আমার প্রিয় পোস্ট

এডিট করুন

বিশ্বমন্দা: বিপন্ন বাংলাদেশ, ইসলামের অর্থনীতির সমাধান।:১

০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৩

শেয়ারঃ
0 0 0

পুঁজিবাদ আমাদের বলে পৃথিবীতে সম্পদ সীমিত কিন্তু সম্পদের চাহিদা বেশী। তাই যত বেশী সম্পদ নিজের কুক্ষিগত রাখা যায় ততই মঙ্গল। এই জ্ঞানে অনুপ্রাণিত হয়ে পুঁজিবাদের ধারক ও বাহক দেশ গুলো তাদের জন্মের পর থেকেই অতিরিক্ত সম্পদ সংগ্রহের নিমিত্তে একের পর এক দেশকে নিজেদের করদ রাজ্যে পরিণত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছে এবং যাচ্ছে। তেল গ্যাসের অতিরিক্ত মজুদ গড়ে তোলার জন্য তারা ইসলামের বিরুদ্ধে ক্রুসেড শুরু করে মুসলমানদের সম্পদ সমৃদ্ধ এলাকা গুলো দখল করে নিয়েছে এবং নিজেদের পছন্দমতো দালাল শাসকদের বসিয়েছে। এককথায় পশ্চিমা পুঁজিবাদী রাষ্ট্রগুলো পুরো বিশ্বব্যাপী পরিকল্পিতভাবে যে অস্থিরতা সৃষ্টি করে রেখেছে তার একমাত্র কারণ এসব সম্পদ ভোগ ও দখল লাভের ইচ্ছা।

তবে যে মুসলমানরা হাজার হাজার বছর বিশ্বের মানচিত্রে সগৌরবে টিকে ছিল এবং বিশ্বকে নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছিলো তারা এত সহজে পরাজয় মেনে নেবে এমনটা ভাবাও বোকামী। লক্ষ্য করলে আমরা দেখতে পাবো যে নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য মুসলমানরা বিভিন্ন জায়গায় অনেকবারই কাফিরদের সাথে সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত হয়েছে। অনেক জায়গায় হয়তো তাদের নামকাওয়াস্তে জয়ও হয়েছে। কিন্তু দু:খের বিষয় এই তথাকথিত বিজয় দ্বারা কখনোই মুসলিম উম্মাহ পূর্বের সেই সম্মান, মর্যাদা আর শ্রদ্ধা ফিরে পায়নি। এর একটাই কারণ। আর তা হল, এক দিকে যখন মুসলমানরা কাফিরদের বিরুদ্ধে মুখোমুখি লড়াই করছে, ঠিক সে সময়ই তারা কাফিরদের সংস্কৃতি, অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, সামাজিক ব্যাবস্থা সহ অন্যান্য আইন কানুন সাদরে বরণ করে নিয়েছে। তারা ধরে নিয়েছিল যে আইন কানুন আর রীতি নীতি ব্যবহার করে পশ্চিমারা এত উন্নতি করেছে, তা নিশ্চয়ই তাদের জন্যও ভালো ফল প্রদায়ক হবে। এদের মধ্যে কিছু মুসলিম স্কলার ছিল যারা স্বল্পমূল্যে তাদের জ্ঞান বিক্রি করে এইসব হারাম চিন্তাভাবনাকে হালাল করার জন্য উঠে পড়ে লাগে।
ফলে যখন আল্লাহ (সুব.) বলছেন, "মুসলমানরা কাফিরদের থেকে শ্রেষ্ঠ, মানবজাতিকে পথ প্রদশৃন করানোর জন্যই মুসলমানদের আবির্ভাব ঘটানো হয়েছে, ইসলামই আল্লাহর একমাত্র মনোনীত দ্বীন" তখন মুসলমানরা সেসব কথা ভুলে থেকে কাফিরদের অনুসরণ করা শুরু করেছে। অর্থাৎ গোটা বিশ্বের যাদেরকে অনুসরণ করার কথা ছিল তারাই অপরের অনুসারী হয়ে পড়েছে।

মজার ব্যাপার হল, এইসব হারাম মেনে চলা যে এই দুনিয়াতেও সবসময় আরামের হয়না তার প্রমাণ আজকাল হরহামেশাই মিলছে। পুঁজিবাদী সংস্কৃতির কুপ্রভাব মানুষ ভোগ করতে শুরু করছে।
পুঁজিবাদ প্রদর্শিত ব্যাংক নির্ভর অর্থনীতি হারাম পন্থা সুদের উপর নির্ভরশীল। এছাড়াও ব্যাংকিং ব্যবস্থাটিকেও ঠিক হালাল বলা যায়না। তো এই ব্যাংক নির্ভর অর্থনীতি যে সাধারণ মানুষের জন্য খুব একটা সুখকর নয় তার প্রমাণ আমরা পাই পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ইতিহাসের দিকে তাকালে।


