somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... এক্সপার্টদের কাছে সাহায্য চাই !!!
সাউন্ড কার্ড লাগালে কি রেকডিং-এর মান ভাল হবে ? নাকি ভাল সফটওয়ার ইউজ করলে মান ভাল হবে ? আর কথা বলার সময় যে নয়েজ সূষ্টি হয় তা কিভাবে রিমুভ করতে পারি ?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29186584 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29186584 2010-06-27 22:19:35
খাদ্যের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ
স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় খাবারঃ
দেহ গঠনে, শারীরিক শক্তি রক্ষায় ছয় ধরনের খাদ্য উপাদান খুব জরুরি। এগুলো হলো শর্করা, প্রোটিন, ফ্যাট বা চর্বি জাতীয় খাবার, ভিটামিন, খাদ্য লবণ ও পানি। আপনার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে সচল রাখার পাশাপাশি উপকারী হরমোন তৈরিতে, রোগ প্রতিরোধে খাদ্যের এ ছয়টি উপাদান খুবই জরুরি। এর মধ্যে ভিটামিন সুস্থ দেহের জন্য খুব অল্প পরিমাণে প্রয়োজন হলেও দেহের জৈবিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য এর বিকল্প নেই।

রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন ও খাদ্য লবণের ভূমিকাঃ
দেহের ঘাটতি পূরণে কিংবা রোগ প্রতিরোধে ভিটামিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যেমন রাতকানা রোগটি ভিটামিন-এ এর অভাবে হয়ে থাকে। এছাড়া ভিটামিন সি-এর অভাবে স্কার্ভি, থায়ামিনের অভাবে বেরিবেরি, ভিটামিন-ডি-এর অভাবে হাড়ের রোগ যেমন রিকেটস, ভিটামিন বি১২-এর অভাবে এক ধরনের রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। তাই এসব রোগ থেকে বাঁচতে হলে আপনার খাদ্য তালিকায় ভিটামিন জাতীয় খাদ্য থাকা জরুরি। মনে রাখবেন ভিটামিনের অভাব পূরণে প্রতিদিনের খাবারই যথেষ্ট, ভিটামিন জাতীয় ওষুধ খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। তবে বিশেষক্ষেত্রে যেমন হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে ফলিক এসিড, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন বি১২ ইত্যাদি ভিটামিন জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করা যেতে পারে। এসব ভিটামিন রক্তে হোমোসিস্টিনের পরিমাণ কমিয়ে হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। এছাড়া ফলিক এসিড বা অন্যান্য ভিটামিন জাতীয় ওষুধ গর্ভবতী মায়েরা গ্রহণ করলে সন্তানের জন্মগত শারীরিক সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

খাবারের তালিকা কেমন হওয়া উচিতঃ
ওজন কমাতে কিংবা ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে কম শক্তিদায়ক খাবার গ্রহণ করতে হবে। শাক-সবজি এবং ফলমূলে অল্প পরিমাণে শক্তি পাওয়া যায়। ফলে এসব খাবার আপনি ইচ্ছামতো খেতে পারেন। চর্বিজাতীয় খাবার, স্ন্যাকস, ডিমের কুসুম, ফ্রাইড ফুড, মিষ্টি ইত্যাদি খাদ্যে প্রচুর পরিমাণে শক্তি থাকে। তাই এগুলো খুবই কম পরিমাণে খাওয়া উচিত। মনে রাখবেন উচ্চ শক্তিদায়ক খাবারে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল এবং সম্পৃক্ত চর্বি থাকে। এক কথায় সুস্থ থাকতে হলে এবং রোগ প্রতিরোধ করতে হলে শাক-সবজি, ফলমূল, ফ্যাটমুক্ত দুধের ওপর নির্ভরতা বাড়াতে হবে, গরুর মাংস, খাসির মাংস, ফাস্টফুড, চিপস, ডিম ইত্যাদি খুব কম পরিমাণে খেতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29084360 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29084360 2010-01-23 21:13:13
একটা চাদর হবে চাদর- গানটার লিংক চাই !!!! প্লিজ হেল্প মি !!!! ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29005948 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29005948 2009-09-07 00:21:56 সীমান্তের চোরাচালানিরা সোয়াইন ফ্লু ছড়াচ্ছে : রাজশাহীতে আক্রান্ত ৫, একজন হাসপাতালে
অপরদিকে সীমান্তপথে বিপুলসংখ্যক লোক যাতায়াত করায় এবং তাদের শারীরিক পরীক্ষার ক্ষেত্রে সরকারি ব্যবস্থাপনা চাহিদার তুলনায় সীমিত থাকায় সোয়াইন ফ্লু ভাইরাস দ্রম্নত ছড়িয়ে পড়ছে বলেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ধারণা করছেন। চোরাচালানীরা সীমান্ত-পথে রাতের বেলা বেশি যাতায়াত করে থাকে। তাই সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে সীমান্ত রক্ষী বাহিনীসহ অন্যান্য সংস্থাকে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের জোর তাগিদ দিয়েছে দেশের খ্যাতিমান বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ।

