আজ ঢাকায় শেষ হওয়া ইএশিয়া মেলায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব সুনিল কান্তি বলছেন দেশে বর্তমানে ইন্টারনেট ইউজার ১৫%
কি ভয়ংকর কথা ? ১৫% নেট ইউজার মানে প্রায় আড়াই কোট জনগণ। একই সাথে আপনারা সাবমেরিন ক্যবল ওয়েবসাইটের এক তথ্যে জানেন দেশে মোট ব্যান্ডউইথ ব্যবহারের পরিমান ১৫ জিবিপিএস। এর মানে দাড়ায় প্রতি ৫০ লাখ ইউজার শেয়ার করছে ৩ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথ। যদি এই পঞ্চাশ লাখের এক এক জন তিন মাসে একবারও লগওন করে তাহলে যেকোন সময় প্রতি জিবি ব্যান্ডউইথ অন্তত দশ হাজার জনে শেয়ার করে। তাহলে গড় গতি ১ কেবিপিএস। চিন্তা করুন দেশে ইন্টারনেট কন্ডিশন, কি দোজখের মধ্যে আছে। আড়াই কোটি জনগণের অস্ট্রলিয়ার মোট ব্যান্ডউইথ কত ? দক্ষিন কোরিয়ার কয়েক কোটি জনগণ ব্যবহার করতে পারে ২৫ হাজার জিবিপিএস!
আপনাদের বেকুব পেয়ে এরা কিরকম ডিজিটাল দোজখের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে চলেছে আপনাদেরই চোখের সামনে আপনাদেরই টাকা খরচ করে।
আবার যদি আপনার ডাটা সঠিক ধরে নেই তাহলে আরও দেখবোঃ ব্যান্ডউথ পার ইউজারে বিশ্বে রেকর্ড গড়লো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের চেয়ে নিম্ন মানে ব্যান্ডউথ পার ইউজারে বিশ্বে আর কখনও কোথাও ছিল না, এমনকি ৯০ এর দশকের শুরুতেও ইউরোপ আমেরিকায় ব্যান্ডউথ পার ইউজার এর পরিমান এর চেয়ে অনেক বেশি ছিল। আড়াই কোটি ইউজাররের জন্য যদি বরাদ্দ করেন ১৫ জিবিপিএস তাহলে ব্যন্ডউইথ পার ইউজার দাড়ায় ০.৬ কেবিপিএস আর ব্যান্ডউইথ পার কেপটা ০.১ কিলোবিট পার সেকেন্ড, এটুকু বোঝেন তো ? এই দিয়ে ডিজিটাল বানান, দেশের পাবলিকরে পাগল ও গর্ধপ পেয়েছেন, তাই না ? তাই বলি আপনাদের মত টালদের হাত থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশকে মুক্ত করার আগ পর্যন্ত এদেশে তথ্যপ্রযুক্তির অগ্রগতির শুরুই সম্ভব না।প্রতিদিন কেবলই আরও দ্রুত গতিতে দেশের ক্ষতি করা আরও দ্রুত পিছিয়ে পরা।
আজ আরেক মদন জিয়া উদ্দিন বিটিআরসির চেয়ারম্যান বলছেন বাংলাদেশে নেট ইউজার ২ কোটি।
প্রকৃতপক্ষে দেশে ইন্টারনেট পেনিট্রেশন ০.৯% যা পৃথিবীর সর্বনিম্ন।
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