২০০৭ সালের ৪ এপ্রিল নিউ সেন্চ্ঞুরী নামক মার্কিন সাব প্রাইম মরগেজ ব্যাংক এর দেউলিয়া ঘোষণার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংকট শুরু। সংকটের শুরুটা হয়তো অনেক আগেই হয়েছিল তবে তা সাধারণের নিকট প্রকাশ্য হয় এই মরগেজ ব্যাংকটির দেউলিয়া হওয়ার পর। এরপর এক মাসের ব্যবধানে একে একে ২৫টি সাব প্রাইম মরগেজ ব্যাংক নিজেদের দেউলিয়া ঘোষণা করে। এক সপ্তাহের মধ্যে আর্থিক বাজারে ক্ষতির পরিমাণ দাড়ায় প্রায় ৮০০ বিলিয়ন ডলার। শুরু হয় তারল্য সংকট। হৃণ দেয়া বন্ধ করে দেয় অনেক বড় বড় ব্যাংক। আর এটাকেই বলা হয় credit crunch. আর এরপর শুরু হয় বড় বড় ব্যাংক গুলোর দেউলিয়া হওয়ার পালা। পুজিবাদী সরকার গুলো তার নিজস্ব নিয়ম ভঙ্গ করে ব্যাংক গুলোর মধ্যে হস্তক্ষেপ করে এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে জাতীয়করণ করে নেয়। এ কারণেই ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হিউগো শাভেজ আমেরিকান প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশকে কমরেড বুশ বলে ব্যাঙ্গ করতে দ্বিধা করেননি। এই অর্থনৈতিক সংকট আমাদেরকে আরেকবার দেখিয়ে দিল যে হারাম এবং ভ্রান্ত পথের অনুসারী পশ্চিমারা তাদের নিজস্ব বৈচিত্রের কারণেই আমাদের হাস্যরসের পাত্র। যাই হোক ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ৭০০ বিলিয়ন ডলারের মার্কিন আর ৫০০ বিলিয়ন পাউন্ডের বৃটিশ রেসকিউ প্ল্যান অনুমোদন করা হয়। শেয়ার বাজারের দরপতন অব্যাহত থাকে। এশিয়া, ইউরোপ আর মার্কিন শেয়ার বাজার গুলো এক বছরে প্রায় ৩০-৪০% সম্পত্তি হারিয়ে ফেলে। এটাই হল সারা বিশ্বে অর্থনীতিতে দীর্ঘ মেয়াদী মহামন্দার সূচনা। এরপর রেসকিউ প্ল্যান গুলোতে টাকার পরিমাণ বাড়তে থাকে। পুজিবাদী অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যের কারণে এই মহামন্দার প্রভাব লাগতে শুরু করেছে বাংলাদেশের মত গরীব দেশ গুলোর গায়েও। পোশাক আর শ্রম রপ্তানী নির্ভর বাংলাদেশ যে এখন একটি বড় ধরণের ঝুঁকির মধ্যে আছে তা বলাই বাহুল্য।
এই যখন অবস্থা তখন ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮ তারিখে প্রেসিডেন্ট বুশ তার জনগণকে ধৈয্য ধারণ করতে বলেন, এবং পুজিবাদী অর্থনীতির উপর আস্থা রাখার আহবান জানান।তিনি আরও বলেন এ ব্যাপারে সরকারের হস্তক্ষেপ করা জরুরী এবং এর সাথে প্রচুর অর্থ ও ঝুকি জড়িত।
এ নিমিত্তেই যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তার দেশের অন্যতম বৃহৎ ইন্সুরেন্স কোম্পানী AIG কে ৮৫ বিলিয়ন ডলার সাহায্য দেবার মাধ্যমে প্রায় ৮০% শেয়ার কিনে নেয়। যদিও এ ধরণের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা পুজিবাদী মুক্তবাজার অর্থ্নীতি মোটেও সমর্থন করেনা। পুজিবাদীরা এ সম্পর্কে যুক্তি দাড় করায় যে, এ সংকট তাদেরকে আর ও সমৃদ্ধ করবে এবং পুজিবাদী ব্যবস্থা এমন ভাবে তৈরী যে সে ব্যবস্থার মাধ্যমেই এ সংকট উত্তরণের কৌশল সন্নিবিষ্ট আছে। পুজিবাদের ধারক রাষ্ট্রগুলোর এমন বেহাল দশাই প্রমাণ করে যে পুজিবাদ একটি ভঙ্গুর ও ক্রুটিপূর্ণ জীবন ব্যাবস্থা। ২০০৮ সালের ২০ সেপ্টেম্বর মালয়েশিয়ার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মুহাম্মদ অর্থনৈতিক সংকট সম্বন্ধে আল জাজিরা টেলিভিশনে বলেন, " এগারো বছর আগে আমাদেরকে যখন অর্থনৈতিক সংকট গ্রাস করেছিল তখন তারা বলেছিল পুজিবাদী ব্যাবস্থা নিজেই এর প্রতিবিধান করবে। বাইরে থেকে হস্তক্ষেপের দরকার নেই।"(!!!!!!!) অথচ, পশ্চিমারা যখন একই সমস্যায় পড়লো তখন তাদের মুখে উল্টো কথার খই ফুটতে শুরু করলো! কতটা অসততার সাথে তারা তাদের পুঁজিবাদী দ্বীনের পক্ষে সাফাই গায়।!