এদিকে রাজধানীসহ আশপাশের সরকারি হাসপাতালে সোয়াইন ফ্লুর উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন দ্বিগুণ হারে রোগী আসছে বলে জানা গেছে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, মিটফোর্ড হাসপাতাল, সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়, সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল ও বক্ষব্যাধি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলেছেন, এখন আর সোয়াইন ফ্লু সনাক্ত করার জন্য মহাখালী রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটে (আইইডিসিআর) ‘স্যাম্পল’ প্রেরণ করার প্রয়োজন নেই। লক্ষণ দেখে তারা সোয়াইন ফ্লুর চিকিৎসা দিচ্ছেন। এর ফলে আইইডিসিআরে সোয়াইন ফ্লু সন্দেহে স্যাম্পল আসা অনেক কমে গেছে। অবশ্য সরকারিভাবে এই প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করেই সোয়াইন ফ্লু আক্রান্তদের সংখ্যা প্রকাশ করা হচ্ছে। আইইডিসিআর-এর এক কর্মকর্তা বলেন, তাদের নিয়োজিত সার্ভিলেন্স টীম দেশের ১৮টি হাসপাতাল থেকে সংগৃহীত স্যাম্পল পরীক্ষার জন্য আইইডিসিআরে প্রেরণ করছে। শুধুমাত্র এই প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে সোয়াইন ফ্লু আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা জানা যাবে না বলে ওই কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন। তার মতে, দেশে ব্যাপকহারে সোয়াইন ফ্লু ছড়িয়ে পড়ছে। আক্রান্তদের সংখ্যা হাজার হাজার হতে পারে। এই মুহূর্তে প্রতিরোধ সম্পর্কে জনগণের মাঝে সচেতনতা কার্যক্রম ব্যাপকহারে প্রচার ছাড়া বিকল্প কিছু করার নেই। এই রোগ সহজে প্রতিরোধ করা সম্ভব বলে সোয়াইন ফ্লু সনাক্তকারী ওই কর্মকর্তারা জানান।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, গতকাল শুক্রবার সোয়াইন ফ্লুতে আরো ৬ জন আক্রান্ত হয়েছে। এ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা ২৮১ জন এবং মারা গেছে ১ জন। সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে সরকার সর্বাত্মক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে বলে তিনি জানান।

হিলি সীমান্তে ঝুঁকির মুখে ৫ হাজার মানুষ

হাকিমপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি জানান, দিনাজপুর জেলার হিলি-স্থলবন্দরের প্রায় ৫ হাজার বিভিন্ন পেশার মানুষ সোয়াইন ফ্লুর তীব্র ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। বন্দরে ভারত থেকে প্রতিদিন আসা পণ্যবাহী ট্রাকগুলোর চালক ও হেলপারদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা না থাকায় সোয়াইন ফ্লু ব্যাপকহারে ছড়িয়ে পড়ার আশংকা রয়েছে। প্রতিদিন ভারতীয় প্রায় ২শ’ ট্রাকের ৪শ’ চালক ও হেলপার দেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে থাকে।

হিলি ইমিগ্রেশনে শুধু ভারত থেকে আসা পাসপোর্টধারী যাত্রীদের জন্য পোর্ট মেডিক্যাল টিমের ১ জন ফার্মাসিস্ট ও ১ জন মেডিক্যাল এসিস্ট্যান্ট কাজ করলেও তাদের কাছে তথ্য সংগ্রহ ছাড়া অন্য কোন ধরনের জিনিসপত্র নেই। যার ফলে তীব্র ঝঁুকির মধ্যে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম স্থলবন্দর হিসাবে রাজস্ব প্রদানকারী হিলিবন্দরের সহস্রাধিক শ্রমিক কাজ করে যাচ্ছে।

