উদ্বাস্তু কবি;
নোম্যানস ল্যান্ডের কাটা তারের বেড়ার মাঝে তার বসবাস।
তবে তা নিতান্তই ঝামেলা বিহীন নয়,
মাঝে মাঝেই সীমান্তরক্ষীরা কবিতা শুনতে আসেন
আর দক্ষিণা হিসেবে পিঠে এক দেন ভালবাসার চিহ্ন।
ধর্মচু্ত্য কবি;
মহামান্য মোল্লা তার গৃহে মিলাদ পড়তে যান না।
তবে কাফফারার দাবী নিয়ে মাঝে মাঝে
সমাজপতিদের সাথে করে কবির দরোজা পর্যন্ত আসেন তিনি,
অতঃপর নিশ্চিত পরিণতি হিসেবেই নিরাশ হয়ে
সমবেতদের মাঝে মুরতাদ বলে ঘোষিত হন কবি।
সমাজচুত্য কবি;
সামাজিক দেনা-পাওনার রীতি-নীতিতে অনভ্যস্ত তার গৃহে
প্রবেশের প্রয়োজন কারো নেই।
মুক্তবাজার অর্থনীতির সজ্ঞায় অযোগ্য হয়ে
তিনি পড়ে থাকেন অব্যবহৃত কাঁচামালের মতোই।
মৃতু্বিহীন কবি;
বীমাসভ্যতার এই যুগে বীমাবিহীন কবির মৃতদেহটি
একাকী পরে থাকে নির্জন ঘরের কোণে-
কারণ, বীমাবিহীন মানুষের ডেথ সার্টিফিকেটের আর
মৃত ঘোষিত হওয়াটা প্রয়োজনীয় কিছু নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

