আমার প্রিয় পোস্ট

মায়ানগরের কড়চা

বরফ চাপা চৌরাস্তা

০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ রাত ২:২১

শেয়ার করুন:                   Facebook

তুষারপাত আমার একদম ভালো লাগে না। এক মার্কিন ছেলেকে বলেছিলাম এই কথা, আরো বলেছিলাম যে বরফের একমাত্র স্থান হলো ডীপ ফ্রিজের ভিতরে। এটা বলাতে ব্যাটা বেশ নাখোশ হয়েছিলো, পরে শুনেছিলাম ওর বাড়ি আলাস্কাতে।

যাহোক, ছবিটা দেখুন, গত রবিবার জানালার কাঁচটা তুলে গলা বের করে তুলেছিলাম। স্টপ সাইন বরাবর অংশটি রাস্তা, যদিও আশে পাশের সবকিছু একই রকম মনে হচ্ছে। আসলে স্টপসাইনের জায়গাটা একটা চৌরাস্তা। দেখে কি বুঝতে পারছেন সেটা?

এবছর বরফ নাকি গড়ে কম পড়ছে, কিন্তু এক দিনে সাড়ে চার ইঞ্চি বরফ পড়াতে এই দশা। তুলার মতো বরফ, উড়ে উড়ে আসাতে অনেক খানে আরো গভীর। বাসার সামনের অনেক স্থানে তো পা ফেললে প্রায় ১ ফুট দেবে যাচ্ছে। আর রাতের বেলা -১৫ সেঃ তো স্বাভাবিক তাপমাত্রা হয়ে দাড়িয়েছে।

গরম কালের অপেক্ষায় আছি। আপাতত শীতনিদ্রা যেতে পারলে মন্দ হতো না।

 

প্রকাশ করা হয়েছে: আমার ডায়েরিআমার দিনকাল  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০

 

  • ১৪ টি মন্তব্য
  • ৩৯৬ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ২ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৩৮
comment by: অতিথি বলেছেন: বলে দেয়াতে রাস্তাগুলো বোঝা যাচ্ছে!
২. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৪৩
comment by: রাগিব বলেছেন: তাই? বলুন তো, বেঞ্চগুলার সামনে না পিছনে রাস্তা?
৩. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৫০
comment by: অতিথি বলেছেন: বেঞ্চের সামনে কোনটা?

দুইটা সাইনবোর্ড যোগ করে একটা রেখা কল্পনা করা গেলে + স্টপ সাইন আর ফায়ার হোস পয়েন্ট যোগ করে আরেকটা রেখা কল্পনা করলে ---- এর মাঝে একটা রাস্তা আছে।

বেঞ্চ বরাবর গাছগুলো আর আরেকটু দুরের গাছগুলোর (লাল দেয়াল ওয়ালা ঘরের সাথে) মাঝ দিয়ে আরেকটা রাস্তা।

এই দুটো রাস্তাই চৌরাস্তাটায় মিলিত হয়েছে .... ঠিক আছে?
৪. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৮:৫৫
comment by: রাগিব বলেছেন: হু, ঠিক!!
৫. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:১৩
comment by: রংতুলি বলেছেন: -15তে ও বেঁচে আছেন !!!!
অথচ বাংলাদেশে +7 -এর উপরে তাপমাত্রা থাকার পরও মানুষ মারা যায় ।
আসলে কী মানুষ শীতে মরে না অভাবে মরে ?
৬. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:১৬
comment by: রাগিব বলেছেন: এটা আমিও ভেবেছি। এসব দেশে বাড়িগুলো কাঠের হয়, যা তাপ ধরে রাখে। আর হিটার তো আছে। অথচ গত মাসেই ১২ সে তাপমাত্রায় ঢাকার বাসাতে কাঁপতে হয়েছিলো। বাংলাদেশের বাড়িঘর আসলে ঠান্ডা সহ্য করার জন্য বানানো না। আমেরিকাতেও গৃহহীনেরা ঠান্ডায় মরে।


-১৫ কিন্তু আজকে দিনে দুপুরেও ছিলো। রাতে নেমে নেমে -১৯ পর্যন্ত গেছিলো। আমার দেখা সবচেয়ে কম হলো -২৫। তবে কানাডীয়দের কাছে সেটা ছেলেখেলা।
৭. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৪৪
comment by: অতিথি বলেছেন: ছবি দেইখা তো ডরাইসি.........

কাল কে কয়েক জনে পোস্ট দিল জীবনে প্রথম স্নো পরতে দেইখা মজা পাইসে।
৮. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৫৩
comment by: রাগিব বলেছেন: জীবনে প্রথম দেখে আমারও মজা লাগছিলো। কিন্তু দুই চার দিন দেখার পরে শখ মিটে গেছে। চোখেও রীতিমত ব্যথা করে বাইরে বেরুলে।
৯. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:২২
comment by: অতিথি বলেছেন: আমার বস ঠান্ডার জন্য দোয়া করে আর আমি গরমের । এই বছর মনে হয় শীত দেরী করে পড়বে।
১০. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৩
comment by: অতিথি বলেছেন: খুব সখ ছিল এই বছর জীবনে প্রথমবারের মত তুষারপাত দেখবো।

মিথিলা মরলো, মিথিলার ব্লগে নিউ ইয়র্কে বরফ পড়ল। আমি হালায় সেই বরফ পেলাম না!!
১১. ০৯ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ১০:৫৪
comment by: অতিথি বলেছেন: সখ=শখ
১২. ১০ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ সকাল ৯:৩০
comment by: অতিথি বলেছেন: এতো ঠান্ডায় মানুষ থাকে কিভাবে, আমার তো দেখেই ভয় লাগে। সিডনীই ঢের ভালো, এক্কেরে ঢাকার ওয়েদার।
১৩. ২১ শে এপ্রিল, ২০০৮ সকাল ১০:২৫
comment by: চিকনমিয়া বলেছেন: ছবিটাতো হেব্বি, ভালা লাগচে:)
২১ শে এপ্রিল, ২০০৮ দুপুর ১২:২৭

লেখক বলেছেন: এই বছর ঐরকম বরফ পড়েনি কখনোই একবারে, কিন্তু ঠান্ডাটা মাত্র গেলো। এই এপ্রিল মাস অবধি ঠান্ডায় ভুগেছি।

 

 


আমি রাগিব হাসান। ভুট্টা ক্ষেতের মাঝে বসে আমি গণক মশাইকে পাহারা দিতাম। আর পাহারা দেয়ার তরিকা নিয়ে গবেষণা করতাম।...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