হিলি স্থলবন্দর কতর্ৃপক্ষের এ ব্যাপারে কোন মাথাব্যথা নেই। স্থলবন্দরে কর্মরতদের মাঝে সোয়াইন ফ্লু সংক্রমণের ঝঁুকি এড়াতে এখন পর্যন্ত স্থলবন্দরে কোন প্রকার সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। শুক্রবার হিলি-স্থলবন্দরে সরজমিনে দেখা গেছে, ভারত থেকে পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে আসা চালক ও হেলপাররা আগের মতোই অবাধে বন্দরের ঘুরে বেড়াচ্ছে।

এ ব্যাপারে হিলিবন্দর সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান লিটনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে স্থলবন্দরে কোন সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। যা নেয়া হয়েছে তা শুধু ভারত থেকে আসা পার্সপোটধারী পাত্রীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে আমাদের মাঝে একটি আতংক কাজ করছে। স্বাস্থ্য বিভাগের স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও স্থলবন্দরে সোয়াইন ফ্লু সম্পর্কে সচেতনতামূলক কোন আলোচনা কিংবা অন্য কোন তথ্য জানাননি। ফলে তারা সবাই সোয়াইন ফ্লুর ঝঁুকির মধ্যে রয়েছেন বলে তিনি স্বীকার করেছেন।

রাজশাহীতে আক্রান্ত ৫, একজন হাসপাতালে

রাজাহী অফিস জানায়, ভারত পাশের দেশ হওয়ায় সোয়াইন ফ্লু ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে রাজশাহীসহ উত্তরাঞ্চলের সীমান্তবর্তী এলাকার মানুষ। রাজশাহীতে গত এক সপ্তাহে পাঁচজন এই ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে একজনকে গতকাল শুক্রবার আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের অধীন সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজশাহী সিভিল সার্জন ডা: জহুরম্নল ইসলাম গতকাল এই খবর নিশ্চিত করেছেন। আক্রান্ত ঐ রোগীর নাম শামীম আরা (৫১)। রাজশাহীতে এই রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগী হিসেবে এই মহিলাই প্রথম। তার অবস্থা বর্তমানে উন্নতির দিকে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া অপর চার জন ঢাকায় সনাক্ত হয়ে নিজ বাড়িতেই চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানানো হয়েছে। এদের মধ্যে দুইজন রাজশাহীর পুঠিয়া এবং দুইজন পবা উপজেলার।

এদিকে প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী গতকাল বিকেলে হাসপাতালে সোয়াইন ফ্লু রোগীদের জন্য নির্ধারিত ওয়ার্ড পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ঐ রোগীর সম্পর্কে খোঁজ খবর নেন।

হাসপাতাল ছাড়ছেন আতংকিত রোগীরা

সিরাজগঞ্জ সংবাদদাতা জানান, সোয়াইন ফ্লু আক্রান্ত সন্দেহে রোগীকে সিরাজগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করার পর শুক্রবার পর্যন্ত গত ২ দিনে অন্য ২০ জন রোগী হাসপাতাল ছেড়ে চলে গেছে। ঢাকায় সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়ে কলেজ ছাত্র ইমরম্নল (১৯) নিজ বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিল। গত বুধবার রাতে তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে সিরাজগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তির জন্য আনা হলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ভর্তি না করলে তাকে শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলীর নির্দেশে তাকে বিকালে সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সোয়াইন ফ্লু রোগী হাসপাতালে ভর্তি করার পর অন্য রোগীদের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। অন্তত ২০ জন রোগী কোন ছাড়পত্র ছাড়া&ই স্ব ইচ্ছায় হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায়। হাসপাতালে অন্যান্য রোগী, কর্তৃপক্ষ, নার্স ও চিকিৎসকদের মধ্যেও আতংক দেখা দিয়েছে।

দেশের সব হাসপাতালে বিশেষ

প্রস্ত্ততি রয়েছে : স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

এদিকে এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এবং সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী গতকাল রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি ও পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শনকালে সোয়াইন ফ্লু বিষয়ে গণসচেতনতা তৈরিতে মিডিয়ার ভূমিকার প্রশংসা করেন। রাজশাহী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সোয়াইন ফ্লু প্রতিরোধে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার গাইড লাইন পুরোপুরি মেনে চলছে এবং দেশের সকল হাসপাতালে সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত রোগীদের জন্য বিশেষ প্রস্ত্ততি গ্রহণ করা হয়েছে। উপদেষ্টা সোয়াইন ফ্লুর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন এবং এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টির ব্যাপারে গুরম্নত্বারোপ করেন।

উপদেষ্টার সফরকালে তাঁর সঙ্গী ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ওমর ফারম্নক চৌধুরী, সিভিল সার্জন ডা. জহুরম্নল ইসলাম, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার কো-অর্ডিনেটর ড. আকিওরি কামা, কনসালটেন্ট প্রফেসর লায়লা পারভীন বানু প্রমুখ।

সূত্র: Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29005084 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29005084 2009-09-05 14:44:37
দাম্পত্য কলহ
২০-৩০ বছর বা এর বেশি বছর ধরে সংসার করার পরও তুচ্ছ ঘটনায় হুট করেই ভেঙ্গে যায় পরিবার। তার একমাত্র কারণ হচ্ছে দাম্পত্য কলহ, যা বর্তমান সময়ে ক্যান্সারের আকার ধারণ করে আমাদের গোটা সমাজকে আক্রমণ করছে। আমরা একটি বারের জন্যও চিন্তা করি না, দাম্পত্য কলহে আমাদের সন্তানদের ওপর কি রকম বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।


প্রতিটি মানুষই ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য বোধের অধিকারী। বিবাহিত জীবন যেহেতু নারী-পুরুষের সৃষ্ট, সেহেতু সেখানে মতের অমিল, দ্বন্দ্ব, ঝগড়াঝাটি হওয়াটাই স্বাভাবিক। বর্তমান সময়ে আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করে থাকি যে, নারী-পুরুষ একটি পারিবারিক পরিবেশে আবদ্ধ থেকেও যে যার মতো জীবনকে অতিবাহিত করছে। আর তখনই পরিবারের মধ্যে একটি অদৃশ্য দেওয়ালের সৃষ্টি হয়, যা পরিবার ভেঙে যাওয়ার অন্যতম কারণ। এমন কোনো বিবাহিত জীবন খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে মনোমালিন্য, কথা কাটাকাটি কিংবা ঝগড়াঝাটি হয় না। এ কথা সত্যি যে, আমরা কমবেশি সবাই শান্তিপ্রিয়। তাই সহজেই ঝগড়া নামক অশান্তিতে পতিত হতে চাই না। তারপরও হয়তো কখনো কখনো ঝগড়ায় লিপ্ত হতে হয়। সদিচ্ছা, একটু চেষ্টা আর নিজেদের ত্যাগ স্বীকার করার মনোবলের কারণে আমরা সাংসারিক জীবনে এমন অনেক অনভিপ্রেত ঘটনা এড়িয়ে যেতে পারি।

কারণ কি?

দাম্পত্য কলহ কি কারণে সৃষ্ট, এই বিষয়টি অনেকেরই বোধগম্য নয়। নারী-পুরুষের মাঝে ঝগড়াঝাটি বা দ্বন্দ্ব কোনো না কোনো কারণে সংগঠিত হয়ে থাকে। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণ তুচ্ছ বা বিরাট যা-ই হোক না কেন সঠিক কারণগুলো অনুসন্ধান করে আলোচনার মাধ্যমে সুন্দর সমাধান করা সম্ভব। মনের মধ্যে কোনো রাগ বা ক্ষোভ পুষে না রেখে প্রকাশ করুন। মনের মাঝে যদি রাগটা পুষে রাখেন তবে এর অনেক ডালপালা গজাবে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ক্ষুদ্র রাগটাই বিশাল আকারে পরিণত হয়। তাই মনের মাঝে কোনো কারণে সঙ্গী বা সঙ্গিনীর প্রতি ক্ষোভ জন্মালে তার কারণ বা প্রকৃতি যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব প্রকাশ করার চেষ্টা করুন। তাহলে নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটবে। আর সবক্ষেত্রেই যে রাগ বা ক্ষোভ প্রকাশ করেই কথা বলতে হবে এমন কোনো কথা নেই। ঠান্ডা মাথায় যে কোনো কিছু আলোচনাই হচ্ছে সবচেয়ে ভালো পন্থ্থা। দু’জনের মধ্যে একজন যদি রেগে যান, তাহলে অন্যজন নীরব থাকুন। রেগে গেলে মানুষ তার নিজ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সে সময় যদি প্রতিটি কথার উত্তর দেয়া হয় তবে তা রাগের আগুনে ‘পেট্রোল ঢালার’ মতোই কাজ করে। রাগ পড়ে গেলে সে তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত হয়। তখন নিজেই বুঝতে পারবে, যে কারণে বা ভুল বোঝাবুঝিতে সে এতো রাগারাগি করলো এতোটা না করলেও চলতো। এতোকিছু করা সম্ভব হয়েছে আপনার নীরবতার কারণে। কাজেই নীরব থেকে পরে সঙ্গীকে বোঝান।

