আমার প্রিয় পোস্ট
- কাক কাকের মাংস না খেলেও জার্নালিস্ট জার্নালিস্টের মাংস ঠিকই খায় - জাহিদুর রহমান মাসুদ
- শেখ সাহেবের গপ্পো - রাগিব
- মিছিলে কাছাকাছি থেকো - প্রণব আচার্য্য
- মুন্নি বদনাম হইসে। (রম্য) - জিকসেস
- দাগলাগা শিরোণাম - প্রণব আচার্য্য
- একজন বৃহন্নলার আত্মকথন - সীমান্ত আহমেদ
- শিরোনামের প্রয়োজন নেই, শুধু তুমি ঈশ্বরী - প্রণব আচার্য্য
- অর্ন্তজালের বাংলা ওয়েব সাইটগুলোর একটা তালিকা তৈরী করলাম। - একজন ব্লগার
- কবিতার ভাষা। - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- একদিন বুঝবে (উৎসর্গ মহাকবি মাইকেল মেহেদী) - হাসান বিপুল
- আমার মা, আমার ঈশ্বর। - ফরহাদ উিদ্দন স্বপন
- ১৯৭১ ট্রাজেডিঃ মুক্তিযুদ্ধে চা শ্রমিকদের ঐতিহাসিক দলিল.... - ভাস্কর চৌধুরী
প্রসঙ্গ: আস্তিকতা ও নাস্তিকতার সীমাবদ্ধতা ও এর উত্তরণ।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১২:৪৯
'আস্তিকতা হচ্ছে মানুষের চিন্তা ও চেতনার স্বাধীনতাকে অবদমিত করে রাখার আদিম প্রয়াস'- পৃথিবীর সব নাস্তিকরাই হয়ত এ উদ্ধৃতির মাধ্যমে আস্তিকতার স্বরূপ চিহ্নিত করে থাকবেন। ব্যক্তিগতভাবে আমি নিজেকে নাস্তিক পরিচয় দিতে স্বস্তি বোধ করলেও আস্তিকতাকে এ পর্যায়ের অপবাদের শৃংখলে আবদ্ধ করতে উৎসাহী নই। এ বোধ উৎপন্ন হওয়ার কারণ খুব সম্ভবত আমার নাস্তিকতা এতোটা পরিপূর্ণ হয়নি অথবা আমি ততোটা ভাল নাস্তিক নই। একজন নাস্তিক আস্তিকতাকে যতটা অপবস্তু হিসেবে চিহ্নিত করতে উৎসাহী হওক না কেন পৃথিবীর ইতিহাস এটাই সাক্ষ্য দেয় যে ইতিহাসের পট পরিবর্তনে ধর্মের গুরুত্ব অপরিসীম। এক একটা আইন বা মতবাদের প্রচলন ঘটে যুগের প্রয়োজনে। ধর্মগুলোর সঠিক মূল্যায়ন হবে যদি ধর্মের প্রবর্তনের সময়ের চালচলন বিবেচনা ধর্মগুলোর সমীক্ষা করা হয়। এ সমীক্ষা এটাই প্রমাণ করবে যে ধর্মগুলো যুগের প্রয়োজন মেটাতেই প্রবর্তিত হয়েছিল এবং সীমাবদ্ধতার পরেও যুগের চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হয়েছিল। এ দাবী অবশ্যই ইতিহাসের আলোকে প্রতিষ্ঠিত, ধর্মপন্ডিতের মনগড়া বক্তব্য নয়। সমালোচকেরা হয়ত বলে থাকবেন কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থেই এ ধর্মগুলোর প্রবর্তন করা হয়েছিল। অভিযোগটি একেবারে ভিত্তিহীন নয়। তবে আধুনীক যুগেও কি কেউ এটা প্রমাণ করতে পারবেন যে বর্তমানের আইনগুলোও কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর স্বার্থকে রক্ষা করার জন্য প্রবর্তিত হচ্ছে না?
একটা সময় ধর্ম অবশ্যই যুগের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করেছিল, মানুষকে ইতিবাচক পথ নির্দেশনা দিয়েছিল। ধর্মীয় আইন, রীতি, নৈতিকতা অবশ্যই নির্দিষ্ট সময়ের জন্যে হলেও মানুষকে আলোকিত করেছিল। ধর্মের দ্বারা প্রভাবান্বিত হয়ে ধর্মীয় শক্তি শুধুমাত্র তলোয়ার বা পেশীর শক্তিতেই পৃথিবীতে প্রভাব বিস্তার করেনি, নৈতিকতা বা জ্ঞানও সেখানে প্রভাবক হিসেবে ভূমিকা রেখেছিল। উদাহরনস্বরূপ, ভারত ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াতে বৌদ্ধ ধর্মের বিস্তার কোন পেশী শক্তির উস্কানীতে আসেনি। এসেছিল, বৌদ্ধের পরম শান্তি ও অমর বাণীর প্রতি মানুষের আকর্ষণে। তেমনি এশিয়া ও আফ্রিকাতে ইসলামের বিস্তার অথবা ইউরোপ বা ল্যাটিন আমেরিকাতে খ্রীস্ট ধর্মের বিস্তার এবং ধর্মীয় আইনের প্রভাব শুধুমাত্র উপনিবেশিক শাসনকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠেনি। অবশ্যই এটা ছিল সুফী, দরবেশ ও মিশনারীদের নিরহংকার ও জ্ঞান-গর্ভ প্রচেষ্টার ফল।
পৃথিবীর বাক পরিবর্তনকারী ধর্মগুলোকে এখন প্রগতি ও মত প্রকাশের বিরুদ্ধ শক্তি হিসেবে কেন বিবেচনা করা হচ্ছে? কারা এর জন্য দায়ী? আমার বিবেচনায়, এর জন্য দায়ী নিঃসন্দেহে যারা এই ধর্মগুলোকে তাদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় মহীরুহে পরিনত করেছিল তাদেরই উত্তর পুরুষরা। তাঁরা এটা বুঝলেও মানতে নারাজ যে, ধর্মগুলো প্রবর্তিত হয়েছিল বিশেষ যুগের চাহিদার প্রয়োজন। যেহেতু যুগের পরিবর্তন ঘটেছে তাই পরিবর্তিত সময়ের জন্য প্রয়োজন পরিবর্তন যাকে সহজ ভাষায় বলা যেতে পারে সংস্কার। কিন্তু তথাকথিত এই ধর্মীয় নেতারা পরিবর্তন বা সংস্কারে বিশ্বাসী নয়। তাঁরা পুরাতনকেই আঁকড়ে ধরে রাখতে চায়। এই আঁকড়ে ধরার প্রধান কারণ নিজের স্বত্ত্বাকে ধরে রাখা নয় বরং অযোগ্য ব্যক্তির ক্ষমতা আরোহনের প্রয়াস। তাঁরা খুব ভাল করেই জানে যে পরিবর্তনের ফলে যে নতুন জ্ঞানের উদ্ভব তাঁরা তা অর্জন করতে পারেনি কিংবা অর্জন করতে অক্ষম। এটাও বুঝে যে, এই জ্ঞানের সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করা ব্যতিত নেতৃত্ব দেয়া অসম্ভব। তাই সব অর্জনকেই তাঁরা ধর্মের গন্ডির মাঝে আবদ্ধ রাখতে চায়। তাঁরা বুঝাতে চায় বিজ্ঞান, ইতিহাস, অর্থনীতি সব তাঁদের ধর্মপুস্তকের জ্ঞানকে আবর্তন করে ঘূর্ণায়মান হচ্ছে। তাদের বক্তব্যকে প্রতিষ্ঠিত কর যেয়ে তারা বিজ্ঞান ও ধর্মকে মিলিয়ে নতুন একটা অবয়ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চালাচ্ছে। বিষয়টা অনেকট সুকুমার রায়ের হাঁস ও সজারু মিলিয়ে হাসজারু বানানোর মতো ছেলে হাসানো ছড়ার মতনই। বছরের পর বছর কঠোর প্রচেষ্টার ফলে প্রাপ্ত কোন বৈজ্ঞানীক আবিস্কারকে তাঁরা তাঁদের ধর্মপুস্তকের বর্ণনার আলোকে আবিস্কৃত বলে ঘোষণা দিতে কুন্ঠাবোধ করেন না। ঠিক সেই মুহুর্তে যদি কোন ব্যক্তি 'ধর্মপুস্তকেই যদি এর বর্ণনা দেয়া থাকে তবে ধর্মীয় কোন নেতা এর আবিস্কারক হলেননা কেন?' এ জাতীয় প্রশ্ন করেন তবে তৎক্ষণাৎই তাঁকে মুরতাদ বলে ঘোষণা করা হয় এবং এ ঘোষণাকে সমর্থন করার মত লোকের অভাব হয় না।
