স্বপ্নের নিগড়ে বাধি সেই দুঃসহ দিনের গাঁথা
অপাপবদ্ধ বক্ষে পার হওয়া সময়
লাভার উদগীরনে তাড়িত নগরীর মতো ।
তবু এখনও মনে হয়, তা তাজা ফূল
যেন এই মাত্র সে ফুটেছে, আমার বাগানে ।
হৃদয়ের অতলান্ত প্রহর থেকে
ঘৃণিত বাস্প বুমেরাং হয়ে ছুটে বের না
তাই আমি হয়ে যাই পুরাণে উল্লেখিত দেবদেবীদের একজনা
জুলেখার অন্ধচক্ষুর দ্যুতিতে জাগরুক এক অভিমানি আত্মা
মরুভুমির খরা পীড়িত পথি মধ্যে
জন্মান্তর পড়ে থাকা শুকনো প্যাপিরাস।
সাধনা করে পুনরায় যৌবন ফিরে পাওয়া তরুনী হতে চাই
গভীর আবেশে ভালবাসার আলিঙ্গনে
জড়িয়ে রাখতে চাই সে মুকুল
সেই কপট ভালবাসা আবারো হয় দু:সহ স্মৃতি
আমি বলি মৃত মানুষের অবয়ব
ভালবাসার মৃত মুখ, কফিন বদ্ধ
তবু আজো ভুলুন্ঠিত মনের জানালা খুলে দিলে
এখনও দেখি একঝাঁক প্রজাপতির রঙিন ডানা।।
দেখি নিস্তব্ধ বাগানের চারনভুমিতে চরে বেড়ানো রক্তচোষা
মাঝে মাঝে সেই রক্ত চোষার মতো মনে হয় তোমাকেও
রক্তচোষা চোখ দিয়ে শুষে নাও আমার সব লোহিত কনা
ঠোঁট অধিগ্রহনে নিয়ে নাও দেহের সবটুকু জমিন
যথেচ্ছ ঠোট দিয়ে শুষে নাও পুন: পুন: সবটুকু উত্তাপ
নিভিয়ে ঠান্ডা জলীয়বাস্প, বয়ে দিয়ে বাতাসে ।
আজো তা সুখ স্মৃতিতে
ঝাঁঝালো বাতাসে চোখের পাতা নির্জীব করে
মূদিত নয়নে দেখি
শাওয়ারের নিচে বেলজিয়াম গ্লাসে
প্রতারক মুখ শুষে নিচ্ছে
আত্মার শিকড় থেকে ভালবাসার রস
তার পর স্থানে স্থানে ছোপ ছোপ লাল দাগ
বর্ষণে ঘর্ষনে মাছের ঠান্ডা বিকার
অবস বিবস আমি আজো মুছতে পারিনি সেই চিহ্ন
প্রলেতারিয়েতে তাড়িত হয়ে ঘৃণা উবে যায়
স্নেহের উষ্ণতা স্নানে জিতে যায় মন।
মুস্টিবদ্ধ খন্ডিতায় স্বাপ্নিক জীবনটাকে
তবু উড়াই কবুতরের ডানায়
আর নিজে গৃহবন্দী নস্টালজিকাল লাল আগুনে পুড়ে হই ছারখার
এখন এ জীবনই তো ভাল লাগে আমার
এই নস্ট চোখের দৃস্টি প্রসারিত করে
আর অনুভুতিতে নিতে চাইনা
প্রজাপতির রঙিন ডানায় লেগে থাকা সবটুকু রেনু রং
যা এখনও লেগে আছে মনি বন্ধনে।
আমি আর ঘৃণা করিনা
ঘৃণা করতে ভুলে গেছি
প্রলুব্ধ হয়েছি বহুবার
কালক্ষেপনে ছিন্নভিন্ন জমিনে তোমার।
(কপি পেস্ট….. কাউকে অনুসরন করে লিখা।)
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুন, ২০১১ সকাল ৯:৪১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



