somewherein... blog badh bhangar awaaj recent posts http://www.somewhereinblog.net http://www.somewhereinblog.net/config_bangla.htm copyright 2006 somewhere in... বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে সুন্দরবনকে বেশি বেশি ভোট দিন: রাশেদ খান মেনন বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে সুন্দরবনকে বেশি বেশি ভোট দিন: রাশেদ খান মেনন
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে সুন্দরবনকে প্রতিযোগিতায় টিকিয়ে রাখতে বেশি বেশি করে ভোট দেয়ার জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গতকাল বিকেলে সুন্দরবন একাডেমিতে প্রতিষ্ঠিত প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে সুন্দরবন সমর্থক কমিটির কম্পিউটার ল্যাবরেটরিতে সুন্দরবনকে ভোট দেয়ার সময় এ আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বিশ্ব ঐতিহ্য ও বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকেই বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি মানায়। এদিকে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান, ননী গোপাল মন্ডল, নজরুল ইসলাম মঞ্জু, সাংসদ মোল্যা জালাল উদ্দিন, নারায়ন চন্দ্র চন্দ ও সোহরাব আলী সানা পৃথক পৃথক বিবৃতিতে বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচনে সুন্দরবনকে ভোট দেয়ার জন্য সুন্দরবন প্রভাবিত এলাকাবাসীসহ দেশবাসীর প্রতি সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28973800 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28973800 2009-07-05 12:16:47
মাগুরছড়া ব্লো-আউটের একযুগ পূর্তিতে শ্রীমঙ্গলে মানব বন্ধন ও সেমিনার মাগুরছড়া ব্লো-আউটের একযুগ পূর্তিতে শ্রীমঙ্গলে মানব বন্ধন ও সেমিনারঃ ১৪ জুন মাগুরছড়া ব্লো-আউটের একযুগ পূর্তিতে ক্ষতিপূরণ আদায়সহ ১০ দফা দাবীতে 'মাগুরছড়ার গ্যাস সম্পদ ও পরিবেশ ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ আদায় জাতীয় কমিটি'র উদ্যোগে সকাল ১০ টা থেকে সকাল ১০.৪৫ টা পর্যন্ত শ্রীমঙ্গল চৌমুহনাতে ৪৫ মিনিটের মানব বন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়। মানব বন্ধন কর্মসূচীতে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সভাপতি মোঃ জাহেদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আমিরুজ্জামান, একুশে টিভি'র স্থানীয় সাংবাদিক বিকুল চক্রবর্তী। মানববন্ধনে আরো অংশগ্রহণ করেন সাবেক জাতীয় ফুটবলার ইকরাম রানা, বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থা, বিনোদন থিয়েটার।
এ ছাড়া ১৪ জুন বেলা ১১ টায় স্থানীয় লেবার হাউজের হলরুমে 'মাগুরছড়া ব্লো-আউটের একযুগ পূর্তি : ক্ষতিপূরণ আদায়ে কী করা যাবে' শীর্ষক এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন অধ্যাপক এম শামসুল আলম। মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সৈয়দ আমিরুজ্জামান। সভাপতিত্ব করেন মোঃ জাহেদুর রহমান।

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28965015 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28965015 2009-06-15 18:08:23
১৪ জুন মাগুরছড়া দিবস ১৪ জুন মাগুরছড়া দিবস
Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28964268 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28964268 2009-06-14 01:02:02
৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০০৯ ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০০৯
৫ জুন, সারা বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে বিশ্ব পরিবেশ দিবস। নিম্ন-কার্বন প্রযুক্তি ও পণ্যদ্রব্য উন্নয়ন এবং জ্বালানী সাশ্রয়ের মাধ্যমে দূষিত পদার্থের নির্গমন হ্রাস ত্বরান্বিত করতে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের এ বছরের শ্লোগান হচ্ছে 'Your Planet Needs You-UNite to Combat Climate Change'। নিম্ন-কার্বন অর্থনীতি হচ্ছে নিম্ন কার্বন নির্গমনকারী জ্বালানীর ব্যবহার ও নিম্ন দূষণ ভিত্তিক অর্থনীতি।
১৯৭২ সালের ৫ জুন জাতিসংঘ সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে প্রথম মানবজাতির পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠান করে, তাতে বিখ্যাত্ 'মানবজাতির পরিবেশ ঘোষণা' এবং বিশ্বের পরিবেশ সুরক্ষার 'অভিযানের কর্মসূচি' গৃহীত হয়। অক্টোবর মাসে ২৭তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ স্টকহোম সম্মেলনের প্রস্তাব অনুযায়ী জাতিসংঘ পরিবেশ পরিকল্পনা কার্যালয় প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়, এবং প্রতি বছরের ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস প্রবর্তিত হয়।
১৯৭৪ সাল থেকে জাতিসংঘ পরিবেশ পরিকল্পনা কার্যালয় প্রতি বছরে বিশ্ব পরিবেশ দিবসের জন্যে একটি প্রসঙ্গ নির্ধারণ করে, এবং সংশ্লিষ্ট অভিযান চালায়, যাতে মানুষের পরিবেশ সংরক্ষণের চেতনা উন্নত করা যায়।
২০০৭ সাল: খরা ভূমিকে মরুভূমিতে পরিণত হতে দেবো না
২০০৬ সাল: ভূমির মরুকরণ
২০০৫ সাল: সবুজ শহর নির্মাণ করা, পৃথিবী সুরক্ষা করা
২০০৪ সাল: সমুদ্র সংরক্ষণ প্রত্যেকের দায়িত্ব
২০০৩ সাল: পানি—২ বিলিয়ন মানুষের বেঁচে থাকার চাবিকাটি
২০০২ সাল: পৃথিবী প্রাণশক্তিতে ভরপুর হোক
২০০১ সাল: বিশ্বের সবকিছুই প্রাণময় হোক
২০০০ সাল: এক হাজার বছরের পরিবেশের জন্যে অভিযান
১৯৯৯ সাল: পৃথিবীর সংরক্ষণ ভবিষ্যতের সংরক্ষণ
১৯৯৮ সাল: পৃথিবীতে প্রাণশক্তির জন্যে সমুদ্র সংরক্ষণ
১৯৯৭ সাল: পৃথিবীতে জীবনের জন্যে
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28960194 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28960194 2009-06-04 19:57:24
১৪ই জুন মাগুরছড়া ব্লো-আউটের ১২ বছর পূর্ণ।। এত বছর পরও ক্ষতিপূরণ আদায় করা যায় নি।। ১৪ই জুন মাগুরছড়া ব্লো-আউটের ১২ বছর পূর্ণ।। এত বছর পরও ক্ষতিপূরণ আদায় করা যায় নি।।
মাগুরছড়ার গ্যাস সম্পদ, পরিবেশ-প্রতিবেশ ধ্বংসের ২৫ হাজার কোটি টাকা মার্কিন কোম্পানী অক্সিডেন্টাল-ইউনোকল-শেভরনের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের দাবীতে ১৪ জুন ২০০৯ ইং শ্রীমঙ্গল চৌমুহনাতে মানববন্ধন, সেমিনারসহ সকাল ১০ টা থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচী গ্রহণ করা হয়েছে। এই কর্মসূচীতে আপনিও অংশগ্রহণ করে ক্ষতিপূরণ আদায়ের আন্দোলনকে বেগবান ও শক্তিশালী করতে পারেন। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28960137 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28960137 2009-06-04 17:26:01
অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত একই শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হবে : রাশেদ খান মেনন অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত একই শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হবে : রাশেদ খান মেনন
জাতীয় সংসদের শিক্ষাবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবং বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন বলেছেন, দেশে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা প্রবর্তন করা হবে।
গত শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশাল সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ মিলনায়তনে জেলা ছাত্রমৈত্রী আয়োজিত আঞ্চলিক শিক্ষা সন্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, গত তিন দশকে দেশের শিক্ষাব্যবস্থায় সাম্প্রদায়িকতা ঢুকেছে ও বাণিজ্যিকীকরণ হয়েছে। ওই পরিস্থিতি বদলে একমুখী বিজ্ঞানভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা চালুর সময় এসেছে।
তথ্যসূত্রঃ Click This Link]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28958439 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28958439 2009-06-01 00:48:43
ধূমপায়ীর পাশে থাকাটাও বিপজ্জনক ধূমপায়ীর পাশে থাকাটাও বিপজ্জনকঃ
যদি কোনো ব্যাক্তি দৈনিক ২০ টি সিগারেট পান করে তবে তার শরীরে ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায় ২০ গুণ। পাশাপাশি প্যাসিভ স্মোকার ধূমপান করে না অথচ সর্বক্ষণ পাশে থাকে তার ক্ষতির সম্ভাবনা সর্বোচ্চ সাড়ে বারো গুণ।কথাগুলো বলছিলেন বাংলাদেশ ক্যান্সার সোসাইটির চেয়ারম্যান প্রফেসর মোল্লা ওবায়দুল্লাহ্‌ বাকি।
ডইই ট্রাস্ট আয়োজিত 'তামাকজাত দ্রব্যের মোড়কে স্বাস্থ্য সতর্কবাণী: জণগনের প্রত্যাশা' শীর্ষক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় ২৬ মে জাতীয় প্রেসক্লাবে। এতে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ও মাদকবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা ডা. অরূপ রতন চৌধুরী । অনুষ্ঠানে বক্তারা তামাকের ক্ষতিকর দিক ও তামাকপণ্যের গায়ে সতর্কতামূলক চিত্র সংযোজনের ব্যাপারে মতামত ব্যক্ত করেন।এছাড়া সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব ও তাদের মতামত গ্রহণ করা হয়। আলোচনায় অংশ নেন পরিবেশ আন্দোলনের সভাপতি আবু নাসের খান, ডা. মোস-ফা জামান, প্রফেসর মোল্লা ওবায়দুল্লাহ্‌ বাকী ও ডা. অরূপ রতন চৌধুরী । অনুষ্ঠানের সঞ্চালক ও সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ডা. অরূপ রতন চৌধুরী।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28957884 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28957884 2009-05-30 18:05:50
চা শ্রমিকদের ভূমির অধিকার চা শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করতে হবেঃ
গত ২০ শে মে ছিল ঐতিহাসিক 'চা শ্রমিক দিবস'। উক্ত দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে জাতীয় শ্রমিক ফেডারেশন বাংলাদেশ (জেএসএফ-বি) মৌলভীবাজার জেলা শাখা গত ২০ বিকাল ৪টায় শ্রীমঙ্গলের কলেজ রোডস্থ 'রহমানপুর লজ'-এর ২য় তলায় এক আলোচনার সভার আয়োজন করে। উক্ত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ফরিদ মিয়া এবং পরিচালনায় সন্তোষ দে। প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সৈয়দ আমিরুজ্জামান। ওয়ার্কার্স পার্টির নেতা সৈয়দ আমিরুজ্জামান বলেন, শ্রমজীবী মানুষের শ্রমের ফসল যে মানব সভ্যতা, তা শাসক শ্রেণীর দ্বারা বারবার কলঙ্কিত হয়েছে, রক্তাক্ত হয়েছে। চাঁদপুর মেঘনা নদীর ষ্টিমারঘাট এমনিভাবে ১৯২১ সালের ২০ মে চা শ্রমিকদের রক্তে লাল হয়ে উঠেছিল। মালিকদের নির্মম শোষন-নিপীড়ন, লাঞ্চনা-বঞ্চনা থেকে মুক্ত হওয়ার লক্ষ্যে সিলেট অঞ্চলের প্রায় ত্রিশ হাজার চা শ্রমিক রেললাইন ধরে পায়ে হেঁটে পৌঁছালে চাঁদপুর মেঘনা স্টিমার ঘাটে। উদ্দেশ্য ছিল 'নিজ মূল্লুকে' চলে যাওয়া। দাসত্বের শৃঙ্খল থেকে বের হয়ে নিজ ভূমিতে চলে যাওয়ার লক্ষ্যে চাঁদপুর স্টিমার ঘাটে জড়ো হলে গূর্খা সৈন্যরা নির্বিচারে গুলিবর্ষণ চালায়। শত শত চা শ্রমিককে হত্যা করে লাশ ভাসিয়ে দেওয়া হয় মেঘনা নদীতে। ফলে এ দিনটি আজও চা শ্রমিকদের অধিকার আদায়ের তথা সব ধরনের শোষন-বঞ্চনা, নিপীড়ন থেকে মুক্তির সংগ্রামে অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে আছে। তিনি বলেন, বৃটিশ শাসন আমলের অবসান ঘটলো, পাকিসত্মানী প্রায় ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে আমাদের মুক্তি সংগ্রামে চা শ্রমিক জনতার রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল অংশগ্রহণ। শত শত চা শ্রমিক সন্তান মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে অকাতরে জীবন বিলিয়ে দিয়ে শহীদী আত্মদান করেছেন। প্রত্যাশা ছিল দেশ স্বাধীন হলে চা শ্রমিকরা দাসত্বের এ শৃঙ্খল থেকে মুক্তি পাবে। কিন' স্বাধীনতার ৩৮ বছরের চা শ্রমিকরা নূন্যতম অধিকারটুকু পায়নি। নামমাত্র মজুরিতে এরা কাজ করতে বাধ্য হয়। শিক্ষা, চিকিৎসার নেই কোন আয়োজন। যুগ যুগ ধরে বাগানে বসবাস করলেও নেই তাদের ভূমির অধিকার। তিনি বলেন, অবিলম্বে চা শ্রমিকদের ভূমির অধিকার নিশ্চিত করে মনুষ্যচিত্ত মজুরি নির্ধারণ করতে হবে এবং ঐতিহাসিক ২০ মে 'শহীদ চা শ্রমিক দিবস' হিসাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে ঘোষণা করতে হবে। ২০ মে'র চেতনায় চা শ্রমিক জনতার রুটি-রুজির সংগ্রামের পাশাপাশি সার্বিক মুক্তির লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28954005 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28954005 2009-05-22 01:43:25