'ধর্ম প্রগতি বিরোধী' এ বাক্যটির প্রচলনে তথাকথিত এই ধর্মীয় নেতারাই দায়ী। বিশেষ যুগে, বিশেষ কারণে প্রবর্তিত ধর্মের আইনগুলো 'ঐশী বাণী' এই মিথ প্রতিষ্ঠিত করে তাঁরা নিজেদের স্বার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত। তাঁদের এই স্বার্থ উদ্ধারের প্রচেষ্টার কারণে ধর্ম আধুনীকতার বিরুদ্ধ শক্তিতে পরিনত হয়েছে। এই বিরোধের বেড়াজালে হারিয়ে যাচ্ছে ধর্মের মাধ্যমে কোন একসময়ে অর্জিত ঐতিহাসিক অর্জনগুলো। অথচ শুধু ইতিহাস বিবেচনায় নয় ধর্ম এখনও মানব সভ্যতার অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখতে পারেন যদি ধর্মীয় নেতারা যদি বাস্তবতা উপলব্ধি করে যুগের আলোকে এর পরিবর্তন তথা সংস্কার করেন। ধর্মে যে সমস্ত আইন-কানুন, রীতি-নীতি এ যুগে বেমানান বা অপ্রয়োজনীয় এগুলোকে পরিমার্জিত করে ধর্মকে বর্তমানের সামঞ্জস্য করতে পারেন। এতে করে নৈতিক শিক্ষার (যা সর্বযুগেই প্রযোজ্য) পাশাপাশি ধর্মের অন্যান্য আইন-কানুনগুলো পরিবর্তিত সমাজে ভূমিকা রাখতে পারবে এবং যুগের কাংখিত লক্ষ্য অর্জনেও সহায়ক হবে এবং সর্বোপরি ধর্মীয় নেতারা এর মাধ্যমে মানুষের চিন্তা-চেতনাকে হরণ না করে কিংবা কোনরকম জোর জবরদস্তি ব্যতিরেকেই সমাজে তাদের পুরাতন ইতিবাচক ভূমিকা বজায় রাখতে পারবেন।
মানুষের চিন্তা ও জ্ঞানের উৎকর্ষতার কারণে আস্তিকতার ঠিক বিপরীত মত হিসেবে নাস্তিকতার উদ্ভব হয়েছে। নাস্তিকরা নিজেদেরকে পরমত শ্রদ্ধাশীল, প্রগতিশীল ও আধুনীক চিন্তা-চেতনার ধারক ও বাহক বলে দাবী করে থাকেন। বস্তুবাদীতা, মানুষের মানবিক চাহিদা পুরণ এবং বর্তমান সময়কে কেন্দ্র করেই তাঁদের আবর্তন। তবে এক্ষেত্রেও একটি সীমাবদ্ধতা আছে। একজন আস্তিক যেখানে পরকালে সুখের আশায় কিংবা শাস্তির ভয়ে ইহকালে নিজেকে খারাপ প্রবৃত্তি হতে সংযত রাখার চেষ্টা করেন, সেখানে একজন নাস্তিক কিসের ভয়ে নিজেকে সংযত করবেন? যেহেতু তিনি পরকাল বিশ্বাস করেন না এবং যেহেতু তাঁর কোন জবাবদিহিতা নেই সেহেতু তাঁর পক্ষে অন্যায় করা কিংবা স্বেচ্ছাচারী হওয়া অস্বাভাবিক নয়। আর এরূপ স্বেচ্ছাচারী ব্যক্তিটি যদি সমাজ বা রাষ্ট্রের কোন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন তখনতো তার পরিনতি হবে আরো ভয়াবহ। এ ভয়াবহ অবস্থার উত্তরণ কেবল তখনই ঘটবে যখন নাস্তিকতাকেও একটি ধর্ম বা জীবনবোধ হিসেবে দেখা হবে। এ ধর্মের 'ঐশী বাণী' হবে নিজের বিবেকবোধ। বিবেকের বিশুদ্ধতা ছাড়া কোন ব্যক্তি নাস্তিক ধর্মের অধিকারী হতে পারবেন না। বিবেকের কাছে দায়বদ্ধহীন ঈশ্বরে অবিশ্বাসী ব্যক্তিকে স্রেফ ভোগবাদী বা স্বৈরাচারী হিসেবেই চিহ্নিত করা যেতে পারে।
ব্যক্তি হিসেবে আমার নিজস্ব একটা মত অবশ্যই আছে। তথাপি এ লেখাটিতে যথাসম্ভব নিরপেক্ষ থেকে নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে আস্তিকতা ও নাস্তিকতার সীমাবদ্ধতাগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। সীমাবদ্ধতা আরও থাকতে পারে কিংবা কোন মতবাদ অনুযায়ী সীমাবদ্ধতার হেরফের হতে পারে। তবে সার্বিক বিবেচনায় আস্তিকতা ও নাস্তিকতা এই দুই মতবাদকেই বাস্তব হিসেবে মেনে নিয়ে এ দু'য়ের সীমাবদ্ধতাগুলোকে দূর করার ব্যাপারে সকলেরই ব্রতী হওয়া উচিত। আমি নিশ্চিত সকলেই স্বীকার করবেন যে সীমাবদ্ধতাগুলো দূর হওয়া সময়ের দাবী এবং পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় একান্তভাবে কাম্য।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১৫ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বুঝলাম না। বুঝাইয়া বল।
দ্বিতীয়নাম বলেছেন:
খুব ভাল হইছে +
লেখক বলেছেন: অনেক, অনেক ধন্যবাদ।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
ভাল হইসে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। কাকেরা কি আস্তিক না নাস্তিক?
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
ফরহাদ ভাই কেমন আছেন?লেখাটা ভালো লাগলো যদিও আমি নাস্তিক নই ।ভালো কিছু পয়েন্ট উঠে এসেছে।এগুলো নিয়ে আরো আলোচনা হওয়া দরকার যারা ভালো জানেন তাদের কাছ থেকে।
