আমার প্রিয় পোস্ট

এডিট করুন

সরকারের ১০০ দিন

২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৩

শেয়ারঃ
0 0 0

বিগত জাতীয় নির্বাচন সংঘটিত হওয়ার পূর্বেই সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোর সাথে আওয়ামী লীগের দহরম মহরম দেখে বোঝা যাচ্ছিলো এবার আ. লীগই ক্ষমতায় আসছে। তো তাদের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে যতই "ডিজিটাল" আর "পরিবর্তনের" হিড়িক লাগানো হোক না কেন, আমরা যারা সচেতন, চারপাশে কি ঘটছে তার খোঁজ রাখার চেষ্টা করি তারা ঠিকই বুঝে নিয়েছিলাম যে এসব বুলি আমাদের চিরাচরিত নিয়ম অনুসারেই শোনানো হচ্ছে, তবে পরিমাণে একটু বেশী এই যা!

তবে দুঃখের বিষয় এইসব অতিরিক্ত আশ্বাসের ফুলঝুরি বাস্তবায়নের নাম নিশানা এই মুহূর্তে দেখা না গেলেও যেসব প্রয়োজনীয় বিষয় আ. লীগ বাস্তবায়িত করবে বলে মানুষ আশা করেছিল সেসব বিষয়েও বর্তমান সরকার তালগোল পাকিয়ে বসে আছে। আর সে দিক থেকে সাধারণের নজর ঘোরানোর জন্য সরকার অতিরিক্ত ঝামেলা আমদানী করছে যা দেশের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াচ্ছে।

১০ টাকায় চাল দেয়ার কথা বলে ক্ষমতায় এসে আওয়ামী লীগ বলা শুরু করল ২০ টাকার কমে চাল দেয়া সম্ভব না। আচ্ছা সে না হয় অর্থনৈতিক সমস্যা। পুঁজিবাদী অর্থ্নীতিতে এর বেশী কিছু করা সম্ভব না। কিন্তু যে সন্ত্রাসমুক্ত ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন তারা জনগণকে দেখিয়েছিল তা যে পুরোপুরিই ভাওতাবাজি, তা জনগণের কাছে পরিস্কার হয়ে উঠেছে। ফিরে এসেছেন জয়নার হাজারী , শীঘ্রই আসছেন আবুল হাসনাত আবদুল্রাহ, ডা. ইকবাল, শামীম ওসমান এর মত স্টার আওয়ামীলীগাররা। আদালতে থাকা মামলা গুলোতেও অনেকের জামিনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
এতো গেল বড়দের কথা। ছোটরাও কম যাননা। এই েছোটরা এখন ত্রাস ছড়িয়ে বেড়াচ্ছেন দেশের শিক্ষাঙ্গন গুলোতে। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ সব ভয়ে পালানোয় সম্প্রতি তারা নিজেদের মধ্যে পিটাপিটি করছেন। এই যখন অবস্থা তখন নেত্রী বাজারে ছাড়লেন তার যুগান্তকারী থিওরী। দল আর শিবিরের ক্যাডাররা নাকি তার লীগের মধ্যে ঢুকে এসব কান্ড করছে। হাহ্! প্রায় ৭ বছর পর আবার এতো ব্যাড জোকস শুনলাম। পুরোনো দিনের অনেক স্মৃতি মনে পড়ে গেল! ৭ বছর আগে এমনই অনেক উল্টপাল্টা কথা বলে বিখ্যাত হয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী। সেই একই কাজ তিনি আবারো শুরু করেছেন।


আর যে সোনামণি, খুকুমণিদের নিয়ে তিনি মন্ত্রীসভা বসিয়েছিলেন তাদের সমস্যা গুলো ক্রমেই প্রকটতর হচ্ছে। একজনের সঙ্গে অপরজনের কোন সমন্বয় নেই, খাপছাড়া কথাবার্তার জন্য অনেকেই ইতোমধ্যে সমালোচিত হয়েছেন,এদের একজনতো আবার পাগলা সামছুর মুরীদ! ডিজিটাল আওয়ামী লীগের ডিজিটাল মন্ত্রী বলে কথা! এরাই তো ডিজিটাল ধর্মনিরপেক্ষতার ধারক আর বাহক! ইসলামের বাস্তব সমাধান এদের পছন্দ হয়না কিন্তু এসব ভন্ডদের কাছ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান খুজতে এদের লজ্জা হয়না।

