আগে মনে করতাম লোকজন এত দুর্নীতির কথা বলে না জানি কি রকম জমকালো তারেক রহমানের শোয়ার ঘর
২২ শে জানুয়ারি, ২০০৮ বিকাল ৫:৩২
খাঁ খাঁ করছে শহীদ মইনুল রোডের বাড়িটি
দোতলায় তারেক রহমানের শোয়ার ঘরে একটি সাধারণ খাট, একটি সিঙ্গেল সোফা ও একটি টেবিল ল্যাম্প। সামনে ড্রয়িং রুমে এলোমেলো একসেট সোফা ও কিছু চেয়ার। সিঁড়ির একপাশে কিছু হ্যান্ডিক্রাফটস। মাঝারি মানের ওইসব ফার্নিচারে সাধারণভাবে সাজানো তারেক রহমানের শোয়ার ঘর দেখে তার সঙ্গে সাক্ষাৎকারী নেতাকর্মীদের বিভিন্ন মন্তব্য করতে দেখা যায়। যুবদলের এক নেতা বলেন, আগে মনে করতাম লোকজন এত দুর্নীতির কথা বলেÑ না জানি কি রকম জমকালো তারেক রহমানের শোয়ার ঘর। লোকজন বলাবলি করে তিনি দুর্নীতি করে টাকার পাহাড় জমিয়েছেন আর আয়েশি জীবনযাপন করেছেন। তবে ভেতরের অবস্থা দেখে আজ আমার মনের ভুল ভেঙেছে। আমাদের অনেক মাঝারি মানের নেতার বাড়িঘরও এর চেয়ে জমকালো। তারেক রহমানের শোয়ার ঘর, ড্রয়িং রুমসহ পাশের দু’টি কক্ষের ফার্নিচার রুচিসম্মত হলেও খুব বেশি দামি নয়। তবে দোতলায় তার কক্ষে ওঠার সিঁড়ির পাশে সাজানো বিভিন্ন শিল্পকর্ম দেখে যে কারও চোখ আটকে থাকবে।
বাড়ির মধ্যের অংশে খালেদা জিয়ার শোয়ার ঘরের সামনেই একটি লম্বা ড্রয়িং রুম। সেখানে একসেট সোফা ও তিনটি গোল টেবিলে বসে থাকতে দেখা যায় সাবেক মহিলা এমপি ও তাদের পরিবারের মহিলা সদস্যদের। ড্রয়িং রুমের রঙিন টেলিভিশনের কাচেও ধুলোর আস্তর। এ ঘরের ফার্নিচারও খুব বেশি দামি নয়। বাড়ির রান্নাঘরও সাধারণ মানের। শুধু খালেদা জিয়াকে যে ড্রয়িং রুমে বসানো হয় সেটি খুবই সাজানো-গোছানো এবং পরিষ্কার। খালেদা জিয়ার মায়ের মৃত্যুতে প্যারোলে মুক্তির খবরে দলের মহিলা নেতাকর্মীরা সেখানে ভিড় করেন। তাদের অনেকেই দলের চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ঘরের অবস্থা দেখে অবাক। কয়েকজনকে এ ব্যাপারে মন্তব্য করতেও দেখা যায়। বাড়ির একজন মহিলা কেয়ারটেকার বলেন, ম্যাডাম ও দুই ভাইকে গ্রেপ্তারের পর এ ঘরের নিত্যদিনের চিত্র পাল্টে গেছে। আমাদের বেশির ভাগ সময় নিঃসঙ্গ কাটে। বাড়িতে আগের মতো কাজের চাপ নেই। এমনিতেই ক্যান্টনমেন্টের এ বাসায় লোকজনের আনাগোনা কম। তার ওপর ম্যাডামকে গ্রেপ্তারের পর খাঁ খাঁ করছে পুরো বাড়ি। আজ কয়েক ঘণ্টার জন্য তাদের আগমনে একটি সুনসান ভূতের বাড়ি যেন কিছুটা প্রাণ পেয়েছে।
বিস্তারিত: খাঁ খাঁ করছে শহীদ মইনুল রোডের বাড়িটি
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: কি করবেন ফুটেজ দিয়া?
নিঃচুপ বলেছেন:
আপনার ধারনা শুনে ভাল লাগল।কিন্তু আপনার ধারনার সাথে বাস্তবতার মিল পাবে না যারা তাকে কাছ থেকে চিনে। বিলাশিতার বণর্না শোনার জন্য তার বিশাল বন্ধুবহরের কারো সাথে যোগাযোগ করলেই হবে।
তার কথিত বন্ধুরাই পুরো দেশজুড়ে জমকালো সবকিছুর কেন্দ্র বিন্দু ছিল, আর তার কথা বলে তো লাভই নেই।
লেখক বলেছেন: আমার ধারনা কেন? আমি তো একটা রিপোর্ট্ থেকে উদ্ধৃতি দিয়েছি।
লেখক বলেছেন: সত্যানুসন্ধানী কিনা জানিনা ।তয় অন লইনের সব পত্রিকা না পড়লে পত্রিকা পড়া পূর্ণ হয় না
এই জামানায় সবইতো ভিডিও ফুটেজেই খেলা...