ক্ষমা চান বা সরি বলুন

মানুষ মাত্রই ভুল হতে পারে। সমগ্র প্রাণীকুল একমাত্র মানুষই মাত্রাতিরিক্ত ভুল করে থাকে। ভুলের মাত্রা যেমনই হোক না কেন, ক্ষমা চাওয়া এবং ক্ষমা করতে পারা এমন একটি গুণ যার দ্বারা দাম্পত্য জীবনের অনেক ক্ষত উপশম হয়। ক্ষমা চাইলেই কেউ ছোট হয়ে যায় না বরং ক্ষমা চাওয়ার কারণে আপনার পরিবারে শান্তি বিরাজ করবে এবং আপনি এগিয়ে যাবেন। ক্ষমা চাওয়াটাই হচ্ছে আপনি যে অনুতপ্ত সেটা প্রকাশ করা এবং সেই সঙ্গেী নিজের ভুল স্বীকার করা, আর এমন করলে আপনার সঙ্গী-সঙ্গিনী আপনাকে অবশ্যই ক্ষমা করবে। তবে মনে রাখতে হবে, সেই ক্ষমা চাওয়ার মধ্যে যথেষ্ট আন্তরিকতা আর সহমর্মিতা থাকতে হবে। প্রাণহীন ক্ষমা চাওয়ার কারণে দ্বন্দ্বের কোনো সমাধান না হয়ে বরং তা আরো জটিল আকার ধারণ করে।

কি করবেন

দাম্পত্য আলাপচারিতায় নিচের বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখুন। তাতে করে অনেক বিরূপ পরিস্থিতি এড়াতে পারবেন।

* মন পরিষকার করে পার্টনারের কাছে ঠান্ডা মাথায় আপনার নিজের ভাষায় অভিযোগ প্রকাশ করুন।

*ভুল বোঝাবুঝি নিয়ে আপনার অনুভূতির পরিপূর্ণ প্রকাশ সুন্দরভাবে ঘটান।

* দুই পক্ষকেই কথা বলার সুযোগ দেয়া উচিত।

* ধৈর্য ধরুন এবং অপেক্ষা করুন।

* নিজেই নিজেদের মধ্যে সৃষ্ট সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী হোন।

কি কি করবেন না বা এড়িয়ে চলবেন

* সঙ্গী বা সঙ্গিনীর ক্ষমা চাওয়ার প্রত্যাশায় বসে থাকবেন না।

* কোনো খোঁচা বা উত্তপ্তকর কথা ব্যবহার করবেন না।

* দাম্পত্য কলহের মাঝে অপ্রাসঙ্গিক কোনো কথা তুলে আনবেন না।

* নিজেদের সম্পর্কে তৃতীয় পক্ষকে টেনে কথা বলবেন না।

* কোনো সপর্শকাতর বিষয় নিয়ে আক্রমণ করবেন না।

* সব ভুল সঙ্গী বা সঙ্গিনীর-এমন ভাব দেখাবেন না।

২০-৩০ বছর বা এর বেশি বছর ধরে সংসার করার পরও তুচ্ছ ঘটনায় হুট করেই ভেঙ্গে যায় পরিবার। তার একমাত্র কারণ হচ্ছে দাম্পত্য কলহ, যা বর্তমান সময়ে ক্যান্সারের আকার ধারণ করে আমাদের গোটা সমাজকে আক্রমণ করছে। আমরা একটি বারের জন্যও চিন্তা করি না, দাম্পত্য কলহে আমাদের সন্তানদের ওপর কি রকম বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে। এই সমস্যার কারণে তারাই বেশি অশান্তিতে ভোগে।

তাই দাম্পত্য কলহ এড়িয়ে চলুন। যদি নিজেদের মধ্যে কোনো সমস্যা থেকে থাকে তা সন্তানদের সামনে প্রকাশ না করে নিজেরাই নীরবে আলোচনা করুন এবং ত্যাগ স্বীকার করুন। দেখবেন আপনি যেমন শান্তি পাচ্ছেন, তেমনি আপনার সন্তানরাও সঠিক পথে নিজেকে পরিচালিত করতে পারছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29002706 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/29002706 2009-09-01 01:18:24
খুব সমস্যায় আছি । সাহায্য করুন । প্লিজ! প্লিজ! প্লিজ (সাময়িক) http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28909901 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28909901 2009-02-11 23:38:56 রোগঃ- হেপাটাইটিস
কিছু কিছু ধরনের হেপাটাইটিস-এর কোন লক্ষণ ধরা পড়ে না। আবার অন্যান্য হেপাটাইটিস রোগের শুরুতে যে লক্ষণগুলো দেখা যায় সেগুলো অনেকটা ফ্লু বা ইনফ্লুয়েঞ্জা রোগের লক্ষণের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণঃ

১. জ্বর।

২. বিতৃষ্ণাবোধ এবং বমি।

৩. খাবারের প্রতি অনীহা।

৪. তলপেট বা উদরে ব্যথা।

৫. অবসাদ।

অন্যান্য লক্ষণের মধ্যে রয়েছেঃ

১. কালো বা গাঢ় পস্রাব।

২. ম্লান এবং কাঁদা রঙ্গের মল।

৩. জন্ডিস - চোখ এবং ত্বক হলুদ হয়ে ওঠা।



কী করা উচিত

১. আপনার যদি হেপাটাইটিসের লক্ষণ ধরা পড়ে সেক্ষেত্রে মদ পান করবেন না। হেপাটাইটিস হবার পরও মদ পান করলে লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি আরও বেড়ে যায়।

২. বাড়িতে থাকুন এবং প্রচুর বিশ্রাম গ্রহণ করুন। আপনাকে যে বিছানায় শুয়ে থাকতে হবে এমন নয়, তবে ক্লান্তি অনুভব করলে শুয়ে থাকাই ভালো।

৩. প্রতিদিন অন্তত ১০ গ্লাস পানি পান করুন।



কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. প্রথমে উল্লেখিত লক্ষণগুলোর দুটো বা তারও বেশি লক্ষণ যদি আপনার সাথে মিলে যায় কিংবা অন্যান্য লক্ষণগুলোর যে কোন একটির সাথে মিলে যায়; বিশেষত যদি কোন হেপাটাইটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির সংসপর্শে আপনি এসে থাকেন।

২. যদি হেপাটাইটিস থেকে সেরে ওঠার সময় আপনার মধ্যে নতুন কোন লক্ষণ দেখা দেয়।



কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. বিদেশ গমনের সময় যে দেশে যাচ্ছেন সেই দেশে হেপাটাইটিসের প্রকোপ জেনে নিন, যদি সে দেশে হেপাটাইটিসে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি থাকে সেক্ষেত্রে টিকা নিয়ে নিন।

২. বিদেশে গেলে সেখানে কেবল ফুটানো পানি পান করবেন। খোসা ছাড়ানো কিংবা রান্না না করা ফল বা শাকসব্জি আহার করবেন না।

৩. বার বার আপনার হাত সাবান দিয়ে ধূয়ে ফেলুন।

৪. নিরাপদ যৌন মিলনের চর্চা করুনঃ কেবল একজন সঙ্গি যার প্রতি আপনার আসহা রয়েছে যে সে এই ভাইরাসে আক্রান্ত নয় তার সাথে যৌন মিলনই সবচে নিরাপদ। যদি আপনার একাধিকা ব্যক্তির সাথে যৌন সম্পর্ক থাকে, সেক্ষেত্রে লেটেক্স কনডম ব্যবহার করুন, এমনকি যখন ওরাল সেক্স (মুখ দ্বারা কৃত যৌন চর্চা) করবেন তখনও। এবং ব্যবহৃত কনডম কখনই ব্যবহার করবেন না।

৫. যে মানুষের যৌন জীবন সম্পর্কে আপনার কোন ধারণা নেই বা যে এইচআইভি-এর পরীক্ষা করতে আগ্রহী নয় তার সাথে অনিরাপদ যৌন মিলনে কখনই অগ্রসর হবেন না।

৬. এ্যানাল সেক্স বা নিতম্ব দিয়ে যৌন চর্চা থেকে নিজেকে বিরত করুন, কেননা রক্তপাতের কারণে এক্ষেত্রে ঝুঁকি থাকে বেশি।

৭. জড়িয়ে ধরা, চুম্বন করা (শরীরের যেকোন অংশে), ম্যাসেজ করা এবং সপর্শ করা নিরাপদ - এতে কোন ভয় নেই।

৮. মদ পান করবেন না। তবে মদ পানের অভ্যাস থাকলে, যদি পুরুষ হন সেক্ষেত্রে দিনে ২৫০ এম এল এর বেশি মোটেও পান করবেন না, আর নারী হলে ১২৫ এম এল এর বেশি নয়। তবে স্বাসহ সার্বিকভাবে ভালো রাখতে কখনই মদ না খেলে উত্তম, যদি একান্তই সেটা সম্ভব না হয় তবে সপ্তাহে তিন বার মদ পান করবেন এর বেশি নয়।

