়েছিলাম)।
তারপর দ্্বিতীয়ত: এখানে দেখলাম আমার ফেভারিট গান "রিশকাওলা" নিয়া টানাটানি করলেন।
এখন আমি যে "রিশকাকবি" গো, এটা গলা ছেড়ে ক্যামনে গাই?? তারওপর আছে মার্শাল আর্টের ভয়...
অতিথি বলেছেন:
স্বরহীন আপু, রিফাত হোসেন, জলদীপ-- অনেক ধন্যবাদ।কুংফু, জানি তো! :-)
গোধূলি,
আপনারে ফুল ক্যান দিলাম না বুঝেন নাই? মার্শাল আর্টের টার্গেট থেকে বাঁচানোর জন্যই তো!
অতিথি বলেছেন:
আর বাঁচাইছেন রে ভাই, ঘাড়ের কাছে যেই ভাবে নি:স্বাশ ফেলতাছে কখন যে কম্পু ছাইড়া লৌড় দেই কওয়া যায় না। "মুকুটের" আশে পাশের লোকজন বড়ই ডেন্ডারাস হয়
অতিথি বলেছেন:
আর দৌড় দিতে হবে না, এবার ঘাড়ের কাছে প্রজাপতি উড়ছে :-)
অতিথি বলেছেন:
উড়ছে তো বটেই, কিন্ত ক্যারাটে, কুংফু, তায়েকোন্দো, ব্রড নাইফ, সামুরাই-এসবের কোপ থেকে কে বাঁচাবে শুনি?
আজকাল বলেছেন:
/-)
ভেড়া বলেছেন:
অপূর্ব ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