যাই হোক, যদিও তারা বলে, যে এ সকল সমস্যা থেকে উত্তরণের "কলাকৌশল" পুজিবাদের মধ্যেই নন্নিবিষ্ট আছে প্রকৃতপক্ষে এই কলাকৌশল গুলো যে কি আসুন তার দিকে এবার একবার নজর দেয়া যাক।

পশ্চিমারা খুব ভালোভাবেই জানে আর্থিক লেনদেনের স্বচ্ছতা , জবাবদিহিতা, হিসাব রক্ষণ ব্যবস্থা কিংবা regulation এর মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবেনা। পুজিবাদের ইতিহাস সে কথা বলেনা। ১৯৩০ সালের অর্থনৈতিক মহামন্দা কেটেছে ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় অস্ত্র বিক্রির মাধ্যমে আর পরবর্তীতে সেই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার দ্বারা, ১৯৫০ এর সংকট কেটেছে কোরিয়ান যুদ্ধের দ্বারা, ১৯৬০ এর অর্থনৈতিক সংকট কেটেছে ভিয়েতনাম যুদ্ধের সাহায্যে, ১৯৭০ সালের সংকট কেটেছে সৌদি বাদশাহ ফয়সালকে হত্যা করে তেলের দাম কমানোর মাধ্যমে, ১৯৮০র মন্দা কেটেছে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিরুদ্ধে ঠান্ডা যুদ্ধে জয় পাওয়ার মাধ্যমে মধ্য এশিয়াে প্রাকৃতিক সম্পদ দখলের পর, ১৯৯০ এর সমস্যা সমাধান হয়েছে সিনিয়র বুশের নয়া বিশ্ব ব্যবস্থার প্রথম যুদ্ধ: মুসলমানদের বিরুদ্ধে প্রথম ইরাক যুদ্ধের মাধ্যমে।আর ২০০০ সালে সমস্যা কাটানোর চেষ্টার মধ্যে রয়েছে ২য় ইরাক যুদ্ধ। পরবর্তীতে war on terror নামে মুসলমানদের বিরুদ্ধে নব্য ক্রুসেড পরিচালনার মাধ্যমে। আর বর্তমান সমস্যার সমাধানের জন্য তাদের লক্ষ্য আশু পাকিস্তান আক্রমণ, প্রক্সি ওয়ারের মাধ্যমে ভারত পাকিস্তানের মধ্যে arm race শুরু করা। আমরা ইতিমধ্যেই দেখেছি প্রায় ৩০ বছর পুরোনো ভারতের বিরুদ্ধে অবরোধ উত্তোলনের মাধ্যমে ভারতকে neuclear fuel সরবরাহ যা ভারত পাকিস্তানের মধ্যে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করবে এবং আমেরিকার অর্থনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করবে। এছাড়াও রয়েছে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমানো, যাতে করে আমেরিকানদের জীবন নির্বাহের খরচ হ্রাস পায়। তাই আমরা দেখেছি ১৫০ ডলার ছুই ছুই তেলের দাম কত সহজে ৫০ ডলারে নেমে এল! এই of the Americans, for the Americans & by the Americans ব্যবস্থা এরপরেও নিজেদের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য আরও যা করবে তা হল তারা আরও বেশী পরিমাণে ডলার প্রসব করবে বা ছাপাবে যা তাদের সুবিধা নিশ্চিত করলেও বাংলাদেশের মত অনুন্নত দেশগুলোকে সমস্যায় ফেলবে কেননা সেক্ষেত্রে তাদের রিজার্ভে রাখা ডলারের মূল্য কমে যাবে।

তবে যেটা লক্ষ্যণীয় সেটা হল আজকের আমেরিকা সারা বিশ্বে সামরিক দিক থেকে একটি পরাজিত শক্তিতে পরিণত হয়েছে। তারা পরাজিত হয়েছে কূটনৈতিক ভাবে এবয় তাদের ফেরী করা রাজনৈতিক ব্যবস্থায় বিভিন্ন ভাবে অস্ত্রপাচার করা হচ্ছে। সত্যিকার অথ্যে বর্তমান আমেরিকা আরেকটি উন্নত, শক্তিশালী, আদর্শের জন্য পথ ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছে। পশ্চিমারাও এ সম্পর্কে ভালোভাবেই অবগত যে আপকামিং সেই পরাশকি্তটি হওয়ার বেশীরভাগ সম্ভাবনা রয়েছে ইসলামের। তাই পৃথিবীর জায়গায় জায়গায় আজকে মুসলিমরা চরম ভাবে নির্যাতিত হচ্ছে। কিন্তু কাফিররা হতাশ ভাবেই লক্ষ্য করছে যে যতআ তারা তাদের মুখ চেপে ধরার চেষ্টা করছে ততই কালেমা আর তাওহীদের বাণী ছড়িয়ে পড়ছে। লক্ষ্য কন্ঠ একসাথে গর্জে উঠছে:


MUSLIMS FOR LIFE!
come on!
MUSLIMS UNITE!!
come on!
RISE FOR ISLAM!!!
RISE FOR ISLAM!!!


আগামী পোস্টে সমাপ্য............

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): হিযবুত তাহরীরঅর্থনৈতিক মন্দাসেমিনার ;
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: ইসলামী অর্থনীতি ছাড়া সমাধান নাই। পুজিবাদী অর্তনীতি মানবতার জন্য হুমকি স্বরূপ।
২. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:১৩
শ।মসীর বলেছেন: ইসলামের অর্থনীতি নিয়ে জানার অপেক্ষায়।

প্রিয় স্কুলটি কেমন আছে এখন।
৪. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:২৬
দুরের পাখি বলেছেন: ২০০৭ সালের ৪ এপ্রিল মার্কিন সাব প্রাইম মরগেজ ব্যাংক এর দেউলিয়া ঘোষলার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংকট শুরু।





হোহোহোহোহো ।

সাব প্রাইম মরগেজ ব্যাঙ্কডা কুতায় ?
০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৩২

লেখক বলেছেন: হুমমম.... ধন্যবাদ। ছোট্ট একটা ভুল হয়েছিল। ঠিক করা হল। জিনিসটা হবে:
২০০৭ সালের ৪ এপ্রিল নিউ সেন্চ্ঞুরী নামক মার্কিন সাব প্রাইম মরগেজ ব্যাংক এর দেউলিয়া ঘোষণার মাধ্যমে অর্থনৈতিক সংকট শুরু।


অনেক ধন্যবাদ।

৫. ০৬ ই মে, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
নাজনীন১ বলেছেন: ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সবচেয়ে ভাল -- এটা আমরা বিশ্বাস করি, কিন্তু কোন্‌ দেশ আজ পর্যন্ত কবে , কিভাবে ইসলামী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কায়েম করে কতটুকু উন্নত, এবং ব্যালেন্সড হয়েছে --- এই ব্যাপারে কোন বাস্তব উদাহরণ কি দিতে পারবেন? এ প্রশ্নটা জানার আগ্রহ থেকে করা, তর্কের জন্য নয়। ওমর (রাঃ)-এর শাসনামল ছাড়া আর কোথায়? কারণ, ঐ সময় ইসলামের স্বর্ণযুগ ছিল।


আর ১৯৩০, ১৯৫০, ১৯৬০, ১৯৭০ সালে আর কেউ কেন পুঁজিবাদী অর্থনীতির দুর্বলতা বুঝতে পারেনি? ইসলাম তো তখনও ছিল। পশ্চিমারা পরাশক্তি হবার আগেও ইসলাম ছিল, কেন তারা তাদের প্রাধান্য ধরে রাখতে পারেনি, বলবেন কি?২০০৭ সালে এসে নতুন উপলব্ধি হলো যে পুঁজিবাদী ভাল না, ইসলামী ব্যবস্থা ভাল?


আসলে ইসলামের সব ব্যবস্থা ভাল, কিন্তু আমরা মুসলমানরাও পশ্চিমাদের মতো যেই লাউ, সেই কদু। ক্ষমতায় গেলে আমরাও আমাদের দায়িত্ব ভুলে যাই। সেই স্পেনে যখন মুসলমানদের সামনে কোরান পোড়ানো হয়েছিল, তখন তাদের টনক নড়েছিল, এর আগে ৭০০ বছর ধরে তারাও বিলাসিতায় ডুবে ছিল। ইউরোপের যে আধুনিক সভ্যতা মুসলমানদের তৈরী, আজ অন্যরা তা দখল করে নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য দখল করেছে -- সেও আমি বলবো মুসলমানদের দুর্বলতা।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৯৪১৯ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
চট্টগ্রাম কলেজিয়েট স্কুল থেকে
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই