somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... ইনডিয়ানদের প্রেডিকশন
Here is analysis regarding Chances to win the World Cup 2007 for India :

Reason1:

Year 1981
1. Prince Charles got married
2. Liverpool crowned Champions of Europe
3. Australia lost the Ashes
4. Pope Died
5. 2 years later India won the world Cup!!!

Year 2005
1. Prince Charles got married
2. Liverpool crowned Champions of Europe
3. Australia lost the Ashes
4. Pope Died
5. 2 years later India will win the world Cup

Reason2:

1982 Football World Cup won by Italy
1983 Cricket World Cup won by India

2006 Football World Cup won by Italy
2007 Cricket World Cup: INDIA

Reason 3:

1983: India has lost the only first match in 1983 world cup

2007: India has lost the only first match in 2007 and will not again

Still doubtful??? Watch out on Final Day

Knock out Punch:

1983 ? India stopped WI from winning World Cup for 3rd consecutive time
and since then WI has been in doldrums!
2007 ? India stops Australia from a 3rd time WC ? and then ???

ওদের সব্বার মাথা কুল করার জন্য আমরা কি পারিনা সব্বাইকে একটা করে আইস ব্যাগ পাঠাতে? প্রতিবেশীর হক কিন্তু আদায় করা উচিত (ক্লোজআপহাসি)(ক্লোজআপহাসি)(ক্লোজআপহাসি)]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28703739 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28703739 2007-03-27 00:39:57
এনডিয়ারে চিপড়াইলো বাংলাদেশ http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702653 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702653 2007-03-18 06:57:29 সুন্দর সকালের জন্য http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702225 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702225 2007-03-14 23:19:30 7টায় মার্কেট বন্ধ
কথা প্রসঙ্গে ড্রাইভার জানালো ... 7টায় সকল মার্কেট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আগের মত পেসেঞ্জার পাওয়া যায়না। প্রতিদিন সে সন্ধ্যা 6টা থেকে রাত 12টা পর্যন্ত ক্যাব চালায়। জমা দিতে হয় 700 টাকা। মার্কেট গুলো তাড়াতাড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাস্তায় লোক সমাগম কম। তাই তার প্রতিদিন 400/500 টাকা কামাতেই হিমসিম অবস্থা। তার মধ্যে আবার জমার টাকা। কেউ কি বুঝবে এই চালকের অবস্থা?

জলপাই ভাইগণ শরীরের রক্ত নিংড়ানো পরিশ্রমী এইসকল মানুষ গুলোর অবস্থা কি একটু অনুধাবন করার চেষ্টা করবেন? আপনাদের তো ব্যারকে চর্ব্য-চোষ্য-লেহ্য'র কোন অভাব নেই... সেখানেই ফিরুন না দয়া করে... আমরা আমাদের মতো থাকি না হয়...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702121 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702121 2007-03-14 04:44:20
মনে পড়ে না আবার মনে পড়ে ভালো লাগেনা আবার ভালো লাগে
ভুলে যেতে চাই
চাইনা আবার চাই মাঝে মাঝে
দুঃখ দিন কেটে যায় সুখ খুজে খুজে

কিছু স্মৃতি মনে পড়ে কিছু পড়ে না
কাছা কাছি ছিলো যে ক্যানো কাছে এলো না
একা একা আর একা একা
এক থেকেও নিজেকে নিয়ে থাকা
মনে পড়ে না আবার মনে পড়ে
ভালো লাগেনা আবার ভালো লাগে

কিছু ছবি চোখে ভাসে কিছু ভাসে না
সুখ গুলো কেড়ে নিলো দিয়ে বেদনা
স্বপ্নেরা ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নেরা
ভেঙ্গে যাওয়া স্বপ্নকে ধরে নেয়া

------------------------------
খালিদ এর এই গানটি ক্যামন যেন মন খারাপ করে দিচ্ছিলো বার বার]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702116 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28702116 2007-03-14 04:08:02
ফিডব্যাক এর একটা গান তুমি নাই বলে কি আজো... থেমে যায় অশ্রুর জোয়ার
থামে নাই... থামে নাই

প্রেম শুধু বিরহের গান... তোমার চলে যাওয়া
তুমি দুরে বলে কি আজো... ভেঙ্গে যায় স্নেহের বাধন

দুরে... বহু দুরে... মনে পড়ে... স্বপ্নে তুমি হও দুঃখিনি... ভোর দুপুর গোধুলি

প্রেম শুধু মনে করা... সুখের দিনগুলি
অভিশাপে মুছে গেছে... শত গানে কত কথায়
আজ বৃথায় আজ বৃথায়

প্রেম শুধু আশায় থাকা... নিরাশায় মোর পথ সাথী
যদি হয়... দেখা হয়... আমি রবো... ভালো লাগায়
তোমারি দুখের হাসি

অনেক পুরাতন একটা গান... ভালো লাগতেছিলো শোনার সময়... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701981 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701981 2007-03-13 00:46:41
আজ মৌসুমের জন্মদিন আজ ওর জন্মদিন
মৌসুম আমার খুব ভালো বন্ধু
শুভ জন্মদিন
শুভ কামনা রইলো মৌসুম... ভালো থাক... সুখে থাক... আনন্দে থাক]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701755 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701755 2007-03-11 07:07:38
একটি রাজনৈতিক পোস্ট http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701598 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701598 2007-03-09 23:43:22 আজ বিশ্ব নারী দিবস বরাাবরের মতো এবারো ব্যাপক উৎসাহ উদ্দিপনায় আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে দিবসটি পালিত হবে।
প্রথম আলো: এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'নারী ও কন্যা শিশুদের নির্যাতনকারীদের আর ক্ষমা করা নয়'
যুগান্তর লিখেছে: এ বছর নারী দিবসের প্রতিপাদ্য_ 'ধর্ম নিয়ে রাজনীতি চলবে না'।
আমাদের সময় লিখেছে: এবারের নারী দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, 'নারী ও নারী শিশুর ওপর সহিংসতার দায়মুক্তির সমাপ্তি'।
বিভিন্ন পত্রিকায় বিভিন্ন প্রতিপাদ্যের কথা বলেছে। আসলে প্রতিপাদ্য দিয়ে কি নারীদের অধিকার নির্ধারণ করা যায়। এটাও কি একধরনের শৃঙ্খলা নয়?

আমাদের এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের জনসংখ্যার অর্ধেকই নারী। জীবনের সবকিছুতেই কি তারা এই অধিকারটুকু অর্জন করতে পেরেছে? দিবসটি পালন উপলক্ষে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক ও নারী সংগঠন বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সমাবেশ-মিছিল ও আলোচনা সভা। দিবসটি উপলক্ষ্যে জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন নেত্রীবৃন্দ চমৎকার সব বানী দিবেন। আমরা পুলকিত হবো। আশায় বুক বাধব। আর বছরের বাকি দিনগুলো বানী কপচিয়ে পার করে দিব। বিদেশ থেকে ফান্ড আসবে... দামি গাড়ি হাকিয়ে দিন-রাত্রি ঘাম ঝরানো, অভাবক্লিস্ট, নিপীড়িত নারীদের কাছে যাব। বিভিন্ন চ্যানেলে ক্যামেরা আসবে। কঠিন কঠিন সব কথা আওড়াবো... সন্ধ্যায় বিভিন্ন গোল/চ্যাপ্টা টেবিল আলোচনায় ঝড় তুলবো...

