আমার প্রিয় পোস্ট
- ওয়াইম্যাক্স (WiMAX) কী ও কিভাবে কাজ করে - জোবাইর
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার এর জন্মদিন আজ - ফকির ইলিয়াস
- আজ কার্ল মাকর্সের জন্মদিন ... - ইমন জুবায়ের
- অবিস্মরণীয় চট্টগ্রাম যুববিদ্রোহ এবং মহানায়ক মাস্টারদা সূর্যসেন (৩) - আবু নাঈম
- মাননীয় অর্থমন্ত্রী, আইএমএফকে না বলুন - শওকত হোসেন মাসুম
- ফেসবুক : দীনতার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছে কারা ? - ফকির ইলিয়াস
- দিবাকরের আগমনে( আজ ১৭ এপ্রিল, বাংলাদেশের প্রথম সরকার) - পার্থিব রাশেদ
- কবি নিকানোর পাররার দুটি কবিতা - ইমন জুবায়ের
- ডিজিকে মারা হয়েছে? শাবাশ! ওকে! ওয়েলডান - নির্বাক হাসান
- মৌলভীবাজারে বিপুল অর্থ বিনিয়োগ করেও জঙ্গি উদ্বুদ্ধকরণে সাড়া পায়নি গ্রিন ক্রিসেন্ট - শরিফ রহমান
- স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে শহীদ মুক্তিযোদ্ধা বাবাকে নিয়ে আমার জীবনের প্রথম লেখা (মুক্তিযুদ্ধে যারা বাবা হারিয়েছ তোমাদের সবার জন্য উৎসর্গ) - মুনীর উদ্দীন শামীম
- ইউটিউবের দুটো পুরনো ট্রিক্স - তর্পন
- কেভিন কার্টারের ছবি এবং রুদ্রের কবিতার শকুন - তর্পন
- বিশ্বমন্দার কবলে বাংলাদেশও - শওকত হোসেন মাসুম
- কার্ল মার্কস - আবু নাঈম
- wallpaper - নভেরা১১
- ফ্রি এসএমএস পাঠান বাংলাদেশের জিএসএম অপারেটরগুলোর নাম্বারে - বজ্রাহত
- কর্ণেল তাহের আজো প্রাসঙ্গিক ১: কর্ণেল তাহেরের পিপলস আর্মি - দিনমজুর
- কিলিং মিশন: ফরহাদ মজহার - আহসান মোহাম্মদ ক
- বাংলাদেশে সেনাবাহিনীর কোন দরকার নাই - টোনাটুনি
- শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক ত্যানা প্যাঁচানো ..........। - আবুল বাহার
- বিচার না পেয়ে একজন বিডিআরও যেন শাস্তি না পায় - তানিম হুমায়ুন
- দেশের বিভিন্ন ব্যাটেলিয়ানে বিডিআর বিদ্রোহ, সুত্র: বিডিনিউজ ২৪ ডটকম @@ বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ১০৭ সেনা কর্মকর্তা নিহত, সুত্র: দ্য-এডিটর - জানপরী
- সবার আগে দেশকে শান্ত করুন। তারপর প্রশ্ন করুন, জবাব দাবী করুন, চুপ করে থাকবেন না - রাগ ইমন
- সকল ব্লগারের উদ্দেশ্যে - নোটিশবোর্ড
- ভাষা দিবস ও শহীদ মিনার নিয়ে কিছু ঐতিহাসিক উপাত্ত - অমি রহমান পিয়াল
- চাইল্ড সেক্স বনাম চাইল্ড ম্যারেজ - ফারজানা মাহবুবা
- ক্যানভাস! - অর্থি
- Info Activism Reflections - নুরুল আলম মাসুদ
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণস্বাক্ষর নিয়ে প্রেস কনফারেন্স : একটু লক্ষ্য করুন - একরামুল হক শামীম
- এন টিভিতে কৌশিকের সাক্ষাৎকার - হামীম
- বাংলাদেশ দালাল (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতি আদেশ নং-৮) - এর অধীনে অভিযুক্তদের তালিকা ( পর্ব -২)) - এস্কিমো
- উপমা-র জন্য সবার ভালবাসা ::: (আপডেট) - অরণ্য আনাম
- বইমেলায় সামহোয়্যারইন... ব্লগ গল্প সংকলনের মোড়ক উন্মোচন আজ রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) - একরামুল হক শামীম
- ১৪২৯ হিজরীর হজ্ব উপলক্ষ্যে আরাফার ময়দানে প্রদত্ত খোতবার অনুবাদ (চতুর্থ পর্ব) - নূরুল্লাহ তারীফ
- বিষয়: ভালোবাসা দিবস নিয়ে দুটো কথা....... - আদনান সৈয়দ
- আমার বান্দরবেলা..............৬ - তামিম ইরফান
- সিয়াম রিপ অ্যাংকর ওয়াট - আরিয়ানা
- রাষ্ট্রপতি ঘোষণা আজ : জিল্লুর রহমানের নিরাপত্তা জোরদার - ইকবাল হোসেন মজনু
- সিয়াম রিপের দিন গুলো (্স্থান: কেম্বডিয়া) - আরিয়ানা
- বোকামি - শওকত হোসেন মাসুম
- নির্বাচনে প্রথম আলো, আমার দেশ এবং নিউ এইজের ভূমিকা (জরুরী পোস্ট) - আিতকুল কবির
- সত্যিই পারবে সংসদ??? - সুন্দর সমর
- পাঁচটি মনিপুরি কবিতা - মাইবম সাধন
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচার ও মিথুন আহমেদের ডকুমেন্টারি ‘ট্রাইব্যুনাল ফর ওয়ার ক্রিমিনালস’ - ফকির ইলিয়াস
- জীবন আর মৃত্যুর মাঝখানে একাকী দাঁড়িয়ে মেয়েটি-উপমা! মাগো আর একটু সময় দে...... - মনজুরুল হক
- বদরুদ্দীন উমরের একটি লেখা - ছু-মন্তর
- বোর্ডের টেক্সটবুক ইন্টারনেটে কেন ছাড়া হবে না। - হামীম
- বিষয়: ইত্তেফাকের প্রতিস্ঠাতা - সেলটিক সাগর
- কমরেড হায়দার আকবার খান রনোর খোলা চিঠি - দিনমজুর
- বামবিষয়ক একটি বিলম্বিত শোক সংবাদ - ফিউশন ফাইভ
- বাম ব্লকে ভাঙন শুরু : রনোর নেতৃত্বে নতুন দল - ফিউশন ফাইভ
- একটি ঐতিহাসিক রিপোস্ট দিয়ে লগআউট করলাম



- ইউনুস খান
- '৭১-এর রাজাকার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই - সাপ্তাহিক নতুন কথা
- নয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও নব গঠিত সরকারকে আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়া'তের অভিনন্দন - শাহজাদা সৈয়দ রায়হান শাহ রহমানপুরী
- দপ্তরপ্রাপ্ত মন্ত্রীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা এবং তাদের সংসদীয় আসন - ওমর হাসান আল জাহিদ
- নতুন মন্ত্রীগণের নাম টুকে রাখলাম.... - পথিক!!!!!!!
- মহাজোটের সাংসদদের শপথ গ্রহণ : কিছু প্রত্যাশা - আমি সুদীপ্ত
- অভিবাদন বাংলাদেশ ! - ফকির ইলিয়াস
- মহাজোটের নেতা কর্মীদের সংযত আচরন। - হামীম
- আ.লীগ কি পারবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে? (রিপোষ্ট) - আশরাফ শিশির
- আসুন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে আন্দোলন গড়ে তুলতে একসাথে মিলিত হই - জামাল ভাস্কর
- বাংলাদেশের নির্বাচন ২০০৮ এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার - রেজওয়ান
- গ্যাসক্ষেত্র উন্নয়নে বাপেক্স - সৈয়দ আমিরুজ্জামান
- [ছবিব্লগ] যদি হারিয়ে যায়...।০১। ভাস্কর্য - রণদীপম বসু
- আসুন জানি এই নির্বাচনে কোন কোন যুদ্ধাপরাধী কোন আসনে নির্বাচন করছে - আক্রমণ
- শুভেচ্ছা সামহোয়ার, অভিনন্দন সামহোয়ারের সচেতন ব্লগারদের - অমি রহমান পিয়াল
- আমাদের বিজয় গাঁথা - লীনা ফেরদৌস
- ঈদ আসে ঈদ চলে যায়............... - সুলতানা শিরীন সাজি
- ২০০৮ : আপনার চোখে ব্লগের বর্ষসেরা লেখা কোনটি? (আপডেট-১২ : একটি বিশেষ ঘোষণা) - ব্রিগেড সিক্সটিন
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- মুক্তিযুদ্ধ এবং এক মা - সুলতানা শিরীন সাজি
- নারী, তুমি আর কত কাঁদবে? - খালেদা আকতার
- রক্তের গ্রুপ H I V - হামীম
- চা বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবন, অর্জন ও সাফল্য - সৈয়দ আমিরুজ্জামান
- সিলভিয়া প্লাথের কবিতা টিউলিপ - আয়শা ঝর্না
- নারী: গন্তব্য যখন কেবল ফরসা ত্বক আর পুরুষ ধরা ! - শ্লেট: আমাদের অনুকাগজ
- নভেম্বর সংখ্যা বের হয়েছে! - বিপ্লবী চেতনা
- সস্তায় চা খাওয়ার দিন শেষ ! - হামীম
- গ্রামীণফোনের দূনীর্তি - সৈয়দ সাইফুল আলম শোভন
- কিছু মজার এড... - নষ্ট মাথার দুষ্ট বালিকা...
- কাস্টেনের গান ভীতি - নিশি কন্যা
- Second time Dhaka - নরওয়ের কথা
'একটি দিবস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিস্স্মৃতির গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে'
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫
'একটি দিবস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিস্স্মৃতির গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে'
ইংরেজি দৈনিক নিউএজের ১১ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ সংখ্যার শেষ পাতায় প্রতিবেদক দিলশাদ হোসেন আক্ষেপ করে 'একটি দিবস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকে বিস্স্মৃতির গর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে' শিরোনামে লিখেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ছাত্রছাত্রীরা তো জানেই না (তাদের কেউ কেউ '৮৩-এর মধ্য ফেব্রুয়ারিতে কারা শহীদ হয়েছিলেন, এ প্রশ্নের জবাবে ভালোবাসার প্রতীক ভ্যালেন্টাইনের আত্মোৎসর্গের কথা তুলে ধরেছে), এমনকি বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের নেতাদের অনেকেই প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারির ছাত্র অভ্যুত্থান ও শহীদদের কথা বলতে পারেননি। কী ঘটেছিল সেদিন?
১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ তদানীন্তন সেনাপ্রধান লে. জে. হোসাইন মুহাম্মদ এরশাদ সামরিক ক্যুদেতার মাধ্যমে অবৈধভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করেন। অবৈধ ক্ষমতা দখলের প্রথম প্রহরেই ছাত্রসমাজ চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় ক্ষমতা জবরদখলকারী এরশাদের বিরুদ্ধে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর কেন্টিন থেকে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী, জাসদ- ছাত্রলীগ (মুনীর-হাসিব) ২৪ মার্চ বেলা ১১টায় সামরিক শাসনবিরোধী বিক্ষোভ মিছিল বের করে। ১৯৮২ সালের ৮ নভেম্বর ছাত্রলীগ (মুনীর-হাসিব) আয়োজিত মিছিলে পুলিশ হামলা করলে সব ছাত্র সংগঠনের মিলিত প্রতিরোধের মধ্য দিয়ে গড়ে ওঠে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ। তারই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩ সালের ১৪ ও ১৫ ফেব্রুয়ারি অগণতান্ত্রিক স্বৈরাচারী শাসকের বিরুদ্ধে তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্ম্বে গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত করে। মজিদ খানের গণবিরোধী শিক্ষানীতি বাতিল, ছাত্র বন্দিদের মুক্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দাবিতে ছাত্রসমাজ সামরিক আইনের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে স্মারকলিপি প্রদানের উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা থেকে যাত্রা শুরু করে। মিছিলের অগ্রভাগে ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইডেন কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজের ছাত্রীরা। কার্জন হল ও শিক্ষা ভবনের সামনে শান্তিপূর্ণ মিছিলটি পৌঁছামাত্রই অপেক্ষমাণ পুলিশ-বিডিআর-সেনাবাহিনী সাঁড়াশি আক্রমণ চালায় ছাত্রছাত্রীদের ওপর। শহীদ হন জয়নাল, জাফর, দীপালী সাহাসহ অনেক নাম না জানা ছাত্রছাত্রী। বিকেলে বটতলায় শহীদ জয়নালের জানাজা শুরু হওয়ার মুহৃর্তে হাজার হাজার পুলিশ-বিডিআর-সেনাবাহিনী পুরো ক্যাম্পাস ঘেরাও করে ছাত্র-শিক্ষকদের ওপর নজিরবিহীন বর্বরতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে। নির্যাতনে অসংখ্য ছাত্রছাত্রী পঙ্গুত্ম্ব বরণ করে এবং হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীকে গ্রেফতার করে সেনানিবাস ও বিডিআর সদর দফতরের অজ্ঞাত স্থানে আটকে রাখে।
আন্দোলন দমনের জন্য সামরিক জান্ত ১৪ ফেব্রুয়ারি বিকেল থেকে কারফিউ জারি ও গণগ্রেফতার চালালেও ছাত্র-জনতা কারফিউ ভেঙে রাজপথে নেমে পড়ে। হত্যা-নির্যাতনের প্রতিবাদে ১৫ ফেব্রুয়ারি ছাত্রসমাজ হরতাল আহ্বান করে এবং বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ সারাদেশে ছাত্র-জনতার বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। এদিন শহীদ হন চট্টগ্রামে মোজাম্মেল কাঞ্চন, ঢাকায় জগন্নাথ কলেজের মোজাম্মেল আইউবসহ আরো অনেক নাম না জানা ছাত্র-শ্রমিক-জনতা। ১৪ ফেব্রুয়ারি রাতে ছাত্রনেতাদের মধ্যে যারা গ্রেফতার হয়েছিলেন তাদের মধ্যে ছিলেন খ ম জাহাঙ্গীর, প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম নোমান, আশরাফুল হক মুকুল, লেনিন আজাদ, জালাল আহমেদ, শামসুজ্জামান দুদু প্রমুখ। এমনকি মধুর কেন্টিনের শহীদ মধুদার ছেলে অরুণকেও হামলাকারী বাহিনী গ্রেফতার করে চরম নির্যাতন চালায়। ১৫ ফেব্রুয়ারি '৮৩ পুরো ঢাকা মহানগরীতে হত্যা-নির্যাতন উপেক্ষা করে হাজার হাজার ছাত্র রাস্তায় বেরিয়ে আসে। পুলিশ-বিডিআর-সেনাবাহিনী প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, জগন্নাথ কলেজ, ঢাকা কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, তিতুমীর কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হল-হোস্টেল ঘেরাও করে হাজার হাজার ছাত্রকে পাইকারি গ্রেফতার করে বেইলী রোড, হেয়ার রোডের সামরিক আদালত প্রাঙ্গণে জমা করে। গ্রেফতারের সময় ও পরে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা চালায় চরম নির্যাতন। পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্রনেতা বাকীসহ অনেক ছাত্রের চোখ ল্ক্ষ্য করে বাহিনীর সদস্যরা লাঠি দিয়ে খুঁচিয়ে চোখ নষ্ট করার চেষ্টা করে। বাকী ভাইয়ের চোখ বেঁচে গেলেও অনেকের চোখ এতে স্থায়ীভাবে নষ্ট হয়ে যায়। হাত-পা তো অনেকেরই ভেঙেছে। খ ম জাহাঙ্গীরসহ যাদের সামরিক বাহিনীর বন্দিখানায় ও সামরিক গোয়েন্দা দফতরের 'সেইফ হোল নামক অন্ধকূপে আটকে রাখা হয়েছিল তাদের এমন চরম নির্যাতন করা হয় যে, গুজব ওঠে জাসদ-ছাত্রলীগ নেতা মুশতাক হোসেন (ডাকসু জিএস)কে মেরে ফেলা হয়েছে।
এ ধরনের ছাত্র অভ্যুত্থানের মতো আরেকটি ছাত্র অভ্যুত্থান ঘটে ২০০৭-এর আগষ্টের তৃতীয় সপ্তাহে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গোটা দেশে। এবারো ছাত্রসমাজ গর্জে ওঠে অগণতান্ত্রিক শাসকের নির্যাতনের বিরুদ্ধে। তবে এবার কোনো প্রাণহানি না ঘটলেও সামরিক বাহিনীর অকথ্য নির্যাতনের শিকার হন শিক্ষক-ছাত্রছাত্রীরা। আগষ্ট বিক্ষোভের অনন্য দিক ছিল ছাত্র নেতৃত্বের শিক্ষক সমাজের পাশে দাঁড়ানো।
রাজনৈতিক নেতৃত্বের নীরবতার মুখে শিক সমাজের ভূমিকা গণতন্ত্রকামী মানুষকে আশান্বিত করেছে। জেনারেল জিয়ার শাসনামলেও সামরিক বাহিনী ছাত্র ও রাজনৈতিক নেতাদের চরম নির্যাতন করে। তবে ২০০৭-০৮ সালে সামরিক নির্যাতন অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে যায়। এ সময় বন্দিদের সঙ্গে সঙ্গে তাদের স্ত্রী-সন্তান এমনকি নাবালক সন্তানদেরও বন্দি করা হয় এবং তাদের জিম্মি করে, নিরাপত্তার হুমকি দিয়ে বন্দিদের শারীরিক নির্যাতনের সঙ্গে সঙ্গে চরম মানসিক নির্যাতনও করা হয়। এ প্রসঙ্গে একটা বিষয় না বলে পারছি না। আশির দশকে যে নেতৃত্ব সামরিক স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে ছিলেন আপসহীন লড়াকু, তাদের কেউ কেউ ২০০৭-০৮ সময়সীমায় নির্যাতনকারী রাষ্ট্রশক্তির মাঝে 'ইতিবাচক' উপাদান খুঁজে পেয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: আপনার কথা ঠিক যে, এই ইতিহাস অনেকেই জানেন।
বিষয়টিকে আপনি অক্ষম আক্ষেপ হিসেবে দেখছেন কেন?