বিশ্ব পুঁজিবাদী আর্থিক মন্দার প্রভাব ও বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি বিশ্ব পুঁজিবাদী আর্থিক মন্দার প্রভাব ও বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধিঃ
বিশ্ব পুঁজিবাদী আর্থিক মন্দার কারণে বাংলাদেশের মানুষের আয় ও রেমিট্যান্স কমে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) অর্জনে নেতিবাচকট প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। যদিও মুল্যষ্ফীতি কমার আভাস দিচ্ছে সংস্থাটি। চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ৫.৬ শতাংশ বলে মনে করে এডিপি। তবে রাজস্ব আদায় আরও কমে অবকাঠামোগত উন্নয়ন বাধাগ্রস্থ হওয়াসহ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী সঠিকভাবে বাস্তবায়িত না হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও কমে যেতে পারে। 'এশিয়ান ডেভলপমেন্ট আউটলুক-০৯' প্রতিবেদনে এসব কথা তুলে ধরা হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ বিশ্ব মন্দার প্রাথমিক ধাক্কা সামলে উঠলেও এর পরবর্তী মন্দার চাপ আরও মারাত্বক হবে। এই চাপ সামলাতে সরকার উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ অবকাঠামো খাতে বিনিয়োগ বাড়াতে পারে। আইনশৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে। একইসাথে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগের সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। এছাড়া দীর্ঘ মেয়াদি প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যে দ্রুত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট দুর করার উদ্যোগ নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে এডিবির প্রতিবেদনে।
এডিবি'র কান্ট্রি ডিরেক্টর পল জে হেইটেনস বলেন, মন্দার কারণে সারা বিশ্বের প্রবৃদ্ধি কমে আসছে। এ প্রভাবের বাইরে বাংলাদেশ নয়। বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিও কমবে। বিশ্ব আর্থিক মন্দার প্রাথমিক ধাক্কা বাংলাদেশ সামলে নিলেও দ্বিতীয় ধাক্কা আরও মারাত্বক হবে। বৈদেশিক বিনিয়োগ বাড়াতে অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে, একইসাথে আইন শৃংখলা পরিস্থিতির উন্নতি করতে হবে। তবে মনে রাখতে হবে বৈশ্বিক মন্দার কারণে বৈদিশিক বিনিয়োগ কমে আসতে পারে। এজন্য অভ্যন্তরীণ সরকারি-বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর পরামর্শ দেন এডিবি'র কান্টি ডিরেক্টর।
তিনি বলেন, চলতি অর্থবছর ও আগামী অর্থ বছর অর্থনৈতিক সংস্কারের ক্ষেত্রে জটিল সময় পার করবে বাংলাদেশ। এজন্য সামগ্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। মন্দার কারণে জিডিপি'র নিম্নগতি ঠেকাতে সহায়তা প্রকল্প হাতে নিতে হবে। মন্ত্রনালয়গুলোর প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বাড়াতে হবে।
এডিবি'র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জিডিপি প্রবৃদ্ধি কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ রপ্তানি ও রেমিটেন্স প্রবাহ কমে যাওয়াসহ রাজস্ব আদায়ে নিম্নগতি। উদ্বিগ্ন ভোক্তারা তাদের ব্যয় কমানোর কারণে অভ্যন্তরীণ চাহিদা কমে যাবে। যা প্রবৃদ্ধি অর্জনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। আগামী অর্থবছর(২০০৯-১০) জিডিপি প্রবৃদ্ধি আরও কমে ৫.২ শতাংশে নেমে আসার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয় যদি স্বাভাবিক আবহাওয়া থাকে ও কৃষকরা যথাসময়ে ব্যাংক ঋণ পায় তাহলে চলতি অর্থবছরে কৃষি খাতে ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে। আগামী অর্থবছরে তা একটু বেড়ে ৪.১০ শতাংশ হতে পারে। শিল্পখাতে গত অর্থবছরের (২০০৭-০৮) তুলনায় চলতি অর্থবছরে একটু কমে ৬.৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। গত অর্থবছর এই হার ছিল ৬.৭ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ সময় ৬ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হতে পারে। বিশ্ব মন্দায় চাহিদা কমে যাওয়ার কারণেই বিশেষকরে রপ্তানি পণ্যের উৎপাদন কমায় শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি কমবে। সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি কমবে কৃষি ও শিল্প খাতের তুলনায় বেশি। চলতি অর্থবছরে সেবা খাতে প্রবৃদ্ধি হবে ৬ শতাংশ। যা গত অর্থবছরে ছিল ৬ দশমিক ৭০ শতাংশ। আগামী অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি আরও কমে সাড়ে ৫ শতাংশ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রপ্তানি, মানুষের আয় ও প্রবাসিদের আয় প্রবাহ কমে যাওয়ার কারণেই সেবা খাতের প্রবৃদ্ধি কমবে। এডিবি মনে করে চলতি অর্থবছরে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হবে ১৪ শতাংশ। রেমিটেন্স প্রবাহ হবে ২০ শতাংশ। যা গত অর্থবছরে ছিল ৩২.৪ শতাংশ। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে আমদানি কমেছে ২.৩ শতাংশ।
এছাড়াও মুল্যষ্ফীতি কমবে বলে মনে করে এডিবি। জ্বালানী তেল ও খাদ্যদ্রব্যের মূল্য কমায় মুল্যষ্ফীতি কমবে। এব ছর ভাল চাষাবাদ হয়েছে ও ফসল উত্তোলনও নির্বিগ্ন হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। চলতি অর্থবছরে মুল্যষ্ফীতি গড়ে ৭ শতাংশ হতে পারে। আগামী অর্থবছর এই হার আরও কমে সাড়ে ৬ শতাংশ হতে পারে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যমুল্য কমে আসায় সরকারের রাজস্ব আদায় কমছে। অর্থবছরের প্রথম সাত মাসে রাজস্ব আদায়ে ১২.৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28946236 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28946236 2009-05-04 15:48:10
সোয়াইন ফ্লুঃ বৈশ্বিক হুমকি এবং জনসচেতনতা সোয়াইন ফ্লুঃ বৈশ্বিক হুমকি এবং জনসচেতনতাঃ
সোয়াইন ফ্লু একটি আতংকের নাম হয়ে উঠেছে সারা বিশ্বে। এ পর্যন্ত বিশ্বের ১৩ টি দেশের তিন হাজারের অধিক লোক এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে ১৬৮ জন মারা গেছে। এ রোগে মৃত্যুর হার ৫৩ শতাংশ। এখন পর্যন্ত আমাদের দেশের কোথাও এ রোগের সন্ধান পাওয়া না গেলেও বাংলাদেশও এ রোগের ঝুঁকির ঊর্ধ্বে নয়। তবে আতংকিত না হয়ে এখন থেকেই সর্তকতামূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় একে নিয়ন্ত্রণ করা অসম্ভব হয়ে পড়বে।
গত ২রা মে শনিবার বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) ভেটেরিনারি অনুষদের স্বাস্থ্য ও জীবাণুবিদ্যা বিভাগের গ্যালারিতে অনুষ্ঠিত 'সোয়াইন ফ্লুঃ বৈশ্বিক হুমকি এবং জনসচেতনতা' শীর্ষক সেমিনারে জানানো হয়, সোয়াইন ফ্লু একটি জুনুটিক রোগ। জুনুটিক রোগ হচ্ছে, এমন ধরনের রোগ যা যে কোনোও জন্তু (শুকর, পাখি ইত্যাদি) থেকে মানুষে এবং মানুষ থেকে মানুষ বা অন্য প্রাণীতে ছড়ায়। এ রোগের প্রাথমিক উৎপত্তি শুকর (সোয়াইন) থেকে। শুকর হচ্ছে বিশ্বের একমাত্র স্তন্যপায়ী প্রাণী যা একই সঙ্গে পক্ষীকুল এবং স্তন্যপায়ী প্রাণীর শ্বষণ অঙ্গের বৈশিষ্ট্য বহন করে এবং বাহির থেকে প্রবেশকৃত ভাইরাসসহ অন্যান্য জীবাণুকে ধারণ করতে পারে। এবং পরে তা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন নতুন ভাইরাস তৈরি করতে পারে। এভাবে শুকর একসঙ্গে একইসময়ে একটি চক্রে (৪ থেকে ৮ দিন) ২৫৬ প্রজাতির সম্পূর্ণ নতুন ভাইরাস তৈরি করতে পারে যার অধিকাংশই আক্রমণ করার ক্ষমতা রাখে। শুকর থেকে এ জীবাণু মানুষে এবং পরবর্তীতে তা মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, রোগটির ভয়াবহতার মাত্রা ৫ এ (সর্বোচ্চ লেভেল ৬) পৌঁছেছে যা মানুষের জন্য চরম ভীতিকর। দ্রুত এ ভাইরাস বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
অধ্যাপক ড. শামছুদ্দিন বলেন, বিশ্বের প্রায় সকল দেশে নৌ, স্থল ও বিমান বন্দরে ভেটেরিনারি ডাক্তাররা কমর্রত রয়েছেন, কিন্তু আমাদের দেশে এ সুযোগ না থাকায় সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী চিহ্নিত করতে সরকারকে অসুবিধায় পড়তে হতে পারে। শুধু সোয়াইন ও এভিয়ান ফ্লু ভাইরাস নয়, এ রকম আরও অনেক জটিল ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে পৃথক বাজেটের মাধ্যমে অতি শিগগিরই নৌ, স্থল ও বিমান বন্দরে ভেটেরিনারি ডাক্তার নিয়োগ করা বেশ জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ভাইরাসটির বিস্তৃতি রোধ করতে হলে এই মুহুর্তে সেসব বিষয়ে নজর দিতে হবে, সেগুলো হলোঃ ১) আগামী ৩-৪ সপ্তাহ বাংলাদেশের কোনো ব্যক্তির মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপ ভ্রমণ না করা।
২) মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইউরোপ থেকে কোনো ব্যক্তি (দেশি-বিদেশি) গত ৩-৪ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে প্রবেশ করলে তাদের শারীরিক অবস্থার (উচ্চ তাপমাত্রা, মাথা ব্যাথা, শরীর ব্যাথা, বমি বমি ভাব ও শ্বাস কষ্ট) প্রতি সার্বক্ষণিক নজর রাখা।
৩) যেহেতু ঐ১ঘ১ এবং ঐ৩ঘ২ সিজনাল ফ্লু হিসেবে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর মধ্যে বর্তমানে বাংলাদেশে বিরাজমান, সেহেতু উক্ত ভাইরাসদ্বয়ের সার্ভিলেন্স স্ট্যাডি (সার্বক্ষণিক তদারকি) বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করা প্রয়োজন। (বিশেষ করে যেসকল এলাকায় শুকর পালন করা হয়, সে সকল এলাকায় শুকর ও শুকর পালনকারীদের)।
৪) সিজনাল ফ্লুতে আক্রান্ত যেকোনো ব্যক্তিকে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হতে হবে।
৫) যেহেতু অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত (ট্রান্সবাউন্ডারী) রোগের মতো সোয়াইন ফ্লু অত্যন্ত মারাত্মক ও ঝুঁকিপূর্ণ একটি ভাইরাসজনিত রোগ, তাই কমপক্ষে আগামী ২ সপ্তাহ যেকোনো বিমান (লাতিন আমেরিকা, আমেরিকা ও ইউরোপের বিভিন্ন দেশ ঘুরে) বাংলাদেশে প্রবেশ করার সময়ে এবং বিমান থেকে যাত্রী বাহিরে আসার আগে বিমানের বাইরে, ভিতরে ও প্রতিটি যাত্রীকে এন্টিভাইরাল স্প্রে করতে হবে।
৬) কোনো যাত্রী বিমান থেকে অবতরণ করার সময় শারীরিক পরীক্ষায় উচ্চ তাপমাত্রা, মাথা ব্যাথা, শরীর ব্যাথা, বমি বমি ভাব ও শ্বাস কষ্ট ধরা পড়লে তাকে কমপক্ষে ২ সপ্তাহ বিমান বন্দরের কোয়ারেন্টাইন সেলে রাখতে হবে বা নিজ গৃহে অবস্থান করতে হবে।
অধ্যাপক ড. মোতাহার হোসেন মন্ডল বলেন, সাধারণত যুবকরাই বেশি এ রোগে আক্রান্ত হচ্ছে, তাই যুবকদের এ ব্যাপারে বেশি সচেতন থাকতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28945638 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28945638 2009-05-03 01:25:53
ইতালীর কালজয়ী চিত্রশিল্পী লিওনার্দো দা ভিঞ্চি ]]> http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28945088 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28945088 2009-05-01 18:34:58 আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস
মে মাসের প্রথম দিনটিকে পৃথিবীর অনেক দেশে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস হিসেবে পালিত হয়। এই দিনটি মে দিবস নামেও পরিচিত। বেশকিছু দেশে মে দিবসকে লেবার ডে হিসাবে পালন করা হয়। এদিনটি সরকারীভাবে ছুটির দিন। ১৮৮৬ সালের ১লা মে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের হে মার্কেটে ৮ ঘন্টা শ্রমদিনের দাবীতে আন্দোলনরত শ্রমিকের ওপর গুলি চালানো হলে ১১ জন শহীদ হয়। তবে যুক্তরাষ্ট্র বা কানাডায় এইদিন সরকারীভাবে পালিত হয় না। এ ছাড়া এইদিনে আরও কিছু ঘটনা রয়েছে যা আঞ্চলিক ভাবে হয়তো পালিত হয়।
পূর্বে শ্রমিকদের অমানবিক পরিশ্রম করতে হত, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘন্টা আর সপ্তাহে ৬ দিন। বিপরীতে মজুরী মিলত নগন্য, শ্রমিকরা খুবই মানবেতর জীবনযাপন করত, ক্ষেত্রবিশেষে তা দাসবৃত্তির পর্যায়ে পড়ত। ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরের একদল শ্রমিক দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজ করার জন্য আন্দোলন শুরু করেন, এবং তাদের এ দাবী কার্যকর করার জন্য তারা সময় বেঁধে দেয় ১৮৮৬ সালের ১লা মে। কিন্তু কারখানা মালিকগণ এ দাবী মেনে নিল না। ৪ঠা মে ১৮৮৬ সালে সন্ধ্যাবেলা হালকা বৃষ্টির মধ্যে শিকাগোর হে-মার্কেট নামক এক বাণিজ্যিক এলাকায় শ্রমিকগণ মিছিলের উদ্দেশ্যে জড়ো হন। তারা ১৮৭২ সালে কানাডায় অনুষ্ঠিত এক বিশাল শ্রমিক শোভাযাত্রার সাফল্যে উদ্বুদ্ধ হয়ে এটি করেছিলেন। আগস্ট স্পীজ নামে এক নেতা জড়ো হওয়া শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলছিলেন। হঠাৎ দূরে দাড়ানো পুলিশ দলের কাছে এক বোমার বিস্ফোরন ঘটে, এতে এক পুলিশ নিহত হয়। পুলিশবাহিনী তৎক্ষনাৎ শ্রমিকদের উপর অতর্কিতে হামলা শুরু করে। এ জঙ্গে ১১ জন শ্রমিক শহীদ হন। পুলিশ হত্যা মামলায় আগস্ট স্পীজ সহ আটজনকে অভিযুক্ত করা হয়। এক প্রহসনমূলক বিচারের পর ১৮৮৭ সালের ১১ই নভেম্বর উন্মুক্ত স্থানে ৬ জনের ফাঁসি কার্যকর করা হয়। লুইস লিং নামে একজন একদিন পূর্বেই কারাভ্যন্তরে আত্মহত্যা করেন, অন্যএকজনের পনের বছরের কারাদন্ড হয়। ফাঁসির মঞ্চে আরোহনের পূর্বে আগস্ট স্পীজ বলেছিলেন, "আজ আমাদের এই নি:শব্দতা, তোমাদের আওয়াজ অপেক্ষা অধিক শক্তিশালী হবে"। ২৬শে জুন, ১৮৯৩ ইলিনয়ের গভর্ণর অভিযুক্ত আটজনকেই নিরপরাধ বলে ঘোষণা দেন, এবং আক্রমণের হুকুম প্রদানকারী পুলিশের কমান্ডারকে দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত করা হয়। আর অজ্ঞাত সেই বোমা বিস্ফোরণকারীর পরিচয় কখনোই প্রকাশ পায়নি।
শেষ পর্যন্ত শ্রমিকদের "দৈনিক আট ঘন্টা কাজ করার" দাবী অফিসিয়াল স্বীকৃতি পায়। আর পহেলা মে বা মে দিবস প্রতিষ্ঠা পায় শ্রমিকদের দাবী আদায়ের দিন হিসেবে, পৃথিবীব্যাপী আজও তা পালিত হয়।








]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28943542 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28943542 2009-04-28 13:31:17
দিন বদলের শ্লোগান মানে টেন্ডারবাজি, হল দখল ও ভর্তি বাণিজ্য নয়ঃ রাশেদ খান মেনন দিন বদলের শ্লোগান মানে টেন্ডারবাজি, হল দখল ও ভর্তি বাণিজ্য নয়ঃ রাশেদ খান মেনন
মহাজোট সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি ও বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি বলেছেন, গণতন্ত্র, অসাম্প্রদায়িকতা ও ধর্ম নিরপেক্ষতার প্রতি সম্মান দেখিয়ে বিগত সংসদ নির্বাচনে জনগণ ভোট দিয়ে এ সরকারকে নির্বাচিত করেছে। এখন সরকারের উচিত জনগণের সেই প্রত্যাশা পুরণ করা। কিন্তু দিন বদলের শ্লোগানের নামে ভর্তি বাণিজ্য, টেন্ডারবাজী, হল দখল জনগণ দেখতে চায় না। এখন দিন বদলের অর্থ হবে জনগণের ভাগ্য পরিবর্তন করা।
আজ রোববার বেলা ১১টায় বগুড়ার স্থানীয় শহীদ টিটু মিলনায়তনে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির বগুড়া জেলা কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এক কর্মী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
১৪ দলীয় জোটের ২৩ দফা বাস্তবায়ন, সাম্প্রদায়িক রাজনীতি নিষিদ্ধ, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত নিস্পত্তি, সাম্রাজ্যবাদী চক্রের হাত থেকে তেল, গ্যাস, বিদ্যুৎ, বন্দর রক্ষার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মী সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বেলাল আহম্মেদ। সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক কমরেড বিমল বিশ্বাস।
কর্মী সভা শেষে একটি শোভাযাত্রা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। তথ্যসূত্র: Click This Link

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28942867 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28942867 2009-04-26 18:49:01
বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনা পরিশোধ পরিস্থিতি বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনা পরিশোধ পরিস্থিতিঃ
বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক দেনা পরিশোধের (External Debt Servicing) ব্যয় শিক্ষা অথবা স্বাস্থ্য খাতের ব্যয়ের চেয়ে বেশি।
২০০৭-এ বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনা পরিশোধের (External Debt Servicing) পরিমাণ ছিল ১৫৫১.৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা সরকারের মোট ব্যয়ের ১৮% এবং জিডিপির ২.৪%। অপর দিকে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে ব্যয়ের পরিমাণ ছিল সরকারের মোট ব্যয়ের যথাক্রমে ১৬.৫% এবং ৭.৪%। পানি এবং স্যানিটেশন খাতে ব্যয়ের পরিমান ছিল খুব সামান্য, মাত্র ০.৯৪%।
২০০৭ সালে শিক্ষা এবং স্বাস্থ্য খাতে সরকারের রাজস্ব বাঁেজটের পরিমাণ ছিল ১৫.৬৫% এবং ৫.৮৯%, যেখানে বৈদেশিক দেনা পরিশোধে ব্যয় হয়েছে রাজস্বের ২৫%।






]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28941481 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28941481 2009-04-23 00:55:46
বাংলাদেশের সুবিধাবাদী সাবেক প্রেসিডেন্ট, স্বৈরাচারী এরশাদ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছে : রাশেদ খান মেনন বাংলাদেশের সুবিধাবাদী সাবেক প্রেসিডেন্ট, স্বৈরাচারী এরশাদ ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম করেছে : রাশেদ খান মেনন
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংযোজন করার বিরুদ্ধে সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিভিন্ন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে রেডিও তেহরান কথা বলেছেন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় কমিটির সভাপতি কমরেড রাশেদ খান মেনন এমপি'র সাথে ।
রেডিও তেহরান : বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম সংযোজন করার বিষয়ে বাংলাদেশের বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের অনেকেই বিষোদগার করে চলেছেন। কিছুদিন আগে ডেপুটি স্পিকার এর সমালোচনা করেছেন , আইনমন্ত্রী ব্যারিষ্টার শফিক আহমেদ এর মধ্যে কয়েকবার রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন । তো আমি আপনার কাছে জানতে চাচ্ছি , ৮৫ পার্সেন্ট মুসলমানের দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়াটাকে এত নেতিবাচকভাবে দেখা হচ্ছে কেন?
রাশেদ খান মেনন : তার কারণ হিসেবে আমি প্রথমত বলবো যে, রাষ্ট্রের কোনো ধর্ম থাকতে পারে না । আমরা মনে করি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রটি ধর্মের ভিত্তিতে গঠিত হয়নি । এর আগে ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র গঠনের চেষ্টা করা হয়েছিল সে প্রচেষ্টা দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যর্থ হয়েছে। দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশে যেমন ৮৫ পার্সেন্ট মুসলমান আছে পাশাপাশি ১৫ পার্সেন্ট অন্যান্য ধর্মের মানুষ রয়েছে । যদি রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করা হয় তাহলে অন্যান্য ধর্মের মানুষ কিন্তু বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে । আর তৃতীয়ত হচ্ছে, বাংলাদেশের ভিত্তিটাই ছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক । আর এ অসাম্প্রদায়িকতা ছিল ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে । কারণ পাকিস্তান একটি ধর্মভিত্তিক রাষ্ট্র ছিল । আর সেই জায়গা থেকে আমরা মনে করি অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক ভিত্তির সাথে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের ঘোষণাটি একটি সাংঘর্ষিক বিষয় । বর্তমান সরকারের সময় আমরা বলছি বাংলাদেশ হবে একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ট অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক দেশ । এটি কোনো ধর্মীয় রাষ্ট্র নয় । সুতরাং রাষ্ট্র ধর্ম ইসলামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশকে ধর্মীয় আবরণ দেয়াকে আমরা সমর্থন করি না এবং তার অবকাশ এখানে নেই ।
রেডিও তেহরান : আচ্ছা জনাব রাশেদ খান মেনন, আইনমন্ত্রী বলতে চাচ্ছেন , রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হওয়ার কারণেই জঙ্গীবাদ শক্তিশালী হচ্ছে । তো আইনমন্ত্রীর এ ধরনের বিশ্বাস বা মানসিকতা সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কি ?
রাশেদ খান মেনন : আমরা মনে করি এটা হওয়ার কারণেই জঙ্গীবাদ শক্তিশালী হচ্ছে এবং ধর্মভিত্তিক রাজনীতিতে অনেকে উৎসাহিত হয়েছেন । এর প্রথম যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৫ সাল পরবর্তীকালে যখন ধর্মের নামে রাজনীতিকে পারমিট করা হয় তখন থেকে এবং পরবর্তীতে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করার মধ্য দিয়ে এর স্বীকৃতি দেয়া হয় । যে কারণে আজ আমরা দেখবো রাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয় চলে এসেছে যা অন্য কোনো সময় সম্ভব ছিল না বা হতে পারেনি । যেমন এ প্রসঙ্গে বলা যায় - ব্লাসফেমী আইনের কথা । রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম আছে বলেই আজ ব্লাসফেমী আইনের কথা বলতে পারছে ; রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম আছে বলেই সংখ্যালঘুদেরকে আলাদা করে দেখার একটা জায়গা তৈরী হয়েছে। সংখ্যালঘুদেরকে পৃথক গোষ্ঠী হিসেবে অনেকটা জিম্মি করে রাখার সুযোগ এখানে রয়েছে। সুতরাং রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম দিয়ে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সংহতি এবং ঐক্যকে বিনষ্ট করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ পরহেজগার , নামাজী এবং রোজা রাখেন ; ধর্ম পালন করেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই । যখন রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম ছিল না তখনও এদেশের মানুষ মুসলিম পরিচয়ে পরিচিত ছিল এবং তারা ধর্মীয় সবকিছু পালন করেছে । সুতরাং যে মানুষ অতীতে এতকাল ধরে ধর্ম পালন করে এসেছে রাষ্ট্রীয় পরিচয়বিহীনভাবে সেক্ষেত্রে আজ কেন এই পরিচয়ে পরিচিত হতে হবে ।
রেডিও তেহরান : ১৯৮২ সালে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় । তো এখানে কিন্তু একটি প্রশ্ন চলে আসে , তাহলে ৮২ সালের আগে বা তারও আগে কি বাংলাদেশে কোনো উগ্রবাদী সন্ত্রাসী তৎপরতা ছিল না ?
