আমার দিনলিপি

profile image
আমার নিশীথরাতের বাদলধারা, এসো হে গোপনে, আমার স্বপনলোকে দিশাহারা 

স্মৃতির নৌকা বেয়ে

৩১ শে মে, ২০০৭ বিকাল ৩:৪১

বিকেলবেলাটায় বেশ ঠান্ডা বাতাস পাওয়া যায় বারান্দায় বসলে। গ্রীলের ওপাশে চোখ পেতে দোদুলকে দেখি আমি মুগ্ধ হয়ে। মাঠ নেই খেলার, তবু ভাগ্যিস আবাসিক এলাকা বলে বাসার সামনে এইটুকুনি রাস্তাটা পেয়েছে, যেখানে বড় যান চলে না। সেই সেইটুকুনি রাস্তাতেই কয়েকটা ইট একটার ওপর একটা সাজিয়ে উইকেট বানিয়ে ব্যাটসম্যান সেজে দাঁড়িয়ে গেছে...

পোস্টটি ৬ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

রাহেলা(চতুর্থ এবং শেষ পর্ব)

২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ২:১৪

আবার সংসারে প্রবেশ করলো রাহেলা। বহুদিন পর কর্তৃত্ব হাতে পেলো। তার ছয় বছরের ছোট্ট মেয়েটিকে নতুন স্বামী অনাদর করলো না মোটেই। নিজের ওই বয়েসী নাতি আছে, সমস্যা কি! নতুন চার ছেলেমেয়ের সাথে পরিচিত হলো রাহেলা। ছোট মেয়েটা ছাড়া বাকি প্রত্যেকেই তার চেয়ে বয়েসে অন্তত পাঁচ-ছ বছরের বড়। ছোটটা তার সমবয়েসী।...

পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

রাহেলা

২৮ শে মে, ২০০৭ রাত ১:০৪

--রাহেলা,অজুর পানিটা দিয়ে যাও তো।

হঠাত ডাকে সচকিত হন রাহেলা বেগম। জমে যাওয়া পায়ে ধীর গতিতে হেঁটে যান স্বামীর কাছে। অপলক তাকিয়ে থাকেন। ভুলে যান স্বামীর আদেশ। ফের ডাক পড়ে।

-- কি দেখো তাকিয়ে, কথা কানে যায় না? সারা দিন কোন ধ্যানে যে থাকো? আমার প্রথম বউ তো এরকম বেয়াদবী...

পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

বোধ

১৫ ই মে, ২০০৭ দুপুর ২:১৩

[অনুগল্প]

একটু আগে রুমের শেষ জেগে থাকা সদস্য হিসেবে আলো নিভিয়ে বিছানায় চিত হয়ে শুয়ে পড়েছি। সোজা ঘরের সিলিংয়ে চোখ। এরপর দৃষ্টির ভ্রমণ। ঘরের সাথে লাগোয়া বারান্দার পাশে কৃষ্ণচুড়া গাছ, পূর্ণিমার আলোয় তার কি অপূর্ব ছায়া পড়েছে ঘরের দেয়ালে! আলোছায়ার এই সৌন্দর্য আজ বহু দিন পরে যেন আবার নজরে এলো আমার।...

পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

হৃদয়পাত্র উচ্ছলিয়া

১৯ শে মার্চ, ২০০৭ সকাল ৭:৪৮

একটানা বেজে চলা টেলিফোনটা ধরতে ইচ্ছা করছেনা কেন জানি। অলস সময়টা রোজকার মত আজ একঘেয়েও মনে হচ্ছে না, বরং সব বাদ দিয়ে অলসতাটাকেই আঁকড়ে বসে থাকতে ভালো লাগছে যেন। টেলিফোনের ওপাশে মেয়েটা নিশ্চয়ই চিন্তায় অধীর হচ্ছে, তা হোক না একদিন--রোজ সেই একই নিয়ম, অফিসে বসে দুপুরের খাবারের ফাঁকে মায়ের খোঁজ--আজ...

পোস্টটি ০ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি

...অত:পর !

২২ শে জুলাই, ২০০৬ সকাল ৮:২৪

[রং=#800080] ... আসলে অজন্তার কোন অলটারনেটিভ ছিলো না। সুতরাং বাধ্য হয়েই...।

সমস্ত গন্ডগোলের মূলে ছিলো অজন্তার মা। আরে বাবা, মেয়েটা নাহয় ফড়িং হয়ে একটু বেশিই উড়ে বেড়াচ্ছিলো- তা উড়ুক না, এ তো ওড়ারই বয়স। তাই বলে তার পাখা কেটে ফেলার ষড়যন্ত্র ! এ বড্ড বাড়াবাড়ি। অজন্তা যে প্রতিদিন ইউনিভার্সিটি থেকে দেরীতে...

পোস্টটি ৩ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি







 


কেন খুঁজিস মিছে সোনার মত
হারিয়ে যাওয়া দিন-
কেন ভাবিস বসে চেরাগ হাতে
আসবে আলাদিন--
কেন আঁকিস মনে বৃথাই কেবল
অসম্ভবের ছবি
কেন...

ব্লগার পরিসংখ্যান

  • পোস্ট করেছেন: ৫৪টি
  • মন্তব্য করেছেন: ২৩৩টি
  • মন্তব্য পেয়েছেন: ১০৩০টি
  • ব্লগ লিখেছেন:  ২ বছর ৫ মাস
  • ব্লগটি মোট  ১৭৩২১ বার দেখা হয়েছে

সাম্প্রতিক মন্তব্য

সাম্প্রতিক মন্তব্য করেছি

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

মোট সময় লেগেছে ১.২৯২২ সেকেন্ড