আজ কালের কন্ঠের রিপোর্টটি মনে হয় অনেকের চোখে পড়েছ। কালের কন্ঠের রিপোর্ট একজন ব্লগারও এই নিয়ে একটি পোষ্ট দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এই রিপোর্টে একজাগায় উল্লেখ করা হয়েছে নিষিদ্ধ ঘোষিত থাকা সত্তেও যদি শুধু সদস্যই এই পরিমান হয় তাহলে অন্যান্য নেতা কর্মী কত হবে। আমার এনালাইসিস এই অন্যান্য কর্মী নিয়ে।
ঢাবিতে পড়ে আমার এক খুব ঘনিষ্ট বন্ধু শিবির করে। সেই বন্ধুটি আবার খুব বাগ পটু বিভিন্ন সময় সে তার দলের বিভিন্ন গল্প করত। আমিও খোচা দিয়ে দিয়ে বিভিন্ন বিষয় জানার চেষ্টা করতা। তারই অংশ বিশেষ এখানে বলছি।
সদস্য হচ্ছে শিবিরের সর্ব উচ্চ পর্যায়ের কর্মী। এরা প্রথমে ছিল সমার্থক, তারপর কর্মী, তারপর সাথী প্রার্থী তারপর সাথী, তারপর সদস্য প্রার্থী তারপর সদস্য। মানে অনেক গুলি ধাপ পার হয়ে আসতে হয় সদস্য হওয়ার জন্য। আর সদস্যদের শপথ পড়ায় সবচেয়ে ধাড়ি ছাগলে। (কেন্দ্রীয় সভাপতি)
একজন কর্মী তার দৈনন্দীন কাজের একটি অংশ হচ্ছে অন্য কাউকে শিবিরে নিয়ে আসা। এরপর সে যখন নিজের প্রমশনের চেষ্টা করবে (তাদের ভাষায় মানউন্নয়ন) তখন সে হবে সাথী প্রার্থী। আর সাথী প্রার্থী হতে গেলে অবশই তিন চারজন সমর্থক ও কর্মী বৃদ্ধি করতে হবে। এরপর সে সাথী হতে পারবে। যদি তার কর্মী বৃদ্ধি না থাকে তাহলে সে সাথী হতে পারবে না। এরপর সে যদি আবার প্রমশনের চেষ্টা করে অর্থাৎ সে যদি সদস্য হতে চায় তবে তাকে অবশই প্রতি ৬ মাসে একজন করে সাথী বৃদ্ধি করতে হবে। সাথী ও সদস্য এর মাঝে যে দাপ সেটি হচ্ছে সদস্য প্রার্থী। এরপর সে সদস্য হতে পারবে। যদি কারও ছয়মাসের মধ্যে সাথী বৃদ্ধি না থাকে তবে সে সদস্য হতে পারবে না।
এই পরিসংখ্যান অনুযায়ি ঢাবিতে ১৫৪ জন সদস্যকে প্রতি ছয় মাসে যদি একজন সাথী বানাতে হয় তবে ১৫৪*২= ৩০৮ জন সাথী বছরে। এই ধারাবাহিকতায় তাদের সাথী সংখ্যা হতে পারে ৩০৮*৫= ১৫৪০ (একজন ছাত্রের পাঁচবছরে) তাহলে তাদের সাথী সংখ্যা হতে পারে ১২০০ এর উপর। ওদের ভাষায় শপথের কর্মী ১২০০ এর উপর। তাহলে এখন প্রশ্ন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিবিরের কর্মী ও সমর্থক সংখ্যা কত?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



