"দেশ আগাইয়া যাইতাছে" – গাজি ট্যাংক। দিন বদলায় – বাংলা লিংক। সময়ের ধারাবাহিকতায় জীবন যাপনে আধুনিকায়ন। “দূরত্ব যতই হোক... কাছে থাকুন” এর কারণে কিনা মানুষের কাছে এখন আর পুকুরে নামিয়া গোসল সম্পন্ন শৌখিনতাই। ঢাকা এবং মফস্বলের শহরগুলাতেও শয়ন কক্ষের এর সহিত এটাচ বাথ এর ব্যবহার চাহিদার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়িতেছে। প্রবলেম এখন আর সমস্যা নয়। ছাদে বসানো হৈয়াছে গাজি ট্যাংক। সো.. পানি নিয়ে ভাবনা? পেড্রোলো পাম্প আছে নেই কোন ভাবনা। তরতরিয়ে ঘড়ের ছাদের পানি কলকলিয়ে নেমে আসে সেই সুউচ্চু পাহাড় সম উচ্চতা থেকে।
হয়ত এতটা উচ্চতার কারণেই ঝরনার ব্যবহার বৃদ্ধি ঘটিয়াছে। আসলে মানুষের চাহিদার কোন শেষ নেই। চাহিদা এবং যোগানের প্রেক্ষিতে আধুনিকায়ন। রুচি বদলায়... যার কারণে আমরা হর হামেশাই শুনিতে পাই “রুচি আছে অথবা রুচি নাইক্কা”।
এক গবেষণালদ্ধ তথ্যে প্রতীয়মান হয় যে, সনাতন নিয়মে পুকুরে গোসল করিলে মাথায় পানি ঢালার কোন ব্যাপার থাকিতনা। কিন্তু ঝরনার জল অনেক উচ্চতা হৈতে নিক্ষেপণের কারণে এবং তা সরাসরি মাথার উপর আছড়ে পড়ায় চুলের উপর বাড়তি চাপ সৃষ্টি হৈয়া থাকে। গবেষণায় আরো প্রতীয়মান হয় যে... বেশী টাকা পয়সার আগমনহেতু খাদ্যাভ্ভাস এর পরিবর্তন ঘটে। তাহাতে চুলের গোড়া নরম হৈয়া পড়ে। ঝরনা হৈতে নিক্ষেপিত জল সেই চাপ সহ্য করার মত সামর্থ্য ধারণ করে না। ধারাবাহিকতায় মাথার কেশ বিন্যাসে স্বল্পতা।
পথে ঘাঁটে আমরা হর হামেশাই রিকশাওয়ালা দর্শন করিয়া থাকি অথবা বাজার করিয়া মিন্তি (কুলি) নেওয়ার সময় লক্ষ্য করিবেন তাহাদের মাথায় কেশ এর কোন স্বল্পতা নাই। তাহাতে কি প্রতীয়মান হয় না যে টাক এর সহিত একটা অর্থনৈতিক সচ্ছলতার সূক্ষ্ম যোগাযোগ বিদ্যমান? ভাবুন তো একটু..
থিং পজিটিভ... বি পজিটিভ...
যাহারা সুচকের মাপকাঠিতে অর্থনৈতিক সচ্ছলতা দলে পদার্পণ করিয়াছেন.. তাদের জন্য.. ধরুন হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হৈল। অথচ আপনি অফিসের যাওয়ার/আসার পথে রাস্তায়। বৃষ্টিতে ভিজে গেলেন। খেয়াল করুন... যার মাথায় অত্যধিক কেশ বিদ্যমান তাহার কিন্তু সর্দি-জ্বর বেশী হওয়ার সম্ভাবনা থাকিয়া যাইতেছে। কারণ তাহার কেশরাজী পানিতে ভিজিয়া থাকিবে দীর্ঘ সময় পর্যন্ত। কিন্তু কেশবিহীন থাকিলে কি এই সমস্যা হবে?
আবার প্রখর রৌদ্রে হাঁটিয়া আসিতেছেন... খাটি সরিষার তেল মাখানো চকচকে মাথায় দেখেন কীভাবে আলোকচ্ছটা ছড়াইয়া যায়। মাঝে মাঝে ইহা ক্যামেরার ফ্লাশকেও হার মানাইবে। চাইলেও কেশ ওয়ালা কারো পক্ষে সম্ভব? ভাবুনতো একটু... ...
ইহা একটি ফান পোস্ট... ঘভেষণাঢ় তত্ত্ব চাহিয়া লজ্জা দিবেন না

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

