গাদ্দাফিকে একদল লোক টেনেহিচড়ে, চ্যাংধোলাই করে নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে পকেটমারকে ধরে যা করা হয় আর কি! আর করবেই বা না কেন। এই লোকের অপরাধ তো ক্ষমার অযোগ্য। এইসব অপরাধের কথা শুনলে জিবীত লোক তো অবশ্যই মৃত ব্যক্তির চুল খাড়া হয়ে যাবার কথা। অনেকে বিষয়গুলো জানিনা বলে হয়তো একটু আধটু আপসোস করি। তো চলুন জেনে নেয়া যাক গাদ্দাফির যত অপরাধ----
লিবিয়াতে সবাই বিদ্যুতের সুবিধা পেত কিন্তু তাদের কাউকে বিদ্যুতের বিল দিতে হতো না।
লিবিয়ার সব ব্যাংক রাষ্ট্রায়ত্ত। এসব ব্যাংক থেকে নাগরিকেরা ঋণ নিলে সুদ দেওয়ার প্রয়োজন পড়ত না। গাদ্দাফি বিশ্বাস করতেন, প্রত্যেক নাগরিকের অধিকার রয়েছে একটি বাড়ি পাওয়ার। এ জন্যই তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন, প্রত্যেক নাগরিকের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা না হওয়া পর্যন্ত তাঁর নিজের বাবা-মায়ের জন্য কোনো বাড়ি বরাদ্দ করা হবে না। গাদ্দাফির বাবা একটা তাঁবুতে মারা যান। গাদ্দাফি নিজেও তাঁর স্ত্রী ও মাকে নিয়ে তাঁবুতে বসবাস করতেন। লিবিয়ার প্রত্যেক নবদম্পতিকে সরকারের পক্ষ থেকে ৫০ হাজার ডলার দেওয়া হতো, যাতে তাঁরা বাড়ি কিনে নতুন জীবন শুরু করতে পারেন। সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা দেওয়া হতো। গাদ্দাফি ক্ষমতা নেওয়ার আগে লিবিয়ায় শিক্ষিতের হার ছিল ২৫ শতাংশ। এখন তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৩ শতাংশে।
কেউ কৃষি খামার করতে চাইলে সরকার ভূমি, বীজসহ প্রয়োজনীয় উপকরণ বিনামূল্যে সরবরাহ করত। কোনো কারণে লিবিয়ার কোনো নাগরিককে শিক্ষা গ্রহণ কিংবা চিকিৎসাসেবা নিতে বিদেশে যেতে হলে সরকার সব ব্যয় বহন করত। লিবিয়ার তেল বিক্রির একটা নির্ধারিত অংশ প্রত্যেক নাগরিকের ব্যাংক হিসাব নম্বরে সরাসরি জমা হতো। সন্তান জন্ম দিলে প্রত্যেক নারীকে পাঁচ হাজার ডলার দেওয়া হতো।
এবার বলুন এধরনের অপরাধীর জন্য এর চেয়ে আর কি প্রাপ্য ছিল !!!!!!!!!!!!!!
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১১ দুপুর ১:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