রাশেদ খান মেনন : হ্যাঁ ছিল । বিভিন্ন ইজমের নামে সন্ত্রাসী তৎপরতা বা উগ্রবাদী তৎপরতা ছিল । তবে এভাবে ছিল না । রাষ্ট্রধর্ম সংযোজিত হওয়ার পর ধর্মীয় উগ্রবাদী তৎপরতা এসেছে । আর এ ধর্মীয় উগ্রবাদী তৎপরতা মূলত শুরু হয়েছে ১৯৮০ দশকের শেষভাগ থেকে । মূলত: আফগান যুদ্ধের পর থেকে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং পাক গোয়েন্দা সংস্থা আই এস আই মিলে যে বিদ্রোহী গোষ্ঠী তৈরী করেছে এবং সেখানে যে যুদ্ধ চলছে সে সময় থেকে এ ধরনের জঙ্গীবাদী তৎপরতা আমরা লক্ষ্য করছি।
রেডিও তেহরান : জনাব রাশেদ খান মেনন, কেউ কেউ বলছেন আইনমন্ত্রী রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে বিরুপ মন্তব্য করে বাস্তবে তিনি ইসলাম ধর্ম এবং মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতির বিরুদ্ধে আবস্থান নিয়েছেন । এ সম্পর্কে আপনি কি মনে করেন ?
রাশেদ খান মেনন : রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে আইনমন্ত্রীর বক্তব্য এদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে বলে আমার মনে হয় না । কারণ আমাদের দেশে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কখনই ধর্মীয় অনুভূতির ভিত্তিতে গড়ে ওঠেনি । এটি হয়েছে রাজনৈতিক কারণে । বাংলাদেশের চরম সুবিধাবাদী প্রেসিডেন্ট ও রাজনীতিক এবং স্বৈরাচারী সামরিক শাসক এইচ এম এরশাদের মতো একজন ব্যক্তির দ্বারা রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম হয়েছে । সুতরাং ধর্মীয় ভীরুতা বা ধর্মের প্রতি আনুগত্যের কারণে এটি হয়েছে তা প্রমাণ করে না । ফলে রাষ্ট্রধর্মের বিরোধীতা করা বাংলাদেশের মুসলমানদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হেনেছে বা লেগেছে বলে আমার মনে হয় না । আপনাকে এ প্রসঙ্গে একটি বিষয় আমি জানাচ্ছি । স্বৈরাচারী শাসক এরশাদ রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম করায় সেসময় বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৭ দল এবং আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন ১৫ দল এর বিরুদ্ধে সফল হরতাল পালন করেছিল। বিএনপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাথে মিলে যে সরকার চালিয়েছে তারা আজ যদি এর বিরুদ্ধে কথা বলে তো সেটি কেমন হবে ! ফলে আইনমন্ত্রীর রাষ্ট্রধর্মের বিরুদ্ধে অবস্থান বা কথা এদেশের জনগণের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে এ কথাটি ঠিক নয় ।
রেডিও তেহরান : ইসলাম ধর্ম অসাম্প্রদায়িকতার শিক্ষা দেয় । অনেকেই মনে করেন বাংলাদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক । এদেশে কখনো গুজরাট বা বাবরী মসজিদ ধ্বংসের মত কোনো ঘটনা ঘটতে দেখা যায় নি । বাংলাদেশের প্রতিবেশি এমন দেশও আছে যেখানে প্রায় প্রতি মাসেই সাম্প্রদায়িক হাংগামা বা নির্যাতনের ঘটনা ঘটে । মুসলিম অধ্যুষিত বাংলাদেশ সত্যিই এর ব্যতিক্রম । তারপরও বর্তমান সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীদের অনেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের ব্যাপারে বিষোদগার করছেন, এ বিষয়টিকে বাংলাদেশের মুসলিম জনগণ কিভাবে মূল্যায়ন করবে বলে আপনি মনে করেন ?
রাশদ খান মেনন : ইসলাম সাম্প্রদায়িক শিক্ষা দেয় না একথা নি:সন্দেহে সত্য । কিন্তু তাতে বাংলাদেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক একথায় সন্দেহ থেকে যায় । কারণ বাংলাদেশ সৃষ্টি হয়েছিল অসাম্প্রদায়িক গণতান্ত্রিক কনসেপ্টের ভিত্তিতে । ফলে সো কলড রাষ্ট্র ধর্মের নাম দিয়ে বা ধর্মীয় করণের নাম দিয়ে যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থা তৈরী করেছে তারাই সাম্প্রদায়িক এবং জঙ্গীবাদের উদ্যোক্তা । এর সাথে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই এর সাথে রাজনীতির সম্পর্ক আছে । এখানে দুটো ইসলাম । একটি হচ্ছে রাজনীতির ইসলাম , আর অন্যটি হচ্ছে ধর্মের ইসলাম । বাংলাদেশের মানুষ ধর্মের ইসলামকে পছন্দ করে ; রাজনীতির ইসলামকে পছন্দ করে না ।
রেডিও তেহরান : রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের পক্ষের দলগুলো যেমন জাতীয় পার্টি , বিএনপিতে অনেক অমুসলিম নেতা রয়েছে । এই দল দুটির অমুসলিম সমর্থকের সংখ্যাও কম নয় । তারপরও রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিষয়টিকে সমর্থন করার জন্য এই দল দুটিকে কি সাম্প্রদায়িক বলা যাবে কি ?
রাশেদ খান মেনন : আপনার প্রশ্নের সাথে পুরোপুরি আমি একমত নই । আপনি যে বল্লেন বিএনপি এবং জাতীয় পার্টি রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের পক্ষের দল একথাটি ঠিক নয় । হ্যা জাতীয় পার্টি এটি করেছিল তবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ৭ দল রাষ্ট্রধর্ম ইসলামের বিরুদ্ধে ১৯৮৮ সালে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৫ দলের সাথে একজোট হয়ে হরতাল করেছিল । তবে একথাটি ঠিক এ দুটি দল সাম্প্রদায়িকতাকে উৎসাহিত করে । দল দুটির বিরুদ্ধে এ অভিযোগে কোনো সন্দেহ নেই । আর সাম্প্রদায়িকতার প্রশয় দেয়া নি:সন্দেহে ইতিবাচক নয় ; নেতিবাচক একটি বিষয় । #
তথ্য সূত্রঃ Click This Link
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28940582 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28940582 2009-04-20 22:23:42
আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস আজ ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসঃ
আজ ১৭ এপ্রিল, ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন। ১৯৭০-এর নির্বাচনে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভকারী আওয়ামী লীগের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ১৯৭১ সালের এই দিনে সীমান্ত জেলা মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে শপথ নিয়েছিল 'মুজিবনগর সরকার' খ্যাত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়সহ মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিণতিতে এই সরকার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রায় সাড়ে ৭ কোটি মানুষ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ, মজলুম জননেতা মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (ভাসানী), অধ্যাপক মোজাফফর আহমদের নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ (মোজাফফর), কমরেড মণি সিং-এর নেতৃত্বাধীন কমিউনিষ্ট পার্টি, কাজী জাফর-রাশেদ খান মেনন-হায়দার আকবর খান রনো'র নেতৃত্বাধীন কমিউনিষ্ট পূর্ব বাংলার সমন্বয় কমিটি (বর্তমানে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি), ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন), ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া)সহ অন্যান্য প্রগতিশীল নানা গ্রুপ-দলের নেতৃত্বে বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের ফলেই পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর পরাজয় ঘটলো এবং পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামে একটি নতুন রাজনৈতিকভাবে স্বাধীন সার্বভৌম দেশের অভ্যুদয় ঘটলো।
১৯৭১-এর মার্চে সারা বাংলায় শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণে বঙ্গবন্ধু বাংলার স্বাধীনতার জন্য প্রস্ততি গ্রহণের আহ্বান জানান। ২৫ মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সেনাবাহিনী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করলে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু ওয়্যারলেসের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। ১০ এপ্রিল প্রবাসে ১৯৭১-এর জাতীয় পরিষদের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হন। এই অধিবেশনে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুমোদন ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাস্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাস্ট্রপতি এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে গঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের এই প্রথম সরকার। উপ-রাস্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে করা হয় অস্থায়ী রাস্ট্রপতি। সরকার গঠন করা হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় হাজার হাজার মানুষের সামনে সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ নেন। দেশী-বিদেশী সাংবাদিকদের সামনে বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র পাঠ এবং মুক্তিবাহিনীর মার্চপাস্ট অনুষ্ঠিত হয়। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ এ উপলক্ষে আয়োজিত জনসভায় ভাষণ দেন। সেদিন বৈদ্যনাথতলা কে মুজিবনগর নামকরণ করে বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করা হয়েছিল।
১৭ই এপ্রিলের এই ঐতিহাসিক দিনে জাতি আজ কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছে জাতীয়তাবাদী ও কমিউনিস্ট বিপ্লবী নেতাদের, যাদের সফল নেতৃত্বে পরিচালিত হয় মহান মুক্তিযুদ্ধ। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৭ এপ্রিল অত্যন্ত গুরুত্ব ও তাৎপর্যপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত।]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28939218 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28939218 2009-04-17 10:29:32
আমরা শুভকে আবাহন করি, মঙ্গলকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই আমরা শুভকে আবাহন করি, মঙ্গলকে প্রতিষ্ঠা করতে চাইঃ
পয়লা বৈশাখ ১৪১৬ বঙ্গাব্দের প্রথম দিন। এইদিন গ্রীষ্মের দাবদাহ মাথায় নিয়ে আমরা নববর্ষকে আবাহন করতে যাচ্ছি বিচিত্র উপায়ে। গীতে-নৃত্যে, পদ্যে-গদ্যে, মঙ্গল শোভাযাত্রায়; আহারে-বেশভূষায়; হালখাতায়; এবং নীরবে। এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। যদিও রবীন্দ্রনাথ গ্রীষ্ম নিয়ে বেশি গান বাঁধতে পারেন নি।
আড়ম্বর করে নববর্ষ উদ্‌যাপন শুরু হয়েছে শতাধিক বছর। তার আগে গ্রামে মেলা ছিল, শহরে-ক্ষেত্রবিশেষে গ্রামেও-হালখাতার উৎসব ছিল। সাহেবদের দেখাদেখি খ্রিষ্টীয় উনিশ শতকের শিক্ষিত নগরবাসীরা নিউ ইয়ার্স ডে পালন করতে শুরু করেন। তা দেখে স্বাদেশিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ বাঙালি ভাবলো, তারও তো নিজস্ব পঞ্জিকা আছে, সুতরাং তারা কেন না নববর্ষ উদ্‌যাপন করবেন? এই জাতীয়তাবাদী ভাবধারা থেকে খ্রিষ্টীয় উনিশ শতকের শেষার্ধে নববর্ষ পালন শুরু হয়। রাজনারায়ণ বসু নিজেকে এই উৎসবের প্রবর্তক বলে দাবি করেছেন।
জাতীয়তাবাদী ভাবধারার আরেক ঢেউ বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধের বাংলাদেশে নববর্ষ-পালনকে গুরুত্বদান করে। চল্লিশের দশকের শেষে ও পঞ্চাশের দশকে বাংলা নববর্ষ ছোটোবড়ো করে উদ্‌যাপিত হয়েছে। দেখা গেল, পাকিস্তান সরকারের তা পছন্দ হচ্ছে না। তখন কত রকম ব্যাখ্যাদান চলল। বাংলা সন হিন্দুর নয়, মুসলমান সম্রাটের প্রবর্তন-এর সঙ্গে হিন্দুয়ানির সম্পর্ক নেই। ইরানিরা যেমন মুসলমান হয়েও নওরোজের উৎসব করে, আমরা পাকিস্তানবাসী বাঙালি মুসলমানেরা তেমন করে নিজেদের নববর্ষ পালন করলে দোষ কী!
দোষ যে আছে, তা বুঝতে পারলে কি আর আমরা বাঙালি হতাম! ভাষা নিয়ে, হরফ নিয়ে, রবীন্দ্রনাথ নিয়ে বিতর্কের মতো, শারদোৎসব-বসন্তোৎসব-নববর্ষ উৎসবও বিতর্কের বিষয় হয়ে গেল। তবে বাঙালিরও রোখ আছে। বাধা দিলে বাধবে লড়াই। নববর্ষ নিয়ে ধুন্ধুমার বাধিয়ে দিলো। রাজনৈতিক ক্ষমতার ভাগ চাই, অর্থনৈতিক অধিকার ফিরে চাই, সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য রক্ষা করতে চাই। নববর্ষ-উদ্‌যাপন তারই প্রতীক হয়ে গেল। ছায়ানটের উদ্‌যোগ এক্ষেত্রে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ। পয়লা বৈশাখে রমনা বটমূলে সমবেত হওয়া-সপরিবারে, সানন্দে, কষ্টস্বীকার করে-ঢাকার বাঙালি মধ্যবিত্তের অবশ্যকর্তব্য হয়ে গেল।
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুত্থানে মনে হয়েছিল ওসব বাজে তর্কের অবসান হলো। তা যে হয়নি, তা বোঝা গেল রমনা বটমূলে পয়লা বৈশাখে যখন বোমা হামলা হলো। আজ থেকে সাত বছর আগে। তখন অনুমান করা গিয়েছিল কারা আততায়ী। এখন তো সব রহস্যই উন্মোচিত হয়েছে। যারা ধর্মের নামে অবলম্বন করেছে জঙ্গিবাদ, তারাই। নিরীহ মানুষের জান যায় যাক, তবু যাকে তারা অনাচার মনে করে, তাকে রুখতে হবে।
গত শতাব্দীর বাধার চেয়ে এ-বাধা অনেক উন্মত্ত, অনেক প্রচণ্ড, অনেক ভয়ংকর।
আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সবক দিচ্ছেন, জন্তু-জানোয়ারের মুখোশ পরে মঙ্গল শোভাযাত্রা করা নিষেধ। কেন নিষেধ? ওই মুখোশ পরলে মানুষ কি জানোয়ার হয়ে যাবে? ভোরবেলায় সমবেতভাবে গান করলে কি প্রকৃতিপূজা হবে?