....
না আপনেরে আর ক্লু দেওন যাইবো না...
লেখক বলেছেন: দূর্নীতি করলে তার কিছু প্রমাণ বেড রুমেও পাওয়া যায় ।
দূর্নীতিবাজরা সাধরণ বেড রুমে থাকে না
মিশন বলেছেন:
মামুনকে মৃত্যুমুখে নিয়ে গিয়েও তো কিছু পাওয়া গেল না। আর তার চেয়ে কাছের বন্ধু কে ই বা ছিল? অতএব তার দুর্নিতি সম্বন্ধে বেশী বলা হয়েছে কি?
শয়তান বলেছেন:
আমি কাইন্দা দিসি পড়তে পড়তে
আউটসাইডার বলেছেন:
এত্ত দূনী'তি করছে, এত টাকা বিদেশে পাঠাইছে এত্ত খারাপ কাম করছে, কিন্তু এক বছরে মামলা হইলো খালি চাঁদাবাজির আর কিছুনা। টাকা গুলা রাখছে কই তারেক মিয়া? দদক টাকার সন্ধান পায়না কেন? শালা মামুন তারেকের নাম ভাঙায়া টাকা বানাইছে এহন সব দোষ তারেকের আরকি? ব্যাপারনা, দেশের মানুষ এহন সবই বুঝতাছে। ড্রইং রুমে বইসা আর বেডরুমে বা অফিসের কম্পিউটারে বইসা ব্লগিং কইরা কেউ কেউ ভাবে সব বুইজা ফালাইছি। কিন্তু ঘটনা তো ভিন্ন মামুরা।
রুম্মান বলেছেন:
হাসব নাকি কান্দব বুঝবার পারতাসি না। আহহারে, এত সাধারন এক মহিলা আর তার পোলা দুইডারে সরকারে জেলে ঢুকাইলো!!!!!
প্রধান উপদেশ্টারে কন বাড়ির ভিতরটা দেইখা যাইতে।
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
শহীদ মইনুল রোডের বাড়িটি তো খাঁ খাঁ করবই, সব টেকাতো মালয়েশিয়া, দক্ষিন আফৃকাতে পাঠাছে !! মালয়েশিয়ার টাইম স্কোয়ার দেখলে বুঝবেন প্রিন্স সাহেব আমাগ টেকা দিয়া কি করছে।আজাইরা কাম বাদ দিয়া গঠনমূলক কিছু লেখেন।
লেখক বলেছেন: আপনি দুদকরে এখনও জানান নাই টাইম স্কোয়ারের কথা ?
কি করছেন এইডা?
তাড়াতাড়ি দুদকরে জানান,তাড়াতাড়ি ।
বুমবুম বলেছেন:
ওলে কষ্টে আমার চউক্ষে পানি ধরতাছে নারে।আমি কই যাই।আমাগো যুউবরাজ এতো কষ্টে থাকতো।যাউকগা অহন তাইলে আগের থেইকা কিছুটা আরামে আছে।
বুমবুম বলেছেন:
উনি এত তকলিফের ভিতরে আছিলেন অথচ এইটা আমগোরে বুঝবার দেন নাই!!!এই কষ্ট আমরা কই রাখি?
দিগন্ত বলেছেন:
টাকা তো বিদেশে, বেডরুমে কেন থাকবে?
রুকনুজ্জামান বলেছেন:
এই লজিকে তো ওসমান গনি সবচেয়ে বড় দুর্নীতিবাজ হবে।তার ঘরে কয়েক কোটি টাকা পাওয়া গেছে।ভাই অনেক মাদক ব্যবসায়ী আছেন যারা বস্তিতে থাকেন কিন্তু কোটি টাকার মালিক।মামুন সাহেব তারেকের নাম ভাঙানোর পর ও উনি কিছু বলেননি কেন?অন্যায় সহাও তো অপরাধ।তারেক তো আর অবলা ছেলেন না।ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: কথাবারতা শোইনা মনে হইছিল মামুন হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক
এখন মামলা একশ কোটি টাকার,তাও মামুন বলছে এত টাকা ওর নাই।এত টাকা পাইলে সরকারকে নিয়া নিতে বলছে ।
শয়তান বলেছেন:
যুবরাজের জইন্যে রিলিফ ফান্ড তৈয়ার করা হউক
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















নেক্সটে কাজে আসবে.... ইটটু ভিডিও ফুটেজ রাখবার পাললে.. মগর বহুত কামে আইব...