আমগো দেশের রাজনীতিতে বহুত ডাইনামিজম তৈরী করছে বেঙ্গলী ন্যাশনালিস্ট এজেন্সির মালিক চোদ্দ দলীয় মহাজোটের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামীলীগ। সেইসব কইয়া শেষ করন যাইবো না, মেলা কাহিনী। ট্রামকার্ড থেকে শুরু কইরা এক-এগার সরকারের বৈধতা দেওনের ঘোষণা। তাহার অব্যবহতি পরেই সেই বৈধ সরকারের হাতে জাতির মানসকন্যা গ্রেফতার হওনের পর সরকারের অবৈধ বনে যাওয়া, লাজুক কন্যার মতো জামাতের সাথে করমর্দনের পর হাত এবং শরীর অচ্ছুত বা জাত হারাইল কি হারাইলো কিনা তা নিয়ে ডাইনামিক এবং যথারীতি ইন্টেলেকচুয়াল, ধর্ম ও মোল্লাতাত্ত্বিক আলোচনার সূচনা, অতপর তাগো নেত্রী বের হওনের পর একই সাথে দুর্নীতি আর আম্রিকার সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধরে সমর্থন দানের ঘোষণা দিয়া বৈদেশ গমন, তারেকরে চিকিৎসার জন্য জামিনে মুক্তি দেওনের পর সৈয়দ আশ্রাফুল হক নামের দলের তরুণ সেক্রেটারীর বিষ্ময়ে হতবাক চেহারায় উষ্ঠা খাওনের পর সেই বিখ্যাত কমেন্ট: তারেকের মত মহাচোররে ছাইড়া দিলে পর আম্লিগের ছোড ছোড চোরগুলানরেও ছাইড়া দিতে হইবো কইলাম, তার পরে সেই ঐতিহাসসৃস্টিকারী ট্রাম্পকার্ডের নায়কের একদিনেই ঘুম হইতে জেগে নিজেরে সেক্রেটারী ঘোষণা, অতপর বিকেলেই আবার গভীর বিশ্রাম নিয়ে শরীর সচেতন হয়ে ঘুমের টেবলেট গিল্যা পনের দিন থেইক্যা নিখোঁজ, এইসব ডাইনামিজম বাঙ্গাল রাজনীতির ঐতিহাস নির্মাণে গরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বইলাই আমার বিশ্বাস।
তো, আইজকা আম্লিগের মতিয়া চৌধরী আর একখান ডাইনামিক কথা ছাড়ছেন, মানে নিয়ম মতো ত্যাগ করছেন। তাহা হইলো: সরকার এই পলিটিক্যাল সামিট কইরা নিজেগো বৈধতার লাইগা সনদে সাক্ষর করায়া নিতে চায়, তাইতে আমগো কুন সমস্যা থাকনের কথা নয়, কিন্তু, আমগো লগে ঐ বৈঠকে জামাতগো রাখার প্লান হইতাছে, তাইলে কিন্তু আম্লিগ জাত লইয়া বাঁচবার পারব না। হক কথা, আম্লিগের জাত বাঁচানো আমগো লাইগ্যা ফরজ, এই অবৈধ সরকাররে বৈধতা তো তারাই হগলের আগে দিবার চাইছিল, অহনো চায় মতিয়া, তয় জামাত ছুঁলে দেশের সুখ শান্তি সব হারাম কইরা দিবো আম্লিগ। আমরা তাগো এইসব ডাইনামিজম গুলারে সশ্রদ্ধ নয়নে সেলাম জানাই আর পুলকিত হইয়া ঐতিহাস লিখি।
ঐতিহাসে একখান কোয়েশ্চেন যোগ হইবার পারে, যদি হগ্গলে একমত হওন যায়, তাহা হইলো: আওয়ামীলীগ জাত কয়বার হারায়?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