ইতিহাস কখনো অন্ধকারে ঢুকে যায় না। ইতিহাসকে অস্বীকার করে কোনো জাতি সামনের দিকে এগোতে পারে না।
তবে প্রতিবেদকের উচিত ছিলো তার কারণ অনুসন্ধান করা। + সহমত।
স্বৈরাচার বিরোধী দিবসের চেতনা লালিত হোক এটি কোন ভাবে চান না। - এখানে আমার ভিন্নমত।
আপনার তিক্ত ও করুণ অভিজ্ঞতার কথা আমাদের জানান।
আপনাকে ধন্যবাদ।
অনিশ্চিত বলেছেন:
এই প্রথম আপনার লেখায় প্লাস দিলাম। বিষয়টি নিয়ে আজ কাউকেই ভাবতে দেখি না। গতকাল টিএসসিতে এ প্রজন্মের কয়েকজন শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলছিলাম। তাদের কেউই এ সম্পর্কে কিছুই জানে না। সেটা হয়তো খুব বড় অপরাধ নয়। কিন্তু অবাক হয়ে লক্ষ্য করলাম, ভালোবাসা দিবসে তারা এ বিষয়ে কথা শুনতেও আগ্রহী নয়!
লেখক বলেছেন: ভালোবাসা দিবসে তারা এ বিষয়ে কথা শুনতেও আগ্রহী নয় বলে আপনি খবরটি আমাদের জানালেন, তাতে আমাদের কষ্ট যেন বেড়ে গেল। তবে আমি বিশ্বাস করি, আমাদের সংগ্রামের ঐতিহ্য ও ইতিহাস হারাতে পারে না।...........
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
শফিক রেহমানরা আমাদেরকে সাফল্যের সঙ্গে এই ইতহাস ভুলিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আমরা বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের যতটা জানি, তার চেয়ে অজানার অংশটাই বেশি। জানার চেষ্টা করলেই অনেক কিছু অর্জন করা যায়।
সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন:
কিন্তু এটা কেবলই কিছু মানুষের স্মৃতিচারণের বিষয় হয়ে গেছে। আমি অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি। এতো বড় একটা ইতিহাস ঢাকা পড়ে যাওয়ার-গৌণ হয়ে যাওয়ার দায় অবশ্যই কাউকে নিতে হবে।
শিট সুজি বলেছেন:
এই প্রথম সৈয়দ বংশের কারো লেখা ভাল লাগল । এই বিষয় নিয়ে আরো অনুসন্ধান হওয়া উচিৎ, আরো লেখালেখি হওয়া উচিৎ। এই বর্বরতা সম্পর্কে সকলকে জানানো উচিৎ । এবং ভবিষ্যতে যাতে এরকম হওয়ার কোন সুযোগ না আসে সে বিষয়টা আরো সামনে আসা উচিৎ ।
তবে ৮২ এবং ২০০৭এর প্রেক্ষাপট কিছুটা হলেও ভিন্ন বলে আমি মনে করি ।
একবার চিন্তা করেন যদি জরুরী অবস্থা জারি না করা হতো তাহলে পরবর্তি ঘটনাগুলো কি হতো? দেশপ্রেমিক, ত্যাগী রাজনৈতিক নেতা না হলে সামরিক জান্তা সুযোগ পাবেই। এটা কেউ ঠেকাতে পারবে না ।
লেখাজোকা শামীম বলেছেন:
এই বিশেষ দিবসটি হারিয়ে গেল কেন ?
েমাশতাক আহমদ বলেছেন:
কবে কখন হারিয়ে যায় সব ইতিহাস?
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...















এই প্রশ্নটি নিউএজের প্রতিবেদক দিলশাদ দোদুলও জানেন। তার উচিত ছিলো তার কারণ অনুসন্ধান করা। বিলাপ ঝেড়ে পত্রিকার পাতা না ভরলেও তিনি পারতেন। এটি তারা সচেতন ভাবে করেন। কারণ তারা স্বৈরাচার বিরোধী দিবসের চেতনা লালিত হোক এটি কোন ভাবে চান না। এ নিয়ে আমার তিক্ত ও করুণ অভিজ্ঞতা আছে।