***সাহেবহ্যাপি নামের এই ছাগুটার সমস্যা কি?
লেখক বলেছেন: ছাগুটা জায়গা অজায়গার ঘাস খাইতে খাইতে ডায়রিয়া হইছে। পাবনায় স্বাধীনতা তুমির কাছে সাপ্লাই দিতে হইবো।
মুহিব বলেছেন:
ও আচ্ছা আচ্ছা। পুরা ক্লিয়ার।
লেখক বলেছেন: ক্লিয়ার থাকন ভালা।
সীমান্ত আহমেদ বলেছেন:
সাহেবহ্যাপি আমারে ভাষার ব্যবহার না শিখায়া মাদ্রাসায় গিয়া মাখরাজ শিখাও আর গোআ র গুনাগুন বর্ণনা কর গা।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
খুব ভাল এবং সত্যিকারের নিরপেক্ষতার দৃষ্টি থেকে লিখতে চেষ্টা করেছেন। যদিও আমি বিশ্বাস করি নিরপেক্ষ বলে কিছুই নাই (এমনকি পাগল ও শিশুও নিরপেক্ষ না আস্তিকতা তখনই সমাজে বিপদ ডেকে আনে যখন তা মানবিকতাবাদ দিয়ে শুধু অন্ধ বিশ্বাসের উপরে চলতে থাকে। এই জাতীয় আস্তিক সমাজটাকে ধ্বংস করার জন্য দায়ী। এদের কর্ম ফল এমন কিছু নাস্তিকের সৃষ্টি করে যারা নাস্তিকতাকেও একধরণের বিশ্বাস জ্ঞান করে চলে এবং চরমে পৌছে যায়। সেই নাস্তিকও সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
আসল কথা হল মনটাকে খোলা রাখা। মন বেঁধে ফেললে সে আস্তিক না নাস্তিক তার কোন মূল্য নাই।
লেখক বলেছেন: একমত। এমন গঠনমূলক মন্তব্যই আশা করি। সাহেবহ্যাপি যদি আপনেরে দেইখা শিখত।
ধন্যবাদ।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
কাকেরা নাস্তিক।
লেখক বলেছেন: সৌদী আরব কিংবা ভ্যাটিকানের কাকেরাও?
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
একদিকে লোককে গালি দেয় অন্যদিকে নিজের জান্নাত ফিক্স এমন বিশ্বাস করে। ধর্মের বই দুইপাতা না উল্টায়া আসছে তর্কে নামতে।
রাঙা মীয়া বলেছেন:
কবি মাইকেল মেহেদী দ্বারা সাহেবহ্যাপীর দীর্ঘমেয়াদী মনোসমীক্ষন এর দাবী জানাই।
কাক ভুষুন্ডি বলেছেন:
হ রিসেন্ট এনসাইক্লোপেডিয়া ক্রোলেকটিকা ঘেটে দেখলাম ভ্যাটিকান, সৌদি সব কাকই নাস্তিক লেখক বলেছেন: গোলাম আজমের পোষা কাক মানে সাহেব হ্যাপীরাও কি নাস্তিক?
শুকলা দাস বলেছেন:
*** সাহেব হ্যাপির একটি পোস্ট আমার মন্তব্য ছিল এমন-শুকলা দাস বলেছেন: ভাই ধর্ম বিশ্বাস তো যার যার নিজের তাই না।অমুসলিমদের ধর্ম বিশ্বাস সম্পর্কে না জেনে নাস্তিক বলেন কেন?
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:০৭
লেখক বলেছেন: তুই আওয়ামীপন্থী বাকশালী প্রতিক্রিয়াশীল
সকল ব্লগারদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।আমার ধর্ম বিশ্বাসকে আঘাতকারী এই জামাতীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা কি নেয়া যায় বলুন?
লেখক বলেছেন: ও মনে করছে যারা ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করেনা তারাই নাস্তিক, তারাই আওয়ামী লীগার। এমন দুই একজন অমানুষ সব সমাজেই আছে। এদের মাঝেই আমাদের বেঁচে থাকতে হবে।
মানুষের আচরণে কষ্ট পেলে মন খারাপ করবেন। ওর মতো জানোয়ারের আচরণে কষ্ট পাওয়ার কিছু নাই।
ভালো থাকুন।
ইন্সপেক্টর বলেছেন:
সায়েবহ্যাপি সাহেব, ছাগোলের বাচ্চা জন্ম নেওয়ার সাথে সাথে তিরিং বিরিং করে লাফায় দেখসেন? আপনি কি ছাগোলের বাচ্চা? হলে কত নম্বর? আপনার ছাগমাতাকে জিজ্ঞাসা করে আমাদেরকে জানাবেন প্লিজ?
লেখক বলেছেন: অনেক, অনেক ধন্যবাদ। আপনাদের ভালবাসাই আমার লেখার ভিত্তি।
ইন্সপেক্টর বলেছেন:
আরে বর্বর ভাষা কোথায় ব্যবহার করলাম। আপনাকে বল্লাম আপনার ছাগমাতার কাছ থেকে জেনে আমাদের জানাতে যে আপনি উনার কত নম্বর সন্তান। আমার ইন্টুইটিভ ধারনা আপনি তিন নম্বর। প্লিজ মাইন্ড খাবেন না। @সাহেবহ্যাপি।
দুরের পাখি বলেছেন:
আপনার লেখাটি খুব ভালো লাগল ।তবে কিছু কিছু ব্যাপারে আমার দ্বিমত রয়েছে । সেগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করছি ।
সংস্কারের মাধ্যমে ধর্ম তথা আস্তিকতা যুগোপগোগী ও কল্যাণকর হয়ে উঠতে পারে ঠিকাছে । কিন্তু ধর্মগুলোর মূল খুজলে দেখা যাবে, সংস্কারের পর ধর্ম আর ধর্মই থাকছে না । ধর্মের মূল শক্তিই হচ্ছে তার অনড়তা, ধ্রুবতা । প্রত্যেকটি বড় ধর্মই (বৌদ্ধধর্ম বাদে) দাবী করে তা সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক প্রদত্ত । ঐ বিধানগুলো সৃষ্টিকর্তার বিধান, তিনি মানুষের জন্য যা কল্যাণকর ভেবেছেন তাই আইন হিসাবে দিয়েছেন । এখন আপনি যদি যুগের প্রয়োজনে ঐ বিধানগুলো পরিবর্তন করতে যান, তাহলে ব্যাপারটা কি দাড়াচ্ছে ? ব্যাপারটা এমন হচ্ছে নয় কি, যে সৃষ্টিকর্তা তখনকার মানুষের জন্য কি ভাল হবে তা ঠিকই বুঝেছেন কিন্তু ভবিষ্যতের মানুষের জন্য যে একই জিনিস খারাপ হবে তা বুঝতে পারেননি । ব্যাপারটা কিন্তু ঈশ্বরের সংজ্ঞাই পাল্টিয়ে দেয়।
এমন আখাম্বা ঈশ্বরের ধর্মে তো মানুষ বিশ্বাস করবে না ।
নাস্তিকের ভালো হবার জন্য কোনো কিছুর ভয়ের দরকার আছে ঠিকাছে, কিন্তু সেই কোনোকিছু যে অবস্তুগত কিছু হতে হবে, তা আমি মনে করি না।
সমাজের উৎপত্তি হয়েছে সমষ্টিগতভাবে । সামাজিক ও রাস্ট্রীয় আইন যদি সবার অধিকার ভালোভাবে রক্ষা করে যেতে পারে, তাহলে সে সমাজে আস্তিক বা নাস্তিক কারোরই খুব বেশী আকাম করার চান্স নাই ।
নাস্তিকের বিবেকবোধ খুবই মানবিক এবং কল্যাণকর ধারণা সন্দেহ নেই, কিন্তু এটি কখনোই একটি নির্ভরযোগ্য সমাধান নয় ।
আধুনিক সমাজ সকলের অধিকার রক্ষা করার চেষ্টা করে যান্ত্রিকভাবে, কারো বিবেকের উপর নির্ভর করে নয়। একটি সফল সমাজের লক্ষ্য হবে, কারো ব্যক্তিগত বিবেকের অভাব বা অনভাবে যেনো অন্যের অধিকারের কোনো বালও আসে যায় না ।
Peace !
লেখক বলেছেন: "সমাজের উৎপত্তি হয়েছে সমষ্টিগতভাবে । সামাজিক ও রাস্ট্রীয় আইন যদি সবার অধিকার ভালোভাবে রক্ষা করে যেতে পারে, তাহলে সে সমাজে আস্তিক বা নাস্তিক কারোরই খুব বেশী আকাম করার চান্স নাই"।
আপনার এই বক্তব্যে আমি একমত। আইনের শাসনই একমাত্র মানুষের অধিকার নিশ্চিত করতে পারে। কিন্তু আইন পুস্তকের বিষয়। এর প্রায়োগিক ব্যাপারের ব্যাখ্যা ব্যক্তির বিশ্বাসের উপরও নির্ভর করে। আপনি দেখবেন একই সংবিধানের ব্যাখ্যা কতজন কতভাবে দেয়।
সাহেবহ্যাপির মতো একজন আস্তিক যদি এই আইন প্রয়োগের ক্ষমতা পায় তাহলে আইনের গতিপথ কোথায় যাবে তাঁর ব্যাখ্যার প্রয়োজন নেই। তেমনি একজন ভোগবাদী নাস্তিক যদি আইন প্রয়োগের ক্ষমতা অর্জন করে তখন সে আইনকে কিভাবে প্রয়োগ করবে তাও সহজেও অনুমেয়।
আসলে সবার আগে প্রয়োজন সমাজ যাদের সমন্বয়ে গঠিত তাদের সর্বদা সচেতন থাকা। এ সচেতনতা নিজের অধিকার আদায়ে যেমন ব্যবহৃত হতে পারে, তেমনি অন্যের অধিকার যাতে হরণ না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখে। আর সার্বিক বিষয়টি অর্জনের জন্য আমার মতে প্রয়োজন ব্যক্তির বিবেকবোধ জাগ্রত হওয়া।
ধন্যবাদ।
ক-খ-গ বলেছেন:
এই লোক আমার ছবির পোষ্টেও অপ্রাসঙ্গিক ভাবে "নাস্তিকরা জারজ" ধরনের কমেন্ট করে আসছে। আমি বুঝতেছিনা কিছু। লেখক বলেছেন: না বুঝার কিছু নাই। ও হচ্ছে জামাতের পেইড ছাগু। যতো লেদাইতে পারবো ততো মাইনা বাড়ব।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, সবাই পাইতাছে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সাহেবহ্যাপিতো ভালই এনটারটেইন করছে। হাসতে হাসতে পেট ব্যাথ্যা। রামছাগল কোথাকার!!!!!!!!!
সজল বলছি বলেছেন:
এ বোধ উৎপন্ন হওয়ার কারণ খুব সম্ভবত আমার নাস্তিকতা এতোটা পরিপূর্ণ হয়নি অথবা আমি ততোটা ভাল নাস্তিক নই। আমি আস্তিক। তারপরো আপনাকে ধন্যবাদ। খুব সুন্দর লিখেন। আমি বলবো আপনি পরিপূর্ণ ভাবে নাস্তিক। আমি মনে করি যারা পরিপূর্ন ভাবে অস্তিক না আবার নাস্তিকও না তারা পৃথিবীর জন্য ক্ষতিকারক। তারা একে অন্যকে কটাক্ষকরে সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে। একজন মানুষ যখন পরিপুর্ণ ভাবে আস্তিক বা নাস্তিক হবে সে কাউকে কটাক্ষকরে কথা বলবেনা।
আপনার জন্য আমার লেখার একটি লিংক
Click This Link
আপনি আর আমি দুটি মতবাদের অনুসারী। আমার মতামত আপনার পছন্দ নাও হতে পারে।
লেখক বলেছেন: আপনার লেখাটি আমি পড়েছি। মোটেও একমত নই। আপনি কিভাবে বলতে পারলেন যে একজন নাস্তিক খালা, ফুফু এদের মতো আত্বীয় স্বজনদের সাথে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে? আপনার রুচিবোধ দেখে কষ্ট পেলাম।
মাঝে মাঝে এমন অভিযোগ দেখা যায় যে মাদ্রাসার হুজুর তাঁর ছাত্রকে বলাৎকার করেছে। বলাৎকারের বিধান কি ধর্মে আছে? নিশ্চয়ই নেই। তারপরেও একজন ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তি তা কেন করছেন? কারণ একটা ধর্ম সবাই পালন করে ঠিকই কিন্তু অল্প সংখ্যক লোক হয়ত তা মনে প্রাণে বিশ্বাস করে।
ফিরাখ রাইয়ান সুহান বলেছেন:
নিজামীর হাত ধরনের সিস্টেমটা জুইতের না। সয়াবীন আর পাম তেলের গন্ধ পাইতাছি।
রণক্লান্ত বলেছেন:
প্রিয়তে যোগ করা আছে। ব্যাস্ততায় কাল পড়া হয়নি।আপনার পোষ্টটা খুব ভাল লাগল (পোষ্ট হিসেবে)। যদিও কিছু বিষয়ে আমার মতভিন্নতা আছে তবু ভাল লেখা। বলে রাখা ভাল আমি আস্তিক তবে প্লীজ আস্তিক আর রাজাকারকে এক কাতারে ফেলবেন না কারন আমি যতদূর জানি বঙ্গবন্ধু নাস্তিক ছিলেননা। যারা এসব নিয়ে ফালতু বাক যুদ্ধ করে (আস্তিক-নাস্তিক) তারা সব্বাই আমার চোখে ছাগল যারা নেহায়েৎ গুঁতোগুঁতির উদ্দেশ্যই গুঁতোগুঁতি করে।
সম্ভব হলে পরে কোথায় কোথায় আমার ভিন্নমত তা বলার চেষ্টা করব।
আবারও ধন্যবাদ সুন্দর ভাষায় কিছু লেখার জন্য। (ব্লগে ইদানিং এই বিষয়ে ব্যবহৃত ভাষা কে কোন ভাবেই ভদ্র ভাষা বলা যায়না।)
লেখক বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ। আস্তিক হলেই রাজাকার কিংবা নাস্তিক হলেই আওয়ামী লীগার এটা ভাবার কোন অবকাশ নেই। যারা মুক্তিযুদ্ধ করেছেন, প্রাণ দিয়েছেন তাদের সিংহভাগই ছিলেন আস্তিক। বঙ্গবন্ধু নিজেও আস্তিক ছিলেন। তাঁর একটা ভাষণে তিনি মুসলমান, এই বলে গর্ব করেছিলেন। আস্তিকতাকে আমি কোন অবস্থাতেই খারাপ দৃষ্টিতে দেখিনি।
আসল কথা হচ্ছে ভাল মানুষ হওয়ার চেষ্টা করা। নাস্তিকতা কিংবা আস্তিকতার যাই বলিনা কেন তার ভিত্তি যদি হয় দেশপ্রেম, বিবেকবোধ, মানবতাবোধ তবে কোন সমস্যা হওয়ার কথা নয়।
ভিন্নমতের বিষয়ে আলোচনার অপেক্ষায় থাকলাম।
বাবুয়া বলেছেন:
আমি নাস্তিকতায় বিশ্বাসী নই।তারপরও বলছি-আপনার লেখায় অনেক সুন্দর যুক্তি আছে।এই প্রসঙ্গে বলাই বাহুল্য-নাস্তিকতায় শুধু মাত্র অনেক সুন্দর যুক্তি থাকে।আপনার লেখায়ও তার ব্যাতিক্রম নেই।সব চাইতে দুঃখ জনক হলো-বিদেশে আপনার মত মেধাবীরা ধর্মের জন্য, বিজ্ঞানের জন্য, শিক্ষা দানের মত মহতী কাজ করে-কিন্তু আমাদের দেশে আপনারা নাস্তিকতার কথা বলে, আস্তিকতার কথা বলে সময় ক্ষেপন করছেন!
আবারো বলছি-আপনার লেখা অপুর্ব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: বাবু ভাই, আমি খুবই দুঃখিত যে, আমি আপনাকে আমার লেখাটির ব্ক্তব্য অনুধাবন করাতে ব্যর্থ হয়েছি। এটা অবশ্য আমারই ব্যর্থতা। আমার লেখায় নিশ্চয়ই কোথাও ত্রুটি আছে।
আমি নাস্তিকতার পক্ষে কোন যুক্তি দেখাইনি বা দেখাতে চাইনি। আস্তিকতাকে খারাপও বলিনি। আমি বলেছি উভয় বিশ্বাসে কিছু সীমাবদ্ধতা আছে, যা দূর হওয়া প্রয়োজন।
আপনি বলেছেন, "সব চাইতে দুঃখ জনক হলো-বিদেশে আপনার মত মেধাবীরা ধর্মের জন্য, বিজ্ঞানের জন্য, শিক্ষা দানের মত মহতী কাজ করে-কিন্তু আমাদের দেশে আপনারা নাস্তিকতার কথা বলে, আস্তিকতার কথা বলে সময় ক্ষেপন করছেন!" কথাটি সত্য। কিন্তু, এই সময় ক্ষেপন করার পেছনে কারা অবদান রাখছেন। আজকে আমি যদি আমার বিশ্বাসের কথা এই ব্লগে না বলে রাস্তায় কিংবা জনসমক্ষে বলি, তাহলে আমি নিশ্চিত যে আমি সুস্থ শরীরে ঘরে ফিরতে পারব না। শুধু আমি নই, আমার পরিবারকেও একঘরে করা হবে। যদিও পরিবারের সবাই নিবেদিত আস্তিক। আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে, শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছু হলের নামকরণ নিয়ে তথাকথিত প্রতিক্রিয়াশীল আস্তিক ধর্মীয় গোষ্ঠী কি উম্মাদনার সৃস্টি করেছিল।
সত্যি কথা হচ্ছে, আমরা পরমতের প্রতি সহনশীল হতে পারিনি। আমাদের ধর্মীয় নেতারা এখনও ট্রাডিশনাল পথই অবলম্বন করছেন। ধর্মের বাইরের কোন বিষয়কে সহজে মেনে নিতে পারছেন না। বিদেশীরা জ্ঞান, বিজ্ঞানের এগিয়ে যাচ্ছে কারণ তাঁদেরকে এই প্রতিক্রিয়াশীল শ্রেণীকে মোকাবেলা করতে হচ্ছে না। কিন্তু আমাদের জাফর ইকবাল, সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীদেরকে পদে পদে পদে এসব প্রতিক্রিয়াশীরদের মোকাবেলা আগাতে হচ্ছে।
ধন্যবাদ।
বাবুয়া বলেছেন:
আমি কিন্তু আপনার লেখার সাথে এক মত। আমি বলিনি-আপনি নাস্তিকতার সাফাই গাইছেন। আপনি যেমন করে সুন্দর যুক্তি দিয়ে উপস্থাপন করেন-সব নাস্তিকরাই তেমন করে-বোঝাতে চেয়েছিলাম। আমি এখানে সামগ্রীক নাস্তিকতাবাদীদের কথা বোঝাতে চেয়েছি। ব্যাক্তি আপনাকে নয়।আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে পরমতে সহিশ্নুশীলতা আশা করি-সকল মতবাদে মতবাদীদের কাছে।
লেখক বলেছেন: "আমিও ব্যাক্তিগত ভাবে পরমতে সহিশ্নুশীলতা আশা করি-সকল মতবাদে মতবাদীদের কাছে"।
আমার মনে হয় এটাই সব মতের আল্টিমেট উদ্দেশ্য হওয়া উচিত।
বাবুয়া বলেছেন:
আপনার মধ্যে সেই দুরলভ গুনটা অবশ্যি আছে-যা আমি প্রথম থেকেই আপনার লেখায় এবং মন্ত্যব্যে দেখে আসছি।
লেখক বলেছেন: অনেক, অনেক ধন্যবাদ।
প্রণব আচার্য্য বলেছেন:
শয়তান বলেছেন: লেখায় আগের মতন টেস্ট ।অপেক্ষায় ছিলাম এই লেখাটার ।
কিছু বিষয়ে আলোচনা করা যেতে পারে.. সময় করে আসবো
লেখক বলেছেন: সেই সময়ের অপেক্ষায় থাকলাম।
লেখক বলেছেন: একটু সময় নিয়ে মন্তব্য করতে চাই।
কেএসআমীন বলেছেন:
লেখাটি ভাল...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আমিন ভাই।
অ রণ্য বলেছেন:
এমন একটা পোষ্টকে প্রিয়তে না রাখার কোন কারণই দেখছিনা বরং দেরি করে ফেলেছি বলে বেশ খারাপ লাগছেআপনার লেখাটা প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়েছি যদিও লেখাটা খুব-ই সুন্দর তবে বাস্তবিক কি নিরেপক্ষে বলে কিছু আছে ?
নেই যেমনটা বির্বতন বাদী বলেছেন...
আসলে ধর্ম বিশ্বাসটা আমাদের জন্মগত অনেকটা মজ্জাগতও সেটা মানুষের জন্য কোন অর্জন নয়, অথচ নাস্তিকতা (যেটা কোন বাদ নয়..আমার মতে আদর্শ) অর্জন করতে হয়..চরমভাবে
সম্ভবত রবীঠাকুরের একটা লেখায় পড়েছিরাম একজন নাস্তিকককেএকজন আস্তিকের জেয়ে অনেক বেশি আদর্শবাদী হতে হয়
আসলে অনেক কথা বলবার আঝে কিন্তু কাদের বলি সব হাদারামেরা ধর্ম ধর্ম করে মুখে ফেনা তুলে ফেলল অথচ ধর্মটাকেও যদি সেভাবে পালন করতে পারল ?
আমাদের তখা কথিত ধার্মিক একজন পতিতার থেকেও খারাপ কারণ সে তার কর্মে ও কথায় ষোল আনা পতিতা অথচ ধার্মিক গুলো ?
আশা করছি পরে আবার ফিরতে পারব
অনেক অনেক শূভকামনা
খুব ভাল হয়েছে লেখাটা
লেখক বলেছেন: "আসলে ধর্ম বিশ্বাসটা আমাদের জন্মগত অনেকটা মজ্জাগতও সেটা মানুষের জন্য কোন অর্জন নয়, অথচ নাস্তিকতা (যেটা কোন বাদ নয়..আমার মতে আদর্শ) অর্জন করতে হয়..চরমভাবে"
আপনার মন্তব্যের সাথে পুরোপুরি একমত। আমি নিজেও কিন্তু তাই বলেছি। আমি বলেছি বিবেকের বিশুদ্ধতা ব্যতিরেকে কাউকে নাস্তিক বলা যায় না, বড়জোর ভোগবাদী বলা যায়। নাস্তিকতা অবশ্যই অর্জনের বিষয়। নিজের অভিজ্ঞতা, শিক্ষা এবং মননের দ্বারা পুরনো বিশ্বাসকে পিছনে ফিলে এর দিকে ধাবিত হতে হয়। এবং যে বিশ্বাসটা আপনি পিছনে ফেলে আসছেন সেটা সাধারন কোন বিষয় নয়। এ বিশ্বাসের ভিত্তি হচ্ছেন তিনি যাকে এক সময় আপনি বিশ্বের সবকিছুর নিয়ামক বলে ভাবতেন। সেই নিয়ামককে অস্বীকার করার জন্য অবশ্যই যথেষ্ট অভিজ্ঞতা, সততা, সাহস এবং মনন দরকার।
অপরদিকে একজন আস্তিককেও কখনও খারাপ বা প্রতিক্রিয়াশীল ভাবি না। যদি না সে ধর্মের অপব্যবহার করে মানুষকে বন্ধী করে রাখতে চায়, মানুষকে তাঁর স্বাথসিদ্ধির নিয়ামক বানাতে চায়। ধর্ম মানুষকে নৈতিকতা শিক্ষা দেয়। এই নৈতিকতা আস্তিক, নাস্তিক উভয়ের জন্য প্রযোজ্য। ধর্মকে নিজ উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করে ধর্মের নৈতিক শিক্ষগুলো যে আস্তিক পালন করেন তিনি কখনও সমাজের বোঝা নন।
আসলে আস্তিক বা নাস্তিক আপনি যাই হোন না কেন আপনার বিশুদ্ধতার জন্য পরিমিত বিবেকবোধ। আস্তিক বা নাস্তিক উভয়েরই এটা প্রয়োজন।
ধন্যবাদ।
কেএসআমীন বলেছেন:
আসুন আমরা জাতি ধর্ম ভুলে একটি সুন্দর পৃথিবী গঠনে সচেষ্ট হই। যুক্তির মাধ্যমে কৃত আলোচনায় বেরিয়ে আসে অনেক গঠনমূলক সমাধাণ, আসুন আমরা সেই সব সমাধান নিয়ে সামনে এগিয়ে যাই। কোনো পারলৌকিক মূলোর পিছনে না ছুটে সামনে এগিয়ে যাই মুক্তচিন্তার বিকাশে।ধন্যবাদ লেখককে, কারণ আপনার ভিতর একটি যুক্তিপূর্ণ মুক্তচিন্তার মানুষ লুকিয়ে আছে যে কিনা সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে। পৃথিবীতে এমন মানুষের ভীষন প্রয়োজন। রণক্লান্ত...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
















তুমি কি পাগল হইছো?