২০০৪ সালরে কথা। স্বামী আর দুই ছলময়েেেে নয়িে ফাহমদাি শরনরিেি সুখরে সংসার। কন্তুি হঠাৎ করইে ঘটে যায় একর্ ভয়াবহ দুঘটনা। রোড এক্সডন্টেিে মারা যান স্বামী। স্কুল পড়–য়া দুই ছলময়কেেেেে নয়িে শরনিি তখন দু চোখে অন্ধকার দখন।েে এখন চলবে কী কর?ে কে খাওয়াব-পরোব?ে কার কাছে গয়িে উঠবন?ে কাছরে কউে বলতে আছে কবলে এক বড়ভাই। কন্তুি ভাই সাফ জানয়িে দলন,িে আমার অবস্থা তো জানস,ি এর মধ্যে তোর আর তোর ছলময়রেেেে ভার নয়ো আমার পক্ষে সম্ভব না। নজিে কোনো চাকর-বাকরিি খুঁজে ন।ে প্রচ- হতাশায়, দুঃখে ভঙেে পড়নে শরন।িি পড়াশুনা বলতে ডগ্রিি পাশ করছন।েে কন্তুি এই দয়িে কি চাকরি হয়? প্রতবশিিে আপা তখন এগয়িে আসন।ে তনিি যর্ েকন্ডারগাটনিে স্কুলে পড়ান সখোনে একটি চাকরি জুটয়িে দন।ে মনে সাহস পান শরন।িি দুই রুমরে বাসাটা ছড়েে দয়িে এক রুমরে একটি অল্প ভাড়ার বাসায় ওঠন।ে সকাল থকর্েে দুপুর পযন্ত স্কুল। এতো সামান্য আয়ে কি আর সংসার চল?ে অনকে ভবেে বকলেি থকেে রার্ত নয়টা পযন্ত একটির্ শপং মাকটিরেে দোকানের্ সলস গোলরে চাকরি নলন।িে দুটো চাকরতিে খাটাখাটনি পড়ে অনক।ে সইে ভোরে উঠে নাস্তা বানয়িে ছলময়কেেেেে খাইয়ে নজিে যান স্কুল।ে দুপুরে ফরিে তাড়াহুড়ো করে রান্না সারন।ে তারপর বকলেি গড়াতইে দৌড়ার্ত হেয় মাকট।েে দুটো চাকররি আয়ে সংসার মোটামুটি চলতে লাগল। তর্ব রোর্ত পযন্ত মাকটেে কাজ করনে বলে লোকজন নানা বাজে কথা বলতে থাক।ে এভাবে এক বছর কাট।ে এদকিে বাচ্চাদরে সময় দতিে না পারায় পড়াশুনার বশে অবনতি হচ্ছে বুঝতে পরেে সদ্ধান্তি ননের্ সলস গোলরে চাকরটাি ছড়েে দবন।েে কন্তুি বললইে তো আর ছাড়া যায় না। ময়েে কদনি বাদের্ কলজেে ভতি হব।ে ছলটোে সভনেেে উঠছ।েে খরচ দনি দনি বড়েে চলছ।েে
বকলরিেে কাজটা বাদ দয়িে আর কী করা যায়? ভবেে দখলনেে একটু-আকটু আঁকাআঁকরি হাত যহতুেে রয়ছেে ব্লক-বাটকরেি কাজ করা যায়। এ কাজে ময়েে লুনাও সাহায্য করতে পারব।ে ভয়ে ভয়ে নমেে গলনেে কাজ।ে প্রথম দকিে খুব সমস্যা হলওে ধীরে ধীরে সফলতার মুখ দখলন।েে নজিে যে শপংি মলে কাজ করনে সখোনে ছাড়াও আস্তে আস্তে বভন্নিি হাউসগুলোতে কাজ সাপ্লাই দয়ো শুরু করলন।ে তনি মাসরে মাথায় ছড়েের্ দলনেি মাকটরেে চাকর।ি এখন কবলে স্কুল আর ব্লক-বাটকরেি কাজ। এক বছররে মধ্যইে এ কাজে ভালো সার্ড়া এবং আথকি সমৃদ্ধি এলো। পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে ময়ওেে মাকে যথষ্টে সহায়তা কর।ে
জীবনে স্বচ্ছলতার মুখ দখলনেে শরন।িি স্বামী মারা যাওয়ার পর যে তনিি নজকেিে নঃস্বি শূন্য ভবছলনেেিে আজ সইে তনিি ছলময়েেেে নয়িে ভালভাবে সাথে দনি কাটাচ্ছন।ে আত্মীয়-স্বজনরাও এখন শরনকিেি গুরুত্ব দন।ে দখো হলে সাহায্য চাওয়ার ভয়ে একসময় যারা শরনকিেি এড়য়িে চলতনে আজ তারাই যচেে এসে খাঁজখবরে নন।ে শরনিি এখন সুখ।ি স্বামী মারা যাওয়ার পর কারোর্ উপর নভরি না কর,ে নজরেি পরশ্রমেি একাই সংসাররে হাল ধরছন,েে দুই ছলময়েেেে নয়িে খয়পরেেে ভালো আছন।ে বললন,ে বধবাি বা স্বামী না থাকলে আমাদরে দশেে নারীদরকেে সবাই অসহায় ভাব।ে এটা ঠকি না। নজরেি উপর বশ্বাসি থাকল,ে পরশ্রমি করল,ে প্রতটিি নারীই পারে নজরেি পায়ে দাঁড়াত।ে

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