প্লিজ ... প্লিজ ... প্লিজ ... আপনাদের সকলের কাছে বিনীত ভাবে অনুরোধ জানাচ্ছি... নারী আমার প্রেয়সী... নারী আমার বোন... নারী আমার মমতাময়ী মা, আমার গর্ভধারিনি মা... যিনি না থাকলে এই পৃথিবীর আলো দেখতাম না। এই সামহোয়ারইনব্লগ এ লেখা হতো না... তাকে নিয়ে/তাদের নিয়ে রসিকতা করবেন না... যদি সৎভাবে কিছু করতে চান... এগিয়ে আসুন... আমি থাকবো আপনার সাথে...
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701366 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701366 2007-03-07 23:22:26
আজ এসএসসি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701363 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701363 2007-03-07 23:01:24 ক্ষুদ্র ঋণ মেলা
যথেষ্ট পরিচ্ছন্ন পরিবেশে সু-সংগঠিত ভাবে মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে... পরে আবার লিখব]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701191 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28701191 2007-03-06 22:50:34
ফিফা ওয়ালর্ডকাপ আইকনটা এখনো আছে...
মহামান্য কতর্ৃপক্ষের কাছে সবিনয় অনুরোধ রইলো বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28700763 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28700763 2007-03-03 02:05:24
ভাষার বিজয় গণতন্পের বিজয়ের মতোই অসমপূর্ণ ইতিহাসের গতিসঙ্ন্দ আছে, ইতিহাসে ছন্দসঙ্ন্দ আছে। সেই ছন্দ স্পন্দে কিছু কিছু কংত্রিক্রট ঘটনার গুরুত্দ্ব অবশ্যই আছে। প্রথমেই বলা দরকার, যাকে আমরা ভাষা আন্দোলন বলি তার শুরু কিন্তু '52-তে নয়, শেষও '52-তে নয়। ভাষা আন্দোলন নিয়ে কথা বলতে গেলে বাংলা ভাষার ইতিহাসের দিকে অর্থাৎ তার রাজনৈতিক ইতিহাসের দিকে নজর দেওয়া দরকার। টিকে থাকার স্ট্বার্থে বাংলাকে সবসময় লড়াই করতে হয়েছে। বাংলা সবসময় ব্রাত্যজনের ভাষা নিল্ফম্নবর্গের ভাষা হিসেবে থেকেছে। বাংলার সঙ্গে একসময় রাজদরবারের ভাষা ফার্সির দ্বন্দ্ব ছিল, সংস্ট্কৃতের দ্বন্দ্বও আমরা দেখেছি। সুতরাং একটি ভাষার সঙ্গে অন্য ভাষার সমঙ্র্ক যে আসলে ক্ষমতার সমঙ্র্ক, বাংলার ইতিহাস বিচার করলে সেটা বোঝা যায়। শুধু ক্ষমতার সমঙ্র্ক বললে হয় না, বলতে হয় অসম ক্ষমতার সমঙ্র্ক। এ অসম ক্ষমতার পুনরুৎপাদন আবার আমরা খেয়াল করি ব্রিটিশ উপনিবেশ প্রতিষ্ঠার সময়। তখন ইংরেজি গুরুত্দ্বপহৃর্ণ ভাষা, শাসকশ্রেণীর ভাষা এবং সাম্রাজ্যের ভাষা। তখন বাংলা আবার বিদেশি ভাষার অধীনস্টস্ন হলো। এ সময়েই বাংলা ভাষার রাজনৈতিক ইতিহাসে আরেকটা অনস্নর্দ্বন্দ্ব দেখা দিল। 1867 সালে ভাষা নিয়ে একটা বিতর্ক হয়। সে সময় হিন্দির সঙ্গে উদর্ুর দ্বন্দ্বের পরিপ্রেক্ষিতে উদর্ুকে ভারতীয় মুসলমানদের একমাত্র ভাষা করার কথা উঠেছিল। স্যার সৈয়দ আহমদ এবং মৌলভী আবদুল হকরা সেই ধ্বনি তুলেছিলেন। তখনও বাংলার কথা মোটেই খেয়ালে রাখা হয়নি। পাকিস্টস্নান আমলেও আবার বাংলাকে লড়তে হয়েছে। নিজের বিকাশের জন্য মর্যাদার জন্য তাকে প্রতিমুহহৃর্তে আধিপত্যকামী ভাষার সঙ্গে যুদব্দ করতে হয়েছে।
এ ব্যাপারে তথাকথিত বেঙ্গল রেনেসাঁসের প্রবক্তাদের মধ্যেও টানাপড়েন লক্ষ্য করা গেছে। একদিকে পাশ্চাত্য শিক্ষার দ্বারা প্রভাবিত হবার ব্যাপার, অন্যদিকে বাংলা ভাষায় তার চর্চা চলছিল। এই টানাপড়েনে শিক্ষিত মধ্যবিত্ত যে সবসময় প্রগতিশীল ভূমিকা নিয়েছে তা নয়। ভাষা প্রশেম্ন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবস্ট্থান ছিল প্রগতিশীল। বাংলা ভাষাকে সামনে আনা ও সংস্ট্কার করার তাগিদ তিনিই এনেছিলেন। তার 'বর্ণপরিচয়' 'আদর্শিলিপি' এবং বাংলা ভাষায় সাহিত্য রচনার মাতৃভাষার প্রতি তার দায়বোধই প্রকাশ পায়। ইংরেজির সঙ্গে বাংলার দ্বন্দ্বে তার পক্ষপাত সঙ্ষদ্বভাবে বাংলার দিকে। কিন্তু তিনিও একটা পর্যায়ে এসে থেমে যান। তার পরে বগ্ধিকমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়-এর হাতে বাংলা ভাষার চর্চা ও উপন্যাসের ভিত রচনা হয়ছে। তবে সেখানেও দেখছি যে, ভাষা প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে উপনিবেশবাদ বিরোধিতার প্রয়োজন তিনি খেয়াল করছেন না। ভাষা যে সংগ্রামের ক্ষেত্র, এমনকি রাজনৈতিক মুক্তিসংগ্রামেরও ক্ষেত্র হতে পারে, ঊনবিংশ শতকে তার ওপর বেশি গুরুত্দ্ব দেওয়া হয়নি। '52 সালের ভাষা আন্দোলনে চূড়ায় এ বিষয়টিই উন্মোচিত হয়েছে।
ভাষা ও জাতীয়তাবাদের সমঙ্র্ক কি তখনই সামনে আসে?
বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে চেতনা এবং যার মধ্যে একধরনের উপনিবেশবাদ বিরোধিতা থাকতে পারে, তা সীমাবদব্দভাবে হলেও আমরা লক্ষ্য করি ঈশ্বরচন্দ্রে, বগ্ধিকমে এবং আরো বেশি করে মধুসহৃদন দত্তের মধ্যে। তার 'মেঘনাদবধ কাব্যকে' বলা যেতে পারে ওই সময়ের জাতীয় মহাকাব্য। জাতীয়তাবাদের মধ্যে ভাষার ব্যাপারটি গুরুত্দ্বপহৃর্ণ। বিশেষত সেই জাতীয়তাবাদে যার মধ্যে উপনিবেশবাদবিরোধী উপাদান উদ্ঘাটনের ব্যাপার আছে। তাহলে আমরা দেখছি যে, ভাষা আন্দোলন এবং ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদের শুরুটা আরো আগে এবং সাহিত্য তাতে একটা গুরুত্দ্বপহৃর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
দেখা যাচ্ছে, রাষদ্ব্রের অভিভাবকত্দ্ব ছাড়া ভাষার পহৃর্ণ বিকাশ হচ্ছে না।