যারা নির্দোষ মানুষের প্রাণ নেয়, তারা কি মানুষ না জানোয়ার? মানুষের জীবন থেকে যারা আনন্দকে নির্বাসিত করতে চায়, তারাই বা কী? নিরীহের প্রাণবধের প্রতিজ্ঞা যারা করে, তারা ধর্মের কাছে দায়ী হয় না? কিংবা মসজিদে যারা অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করে রাখে অন্যের ওপর তা ব্যবহার করবে বলে, তারা মসজিদের অবমাননা করে না?
বাংলাদেশে আজ অশুভ শক্তির কালোছায়া ক্রমে প্রলম্বিত হচ্ছে। সে অপশক্তির সঙ্গে চিরন্তন দ্বন্দ্ব আমাদের।
আমরা শুভকে আবাহন করি, মঙ্গলকে প্রতিষ্ঠা করতে চাই। প্রকৃতির মধ্যে যা সুন্দর, জীবনে তা বরণ করে নিতে চাই। সৌন্দর্যের স্রষ্টারূপে মানুষকে দেখতে চাই। আমার মধ্যে অসুরের দান যদি থাকে, তবে তাকে পদানত করে রাখতে চাই। যা কিছু আমার ভালো, তা দিতে চাই দেশকে এবং মানুষকে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28936560 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28936560 2009-04-11 12:14:59
বাংলাদেশের ২০ লক্ষ শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছে বাংলাদেশের ২০ লক্ষ শিশু পুষ্টিহীনতায় ভুগছেঃ
বাংলাদেশে গত অর্থ বছরে খাদ্যদ্রব্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় প্রায় ৫৮ ভাগ পরিবার পর্যাপ্ত খাবার পায়নি এবং ছমাস থেকে পাঁচ বছর বয়সের ২০ লক্ষ শিশু কোন না কোনভাবে পুষ্টিহীনতার শিকার হয়েছে। ইউনিসেফ, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচী এবং জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে পরিচালিত এক গবেষণার ফলাফলে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।


]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28931251 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28931251 2009-03-30 14:01:06
ভারি অর্থ দিয়ে দেশের অর্থনীতি উদ্ধার ভারি অর্থ দিয়ে দেশের অর্থনীতি উদ্ধারঃ
ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস পত্রিকার খবরে জানা গেছে, সম্প্রতি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত চামড়া রপ্তানীকারী শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য ২৫০ কোটি টাকা সাহায্যদান পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করার পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আর্থিক সংকটে গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে সাহায্যের লক্ষ্যে গেলো রবিবার উদ্ধার ও সাহায্যের প্যাকেজ পরিকল্পনা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। এখন বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য ফেডারেশন ৬০ বিলিয়ন টাকা মূল্যের সাহায্যদান পরিকল্পনা উত্থাপন করেছে। এ পরিকল্পনার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে পোশাক রপ্তানী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ৩৩ থেকে ৩৫ বিলিয়ন, বস্ত্র রপ্তানী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ১৪ বিলিয়ন টাকা এবং বাকি অর্থ পাট, চামড়া, হিমায়ত মাংস ও শাকশবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য রপ্তানী শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সাহায্য দেবে। তা ছাড়া অর্থ সংগ্রহের জন্য বাংলাদেশ সরকার অপেক্ষাকৃত উচ্চ সুদে দীর্ঘমেয়াদী ঋণপত্র ছাড়বে, অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমাবে, বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা হ্রাস করবে এবং নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য ও মাঝারি পর্যায়ের পণ্যের হার কমাবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28930443 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28930443 2009-03-28 11:58:31
বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে নিম্নগামী প্রবণতা বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে নিম্নগামী প্রবণতাঃ
বিগত কয়েক মাস ধরে বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে নিম্নগামী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এর প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশেও। এর ফলে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পরিমাণ কমে যাবে। গার্মেন্টস এবং মৎস্য প্রক্রিয়াজাতকরণে যে শ্রমিকরা নিয়োজিত, এদের ওপর দিয়েই মূলত ঝড়টা যাবে। রফতানি কমে গিয়ে কিংবা দাম কমে যাওয়ার কারণে এসব সেক্টরে জড়িত শ্রমিকরা চাকরি হারাবে। স্বল্পমেয়াদে এসব সেক্টরে 'নতুন শ্রমিকের' রিক্রুটমেন্টের সম্ভাবনাও কম। রফতানি বন্ধ হলে এর সঙ্গে সম্পৃক্ত খাতগুলোতেও অস্থিরতা দেখা দেবে।
এখন বাংলাদেশের জন্য একটা কঠিন সময়। এমনিতে বিশ্বমন্দা। অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ বহু সমস্যা। তা সত্ত্বেও বর্তমান সরকার ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক এই মন্দা কাটিয়ে উঠতে টাস্কফোর্স গঠনের কথা বলেছে। আমরা মনে করি এ সবের পাশাপাশি সরকারকে অর্থনীতির খাতভিত্তিক উন্নয়নের চিন্তা করতে হবে। সরকারকে রফতানি বাড়াতে বিভিন্ন খাতকে ইনসেন্টিভ, কর রেয়াত, ভর্তুকি দেওয়ার বিষয়টি চিন্তা করতে হবে। তাহলেই এই খাতগুলো রফতানি বাজারে টিকে থাকতে সক্ষম হবে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় মন্দার বিরুদ্ধে লড়াই একটা যুদ্ধের মতো। এই যুদ্ধে টিকে থাকতে হলে রফতানিমুখী শিল্পের জন্য বিভিন্ন সুবিধা প্রদান ছাড়াও নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করাও জরুরি। জনশক্তি রফতানি কমে যাওয়ার যে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে সেটা মোকাবেলায় সরকারের উচিত 'অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে এই কূটনৈতিক তৎপরতা আরও জোরদার করতে হবে। আর ইতিমধ্যে যেসব দেশ শ্রমিকদের ভিসা বাতিল করেছে তা তারা সত্যিই মন্দার কারণে করেছে কি না তাও গভীরভাবে খতিয়ে দেখতে হবে। ]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28929769 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28929769 2009-03-26 19:38:20
বিকল্প পথে রাজস্ব আয় বাড়ানোর ভাবনা এখনই শুরু করতে হবে বিকল্প পথে রাজস্ব আয় বাড়ানোর ভাবনা এখনই শুরু করতে হবেঃ
বিশ্বায়নের যুগে সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় বর্তমানে যে বিশ্বমন্দা চলছে তা আরও কিছুদিন চলবে বলেই মনে হচ্ছে। এর ফলে আমাদের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়বে এবং ইতিমধ্যেই পড়া শুরু করেছে। কিছু কিছু খাতের রফতানি কমে গেছে। রেমিটেন্সের অবস্থাও বেশ খারাপ। আমাদের জনশক্তি রফতানির প্রায় ৭০ শতাংশ রেমিটেন্স আসে মধ্যপ্রাচ্য থেকে। কিন্তু তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৫০ ডলার থেকে ৩৫-৪০ ডলারে নেমে আসায় মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে। ওরা আমাদের শ্রমিক এখন আর নিচ্ছে না কিংবা ফেরত পাঠাচ্ছে। এতে জনশক্তি রফতানি হুমকির মধ্যে পড়েছে। মন্দার কারণে বাংলাদেশের বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তিতে অবশ্য কোনও প্রভাব পড়বে না। কারণ এমনিতেই যে বৈদেশিক সাহায্য আসে তা অত্যন্ত কম। টাকার অঙ্কেও আহামরি কিছু নয়। তবে বৈদেশিক বিনিয়োগ দারুণভাবে কমে যাচ্ছে। বিনিয়োগকারীরা আসার আগে যে রেজিস্ট্রেশন করেন তার সংখ্যা কমে গেছে।
দিন বদলের অঙ্গীকারে ক্ষমতায় আসা ১৪ দলীয় মহাজোট সরকারকে মন্দাপরিস্থিতিকে সর্বদা পর্যবেক্ষণের মধ্যে রাখতে হবে। অবস্থা যা খারাপ হয়েছে, আর যেন খারাপ না হয়, সেজন্য আগাম ব্যবস্থা নিতে হবে। মন্দার বিপরীতে কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় তা ভাবতে হবে। রফতানি কমে গেলে ব্যাপকসংখ্যক শ্রমিক কাজ হারাবে কিংবা মজুরি কম পাবে। তাই খাতভিত্তিক শিল্প এবং শ্রমিকদের কী সুবিধা দিয়ে রফতানি বাড়ানো যায় সরকারকে তাই চিন্তা করতে হবে।
অন্যদিকে তেল, ডাল, চালসহ আমদানি পণ্যের দাম কমায় আমদানি খরচ সাশ্রয় হবে। তাই রফতানি কতটা কমল এবং আমদানি ব্যয় কতটা কমল সেই হিসাবও হালনাগাদ করে পর্যবেক্ষণ করতে হবে ১৪ দলীয় মহাজোট সরকারকে। দেশের অভ্যন্তরে সরকারের রাজস্ব আয় কমে যাবে। কারণ সরকার আমদানি শুল্ক বাবদ বড় অঙ্কের রাজস্ব অর্জন করে। আমদানি টাকার অঙ্কে কমলে এই শুল্ক প্রাপ্তিও কমতে বাধ্য। তাই সরকারের বিকল্প পথে রাজস্ব আয় বাড়ানোর ভাবনা এখনই শুরু করতে হবে। নইলে সরকারি বাজেটে অস্থিরতা দেখা দেবে এবং ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়তে হবে সরকারকে। এটা দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকারক হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28929363 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28929363 2009-03-25 17:56:30
লবিংয়ের দিক দিয়ে দুর্বল দেশের ইমিগ্রান্টরাই ছাঁটাই প্রবণতার শিকার লবিংয়ের দিক দিয়ে দুর্বল দেশের ইমিগ্রান্টরাই ছাঁটাই প্রবণতার শিকারঃ
সরকারি নীতির কারণে গত দুই দশকে রফতানিমুখী খাত ছাড়া অন্য শিল্পগুলো সমস্যায় পড়েছে। বর্তমান মন্দা পরিস্থিতির বিশ্ব পুঁজিবাদী সঙ্কটের কারণে এই রফতানিমুখী খাতগুলোও বিশেষত তৈরি পোশাক শিল্প সঙ্কটে পড়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। কারণ ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার ক্রেতারা মন্দার সঙ্গে খাপ খাওয়াতে বাজেট কাটছাঁট করায় বস্ত্রের বাজার সঙ্কুচিত হয়ে আসছে এবং আমাদের পোশাক শিল্পগুলো অর্ডার কম পাচ্ছে; সামনে আরও কমতে পারে। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকা ভিত্তিক শ্রমিকদের পাঠানো রেমিটেন্সও কমে যাচ্ছে। ওসব দেশ মন্দা মোকাবেলায় শ্রমিক ছাঁটাই করছে। এ ক্ষেত্রে ইমিগ্রান্টদেরই আগেভাগে ছাঁটাই করা হচ্ছে। বাংলাদেশের মতো লবিংয়ের দিক দিয়ে দুর্বল দেশের ইমিগ্রান্টরাই ছাঁটাই প্রবণতার শিকার হচ্ছে। এই রেমিটেন্সের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা হাউজিং, দোকান, ভোগ্যপণ্য, মৎস্য খামারগুলো এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এই ক্ষতির মাত্রা নির্ভর করবে বিশ্বমন্দা পরিস্থিতি কত দীর্ঘ হবে তার ওপর।
এখন এই সঙ্কট মোকাবেলায় সরকারকে সাময়িক পদক্ষেপ হিসাবে বিভিন্ন দেশের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোকে সক্রিয় করতে হবে। এদের বলতে হবে নতুন পণ্যের বাজার এবং শ্রমশক্তির বাজার খুঁজতে। এ ক্ষেত্রে ল্যাটিন আমেরিকা, যেখানে মন্দার প্রভাব এখনও পড়েনি, সেই বাজারকে টার্গেট করা যেতে পারে। এশিয়ার নতুন বাজারের সন্ধানেও নামা উচিত ১৪ দলীয় মহাজোট সরকারের। মন্দা পরিস্থিতিতে উটপাখির মতো বালুর মধ্যে মাথা লুকিয়ে ইউরোপ-আমেরিকার বাজারের পানে চেয়ে থাকার দিন আর নেই; এটা উপলব্ধি করতে হবে। মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপ হিসাবে অভ্যন্তরীণ বাজারের দিকে তাকাতে হবে। রাষ্ট্রায়ত্ত স্থবির হয়ে পড়া শিল্পগুলোকে চালু করে বাজার সক্রিয় রাখতে হবে এবং কর্মসংস্থান বাড়াতে হবে। আইএমএফ ও বিশ্ব ব্যাংকের দর্শন যা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার অর্থনীতির বারোটা বাজিয়েছে, সেই দর্শন থেকেও দ্রুত বেরিয়ে আসতে হবে। সর্বশেষে বলব, রফতানি খাতকে সক্রিয় রাখতে সরকারিভাবে সহায়তার ব্যবস্থা করতে হবে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28929178 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28929178 2009-03-25 09:54:47
পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্বমন্দায় ১ কোটি ছাঁটাই পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্বমন্দায় ১ কোটি ছাঁটাইঃ
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বাধীন পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্বমন্দার প্রথম বলি হচ্ছে শ্রমিক-কর্মচারীরা। বড় বড় প্রতিষ্ঠান ব্যয় সঙ্কোচনের সহজ পথ হিসাবে বেছে নিয়েছে শ্রমিক ছাঁটাই। এক হিসাবে দেখা গেছে, পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা শুরু হওয়ার পর ২০০৮ সালের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে চাকরি হারিয়েছে ১ কোটিরও বেশি মানুষ। আইএলওর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০০৯ সালে ৫ কোটি লোকের চাকরি হারানোর আশঙ্কা রয়েছে।
পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অর্থনৈতিক মন্দার কারণে ২০০৯ সালের শুরুতেই যুক্তরাজ্যের ১৯ লাখ ৭০ হাজার লোক বেকার হয়েছে। এর মধ্যে গত অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মধ্যেই চাকরি হারানো সংখ্যা দাঁড়ায় ১ লাখ ৪৬ হাজার। যুক্তরাষ্ট্রেও বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। বড় বড় প্রতিষ্ঠান খরচ বাঁচাতে শুরু করেছে শ্রমিক ছাঁটাই। মার্কিন মুল্লুকে বেকার ভাতার জন্য আবেদনকারীর সংখ্যা মার্চের প্রথম সপ্তাহে ৬ লাখ ৫৪ হাজারে পৌঁছে গেছে। অস্ট্রেলিয়ায়ও বেকারত্বের হার বাড়ছে। গত ফেব্রুয়ারিতে বেকারত্বের হার ছিল ৫.২ শতাংশ। অর্থনৈতিক মন্দার জন্য জাপানেও বেকারত্ব বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত জানুয়ারিতে তাদের বেকারত্বের হার ছিল ৪.১ শতাংশ। তবে ফেব্রুয়ারিতে অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মন্দায় আক্রান্ত বড় বড় শিল্প প্রতিষ্ঠান বাঁচিয়ে রাখার জন্য সরকারের তরফ থেকে ব্যাংকগুলোকে টাকার জোগান দেওয়া হচ্ছে। এরপরও চাকরি হারানোর গতি থামানো যাচ্ছে না। অনেকের আশঙ্কা, মন্দা অব্যাহত থাকলে ছোট ছোট প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রন্ত হবে। বাড়বে কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কা।
আইএলও'র প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি- এই দু'মাসে বিশ্বে চাকরি হারিয়েছে প্রায় ৪ লাখ কর্মী। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কর্মী ছাঁটাই হয়েছে গত জানুয়ারিতে। গত ২৬ জানুয়ারি- এই এক দিনেই বিশ্বে চাকরি খুইয়েছে ৮০ হাজার লোক। এই প্রতিবেদনেই বলা হয়েছে যে, গত জানুয়ারিতে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ১০ হাজার, ভারী যন্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ক্যাটারপিলার, ওষুধ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাইজার, টেলিকম প্রতিষ্ঠান সিপ্রন্ট নেক্সটেল কর্পোরেশন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হোম ডিপো মিলে ৬১ হাজারের বেশি কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দেয়। এ ছাড়া আরও বেশকিছু প্রতিষ্ঠান জানুয়ারিতে প্রায় ৭১ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের ঘোষণা দিয়েছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28928775 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28928775 2009-03-24 13:44:38
বৈশ্বিক মন্দার ঢেউ ও হিমায়িত খাদ্যশিল্প বৈশ্বিক মন্দার ঢেউ ও হিমায়িত খাদ্যশিল্পঃ
সাম্রাজ্যবাদ-পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বৈশ্বিক মন্দার ঢেউ আস্তে আস্তে আছড়ে পড়তে শুরু করেছে আমাদের রফতানি খাতে। ২০০৭ সালে এই খাতে রফতানি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬শ মিলিয়ন আমেরিকান ডলারের সমপরিমাণ। কিন্তু ওই বছরে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি। ২০০৭ সালের মাঝামাঝি সময় থেকেই আমেরিকায় চিংড়ির দাম কমে যায়। যেখানে সাধারণ সাইজের (১৬-২০ সাইজ, ১৬ থেকে ২০টি মাথা ছাড়ানো চিংড়িতে এক পাউন্ড ওজন) চিংড়ির দাম ছিল সাড়ে পাঁচ পাউন্ডের মতো; সেই চিংড়ির দাম কমে আসে সাড়ে চার পাউন্ডের মতো। অর্থাৎ অঙ্কের হিসাবে ২০% দাম কমে যায়। ফলে মোট রফতানি মূল্যের পরিমাণ কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৫শ' ৮ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ হিমায়িত মৎস্য রফতানিকারক সমিতির পরিচালক এস হুমায়ূন কবির বলেন, দাম কমে যাওয়ার এই প্রবণতাটি অব্যাহত রয়েছে। বর্তমান বছরেও বিশ্ববাজারে চিংড়ির দাম বাড়বে এমনটি তো আশা করাই যায় না; বরং আশঙ্কার কারণ হচ্ছে, ক্রেতাদেশগুলোর আমজনতা চিংড়িকে একটি সাধারণ পণ্যের মতো করেই ব্যবহার করতে শুরু করেছিল; যা এখন সেই ক্রেতাদের কাছেই অভিজাতদের খাবার হিসাবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি এটিকে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার সরাসরি প্রতিক্রিয়া হিসাবে উল্লেখ করে বলেন, ক্রেতাদেশগুলোর নাগরিকদের আয় কমে যাওয়ায় তাঁরা এখন তুলনামূলকভাবে কম দামে খাবার কিনতে শুরু করেছেন; এই প্রবণতা যত দীর্ঘায়িত হবে, আমাদের চিংড়ি খাতে প্রতিক্রিয়া তত বেশি পড়বে।
বর্তমানে বিদেশের বাজারে সাধারণ সাইজের চিংড়ির গড়মূল্য ৪ ডলারের সামান্য বেশি। এই দাম স্থিতি পর্যায়ে থাকলে এবারেও হয়তো পাঁচশ' মিলিয়ন ডলারের সমপরিমাণ চিংড়ি রফতানি করা যাবে। তবে দাম কমে গেলে এই অর্জন সম্ভব হবে না বলে রফতানিকারকরা মনে করেন। আর পুঁজিবাদী বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার এই ধাক্কায় প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পটি যেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে, তেমনি চিংড়ি চাষিরাও আর্থিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়বে। শ্রমিকদের শ্রমের অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে যারা কাজ করেন, সেই সূত্রগুলো বলছে, মন্দার এই সুযোগটি কাজে লাগিয়ে রফতানিকারকরা সরকারের কাছ থেকে আরও বেশি সুবিধা নিতে চাইছে। এমনিতেই এই শিল্পে শ্রমিকদের এখনও ন্যূনতম বেতন কাঠামো নির্ধারিত হয়নি; বেতন কাঠামো তৈরির একটি চেষ্টা প্রক্রিয়াধীন। শ্রমিকদের চাকরিরও কোনো নিশ্চয়তা নেই। কারখানাগুলোয় অধিকাংশ নারী শ্রমিক। যারা বাজারমূল্যের চেয়ে বেশ কম মজুরি পেয়ে থাকেন। এই শ্রমিকদের কাজ ও মজুরির কোনো নিশ্চয়তা নেই। খুলনাঞ্চলে ৫৬টি প্রক্রিয়াজাত কারখানার মধ্যে বর্তমানে ৩০টির মতো কারখানা কমবেশি চালু রয়েছে। এ প্রসঙ্গে অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বলেন, মন্দার একটি ধাক্কা আমাদের রফতানি খাতে পড়বে এটি স্বাভাবিক, তবে আমাদের রফতানি খাতের প্রধান আয় যেহেতু চিংড়ি নয়, সেহেতু চিংড়ি খাতের প্রতিক্রিয়া সামগ্রিকভাবে খুব বেশি নয়; তবে জনশক্তি রফতানি খাতে এই প্রতিক্রিয়াটি তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বাংলাদেশি শ্রমিকদের দুর্গতি শুরু হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও। মিশিগান, ক্যালিফোর্নিয়া, সাউথ ক্যারোলাইনা ও রোডস আইল্যান্ড- এই চারটি রাজ্যে হাজার হাজার বাংলাদেশি বেকার হয়ে পড়েছে। তারা এখন দেশে ফেরার কথা ভাবছে। পুঁজিবাদী ব্যবস্থার বিশ্বমন্দা বাংলাদেশকে আঘাত করার ফলে শ্রমঘন শিল্প হিসাবে পরিচিত গার্মেন্টস, নিটওয়্যার ও হিমায়িত মৎস্য খাতে নিয়োজিত বহু কর্মী চাকরি হারাবে। এই তিনটি খাতেই শ্রমিকদের একটি বড় অংশ নারী। এরা বেকার হলে নারীর অর্থনৈতিক মুক্তির পথই শুধু বাধাগ্রসত্ম হবে না, তাদের পরিবারে আয়ের অঙ্কও কমে যাবে, বাড়বে দারিদ্র্য। বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মাথাপিছু আয়ের পরিমাণও কমতে থাকবে। অর্থনীতির চাকা চলতে শুরু করবে উল্টোদিকে।
রফতানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণও কমতে থাকবে। হ্রাস পাবে রিজার্ভের পরিমাণ। পণ্য আমদানির প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার জোগান দেওয়ার জন্য সরকারকে তখন হাত পাততে হবে বিদেশি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে যা কোনও শুভ ফল বয়ে আনবে না।
শুধু বাংলাদেশ নয়, মন্দার ধাক্কা অনেক আগেই লেগেছে পাশের দেশ ভারতেও। শিল্পখাতগুলো মন্দায় আক্রান্ত হওয়ার পরই শেয়ারবাজারেও ধস নামতে শুরু করেছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি আয়ের লোকজন শেয়ারবাজারে টাকা লগ্নি করার বদলে ঝুঁকে পড়েছে সোনা কেনার দিকে। তারা দেখেছে, স্টক মার্কেটের টাকা লগ্নি করলে এক বছরে আয়ের পরিমাণ ৫২ শতাংশ, ব্যাংকে ফিক্সড ডিপোজিট রাখলে তার পরিমাণ ৮ থেকে ১০ শতাংশ। অথচ সোনা কিনলে লাভ হয় বছরে ২৯ শতাংশ। এ কারণে ভারতে সোনার দাম চড়চড় করে বেড়ে যাচ্ছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, ২০০৮ সালের অক্টোবরে ১০ গ্রাম সোনা ছিল ১১ হাজার ৮শ রুপি, ২০০৯ সালের ফের্রুয়ারিতে সেই সোনার দামই উঠেছে ১৫ হাজার ৩শ ২৪ রুপিতে। শুধু ভারত কেন, আন্তর্জাতিক বাজারেও সোনার দাম বেড়ে গেছে। ২০০৮ সালের অক্টোবরে ১ আউন্স সোনার দাম যেখানে ছিল ৮শ ৬ ডলার, ২০০৯ সালের মার্চে এর দাম উঠে গেছে ৯শ' ১৯ ডলারে। অর্থাৎ সোনা হয়ে উঠেছে নিরাপদ লগ্নির এক মাধ্যম। যুক্তরাষ্ট্রও মন্দার ধকল কাটাতে ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংক থেকে বেশ কিছু পরিমাণ সোনা বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মন্দার ধাক্কা কাটানোর জন্য বিক্রির মতো সোনা বাংলাদেশের হাতে নেই। তো বাংলাদেশ কী করবে? এরই মধ্যে ব্যবসায়ী ও শিল্পপতিরা মন্দার ধাক্কা কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকারের কাছে ৬ হাজার কোটি টাকার প্যাকেজ সুবিধা চেয়েছেন।
অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, মন্দার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য এখনই জরুরি কিছু পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। সেগুলো হচ্ছে-
১. জনশক্তি রফতানির জন্য নতুন নতুন ক্ষেত্র অনুসন্ধান। এ জন্য প্রয়োজন কূটনৈতিক উদ্যোগ ও দক্ষ ব্যক্তি নিয়োগ। দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য উপযুক্ত প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপনও জরুরি। ২. রফতানি খাত বিশেষত গার্মেন্টস, নিটঅয়্যার ও হিমায়িত খাদ্যশিল্পে বোনাস, ভর্তুকি দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ। ৩. শিল্প খাতে ব্যাংক ঋণের সুযোগ বৃদ্ধি ও খেলাপি ঋণ সম্পর্কে নমনীয় ভাব প্রদর্শন।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28928249 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28928249 2009-03-23 09:37:32
বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় আক্রান্ত নিটঅয়্যার শিল্প বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় আক্রান্ত নিটঅয়্যার শিল্পঃ
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থা থেকে সৃষ্ট সংকট ও অর্থনৈতিক মন্দায় আক্রান্ত তৈরি পোশাক রফতানির ওপর ১০ ভাগ নগদ সহায়তা দাবি করেছে বাংলাদেশ নিটঅয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার অ্যাসোসিয়েশন (বিকেএমইএ)। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থি'তির প্রেক্ষাপটে বাণিজ্য ধরে রাখা ও কারখানা সচল রাখার স্বার্থে এই সহায়তা চাওয়া হয়েছে।
বিকেএমইএ'র নেতারা বলেছেন যে, সবচেয়ে সস্তা পোশাক বেসিক টি-শার্টই এখন মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত। গত অক্টোবর মাসেই রফতানির বিভিন্ন খাতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছিল। রফতানি আয় আগের বছরের তুলনায় কমে আসতে শুরু করে। কিন্তু হঠাৎ করে জানুয়ারি মাসে প্রবৃদ্ধি দেখা যায়। এটা প্রকৃত প্রবৃদ্ধি নয়। কারণ গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে মন্দা পরিস্থিতির কারণে ক্রেতারা তাদের দেওয়া কাজ অনুযায়ী পণ্য জাহাজীকরণ বন্ধ করে রাখতে অনুরোধ করেছিল। যেগুলো পরবর্তীকালে পাঠানো হলে কয়েক মাসের রফতানি পণ্য জানুয়ারিতে জাহাজীকরণে (শিপমেন্ট ডেকার্ট) হওয়ায় প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছিল।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন যে, কেউ কেউ বলছেন, বাংলাদেশের পোশাক শিল্প বিশ্ব মন্দায় আক্রান্ত হওয়ার কারণ নেই। প্রকৃতপক্ষে এ তথ্য সঠিক নয়। সস্তা পোশাক যারা কেনেন তারাই মন্দায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। তারা নতুন পোশাক কেনা থেকে বিরত থাকেন। ফলে যেসব রফতানিকারক সস্তা পোশাক টি-শার্ট রফতানি করেন তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
তারা জানান, তারা জানুয়ারি থেকে চলতি মার্চ পর্যন্ত যেসব তথ্য পেয়েছেন তাতে আগের বছরের এ সময়ের তুলনায় ১৫ শতাংশ আয় কমে যাবে। তারা যেসব নিটশিল্প চালু অবস্থায় রয়েছে ও ঋণখেলাপি নয় এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে নেওয়া ব্যাংক ঋণ ১০ শতাংশ নির্ধারণ করার দাবি জানিয়েছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927990 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927990 2009-03-22 18:47:34
মন্দার কবলে গার্মেন্টস শিল্প মন্দার কবলে গার্মেন্টস শিল্পঃ
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক মন্দার জোর ধাক্কা লেগেছে আমাদের গার্মেন্টস শিল্প খাতেও। দেশে সাড়ে ৪ হাজারের বেশি গার্মেন্টস কারখানা থাকলেও এখন চলছে প্রায় পৌনে ৩ হাজার। বিশ্ব পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক মন্দার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করতে না পারায় গত বছর বন্ধ হয়ে গেছে প্রায় ২শ' ৬০টি কারখানা। ২৭টিরও বেশি কারখানায় চলছে শ্রমিক অসন্তোষ। যেকোনও সময় এই অসন্তোষ রাজপথেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।
বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দার দরম্নন তাদের রফতানি ও অর্ডার কমে গেছে। গত তিন মাসে পরিসি'তি আরও খারাপ হয়েছে বলে জানা গেছে। বিদেশি বায়ার বা ক্রেতারা পোশাকের দাম আগের তুলনায় ১০ থেকে ১৫ শতাংশ কম অফার দিচ্ছে। এই হিসাবে অর্ডার নিতে গেলে গার্মেন্টস মালিকদের লোকসান গুনতে হবে। এরই মধ্যে আবার ইউরো'র দাম কমে যাওয়ায় ক্রেতারা বিপদে পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশি গার্মেন্টস মালিকরাও এই মূল্য পতনে প্রচুর ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
বিদেশি ক্রেতারা অর্ডার বাতিল না করলেও ডেলিভারি নেওয়ার সময়সীমা পিছিয়ে দিচ্ছে বলে জানা গেছে। ফলে গুদামে মাল মজুদ করতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কারখানা চালু রাখতে হলে শ্রমিকদের বেতনভাতা দিতে হবে- অথচ এই টাকা দেওয়ার সামর্থ্য তাদের নেই। কারণ তারা বিদেশি ক্রেতার দেওয়া অর্থের ওপর নির্ভরশীল। সে ক্ষেত্রে মজুরি নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ অনিবার্য হয়ে উঠছে। গার্মেন্টস খাতে এই পরিস্থি'তির পরিবর্তন না ঘটলে প্রায় ১৯ লাখ শ্রমিক বিপর্যয়ের মুখে পড়বে।
২০০৮ সালের ডিসেম্বরে রফতানির পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ৭ শতাংশ কমেছে বলে এক হিসাবে দেখা গেছে। ২০০৯ সালে জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে রফতানি হ্রাসের পরিমাণ যথাক্রমে ৫ ও ১৭ শতাংশ। এর ফলে গার্মেন্টস মালিকরা প্রমাদ গুনছেন। ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের তরফ থেকে এক্সপোর্ট পারফরম্যান্স বেনিফিট দেওয়ার ব্যবস্থা করা জরুরী হয়ে পড়েছে।
পুঁজি হারানোর ভয়ে কেউ কেউ এরই মধ্যে কারখানা বন্ধ করে দিয়ে অন্য খাতের ব্যবসায় নেমে পড়েছেন বলে জানা গেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927776 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927776 2009-03-22 09:58:09
জনশক্তি রফতানি খাত জনশক্তি রফতানি খাতঃ
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের নেতৃত্বাধীন বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থায় বিশ্ব মন্দার হাত থেকে জনশক্তি রফতানি খাতকে রক্ষার জন্য ড. ফখরুদ্দিনের তত্ত্বাবধায়ক সরকার কোনও কার্যক্রম বা কর্মসূচি নিয়েছে বলে জানা যায়নি। ১৪ দলীয় মহাজোট সরকারও এখন পর্যন্ত তেমন কোনও উদ্যোগ নেয়নি। অবশ্য প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রীর নেতৃত্বে শিগগিরই একটি উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি দল কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশ সফরে যাবে বলে জানা গেছে। তারা জনশক্তি রফতানির নতুন ক্ষেত্র খুঁজে বের করার সঙ্গে সঙ্গে ওইসব দেশে যাতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের স্বার্থ সংরক্ষিত হয় ও কাজ পায় তার চেষ্টা চালাবে।
সরকারের এই উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। কারণ বাংলাদেশ যেসব দেশে শ্রমশক্তি রফতানি করে সেসব দেশও মন্দার সম্মুখীন হওয়ায় শ্রমিক আমদানি কমিয়ে দিয়েছে অথবা শ্রমিক ছাঁটাই করছে। এ জন্য প্রয়োজন নতুন শ্রমবাজার খোঁজা এবং সেসব দেশের সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করা। অথচ গত কয়েক বছর ধরে নতুন কোনও দেশের সঙ্গে শ্রমশক্তি রফতানির ব্যাপারে বাংলাদেশের চুক্তি হয়নি।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন নতুন দেশের সঙ্গে শ্রমশক্তি রফতানি প্রশ্নে চুক্তি না হলে রেমিটেন্স ঘাটতি দেখা দিতে পারে।
এক পরিসংখ্যানেও দেখা গেছে যে, ২০০৮ সালের জানুয়ারিতে যেখানে ৯১ হাজার ৯শ ৯৯ জন কাজ নিয়ে বিদেশে গেছে, সেখানে ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে বিদেশে গেছে ৫০ হাজার ৬শ ৩২ জন। একইভাবে ২০০৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ৭১ হাজার ৭শ ১৬ জনের বিপরীতে ২০০৯ সালে কাজ নিয়ে বিদেশে গেছে ৪৩ হাজার ৮শ ৫৬ জন। এই দু' মাসের পরিসংখ্যানই প্রমাণ করে শ্রমশক্তি রফতানি কী পরিমাণে হ্রাস পাচ্ছে। স্বভাবতই এর ফলে রেমিটেন্স আসার পরিমাণও উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাবে।
জনশক্তি রফতানিকারী এজেন্সিগুলোও বলেছে যে, নতুন নতুন দেশের সঙ্গে চুক্তি করে জনশক্তি রফতানি না করা গেলে এই খাতে বিপর্যয় নেমে আসবে। এ জন্য প্রয়োজন দ্রুত সরকারি পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927493 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927493 2009-03-21 17:31:46
বাংলাদেশের রপ্তানী খাতে মন্দা বাংলাদেশের রপ্তানী খাতে মন্দাঃ
বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
তারা বলছেন কাঁচা পাট, চামড়া শিল্প, হিমায়িত খাদ্য ইত্যাদি খাত এরই মধ্যে মন্দার শিকার হয়েছে এবং এসব খাতে রপ্তানীও কমে গেছে।
বাংলাদেশের রপ্তানী খাতের ওপর বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব ঠিক কতটুকু?