৯. শিরায় প্রবেশ করিয়ে বা ইঞ্জেকশান দিয়ে নিতে হয় এরকম কোন ওষুধ বা নেশা দ্রব্য নেবেন না।

১০. যখন পায়রসিং, বা ট্যাট্টু আঁকার কাজ বা দেহে আকুপাংচার করবেন তখন নিশ্চিত হয়ে নিন যে এসব কাজে স্টেরিয়ালাইজড নিডল বা সূঁচ ব্যবহার করা হচ্ছে।

১১. যারা ’এ’ কিংবা ’ই’ হেপাটাইটিসে আক্রান্ত তাদের কোন খাবার রান্না করা বা অন্যের খাবার সপর্শ না করাই উত্তম। এবং তাদের বিছানা পত্রও নিয়মিত ধূয়ে পরিস্কার রাখা উচিত।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28904053 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28904053 2009-01-29 19:36:39
ঘুমের সমস্যা বা অনিয়ম
নার্কোলেপ্সিঃ

১. দিনের বেলায় পাঁচ মিনিট থেকে এক ঘন্টার জন্যে হঠাৎ করেই ঘুমিয়ে পড়া, এবং ঘুম কে নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থতা।

২. তীব্র আবেগ কিংবা অবসাদের কারণে হঠাৎ করেই পেশির নিয়ন্ত্রণ হারানো।

৩. ঘুমাবার সময় এবং জেগে ওঠার সময় বিচিত্র সব দৃষ্টিভ্রম হওয়া।

৪. অবসাদ।

নিদ্রাহীনতাঃ

১. ঘুম না আসা।

২. অল্প সময়ের মধ্যেই ঘুম ভেঙ্গে যাওয়া।

৩. দিনের বেলায় তন্দ্রালুভাব।

৪. মনোসংযোগের ক্ষমতা হ্রাস পাওয়া।

অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ এপনিঃ

১. চিত হয়ে বা পিঠ নিচে দিয়ে ঘুমাবার সময় তীব্র শব্দে নাক ডাকা।

২. হালকা মাথা ব্যথা।

৩. দিনের বেলায় তন্দ্রালুভাব এবং মনোযোগ নিবেশে সমস্যা হওয়া।

৪. ব্যক্তিত্বের পরিবর্তন, যেমন দিনের বেলায় অস্বাভাবিক বিরক্তিবোধ।

কী করা উচিত

নার্কোলেপ্সিঃ

১. দিনের বেলায় নিয়মিত ঘুমাবার চেষ্টা করুন।

নিদ্রাহীনতাঃ

১. আরাম ও স্বস্তিদায়ক ঘুমাবার রুটিন তৈরি করুন।

২. যেসব কাজ আপনাকে স্বস্তি দেয় প্রশান্তি দেয় যেমন গান শোনা বা গল্পের বই পড়া ইত্যাদি করুন।

৩. হালকা গরম দুধ পান করুন।

৪. বিছানাকে কেবল আপনার ঘুমাবার এবং যৌন মিলনের জন্যে ব্যবহার করুন, কিন্তু কাজ করার জন্যে বা টিভি দেখার জন্যে নয়।

অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ এপনিঃ

১. চিত হয়ে বা পিঠের উপর শোয়া থেকে বিরত থাকুন।



কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার মধ্যে অবস্ট্রাক্টিভ স্লিপ এপনি, কিংবা নার্কোলেপ্সির লক্ষণ দেখা যায়, বিশেষত যদি আপনি সবসময় ঘুমঘোরে থাকেন।

২. যদি আপনি দুই সপ্তাহের বেশি সময় যাবৎ নিদ্রাহীনতায় ভোগেন।



কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. যদি আপনার ঘুম না আসে তবে বিছানা থেকে উঠে পড়ুন। এক গ্লাস হালকা গরম দুধ পান করুন। বই পত্র পড়ুন এবং আরাম করুন, যতক্ষণ না আপনার ঘুম আসে।

২. সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস করুন, তা আপনি রাতে যখনই ঘুমিয়ে থাকেন না কেন।

৩. ঘুমোতে যাবার অন্তত পাঁচ ঘন্টা সময়ের মধ্যে কোন ক্যাফেইন যুক্ত পানীয় যেমন চা, কফি ইত্যাদি পান করবেন না।