অনেক ক্ষেত্রেই তো ভাষা রাষদ্ব্রের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দি্বতা করেছে, মর্যাদা দাবি করছে। আবার একইসঙ্গে উপনিবেশবাদের উপাদানগুলোকে নিজের মধ্যে পুনঃসৃষদ্বিও করেছে। অর্থাৎ ভাষার গতি একরৈখিক না যে, অত্যনস্ন নিরেট, সঙ্ষদ্ব ও সবল উপনিবেশবাদ বিরোধিতা আমরা পাব। মধ্যবিত্ত সমাজ নিজ শ্রেণীস্ট্বার্থেই ঔপনিবেশিক সমঙ্র্ককে টিকিয়েও রেখেছে। যার উদাহরণ বগ্ধিকমচন্দ্রের রাষদ্ব্রচিনস্না। তিনি যে রাষদ্ব্র কল্কপ্পনা করছেন সেটা কিন্তু ভাষাভিত্তিক নয়, সামঙ্্রদায়িক। তিনি জাতীয়তাবাদের প্রবক্তা কিন্তু তার চিনস্নার মধ্যে পশ্চিম ভর করে আছে। পশ্চিম সভ্যতার জয়গানে তার রচনা ভরপুর। উপনিবেশবাদের মতাদর্শিক আধিপত্য ভাংবার লক্ষ্য তার সামনে ছিল না। '52-এর ভাষা আন্দোলনের চেতনার মধ্যে প্রথম এই পাল্কল্টা মতাদর্শিক আধিপত্যের আকাগ্ধক্ষা দেখতে পাই। যে মতাদর্শে অধিকাংশ মানুষ স্ট্থান পাবে, তাদের স্ট্বার্থই থাকবে যার কেন্দ্রে।
উনিশ শতকের গোড়ায় ভাষা সংস্ট্কারের মাধ্যমে যে প্রমিত বাংলা তৈরি হলো, তা উচ্চ বাংলা এবং নিল্ফম্ন বাংলা হিসেবে ভাষাকে বিভাজিত করল কি?
হঁ্যা, সেটা আসলেই বিভাজন তৈরি করেছে। তারও কারণ উপনিবেশবাদ। ঈশ্বরচন্দ্র, মধুসহৃদন ও বগ্ধিকম এই ত্রয়ীর কথা বলতে পারি। ভাষা ও সাহিত্যের যে রাজনৈতিক কাজ তা বোঝার জন্য এদের কাজের সঙ্গে উপনিবেশবাদের সমঙ্র্ক খেয়ালে রাখতে হবে, দেখতে হবে শ্রেণীর যোগাযোগ। ওই ত্রয়ী বিভিল্পম্ন সময়ে আলাদা আলাদাভাবে পশ্চিম সভ্যতার জয়গান গেয়েছেন। পশ্চিমা সভ্যতার অনেক আলোকিত দিক আছে কিন্তু তার যে বর্বরতার দিক_ সেটাকে তারা উন্মোচিত করেননি। তাই আমরা দেখেছি যে, বাংলা ভাষার মধ্যে সেই সভ্যতার চেতনা রোপিত করতে গিয়ে তারা ভাষাকে বিভাজিত করে ফেলছেন। চাকরের ভাষা চাষার ভাষা বনাম বাবুর ভাষা প্রভুর ভাষা, এরকম আদল দাঁড়িয়ে গেছে। নানারকম উচ্চ-নীচ বিভাজন তৈরি হয়েছে। সাহিত্যিক ভাষা বনাম অসাহিত্যিক ভাষা_ এটিও আরেকটি অসম ক্ষমতাসমঙ্র্ক। ভাষার ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের ফলেই ভদ্রলোকী বাংলার সঙ্গে শ্রমজীবী কৃষক জনগোষ্ঠীর মুখের বাংলার এ দহৃরত্দ্ব। আনুষ্ঠানিক বাংলা এবং আঞ্চলিক বাংলার মধ্যেও এই অসম ক্ষমতার সমঙ্র্ক রয়েছে। অথচ যাকে আঞ্চলিক বলা হচ্ছে, তা-ই তো সত্যিকার 'জাতীয়'। জাতির সাংস্ট্কৃতিক জীবনের প্রাথমিক প্রকাশ তো সেখানেই ঘটে। তার থেকে বিচ্ছিল্পম্ন হলে ভাষা শেকড়ছাড়া, দুর্বল ও গণবিরোধী হয়ে পড়তে পারে। আমার আশগ্ধকা গত দশ-পনের বছরে এই প্রবণতারই বাড়বৃদব্দি হচ্ছে।
ভাষার অধিকার কীভাবে সামাজিক উল্পম্নতির ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে?
সংস্ট্কৃতি হচ্ছে বিভিল্পম্নমুখী আদর্শের প্রতিদ্বন্দি্বতার ময়দান। সেখানে একটা পর্যায়ে কোনো একটি আদর্শের প্রাধান্য প্রতিষ্ঠা হয়। এর সঙ্গে ভাষার চর্চার সরাসরি যোগ থাকে। ভাষা জনগণের সাংস্ট্কৃতিক সমঙ্দ। কিন্তু একে কে কীভাবে ব্যবহার করছে তার ওপর ভাষা ব্যবহারের চরিত্র দাঁড়ায়। ধরা যাক শিক্ষার কথা। শিক্ষার মাধ্যমে ভাষাকে সামাজিক ক্ষমতায়নে ব্যবহার করা যায়। ইংরেজির কথাই ধরুন। শাসকের ভাষা এবং সাম্রাজ্যবাদের ভাষা হিসেবে ইংরেজির দাপট এখন বিশ্বায়ন বা গোলোকায়ন মারফত বিশ্বব্যাপী প্রতিষ্ঠিত। অপরদিকে এশিয়া-আফিদ্ধকা-ল্যাটিন আমেরিকার সাবেক উপনিবেশিত দেশগুলোতে দু'ধরনের প্রবণতা আমরা শনাক্ত করতে পারি। এক দল শাসকের মতাদর্শ চর্চা করছে, আরেক দল শাসকের ভাষাকে উল্কেল্টা তাদের বিরুদব্দেই ব্যবহার করছে। যেমন উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায় সঙ্্যানিশ একসময় ঔপনিবেশিক প্রভুর ভাষা ছিল। কিন্তু তৃতীয় বিশ্বের বড় এলাকায় সঙ্্যানিশ এখন নিপীড়িতের ভাষা। কাজেই একই ভাষাভাষীদের ঐতিহাসিক বস্ট্তুগত অবস্ট্থানের কারণে ভিল্পম্ন চরিত্র অর্জন করছে। সেটা সাহিত্যে যেমন, মুখের কথাতেও তেমন। দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যবিত্ত-উচ্চবিত্তের কাছে ইংরেজি ভাষা সামাজিক অবস্ট্থান ও আত্দ্মপরিচয় নির্মাণের হাতিয়ার। অপরদিকে দক্ষিণ এশিয়া এবং ইউরোপ-আমেরিকাতেও এশীয় ইংরেজি লেখকদের আবির্ভাব ঘটছে। এদের কেউ কেউ ইংরেজিকে ব্যবহার করছেন ইংরেজির দাস হিসেবে নয়, কলকাঠি হিসেবে। কিছু নির্দিষদ্ব ঐতিহাসিক বস্ট্তুগত কারণে ইংরেজি তাদের কাছে এসেছে। সে কারণে প্রভুর ইংরেজি আর দাসের ইংরেজি এক নয়। কিন্তু বাংলাদেশে এমনও দেখা যায়, কেউ কেউ বাংলাদেেশর কাদা-মাটি-জলে বড় হয়ে কয়েক বছর বিদেশে কাটিয়ে ইংরেজিকেই একমাত্র ভাষা হিসাবে ব্যবহার করছেন। আমি মোটেই ইংরেজি চর্চার বিরুদব্দে না। আমার প্রশম্ন হচ্ছে, এই যে ইংরেজিকে সমীহ করা বা অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রবণতা, এর আদর্শিক ও রাজনৈতিক পক্ষপাতটি নিরীহ চরিত্রের নয়।
তাদের মনোজগতের নোঙর কি দেশের বাইরে পোঁতা?
খুব চমৎকার বলেছেন, তাদের মনোজগতের নোঙর দেশে নাই। এটা ইংরেজির সমস্যা না, সমস্যাটা মানসিকতার; যাকে আমি বলতে চাই ঔপনিবেশিক মানসিকতা। মধ্যযুগীয় কঠিন ইংরেজি তারা কষদ্ব করে পড়েন অথচ দেশে থেকেও বাংলা চর্চায় অমনোযোগী। আপনি ইংরেজি সাহিত্যে পড়ে আসা ছাত্র-ছাত্রীদের জিজ্ঞাসা করুন তো শাহ মুহাল্ফ্মদ সগীর কে আলাওল কে, বেশিরভাগই বলতে পারবে না। কিন্তু যদি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় কারা ইংরেজিতে লিখছে, জবাব পাবেন। এসব জানা দরকার কিন্তু নিজের ভাষিক সমঙ্দকে অবহেলা করা তো প্রকৃত বিদ্বানের কাজ নয়।
উল্পম্নয়ন সাহিত্য নামে ইংরেজি নির্ভর একধরনের লেখালেখির বিস্টস্নার হচ্ছে। এর ভূমিকা কী?
এই উল্পম্নয়ন কার উল্পম্নয়ন? যাদের উল্পম্নয়ন, তাদের জন্যই এটা তৈরি করা হয়। সে কারণেই তা ইংরেজিতে রচিত হয়। যদি তা দেশবাসীর উল্পম্নয়নের লক্ষ্যে হতো, তবে তাদের পড়বার মতো করে দেশীয় ভাষায় রচিত হতো। ইতালির তাত্তি্বক ও সংগ্রামী আনস্নোনিও গ্রামসি হেজিমনি বা মতাদর্শিক আধিপত্যের কথা বলেছেন। কেবল বলপ্রয়োগ বা বৈষয়িক পন্থা দিয়েই শাসন চলে না, শাসনের জন্য আদর্শিক প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত করে শাসিতের সল্ফ্মতি আদায়ের পন্থার কথা তিনি বলেছেন। যদি শাসিতকে বিশ্বাস করানো যায় যে, বাংলার চেয়ে ইংরেজি ভালো; যদি তার মনোজগতের ভেতর ঢুকিয়ে দেওয়া যায় যে, ইংরেজির মইয়ে চড়ে শ্রেণীগত অবস্ট্থানের উল্পম্নতি ও ক্ষমতা অর্জন করা যায় এবং ইংরেজিই প্রগতি ও আলোর বাহন, তবে তারা ইংরেজির দিকেই ছুটবে। দেশীয় ভাষা-সংস্ট্কৃতি অর্থাৎ বৃহত্তর জনগণ ও তাদের স্ট্বার্থ পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার চেষদ্বা হবে। তখন নিল্ফম্ন শ্রেণীর লোকজনও নিজ শ্রেণী ডিঙিয়ে যাওয়াকেই লক্ষ্য নির্ধারণ করবে।
সর্বস্টস্নরে শিক্ষার বিস্টস্নার ছাড়া ভাষার পহৃর্ণ মর্যাদা প্রতিষ্ঠা সল্ফ্ভব?
প্রথমত যে শিক্ষা কাঠামো তৈরি হয়েছে তাতে সর্বস্টস্নরে বাংলাকে বাধ্যতামহৃলক করলেও তা ইংরেজির কাছে পরাস্টস্ন হবে। কারণ কাঠামোটাই এমন যে, তার ওপর বাইরে থেকে বাংলাকে চাপিয়ে দিলে তা কার্যকর না-ও হতে পারে। যেমন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাথর্ীদের মধ্যে শ্রেণীগত ব্যবধান আছে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা যায়, কেন যায়, তাদের টাকা কোথা থেকে আসে, এর একটা রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পশ্চাৎ কারণও আছে। শ্রেণীবিভক্ত সমাজে যেমন এক শ্রেণী অন্য শ্রেণীর ওপর আধিপত্য করে, তেমনি এক ভাষাও অন্য ভাষার ওপর দাপট প্রতিষ্ঠা করে। ইংরেজি বাংলার ওপর, আর বাংলা চাকমা বা মান্দি ভাষার ওপর আধিপত্য করছে। সেজন্য শিক্ষা ব্যবস্ট্থার মধ্যে কাঠামোগত পরিবর্তন না হলে বাংলাকে সর্বস্টস্নরে প্রতিষ্ঠা করা যাবে না। এ জন্য আমাদের সরকারগুলো কোনো ব্যবস্ট্থা নেয়নি। শুরু থেকে বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস, অর্থনীতিসহ জ্ঞানের সব শাখার গুরুত্দ্বপহৃর্ণ বইগুলো অনুবাদ করার ব্যবস্ট্থা থাকলে কিছুটা অগ্রগতি হতো। গত 35 বছরে এটাকে সাংস্ট্কৃতিক ধারায় পরিণত করা গেলে আজ বাংলাকে আরো ভালো জায়গায় দেখতে পেতাম। তার ফলে বিজ্ঞান, দর্শন ও সাহিত্যসহ সকল জ্ঞানের বিকাশ হতো। কিনস্ন এ লক্ষ্যে কেবল অনুবাদ সংস্ট্থাই যথেষদ্ব নয়, এর জন্য সামাজিক আন্দোলন দরকার। ভাষার সাত্যিকার বিকাশক্ষেত্র হচ্ছে জনসংস্ট্কৃতি। জনসংস্ট্কৃতির সত্যিকার বিকাশ ঘটে সত্যিকার গণতন্পে। যে গণতন্প মানুষকে প্রজা হিসেবে বিবেচনা করবে না, সমান মর্যাদার নাগরিক ভাববে। সে রকম একটি রাষদ্ব্রে ভাষাভাষীরা নিজেদের ভাষিক সমমদে বলীয়ান হয়ে নিজেদের সাংস্ট্কৃতিক জীবনে বিদেশি ভোগবাদী ও ব্যক্তিনির্ভর সংস্ট্কৃতির সংত্রক্রমণ প্রতিহত করতে পারবে। ভাষা মুক্ত না হলে যেমন মুক্ত মানুষ হয় না, তেমনি মুক্ত মানুষ ছাড়া মুক্ত সংস্ট্কৃতিও বিরাজ করে না। ভাষা প্রশম্ন এ কারণেই অতিমাত্রায় রাজনৈতিক। তাই ভাষার পহৃর্ণ প্রতিষ্ঠা যখন হয়নি, তখন ভাষার আন্দোলনও সমাপ্টস্ন হয়নি।
বাংলাদেশে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার ভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠিত নয়। বিশ্বায়নের প্রভাবেও প্রানস্নিক ভাষা ও সংস্ট্কৃতি বিপল্পম্ন বলে একটা উদ্বেগ লক্ষ্য করা যায়। ভাষা আন্দোলনের সহৃতিকাগারে এমন হলো কেন?
এই বিশ্বায়ন বলতে কী দুনিয়ার সাম্য বোঝানো হচ্ছে, নাকি বোঝানো হচ্ছে বিশ্বের আমেরিকায়ন? বিশ্বায়নের নামে যে সংস্ট্কৃতির প্রাধান্য দেখা যাচ্ছে, সেটা তো মার্কিন সাংস্ট্কৃতিক আগ্রাসন। এটা নিয়ে প্রশম্ন তোলা দরকার। সে জন্যই বলেছি, ভাষা সমঙ্র্ক হচ্ছে ক্ষমতার সমঙ্র্ক। একটা ভাষা আরেকটার সঙ্গে নিরীহভাবে থাকে না। একটা আরেকটাকে প্রভাবিত করে, নিয়ন্পণ করতে চায়। সংষ্ফ্কৃতির ক্ষেত্রেও একই ব্যাপার। এটা ঘটে রাজনীতির মধ্যস্ট্থতায়। তাই ভাষাকে কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে সেটা খেয়াল করতে হবে। ভাষার মধ্যে কী চিনস্না ধ্যান-ধারণা, রুচি ও আদর্শ সঞ্চারিত হচ্ছে, তার ওপর নির্ভর করে ভাষার রাজনৈতিক চরিত্র। বাংলাদেশে যে নাগরিক মধ্যবিত্তীয় সংস্ট্কৃতি তৈরি হয়েছে তার মধ্যে গণতান্পিক ও প্রগতিবাদী উপাদানের ঘাটতির কারণেই এই ভাষা দিয়ে দুর্বল জাতির ভাষার ওপর আধিপত্য করানো সল্ফ্ভব হচ্ছে। আবার এর জন্য এই ভাষা ও সংস্ট্কৃতির মধ্যেকার মানবতাবাদী, ইতিবাচক ও সমুহবাদী উপাদানগুলোকে সচেতনভাবে চাপাও দেয়া হচ্ছে।
'52-র আন্দোলন গ্রামাঞ্চল তো বটেই এমনকি শহরের শ্রমজীবী জনসাধারণকেও আলোড়িত করেছিল। এটা কীভাবে সল্ফ্ভব হলো?
1948 সালে যখন প্রথম ভাষা নিয়ে আলোড়ন তৈরি হয়, তখন সেটা ছিল মধ্যবিত্তের আন্দোলন। কিন্তু 1952 সালে শুধু ছাত্রছাত্রী বা মধ্যবিত্তই না সেখানে কৃষক-শ্রমিকরাও জড়িত হয়। এ ব্যাপারে বদরুদ্দীন উমরের গবেষণাকে আমি গুরুত্দ্বপহৃর্ণ মনে করি। তিনি দেখিয়েছেন, কীভাবে এবং কেন এটা বড় গণআন্দোলনে রূপানস্নরিত হয়েছে। ভাষা প্রশম্ন এখানে তার নির্দিষদ্ব সীমিত বৃত্ত অতিত্রক্রম করে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রশেম্ন অর্থাৎ দাবিতে রূপানস্নরিত হয়েছে। এমনি মাত্রায় যে, '52-তে ভাষার অধিকারের প্রশম্ন শ্রেণীর অধিকারের প্রশম্ন পর্যনস্ন উল্পম্নীত হয়েছে এবং সাধারণ জনগণকে তা সঙ্র্শ করতে পেরেছে। যার ফলে ভাষা আন্দোলনে কৃষক-শ্রমিকের অংশগ্রহণ ছিল। তারা মনে করছিল, অধিকাংশ মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়া মানে তাদের অধিকার কেড়ে নেওয়া। এই অর্থে ভাষা আন্দোলন আমাদের প্রথম জাতীয় আন্দোলন যেখানে সমগ্র জাতি একত্রিত হতে পেরেছিল। তাই ভাষা আন্দোলনকে এখন যে রকম প্রায় অরাজনৈতিক আন্দোলন বলে চিত্রিত করা হয় তা মেনে নিতে পারি না। ভাষার অধিকারকে অন্যান্য অধিকারের সঙ্গে একত্রেই বুঝতে হবে।
অবরুদব্দ অবস্ট্থায় বাংলা ভাষার চিনস্না-দর্শন-সাহিত্যে যে সৃজনশীলতা ছিল স্ট্বাধীন বাংলাদেশে তাতে মন্দাভাব দেখা যাচ্ছে কেন?
কারণ স্ট্বাধীন বাংলাদেশে স্ট্বপম্নভঙ্গ হয়েছে। একটা শ্রেণী যখন নিজেকে বিকশিত করতে পারে না, জাতীয় বৈষয়িক ও আদর্শিক বিকাশের পথনির্দেশ করতে পারে না তখন সে-ই হয়ে দাঁড়ায় গণতন্প ও মুক্তির বাধা। '71-এর আগে তাদের একটা আদর্শ ছিল। যার মধ্যে জনগণের বড় অংশ নিজেদের অধিকার আদায়ের সল্ফ্ভাবনা দেখতো। এখন তারা আর সেই ভূমিকায় নেই। এদের সঙ্গে সমঙ্র্কিত বুদব্দিজীবীরাও যখন একই রকম আদর্শিক দেউলিয়াত্দ্বে ভোগেন তখন তাদের পক্ষেও সৃজনশীল ও বুদব্দিবৃত্তিক বিকাশ ঘটানো সল্ফ্ভব হয় না।
ভাষা চরিত্রগতভাবে গণতান্পিক। কেউ একা একা বা গোষ্ঠীগতভাবে ভাষা চর্চা করতে পারে না। ভাষা বেঁচে থাকে বৃহত্তর জনগণের মুখে ও হূদয়ে। তা যদি আধিপত্যমুক্ত না হয় তবে ভাষারও মুক্তি হয় না। বাংলা ভাষাকে প্রতিষ্ঠিত করা মানে গণতন্পকে প্রতিষ্ঠা করা। সে কারণে ওই শ্রেণী যখন গণতন্পবিরোধী অবস্ট্থানে চলে গেল, আপনাআপনি তারা ভাষারও বিরুদব্দে চলে গেল। অন্যদিকে অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক ক্ষেত্রে যে ভাষার দাপট, চিনস্নার ক্ষেত্রেও তারই দাপট সাধারণত দেখা যায়। আমাদের দেশে তথা গরিব দুনিয়ায় নিজস্ট্ব ভাষার সেই দাপট না থাকায় তা পরাস্টস্ন হচ্ছে। গত 36 বছরে তিলে তিলে তিলোত্তমা করে আমরা যে রাজনৈতিক সংস্ট্কৃতি গড়ে তুলেছি, সেই রাজনৈতিক সংস্ট্কৃতিতে কয়েকটি পরসঙ্র সমঙ্র্কিত প্রবণতা লক্ষ্য করি; একটি হচ্ছে রাজনীতির বাণিজ্যকীকরণ এবং বাণিজ্যের রাজনীতিকরণ। আমরা দেখেছি, রাজনীতির সামরিকীকরণ এবং সামরিক বাহিনীর রাজনীতিকীকরণ। আমরা দেখেছি আমলাতন্পের রাজনীতিকরণ এবং রাজনীতির আমলাতন্পায়ন। আমরা দেখেছি ধর্মের রাজনীতিকরণ এবং রাজনীতির ধমর্ীয়করণ। আমাদের রাজনৈতিক সংস্ট্কৃতির এই চারটি প্রবণতা পরসঙ্র সমঙ্র্কিত। এই সংস্ট্কৃতিতে ভাষার সুষ্ঠু বিকাশ সল্ফ্ভব নয়। এই সংস্ট্কৃতিতে একুশ পালিত হয় শোক দিবস হিসেবে, অথচ এটা ছিল প্রতিরোধের দিবস। একুশের এই প্রতিরোধ চেতনাকে আজ দ্রবীভূত করে বিলীন করা হচ্ছে। একুশ এখন জাতীয়তাবাদী রোমান্টিসিজম আত্রক্রানস্ন। এই অবস্ট্থায় এর আবেগের ধারা শুকিয়ে যাওয়াটাই স্ট্বাভাবিক। রাষদ্ব্র কিন্তু ত্রক্রমাগতভাবে জনগণের সংগ্রামী চেতনা এবং তার স্ট্মারক ও প্রতীককে আত্দ্মসাত করে। স্ট্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে তার ধার ও চেতনাকে প্রশমিত করে নিজের কাজে লাগায়। এমনকি শক্তিকে সংহত করার স্ট্বার্থে প্রতিরোধকে প্রতীকি দিবসে পরিণত করে। রাষদ্ব্র বা শাসকশ্রেণী এভাবে জনগণের রাজনৈতিক সঙ্ৃহাকে ত্রক্রমাগত বিরাজনৈতিক করে, তাকে আড়ল্ফ্বরসর্বস্ট্ব করে জনজীবন থেকে বিচ্ছিল্পম্ন করে। এভাবে 21 ফেব্রুয়ারির প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, আত্দ্মসাৎকরণ ও বিরাজনীতিকীকরণের মাধ্যমে এ দিবসটির প্রতিরোধী চরিত্রকে দুর্বল ও অবলুপ্টস্ন করে দিতে সক্ষম হয়েছে।
বলা হয়, স্ট্বাধীন রাষদ্ব্র জাতীয় ভাষার বিকাশে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে। তারপরও কেন বাংলা আত্রক্রানস্ন?
তাবৎ জনগোষ্ঠীর ভাষিক সমঙ্দ ও ভাষিক ঐতিহ্য কিন্তু কেবল সাহিত্য ধারণ করতে পারে না। তার জন্য ভাষার রাষদ্ব্রীয় ও সামাজিক-সাংস্ট্কৃতিক প্রতিষ্ঠা চাই। কিন্তু আমি আগেই বলেছি, বাংলাদেশের যে রাজনৈতিক ক্ষমতাসমঙ্র্ক ও রাজনৈতিক সংস্ট্কৃতি তাতে জনগণের আর সব সমঙ্দের মতো ভাষা ও ভাষিক সমঙ্দও নিরাপদ নয়। জনগোষ্ঠীর ভাষা চর্চার সামগ্রিকতা রক্ষার কাজ সাহিত্য বা লিখিত ভাষা একা পারে না। যদি জনগণের বড় অংশই শিক্ষা ও সমঙ্দ থেকে বঞ্চিত হয় তবে কিভাবে তারা ভাষার ওপর অধিকার কায়েম করবে?
পশ্চিমবঙ্গে বাংলা রাষদ্ব্রমর্যাদায় আসীন নয়। সেখানেও বাংলা হিন্দি ও ইংরেজির সঙ্গে লড়ছে। লড়াইরত থাকার কারণে ভাষা বিকাশের ক্ষেত্রে তাদের যে পদক্ষেপ আছে সেটা আমাদের এখানে নেই_ রাষদ্ব্র থাকা সত্ত্বেও। আমি বলছি না কে এগিয়ে আছে আর কে পিছিয়ে আছে। কেউ কেউ বাংলাদেশকে বিশ্বের কোটি কোটি বাংলাভাষীর সাংস্ট্কৃতিক বা ভাষিক রাজধানী বলেন। কিন্তু তা হওয়ার জন্য যা যা করা দরকার তা কি আমরা করেছি? আমি প্রশম্ন করছি, '71-এর পর গুটিকয়েক উপন্যাস ছাড়া তেমন বড় মাপের কাজ কী হয়েছে? কবিতার ক্ষেত্রে কি বড় বাঁকবদল লক্ষ্য করছি? সমালোচনা সাহিত্যে এখনও আমরা অনেক পেছানো। বাংলায় দর্শন চর্চার অগ্রগতি কতটা? সব ক্ষেত্রেই আমরা সামনস্নবাদী ও ঔপনিবেশিকতাবাদী অসম ক্ষমতা সমঙ্র্কই উৎপাদন ও পুনরুৎপাদন করে চলেছি। তাই আমি ভাব গদগদ হয়ে বলতে পারছি না যে, বাংলাদেশ বাংলা ভাষার রাজধানী হবার যোগ্য।
আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ।

সূত্রঃ Click This Link

আজফার হোসেন একাধারে প্রাবল্পিব্দক, গবেষক এবং শিক্ষক। প্রায় 11 বছর মার্কিন যুক্তরাষট্রে অবস্থানের পর সমপ্রতি দেশে ফিরেছেন। তিনি ওয়াশিংটন সটেট বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় জড়িত। এর আগে অধ্যাপনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। যুক্তরাষট্রের একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনি অতিথি অধ্যাপকের দায়িত্দ্ব পালন করেন। তিনি ফুলব্রাইট ফেলোশিপ নিয়ে যুক্তরাষট্রে যান এবং সেখানে 10 বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করে 'ডিসটিংশান' নিয়ে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ ও পিএইচডি অর্জন করেন। শিক্ষকতা, গবেষণা ও থিসিস রচনায় রেকর্ড ভঙ্গকারী একাডেমিক সাফল্যের জন্য তাকে ব্ল্যাকবার্ন ফেলোশিপে ভূষিত করা হয়। তার গবেষণার বিষয় উত্তর ঔপনিবেশিক সাহিত্য, সংস্কৃতিতত্ত্ব ও রাজনৈতিক অর্থনীতি। বর্তমানে তিনি ঢাকার নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনায় জড়িত আছেন। আনতর্জাতিক স্তরে তার বহুবিধ প্রকাশনা রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে দুটি সমপাদিত গ্রন্থ এবং আরো দুটি গ্রন্থ রাউটলেজ থেকে প্রকাশিত হতে যাচ্ছে ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28700367 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28700367 2007-02-27 23:55:50
চলেন কু্য করি
এর পরে নিয়ম করমু...
.......... যারা পোস্ট দিবো... প্রত্যেক পোস্ট এর লাইগ্যা 2টাকা দেওন লাগবো...
.........যে বেশী টাকা দিবো... তার পোস্ট বেবাকতের উপরে দিমু...

রাজি নি আপনেরা?]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28699890 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28699890 2007-02-24 00:40:44
21শে ফেব্রুয়ারী
মাথা নোয়াবে সমস্ত জাতী মহান ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে...

আজ সারা বিশ্ব জুড়ে পালিত হবে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস.... আমি ও আমরা... হৃদয়ের গভিরের লুকানো ভালোবাসা ... তোমরা কি জানো? এই ভালোবাসা কাদের জন্য?

সালাম, বরকত, রফিক... তোমরা তোমার মায়ের মুখের কথা ফিরিয়ে দিয়েছো... আমার মুখের প্রতিটি শব্দ... তোমাদের তৈরী... এই ভালোবাসা তোমাদের জন্য...

21 আমার প্রথম আর্তচিৎকার...
21 আমার মুষ্টিবদ্ধ প্রথম প্রতিবাদ...
21 আমার রক্তে লেখা প্রথম বীরগাঁথা...
21 আমার অস্তিত্ত্বের প্রথম শিকড়....

তোমাদের লাল সালাম]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28699496 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28699496 2007-02-20 09:32:44
ভালো লাগছে না
হঠাৎ দুপুরের পর থেকে ক্যান জানি কোন কিছুই ভালো লাগছো না... কিছুই বুঝতেছিনা... কোন সমস্যাও খুজে পাচ্ছিনা... নাকি মনে করতে চাচ্ছিনা? মাঝে মাঝে সব কিছু এলোমেলো লাগে... কোন কিছুই আর ভালো লাগেনা... একটা কষ্ট এমন ভাবে আকড়ে ধরে যে.. ঠিক মতো ঢোক গিলতে পারি না... গলায় কি যেন আটকে যায়...

বড়ই ক্লান্ত লাগে এভাবে জীবনকে বয়ে বেড়াতে... এর কি কোন সমাধান নেই? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28699177 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28699177 2007-02-17 08:24:30
ভালোবাসা কি? আধাতিল না দেখিলে যায় যে মরিয়া
সখি কেমনে বাঁধিব হিয়া'

ভালোবাসা কি?
হাপো থ্যালামাসের কারসাজি মসত্দিস্কের একটা অংশ হল, সেরিব্রাম বা ফোরব্রেন, যাকে বাংলায় বলে অগ্রমসত্দিষ্ক। সেখানে থেকে ছোট্ট একটা গ্রন্থি, হাইপোথ্যালামাস। এর কাজ পিটুইটারি গস্ন্যান্ডকে উদ্দীপ্ত করা। পিউবার্টিতে পেঁৗছানোর সঙ্গে সঙ্গেই হাইপোথ্যালামাস সক্রিয় করে তোলে পিটুইটারিকে। ফলে শরীরে প্রবাহিত হয় গ্রোথ হরমোন। মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারণত এগারো-বারো এবং ছেলেদের ক্ষেত্রে তেরো-চৌদ্দ বছর বয়সে এরপ্রবাহ সবচেয়ে বেশি।

=> তারমানে আমি কি কাউকে ভালোবসতে পারবো না?

গড় আয়ু চার বছর আধুনিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রেমের গড় আয়ু চার বছর। হেলেন ফিশার দেখিয়েছেন, আদিমকালেও নর-নারীর মিলন, সনত্দান জন্ম, বড় হওয়ার চার বছরের মাথায় নতুন সঙ্গী খুঁজতে হতো। বর্তমানেও দেখা গেছে চার বছরের মাথায় বিবাহ-বিচ্ছেদের হার সবচেয়ে বেশি।

=> এইটা ভালো লাগছে...

সংগৃহীত
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28697414 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28697414 2007-02-08 00:12:11
ব্রোকেন হার্ট trying to get you out of my life
but after all this time
i can't help myself but miss you

you're once a dream that came true
an illusion that turned to reality
but suddenly, things turned differently
the way they used to be
untill such time i have no choice but to let you go

you're the reason for my sleepless nights
coz you keep stayin' on my mind
i can't help myself from crying
coz i'm missing you so much

all the pain & sadness are bound inside my heart
all the memories are still preserve in my mind
i miss you so much
coz i can't hide the fact that i'm still inlove with you

my life will never be the same again
now that you're gone
i'll be trapped in this loneliness forever


I thought this was a letter I would never have to write,
I hoped my tongue was something I could bite.
I've realized its just something I cannot do....]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28697272 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28697272 2007-02-07 03:41:17
আমি ধরা খাইলাম ক্যামনে Please contact the billing/support department as soon as possible.


আমি পুরা ভরকাইয়া গেছিলাম...
কোন দোষ করলে না হয় ব্যান খাইতাম... তাও মানন যাইতো... কিচ্ছুনা কইরাই ব্যান?
কতর্ৃপক্ষ কি একটু দয়া কইরা কইবেন? ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696947 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696947 2007-02-06 02:14:29
বিবৃতিজীবিরা আবার সরব তাহারা হঠাৎ করিয়া "যথা শীঘ্রই নির্বাচন দিতে হইবে" নামক সভা সেমিনার সিম্পোজিয়াম করিবার জন্য ডায়াবেটিস/প্রেসার হাই করিয়া ফেলিতেছে। এহেন ঘ্যানি মানুষ্যগণের আচরণে জনগন পুলকিত বোধ করিতেছে। এই সেমিনার গুলা কালোটাকায় আয়োজিত বলিয়া দুষ্টজনেরা পিছনে মুখ টিপে হাসিতেছে। আরে টাকা তো টাকাই। তাই না? তাহার আবার কালো সাদা কি?

শুক্কুর আলী পত্রিকা পড়িয়া হাসিয়া কুটি কুটি হইয়া যাইতেছিলো
ক্যান?
নির্বাচন দেও। বেবাকতেরি একি টোন।
ক্যান?
নির্বাচন হইলেই ক্ষমতায় যাওন যাইবো।
আহা কি সুখ
দ্যাশটারে আবার লুইট্যা পুইট্যা খাইতে পারিবো
কোডায় জানি কইয়া গেছিলো "আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে" আহা মানুষটা কত্তদুর পর্যন্ত দেকছিলো। নাইলে এরম একখান ডায়লগ মারছিলো ক্যামতে?