]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927348 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927348 2009-03-21 09:35:37
বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থার সংকট ও বাংলাদেশ এর ফলে দেশে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ কমে আসছে ও আসবে। ভাটার টান পড়বে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের ভান্ডারে। টালমাটাল অবস্থার সম্মুখীন হবে দেশের অর্থনীতি। সরকারের পক্ষ থেকে এর আগে আশার বাণী শোনানো হয়েছিল যে, মন্দায় বাংলাদেশ তেমন ক্ষতিগ্রস্ত হবে না এবং এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। তবে বাস্তবে তা সম্ভব হচ্ছে না।
এরই মধ্যে বিশ্বমন্দার একটি বড় ধরনের আঘাত এসে লেগেছে জনশক্তি রফতানি খাতে। হঠাৎ করেই মালয়েশিয়া সরকার ৫৫ হাজার ১শ ৪৭ বাংলাদেশির ভিসা বাতিল করে দিয়েছে। মালয়েশিয়া ১০ মার্চ এই ঘোষণা দিয়েছে। অথচ আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে তাদের প্রায় ৫ লাখ কর্মী নেওয়ার কথা ছিল। তারা আরও জানিয়ে দিয়েছে যে, মন্দার কারণেই বাংলাদেশি কর্মীদের নেওয়া সম্ভব হবে না। তাদের এখনকার নীতি হচ্ছে আগে দেশের লোকের কর্মসংস্থান, পরে বিদেশিদের।
মালয়েশিয়া সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এয়ারলাইনগুলোকে চিঠি দিয়ে বলেছে ১০ মার্চের পর কোনও বাংলাদেশি কর্মী যদি তারা নিয়ে আসে এবং কোনও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থি'তির সৃষ্টি হয় তবে তার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সকেই নিতে হবে। এই পরিস্থি'তিতে মালয়েশিয়াস্থ' বাংলাদেশের হাইকমিশনার ও বায়রার সভাপতিকে চিঠি দিয়ে কোনও শ্রমিক না পাঠানোর অনুরোধ জানিয়েছেন।
উদ্ভূত এই পরিসি'তিতে বাংলাদেশ সরকার স্পষ্টতই বিব্রত। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিষয়টি মানবিক দৃষ্টিতে দেখার জন্য মালয়েশিয়াকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে চলছে কূটনৈতিক তৎপরতা। তবে এ থেকে কতটুকু ফল পাওয়া যাবে তা এখনও নিশ্চিত করে বলা যায় না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন যে, বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণেই মালয়েশিয়া বিদেশি শ্রমিক নিচ্ছে না- এটি বাসত্মবতা। হঠাৎ করে ৫৫ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিকের ভিসা বাতিলের ঘটনায় 'প্যানিক' বা আতঙ্ক তৈরি হওয়ার মতো পরিস্থি'তি সৃষ্টি হয়েছে বলে তিনি মনে করেন না। তার বক্তব্য হচ্ছে, এজন্য নতুন শ্রমবাজার খুঁজতে হবে, যে বাজারগুলো এখনও হাতে রয়েছে সেগুলো ধরে রাখতে হবে।
তিনি যতই সান্ত্ব্বনার বাণী শোনান না কেন, এ নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন মহলে, বিশেষত জনশক্তি রফতানির সঙ্গে জড়িত মহলগুলোতে আতঙ্কের সঞ্চার হয়েছে।
মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের শ্রমবাজার পরিস্থি'তি সম্পর্কে যতটুকু জানা গেছে তাতে মনে হচ্ছে, আগামী এপ্রিলের আগে অবস্থার কোনও পরিবর্তন ঘটবে না। মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থি'তি খুব একটা ভালো নয়। ক্ষমতাসীন ইউএমএন (ইউনাইটেড মালে ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন) সরকারবিরোধী দলের চাপের মুখে। বিদেশি শ্রমিক আমদানি নিষিদ্ধ করার জন্য বিরোধী দল তাদের চাপ অব্যাহত রেখেছে।
একসঙ্গে ৫৫ হাজার ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়ায় বেকায়দায় পড়েছে জনশক্তি রফতানিকারক এজেন্সিগুলোও। ভিসা বাতিল হয়ে যাওয়ায় সংশিস্নষ্ট কর্মীকে তাদের প্রায় ১১শ' কোটি টাকা ফেরত দিতে হবে। অথচ এরই মধ্যে তারা ভিসার জন্য মালয়েশিয়ায় বহু টাকা খরচ করে ফেলেছে। যারা দু' লাখ আড়াই লাখ টাকা খরচ করে ভিসা জোগাড় করেছে তাদের অবস্থা আরও দুর্বিষহ। এজেন্সির কাছ থেকে তাদের দ্রুত টাকা ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা বলতে গেলে নেই। চাকরির সুযোগও হাতছাড়া। যারা ভিটামাটি বিক্রি করে বা আত্মীয়স্বজনের কাছ থেকে ধার নিয়ে এজেন্সিকে টাকা দিয়েছে তাদের একূল-ওকূল দুকূলই গেছে।
বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দার কারণে শুধু মালয়েশিয়া নয়, মরিশাসও বহু বাংলাদেশি শ্রমিক ফেরত পাঠাতে শুরু করেছে। দুবাইয়েও প্রায় ৩০ হাজার শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়েছে। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি বহু কর্মী রয়েছে। মন্দার কবলে পড়ে কুয়েতের বেসরকারি ৮০ ভাগ প্রকল্পের কাজ চলছে ঢিমেতালে। ছাঁটাই অথবা ছুটি দিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিদেশি শ্রমিকদের। চাকরি হারিয়ে মালদ্বীপ থেকেও বাংলাদেশি শ্রমিকরা দেশে ফিরতে বাধ্য হচ্ছে। সিঙ্গাপুর থেকেও চাকরি হারিয়ে গত ৩ মাসে প্রায় এক হাজার শ্রমিক দেশে ফিরেছে।
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927048 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28927048 2009-03-20 16:40:25
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রভাব এবং চীনাদের জীবন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রভাব এবং চীনাদের জীবনঃ
বিগত ৩০ বছরে চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মান দ্রুত উন্নতি হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উপাদান চীনা জনগণের খাওয়াদাওয়া, কাপড় পড়া, পরিবহন ও ব্যবহার সর্বক্ষেত্রে মিশে গেছে।
প্রথমে চীনারা খাওয়াদাওয়ার দিকে নজর রাখে। সর্বাই জানেন, চীন বিশ্বের ৭ শতাংশ আবাদী জমিতে বিশ্বের প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ জনসংখ্যাকে লালনপালন করছে। এ বিস্ময়ের সৃষ্টি আর উন্নত মানের চাষ প্রযুক্তির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আছে। যেমন চীনের বিখ্যাত কৃষি বিশেষজ্ঞ ইউয়ান লোং পিং সংকর ধান আবিষ্কার করেছেন। গত ৩০ বছরে এ প্রযুক্তি চীনে কমপক্ষে ১৫০ লাখ হেক্টর জমিতে সম্প্রসারিত হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে ধানের উত্পাদন পরিমাণ আগের চেয়ে গড়পরতা ৪৫০০ কেজি বেড়েছে। এটা চীনের খাদ্যশস্যের নিরাপত্তার ভিত্তি স্থাপন করেছে। এখন সত্তর বছরেরও বেশি বয়সী এই কৃষি বিশেষজ্ঞ আরো উচ্চ লক্ষ্যবস্তু বাস্তবায়নের জন্য এগিয়ে যাচ্ছেন। ইউয়ান লোং পিং বলেছেন, 'তৃতীয় পর্যায়ের দৃষ্টান্ত জমিতে প্রতি মু এর উত্পাদনের পরিমাণ ৯০০ কেজি হবে। এ লক্ষ্যবস্তু বাস্তবায়নের ব্যাপারে আমার আত্মবিশ্বাস আছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০১০ সালে এ লক্ষ্যবস্তু বাস্তবায়িত হবে।'
তা ছাড়া কৃষি ক্ষেত্রের বহু উন্নত প্রযুক্তি জনপ্রিয় করে তোলার পাশাপাশি চীনা জনগণ 'পেট-ভরা খাওয়া' থেকে 'ভালো করে খাওয়া' এর বদলে যাচ্ছে। এখন চীনের বাজারে পরিপূর্ণ প্রজাতির কৃষিপণ্য ও আনুষঙ্গিক পণ্য আছে। শীতকালেও টাটকা শশা, টমেটো ও তরমুজসহ সব ধরনের খাদ্য সাধারণ মানুষের খাবার টেবিলে দেখা যায়।
অর্থনীতির দ্রুত বিকাশ ও প্রকৌশল প্রযুক্তির মান ধারাবাহিক অগ্রগতির কারণে চীনের শহরাঞ্চলের গণ পরিবহন ব্যবস্থা আমূল পরিবর্তন হয়েছে। ৩০ বছর আগে চীনের রেলগাড়ির গড়পরতা গতি কেবল ৫৪ কিলোমিটার ছিলো। তখন বেইজিং থেকে শাংহাই যেতে প্রায় ২০ ঘন্টা সময় লাগতো। বর্তমানে চীনে রেলগাড়ি, সড়কপথ ও বিমান চলাচল দিয়ে সব জায়গায় যাওয়া যায়। বেইজিং থেকে শাংহাই যেতে মাত্র আগের দশ ভাগের এক ভাগ সময় লাগে।
এর পাশাপাশি 'ভবিষ্যত গাড়ি' বলে অভিহিত বিদ্যুত্ চালিত গাড়ি নতুন পরিবহন যন্ত্র হিসেবে চীনা জনসাধারণের কাছে চলে এসেছে। এখন বেইজিং, উহান, থিয়েনচিন ও ওয়েই হাইসহ নানা শহরের অধিবাসীরা চীনের তৈরি বিদ্যুত্ চালিত বাস দিয়ে বাইরে যেতে পারেন। বেইজিংয়ের একজন যাত্রী ম্যাডাম সু সিউ মিন সংবাদদাতাকে বলেছেন, ঐতিহ্যিক তেল চালিত গাড়ির তুলনায় তিনি বিদ্যুত্ চালিত পাবলিক বাস বেশি পছন্দ করেন। তিনি বলেছেন, 'আমি মনে করি, যাত্রীর পক্ষে তেল চালিত গাড়ি আর বিদ্যুত্ চালিত গাড়িতে বসে তেমন পার্থক্য নেই। তবে বিদ্যুৎ চালিত গাড়ির নিঃসরণের বর্জ্য পদার্থ অনেক কম। ভবিষ্যতে যদি তেল চালিত গাড়ির সংখ্যা কমলে এবং বিদ্যুত চালিত গাড়ির সংখ্যা বাড়লে, তাহলে বেইজিংয়ের জলবায়ুর গুণগত মান অবশ্যই অনেক ভালো হবে।'
চীনা জনগণের জীবনযাপন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিকাশের কারণে তথ্যায়নের যুগে প্রবেশ করেছে। ইন্টারনেট প্রযুক্তির দ্রুত সম্প্রসারণ চীনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের পথে গভীর প্রভাব ফেলেছে।
পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখন চীনে ২৫ কোটি নেট-ব্যবহারকারী আছে। ইন্টারনেট মানুষের তথ্য পাওয়া, বিনোদন ও বিনিময় করার গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রে পরিণত হয়েছে। বেইজিংবাসী সুন ওয়েন একজন পর্যটন অনুরাগী। দু'বছর আগে তিনি ইন্টারনেটে ব্লগ লিখতে শুরু করেন। এখন প্রতিদিন ব্লগে পর্যটন বিষয়ক রোজনামা লেখা তাঁর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, 'সম্প্রতি আমি উত্তর চীনের শানশি ও অন্তর্মঙ্গোলিয়া গিয়ে সেখানকার প্রাচীন প্রাচীরের পাশে গ্রামবাসীদের ছবি তুলেছি। ভ্রমণের সময় আমি সেখানকার মানুষের জীবনযাপন ও কাজকর্মের অবস্থা দেখেছি। ফিরে এসে আমি নিজের ব্লগে এ সব অভিজ্ঞতা লিখেছি। আশেপাশের বন্ধুরা হয়তো সবাই একসাথে ভ্রমণ করতে পারেন না। তবে তারা আমার ব্লগের মাধ্যমে আমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা অনুভব করতে পারেন।'
তা ছাড়া ইন্টারনেট প্রযুক্তি সরকারের গণসেবা উন্নয়নের ক্ষেত্রেও ভূমিকা পালন করছে। যেমন চার বছর আগে চীনে 'গ্রামাঞ্চলের মাধ্যমিক ও প্রাথমিক স্কুলের আধুনিক দুরপাল্লা শিক্ষা প্রকল্প' শুরু হয়েছে। এ প্রকল্পের সাহায্যে চীনের প্রায় ৮০ শতাংশ গ্রামীন স্কুল দুরপাল্লা শিক্ষাদানের সামর্থ্য অধিকার করেছে। কম্পিউটার ও উপগ্রহ টেলিভিশন নেটের মাধ্যমে গ্রামের ছাত্রছাত্রীরাও নামকরা শিক্ষকদের ক্লাস এবং মাল্টিমিডিয়ায় দেয়া শিক্ষাদান গ্রহণ করতে পারে। দক্ষিণ চীনের কুয়াংতুং প্রদেশের হুই চাই থানার প্রাথমিক স্কুলের ছাত্র লি সিয়াং সংবাদদাতাকে বলেছে, দুরপাল্লা শিক্ষাদান পদ্ধতি তার শেখার কৌতুহল জেগেছে। সে বলেছে, 'ইন্টারনেটে কার্টুন আছে, আওয়াজ আছে, চলচ্চিত্র দেখার মতো দেখতে যেমন সুন্দর, শিখতেও তেমনি মজা পাই।'
চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নের গুণগত পরিবর্তন ঘটেছে। এখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মানুষের জীবনযাপনের গুণগত মান উন্নয়নের ক্ষেত্রে অধিক থেকে অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
সম্প্রতি চীনের প্রধানমন্ত্রী ওয়েন চিয়া পাও চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কাজের সার্বিক ব্যাখ্যা করে বলেছেন, 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি হচ্ছে চীনের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের স্তম্ভ। আমরা বিশ্বের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নত মানের কিছু কল্যাণমুলক ও মৌলিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি গবেষণা প্রকল্প করবো।' তিনি বলেছেন, 'উচ্চ ও নতুন প্রযুক্তি শিল্প, প্রাকৃতিক পরিবেশ সুরক্ষা ও সংস্কার, খাদ্যের নিরাপত্তা ও নিরাপদ উৎপাদনসহ নানা ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রকল্প জোরদার করতে হবে। সাহস করে বিশ্বের সকল শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সফলতা অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। চীনের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়ন দ্রুততর করে নিরন্তরভাবে চালিকাশক্তি যুগিয়ে দিতে হবে।'
কয়েক মাস আগে অনুষ্ঠিত বেইজিং অলিম্পিক গেমসে সাফল্যের সঙ্গে প্রতিফলিত হয়েছে। বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উপাদান বেইজিং অলিম্পিক গেমসের স্টেডিয়ামের নির্মাণ, তথ্য ও টেলিযোগাযোগ, বুদ্ধিমান পরিবহন, খাদ্যের নিরাপত্তা, আবহাওয়ার পূর্বাভাস ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তাসহ সর্বক্ষেত্রে সর্বশেষ প্রযুক্তিগত সফলতা প্রয়োগ করা হয়েছে এবং বিভিন্ন দেশের খেলোয়াড় ও পর্যটকদেরকে বড় সুবিধা দেয়া হয়েছে।
বেইজিং অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান হচ্ছে সবচেয়ে উজ্জ্বল বিষয়ের অন্যতম। সারা বিশ্বের দর্শকদেরকে একটি বিস্ময়কর সাংস্কৃতিক ও দর্শনীয় মহা ভোজসভা উপহার দেয়ার জন্য উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কয় দশক উচ্চ ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করেছে এবং অলিম্পিক ইতিহাসের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। তুরস্কের ক্রিড়া বিষয়ক সাবেক প্রতিমন্ত্রী মেহমেত আলি শাহিন বলেছেন, 'আমি বহু বার অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলাম। কিন্তু আমি মনে করি, বেইজিং অলিম্পিক গেমসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সবচেয়ে চমৎকার এবং সবচেয়ে নিখুঁতভাবে উচ্চ ও নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার হয়েছে।'
]]>
http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28926640 http://www.somewhereinblog.net/blog/queen/28926640 2009-03-19 19:14:08