somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... মুক্তিযুদ্ধ বা আবহমান বাংলা থিমে টেরাকোটার/কাঠের কাজের তথ্য চাই।
এ ব্যাপারে কারও কোন আইডিয়া থাকলে শেয়ার করার জন্য অনুরোধ করছি। কোথায়, কত সময় লাগে, কত দাম পড়তে পারে?

অগ্রিম ধন্যবাদ।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28808392 http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28808392 2008-06-11 09:31:08
বিজয়ের মাস ডিসেম্বর ব্লগার রুধীন একটি পোস্ট দিয়েছেন যে বিজয়ের মাসে আমরা সবাই যেন নিজ নিজ নিকে বাংলাদেশের পতাকা ধারন করি। প্রসতাবটা আমার খুব পছন্দ হয়েছে তাই লিংক সহ পুন:পোস্ট করলাম। সেই সাথে ফ্লিকার সাইট থেকে খুজে একটি সুন্দর ছবি দিলাম।

ছবিটা ইচছা করলে এডিট ছাড়াই ব্যবহার করতে পারবেন অথবা ছবির নীচে বাম পাশে যে খালি ব্যাকগ্রাউন্ড আছে সেখানে আপনার বর্তমান নিকের ছবির লেয়ার মার্জ করে নিতে পারেন।

সবাইকে মুক্ত বাতাসে নি:শ্বাসের শুভেচ্ছা। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28749728 http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28749728 2007-12-06 11:24:51
কে বা কারা যুদ্ধাপরাধী সেটা কীভাবে নির্ণয় করা যাবে-একটি অনবদ্য বিশ্লেষন!!!
"মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন কোন ব্যক্তি যুদ্ধাপরাধে লিপ্ত ছিল তার তথ্য পাওয়া যাবে তত্কালীন প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নথিগুলোয়। একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর সে সময় কারা, কিভাবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীকে সাহায্য করেছ, তার রিপোর্ট প্রাদেশিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিত ইসলামাবাদে ঊর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে পাঠাত এবং সেগুলোর কপি এখনকার বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাওয়া যাবে। একটি আইনি প্রশ্ন উঠতে পারে যারা এই দলিলগুলো তৈরী করেছিলেন কিংবা এগুলোয় যাঁদের স্বাক্ষর আছে তাঁদের না পাওয়া গেলে তাঁদের স্বাক্ষর ছাড়া দলিলগুলো কীভাবে বিচারকালে প্রমাণিত হবে। প্রশ্নটির উত্তর হচ্ছে স্বাক্ষ আইনের ৯০ ধারায় এগুলো বিচারকালে উপস্হিত করা মাত্র আপনা আপনি একজিবিট বা প্রদর্শন হিসেবে চিহ্নিত হবে। স্বাক্ষ আইনের ৯০ ধারায় বলা হয়েছে, কোন দলিল ৩০ বছরের পুরোনো হলে আদালত এই অনুমিতি নেবে যে দলিলটির স্বাক্ষরকারীর স্বাক্ষর সঠিক এবং দলিলটি সঠিকভাবে তৈরী করা হয়েছিল। তত্কালে প্রচারিত লিফলেট ও সংবাদপত্রে ছাপা বিবৃতি প্রমান হিসেবে উপস্হিত করা যাবে। এ গুলো স্বাক্ষ আইনের ১৭ ধারা, যেখানে স্বীকারোক্তির সংগা দেওয়া আছে, তার আওতায় স্বাক্ষ হিসেবে গ্রহনযোগ্য হবে"।

বিচারপতি রাব্বানীর মতে যুদ্ধাপরাধীদের বাংলাদেশের ফৌজদারি আদালতের কাঠগড়ায় উঠানোর জন্য বাংলাদেশ দন্ডিবিধির ১২১, ১২১ক, ১২২ ও ১২৩ক ধারা চারিটই যথেষ্ট। তিনি আরও বলেছেন যে, বিশেষ ক্ষমতা আইনের (১৯৭৪ সালের ১৪ নং আইন)-এর ২৬(২) ধারা অনুযায়ী গঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালে দন্ডবিধির উপিরউক্ত ১২১, ১২১ক, ১২২ ও ১২৩ক ধারায় অভিযুক্তদের বিচার হবে।

চমত্কার আইনি পথ বাতলে দেয়ার পর বিচারপতি রাব্বানী উপসংহার টেনেছেন আরও চমত্কার করে:

"প্রিয় পাঠক, দেখা যাচ্ছে: এক. যুদ্ধাপরাধীদের নির্ণয় করতে যে দলিলসংক্রান্ত প্রমানগুলো, যেগুলো অত্যন্ত নির্ভরযোগ্যও বটে, সেগুলো সরকারের হেফাজতে আছে। দুই. যে কোন গুরুতর অপরাধের বিচারে আদালতের সামনে রাষ্ট্রকেই বিচারপ্রার্থী হতে হয়"।