নির্বাচন হইবো। 100 টাকা পাইয়া কুদ্দস আবুলরা খুশিতে বগল বাজাইতে বাজাইতে ধানের শীষ/নৌকা/লাঙ্গল-এ ভোট দিয়া নিজের সাংবিধানিক অধিকার বেচন দিবো। আর এই অধিকার কিন্যা 300টা জানোয়ার এক লগে চিল্লা ফাল্লা কইরা গলা পরিষ্কার করবো।

শুক্কুর আলী ভাবে আহা বেবাকতেরে যদি ধইরা চোতরা পাতা দিয়া কতডি বাড়ি দেওন যাইতো... কি যে সুখ হইতো...

ধুরো যাইগা। অহন রাস্তায় বইয়া কিছু বেচন যায়না। মাতায় লইয়া লইয়া মহল্লায় ঘুরন লাগবো। সব মরা এই গরীবের লগেই। আজাইরা... শুক্কুর আলী আওয়াজ দ্যায়.. .. তরকারী.. আলু পটল ফুলকফি বাধাকফি টমাটো রাখবেনননননন.. .. .. .. ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696722 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696722 2007-02-05 01:57:35
তোমায় নিয়ে যায় কি ধরা... বাজির কোন তাস http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696132 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696132 2007-02-04 01:15:55 গ্রামীণ ফোনের কষ্টের সুবিধা
জনগণকে সুবিধা দেয়ার নামে এভাবে কষ্ট না দিলেই কি নয়? এতই যদি ভালোবাসার উদগরনে ছলাৎ ছলাৎ করে তাহলে সামর্থ বাড়িয়ে নয় ক্যান? বিল তো যথাসময়ে পরিশোধে না করলে ভালোবাসার অন্যরকম চেহারা দৃষ্টিগোচর হয়। তাহলে ক্যান আমি লাইন রেন্ট দিচ্ছি যদি আমার প্রয়োজনের মুহুর্তে কোন সংযোগ না পাই?

ইদানিং ল্যান্ড লাইন থেকে ইনকামিং ফ্রি করা হয়েছে বলে ঘোষনা দেখছি সংবাদপত্রে। ঘোষনার পর থেকে আমার ফোনে ল্যান্ড লাইন থেকে কানেক্ট করতে পেরেছে কিনা আমি মনে করতে পারছি না। যদি অসুবিধা সৃষ্টি করার নাম সুবিধা হয় তাহলে এই সুবিধা আমার প্রয়োজন নেই। যখন কসাই এর মত 6.90 পয়সা করে প্রতিমিনিট কলরেট ছিলো তখন যদি সেল ফোন এফোর্ট করতে পারি তাহলে এখনো পারবো। প্লিজ সুবিধার নামে এই ধরনের ভন্ডামী বন্ধ করুন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696130 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28696130 2007-02-04 01:08:33
বিরক্ত হচ্ছি যা তা আইডি নিয়ে ব্লগ এ ল্লগইন করতেছে...
আমি কতর্ৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি...
যদি প্রয়োজন হয়... কেউ ব্লগ এ রেজিস্টার করতে চায় তাহলে মডারেটর এর এপ্রুভালের পর তাকে লগইন পারমিশন দেয়া যেতে পারে...

মতামত কাম্য]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28695199 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28695199 2007-01-25 07:43:04
প্রেমকে বহতা নদীর সাথে তুলনা করা হয়... সত্যি কি?
প্রেম হলো বহতানদীর উচ্ছল জোয়ার... যা সকল বাধা-বিপত্তিকে চুর্ণ-বিচুর্ণ করে দ্যায়... মানে না কোন ধর্ম, যুগ যুগ ধরে চলে আসা লাইলি-মজনু, শিরি ফরহাদ, আয়েশা-জুলেখা... স্মরণীয়
ছেলে-মেয়ের রিলেশন নিয়ে অনেক কথা হইছে, হবেও হয়তো... ডিজুস সময়ে এসে প্রেমকে মার্কেটিং এর উপাদেয় হিসাবে পশ্চিমা বি

ফেরারী এ মনটা আমার মানে না কোন বাধা
তোমাকে পাওয়ারই আশারয়
ফিরে আসে বারেবার

মন শুধু মন চেয়েছে
ও সেতো মুখ খোলেনি
সুর শুধু সুর ছুয়েছে
ভাষাতে দেয়নি

তোরে পুতুলের মত করে সাজিয়ে
হৃদয়ের কোঠরে রাখবো
আর হ্রদয়ের চোখ মেলে তাকিয়ে
সারাটি জীবন ভরে দেখবে
আমি নেই নেই নেইরে
যেনো তোরই মােজ হারিয়ে গেছি

আমার পরান যাহা চায়
তুমি তাই.. তুমি তাইগো..]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28694988 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28694988 2007-01-23 02:59:32
তর্জনীর যাদুই বস্তবতা... ভাস্করদার পোস্ট সম্পর্কে
কিছু জায়গায় কিনচিৎ খটকা আছিলো... ধরেন "ধর্মের যথেচ্ছার প্রয়োগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ কইরা নিজেরে আলাদা করেছিলো একটা জাতি"... এইখানে আমার বিরোধিতা সরাসরি... কজ.. মুক্তিযুদ্ধটা ধর্মের জন্য হয়নি... 4টা মূলনীতির একটা ছিলো... জামাতিরা হয়তো বলছে যে ধর্ম থাকবো না... বাট যারা ওই সময় যুদ্ধ করেছিলো তারা একটা দেশ এর জন্যই কিন্তু যুদ্ধটা করেছিলো... শুধু ধর্মের জন্য না বস... এটা লইয়া আপনের লগে আগেও বাতচিত হইছে...

হা.. হা... হা... আপনে লিখছেন বাম পন্থীরা কি বিচু্যতি হইতে পারেনা? বস পারবো না ক্যান? আপনে কি মনে করেন এখনো যথেষ্ট বিচু্যতি ঘটে নাই? একজন বেশী কাটতিওয়ালা পত্রিকার সম্পাদক কি আমেরিকার দালাল হয় নাই? একজন বিখ্যাত বাম নেতা কি তার বইন জামাই প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুবাদে সুবিধা লয় নাই? বাট আমাদের এক্সপেকটেশন কি? এক জন মৌলভী ভুল করলে যেমন বিশী দৃষ্টিকটু মনে হয়.. ঠিক তেমনি একজন বাম নেতা যিনি কিনা প্রচন্ড ভাবে আদর্শ কে ধারণ করেন... তার বিচু্যতি দেখতে কষ্ট লাগে.. আমি জানি আপনার ভয়টা অন্য জায়গায়..

আমাদের এই প্রিয় মাতৃভ্থমির উপর দিয়া বিষুব রেখাটা বহমান... আর এই কারনেই আমাদের মন ও সব সময় আপ-ডাউন করে... সো এই উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক কারনের জন্য আমি সাধারন মানুষকে দোষ দেই না... অপেক্ষায় স্বপ্ন বুনি.. "আমাদের দেশে হবে সেই ছেলে কবে... দূনর্ীতে না বড় হয়ে কাজে বড় হবে"... মাঝে মাঝে স্বপ্ন ভংগের বেদনায় কুকড়ে যাই যখন দেখি আমার এই প্রিয় জন্মভূমির সামনে কোন ভিশন নাই... এইভাবে দেশটা আসলে কতটুকু এগোতে পারবে? এই দেশে একজন তাজউদ্দিন এর মতো দুরদৃষ্টি সম্পন্য নেতার বড় প্রয়োজন... মাহথির মোহাম্মদ যিনি একাই একটা দেশকে অনেক উপরে তুলে এনেছেন... এর মতো কি কেউ আসবে না? যারা এই দেশটাকে সঠিক দিক নির্দেশনা দিয়ে অনেক দুর নিয়ে যাবে... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28694028 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28694028 2007-01-15 05:08:01
আবার ভোট আইতাছে... দুই নেত্রীর পদ-ধুলি লইয়া দেশের শীর্ষ স্থানীয় চোর বাটপারগন দাত ক্যালাইয়া হাসতে হাসতে আমাগো ভোটে নির্বাচিত হইয়া মানিক মিয়া এ্যাভিনিউস্থ গরুর খোয়ারে উপবিষ্ট হইয়া শুল্ক মুক্ত গাড়ি ক্রয়ে একমত হইবো... 330টি চোর একযোগে ভোট দিবো যখন দেখা যাইবো তাগো বেতন ভাতা বাড়ানোর বিল উত্থাপিত হইয়াছে... এহাছাড়া আর কোন টাইমে একমত হইতে দেখা যাইবো না... অবশ্যই নিয়ম ও নাই... আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাশে... বিরোধী দলের নেতার পোলা মাইয়াগো মইদ্যে সাদী মুবাররক সম্পন্য করন যাইবো... কিন্তু দেশের স্বার্থে একলগে বহন যাইবো না... ইভেন চাওন ও যাইবোনা... যদি চোক্কে প্যাচ লাইগ্যা যায়... মজার না? বড়ই সৌন্দর্য্য...

