টাইটেলঃ ক্লাসিফিকেশন অফ বিজয়ের আনন্দ
বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে সাধারন মুক্তিযোদ্ধা ও সাধারন জনগণের সাথে নেই রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রধানমন্ত্রী। তারা কখনও থাকেন না। কারন সাধারন জনগণের চেহারায় ও আয়োজনে কোন জৌলুস থাকে না হোকনা কোটি কোটি জনতার, সেখানে থাকে হাড় জিরজিরে গরীবের শিশুরা, শ্রমিক মুজুর পিতামাতা ।
তাঁরা যান কয়েক হাজারের ক্যান্টনমেন্টে, সেখানে শতকোটি টাকা (জনগণের টাকা) খরচ করে চোখ ধাঁধানো আয়োজন বসে, সেখানে প্রথম সারিতে প্যারেট করেন বিভিন্ন ডিগ্রী প্রাপ্ত সেনাঅফিসাররা, যেখানে সাধারন জনগণের উঁকি দেয়ারও অনুমতিও নেই।
এমনটা হওয়া ঠিক না। কথা ছিল যুদ্ধটা শেষ হলে, সবুজ ধানে ভরে যাবে মাঠ, কথা ছিল যুদ্ধটা শেষ হলে... অনেক অনেক কথা ছিল। শুনতে পান রাষ্ট্রপ্রধান ...
সারাদেশে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সরকারের ১০ হাজার টাকা অনুদান ও সেখানকার জনগণের লক্ষ লক্ষ চাঁদার টাকায় বিজয় দিবস পালন করা হয় আর এখানে জনগণকে বাইরে রেখে জনগণের কয়শত কোটি টাকা খরচ করা হলো তথ্য অধিকার আইন অনুসারে জনগণ ডিটেইল জানতে চায়।
এই জাতির নেতা আমলা ভিআইপিদের ভন্ডামী দেখতে দেখতে সমগ্র জাতি আজ ক্লান্ত। তরুণ সমাজ আজ এলিট ক্লাস মুক্ত বাংলাদেশ চায় যে স্বপ্ন বুকে নিয়ে লক্ষ তরুণ সেই বুকের রক্ত দিয়ে এনেছিল আজকের এই বিজয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