তথ্যসুত্র: ৬ নভেম্বর ২০০৭, দৈনিক প্রথম আলো।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28743357 http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28743357 2007-11-07 11:35:42
রাজাকাররা চিহ্নিত, ঘৃনিত, নব্য রাজাকাররা মুনাফেক। এদেরকে এড়িয়ে চলুন।
কারিগর বলেছেন :
২০০৭-১১-০৩ ২৩:১১:৫৮
মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিদের বলছি। নব্য বা পুরাতন রাজাকরদের এরিয়ে চলুন। তাদের পোস্টে কমেন্ট করা থেকে বিরত থাকুন। অনেকে টপরেটেড হওয়ার জন্য বুঝে নাবুঝে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী পোস্ট দিয়ে থাকে। এদের প্রতি আগ্রহ দেখাবেন না। প্রথম পাতায় রাজাকরদের পোস্ট দেখলে, তা প্রথম পাতা থেকে সরাতে একের পর এক পোস্ট দিয়ে যান। কর্তৃপক্ষের অপেক্ষায় থাকবেন না। বা তাদের কাছে অভিযোগ করে অন্য ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করবেন না।
আপনাদের প্রগতীশিল পোস্ট গুলো কতক্ষন প্রথম পাতায় থাকে তা লক্ষ করেছেন কি?
তখন কারা বেশি বেশি পোস্টদেয় তা কি লক্ষ করেছেন?
মৌলবাদ বিরোধী বা মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের পোস্টে বেশি বেশি কমেন্ট করে তাদের অনুপ্রেরণা যোগান। আপনাদের দেয়া কমেন্ট ও অনুপ্রেরণা থেকেই আমি রাজাকারদের বিরুদ্ধে কাজ করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি। নতুন ব্লগারদের আমার মতো সেই সুযোগ করে দিন।
মনে রাখবেন, জামাতি বা মৌলবাদ রুখতে হলে তাদের মতই আচরণ করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28742555 http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28742555 2007-11-04 13:43:04
রাজাকার, যুদ্ধপরাধী বিষয়ে আদালতে যাওয়ার জন্য ক্লান্তিহীন নসিহতের পিছনে
উদ্দেশ্য পরিস্কার।

সমাজের প্রতিটি সেক্টরে অনুপ্রবেশ করে,রাস্ট্র ক্ষমতার আংশিক অংশিদার হয়ে স্বাধীনতার ৩৬ বত্সর পরে জামাত আজ সম্পুর্ন পাকিকরনের মাধ্যমে পুরো দেশ টা গিলে খাবার দ্বারপ্রান্তে। ঘুনে ধরা বুর্জোয়া রাজনীতির রুই কাতলা গুলো আগামী নির্বাচনে কোমর সোজা করে দাড়াতে পারবে বলে মনে হয় না। এই সুযোগে তথাকথিত সত লোকরা পুর্ন রাস্ট্র ক্ষমতা দখলের নীলনকশা কষছেন বিগত কয়েক মাস ধরে। উক্ত নকশায় ক্ষমতা দখলের সকল উপকরনের জোগাড় আছে। সমস্যা কেবল রাজাকার, যুদ্ধপরাধ এর আজন্ম কাটা। এই গলার কাটা ওরা আপনার আমার হাত দিয়েই সরাবে।

এবার বাস্তবায়ন।

প্রথম ধাপ:
মুক্তিযুদ্ধ মহান, মুক্তিযোদ্ধারা মহান টাইপের কিছু বায়বীয় কথা বার্তা। তারপর বিজয় দিবস পালন, বিজয় মিছিল। এমনকি শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালন, সাথে শেখ মুজিব জাতির নেতা টাইপের কিছু চমক। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

দ্বিতীয় ধাপ:
রাজাকার, যুদ্ধপরাধ সম্পর্কে দুচারটা পিছলা কথা অফিশিয়ালি বলা আর কর্মী-সমর্থক দের মাধ্যমে রাজাকার, যুদ্ধপরাধ এর বিপক্ষে জোরে সোরে বলা যাতে সাধারন মানুষ বিভ্রান্ত হয় (ব্লগের রাজাকার গুলার মন্তব্য দেখুন)। অর্থাত্ত মানুষের ঘৃণা কে বায়বীয় করা, ফোকাসহীন করা (পাকিস্তানি না বলে হানাদার বাহিনীর আক্রমন বলা ধরনের)। তাতেও কাজ হচ্ছে না।