৪. ঘুমোতে যাবার অন্তত দুই ঘন্টার মধ্যে মদ পান বা ধুমপান করবেন না।

৫. শরীরের তুলনায় ওজন বেশি হলে ওজন কমাবার চেষ্টা করুন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28888802 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28888802 2008-12-27 19:37:26
রোগঃ- ডায়াবেটিস
১. বার বার পস্রাব হওয়া - মাঝে মধ্যে প্রায় প্রতি ঘন্টায় হওয়া।

২. হঠাৎ করে অজ্ঞাত কারণে দৈহিক ওজন কমে যাওয়া।

৩. পানির তৃষ্ণা বৃদ্ধি পাওয়া কিংবা অতিরিক্ত তৃষ্ণা পাওয়া।

৪. অসপষ্ট দৃষ্টি শক্তি।

৫. ক্রমাগত অবসাদ।

৬. নারীদের ক্ষেত্রে বার বার ইস্ট বা ছত্রাকঘটিত এবং মূত্রনালী বা ব্ল্যাডারের ইনফেকশন বা সংক্রামক রোগ হওয়া। কখনও কখনও মাসিক না হওয়া।



কী করা উচিত

১. আপনার যদি মনে হয় যে আপনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন সেক্ষেত্রে ডায়াবেটিস-এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

২. ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী আপনার খাদ্য তালিকা মেনে চলুন, নিয়মিত শরীর চর্চা করুন এবং দেহের রক্তে সুগার বা চিনির পরিমাণ কি সে সংক্রান্ত তথ্যগুলো পর্যবেক্ষণ করুন।



কখন ডাক্তার দেখাবেন

১. যদি আপনার ক্লান্তি লাগে এবং বিতৃষ্ণাবোধে ভোগেন, কিংবা বার বার তীব্র তেষ্টা পায়, যদি বার বার পস্রাব হয়, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয়ে যায়, কিংবা তলপেটে ব্যথা থাকে।

২. যদি আপনার বার বার তীব্র তেষ্টা পায়, আলস্যে ভোগেন, দুর্বলতা দেখা দেয়, মানসিক বিভ্রান্তির শিকার হন, সেক্ষেত্রে আপনার রক্তে হয়তো চিনির পরিমাণ মারাত্মক ভাবে বেড়ে গিয়েছে, এটা থেকে আপনি কোমা-তেও চলে যেতে পারেন। জরুরী চিকিৎসার শরণাপন্ন হোন।

৩. যদি ডায়াবেটিস-এ আক্রান্ত কোন ব্যক্তি জ্ঞাণ হারায়

৪. যদি আপনার শ্বাসে লক্ষ্যণীয় মিষ্টি গন্ধ থাকে, এবং একই সাথে উপরোক্ত লক্ষণগুলোও থাকে, সেক্ষেত্রে আপনি হয়তো জীবননাশী রোগ কেটোএসিডোসিস-এ আক্রান্ত হয়েছেন।

জরুরী ভিত্তিতে ডাক্তারের শরণাপন্ন হোন যদিঃ

১. যদি আপনার বা আপনার শিশুর মধ্যে ডায়াবেটিস রোগের লক্ষণ ধরা পড়ে।

২. যদি আপনার ডায়াবেটিস থাকে এবং আপনি ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লুতে আক্রান্ত হন; ফ্লু এবং এ জাতীয় অন্যান্য রোগ গুলো আপনার দেহের রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যেতে পারে।



কীভাবে প্রতিরোধ করবেন

১. টাইপ ওয়ান ডায়াবেটিস রোগের কোন প্রতিকার নেই

তবে টাইপ টু ডায়াবেটিস রোগ প্রতিরোধের জন্যেঃ

১. আপনার বয়স, শরীর, উচ্চতা এবং স্বাসহ অনুযায়ী ওজনটাকে পরিমিত এবং সঠিক রাখার চেষ্টা করুন।

২. নিয়মিত শরীর চর্চা করুন। ডায়াবেটিস থেকে পরিত্রান পাবার জন্যে এবং ডায়াবেটিস হলে সেটাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার ক্ষেত্রে নিয়মিত শরীর চর্চা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. আপনি যদি চল্লিশোর্ধ হন, এবং আপনার ওজন যদি শরীরের অনুপাতে বেশি হয় কিংবা যদি আপনার পরিবারের অন্য কারো বা বংশের কারোর ডায়াবেটিস হয়ে থেকে থাকে সেক্ষেত্রে প্রতি এক থেকে তিন বছরে একবার করে ডায়াবেটিস সংক্রান্ত পরীক্ষা করে দেখুন আপনি এ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন কি না।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28886548 http://www.somewhereinblog.net/blog/protifalon/28886548 2008-12-23 03:51:57