লেস্টার জেমস পেরিস
দশম ঢাকা চলচ্চিত্র উৎসবে শ্রীলংকা থেকে এসেছিলেন সমারতœ দিসানায়েক। তার কাছেই জানতে পারি লেস্টার জেমস পেরিসের কথা। সমারতœ বললেন এশিয়ার তিন চলচ্চিত্র পরিচালকের খ্যাতি বিশ্বজোড়া। তাদেরকে ডাকা হয় ‘থ্রি এশিয়ান জায়ান্টস’ নামে। তারা হলেনÑ বাংলা চলচ্চিত্রের সত্যজিত রায়, শ্রীলঙ্কার লেস্টার জেমস পেরিস এবং জাপানের আকিরা কুরোসোয়া। সমারতœ দিসানায়েক মুখে লেস্টার জেমস পেরিসের কথা শুনে অবাকই হয়েছিলাম। ‘থ্রি এশিয়ান জায়ান্টস’-এর ভিতর পড়ে এমন বিখ্যাত পরিচালকের নামই জানিনা!
লেস্টার জেমস পেরিস শ্রীলঙ্কার কিংবদন্তী পরিচালক। তার জন্ম ৯ এপ্রিল ১৯১৯, কলম্বোর দেহিওলাতে। তার বাবা জেমস ফ্রান্সিস পেরিস ও মা অ্যান গাট্রুড উইনিফ্রেড জয়সুরিয়া। তাদের পরিবার ছিল রোমান ক্যাথলিক এবং ঘরে সবাই ইংরেজিতে কথাবার্তা বলত। সিংহলি সংস্কৃতির সঙ্গে লেস্টার জেমস পেরিসের সখ্যতা তার দাদির মাধ্যমে। আর চলচ্চিত্রের প্রতি তার আগ্রহের সূচনা থিয়েটারে যোগদানের মাধ্যমে। তবে তার ১১তম জন্মদিনে পাওয়া ৮ মিমি কোডাস্কো প্রজেক্টর গিফটটির কথা না বললেই নয়। এটি দিয়েছিলেন তার বাবা। চলচ্চিত্রের আগ্রহ তৈরিতে সেটা বড় ভূমিকা পালন করে। প্যারিস কর্মজীবন শুরু করেছিলেন সাংবাদিকতা দিয়ে। কিছুদিন রেডিও সিলন-এ বই আলোচনাও করেন।
লেস্টার জেমস পেরিসের প্রথম চলচ্চিত্র রেখাভা। ১৯৫৬-তে এটি মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটির গল্প খুব সাধারণ, গ্রাম্য কাহিনী নির্ভর। কিন্তু এই সাধারণ কাহিনীর চলচ্চিত্রটিই পুরো শ্রীলঙ্কান চলচ্চিত্রে বিপ্লব এনে ফেলে, আনে নতুন মাত্রা। বিদেশেও এটি বেশ সমাদৃত হয়। ১৯৬০-এ পেরিস বানান তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র সন্দেসায়া। তবে ১৯৬৪ সালে নির্মিত গ্যামপেরালিয়া চলচ্চিত্রটিই তাকে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি এনে দেয়। মার্টিন বিক্রমসিং-র একটি বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে চলচ্চিত্রটি নির্মিত। তিন তিনটি ফেস্টিভলে এটি পুরস্কৃত হয়। এরপর একের পর চলচ্চিত্র বানিয়েছেন পেরিস। বিশ্বের বিভিন্ন ফেস্টিভলে সেসব অনেক পুরস্কারও জিতেছে, আর উজ্জ্বল করেছে শ্রীলঙ্কান চলচ্চিত্রের মুখ। শুধু তাই নয়, লেস্টার জেমস পেরিসই হলেন সেই ব্যক্তি যিনি মূলত প্রথম শ্রীলঙ্কান চলচ্চিত্রকে বিশ্ব দরবারে পরিচিত করেছেন। শর্টফিল্ম ও ডকুমেন্টারিসহ পেরিস ২৮টিরও বেশি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। এবং বেশিরভাগ ছবির পরিচালনা তো বটেই চিত্রনাট্য ও প্রযোজকও তিনি নিজে ছিলেন।
এক কথায়, কেউ যদি জানতে চায়, পেরিসের চলচ্চিত্রের বৈশিষ্ট্য কী? তাহলে উত্তরে বলতে হবে শ্রীলঙ্কান সমাজÑএকেবারে গ্রাম্য পটভূমি এবং সেখানকার সাধারণ মানুষের জীবন, তাদের চারিত্রিক দ্বন্দ্বÑ এসবই তার চলচ্চিত্রের উপজীব্য বিষয়। পেরিসের সর্বাধিক প্রশংসনীয় অন্যান্য চলচ্চিত্রগুলো হলোÑ নিধানায়া, গলু হাদাওয়াথা, কালিউগয়া, আওারাগিরা, ইউগানথয়া।
এই মাসেই শ্রীলঙ্কান এই কিংবদন্তী তুল্য পরিচালক ৮৯-তে পা দিলেন। আমরা তার দীর্ঘ জীবন কামনা করি।
একজন বণিক, যিনি বদলে দিয়েছিলেন সমগ্র আরবের ইতিহাস

মরুভূমির মাঝে দাঁড়িয়ে পুরো আরবকে বদলে দেওয়ার স্বপ্ন দেতেন একজন মানুষ। শুনতে পাগলামি লাগে, তাই না? কিন্তু সেই মানুষটা যদি ছোটবেলা থেকে কাফেলায় কাজ করে থাকেন, যদি তিনি জানেন... ...বাকিটুকু পড়ুন
কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা যেভাবে আব্বাসীদের জন্য হুমকি হয়ে আসছে- কী হবে খালেদ মহিউদ্দিনের?
হোমো ইরেক্টাসদের প্রায় বিশ লাখ বছর আগের আগুনের ব্যবহার থেকে শুরু করে ছয় হাজার বছর আগের চাকা আবিষ্কার, ১৮৩১ সালের বিদ্যুৎ, গত শতাব্দীর অ্যান্টিবায়োটিক, আর এই সেদিনের ইন্টারনেট ও স্মার্টফোন—... ...বাকিটুকু পড়ুন
আসলে কেউ ফেরে না।
মৃতরা ফিরে আসে না।
ফিরে আসে তাদের ফেলে যাওয়া শূন্যতা,
চায়ের কাপের ধোঁয়া,
অধেক বলা কোনো কথা
অথবা হঠাৎ থেমে যাওয়া কোন সুর
যে প্রেম চলে গিয়েছিল,
সে আর কোনোদিন দরজায় কড়া নাড়ে না।
শুধু একদিন আয়নায়... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্য ড্রাগ কিং

সতর্কবার্তা: এটি একটি সম্পূর্ণ কাল্পনিক ক্রাইম ফিকশন। বাস্তব একটি অপরাধের কাঠামোর ওপর ভিত্তি করে পাঠকদের জন্য এর চরিত্র, নাম এবং স্থান পরিবর্তন করে গল্পটি সাজানো হয়েছে।
খুলনা... ...বাকিটুকু পড়ুন
সামুতে আবারও লিলিপুটিয়ানদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে
আমার গত পোস্টে আলামিন১০৪ নামের এক ব্লগার মন্তব্য করেছেন যে - "এ আই দিয়ে হুমায়ূন আহমেদের মতো লেখা যায়।"
তিনি এ আই-কে প্রম্পট দিয়েছিলেন ' হুমায়ুন আহমেদের মতো গল্প লিখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।