তৃতীয় ধাপ (এই ধাপ আমরা এখন দেখছি):
তৃতীয় ধাপ এর প্রথম পর্ব-বাংগালকে হাইকোর্ট দেখাও। ওয়াজ নসিহত কর, বাংগাল যেন আদালতে যায়। এটাতেও কাজ হচ্ছে না। কেউ আদালতে না গিয়ে বরং ব্লগের মত সারা দেশে যুদ্ধপরাধী-রাজাকার জামাত শিবির কে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষনার 'ফালতু' দাবী উঠাতে থাকে।

তৃতীয় ধাপ এর দ্বিতীয় পর্ব-আঁতে ঘা দাও, বাংগাল অবশ্যই আদালতে যাবে।........৭১ এ কোন যুদ্ধপরাধী-রাজাকার ছিল না, এখনও নেই....,....৭১ এ কোন মুক্তিযুদ্ধই হয় নি, হয়েছে গৃহযুদ্ধ...,....৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা ছিল পরসম্পদ লুন্ঠনকারী আর সুন্দরী নারী ভোগকারী...।

পুরো নাড়িয়ে দেয়া। ব্লগ গরম, দেশ গরম। বাংগালী এবার আদালতে যাবেই।

জামাত-শিবির-রাজাকার পুনর্বাসনের স্বর্নযুগেও গো. আযম পাকিস্তানী পাসপোর্ট হাতে ছুটত বাংলাদেশের ভিসা এক্সটেনশনের জন্য। যেই বাংগালী আদালতে গেল, অমনি উনি বাংলাদেশী হয়ে গেলেন। (বলেন, আলহামদুলিল্লাহ!)।

আল্লার ওয়াস্তে এবার এই ভুল করবেন না। যুদ্ধপরাধী-রাজাকার এর মত রাজনৈতিক বিষয়কে প্রচলিত ফৌজদারী আদালতে নিয়ে তাদের জায়েজ করবেন না। ৩৬ বছরে না হোক, ৭২ বছরে হবে। জনতার আদালতেই জামাতের বিচার হবে।

আদালত নির্মোহ। ব্লগে যারা জাতির সর্বশ্রেস্ঠ অর্জন ৭১ কে আদালতে নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ নির্ধারনের পরামর্শ দেয় তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

........৭১ এ কোন যুদ্ধপরাধী-রাজাকার ছিল না, এখনও নেই....,....৭১ এ কোন মুক্তিযুদ্ধই হয় নি, হয়েছে গৃহযুদ্ধ...,....৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা ছিল পরসম্পদ লুন্ঠনকারী আর সুন্দরী নারী ভোগকারী...এর মত রাস্ট্রদ্রোহী কথা বার্তা যারা বলে তাদের বিচারে বর্তমান রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ মুক্ত, জন সমর্থনে নৈতিকভাবে , সেনা সমর্থনে বাস্তবিকভাবে বলীয়ান
প্রিয় ড: ফকরুদ্দীন আহমদের সরকার অবশ্যই ব্যবস্হা নিবেন বলে আশা করি।

আসুন, এ ব্যপারে যার যার অবস্হান থেকে জনমত সৃস্টিতে কাজ করি। সরকারী উদ্যোগে, এটর্নীদের মাধ্যমে বিশেষ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামাতী রাজাকারদের বিচার করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28742522 http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28742522 2007-11-04 11:35:16
রাজাকার, যুদ্ধপরাধী বিষয়ে আদালতে যাওয়ার জন্য ক্লান্তিহীন নসিহতের কারন ও ফযিলত
উদ্দেশ্য পরিস্কার।

সমাজের প্রতিটি সেক্টরে অনুপ্রবেশ করে,রাস্ট্র ক্ষমতার আংশিক অংশিদার হয়ে স্বাধীনতার ৩৬ বত্সর পরে জামাত আজ সম্পুর্ন পাকিকরনের মাধ্যমে পুরো দেশ টা গিলে খাবার দ্বারপ্রান্তে। ঘুনে ধরা বুর্জোয়া রাজনীতির রুই কাতলা গুলো আগামী নির্বাচনে কোমর সোজা করে দাড়াতে পারবে বলে মনে হয় না। এই সুযোগে তথাকথিত সত লোকরা পুর্ন রাস্ট্র ক্ষমতা দখলের নীলনকশা কষছেন বিগত কয়েক মাস ধরে। উক্ত নকশায় ক্ষমতা দখলের সকল উপকরনের জোগাড় আছে। সমস্যা কেবল রাজাকার, যুদ্ধপরাধ এর আজন্ম কাটা। এই গলার কাটা ওরা আপনার আমার হাত দিয়েই সরাবে।

এবার বাস্তবায়ন।

প্রথম ধাপ:
মুক্তিযুদ্ধ মহান, মুক্তিযোদ্ধারা মহান টাইপের কিছু বায়বীয় কথা বার্তা। তারপর বিজয় দিবস পালন, বিজয় মিছিল। এমনকি শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালন, সাথে শেখ মুজিব জাতির নেতা টাইপের কিছু চমক। কিন্তু কাজ হচ্ছে না।

দ্বিতীয় ধাপ:
রাজাকার, যুদ্ধপরাধ সম্পর্কে দুচারটা পিছলা কথা অফিশিয়ালি বলা আর কর্মী-সমর্থক দের মাধ্যমে রাজাকার, যুদ্ধপরাধ এর বিপক্ষে জোরে সোরে বলা যাতে সাধারন মানুষ বিভ্রান্ত হয় (ব্লগের রাজাকার গুলার মন্তব্য দেখুন)। অর্থাত্ত মানুষের ঘৃণা কে বায়বীয় করা, ফোকাসহীন করা (পাকিস্তানি না বলে হানাদার বাহিনীর আক্রমন বলা ধরনের)। তাতেও কাজ হচ্ছে না।

তৃতীয় ধাপ (এই ধাপ আমরা এখন দেখছি):
তৃতীয় ধাপ এর প্রথম পর্ব-বাংগালকে হাইকোর্ট দেখাও। ওয়াজ নসিহত কর, বাংগাল যেন আদালতে যায়। এটাতেও কাজ হচ্ছে না। কেউ আদালতে না গিয়ে বরং ব্লগের মত সারা দেশে যুদ্ধপরাধী-রাজাকার জামাত শিবির কে নির্বাচনে অযোগ্য ঘোষনার 'ফালতু' দাবী উঠাতে থাকে।

তৃতীয় ধাপ এর দ্বিতীয় পর্ব-আঁতে ঘা দাও, বাংগাল অবশ্যই আদালতে যাবে।........৭১ এ কোন যুদ্ধপরাধী-রাজাকার ছিল না, এখনও নেই....,....৭১ এ কোন মুক্তিযুদ্ধই হয় নি, হয়েছে গৃহযুদ্ধ...,....৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা ছিল পরসম্পদ লুন্ঠনকারী আর সুন্দরী নারী ভোগকারী...।

পুরো নাড়িয়ে দেয়া। ব্লগ গরম, দেশ গরম। বাংগালী এবার আদালতে যাবেই।

জামাত-শিবির-রাজাকার পুনর্বাসনের স্বর্নযুগেও গো. আযম পাকিস্তানী পাসপোর্ট হাতে ছুটত বাংলাদেশের ভিসা এক্সটেনশনের জন্য। যেই বাংগালী আদালতে গেল, অমনি উনি বাংলাদেশী হয়ে গেলেন। (বলেন, আলহামদুলিল্লাহ!)।

আল্লার ওয়াস্তে এবার এই ভুল করবেন না। যুদ্ধপরাধী-রাজাকার এর মত রাজনৈতিক বিষয়কে প্রচলিত ফৌজদারী আদালতে নিয়ে তাদের জায়েজ করবেন না। ৩৬ বছরে না হোক, ৭২ বছরে হবে। জনতার আদালতেই জামাতের বিচার হবে।

আদালত নির্মোহ। ব্লগে যারা জাতির সর্বশ্রেস্ঠ অর্জন ৭১ কে আদালতে নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষ নির্ধারনের পরামর্শ দেয় তাদের সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

........৭১ এ কোন যুদ্ধপরাধী-রাজাকার ছিল না, এখনও নেই....,....৭১ এ কোন মুক্তিযুদ্ধই হয় নি, হয়েছে গৃহযুদ্ধ...,....৭১ এ মুক্তিযোদ্ধারা ছিল পরসম্পদ লুন্ঠনকারী আর সুন্দরী নারী ভোগকারী...এর মত রাস্ট্রদ্রোহী কথা বার্তা যারা বলে তাদের বিচারে বর্তমান রাজনৈতিক উচ্চাভিলাষ মুক্ত, জন সমর্থনে নৈতিকভাবে , সেনা সমর্থনে বাস্তবিকভাবে বলীয়ান
প্রিয় ড: ফকরুদ্দীন আহমদের সরকার অবশ্যই ব্যবস্হা নিবেন বলে আশা করি।

আসুন, এ ব্যপারে যার যার অবস্হান থেকে জনমত সৃস্টিতে কাজ করি। সরকারী উদ্যোগে, এটর্নীদের মাধ্যমে বিশেষ ট্রাইবুনালের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতাকারী জামাতী রাজাকারদের বিচার করতে হবে।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28742020 http://www.somewhereinblog.net/blog/purefuntimeblog/28742020 2007-11-02 14:44:41