আহেন এই সকল তথাকথিত তেনা (নেতা) গো ধইরা "বাঙলা ফ্রাই" করি... খাওয়া ভবন আরক্ষুধা সদন রেস্টুরেন্ট এ এইসকল ফুড আইটেম বেচনের বন্দোবস্ত রাখার কঠি্ঠন দাবি করতাছি...]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28694017 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28694017 2007-01-15 04:09:39
প্রস্তাবনা
2. যদিও এই প্রস্তাবটা একটু ব্যাকডেটেড... স্থান হবে ঢাকার বাইরে... হতে পারে কোন এক বনে অর কোন এক চর এ.... একটা বড় প্রসাদ করা হোক... সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর দিন সকাল 10টায় যেই দল ওই বাড়ির দখল নিতে পারবো... সেই দল নেক্সট 3 বছর-এর জন্য দেশের ক্ষমতায় থাকবো...

3. আগামী 5 বছরে যে এই ব্লগ এ সবচাইতে বেশী লেখা পাঠাইবো... তারে আমাগো দ্যাশের প্রাইম মিনিসটার বানানো হউক... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28693141 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28693141 2007-01-08 03:36:43
একটা জোকস
ভাইসকল মাইণ্ড খাইয়েন না...

হুদাই মজা করলাম... ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28692022 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28692022 2006-12-26 06:23:35
কোথায় যাচ্ছি আমরা?
নেট এর বদৌলতে ঘড়ে বসেই জাম্পেশ আড্ডার আয়োজন হয়ে যায় পৃথিবীর যেই প্রানত্দেই থাকিনা কেন। ওয়েব ক্যাম এর বদৌলতে রিয়েল লাইফ ফিলিংসটা বাড়তি পাওয়া... একটা সময় আড্ডাতে অত্যাবশ্যকীয় ছিলো মুড়ি ভাজা আর ধুমায়িত চা ... আহ.. কত্যোদিন এই সুবাস টা পাই না... খুউব মিস করি... আচ্ছা মান্নাদে যদি আগে বুঝতে পারতো পৃথিবীর এই সিচুয়েশন হবে... কফি হাউজে আর আড্ডা জমবে না... সেই 7 জন বন্ধুকে ঘরে বসেই ধরা সম্ভব... তাহলে তার গান টা ক্যামন হতো? আদৌ কি এমন একটা গান আমরা পেতাম?

মুখে কথা বলাটা সেই কবেই শেষ হয়ে গেছে... না ভরকাবেন না... আমি শব্দ প্রতিবন্ধী না... আসলে বদলে গেছে কথা বলার ধরন... এখন কথা হয় ইমেইল এ, কথা হয় ইয়াহু/এমএসএন/স্কাই পি/এমআইআরসি/আওল/আইসিকিউ-তে... এখন আর মুখে কোন কথা বলা লাগে না... কথা হয় আঙ্গুল দিয়ে... আমার সমসত্দ আবেগ, অনুভুতির দৃশ্যমান হয় হাতের দশটি আঙ্গুলের মাথা থেকে... ইমোটিকন এর মাধ্যমে... আরো কত্তোকি যে দেখবো...

বাল্যকারে পাড়ার লাইব্রেরীতে গেলে অনেক বইএর ভিড়ে নিজেকে হারিয়ে ফেলতাম। কোন একটি বিশেষ বই এর জন্য সমসত্দ লাইব্রেরী তন্ন তন্ন করে খুজতাম। আর আজ? ঘরে বসে দেশ বিদেশের বিখ্যাত বই/জার্নাল/রিপোর্ট/এনসাইক্লোপিডিয়া কয়েকটি আঙ্গুলের আলতো ছোয়ায় নিমিশেই হাজির করে ফেলছি। এই তো কিছুদিন আগেও বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ভ্রাম্যমান লাইব্রেরীটা কখন মহলস্নায় আসবে আর সদ্য সমাপ্ত বইগুলো বদল করে নতুন কিছু বই নিবো। সময় পেলেই মহানগর পাঠাগার এ ও যাওয়া হতো। কত্তো স্মৃতীবিজরীত বৃটিশ কাউন্সিল। অথচ এখন? ছোট্ট এই যাদুর বঙ্টা সব কিছু কি দ্রম্নত গতিতে বদলে দিচ্ছে। কিন্তু পাচ্ছিনা সেই নতুন বইয়ের গন্ধ... যেটা বই এর সাথে অনত্দরের একটা টান তৈরী করতো।

সেই প্রশ্নটা আবারো চলে আসছে.. আসলে এর শেষ কোথায়? আর কতো বদলাতে হবে নিজেকে? প্রযুক্তির এই দ্রম্নত সম্প্রসারণে আমাদের অনুভুতীগুলো কি ভোতা হয়ে যাচ্ছেনা? আমার একটা কাজিন ইংলিশ মিডিয়ামের ক্লাস থ্রিতে পরে... সে ঊনসত্তর/ঊনত্রিশ কতো-তে হচ্ছে সে জানে না... ইংরেজী মাধ্যমের একটা অংশ বের হচ্ছে বিকৃত উচ্চারনে কথা বলতে বলতে। নিজ দেশে প্রবাসী? মনটা খারাপ হয়ে গেলো... আর লিখতে ইচ্ছা করছে না...

কেউ যদি কষ্টকইরা এই পর্যনত্দ আইসা থাকেন... তাইলে আপনেরে ধন্যবাদ... ভালো থাইক্যেন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28691432 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/28691432 2006-12-21 08:18:58
আমার পাঁচখান কথা 2. শিশির ভেজা ভোরে ভালো লাগে হাটতে দুটি খেতের মাঝের আল দিয়ে... বাতাশে শস্যের গন্ধ আমাকে মোহিত করে। মেঠো পথ ধরে হাটতে হাটতে কখনো কোন চা এর দোকানে বসে গরম্নর দুধ এর সাথে গুড় এর মিশ্রনের চা... এখনো মনে হয় জিবে লেগে আছে...
3. মানুষ হিসেবে কিছু বিষয় আমি মেনে চলি। আমার কাছে মনে হয়... যদি আমি সততা কে ইমপর্টেন্স দেই তাহলে অন্যান্য গুনাবলির অনেক কিছুই কভার হয়ে যায়। নিজের কাঝে অনেস্ট থাকা... নিজের বিবেকের কাছে সৎ থাকা...নিজেকে তৃপ্ত করে। স্বার্থপরতা ভালো লাগেনা। মানুষকে প্রচ- বিশ্বাস করি। আর হয়তো এর জন্যই ঠকতে হলো।
4. যে কোন মিষ্টি জাতীয় খাবার আমার খুবই প্রিয়। যে কেউ রান্না করে দাওয়াত দিলে আমি আবার না করতে পারি না... ঝাল একদম ভালো লাগে না... ইভেন ঝাল কথাও
5. গান আমার জীবন... তাই বলে ভেবে বইসেন না যে আমি গান গাই... সময় ভেদে বিভিন্ন গান শুনি। এ একটা কাজে আমার কোন আলসেমী নাই... রাতে শুয়ে শুয়ে নিশ্চয় হার্ড রক শুনবো না ... তাই না?

আর কি লিখবো? কিছু খুজে পাচ্ছিনা... এইটা পড়তে পড়তে যদি চোখে জ্বালা ধরে যায়... তাহলে মিনারেল ওয়াটার দিয়ে চোখ ধুয়ে আসুন]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/27544 http://www.somewhereinblog.net/blog/prottyutpannyamotittwablog/27544 2006-12-10 00:08:02