তো নানান মন্ত্রণালয়ে নানান মণিদেরকে বসানো হলেও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কিন্তু নিজের উপদেষ্টা হিসেবে ঠিকই ড. তৌফিক ই এলাহীর মত লোকদেরকে বসিয়ে নিয়েছেন। এই লোক আবার কিনা দেখাশোনা করছেন জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের! সরকারকে আর দোষ দেই কি করে। কিছু কম্প্রোমাইজ তো করতেই হবে। ওপারের বড়কর্তাদের সন্তুষ্ট না রাখতে পারলেতো আর দেশ চালানো যাবেনা। আফটার অল এরাই এ সরকারের জীবনদাতা, মৃত্যুদাতা, সরকারের ইলাহ! তাই আমাদের সাধারণ জনগণকে এসব সহ্য করে নিতেই হবে , তা আর যতবারই "মাগুরছড়া", নাইকো এসব শব্দ শোনা যাক না কেন।

তো বোঝা যাচ্ছে দিনবদল ঘটছে। বেশ ভালোভাবেই ঘটছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ্ সরকারী জায়গা আ. লীগের নেতা পাতি নেতাদের দখলে এসেছে।দখলে এসেছে ভার্সিটির হল গুলো, দখল আনা হচ্ছে প্রশাসনে। আর কী লাগে! দেশ ব্যাপী দিন বদলের মহোৎসব!!

আর কি লিখব? বিদ্যুৎ, অন্যান্য জিনিসের দ্রব্যমূল্য, ট্রানজিট, স্বাচিপ, খালেদা জিয়ার বাড়ি, বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ,মন্ত্রীর বিলাসী গাড়ি ইত্যাদি, ইত্যাদি। বলতে গেলে অনেক কিছুই বলা যায়।
তবে ব্যাপারটা কিন্তু এমন নয় যে আওয়ামী লীগ খালি মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছে আর মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করেছে। বরং এমন কিছু ব্যাপারও দেখানো যায় যেগুলো লীগের প্রতিশ্রুতির মধ্যে ছিল এবং তারা সেগুলো বাস্তবায়ন করার চেষ্টায় আছে এবং বাস্তবায়ন করবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

আওয়ামী লীগের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি গুলোর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গুলো শেখ হাসিনার অ্যাডভাইসর সজীব ওয়াজেদ জয়, নির্বাচনের কিছু পূর্বে কার্ল সিওভাক্কো নামক জনৈক মার্কিন সৈন্য কে নিয়ে লেখা তার stemming the rise of islamic extremism in Bangladesh নামক নিবন্ধে উল্লেখ করেছিলেন।
জয় ঐ প্রবন্ধে তার " পবিত্র" ধর্মনিরপেক্ষতাকে রক্ষা করার জন্য যে সেক্যুলার পরিকল্পনার আবিস্কার ঘটিয়েছিলেন, সেই সেক্যুলার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্য আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে কওমী মাদ্রাসা গুলোর দিকে তার কালো হাত বাড়িয়েছে। ১৯২৪ সালে তুর্কি খিলাফত পতনের পর ব্রিটেন আর ফ্রান্স মিলে মুসলিম ভূমি গুলোকে দখল করে নেয়। পরবর্তীতে ঐ সব দখলকৃত ভূমি থেকে ইসলামকে চিরতরে উচ্ছেদের জন্য তাদের নানাবিধ চক্রান্তের কথা ইতিহাসে এখনো লিখা আছে। তাদের ঐসব চক্রান্ত কিছ কিছু ক্ষেত্রে আংশিক সফলও হয়েছে। কিন্তু এই কওমী মাদ্রাসাগুলোর কারণে ভারতীয় উপমহাদেশে তাদের কোনো পরিকল্পনাই খাটেনি। ইসলামের সেবক এই কওমি মাদ্রাসা গুলোকে ধ্বংস করার চক্রান্ত তাই মানুষ ভালো ভাবে নেয়নি। যার দরুণ দেখা গেছে, পূবেৃ যাদেরকে আওয়ামী লীগ জঙ্গী আর খুনি বলে চিহ্ণিত করেছিল, তাদেরকেই শেখ হাসিনা ডেকে নিয়ে আলোচনায় বসিয়েছেন। তবে ওপারের দাদাদের কাছে নতজানু সরকার শেষ পর্যন্ত দাদাদের স্বার্থই রক্ষা করবে এমনটাই ধারণা করা যাচ্ছে।

তবে জয়ের নিবন্ধে এই কওমী মাদ্রাসা প্রসঙ্গটা এসেছে সেনাবাহিনী সম্পর্কে বলতে গিয়ে। বিডি আর ইস্যুতে সরকার জঙ্গী রব তুলে সেনাবাহিনীর ইমেজ নষ্টের যে চেষ্টা করেছেন তা মূলত শুরু হয়েছিল অনেক আগেই। ক্ষমতায় আসার আগেই জয় সাহেব গত ৭ বছরে সেনাবাহিনীতে কওমী মাদ্রাসার ছাত্র ভর্তির হার ৩৫ শতাংশ বেড়েছে এই মিথ্যা তথ্য দিয়েছিলেন। এই তথ্য জয় কোথায় পেলেন? তিনি নিজে এ বিষয়ে মুখ না খুললেও আমরা জানি এ তথ্য তার দাদাদের কাছ থেকে পাওয়া। ২০০৫ সালে এই "৩৫ শতাংশ" তথ্য ছাপিয়েছিল ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা।

বাংলাদেশের সেনাবাহিনী শক্তিশালী একটি সেনাবাহিনী। তবে তাতে কারো কোন সমস্যা হতনা যদিনা এই সেনাবাহিনী মুসলিম সেনাবাহিনী না হত। বাংলাদেশের সেনাবাহিনী মুসলিম সেনাবাহিনী এবং ইসলামের জন্য নিবেদিত। আর এটাই কাফির রাষ্ট্র ইন্ডিয়া আর আমেরিকার সবচেয়ে বড় দুঃশ্চিন্তার কারণ। এ দুঃশ্চিন্তা থেকেই বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীকে ধ্বংসের চক্রান্ত চলছে প্রতিনিয়ত। সশস্ত্র বাহিনীর মেরুদন্ড ভেঙে দেয়ার জন্য ক্রমাগত অপপ্রচার চালানো হয়েছে দেশের ভেতরে এবং বাইরে থেকে। ভারত আর তার এদেশীয় দালালরা সবাইকে এমন একটি ধারণা দেয়ার চেষ্টা করেছে যে বাংলাদেশের আর্মি জঙ্গীতে পরিপূর্ন। আর তার রেশ ধরেই কিছুদিন আগে কোন এক ইন্ডিয়ান দাবী তুলেছিলেন বাংলাদেশ আর্মিকে যাতে জাতিসংঘের মিশনে পাঠানো না হয় কারণ কোন জঙ্গীকে এ ধরণের মিশনে পাঠানো চরম ঝুঁকিপূর্ণ।

যাই হোক, জয়ের লেখায় ফিরে আসি। দেশে ৫০০গুণ বোরকা বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় জয় সাহেব খুব চিন্তিত। দেশ আফগানিস্তান হয়ে যাচ্ছে! এটা ঠেকাতে হবে! আর তার জন্য টাইট দিতে হবে আর্মিকে। কারণ আর্মির ভেতর ৩৫% জঙ্গি! আর এই মি ৩৫% দেরকে সরানোর জন্য বাস্তবায়ন করতে হবে সেক্যুলার প্ল্যান। প্রশ্ন হল আর্মির এই ৩৫% দেরকে সরিয়ে সেক্যুলার প্ল্যান বাস্তবায়নের জন্যই কি বিডিআর বিদ্রোহ ঘটানো হল?

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): আ. লীগ ;
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০
সজীব আসলাম বলেছেন: Fantastic... Outstanding... mindBlowing..
++++++++++++++++++++++++++++++++

অনেক দিন পর একটা মনের মত লেখা পেলাম।
সরাসরি প্রিয়তে।
২. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
আরেফিন রাফি বলেছেন: ধন্যবাদ। এতো তাড়াতাড়ি পড়ে ফেললেন?
৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪২
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: অসাধান লেখা । এটাকে স্টিকি করা হোক।

১০০ দিনেই প্রান যায় যায় আর ১ বছর গেলে যে কি হবে আল্লাহ মালুম
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫১

লেখক বলেছেন: হুমমমম.....সেটাই চিন্তার বিষয়।

৪. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৩
পাপড়ী বলেছেন: সা. ইনে লিখে লাভ নাই। এটাও আলীগে ভরা। ওরা সত্য পছন্দ করে না। ওরা জানে নোংরা পক্ষপাতিত্ব....
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩

লেখক বলেছেন: সেটা কোন সমস্যা না। আমার অভ্যাস হয়ে হয়ে গেছে। শুধু আপনারা সমর্থন দিয়ে গেলেই হবে।

৫. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
শাহ্‌রিন বলেছেন: দল আর শিবিরের ক্যাডাররা নাকি তার লীগের মধ্যে ঢুকে এসব কান্ড করছে। হাহ্! প্রায় ৭ বছর পর আবার এতো ব্যাড জোকস শুনলাম
জয়ের লেখায় ফিরে আসি। দেশে ৫০০গুণ বোরকা বিক্রি বেড়ে যাওয়ায় জয় সাহেব খুব চিন্তিত।
আর তার জন্য টাইট দিতে হবে আর্মিকে। কারণ আর্মির ভেতর ৩৫% জঙ্গি! আর এই মি ৩৫% দেরকে সরানোর জন্য বাস্তবায়ন করতে হবে সেক্যুলার প্ল্যান।........................
ভাই তথ্য গুলো মারাত্বক ।
তাহলে জয়ের ইচছা মেয়েরা আমিরিকান নারী রুপে নিজেকে সাজাক..............কঠিন চিনতা
৬. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
আরেফিন রাফি বলেছেন: হুমমমম.....কঠিন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৭. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
শিট সুজি বলেছেন: আবালের দল এক হইছে এবার
৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১২
রাজনীতিক বলেছেন: আচ্ছা, বোরকা পড়ার হার বেড়ে গেলে তো মুসলমানদের খুশী হবার কথা। তাহলে জয়ের পরিচয় কি?
২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮

লেখক বলেছেন: ভাদা. মানে ভারতীয় দালাল।

৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৬
শিট সুজি বলেছেন: লেখক বলেছেন "আমরা যারা সচেতন, চারপাশে কি ঘটছে তার খোঁজ রাখার চেষ্টা করি"

এই আমারা কারা?
১০. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৮
শিট সুজি বলেছেন: "বাংলাদেশের সেনাবাহিনী মুসলিম সেনাবাহিনী এবং ইসলামের জন্য নিবেদিত"

ইসলামের উন্নয়নে সেনাবাহিনীর অবদান একটু ব্যাখ্যা করতে পারলে ভাল হয়।
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৫

লেখক বলেছেন: আপনার দুইটা প্রশ্নের উত্তর একসাথেই দিচ্ছি। আমরা যারা সচেতন বলতে আমি যাদেরকে বুঝিয়েছি তাদের মধ্যে আর যেই হোক আপনি পড়েন না। কেননা, "ইসলামের জন্য ( উন্নয়ন নয়) সেনাবাহিনীর অবদান যার জানা নেই সে আর যাই হোক সচেতন হতে পারেনা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী যে ইসলামের জন্য নিবেদিত এটা বোঝার জন্য বেশী পড়ালেখা করার দরকার নেই । আপনি বিস্তারিত জানার প্রয়োজন বোধ করলে এই সামহ্যয়ার এই বাংলাদেশ সেনাবাহিনী লিখে কন্টেন্ট সার্চ দিলেই মনে হয় অনেক কিছু জানতে পারবেন। এ বিষয়ে অনেক কিছুই লেখা হয়েছে।

১১. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২২
আরেফিন রাফি বলেছেন: কারেন্ট চলে গেল!! আজকের মত বিদায়!!!! :-(
২৩ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: :-(

 

মোট সময় লেগেছে ২.৫৩৫৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই