স্রষ্টার অস্তিত্ব: সামুব্লগের পোস্টগুলার একটা রিকারিং থিম হচ্ছে আস্তিক নাস্তিক বিতর্ক। আমার মতে পুরা বিতর্কটাই অসার, কারণ কেউ কখনো অকাট্যভাবে প্রমাণ করতে পারে নাই যে স্রষ্টা আছে, একইভাবে কেউ কখনো অকাট্যভাবে প্রমাণ করতে পারে নাই যে স্রষ্টা নাই। কখনো পারবে বলেও মনে হয় না।এখন, দুইটাই যেহেতু অপ্রমাণিত বিষয়, তাই এই বিষয়ে তর্ক করাটাই অযৌক্তিক। আপনি যে পক্ষেই যুক্তি দেখাননা কেন বিপক্ষেও সমান যুক্তিই পাওয়া যাবে।
স্রষ্টা থাকলেই কি ধর্ম সঠিক?: ব্লগে ধার্মিকরা প্রমাণ করার চেষ্টা করেন যে স্রষ্টা আছে, আর নাস্তিকরা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে স্রষ্টা নেই, বা তার থাকার প্রয়োজন নেই। কিন্তু একটা বিষয় সবারই দৃষ্টি এড়িয়ে যায়। মনে করুন যে স্রষ্টা আসলেই আছে। এটা প্রমাণ হলেই কি প্রচলিত ধর্মগুলো সত্য বলে প্রমাণিত হয়ে যায়। এমন ওতো হতে পারে, ঈশ্বর সৃষ্টি করেই অবসরে আছেন, বসে বসে মজা দেখতেছেন। হয়তো তার বিশাল সৃষ্টি-জগতের কোটি কোটি গ্যালাক্সির মধ্যে একটা গ্যালাক্সি মিল্কি ওয়ের বিলিয়ন বিলিয়ন তারার মধ্যে একটা সূর্যের চারিদিকে ঘূর্ণায়মান একটা ক্ষুদ্র গ্রহ পৃথিবীতে বসবাসকারী কোটি প্রজাতির মধ্যে একটা মানুষ কি করছে এই বিষয়ে তার কোন আগ্রহই নেই।
বিবর্তনবাদের ভুল ব্যাখ্যা: বেশিরভাগ আস্তিকই মনে করেন বিবর্তনবাদ অনুসারে মানুষ বানরের বংশধর, যা তাদের অজ্ঞতাই প্রকাশ করে। বিবর্তনবাদ অনুসারে সকল প্রাইমেটই একই সাধারণ পূর্বুপুরুষ থেকে উদ্ভুত। কিন্তু তার মানে এই না যে মানুষ সরাসরি বানর বা শিম্পান্জি বা ওরাং ওটাং এর বংশধর। আপনি ও আপনার চাচাত ভাইয়ের কমন এনসেস্তর আছে মানে এই না যে আপনি তার বংশধর.

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

